Tag: mohan bhagwat

mohan bhagwat

  • Mohan Bhagwat: ‘আদেশ নয়, আলোচনাই পথ’, যুবসমাজকে বোঝার আহ্বান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: ‘আদেশ নয়, আলোচনাই পথ’, যুবসমাজকে বোঝার আহ্বান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস ইস্যুকে কেন্দ্র করে ছাত্র আন্দোলনের আবহের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে নির্দেশ দিয়ে নয়, বরং আলোচনার মাধ্যমে বোঝাতে হবে। তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রয়োজন বিশ্বাস, স্নেহ এবং নিয়মিত সংলাপ। ‘বিশ্ব মঙ্গল্য সভা’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোহন ভাগবত বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে ভুল পথে পরিচালিত বা দিশাহীন বলে মনে করার কোনও কারণ নেই। বরং তাঁরা প্রশ্ন করতে শিখেছে এবং সেই প্রশ্নের যুক্তিসঙ্গত উত্তর দেওয়া বড়দের দায়িত্ব। তিনি বলেন, “আমাদের সময় ছিল নির্দেশ মানার যুগ। কিন্তু এখনকার প্রজন্ম প্রশ্ন করে। তাই তাঁদের যুক্তি দিয়ে বোঝাতে হবে, সময় দিতে হবে, ভালোবাসা দিতে হবে এবং নিয়মিত কথা বলতে হবে।”

    আস্থা অর্জনের একমাত্র উপায় হল সংলাপ

    আরএসএস প্রধানের মতে, নতুন প্রজন্মের আস্থা অর্জনের একমাত্র উপায় হল সংলাপ। তাঁর কথায়, “নির্দেশ নয়, আলোচনা। আদেশ নয়, ঐকমত্য—এই পথেই এগোতে হবে।” যদিও মোহন ভাগবত তাঁর বক্তব্যে সরাসরি দিল্লির চলমান ছাত্র আন্দোলন বা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভের উল্লেখ করেননি, তবে রাজনৈতিক মহলে তাঁর এই মন্তব্যকে বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে ছাত্রদের বিক্ষোভ চলছে। ২০ জুলাই সংসদ ভবনের কাছাকাছি এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। এদিকে, আরএসএস প্রধানের নীরবতা নিয়ে শুক্রবার প্রশ্ন তোলেন প্রবীণ আইনজীবী তথা রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বল। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, যন্তর মন্তরের ঘটনায় মোহন ভাগবতের নীরবতা তাঁর বক্তব্যের থেকেও বেশি অর্থবহ।

    আন্দোলনকারীদের দাবি কী?

    আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। তিনি শনিবার দুপুরেই ছাত্রদের ভবিষ্যত সুরক্ষার্থেই পদত্যাগ করেছেন। ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁস রুখতে কঠোর আইন আনার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সরকার জানিয়েছে, পরীক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতি ও প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। সিজেপি-র নেতৃত্বাধীন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকারের আলোচনার মধ্য দিয়েই বেরিয়ে এসেছে সমাধান সূত্র। এই পরিস্থিতিতে মোহন ভাগবতের ‘আদেশ নয়, আলোচনা; নির্দেশ নয়, ঐকমত্য’ বার্তাকে বর্তমান ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও নৈতিক আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • RSS: শতবর্ষ উপলক্ষে শাখা সম্প্রসারণে জোর, বেলগাভির বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা আরএসএসের

    RSS: শতবর্ষ উপলক্ষে শাখা সম্প্রসারণে জোর, বেলগাভির বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা আরএসএসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার কর্নাটকের বেলগাভিতে শেষ হল আরএসএসের (RSS) তিন দিনব্যাপী সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক (Prant Pracharak Baithak)। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এবং সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবালে। শুক্রবার শুরু হওয়া এই বৈঠকে মোট ২২৬ জন পদাধিকারী অংশ নিয়েছিলেন। সংঘের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মার্চের পর দেশের বিভিন্ন স্তরে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ শিবিরগুলির পর্যালোচনা করা হয় বৈঠকে। এ বছর দেশজুড়ে মোট ৮৩টি সংঘ শিক্ষা বর্গ এবং ১২টি কার্যকর্তা বিকাশ বর্গের আয়োজন করা হয়েছে। এসব প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেন সব মিলিয়ে ১৮ হাজার ৮৪২ জন স্বয়ংসেবক। শাখা পরিচালনা, সংঘের কর্মপদ্ধতি, গ্রামীণ উন্নয়ন, পরিবার জাগরণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ-সহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

