Tag: Murshidabad

Murshidabad

  • TMC: সুতিতে তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধানকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুনের চেষ্টা, এলাকায় শোরগোল

    TMC: সুতিতে তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধানকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুনের চেষ্টা, এলাকায় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের প্রাক্তন প্রধানকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের সুতি থানার  উমরাপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, জখম তৃণমূল নেতার নাম মুজিবর রহমান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যেই জখম তৃণমূল নেতার পরিবারের লোকজন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    মজিবরসাহেব ২০১৩ সালে তৃণমূলের উমরাপুর গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। পরে, তিনি পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। এবারও তিনি পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের (TMC) প্রার্থী ছিলেন। তবে, তিনি পরাজিত হন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জমি সংক্রান্ত বিবাদ নিয়ে এলাকায় গণ্ডগোল হয়েছিল। তৃণমূল নেতা হিসেবে তিনি গণ্ডগোলের মীমাংসা করতে যান। সেখানে দুপক্ষকে নিয়ে সমস্যার সমাধানও করেন। পরে, তিনি বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীরা তাঁর পথ আটকায়। এরপরই ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে জঙ্গিপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালেই তিনি এখন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) সুতি -২ ব্লকের সভাপতি লতিফুর রহমান বলেন, বাড়ি ফেরার পথেই দলীয় নেতার উপর হামলা হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে তাঁকে খুন করার জন্যই কংগ্রেস এই হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনার পিছনে দলের কোনও গোষ্ঠী কোন্দল নেই। এই ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা করছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    কী বললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    হামলার ঘটনায নিয়ে কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি মতিউর রহমান বলেন, ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূল চারিদিকে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। আর দলের কোন্দল তো রয়েছে। বিরোধীরা হামলা চালাবে তা হতে পারে না। আসলে এই হামলার পিছনে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীকোন্দল রয়েছে। আমরা চাই, অবিলম্বে হামলাকারীদের পুলিশ গ্রেফতার করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দলেরই প্রাক্তন সদস্যাকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মার, বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: দলেরই প্রাক্তন সদস্যাকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মার, বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন সদস্যাকে বিবস্ত্র করে পেটানোর অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর করা হয়েছে বাড়ি। রবিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের বড়ঞায়। তৃণমূলের প্রাক্তন সদস্যা এবার টিকিট না পেয়ে নির্দলকে সমর্থন করেছিলেন। শনিবার তারা কংগ্রেসে যোগ দেন। আর তারপরই এদিন তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    আক্রান্ত মহিলা ২০১৮ সালে এই এলাকায় তৃণমূলের (TMC)  পঞ্চায়েত সদস্যা ছিলেন। এবার দলের পক্ষ থেকে তিনি টিকিট পাননি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী দাঁড়ায়। শাসক দলের প্রাক্তন সদস্যা সহ বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা শাসক দলের বিরুদ্ধে গিয়ে নির্দল প্রার্থীকে তাঁরা সমর্থন করেন। ভোটের পর নির্দল অনুগামীরা সকলেই কংগ্রেসে যোগ দেন। তৃণমূলের প্রাক্তন সদস্যাও কংগ্রেসে যোগদান করেন। আর এতেই এলাকার তৃণমূল কর্মীদের সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে ওই প্রাক্তন সদস্যার উপর। এদিন দুপুরে তারা এলাকায় বসেছিলেন। আচমকা তৃণমূলের লোকজন দল বেঁধে এসে হামলা চালায়। তৃণমূলের প্রাক্তন সদস্যাকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক পেটানো হয়। চোখের সামনে হামলা চালাতে দেখে দুজন কংগ্রেস কর্মী বাঁচাতে যান। তৃণমূলের হামলায় তাঁরাও গুরুতর জখম হন। আক্রান্ত কংগ্রেস কর্মীর নাম মহম্মদ বজরুল কেরিম এবং গোলাম সেখ। ঘটনায় ওই মহিলা সহ তিনজন কংগ্রেস কর্মীকে গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে বড়ঞা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে, চিকিৎসকেরা তাঁদের কান্দি মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূলের প্রাক্তন সদস্যা?

