Tag: Mohsin Naqvi

  • T20 World Cup 2026: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে পিসিবি প্রধানের অবস্থানে বিতর্ক! কড়া সমালোচনায় ইনজামাম, হাফিজ

    T20 World Cup 2026: টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে পিসিবি প্রধানের অবস্থানে বিতর্ক! কড়া সমালোচনায় ইনজামাম, হাফিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসি-র সঙ্গে পাকিস্তানের কোনওমতেই সম্পর্ক খারাপ করা উচিত নয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) থেকে নিজেদের সরিয়ে নিলে ঠিক হবে না বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক মহম্মদ হাফিজ ও বোর্ড কর্তাদের একাংশ। তাঁদের মতে, বাংলাদেশের পাশে পাকিস্তানের দাঁড়ানো উচিত। কিন্তু সেজন্য কখনও নিজের দলকে টুর্নামেন্ট থেকে সরিয়ে নেওয়া ঠিক হবে না। এ নিয়ে প্রকাশ্যে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি-র অবস্থানের সমালোচনা করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ইনজামাম উল হক-ও।

    পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য “অপূরণীয় ক্ষতি”

    সালমান আঘারা আদৌ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবেন কি না সেই বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি। তাঁরা দল পাঠাবেন কি না সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে শুক্র বা সোমবার। এই রকম টানাপোড়েনের মধ্যে মুখ খুলেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রাক্তন তারকারা। তাঁদের পাশাপাশি পিসিবির প্রাক্তন চেয়ারম্যান খালিদ মাহমুদ এবং সচিব আরিফ আলি আব্বাসি বিশ্বকাপ খেলার পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। আব্বাসির মতে, পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপ না খেলে তাহলে পিসিবি-র সঙ্গে আইসিসি ও অন্য ক্রিকেট খেলিয়ে দেশের সম্পর্ক খারাপ হবে। তার পরিণাম ভালো হবে না। তিনি বলেন,“পাকিস্তান যদি বিশ্বকাপে না খেলে তাহলে কি তাদের কোনও লাভ হবে? শ্রীলঙ্কার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো। যদি আমরা না যাই তাহলে তাদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হবে। এতে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটেরও ক্ষতি হবে।” আর এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য “অপূরণীয় ক্ষতি” ডেকে আনতে পারে।

    ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে

    খালিদ মাহমুদের দাবি, “মনে রাখতে হবে বাংলাদেশের অবস্থানকে পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড সমর্থন করেনি। আমি বাংলাদেশ বোর্ডের দাবি জানি। তবে তাদের অন্য কেউ সমর্থন করছে না, সেটাও মেনে নিতে হবে।” ইনজামাম উল হক আবার ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বোর্ডকে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপে দেখতে চাই। আমাদের অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে। তারা যেন এত বড় ইভেন্টে ভালো করতে পারে, সেটা দেখা প্রয়োজন।” একই কথা শোনা গিয়েছে মহম্মদ হাফিজের মুখেও। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, পাকিস্তানের অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলা উচিত। বিশ্বকাপ মঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ানো মানে নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া। ইনজামাম বলেন, “বড় টুর্নামেন্টে ভালো পারফরম্যান্সই আমাদের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যায়। বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানো মানে একটি প্রজন্মের স্বপ্ন ভেঙে দেওয়া।” এছাড়া আইসিসি সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে পারে পিসিবি। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে রয়েছে—পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ স্থগিত এবং আইসিসি রাজস্ব বণ্টনে বড় ধরনের কাটছাঁট, ভবিষ্যতের এশিয়া কাপ ও অন্যান্য বড় টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা। এর ফল হবে পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য ভয়াবহ।

  • Surya Kumar Yadav: ‘‘দেখলাম আমাদের ট্রফি নিয়ে পালিয়ে গেল’’, ক্ষোভ উগরে দিলেন সূর্য

    Surya Kumar Yadav: ‘‘দেখলাম আমাদের ট্রফি নিয়ে পালিয়ে গেল’’, ক্ষোভ উগরে দিলেন সূর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপের ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ট্রফি-বিতর্ক (Asia Cup Final Drama) চলছিলই। এবার তাতে নতুন মাত্রা যোগ করলেন চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব (Surya Kumar Yadav)। বললেন, ‘‘দেখলাম, ট্রফি নিয়ে পালিয়ে গেল ওরা।’’

    ‘‘ট্রফি নিয়ে পালিয়ে গেল ওরা’’