    বৈঠকের আলোচ্যসূচি (RSS)

    বৈঠকে শাখা স্তরে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি আগামী সেপ্টেম্বর মাসে সর্বাধিক সংখ্যক নতুন শাখা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও পর্যালোচনা করা হয়। সংঘের শতবর্ষ উপলক্ষে ইতিমধ্যে সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন কর্মসূচির মূল্যায়নের পাশাপাশি বাকি নির্ধারিত কর্মসূচির পরিকল্পনাও বৈঠকে চূড়ান্ত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে উঠেছে, তাঁদের সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড এবং পঞ্চস্তরীয় সামাজিক রূপান্তরের উদ্যোগে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার কৌশল নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ২০২৬-২৭ সালের জন্য সরসংঘচালক মোহন ভাগবতের সফরসূচি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

    অযোধ্যার শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দির প্রসঙ্গ

    বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কিত একাধিক বিষয়ও বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে ছিল। বিশেষ করে জনশুমারিকে ঘিরে তথ্য, জনসংখ্যাগত ভারসাম্যহীনতা থেকে (RSS) উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ, মাদকাসক্তির ক্রমবর্ধমান ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে অগ্রাধিকারভিত্তিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি সন্ত শিরোমণি রবিদাস মহারাজের ৬৫০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির পরিকল্পনাও করা হয়েছে। বৈঠকে অযোধ্যার শ্রীরাম জন্মভূমি মন্দিরের দানবাক্সের অর্থ গণনায় অনিয়মের ঘটনায় উপস্থিত সকলেই গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, তীর্থ ক্ষেত্র ন্যাসের আবেদনের ভিত্তিতে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল এবং পুলিশের তরফে যে তদন্ত চলছে, তা দ্রুত চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছবে (Prant Pracharak Baithak)। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে এমন কোনও ঘটনা ঘটবে না, যাতে রামমন্দিরের প্রতি দেশ-বিদেশের কোটি কোটি ভক্তের গভীর (RSS) বিশ্বাসে টোল পড়ে।

     

  • RSS: আরএসএসের সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক শুরু, বেলগাভির সভায় শাখা সম্প্রসারণ, শতবর্ষ কর্মসূচিতে জোর

    RSS: আরএসএসের সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক শুরু, বেলগাভির সভায় শাখা সম্প্রসারণ, শতবর্ষ কর্মসূচিতে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার কর্নাটকের বেলগাভিতে শুরু হয়ে গেল আরএসএসের (RSS) বার্ষিক সর্বভারতীয় প্রান্ত প্রচারক বৈঠক।তিনদিনের এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে (Belagavi Meet) দেশজুড়ে শাখা সম্প্রসারণের গতি বাড়ানো, শতবর্ষ উপলক্ষে নেওয়া কর্মসূচির অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং আগামী এক বছরের সাংগঠনিক অগ্রাধিকার চূড়ান্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    বৈঠকে উপস্থিত মোহন ভাগবত (RSS)

    বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে, সমস্ত সহ-সরকার্যবাহ, সর্বভারতীয় বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, ক্ষেত্র প্রচারক, সহ-ক্ষেত্র প্রচারক, দেশের ৪৬টি প্রান্তের প্রান্ত প্রচারক ও সহ-প্রচারক এবং সংঘ-অনুপ্রাণিত বিভিন্ন সংগঠনের সাংগঠনিক মন্ত্রীরা। বৈঠকে তৃণমূল স্তরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চের পর দেশজুড়ে আয়োজিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ শিবিরের রিপোর্ট বেলগাভির বৈঠকে বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি শাখা স্তরে গৃহীত কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়নের অগ্রগতিও খতিয়ে দেখা হবে।