    আক্রান্ত তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন সদস্যা বলেন, ২০১৮ সালে আমি তৃণমূলের সদস্যা ছিলাম। এখন আমরা নির্দলকে সমর্থন করেছিলাম। পরে, কংগ্রেসে যোগ দিয়েছি। এটাই আমাদের অপরাধ। তারজন্য তৃণমূলের লোকজন আমাকে বিবস্ত্র করে সকলের সামনে পিটিয়েছে। বাড়ি ভাঙচুর করেছে। আমাকে বাঁচাতে এসে দুজন আক্রান্ত হয়ছেন। তৃণমূল সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেতা মাহে আলম বলেন, পারিবারিক গণ্ডগোল। এরসঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ওরা আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: মুর্শিদাবাদে গণনাকেন্দ্রের পিছনে উদ্ধার হাজার খানেক ব্যালট! বিক্ষোভ বিজেপির

    Panchayat Vote: মুর্শিদাবাদে গণনাকেন্দ্রের পিছনে উদ্ধার হাজার খানেক ব্যালট! বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট গণনার (Panchayat Vote) পরে ব্যালট উদ্ধার চলছেই জেলায় জেলায়। কোথাও আস্ত ব্যালট বক্সও উদ্ধার হচ্ছে। নদীর ধারে, ঝোপে জঙ্গলে, রাস্তার ধারে উড়ছে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতীক। এবার একই ঘটনা মুর্শিদাবাদ জেলার সূতিতে। শুক্রবার সূতি-২ ব্লকের গণনাকেন্দ্রের পিছনের জঙ্গল থেকে হাজার খানেক ব্যালট উদ্ধার হয়। বিরোধী প্রার্থীদের ভোট দেওয়া  ব্যালট পেপার (Panchayat Vote) উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি সহ  বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীরা বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। দেখা যাচ্ছে অসংখ্য ব্যালট পুড়িয়েও ফেলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপি নেতাদের বাড়ি ‘ঘেরাও’য়ের ডাক মমতা-অভিষেকের, তুলোধনা সুকান্ত-শুভেন্দুর

    বিজেপির বিক্ষোভ

    ঘটনার খবর পেয়ে সূতি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী বিডিও অফিসে আসে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরাতে গেলে ব্লক অফিস চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। প্রসঙ্গত, রাজ্যের ঘোষণা মতো এদিনই সূতি-২ বিডিও অফিসে বিজেপির বিক্ষোভ সমাবেশ ও ডেপুটেশন ছিল। তখনই বিডিও অফিস সংলগ্ন গণনাকেন্দ্র দফাহাট মডেল ইস্কুলের পিছনের জঙ্গল প্রচুর সংখ্যায় প্রচুর সংখ্যায় ব্যালট পেপার (Panchayat Vote) পড়ে থাকতে দেখা যায়। 

    বিরোধীদের দাবি

    জানা গিয়েছে সমস্ত ব্যালট পেপারগুলি (Panchayat Vote) ৭ নম্বর জেলা পরিষদের কংগ্রেস প্রার্থীর সমর্থনে ভোট (Panchayat Vote) দেওয়া রয়েছে। গ্রাম সভা, পঞ্চায়েত সমিতির বেশ কয়েকটি এলাকার কংগ্রেস প্রার্থীদের ভোট দেওয়া ব্যালটও রয়েছে। খবর পেয়ে ৭ নং  জেলা পরিষদ প্রার্থী সোহরাব আলি হাজি এবং কংগ্রেস কর্মীদের পাশাপাশি সিপিএম, বিজেপির নেতৃত্ব ও কর্মীরা ছুটে আসেন। কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, কংগ্রেস সহ বিরোধীদের পক্ষে ভোটের ব্যালট পেপারগুলি বেছে বেছে সরিয়ে দিয়ে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিডিও ও আইসির মদতেই এই কারচুপি হয়েছে।

     

    আরও পড়ুুন: মমতার ভাষণে ২১ জুলাইয়ের কোনও কথাই নেই, শুধুই মণিপুর আর ১০০ দিনের বকেয়া!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূলের জেলা সভাপতির অপসারণ চাই, ফের বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    Murshidabad: তৃণমূলের জেলা সভাপতির অপসারণ চাই, ফের বিস্ফোরক হুমায়ুন কবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা তৃণমূল নেত্রী শাওনি সিংহ রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি এর আগে চারজন বিধায়ককে পাশে নিয়ে শাওনি সিংহ রায় এবং অপূর্ব সরকারের অপসারণ চেয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, যদি কোনও ব্যবস্থা না হয়, তাহলে জেলা তৃণমূল পার্টি অফিস ঘেরাও করবেন। শুধু তাই নয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডোমকলে নির্বাচনী পথসভার দিন, তিনি বহরমপুরে নিজস্ব সভা ডেকেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি সেই সভা থেকে বিরত থাকেন। তখন তিনি বলেছিলেন, রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে কথা হয়েছে, একুশে জুলাইয়ের পর তাঁর দাবি নিয়ে আলোচনা হবে।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক (Murshidabad)?

