Tag: Municipal Corporation

  • Bakrid 2026: “গরু কোরবানি নয়, নমাজ আদায় মসজিদে”, বকরি ইদের আগে মুসলিমদের জন্য নির্দেশিকা জারি ইসলামিক সেন্টারের

    Bakrid 2026: “গরু কোরবানি নয়, নমাজ আদায় মসজিদে”, বকরি ইদের আগে মুসলিমদের জন্য নির্দেশিকা জারি ইসলামিক সেন্টারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত ও স্বাস্থ্যকরভাবে আসন্ন বকরি ইদ (Bakrid 2026) পালনের জন্য ১২ দফা নির্দেশিকা জারি করেছেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড (AIMPLB)-এর সদস্য এবং ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান মৌলানা খালিদ রশিদ ফিরঙ্গি মহলি। এতে (Islamic Centre of India) বিশেষভাবে গরু কোরবানি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ১২ দফা ইদ-উল-আধা নির্দেশিকা (Bakrid 2026)

    সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়া, লখনউ একটি ১২ দফা ইদ-উল-আধা নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে মুসলিম সমাজকে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র সেইসব পশুর কোরবানি করতে, যেগুলিতে কোনও আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই। বিশেষ করে গরু কোরবানি করা যাবে না, কারণ তা দেশের আইনের বিরুদ্ধে।” এই নির্দেশিকায় শৃঙ্খলারক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত দায়িত্ববোধের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়কে সর্বজনীন জায়গায় নমাজ আদায় না করার অনুরোধও করা হয়েছে। মহলি বলেন, “এই নির্দেশিকায় আমরা মুসলিম সমাজকে নির্দেশ দিয়েছি যে নমাজ শুধুমাত্র ইদগাহ ও মসজিদের ভেতরে নির্ধারিত জায়গায় আদায় করতে হবে। কোরবানি করার সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধির প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। পশুর বর্জ্য বাইরে ফেলা যাবে না। নগর নিগম ও পুরসভার নির্ধারিত ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী তা ঠিকঠাকভাবে করতে হবে।”

    পাবলিক প্লেসে কোরবানি নয়

    তিনি এও বলেন, “কোরবানি শুধুমাত্র নির্ধারিত স্থানেই করতে হবে। কোনও পাবলিক প্লেস, রাস্তার ধারে বা গলির কাছে কোরবানি করা যাবে না।” মহলি জানান, এই নির্দেশিকায় মুসলিমদের দেশবাসীর কল্যাণ, সমৃদ্ধি এবং বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করার আহ্বানও জানানো হয়েছে (Islamic Centre of India)। তিনি বলেন, “নমাজের পরে তীব্র গরম থেকে মুক্তি, দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করতে হবে। একইভাবে দেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে রক্ষার জন্যও বিশেষ প্রার্থনা করা উচিত (Bakrid 2026)।” ইদ-আল-আধা বা বকরি ইদ, যা ২৭ বা ২৮ জুন পালিত হবে, ‘ত্যাগের উৎসব’ নামেও পরিচিত। এটি ইসলামি ক্যালেন্ডারের ১২তম মাস জিলহজ্জের দশম দিনে পালিত হয়। এই উৎসব বার্ষিক হজ পালন সমাপ্তির প্রতীক। প্রতি বছর এর তারিখ পরিবর্তিত হয়, কারণ এটি ইসলামি চন্দ্র-পঞ্জিকার ওপর নির্ভরশীল, যা পাশ্চাত্যের ৩৬৫ দিনের গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার থেকে প্রায় ১১ দিন কম (Bakrid 2026)।

  • BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে (BJP) ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)।  রবিবার তিনি জানান, জনসমর্থন এবং উন্নয়নমুখী শাসনব্যবস্থার কারণে আগামী ৪০ থেকে ৫০ বছর গুজরাটে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ক্ষমতায় থাকতে পারে। ভাদোদরায় চলা স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন পাঠান। তার পরেই এহেন মন্তব্য করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার এই সাংসদ। উল্লেখ্য, এই ভোটগ্রহণ গুজরাটজুড়ে শহর ও গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃহৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ।