    আলোচ্য সূচি

    আরএসএসের শতবর্ষ উদ্‌যাপন উপলক্ষে দেশব্যাপী যে শাখা সম্প্রসারণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তার অগ্রগতি মূল্যায়নের পাশাপাশি আগামী দিনে আরও কীভাবে শাখার বিস্তার ঘটানো যায়, সেই কৌশলও নির্ধারণ করা হবে। এছাড়া শতবর্ষ উপলক্ষে ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হওয়া বিভিন্ন কর্মসূচির মূল্যায়ন এবং আগামী ২০ অক্টোবর বিজয়াদশমী পর্যন্ত নির্ধারিত বাকি অনুষ্ঠানগুলির পরিকল্পনাও এই বৈঠকে চূড়ান্ত করা হবে। বিজয়াদশমীর দিনই বছরব্যাপী শতবর্ষ উদ্‌যাপনের সমাপ্তি হবে। বৈঠকে মোহন ভাগবতের ২০২৬-২৭ সালের দেশব্যাপী সফরসূচি এবং সংঘের অন্যান্য সাংগঠনিক অগ্রাধিকার নিয়েও আলোচনা হবে (RSS)। এদিকে, কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির (কেপিসিসি) সভাপতি বি কে হরিপ্রসাদ বেলগাভিতে অনুষ্ঠিত আরএসএসের এই বৈঠক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বেলগাভিতে কেন এই বৈঠক হচ্ছে, তা আমি জানি না। কী ধরনের বিপর্যয় ঘটে, তা দেখা যাক। তারপর আমি এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেব।” অযোধ্যার রাম মন্দিরে চুরির ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “রাম মন্দিরে চুরির ঘটনার জেরে (Belagavi Meet) কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করছে (RSS)।”

     

  • Mohan Bhagwat: অগাস্টের শেষে প্রথমবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: অগাস্টের শেষে প্রথমবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অগাস্টের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো কানাডা (Canada) সফরে যেতে পারেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। যাঁরা তাঁর সফরের আয়োজন করছেন, তাঁদের একটি সূত্রের খবর ৩১ অগাস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর তাঁর কানাডা সফরের সম্ভাব্য সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সফরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। এই সফরে তিনি শুধুমাত্র টরেন্টো সফর করবেন। কানাডা সফরের আগে ভাগবত পাঁচ দিনের জন্য আমেরিকা সফরে যাবেন। সফরের শেষ দিনে নিউ ইয়র্ক সিটিতে একটি জনসভায় অংশ নেবেন তিনি। তার পরেই ভাগবত রওনা দেবেন টরন্টোর উদ্দেশে।

    আরএসএস কর্তার সফরসূচি (Mohan Bhagwat)

    টরন্টোয় প্রবাসী ভারতীয়দের একটি বড় সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন আরএসএস কর্তা। পাশাপাশি একাধিক বৈঠকেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। যদিও সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও করা হয়নি, তাই আয়োজকদের তরফে কেউই প্রকাশ্যে পরিচয় দিতে চাননি। কানাডা সফর শেষে ভাগবত যাবেন ব্রিটেন সফরে। আয়োজকদের দাবি, আরএসএসের আন্তর্জাতিক জনসংযোগ ও ভাবমূর্তি তুলে ধরার লক্ষ্যেই ভাগবতের এই সফরের আয়োজন করা হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, পশ্চিমি দেশগুলিতে, বিশেষ করে কানাডায়, আরএসএস সম্পর্কে যে ধারণা প্রচলিত রয়েছে, তা সংশোধন করাই আরএসএস কর্তার এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। তাঁর সফরে বিক্ষোভ দেখাতে পারে খালিস্তানপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠী। সেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কায় অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে (Mohan Bhagwat) বলেও জানিয়েছেন আয়োজকরা।

    ভারত-কানাডা সম্পর্ক

    উল্লেখ্য, এটি ভাগবতের প্রথম কানাডা সফর। এর আগে ২০০৫ সালে তৎকালীন আরএসএস প্রধান কেএস সুদর্শন কানাডা সফরে গিয়েছিলেন। তারপর কেটে গিয়েছে দু’দশকেরও বেশি সময়। এবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন বর্তমান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।আয়োজকদের একাংশের দাবি, কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর (Justin Trudeau) আমলে অবনতি ঘটেছিল ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। তাই আরএসএস কর্তার কানাডা সফরের উপযুক্ত পরিবেশ ছিল না। চলতি বছরের মার্চ মাসে ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হন মার্ক কার্নি। তার (Canada) পরেই উন্নতি হয় ভারত-কানাডা সম্পর্কের। তাই এবার ভাগবতের সফর (Mohan Bhagwat) বাস্তবায়িত হতে চলেছে বলে তাঁদের ধারণা।

     

  • Mohan Bhagwat: ‘‘জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: ‘‘জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ এপ্রিল ছিল আদি শঙ্করাচার্য জয়ন্তী। এই শুভ দিনে ত্রিপুরার মোহনপুর মহকুমার ফকিরমুরা গ্রামে মা ত্রিপুরেশ্বরীর উদ্দেশে উৎসর্গীকৃত মা সৌন্দর্য চিন্ময়ী মন্দিরের উদ্বোধন করা হল (Mohan Bhagwat)। চিন্ময় মিশন দ্বারা নির্মিত এই মন্দিরের উদ্বোধন সংস্থাটির ৭৫তম বার্ষিকীর সঙ্গে একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় (RSS)। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা, ছিলেন আধ্যাত্মিক নেতারাও।

    উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা (Mohan Bhagwat)

    আরএসএসের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি, মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল তথা ত্রিপুরা রাজবংশের জিষ্ণু দেববর্মণ এবং রাজমাতা বিভু কুমারী দেবী। অনুষ্ঠানের পর মন্দির প্রাঙ্গণে একটি ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে ভক্তি, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক অংশগ্রহণের এক অপূর্ব মিশ্রণ প্রতিফলিত হয়। এই সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে সরসঙ্ঘচালক আরএসএসের মোহন ভগবত, সমাজের দুর্বল অংশের জন্য চিন্ময় হরিহর বিদ্যালয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্য-সহ সমাজের প্রতি চিন্ময় মিশনের সেবার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    জ্ঞান বা পাণ্ডিত্যের সংজ্ঞা

    প্রধান অতিথি হিসেবে তাঁর ভাষণে  ভগবত জ্ঞান এবং প্রকৃত উপলব্ধির মধ্যে গভীর পার্থক্যের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, “জ্ঞান বা পাণ্ডিত্য বলতে কেবল বাগাড়ম্বর বোঝায় না, প্রকৃত জ্ঞান হল উপলব্ধি। গত দু’হাজার বছরে, বিশ্ব বিজ্ঞান থেকে সমাজতন্ত্র পর্যন্ত সব কিছু নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। তবুও আজ, তামাম বিশ্ব উপলব্ধি করছে যে সমগ্র বিশ্বের প্রয়োজন ভারতের বিশ্বদৃষ্টি এবং সনাতন ধর্মের পথনির্দেশনা।” তাঁর মতে, সনাতন ধর্ম বর্তমানে সমগ্র বিশ্বকে সঠিক পথ দেখাচ্ছে। মন্দিরের সামাজিক ভূমিকার ওপর জোর দিয়ে সরসংঘচালক বলেন, “মন্দির শুধু উপাসনার স্থান নয়, এটি ভারতীয় সামাজিক জীবনের কেন্দ্রবিন্দুও। বর্তমান যুগে শক্তির পাশাপাশি ভক্তিও প্রয়োজন (Mohan Bhagwat)।”

    ভাগবতের সতর্কবার্তা

    দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরসঙ্ঘচালক একটি সতর্কবার্তাও দেন। তিনি বলেন, “ভারতের বৈচিত্র্যের মধ্যেই ঐক্যের শক্তি নিহিত। কিন্তু ভারতের এই উত্থান থামাতে বহিরাগত শক্তিগুলি ক্রমাগত আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এ ব্যাপারে আমাদের সকলকে খুব সতর্ক থাকতে হবে।” অনুষ্ঠানের শুরুতে ত্রিপুরার রাজমাতা বিভু কুমারী দেবী ভারতের শাশ্বত ঐক্যের বার্তা দেন (RSS)। তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে বৈচিত্র্য থাকতে পারে, কিন্তু আমাদের সকলের মাতৃভূমি হল আমাদের ভারতবর্ষ।” তিনি প্রত্যেক নাগরিকের হৃদয়ে ভারতমাতার প্রতি আত্মসমর্পণের চেতনা জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানান। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা তাঁর ভাষণে সরসঙ্ঘচালক মোহন ভগবতের উপস্থিতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন (Mohan Bhagwat)।

    মন্দিরের স্থাপত্যের প্রশংসা

    মন্দিরের সুন্দর স্থাপত্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “এই মন্দিরটি শুধু ত্রিপুরার জন্যই নয়, সমগ্র ভারতের মানুষের জন্য আধ্যাত্মিকতা ও শ্রদ্ধার আলোকবর্তিকা হয়ে পথ দেখাবে।” মুখ্যমন্ত্রী চিন্ময় মিশনের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদানের এই মহান উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ত্রিপুরার রাজ্যপাল ইন্দাসেনা রেড্ডি বর্তমান ভোগবাদী সামাজিক ব্যবস্থায় চিন্ময় মিশনের ভূমিকার গভীর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “ত্রিপুরার মতো একটি সীমান্ত রাজ্যে এই (RSS) বিদ্যালয় ও মন্দির স্থাপন করা কেবল একটি ধর্মীয় কাজ নয়, এটি একটি অনন্য সামাজিক সংস্কার প্রচেষ্টা (Mohan Bhagwat)।”

