Tag: Misinformation

  • Indian Embassy Open House: চিনে ভারতবিদ্বেষী পোস্ট ও অপমানের অভিযোগ! বেজিংয়ে প্রথম ‘ওপেন হাউস’ ভারতীয় দূতাবাসের

    Indian Embassy Open House: চিনে ভারতবিদ্বেষী পোস্ট ও অপমানের অভিযোগ! বেজিংয়ে প্রথম ‘ওপেন হাউস’ ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনে বসবাসকারী ভারতীয়দের (Indian diaspora in China) সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে সম্প্রতি বেজিংয়ে প্রথমবারের মতো ‘ওপেন হাউস’ (Indian Embassy Open House) কর্মসূচির আয়োজন করে ভারতীয় দূতাবাস। সেখানে বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ভারতীয় নাগরিক, শিক্ষার্থী ও প্রবাসী প্রতিনিধিরা নিজেদের অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের একাধিক সমস্যার কথা তুলে ধরেন। আলোচনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় সোশাল মিডিয়ায় ভারত ও ভারতীয়দের বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা বিদ্বেষমূলক পোস্ট, বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং অপমানজনক মন্তব্যের বিষয়টি।

    অনলাইনে ভারতবিরোধী প্রচার নিয়ে উদ্বেগ

    প্রবাসীদের অভিযোগ, চিনের একাধিক জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতকে নিয়ে ভুল তথ্য, নেতিবাচক প্রচার এবং ভারতীয়দের লক্ষ্য করে অবমাননাকর মন্তব্য ক্রমশ বাড়ছে। তাঁদের মতে, এই ধরনের কনটেন্ট শুধু ভারতীয়দের ভাবমূর্তিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বরং সাধারণ মানুষের মধ্যেও ভুল ধারণা তৈরি করছে। তাই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান তাঁরা।

    আলোচনায় ভিসা, চাকরি ও পারিবারিক সমস্যাও

    শুধু অনলাইন বিদ্বেষ নয়, বৈঠকে ভিসা সংক্রান্ত সমস্যাও জোরালোভাবে উঠে আসে। চিনে বসবাসকারী ভারতীয়দের (Indian diaspora in China) একাংশ জানান, ভারতীয় পেশাদারদের জন্য কাজের ভিসা পাওয়া আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি অনেকের স্বামী বা স্ত্রীর চাকরির ক্ষেত্রে নানা বিধিনিষেধ থাকায় পরিবার নিয়ে দীর্ঘমেয়াদে চিনে বসবাস করাও চ্যালেঞ্জের হয়ে উঠছে। এসব সমস্যা নিয়ে দূতাবাসের হস্তক্ষেপ চান তাঁরা।

    কী জানাল ভারতীয় দূতাবাস?

    প্রবাসীদের বক্তব্য শোনার পর ভারতীয় দূতাবাসের কর্মকর্তারা আশ্বাস দেন, ভারতবিরোধী বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং অপপ্রচারের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে এবং প্রবাসীদের উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যাও যথাযথ কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে। ভবিষ্যতেও এই ধরনের সংলাপ চালিয়ে যাওয়ারও ইঙ্গিত দেয় দূতাবাস।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্যোগ?

    কূটনৈতিক মহলের মতে, বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করা এবং তাঁদের সমস্যার কথা শোনা যে কোনও দূতাবাসের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সেই দিক থেকে বেজিংয়ের এই ওপেন হাউস (Indian Embassy Open House) কর্মসূচি তাৎপর্যপূর্ণ। এর মাধ্যমে প্রবাসীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা সরকারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর মঞ্চ তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    নজরে ভবিষ্যতের পদক্ষেপ

    এই বৈঠকের পর প্রবাসী ভারতীয়দের প্রত্যাশা, ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা, কর্মসংস্থানের প্রতিবন্ধকতা এবং অনলাইনে ভারতবিদ্বেষী প্রচারের মতো বিষয়গুলিতে ভারতীয় দূতাবাস আরও সক্রিয় ভূমিকা নেবে। একই সঙ্গে নিয়মিত এই ধরনের ওপেন হাউস (Indian Embassy Open House) কর্মসূচি হলে প্রবাসীদের সমস্যার সমাধান আরও দ্রুত সম্ভব হবে বলেও মনে করছেন তাঁরা।

  • Jantar Mantar Protest: যন্তর মন্তর প্রতিবাদে সামিল ৪৮০-র বেশি পাকিস্তানি সোশাল হ্যান্ডল চিহ্নিত, সক্রিয় ছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময়ও!

