Tag: Murshidabad

Murshidabad

  • Murshidabad: পর পর কন্যাসন্তান, তিন মাসের শিশুকে তুলে আছাড় মেরে খুন করল বাবা

    Murshidabad: পর পর কন্যাসন্তান, তিন মাসের শিশুকে তুলে আছাড় মেরে খুন করল বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরপাড়ায় এক দম্পতি কন্যাসন্তান হওয়ার খুশিতে মাতৃযানটিকে বেলুন দিয়ে সাজিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের মিষ্টি মুখ করিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যান। কয়েকদিন আগে এই ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরপাড়ার বাসিন্দারা। এবার সেই মুর্শিদাবাদের ডোমকলে পর পর তিনটি কন্যাসন্তান হওয়ায় মেনে নিতে পারেনি গুণধর বাবা। তাই, তিনমাসের শিশুকে আছাড় মেরে খুন করেছে সে। মর্মান্তিক এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর সাতেক আগে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার ডোমকলের ভাতশালার রিন্টু শেখের বিয়ে হয়েছিল ডোমকলের কামুড়দিয়াড়ের বাসিন্দা বেলুয়ারার সঙ্গে। চার বছর আগে তাঁদের প্রথম সন্তান জন্মায় মেয়ে। পরের সন্তানটিও মেয়েই। রিন্টু কেরলে কাজ করেন। মাস তিনেক আগে তৃতীয় কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। সেই খবর পাওয়ার পর সপ্তাহখানেক আগে গ্রামে ফিরেছিলেন রিন্টু। রবিবার দুপুরে তিনমাসের শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে, বাড়ির লোকজন দেখেন, ঘরে লেপের তলায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে সে। সন্তানের মাকে চেপে ধরা হলে তিনি বলতে থাকেন, “মেয়েকে খাটে শুইয়ে আমি দাওয়ায় রান্না করছিলাম। কী হয়েছে, জানি না।” জানা গিয়েছে, রিন্টু তার তিনমাসের সন্তানকে তুলে আছাড় মেরে খুন করেছে। রিন্টুর বাবা সে কথাই বার বার দাবি করেন। তিনি বলেন “তৃতীয়বার মেয়ে হওয়ার পর থেকে ছেলে-বউমার ঝামেলা লেগেই থাকত। ছেলে নিয়মিত নেশা করে। ছেলেই ছোট নাতনিকে খুন করেছে। পুত্রবধূ সব জেনেও ওকে আড়াল করছে।” এর পরেই রিন্টু ও বেলুয়ারা বিবিকে পুলিশ প্রথমে আটক করে। পরে, রিন্টুর বাবা বাবা দবির শেখ নিজের ছেলে ও বউমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পরে দম্পতিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    রিন্টু আগেও এই কাণ্ড করেছিল!

    তিনমাসের কন্যাসন্তানকে আছাড় মেরে ‘খুন’ করাই প্রথম নয়। এর আগে দ্বিতীয় মেয়েকেও খুন করার চেষ্টা করেছিল ডোমকলের ধৃত দম্পতি। বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল বড় মেয়েকেও! দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও স্থানীয়দের বয়ান সংগ্রহ করে এমনটাই জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। পড়শিদের একাংশের দাবি, রিন্টু মাদকের নেশায় আসক্ত। তার খরচ জোগাতে একবার নিজের বড় মেয়েকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করার পরিকল্পনা নিয়েছিল এক মহিলার কাছে। পরিযায়ী শ্রমিক কলোনির লোকেরা তা জেনে যাওয়ায় সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। দ্বিতীয় মেয়েকেও এক বার মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল রিন্টু ও বেলুয়ারার বিরুদ্ধে। সেই কারণে দীর্ঘদিন শয্যাশায়ীও ছিল মেজ মেয়ে।

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ বলেন, “রিন্টু নিয়মিত মাদক নিত। চুরির অভিযোগে সে আগে গ্রেফতারও হয়েছে। শুধু কি সংসারে টানাটানি, না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল বিধায়কের অনুগামীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত প্রাক্তন ব্লক সভাপতি