     

  • Mohan Bhagwat: “সংস্কৃত ভাষা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “সংস্কৃত ভাষা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংস্কৃত (Sanskrit) ভাষা জানা আমাদের ভারতকে বুঝতে সাহায্য করে”, বললেন আরএসএসের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আজ, ২০ এপ্রিল ২০২৬-এ ডিডিইউ মার্গে সংস্কৃত ভারতীর কার্যালয় ‘প্রণবে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কথাগুলি বলেন তিনি। ভাগবত বলেন, “‘প্রণব’ নামে নতুন কার্যালয়ের এই উদ্বোধন একটি শুভ মুহূর্তে হচ্ছে। এটি আমাদের সবার জন্য আনন্দ ও উৎসাহের বিষয়। বিশ্বাস করা হয় যে অক্ষয় তৃতীয়ায় শুরু করা যে কোনও কাজ স্থায়ী ও সফল হয়।”

    সংস্কৃত ভারতের প্রাণশক্তি (Mohan Bhagwat)

    তিনি বলেন, “সংস্কৃত ভারতের প্রাণশক্তি, কারণ চিন্তা, জীবন ও সংস্কৃতির প্রাচীনতম জীবন্ত ঐতিহ্য এখনও এর মাধ্যমে বিদ্যমান। ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এমন এক ধারার প্রতিনিধিত্ব করে যা জীবিত ও জড়—সমগ্র বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে ধারণ করে। এই কর্তব্য পালন করতে হলে ভারতকে জানতে, গ্রহণ করতে এবং নিজেকে ভারতের অংশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” সমবেত শ্রোতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভাগবত বলেন, “সংস্কৃত একটি ভাষা হলেও, এটি শুধু ভাষা নয়। আপনি যদি সংস্কৃত জানেন, তবে যে কোনও ভারতীয় ভাষা বোঝা সম্ভব। ভারতে সংস্কৃত জাতির আত্মা, কারণ এটি চিন্তা, জীবন ও সংস্কৃতির প্রাচীনতম ঐতিহ্য, যা আজও জীবন্ত (Sanskrit)।”

    ভারত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য

    তিনি ভারতের দার্শনিক ধারণা ব্যাখ্যা করে বলেন, “ভারতের অস্তিত্ব শুধু ভৌগোলিক নয়, এটি কেবল রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সত্তাও নয়। ভারত একটি জীবন্ত ঐতিহ্য, যার ওপর জীবনের ধারাবাহিকতা নির্ভর করে।” সরসংঘচালক বলেন, “শৈশবে স্কুলে সংস্কৃত শেখা কঠিন মনে হত। পাঠ্যক্রমে ‘শ্লোক’ মুখস্থ করতে হত, যা ভাষাটিকে কঠিন বলেই মনে করাত। কিন্তু বাড়িতে যখন সেই একই শ্লোক শুনতাম, তখন তা আর কঠিন বলে মনে হত না।” আরএসএস কর্তা বলেন, “আজও এই সমস্যাটি রয়ে গিয়েছে। শিক্ষার্থীরা সংস্কৃতকে কঠিন মনে করে। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন? বাস্তবে ভাষা শেখার সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হল কথোপকথন, বই নয় (Sanskrit)।”

    কথোপকথনই ভাষা শেখার সেরা উপায়

    তিনি বলেন, “কথোপকথনই ভাষা শেখার সেরা উপায়, ব্যাকরণ নয়। আমি যখন ভারতের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করি, স্থানীয় ভাষার সব শব্দ না জানলেও মূল ভাব বুঝতে পারি। নিয়মিত শোনা ও বলার মাধ্যমে ভাষা স্বাভাবিকভাবে শেখা যায়। তাই ভাষা শেখার সর্বোত্তম উপায় হল সেই ভাষাভাষীদের মধ্যে থাকা, তাদের কথা শোনা এবং নিজেও বলা (Mohan Bhagwat)।” সংস্কৃত ভারতীর প্রশংসা করে ভাগবত বলেন, “এই সংগঠন অল্প সময়ের মধ্যে সারা দেশে সংস্কৃতের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সক্ষম হয়েছে এবং কথোপকথন পদ্ধতিতে ভাষাটিকে জনপ্রিয় করেছে।” তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে সমাজে সংস্কৃতের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির বড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতি মানুষকে তাদের সাংস্কৃতিক শেকড়ের সঙ্গে ফের যুক্ত করছে, ফলে সংস্কৃত শেখা ও বোঝার সুযোগ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।” তিনি বলেন, “নতুন কার্যালয় নির্মাণ অবশ্যই আনন্দের বিষয়। তবে মনে রাখতে হবে, কার্যালয় কাজের কারণ নয়, বরং কাজের বিস্তারের ফল।”