    পাঠানের মুখে বিজেপি প্রশস্তি! (BJP)

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পাঠান বলেন, “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। বাস্তবতা হল, যে দল শক্তিশালী, মানুষের জন্য কাজ করে এবং মানুষের পছন্দের দল—সেই দলই ক্ষমতায় থাকে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “নির্বাচনী সাফল্য শেষ পর্যন্ত জনগণের আস্থা এবং গ্রাউন্ড লেবেলে কাজের ওপর নির্ভর করে।” গুজরাটে ভোটের ধারা নিয়ে তিনি বলেন, “উন্নয়ন এখনও রাজ্যের ভোটারদের প্রধান বিষয়। এখানকার মানুষ বিজেপিকে পছন্দ করে এবং উন্নয়নের ভিত্তিতে ভোট দেন। তাই দলটি ক্ষমতায় থাকবে।” পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তুলনা টেনে তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, “যেমন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ টিএমসিকে পছন্দ করেন। কারণ দলটি মানুষের কথা বলে এবং মানুষের জন্যই কাজ করে।”

    বঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াই

    ভোটদানের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে পাঠান বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে কিছু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ায় শতাংশ কম মনে হতে পারে। যদি সেই ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে ভোটদানের হার এখনও ৮০ থেকে ৮১ শতাংশ থাকবে (BJP)। এটা কেবল হিসেবের বিষয় (Yusuf Pathan)।” উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের সামনে বিজেপি ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলা ও ভোটার গোষ্ঠীতে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে নির্বাচনী প্রবণতায় রাজ্যটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে বিজেপি উল্লেখযোগ্যভাবে ভোট শেয়ার ও বিধানসভায় উপস্থিতি বাড়িয়েছে। দু’পক্ষের রাজনৈতিক ভাষণও আরও তীব্র হয়েছে, যা একতরফা পরিস্থিতির বদলে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াইকে নির্দেশ করে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন

    এদিকে, গুজরাটে কর্পোরেশন, পুরসভা, জেলা পঞ্চায়েত এবং তালুকা পঞ্চায়েত-সহ স্থানীয় শাসনের একাধিক স্তরে ভোটগ্রহণ চলছে (BJP)। প্রায় ১০,০০০ আসনে এই নির্বাচন হচ্ছে, অংশ নিচ্ছেন ৪ কোটিরও বেশি ভোটার। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ইভিএমে ভোটগ্রহণ চলবে। গণনা হবে ২৮ এপ্রিল। আমেদাবাদ, সুরাট, রাজকোট এবং ভাদোদরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়েছে। একই উৎসাহে ভোট হচ্ছে গ্রামীণ জেলাগুলিতেও (Yusuf Pathan)। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। হাজার হাজার ভোটকেন্দ্রে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা, বিপুল পুলিশ মোতায়েন, কুইক রেসপন্স টিম এবং ডিজিটাল নজরদারি চালু করা হয়েছে (BJP)। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ভোটারদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভোটদানকে পবিত্র নাগরিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন এবং সর্বোচ্চ ভোটদানের হার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকটি ভোট গ্রাম, তালুকা, জেলা ও শহরের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। মানুষ এগিয়ে আসুন এবং একে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করুন (BJP)।”

    ভোটদানের আহ্বান বিধায়কেরও

    বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী সঞ্জয়সিংহ মহিদা নাডিয়াদে ভোট দিয়ে নাগরিকদের ভোটদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সকলকে অনুরোধ করছি সামনে এসে ভোট দিন (Yusuf Pathan)।” প্রসঙ্গত, এই স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনকে গুজরাটের তৃণমূল স্তরের রাজনৈতিক প্রবণতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বিজেপি বহু দশক ধরে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। বিরোধী দলের নেতা হয়েও ইউসুফ পাঠানের এই মন্তব্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত রাজনৈতিক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দু’দিন পরেই ভোট গণনা। সেই ফল শহর ও গ্রামীণ উভয় এলাকার ভোটারদেরই পছন্দ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে (BJP)।

     

LinkedIn
Share