    Murshidabad: তৃণমূল বিধায়কের অনুগামীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত প্রাক্তন ব্লক সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফর শেষ করে চলে যাওয়ার পরই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে এল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রেজিনগরে। বিধায়ক অনুগামীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে প্রাক্তন ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে। বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। থানায় অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রেজিনগর বিধানসভার বেলাডাঙা-২ ব্লকের পূর্ব চক্রের ব্লক সভাপতি ছিলেন আতাউর রহমান। তাঁর সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক রবিউল আলমের গন্ডগোল লেগেই ছিল। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে রবিউল জেলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। এরপরই আতাউরকে ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে দলের অন্দরে চর্চা রয়েছে। ফলে, আতাউর এই বিষয় নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ। তাই, বিধায়কের সঙ্গে এলাকার কোনও কর্মী তৃণমূল করবে না বলে আতাউর ও তাঁর অনুগামীরা হুমকি দিতে থাকেন।আর এটা নিয়ে বিধায়কের সঙ্গে তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতির বিবাদ চলছিল বিগত বেশকিছু দিন ধরে। শুক্রবার রাতে সেই বিবাদ চরম আকার ধারণ করে। জানা গিয়েছে, বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরীর লোকজনদের উপর আচমকা হামলা চালায় প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আতাউর রহমানের অনুগামীরা। অতর্কিতে তাঁদের উপর চড়াও হয়ে ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর জখম হন বিধায়কের চারজন অনুগামী। প্রথমে তাঁদেরকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বেলডাঙা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। পরে, সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় একজনকে ইতিমধ্যে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বহরমপুরের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনায় রেজিনগর বিধায়কের পক্ষ থেকে যথারীতি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে থানায়। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রেজিনগর থানার পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

    আক্রান্তরা কী বললেন?

    আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, আমরা বিধায়কের নেতৃত্বের দল করি। বিধায়কের পার্টি অফিসে বসি। এটাই আমাদের অপরাধ। তাই, প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আতাউর ও তাঁর অনুগামীরা আমাদের উপর চড়াও হয়। আমাদের বেধড়ক মারধর করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে পারবেন না রাহুল, আর কী শর্ত দিল পুলিশ?

    Rahul Gandhi: জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে পারবেন না রাহুল, আর কী শর্ত দিল পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ কর্মসূচি বার বার বাধা পেয়েছে মমতার পুলিশের কাছে। শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। বীরভূমে রাহুলের ন্যায় যাত্রা কর্মসূচিতে আপত্তি জানিয়েছে পুলিশ। তারপরই এদিন মুর্শিদাবাদ থেকে বীরভূমের উদ্দেশে রওনা দেন।

    কর্মসূচিতে বেঁধে দেওয়া হয়েছে শর্ত (Rahul Gandhi)

    কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুলের (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রায় বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছে পুলিশ। বীরভূম ও মুর্শিদাবাদের বাকি অংশ যাত্রার সময় গাড়ি থেকে বা গাড়ি থেকে নেমে জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে পারবেন না। জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া কনভয় কোথাও দাঁড় করানো যাবে না। রাহুলের কনভয়ে সর্বোচ্চ পাঁচটি গাড়ি থাকবে। রাহুলের যাত্রায় ‘সঙ্গী’ কংগ্রেস কর্মীরা দড়ি দিয়ে রাস্তার দু’পাশ আটকাতে পারবেন না। কোনও ভাবে যাতে পথ অবরুদ্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। রাহুলের যাত্রার রুটে যান চলাচল পুলিশই নিয়ন্ত্রণ করবে। তাতে নাক গলাবেন না কংগ্রেস নেতার নিরাপত্তারক্ষীরা। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কংগ্রেস কর্মীরা পুলিশকে সবরকম ভাবে সহায়তা করবে। রাহুলকে যদি জরুরি পরিস্থিতিতে গাড়ি থেকে নামতে হয়, তা হলে সর্বোচ্চ তিনজন তাঁর সঙ্গে নামতে পারবেন। রাহুলের যাত্রাপথে কোনও মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্র থাকলে সচেতন থাকতে হবে। পরীক্ষা শেষ হলে আশপাশেই কোথাও যাত্রা থামিয়ে দিতে হবে। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে গেলে তারপর আবার যাত্রা শুরু করা যেতে পারে। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনও ভাবে অসুবিধায় পড়তে না হয়, তা খেয়াল রাখতে হবে। পুলিশের দেওয়া শর্ত মেনে রাহুল তাঁর কর্মসূচি সফল করেন তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। দলের অনেকেই বলেছেন, বকলমে কর্মসূচি যাতে ভালোভাবে রূপায়ণ না হয় তার জন্য পুলিশ এই শর্ত বেঁধে দিয়েছে।

    কংগ্রেস নেতৃত্ব কী বললেন?

