Tag: Murshidabad Police

  • Suvendu Adhikari Warning: মুখ্যমন্ত্রীর ‘এনাফ ইজ এনাফ’ বলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন! হুমায়ুনের সভা নিয়ে বড় পদক্ষেপ পুলিশের

    Suvendu Adhikari Warning: মুখ্যমন্ত্রীর ‘এনাফ ইজ এনাফ’ বলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অ্যাকশন! হুমায়ুনের সভা নিয়ে বড় পদক্ষেপ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তার এক দিনের মধ্যেই হুমায়ুন কবীরের বিতর্কিত জনসভার তিন আয়োজককে গ্রেফতার করল পুলিশ। সোমবার গভীর রাতে দুই পৃথক অভিযানে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর ও শক্তিপুর থানার পুলিশ গোলাম মোস্তাফা, মহম্মদ আমিনুল (আমিনুক) হক এবং আনিসুর রহমানকে আটক করে।

    রেজিনগর, শক্তিপুর থানায় অভিযোগ…

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রেজিনগর থানায় দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন গোলাম মোস্তাফা ও মহম্মদ আমিনুল হক। গোলাম আমজনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি)-র কাশীপুর-২ অঞ্চলের সভাপতি। অন্যদিকে, শক্তিপুর থানার মামলায় ধরা পড়েছেন আনিসুর রহমান, যিনি এজেইউপির বেলডাঙা-২ ব্লকের আহ্বায়ক। সম্প্রতি রেজিনগর ও শক্তিপুরে আয়োজিত দুটি জনসভায় এজেইউপির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ, তাঁর ভাষণে উস্কানিমূলক মন্তব্য ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই রেজিনগর ও শক্তিপুর থানায় পৃথক এফআইআর দায়ের করা হয়।

    সোমবারই বিধানসভায় হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    এই ইস্যু সোমবার বিধানসভাতেও ওঠে। অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী হুমায়ুনের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন এবং স্পষ্ট জানান, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, যাঁরা ওই সভার আয়োজন করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই আগে পদক্ষেপ করা হবে, তারপর প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘এনাফ ইজ এনাফ। এ ধরনের আচরণের বিরুদ্ধে এবার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সময় এসেছে।’’ পাশাপাশি হুমায়ুন কবীরকে ভবিষ্যতে সংযত ভাষা ব্যবহারেরও পরামর্শ দেন তিনি।

    ‘স্যাঁটা’ শব্দটি নিয়েও আলোচনা শুরু

    বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী রেজিনগরের সভায় হুমায়ুনের বক্তব্যের একটি অংশও পড়ে শোনান। তাঁর অভিযোগ, ওই ভাষণে রাজনৈতিক বিরোধীদের উদ্দেশে হুমকি ও সংঘাতমূলক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল, যা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, এমন বক্তব্য দেওয়ার অধিকার কাউকেই দেওয়া হয়নি এবং রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার কোনও রকম আপস করবে না। এদিকে, বিতর্কিত মন্তব্যে ব্যবহৃত ‘স্যাঁটা’ শব্দটি নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ভাষাতত্ত্ববিদদের মতে, শব্দটির অর্থ অঞ্চলভেদে ভিন্ন। কোথাও এটি শিরদাঁড়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কোথাও আবার অবমাননাকর বা ঘৃণাসূচক অর্থে প্রচলিত। ফলে বক্তব্যের ব্যাখ্যা নিয়েও নানা মত উঠে এসেছে।

    কী প্রতিক্রিয়া হুমায়ুনের?

    অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পর নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে কোনও মন্তব্য করেননি। হুমায়ুন জানান, এই বক্তব্যের জন্য যদি তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়, তাতেও তিনি বিচলিত নন। তাঁর দাবি, মানুষের স্বার্থে লড়াই করেই তিনি নতুন রাজনৈতিক দল গড়েছেন এবং নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, দুই থানায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত চলছে। তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

  • Murshidabad violence: মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ হিংসা, ‘রাষ্ট্রপতি শাসন’ জারির সুপারিশ রাজ্যপালের

    Murshidabad violence: মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ হিংসা, ‘রাষ্ট্রপতি শাসন’ জারির সুপারিশ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদে (Murshidabad violence) ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদের চলে তাণ্ডব। ঘরছাড়া হন বহু হিন্দু পরিবার। সামশেরগঞ্জে খুন হন বাব-ছেলে। এই আবহে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন রাজ্যপাল। রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি একটি বিস্তারিত রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এই রিপোর্টেই রাজ্যপাল পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়েছেন। মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) হিংসা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রাজ্যপাল স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন—মুর্শিদাবাদের ঘটনা (Murshidabad violence) ‘পূর্বপরিকল্পিত’ এবং ‘স্থানীয় প্রশাসনের চূড়ান্ত ব্যর্থতা’ তার পেছনে দায়ী। রাজ্যপালের অভিযোগ, ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিকভাবে শোষণের চিত্র এই অশান্তিতে উঠে এসেছে।