    আগামীকাল একুশে জুলাই শহিদ দিবস। ধর্মতলা যাওয়ার আগেই আবারও শাওনি সিংহ রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন হুমায়ুন কবীর (Murshidabad)। তিনি বলেন, সর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে যেমন হয় ঠিক সেই রকম অবস্থা হয়েছে তৃণমূলের। জেলা কমিটির অনেকেই বিজেপির বাহক হিসাবে  কাজ করছেন। তিনি আরও বলেন, যাঁরা দলে থেকে দলের গাদ্দারি করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আমি অবশ্যই তুলে ধরব। এই সত্যনারায়ণ রায় এখনও শাওনি সিংহ রায়ের বডি মেম্বার, তিনি কাল দশজন বিজেপির মেম্বার এবং পাঁচজন কংগ্রেসের প্রার্থীদের নিয়ে রামনগরঘাট পার করবার জন্য বিশেষ মদত করেন। তলে তলে যোগাযোগ রাখছেন। রামনগরে তৃণমূলের ফল খারাপ হওয়ার জন্য দায়ী জেলা নেতৃত্ব। রাজ্যের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আমি সর্বত্র এই অযোগ্য লোকেদের সম্পর্কে বলব।

    নির্দল ও কংগ্রেস জয়ী প্রার্থীদের সম্পর্কে কী বললেন?

    হুমায়ুন কবীর (Murshidabad) বলেন, এখানকার পুলিশের ওসি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ওসি। কিন্তু এই ওসি বিজেপির এবং কংগ্রেসের মেম্বারদের পাহারা দিতে ব্যস্ত। মহামান্য হাইকোটের নির্দেশ রয়েছে কমিশনারের উপর। কমিশনার আবার জেলা শাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন যে পরবর্তী কোনও নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই নির্বাচনের সার্টিফিকেট মূল্যহীন। তাই তিনি আজ সমস্ত জয়ী মেম্বারদের ডেকে বলেন, এখানে কংগ্রেসের জয়ী মেম্বারও আছেন, আবার নির্দলও আছেন। সবাই আমাদের সঙ্গে সঠিক সময়ে যোগদান করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সামশেরগঞ্জে গণনা কেন্দ্রের বাইরে সিল ও সিরিয়াল নম্বর সহ উদ্ধার ব্যালট!

    Murshidabad: সামশেরগঞ্জে গণনা কেন্দ্রের বাইরে সিল ও সিরিয়াল নম্বর সহ উদ্ধার ব্যালট!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই সর্বত্র গণনার ব্যালট পড়ে থাকার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিরোধীরা বার বার গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। এবার সামশেরগঞ্জের (Murshidabad) গণনা কেন্দ্রের বাইরে সিল ও সিরিয়াল নম্বর সহ ব্যালট পেপার উদ্ধার হওয়ায় জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য।

    কীভাবে পাওয়া গেল ব্যালট (Murshidabad)?

    মঙ্গলবার দুপুর নাগাদ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সামশেরগঞ্জ থানার জয়কৃষ্ণপুর এবিএস বিদ্যাপীঠ সংলগ্ন এলাকায়। স্কুলের পিছনে পাটের জমি থেকে ব্যালট পেপার উদ্ধার হয়। সেই সঙ্গে স্কুলের ভিতরের ডাস্টবিন থেকে কিছু আগুনে পোড়া ব্যালট উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।

    ঘটনাস্থলে কংগ্রেস কর্মীরা

    ব্যালট উদ্ধারের খবর পেয়ে বিদ্যাপীঠে ছুটে আসেন সামশেরগঞ্জ (Murshidabad) ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি ইমাম শেখ, চার নম্বর জেলা পরিষদের কংগ্রেসের সদস্য আনারুল হক বিপ্লব, ৬ নম্বর জেলা পরিষদের কংগ্রেসের পরাজিত প্রার্থী আয়েশা জুলেখা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই নির্বাচনে তৃণমূলকে জয়ী করতে নকল ব্যালট পেপার ছাপিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে সকল দুর্নীতির মধ্যে ভোট চুরিও একটা বিশেষ দুর্নীতি। নির্বাচনে বিডিওরা পুরোপুরি তৃণমূলের এজেন্ট হয়ে কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করেন কংগ্রেসের এই নেতারা। এই ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বিডিও’র বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কংগ্রেসের এই নেতৃবৃন্দ।

    গণনার পরেও কীভাবে যত্রতত্র ব্যালট?