    Jantar Mantar Protest: যন্তর মন্তর প্রতিবাদে সামিল ৪৮০-র বেশি পাকিস্তানি সোশাল হ্যান্ডল চিহ্নিত, সক্রিয় ছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময়ও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যন্তর মন্তরে চলা আন্দোলনকে (Jantar Mantar Protest) কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে ভুয়ো তথ্য, গুজব এবং সম্পাদিত ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ তুলল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। পুলিশের দাবি, এ কাজে পাকিস্তান থেকে পরিচালিত ৪৮০টিরও বেশি সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট (Pakistan Social Media Accounts) সক্রিয় ছিল। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় এই একই অ্যাকাউন্টগুলি সক্রিয় ছিল বলেও দাবি দিল্লি পুলিশের (Delhi Police)।

    ৪৮০-র বেশি পাকিস্তানি অ্যাকাউন্ট 

    বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) এক আধিকারিক জানান, বর্তমানে চলা আন্দোলনের (Jantar Mantar Protest) সুযোগ নিয়ে পাকিস্তান থেকে পরিচালিত একাধিক সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট গুজব, ভুয়ো পোস্ট এবং সম্পাদিত ভিডিও ছড়াচ্ছে।  পুলিশের দাবি, এখনও পর্যন্ত ৪৮০টিরও বেশি পাকিস্তান-ভিত্তিক সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট (Pakistan Social Media Accounts) চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলি থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই এই অ্যাকাউন্টগুলি ব্লক করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময়ও ছিল সক্রিয়

    দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) দাবি, এই একই সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলি ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীনও সক্রিয় ছিল। পুলিশের অভিযোগ, ওই সময়ের মতো এবারও উদ্দেশ্য একটাই- ভুল তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলা।

    ছাত্রদের উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা!

    পুলিশের দাবি, ভুয়ো পোস্ট, সম্পাদিত ভিডিও এবং নাম-পরিচয়হীন সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ধরনের তথ্য বা ভিডিও দেখে প্রভাবিত না হওয়ার জন্য ছাত্রদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)।

    গুজব ছড়াবেন না, তথ্য যাচাই

    সাধারণ মানুষের উদ্দেশে দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) আবেদন, সামাজিক মাধ্যমে কোনও তথ্য শেয়ার বা ফরওয়ার্ড করার আগে অবশ্যই তার সত্যতা যাচাই করতে হবে। পুলিশের বার্তা, ভুয়ো খবর বা গুজব ছড়াবেন না এবং সমাজবিরোধী শক্তিকে মানুষের আবেগকে কাজে লাগানোর সুযোগ দেবেন না।

    শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার রয়েছে

    দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) স্পষ্ট করেছে, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ বা আন্দোলন করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, এবং সেই অধিকারকে তারা সম্মান করে। তবে একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। তাদের বক্তব্য, শান্তি বজায় রাখা এবং যাচাই করা তথ্যের উপর ভরসা করাই বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে জরুরি।

  • Emergency History: জরুরি অবস্থা নিয়ে নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে অধ্যায়, গণতন্ত্রের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরল এনসিইআরটি

    Emergency History: জরুরি অবস্থা নিয়ে নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে অধ্যায়, গণতন্ত্রের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরল এনসিইআরটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় পাঁচ দশক আগে ভারতে জারি হওয়া জরুরি অবস্থা নিয়ে প্রথমবারের মতো নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে বিস্তারিত আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করল ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (NCERT)। নতুন সোশ্যাল সায়েন্স বই ‘Understanding Society: India and Beyond’-এ জরুরি অবস্থাকে ভারতীয় গণতন্ত্রের সামনে আসা অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বইটিতে উল্লেখ (Emergency History) করা হয়েছে, ওই সময় দেশের অধিকাংশ মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) স্থগিত করা হয়েছিল এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। এনসিইআরটির এক আধিকারিক জানান, নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে এই প্রথম জরুরি অবস্থা নিয়ে আলাদা অংশ যুক্ত করা হয়েছে। ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণার ৫০ বছর পূর্তির প্রেক্ষাপটে এই অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের।