    সংস্কৃত সংরক্ষণ

    এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “অক্ষয় তৃতীয়ার পবিত্র দিবসে ‘প্রণব’ নামে সংস্কৃত ভারতীর নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনের খবর জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটি ভারতের জ্ঞান, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার পুনর্জাগরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ (Mohan Bhagwat)।” তিনি এও বলেন, “সংস্কৃত আমাদের প্রাচীন ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের বাহক। এর মধ্যে বিজ্ঞান, দর্শন-সহ নানা জ্ঞানের ধারাবাহিক প্রবাহ রয়েছে, যা মানবতার পক্ষে আশীর্বাদস্বরূপ। সংস্কৃতের (Sanskrit) মহিমা অসীম।” প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, গত ১১ বছরে সংস্কৃত সংরক্ষণ ও প্রচারে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং নতুন শিক্ষা নীতিতে ভারতীয় ভাষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    সংস্কৃত ভবিষ্যতেরও ভাষা

    তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আমি ‘সুভাষিত’ শেয়ার করে শাস্ত্রের জ্ঞান মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি। তরুণদের মধ্যে এ বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে। সংস্কৃত শুধু অতীতের ভাষা নয়, বর্তমান এবং ভবিষ্যতেরও ভাষা।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভাষার শিক্ষা ও প্রসারের মাধ্যমে ভারতের সাংস্কৃতিক (Sanskrit) আত্মা নতুন শক্তি লাভ করবে। সংস্কৃত ভারতীর সকল কর্মীদের নিষ্ঠা এবং সংস্কৃত ভাষার উন্নয়নে তাঁদের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয় (Mohan Bhagwat)।” তাঁর আশা, ‘প্রণব’ কার্যালয়ের উদ্বোধন এই যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।

     

  • RSS: কান্দাকুর্তিতে ‘স্ফূর্তি মন্দির’ উদ্বোধন করলেন ভাগবত, আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা হেডগেওয়ারের পৈতৃক গ্রামে বিশেষ অনুষ্ঠান

    RSS: কান্দাকুর্তিতে ‘স্ফূর্তি মন্দির’ উদ্বোধন করলেন ভাগবত, আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা হেডগেওয়ারের পৈতৃক গ্রামে বিশেষ অনুষ্ঠান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক ডঃ মোহন ভাগবত তেলঙ্গনার নিজামাবাদ জেলার কান্দাকুর্তিতে নবনির্মিত ‘স্ফূর্তি মন্দির’ (Spoorti Mandir) উদ্বোধন করেছেন। উল্লেখ্য, এই কান্দাকুর্তি গ্রামটি আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ডঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের পৈতৃক ভিটে।

    দেশপ্রেমের প্রেরণা জোগায় (RSS)

    শনিবার আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি আরএসএস (RSS) প্রতিষ্ঠাতার আদর্শ এবং জাতির প্রতি তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন। ভাগবত বলেন, “কান্দাকুর্তি কেবল একটি গ্রাম নয়, এটি ত্যাগের একটি পবিত্র স্থান যা দেশপ্রেমের প্রেরণা যোগায়।”

    ঐতিহাসিক গুরুত্ব

    কান্দাকুর্তি গ্রামটি গোদাবরী, মঞ্জিরা এবং হরিদ্রা নদীর ত্রিবেণী সঙ্গমে অবস্থিত। হেডগেওয়ারের পূর্বপুরুষরা এখান থেকেই নাগপুরে চলে গিয়েছিলেন। নবনির্মিত এই স্মারক ভবনটি ডঃ হেডগেওয়ারের জীবন এবং তাঁর প্রদর্শিত পথের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। এটি সাধারণ মানুষের মধ্যে সেবামূলক কাজের অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ভাগবতের বার্তা