    ফলাফল ঘোষণা হয়ে গেছে। কিন্তু গণনা কেন্দ্রগুলিতে এখনও ব্যালট পেপার পড়ে থাকার ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। শুধু তাই নয়, হাইকোর্ট পর্যন্ত জল গড়িয়েছে। হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় এই ধরনের গণনার ব্যালট পেপার পড়ে থাকা নিয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহা সংশ্লিষ্ট নির্বাচন আধিকারিক বিডিওর বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি। অপর দিকে গতকাল এবং আজ নদিয়ার ধানতলা ও কৃষ্ণগঞ্জের নির্বাচনী বুথের স্কুলেও গণনার ব্যালট উদ্ধারকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিরোধীরা বলেছেন, যেখানেই ব্যালট উদ্ধার হবে সেখানেই অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্টে যাবেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কমিশনের ওয়েবসাইটে জয়ী দেখালেও সার্টিফিকেট পাননি বিজেপি প্রার্থী, তীব্র চাঞ্চল্য

    Murshidabad: কমিশনের ওয়েবসাইটে জয়ী দেখালেও সার্টিফিকেট পাননি বিজেপি প্রার্থী, তীব্র চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৬ ভোটে জিতলেও এখনও দেওয়া হয়নি সার্টিফিকেট! ঠিক এমনই অভিযোগ করলেন ফরাক্কা ব্লকের নয়নসুখ পঞ্চায়েতের ১২২ নং বুথের গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির প্রার্থী মাধবী মণ্ডল। নির্বাচন মিটে গিয়ে ফলাফল ঘোষণার পরেও কেন জয়ী প্রার্থীরা সার্টিফিকেট পাচ্ছেন না এখনও? এই অভিযোগে শোরগোল মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায়।

    কী অভিযোগ (Murshidabad)?

    ভোটের গণনার পর বুথের (Murshidabad) বিজেপি প্রার্থী মাধবী মণ্ডলের স্বামী অভিযোগ করে বলেন, গণনার দিন বিজেপি প্রার্থী ৯৬ ভোটে জিতেছিলেন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও বিজয়ী হিসাবে মাধবী মণ্ডলের নাম রয়েছে। কিন্তু সার্টিফিকেট চাইতে গেলে জানতে পারেন, তৃণমূল প্রার্থী শিলা মণ্ডল জয়ী হয়েছেন। এরপর আর সার্টিফিকেট পাননি। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলায়। অবশেষে ফরাক্কার বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানান এই বিজেপি প্রার্থী।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপি প্রার্থী মাধবী মণ্ডল বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর জানতে পারি আমি জয়ী হয়েছি। সার্টিফিকেট চাইতে গেলে বিডিও বলেন, এক ঘণ্টা পর নিয়ে যেতে। এরপর আবার সার্টিফিকেট নিতে গেলে বিডিও (Murshidabad) বলেন, আমি ২ ভোটে পরাজিত হয়েছি! অথচ ওয়েবসাইটে জয়ী প্রার্থী হিসাবে আমার নাম রয়েছে। তাই আমি বিডিওর কাছে সার্টিফিকেট না পাওয়ার অভিযোগ করলাম। তিনি আরও বলেন, তৃণমূল প্রার্থী চক্রান্ত করে ভোটের ফলাফলকে বদলে দিয়েছে।  

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের এক স্থানীয় (Murshidabad) নেতা বলেন, ভোট গণনা হয়েছে ১১ তারিখ। কিন্তু অভিযোগ করছেন সাতদিন পরে আজ! এত দিন কী করছিলেন? যদি তাঁর গণনা নিয়ে সমস্যা থাকে তাহলে গণনার পর সঙ্গে সঙ্গেই কেন বলেননি। ফলাফল ঘোষণার পর ভুল করে বিজেপি প্রার্থীর নাম দেওয়া হয়েছে। আসলে তৃণমূলের ভোট বিজেপির বলে ঘোষণা হয়েছিল। সব ব্যালট রাখা আছে, মনে হলে আরেকবার গুণে নিতে পারেন। আসলে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ভুল করে নাম উঠে গিয়েছিল এই বিজেপি প্রার্থীর। মূলত এটা সাইটের গোলমাল হয়েছিল। এখন হেরে যাওয়ায় বিজেপি নাটক করছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কনেকে লিপস্টিক পরানো যাবে না! বর পক্ষের দাবি ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ৫

    Murshidabad: কনেকে লিপস্টিক পরানো যাবে না! বর পক্ষের দাবি ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কনেপক্ষের দাবি, তারা মেয়েকে মেক-আপ করাবে, মানতে নারাজ বরপক্ষ। এই নিয়ে বচসা, তারপর হাতাহাতি, পরে মাথা ফাটল বরের। বিয়েবাড়িতে লেগে গেল মারামারি, যার জেরে আহত পাঁচজন। সকলেই হাসপাতালে ভর্তি।