    কংগ্রেস মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় বলেন, পুলিশ এমন কিছু শর্ত দিয়েছে তা কর্মসূচি না পালনের মতো। যদিও ওই কর্মসূচিতে পুলিশই নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তবে, ন্যায় যাত্রায় এখনও পুলিশ কোথাও আটকানোর খবর মেলেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মমতার জেলা সফরের দিনই এলোপাথাড়ি গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুন

    Murshidabad: মমতার জেলা সফরের দিনই এলোপাথাড়ি গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরমপুরের পর এবার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) থানার আমানিগঞ্জ। বুধবার রাতে এলোপাথাড়ি গুলিতে তৃণমূল কর্মীকে ঝাঁঝরা করে দিল দুষ্কৃতীরা। মৃতের নাম শ্যামবাবু রায়। সব থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বুধবারই জেলা সফরে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক বৈঠক সেরে চলে যাওয়ার পর রাতেই তৃণমূল কর্মীকে খুন করা হয়। আর অভিযোগের তির তৃণমূলের আরেক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। তারা এখন নির্দল করে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কিছুদিন আগে বহরমপুরে তৃণমূল নেতা সত্যেন চৌধুরীকে গুলি করে খুন করা হয়। তারপরই ফের তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনা ঘটল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) আমানিগঞ্জ এলাকায় তৃণমূল কর্মী শ্যামবাবু রায়ের সঙ্গে তৃণমূলের আর এক গোষ্ঠীর বিবাদ চলছিল। টিকিট না পেয়ে তারা নির্দল হিসেবে ভোটে দাঁড়িয়েছিল। আর শ্যামবাবু তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে ভোটে খেটেছিলেন। কিন্তু, গ্রামে নির্দল প্রার্থী জয়লাভ করে। ফলে, নির্দলরা এলাকায় দাপিয়ে বেড়াতে থাকে। মাঝে মধ্যে গন্ডগোল লেগেই থাকত। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্যামবাবুর গ্রামে একটি বাড়িতে বিয়ের নিমন্ত্রণ ছিল। সেখানে দাদার সঙ্গে তিনি খেতে যান। হামলাকারীদের সেই বিয়ে বাড়িতে নিমন্ত্রণ ছিল। সেখানে পটকা ফাটানো নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে, মিটেও যায়। এরপর শ্যামবাবু বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীরা তাঁকে রাস্তাতেই আটকায়। প্রথমে বেধড়ক মারধর করে। পরে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন করা হয়। এরপরই হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালায়।

    চোখের সামনে ভাইকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিল ওরা

    নিহত তৃণমূল কর্মীর দাদা রামেশ্বর রায় বলেন, আমার ভাইয়ের পাঁচ মাসের সন্তান রয়েছে। ভাই মন দিয়ে তৃণমূল দলটা করত। হামলাকারীরা আগে তৃণমূল করত। এখন ওরা নির্দল করে। মাঝে মধ্যে ওরা মিটিং করে গ্রামে অশান্তি তৈরি করে। ভাইয়ের সঙ্গে আমি নিমন্ত্রণ খেয়ে বাড়ি ফিরছিলাম। রাস্তাতেই ওরা আমাদের আটকায়। আমি কিছুটা পিছনে ছিলাম। ভাইকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে দেখে আমি এগিয়ে গিয়ে প্রতিবাদ দেখানোর সাহস পাইনি। আমি ছুটে পালিয়ে গিয়ে প্রাণ বাঁচাই। চোখের সামনে ভাইকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিল ওরা। মৃতের পরিবারের লোকজনের দাবি, হামলাকারীদের ফাঁসি দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: উপড়ে নেওয়া হয়েছে চোখ, শরীরে ক্ষতের চিহ্ন, সর্ষের ক্ষেতে মিলল কিশোরীর দেহ!