    পাঁচ উইকেটে ম্যাচ জিতে এশিয়া চ্যাম্পিয়ন হলেও হাতে ট্রফি পায়নি। ম্যাচের পরে এই বিতর্কিত পরিস্থিতিতে সূর্যকুমার যাদব (Surya Kumar Yadav) আর তাঁর দলকে ট্রফি ছাড়াই উদযাপন করতে দেখা গিয়েছিল। আর এবার সেই ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুললে ‘স্কাই’। ট্রফি বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘আমরা মোটেও দরজা বন্ধ করে দিইনি। ড্রেসিংরুমের ভিতরেও বসে থাকিনি। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কাউকে অপেক্ষাতেও রাখিনি। জটলার মধ্যে কেউ কেউ চিৎকার করতে শুরু করে। তার পরেই ট্রফি নিয়ে পালিয়ে গেল ওরা। এটাই আমি দেখেছি। কিছু লোক আমাদের ভিডিও করেছে। তবে আমরা ড্রেসিং রুমের ভিতরে যাইনি।’’

    ‘‘মাঠে দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি’’

    পিসিবি প্রধান ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভির (Mohsin Naqvi) কাছ থেকে ট্রফি চায়নি ভারতীয় দল। সেটা ফের একবার পরিষ্কার করে দেন সূর্য (Surya Kumar Yadav)। তিনি বলেন, ‘‘প্রথমেই আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই, পুরো টুর্নামেন্টে সরকার বা বিসিসিআইয়ের কেউ আমাদের এমন কিছু বলেনি যে, কেউ যদি ট্রফি দেয় তবে আমরা তা নেব কি নেব না। আমরা নিজেরাই মাঠে দাঁড়িয়ে সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’ তিনি জানান, কেবল তিনি নন, দলের বাকি খেলোয়াড় এবং সাপোর্ট স্টাফও একই মত পোষণ করেছিলেন। এর পরে যা ঘটেছে, তা দেখেছে গোটা বিশ্ব। ভারতীয় দল ট্রফি হাতে না পেলেও সাজঘরে নিজেদের মতো করে উদযাপন করেছে। সূর্যকুমার হাসতে হাসতে বলেন, “আমরা সবাই মিলে এআই ট্রফি বানালাম। কাপ না পেলেও ক্রিকেটে আমরা যা করেছি, সেটাই আমাদের প্রকৃত পুরস্কার।”

    ট্রফি রয়েছে নকভির জিম্মায়!

    এদিকে, বিসিসিআইয়ের (BCCI) দৃঢ় বিশ্বাস, ট্রফি রয়েছে মহসিন নকভির ব‍্যক্তিগত জিম্মায়। ভারতীয় বোর্ডের এক কর্তা জানান, সেদিন দেখা যায়, নকভি যখন মাঠ ছাড়ছেন, তখন একটি রুপোলি মোড়কে ট্রফি নিয়ে তাঁর পিছন পিছন আসছেন এসিসির কয়েক জন কর্তা। নকভি পাকিস্তানের মন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের চেয়ারম‍্যান। জানা যাচ্ছে, এশিয়া কাপের ট্রফি রয়েছে দুবাইয়ে এসিসি-র সদর দফতরে। এটি দুবাইয়ের যে স্টেডিয়ামে ফাইনালে হল, সেখান থেকে মাত্র চার কিলোমিটার দূরে। এই বিল্ডিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সদর দফতরের সমনে। এদিকে, সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, আয়োজকদের নকভি জানিয়েছেন, ভারতীয় দল তাদের পদক পেতে পারে। এমনকি ট্রফিও তারা পাবে। তবে সেই পদক এবং ট্রফি দু’টিই নকভি নিজের হাতে ভারতের হাতে তুলে দিতে চান। তার জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে বলেছেন তিনি। এই মুহূর্তে ভারতীয় বোর্ড (Surya Kumar Yadav) যে অবস্থান নিয়েছে, তাতে এ ধরনের অনুষ্ঠানে তাদের আসার সম্ভাবনা প্রায় নেই (Asia Cup Final Drama)। ভারতীয় বোর্ড এই নিয়ে মঙ্গলবার দুবাইয়ের বৈঠকে প্রতিবাদ জানাবে বলে জানা গিয়েছে। এখানেই থামছে না বোর্ড। নভেম্বরে আইসিসির বৈঠকেও বিষয়টি তুলবে বিসিসিআই।

LinkedIn
Share