    হিংসা বিধ্বস্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিএসএফ ক্যাম্প করার সুপারিশ

    রাজ্যপালের পর্যবেক্ষণ (Murshidabad violence) অনুযায়ী, “রাজ্যে যদি প্রশাসনিক ব্যর্থতা এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত সংবিধান অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।” তাঁর আরও দাবি, ধারাবাহিক ব্যর্থতা চললে সংবিধানের ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের কথাও বিবেচনা করতে হবে কেন্দ্রকে। একইসঙ্গে রাজ্যের মুর্শিদাবাদ ও মালদা—দুই সীমান্তবর্তী জেলার অশান্ত অঞ্চলগুলিতে স্থায়ীভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালের , “এই মুহূর্তে সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন।” ঠিক এই কারণে হিংসা বিধ্বস্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিএসএফ ক্যাম্প করার কথাও তিনি সুপারিশ করেছেন।

    আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা ক্রমাগত বাড়ছে

    কেন্দ্রকে পাঠানো ওই রিপোর্টে রাজ্যপাল একাধিকবার সীমান্ত-সংলগ্ন এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন (Murshidabad violence)। তিনি উল্লেখ করেছেন, “বাংলার আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা ক্রমাগত বাড়ছে। মুর্শিদাবাদে সাম্প্রতিক হিংসার পর পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের বাতাবরণ কাটছে না।” এই অবস্থায় রাজ্যপাল কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, সংবিধান মেনে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার।প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই হিংসাদীর্ণ মুর্শিদাবাদে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সরজমিনে ঘুরে দেখেন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা। কথা বলেন দুর্গতদের সঙ্গে। এবার সোজা রিপোর্ট পাঠালেন অমিত শাহরের দফতরে।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে খুন হওয়া বাবা-ছেলের পরিবারের ওপর সল্টলেকে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে খুন হওয়া বাবা-ছেলের পরিবারের ওপর সল্টলেকে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ অশান্তিতে জাফরাবাদে (Murshidabad) খুন হন হরগোবিন্দ দাস ও চন্দন দাস। এবার এই খুন হওয়া বাবা-ছেলের পরিবারের উপর পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ উঠল। বিজেপির অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতার সল্টলেকে এসে পুলিশ এই পরিবারকে হেনস্থা করেছে। শুধু তাই নয়, দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকার অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রাজ্য বিজেপির নেতারা। পুলিশ এসে জানায়, ওই পরিবারকে নাকি অপহরণ করা হয়েছে। এতেই শুরু হয় বিতর্ক। নিহত পিতা-পুত্রের পরিবার পুলিশকে সাফ জানায়, তাঁরা স্বেচ্ছায় এখানে এসেছেন। এদিকে, পুলিশি হেনস্থার অভিযোগ তুলে সল্টলেকের ওই আশ্রয়স্থল (Murshidabad) ছেড়েছেন নিহত বাবা-ছেলের পরিবার। জানা যাচ্ছে, বর্তমানে তাঁরা পৌঁছেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাসভবনে।

    পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়নি নিহত পিতা-পুত্রের পরিবার

    বিজেপি সূত্রে খবর, এক সপ্তাহ আগেই জাফরাবাদে (Murshidabad) খুন হওয়া বাবা-ছেলের পরিবার এসে উপস্থিত হন সল্টলেকে। সেখানেই তাঁরা থাকছিলেন এই কয়েকদিন। এরপর রবিবার সকালেই মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) থেকে একদল পুলিশ আসেন, তাঁদের সঙ্গে কলকাতা পুলিশও ছিল। পুলিশের দল পৌঁছে যায় সল্টলেকের সেই আশ্রয়স্থলে। তারপর তাঁরা নিহত বাবা-ছেলের পরিবারের সঙ্গে সঙ্গে কথা বলতে চান। কিন্তু নিহতের পরিবার কোনওভাবেই তাতে রাজি হয়নি। বিজেপির অভিযোগ, এরপর পুলিশ জোর পূর্বক বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডা, তরুণজ্যোতি তিওয়ারি ও সজল ঘোষ। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন অন্যান্য বিজেপির নেতারও। এরপরেই বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে প্রবল বচসা শুরু হয় পুলিশের।

    কী বলছেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ?

    নিহত পিতা-পুত্রের পরিবার যে বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, ওই বাড়ির মালিক বলেন, “মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) বাবা-ছেলে খুন হওয়া পরিবারের সদস্যরা আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু আজ পুলিশের যে আচরণ দেখলাম, তাতে তারা তৃণমূলের গুণ্ডাবাহিনীকেও হার মানাবে। দরজায় লাথি মেরে ভিতরে ঢুকেছে। ওদের কাছে কোনও কাগজ নেই।” বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ বলেন, “যে সময় খুন হয়েছিলেন সেই সময় পুলিশ আসেনি। আর এখন ১৫০ কিমি অতিক্রম করে ঠিক চলে এল? আমরা তো দেখব কোন অভিযোগ দায়ের হয়েছে।”

LinkedIn
Share