    Murshidabad: উপড়ে নেওয়া হয়েছে চোখ, শরীরে ক্ষতের চিহ্ন, সর্ষের ক্ষেতে মিলল কিশোরীর দেহ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপড়ে নেওয়া হয়েছে চোখ, সারা শরীরে গভীর ক্ষতের চিহ্ন। কার্যত সর্ষের ক্ষেতে মিলল অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর দেহ। ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছে প্রেমিক। গত দুই দিন আগে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিল কিশোরী। আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। অবশেষে শনিবার দুপুরে বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে মিলল কিশোরীর দেহ। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার হরিহরপাড়ায়।

    পরিবারের বক্তব্য(Murshidabad)

    অষ্টম শ্রেণির ওই মৃত ছাত্রীর পরিবাবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিল মেয়ে। আত্মীয় বা বন্ধু কারও বাড়িতে (Murshidabad) খোঁজ না পেয়ে থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করি আমরা। এরপর শনিবার দুপুরে হরিহরপাড়া থানা থেকে ফোন আসে এবং জানানো হয় একটি কিশোরীর দেহ মিলেছে। পুলিশ আমাদের জানিয়েছে, লোকালয় থেকে দূরে একটি সর্ষের ক্ষেতে এক কিশোরী গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছে। এরপর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহকে শনাক্ত করি। তার দেহে একাধিক ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। পরিবার তরফে আরও বলা হয়, স্থানীয় এক তরুণ বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়েছিল তাকে। পুলিশের কাছে ওই তরুণের নামও জানিয়েছেন মৃতার পরিবারের সদস্যরা। এমনকী, বাড়ি থেকে যাওয়ার সময় মেয়েটি ১০ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলে দাবি পরিবারের।

    পুলিশ সূত্রে খবর

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কিশোরীর দুটো চোখই উপড়ে নেওয়া হয়েছে। তার সারা শরীরে অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন। গলায় ফাঁসের দাগ রয়েছে। শরীরের উপর অত্যন্ত অত্যাচার হয়েছে। নাবালিকার দেহ উদ্ধারে এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। দেহ উদ্ধারের পর তড়িঘড়ি দেহ নিয়ে যাওয়া হয় মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজে। এরপর সেখানে ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

    কিশোরীর মায়ের বক্তব্য

    মৃত কিশোরীর মা (Murshidabad) বলেন, ‘‘আমার বাচ্চা মেয়েটাকে ভুল বুঝিয়ে নগদ ১০ হাজার টাকা সমেত বাড়ি থেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে চলে গিয়েছে। টাকাপয়সা নিয়ে আমার মেয়েকে খুন করেছে। তারপর মাঠের মধ্যে ফেলে দিয়ে চলে গিয়েছে। আমি ওই খুনির ফাঁসি চাই।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    Fraud: ভুয়ো সিম কার্ড বানিয়ে বিদেশে তথ্য পাচার! রাজ্য জুড়ে মাথাচাড়া দিয়েছে জালিয়াতি চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র রাজ্য জুড়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ বা স্পেশাল টাস্ক ফোর্স হানা দিয়ে মুর্শিদাবাদ ও হুগলি জেলার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে, জাল নথির সাহায্যে শ’য়ে শ’য়ে সিম কার্ড বানিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি পাচার করা হত। এই সব সিম কার্ড দিয়ে প্রতারকরা প্রতারণা (Fraud) করত বলে তদন্তকারী আধিকারিকদের ধারণা।

    বহু ভুয়ো সিমকার্ড উদ্ধার (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলার সীমন্তবর্তী এলাকা তো বটেই, সেই সঙ্গে জেলার সদর বহরমপুরেও জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানানোর একটি বড় চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কিছু যুবক সামনে সিম কার্ড, মোবাইলের দোকান কিংবা অনলাইনে ব্যবসা খুলে আড়ালে চালাচ্ছে জালিয়াতির ব্যবসা। আর ভুয়ো সিম কার্ড দিয়ে চলত প্রতারণা (Fraud)। মুর্শিদাবাদ ও হুগলির বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দেয় এসটিএফ। মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানা এলাকা থেকে নইমুল ইসলাম ও আবদুল আজিমকে, ভগবানগোলা থানা এলাকা থেকে কাওশার শেখ এবং দৌলতাবাদ থানা এলাকার বাসিন্দা মহম্মদ কামরুজ্জামান ও দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় মুর্শিদাবাদ থানার গুধিয়া এলাকার বাসিন্দা আস্তিক মণ্ডল এবং হুগলির জাঙ্গিপাড়া থেকে গ্রেফতার করা হয় সুরেশ দে এবং রমেশ জানাকে। ধৃতরা প্রত্যেকেই জাল নথি দিয়ে সিম কার্ড বানাত বলে পুলিশের দাবি। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কয়েকশো ভুয়ো সিম কার্ড, বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট মেশিন, জাল নথি-সহ একাধিক বৈদ্যুতিন যন্ত্র।

    হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণা!