    জরুরি অবস্থা ও গণতন্ত্রের ওপর প্রভাব (Emergency History)

    নতুন পাঠ্যবইয়ের সংশ্লিষ্ট অংশে বলা হয়েছে, “ভারতে গণতন্ত্রের সামনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছিল ১৯৭৫-৭৭ সালের জরুরি অবস্থার সময়। ১৯৭০-এর গোড়ার দিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর (Indira Gandhi) নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছিল। বেকারত্ব বৃদ্ধি, মূল্যবৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় তুমুল বিক্ষোভ দেখা দেয়।” বইটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের জুন মাসে ‘অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা’র কারণ দেখিয়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এই সময় অধিকাংশ মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের ওপর সেন্সরশিপ আরোপ করা হয় এবং বহু রাজনৈতিক নেতা ও সমাজকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। ফলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলি তীব্র চাপে পড়ে এবং নাগরিক স্বাধীনতা ব্যাপকভাবে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়।

    জয়প্রকাশ নারায়ণের আন্দোলন

    পাঠ্যবইয়ে (NCERT) জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছিলেন জয়প্রকাশ নারায়ণ। তাঁর (Jayaprakash Narayan) ভূমিকাও বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘লোকনায়ক’ নামে পরিচিত এই সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ ও রাজনৈতিক নেতা ছাত্র-যুব এবং সাধারণ নাগরিকদের সংগঠিত করেছিলেন। বিশেষ করে বিহার ও গুজরাটে তাঁর নেতৃত্বে গণআন্দোলন গড়ে ওঠে। বইটিতে আরও বলা হয়েছে, ১৯৭৭ সালে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করা হয় এবং সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পায়। সেই নির্বাচনে তৎকালীন শাসক দলের পরাজয় ভারতীয় গণতন্ত্রের শক্তি ও জনগণের মতামতের গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে (Emergency History)।

    গণতন্ত্রের সামনে অন্যান্য চ্যালেঞ্জও আলোচনায়

    জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গটি বৃহত্তর একটি অধ্যায়ের অংশ, যেখানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার শক্তি এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটিতে ভুয়ো খবর, বিভ্রান্তিকর তথ্য, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি, জননিয়ম লঙ্ঘন, দারিদ্র্য, আঞ্চলিকতাবাদ, সামাজিক বৈষম্য এবং লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যকে গণতান্ত্রিক চর্চার সামনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    নতুন বিভাগ

    নয়া সংস্করণের বইয়ে প্রথমবারের মতো ‘ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইউ’ (Democracy and You) নামে একটি বিশেষ বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে। এনসিইআরটির মতে, এই অংশের লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের পাঠের সঙ্গে বাস্তব জীবনের নাগরিক দায়িত্ব ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের সম্পর্ক বোঝানো। এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের ভূমিকা সম্পর্কে আরও সচেতন হতে পারবে।

    গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের ওপর জোর

    সংশোধিত পাঠ্যবইয়ে ভারতের দীর্ঘ গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাচীন ভারতীয় সমাজে গণতান্ত্রিক চর্চার উল্লেখ করে দেখানো হয়েছে, কীভাবে সেই ঐতিহ্য বর্তমান শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত (Emergency History)। এছাড়া গণতন্ত্রে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে একটি পৃথক অধ্যায়ও রাখা হয়েছে। সেখানে সংবাদমাধ্যমকে ‘গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ’ (Fourth Pillar of Democracy) হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। জনসাধারণের সমস্যাকে সামনে আনা, সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে (NCERT)।

    বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে ভারতের পরিসংখ্যান

    ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ব্যাপ্তি বোঝাতে বইটিতে বিভিন্ন তথ্য ও পরিসংখ্যানও দেওয়া হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালে দেশে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ছিল ৯৬.৮ কোটিরও বেশি। দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা বিপুল সংখ্যক ভোটকেন্দ্র এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের কাঠামোর কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

    তৃণমূল স্তরের গণতন্ত্র ও নারীদের অংশগ্রহণ

    পাঠ্যবইয়ের এই অধ্যায়ে তৃণমূল স্তরের গণতন্ত্রের বাস্তব উদাহরণ হিসেবেও কয়েকটি কেস স্টাডি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গুজরাটের একটি পঞ্চায়েত এবং ত্রিপুরার মহিলা-বান্ধব পঞ্চায়েতের উদাহরণের মাধ্যমে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকদের অংশগ্রহণের বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হয়েছে (Emergency History)। এছাড়া নারীদের ভোটাধিকার, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থাগুলিতে সংরক্ষণ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নারীদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ নিয়েও একটি পৃথক অংশ রাখা হয়েছে (NCERT)। এর মাধ্যমে নারী প্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে (Emergency History)।

  • LPG Refill Booking: ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে! গ্যাস বুকিংয়ের সময়সীমার কোনও পরিবর্তন হয়নি, সাফ জানাল কেন্দ্র

    LPG Refill Booking: ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে! গ্যাস বুকিংয়ের সময়সীমার কোনও পরিবর্তন হয়নি, সাফ জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলপিজি সিলিন্ডার রিফিলের (LPG Refill Booking) জন্য অপেক্ষার সময় পরিবর্তন হয়েছে, এমন ভুয়ো খবর ও সোশ্যাল মিডিয়ার দাবি খারিজ করে দিল পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কিছু প্রতিবেদনে (Misinformation) দাবি করা হয়েছে যে, গ্যাস বুকিংয়ের জন্য নয়া সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে—প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা (PMUY) সংযোগের জন্য ৪৫ দিন, প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা নয় এমন এক-সিলিন্ডার সংযোগের ক্ষেত্রে ২৫ দিন এবং প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা নয় এমন দুই-সিলিন্ডার সংযোগের জন্য ৩৫ দিন। মন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই ধরনের কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের বক্তব্য (LPG Refill Booking)

    মন্ত্রক জানিয়েছে, “বর্তমান রিফিল বুকিং সময়সীমাই অপরিবর্তিত রয়েছে এবং সংযোগের ধরন নির্বিশেষে শহরাঞ্চলে ২৫ দিন ও গ্রামীণ এলাকায় ৪৫ দিনই বহাল রয়েছে।” এই ব্যাখ্যাটি ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ উদ্যোগের অধীনে প্রকাশ করা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য হল গ্রাহকদের মধ্যে অযথা আতঙ্ক ছড়ানো রোধ করা। নাগরিকদের এমন ভ্রান্ত তথ্য বিশ্বাস বা প্রচার না করার এবং অযথা বা আতঙ্কিত হয়ে আগেভাগে রিফিল বুকিং (LPG Refill Booking) না করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

    উদ্বেগের কোনও কারণ নেই

    মন্ত্রক এও জানিয়েছে, দেশজুড়ে পর্যাপ্ত এলপিজি মজুত রয়েছে, সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই। সকলের জন্য সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করতে গ্রাহকদের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ীই রিফিল বুক করার অনুরোধ করা হয়েছে। এলপিজি সিলিন্ডার সহজেই ডিজিটাল মাধ্যমে বুক করা যায়। মাইএলপিজি (MyLPG) অ্যাপ, হোয়াটসঅ্যাপ, এসএমএস, আইভিআরএস বা সংশ্লিষ্ট তেল বিপণন সংস্থার পোর্টালের মাধ্যমে। এই সরকারি আশ্বাস সাম্প্রতিক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ও প্রতিবেদনের কারণে সৃষ্ট উদ্বেগ কমাতে (Misinformation) সাহায্য করবে, বিশেষত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অনিশ্চয়তার প্রেক্ষিতে (LPG Refill Booking)।

     

LinkedIn
Share