    সরসঙ্ঘচালক ভাগবত (Mohan Bhagwat) তাঁর ভাষণে জোর দিয়ে বলেন যে, ডঃ হেডগেওয়ার চেয়েছিলেন ভারত যেন বিশ্বগুরুর আসনে অধিষ্ঠিত হয়। আর সেই স্বপ্ন পূরণে প্রত্যেক নাগরিককে চরিত্র গঠন এবং সমাজ সেবায় মনোনিবেশ করতে হবে। অনুষ্ঠানে আরএসএস-এর (RSS) পদস্থ কার্যকর্তারা ছাড়াও বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী এবং স্বেচ্ছাসেবক উপস্থিত ছিলেন। কান্দাকুর্তিতে এই স্মারকটি নির্মাণের ফলে গ্রামটি আগামী দিনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কর্মীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ডঃ হেডগেওয়ারের পৈতৃক ভিটেবাড়িটিকে সংরক্ষণ করার পাশাপাশি সেখানে বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

  • Bangladesh: ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ায় ‘মাজার’ প্রধানকে কুপিয়ে-পিটিয়ে খুন

    Bangladesh: ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ায় ‘মাজার’ প্রধানকে কুপিয়ে-পিটিয়ে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে একটি মাজারে হামলা চালিয়ে প্রধানকে (Sufi shrine) পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে উত্তেজিত জনতা। শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬ দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম শামীম রেজা (৫৫), যিনি এলাকায় ‘জাহাঙ্গীর’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ফিলিপনগর ইউনিয়নের ওই মাজার পরিচালনা করতেন। অভিযুক্তরা সকলেই কট্টরপন্থীর সমর্থক বলে জানা গিয়েছে।

    ঘটনার বিবরণ (Bangladesh)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে একদল লোক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শামীম রেজার (Sufi shrine) মাজারে হামলা চালায়। হামলাকারীরা সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পর আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় আস্তানার ভেতরে থাকা শামীম রেজাকে তারা নির্বিচারে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।  হামলায় তাঁর আরও কয়েকজন অনুসারীও জখম হয়েছেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    দৌলতপুর (Bangladesh) থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি আরিফুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভিডিওটি পুরনো বলেই মনে হচ্ছে, তবে সেটি নতুন করে সামনে আসায় এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    তিনি আরও জানান, শামীম রেজাকে (Sufi shrine) এর আগে ২০২৩ সালের মে মাসেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আবারও তাঁর কার্যক্রম শুরু করেছিলেন।

    কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “পুরানো একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।”

  • Ranveer Singh: নাগপুরে আরএসএস দফতরে রণবীর সিং, কেন জানেন?

    Ranveer Singh: নাগপুরে আরএসএস দফতরে রণবীর সিং, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস কর্তা মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জের তারকা অভিনেতা রণবীর সিং (Ranveer Singh)। তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শুক্রবার তিনি গিয়েছিলেন নাগপুরে, বিজেপির সদর কার্যালয়ে (Mohan Bhagwat)।  সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভগবতের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় অভিনেতা সাদা কুর্তা-পায়জামা পরেছিলেন। জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল ৪টা নাগাদ বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছন ধুরন্ধরের তারকা। সেখান থেকে তিনি সোজা চলে যান নাগপুরে, আরএসএসের সদর দফতরে। সেখানে তিনি ছিলেন ঘণ্টা দেড়েক।

    ভগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ (Ranveer Singh)

    জানা গিয়েছে, রণবীর আরএসএস প্রধান মোহন ভগবতের সঙ্গে দেখা করেন। আলোচনা করেন তাঁর ছবিটি নিয়ে। তাঁকে সংগঠনের কাজকর্ম ও সেবামূলক উদ্যোগ সম্পর্কে জানানো হয়। রণবীর রেশিমবাগে অবস্থিত ড. হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরেও যান। সেখানে তিনি আরএসএস প্রতিষ্ঠাতা কেবি হেডগেওয়ার এবং সরসংঘচালক এমএস গোলওয়াকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সঙ্ঘের তরফে তাঁকে ওই দুই নেতার জীবন সম্পর্কে অবহিত করা হয়। রণবীর সেখানে উপস্থিত কয়েকজন আরএসএস সদস্যের সঙ্গেও কথা বলেন। রণবীরের এই সফর এমন একটা সময়ে হয়েছে, যখন তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পাচ্ছে। আদিত্য ধর পরিচালিত এই ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ১৯ মার্চ। রোজগার করেছে ১০০০ কোটি টাকারও বেশি (Ranveer Singh)।

    প্রোপাগান্ডা বলে সমালোচনার কড়া জবাব

    তবে, অনেকেই এই ছবিটিকে প্রোপাগান্ডা বলে সমালোচনা করেছেন (Mohan Bhagwat)। সম্প্রতি, চলচ্চিত্র নির্মাতা সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা এই সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সমালোচকদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন এবং ছবির পরিচালক আদিত্য ধর ও অভিনেতা রণবীর সিংকে সমর্থন করেন। ছবিটি দেখে তিনি প্রশংসাও করেন।