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যন্ত্র দিয়ে যেমন জাল নথি বানানোর কাজ করা হত, তেমনই ওটিপি পাচার করা হত দেশের বাইরে। ধৃতরা দেশে ও বিদেশের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ও ওটিপি ব্যবহার করে প্রতারণার (Fraud) কাজ করত বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ওই জালিয়াতির সঙ্গে দেশের গোপন তথ্যপাচার করা হত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: রাম-লক্ষ্মণ-সীতা-হনুমানের মূর্তি নির্মাণ করে পুজো, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সনাতনী সমাজের

    Murshidabad: রাম-লক্ষ্মণ-সীতা-হনুমানের মূর্তি নির্মাণ করে পুজো, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সনাতনী সমাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২২ শে জানুয়ারি অযোধ্যায় প্রভু শ্রীরামের মন্দিরের উদ্বোধন হল। এই উপলক্ষে বহরমপুরের গোরাবাজার সনাতনী সমাজের উদ্যোগে শ্রীরাম পুজোর আয়োজন করা হয় মহা সাড়ম্বরে। সোমবার সকালে এই পুজোকে কেন্দ্র করে হাজির হন সনাতনী সমাজের প্রত্যেক সদস্য, বহু ভক্ত এবং শহরের বহু সাধারণ মানুষ। সেখান থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিক্রমা করে গঙ্গার জল আনতে যাওয়া হয় বহরমপুরের গোরাবাজার ঘাটে। আজকের দিনে বহরমপুরে (Murshidabad) গোরাবাজার সনাতনী সমাজের উদ্যোগে এই শ্রীরাম পুজোর আয়োজনে নেতৃত্ব দেন বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র কাঞ্চন।

    শ্রীরাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের মূর্তিতে পুজো (Murshidabad)

    অযোধ্যায় আজ মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে মন্দিরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গোটা ভারতবর্ষের সনাতনীরা এই দিনটির জন্যই অপেক্ষায় ছিল। আজ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অযোধ্যার সঙ্গে বাংলাও শ্রীরামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণ করে পুজোতে মেতেছে। বহরমপুর (Murshidabad) সায়দাবাদে রাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানের মূর্তি তৈরি করে পুজো-অর্চনার আয়োজন করা হয়। সেই সঙ্গে চলেছে আগত ভক্তদের মধ্যে লাড্ডু ও ভোগের প্রসাদ বিতরণ। পাশাপাশি চলে ভজন-কীর্তন। একই সঙ্গে আয়োজকদের উদ্যোগে ২০০ জন গরিব মানুষকে প্রদান করা হয় শীতবস্ত্র।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বহরমপুরের (Murshidabad) বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, “রামায়ণে প্রভু রামের ১৪ বছর বনবাস হয়েছিল। কিন্তু আমাদের সনাতনীদের কাছে ৫০০ বছর ধরে অজ্ঞতাবাসে রাখা হয়েছে রামলালাকে। আজ অযোধ্যায় যুগাবতার রামচন্দ্রের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই মন্দিরের জন্য অনেক রাম ভক্তদের রক্ত ঝরেছে। দেশে অনেক সরকার এসেছে, কিন্তু কেউ প্রভু রামের মন্দির নির্মাণ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করেনি। দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের একান্ত চেষ্টায় মন্দির নির্মাণ-উদ্বোধন হয়। আজ আমরা সকল হিন্দু সংগঠন হিসাবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, হিন্দু জাগরণ মঞ্চ, সনাতনী সমাজের পক্ষ থেকে প্রভু রামের পুজো করছি। আজকের দিন আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের এবং গৌরবের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের একটা অংশের বিরোধ রয়েছে। প্রকাশ্যেই দলের সাংসদ আবু তাহের সহ একাধিক নেতার বিরুদ্ধে তিনি মুখ খুলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের রোষে পড়েন। শুক্রবার কালীঘাটে বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো বেশি কথা বলার জন্য ধমক দেন। কিন্তু, বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি ফের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই সুর চড়িয়েছেন। এবার তাঁর সরাসরি আঙুল অভিষেকের অফিসের দলীয় এক কর্মীর বিরুদ্ধে।

     অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন! (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন বলেন, ‘কোনও চ্যাং-ব্যাং, ২৭-২৮ বছরের ছেলেরা ৬০, ৬২, ৭০ বছরের নেতৃত্বকে অবহেলা করবে, তাঁদের কর্তৃত্ব নিয়ে চ্যালেঞ্জ করবে, ভুল ট্রিটমেন্ট করা, মূল্যায়ন করা, মেনে নেওয়া যায় না। সেটা আমি সব মানব না!’ এসব বলার পাশাপাশিই অভিষেকের ওপর তাঁর আস্থা রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ‘অভিষেক সত্যিই যোগ্য নেতৃত্ব হয়ে উঠেছেন। তিনি শুধু ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ নন। পাশাপাশি তিনি দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। মমতার পরেই তাঁকে মানি। নবীনদের মধ্যে যদি প্রতিভা থাকে, তাঁরা নেতৃত্ব দিতেই পারেন। যেমন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তাঁর নাম করে তাঁর অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন। নিজে নিজের ব্লক সভাপতি ঠিক করে দিচ্ছেন। তা হলে আমাদের রাজনীতি করার মানে কী? অভিষেককে আমি নেতা মানি। তাঁর হুইপ মানতেও রাজি। কিন্তু, তাঁর নাম করে কেউ অনৈতিক কাজ করবে, সেটা মানা সম্ভব নয়। তিনি নিজের ক্ষমতা জাহির করতে গিয়ে বলেন, দলনেত্রী মমতা আমাকে দায়িত্ব দিলে লোকসভা ভোটে বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে দু’লক্ষ ভোটে হারিয়ে দেখিয়ে দেব।’

    মমতার ধমক নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    শুক্রবার দলীয় বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো সকলের সামনেও হুমায়ুনকে ধমক দেন। সেই প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন,’ ধমকের কোনও বিষয় নয়। প্রবাদবাক্য রয়েছে, শাসন করার অধিকার তাঁরই থাকে যিনি ভালবাসেন। সোহাগ করতে জানেন। দিদি আমাকে স্নেহ করেন। তাই কোনও সময়ে ভুল করলে বকুনিও দেন। আমি মনে করি, গুরুজনের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। রাজনীতির ময়দানে তিনি গুরুজন। তাঁর কথায় কিছু মনে করি না। তাঁর প্রতি বলার কিছু নয়। যোগ্য নেতৃত্ব বলে মনে করি।’ এরপরই তিনি চেনা ঢঙে বলেন, ‘আমাকে চমকিয়ে-ধমকিয়ে লাভ নেই। আমি বহিষ্কার বা ওই ধরনের শাস্তির ভয় পাই না। তাঁর কথায়, দল ছাঁটাইয়ে প্রস্তুত আছে। কিন্তু দল ছাঁটাই করবে কি না দলকে ভাবতে হবে। ছাঁটাই করলে কোথায় রাস্তা খুঁজতে হয়, সঠিক মূল্যায়ন করতে হয় আমি জানি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বহরমপুরের পর রানিনগর, তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, আতঙ্ক

    Murshidabad: বহরমপুরের পর রানিনগর, তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক সত্যেন চৌধুরীকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগরের চর ৫১ গ্রামে এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুরুতর জখম ওই যুবকের নাম মনোজ মণ্ডল (২৭)। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই সঞ্জয় মণ্ডল নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর ২৬ জুলাই রাতে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রানিনগরের চর ৫১ গ্রামে একটি বিষয় নিয়ে বাপি মণ্ডল নামে এক তৃণমূল কর্মী ও তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল রাজবীর মণ্ডল নামে এক যুবকের। অভিযোগ, সেইদিন বাপি ও তাঁর শাগরেদরা মিলে রাজবীর-সহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম করেছিল। সেদিন বাপির সঙ্গী ছিলেন এদিনের জখম তৃণমূল কর্মী মনোজ মণ্ডল। আর তারই বদলা নিতে রাজবীররা কয়েকজন মিলে বুধবার রাতে মনোজের বাড়িতে ঢুকে হয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। যার একটি গুলি তাঁর পেটে লেগেছে। মনোজ বাড়িতেই ঘুমিয়ে ছিলেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে রানিনগরের গোধনপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি কী বললেন?