    তিনি লিখেছেন, “অনেক লেখক ও অভিনেতা প্রোপাগান্ডার ওপর কেরিয়ার গড়েছেন, আর ইন্ডাস্ট্রি চুপ করে থেকেছে। এখন একই দল ধুরন্ধরকে নিয়ে মজা করছে। আপনি নিজেকে লিবারাল বলতে পারেন না যদি আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়া হয় উপহাস করা। কবে থেকে সত্যকে প্রোপাগান্ডা বলা শুরু হয়েছে, জানি না… অদ্ভুত সময়। মূল কথায় আসি… আমি @আদিত্যধর ফিল্মস এবং @রণবীরঅফিসিয়ালকে বলতে চাই, এই খারাপ নজর এভাবে যাবে না… এক মুঠো লাল লঙ্কায় কাজ হবে না… পুরো ক্ষেত জ্বালাতে হবে (Mohan Bhagwat)। গত রাতে (Ranveer Singh) ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ দেখলাম… অসাধারণ ছবি (এসআইসি)।”

     

  • Mohan Bhagwat: “ভারত মানবতার নিয়ম মেনে চলে, যুদ্ধ থামাতে সাহায্য করতে পারে”, বার্তা মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: “ভারত মানবতার নিয়ম মেনে চলে, যুদ্ধ থামাতে সাহায্য করতে পারে”, বার্তা মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে মানবতার পাঠ দিলেন সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত। আমেরিকা-ইরান সংঘাতের আবহে আরএসএস (RSS) প্রধান বললেন, “ভারত মানবতার নিয়ম মেনে চলে, যুদ্ধ থামাতে সাহায্য করতে পারে।” পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে ঘনীভূত সংঘাতের আবহে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) ভারতের শান্তিদূতের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেছেন।

    ভারত সর্বদা ‘মানবতার ধর্ম (Mohan Bhagwat)

    নাগপুরে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “বিশ্বের বর্তমান টালমাটাল পরিস্থিতিতে ভারতই একমাত্র দেশ যারা শান্তি ও সংহতির বার্তা নিয়ে এগিয়ে আসতে পারে।” সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “ভারত সর্বদা ‘মানবতার ধর্ম’ বা মানবতার নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ পরিস্থিতি সমাপ্ত করতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ভারতের সংস্কৃতি এবং ডিএনএ-তে হিংসা নয়, বরং শান্তি ও পরোপকার মিশে আছে। ভারত (RSS) কোনো দেশকে জয় করতে চায় না, বরং ভারত হৃদয় জয় করতে চায়।”

    বিশ্ব শান্তিতে ভারতের ভূমিকা

    আমেরিকা ও ইরানের মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কথা উল্লেখ করে সরসংঘ (RSS) চালক মোহন ভাগবত বলেন, “যখন বিশ্বজুড়ে বড় শক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থ সংঘাতে লিপ্ত, তখন ভারত মানবতার স্বার্থে মধ্যস্থতা করার ক্ষমতা রাখে। ভারতের প্রাচীন জ্ঞান এবং বর্তমান কৌশলগত অবস্থান দুই পক্ষকেই শান্ত করতে সহায়ক হতে পারে। ভারত কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়। ভারতের কাছে ধর্ম মানে হল মানবতা। এই আদর্শকে পাথেয় করেই ভারত অতীতেও বিশ্বকে পথ দেখিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও দেখাবে।”

    বর্তমান প্রেক্ষাপট

    মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলা, হুমকি, পাল্টা হুমকির ফলে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তাতে ভারতের নিরপেক্ষ এবং মানবিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন। ভারত কোনো পক্ষ নেয় না, ভারত ন্যায়ের পক্ষ নেয়। আরএসএস (RSS) প্রধানের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন বিশ্ব অর্থনীতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট বড় প্রভাব ফেলছে। তাঁর মতে, ভারত যদি নিজের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে বিশ্বমঞ্চে দাঁড়ায়, তবে বর্তমান বিশ্বের বড় বড় যুদ্ধ ও বিবাদ মিটিয়ে ফেলা সম্ভব হবে। উল্লেখ্য ভারতে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রথম রাষ্ট্রদূত হুসেন হাসান মির্জাও বলেছিলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটিমাত্র ফোনেই সংঘাতের সমাধান করতে পারেন। ইরান ও ইজরায়েলে মোদির একটি ফোন কলই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে।”

LinkedIn
Share