     রানিনগর ২ ব্লকের নব নির্বাচিত সভাপতি মাহাবুব মুর্শিদ বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি করে রেখেছে বিজেপি। এই ঘটনা তারই জের। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে। পুলিশ প্রকৃত দোষীদের ধরে শাস্তির ব্যবস্থা করবে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির রানিনগর মণ্ডল সভাপতি আশিক ইকবাল বলেন, ওই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপি কোনওভাবেই জড়িত নয়। পুরানো ঝামেলার জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: শাগরেদের সঙ্গে আদালতে দেখা করাই হল খুনির কাল, পুলিশের জালে গ্রেফতার

    Murshidabad: শাগরেদের সঙ্গে আদালতে দেখা করাই হল খুনির কাল, পুলিশের জালে গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরে গত ৭ জানুয়ারিতে নির্মীয়মাণ বহুতলে উঠে তিনজন দুষ্কৃতী গুলি করে খুন করেছিল তৃণমূল নেতা সত্যেন চৌধুরিকে। তিন দুষ্কৃতীদের মধ্যে একজনের মাথায় হেলমেট পড়া ছিল। তবে মাথা ঢাকা থাকলেও রেহাই পায়নি খুনি। শাগরেদের সঙ্গে আদলাতে দেখা করাই কাল হল খুনির। মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ আদালত চত্বর থেকে ধরে ফেলে এই অভিযুক্ত খুনিকে। ধৃত দুষ্কৃতীর নাম রহিম শেখ।

    ফাঁদ পেতে পাকড়াও করা হয় খুনিকে (Murshidabad)

    বহরমপুর (Murshidabad) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা সত্যেন চৌধুরিকে খুন করতে সুপারি কিলার হিসাবে খুনিদের ভাড়া করা হয়েছিল। তাই তাকে খুন করতে অত্যন্ত কাছ থেকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুটি মোবাইল নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। এরপর গ্রেফতার ঠেকাতে বাংলাদেশে গা ঢাকা দিতে চেয়েছিল অভিযুক্ত প্রধান খুনি রহিম শেখ। সীমান্তের ওপারে যেতে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে আদালত চত্বরে আসে রহিম। পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাকে ধরার জন্য ফাঁদ পেতে রাখে। আদালত চত্বরে পৌঁছালেই সঙ্গে সঙ্গে পাকড়াও করে রহিমকে পুলিশ। এরপর মঙ্গলবার তাকে আদলাতে তোলা হয়। বিচারক, এই অভিযুক্ত খুনিকে ১০ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার পুলিশ প্রধান সূর্য প্রতাপ এই খুনের পরিপ্রেক্ষিতে জানিয়েছেন, “খুনের পর ঘটনাস্থলের পাশে থাকা দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত খুনিদের তল্লাশি করার কাজ শুরু হয়েছিল। বেশ কিছু অভিযুক্তদের পাকড়াও করে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা চলছে। খুনের পিছে আর কে কে আছে তাদের খোঁজ করা হচ্ছে।”

    কল লিস্ট থেকে মিলেছে তথ্য

    খুন হওয়া সত্যেনের (Murshidabad) একটি মোবাইল উদ্ধারের পর কল লিস্ট থেকে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পুলিশের অনুমান ছিল খুনে অভিযুক্তরা নওদা হয়ে নদিয়ার সীমান্তে আত্মগোপন করে রয়েছে। পাশাপাশি মোবাইলের সূত্র ধরে নদিয়ার এক যুব তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তার নাম মুস্তাফা শেখ। এই তৃণমূল নেতার বাড়ি হল তেহট্ট-১ ব্লকের কানাইনগরে। তিনি এই অঞ্চলের অঞ্চল যুব তৃণমূলের সহ-সভাপতি। এরপর বাকি অভিযুক্তদের ধরার প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ। পরে অবশ্য মুস্তাফা জামিন পেয়েছে বলে জানা গিয়েছে।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share