    ঘটনার বিবরণ

    ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার রঘুনাথগঞ্জ থানার সন্তোষপুর দেওয়ানপাড়া এলাকায়। বরের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৯ মাস আগে বিয়ে হয়। মঙ্গলবার সন্তোষপুরে বৌভাতের আয়োজন করা হয়। সেখানেই উপস্থিত হয় বরপক্ষ। অভিযোগ, কনেকে সাজাতে গিয়ে লিপস্টিক ও টিপ পরানো হয়। যা মেনে নিতে পারেনি বরপক্ষ। প্রতিবাদ করতে গেলে বরের দিদিকে মেরে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কনের পরিবারের বিরুদ্ধে! তারপরে শুরু হয় তুমুল বচসা। বচসা এক পর্যায়ে গিয়ে সংঘর্ষে পরিণত হয়, সেখানেই আহত হয় পাঁচজন। সকলেই জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন! আহতরা সকলেই সাগরদিঘি থানার সেখদিঘি এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

    কী বলছেন বর?

    হাসপাতালের বেডে শুয়ে রয়েছেন বর মিনহারুল সেখ। তাঁর মাথা ফেটে গিয়েছে। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা চেয়েছিলাম কনেকে যেন টিপ না পরানো হয়। কিন্তু জোর করে এই কাজ করে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন। বাধা দিতে গেলে আমার শ্বশুর, শালা সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমার দিদির ওপর। মারা হয় আমার ভাগ্নেদেরকেও। তখন আমরা দাবি করি, চড়ের বদলা চড় লাগবে। ওরা সেটা মানতে চায়নি বলে সংঘর্ষ শুরু হয়, বাঁশ, লাঠি এইসব দিয়ে।’’ 

    পাঁচজন বেশি কনে যাত্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য বরপক্ষ-কন্যাপক্ষের মধ্যে মারামারি বীরভূমে

    উল্লেখ্য, এই ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। ২৫ জন কনেযাত্রী নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন বরপক্ষের বাড়ির লোকজন। কিন্ত, কনেপক্ষ পাঁচ জন বেশি নিয়ে গিয়েছিল। এটাই অপরাধ। আর তাই প্যান্ডেলে বসে ভুরিভোজ খাওয়ার বদলে জুটল উত্তম-মধ্যম। বরপক্ষের হামলায় কনেপক্ষের বাড়ির বেশ কয়েকজন জখম হন। সোমবার ঘটনাটি ঘটে বীরভূমের দুবরাজপুরের শিমুলডিহি গ্রামে। আহত হয়ে বেশ কয়েকজন ভর্তি সিউড়ি হাসপাতালে। অন্যদিকে কনের ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে বউভাতের দিন বর সহ বরপক্ষের চারজনকে গ্রেফতার করেছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: বল ভেবে খেলতে গিয়ে দৌলতাবাদে বোমা বিস্ফোরণে জখম তিন স্কুল পড়ুয়া

    Bomb Blast: বল ভেবে খেলতে গিয়ে দৌলতাবাদে বোমা বিস্ফোরণে জখম তিন স্কুল পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  পঞ্চায়েত ভোট থেকে মুড়ি মুরকির মত আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকছে বোমা। প্রতিদিনই প্রশাসন বোম উদ্ধার করছে এবং এই বোমের আঘাতে অনেকে জখমও হচ্ছে। সোমবারই ফের বোমা বিস্ফোরণ ঘটল মুর্শিদাবাদে। বল  ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) জখম হল তিন স্কুল পড়ুয়া। সোমবার ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার দৌলতাবাদের গুরুদাসপুর গ্রামে। জখমদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফুঁসছেন। বোমা মজুতকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানা তাঁরা।

    কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন পড়ুয়া দৌলতাবাদের গুরুদাসপুর প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র। এদিন স্কুল থেকের ফেরার পর পরই তারা তিনজনে মিলে খেলা করতে যায়। বাড়ির কাছে সাঁকোর নীচে বলের মতো একটি বস্তু দেখে তারা খেলা করতে যায়। সঙ্গে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। আর তিনজন ছিটকে পড়ে। বিকট শব্দ শুনে গ্রামের লোকজন ছুটে এসে তাদের তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। গত ১৫ জুলাই সালার থানার কাগ্রামে দুজন শিশু কৌটো বোমাকে খেলনা ভেবে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। তাতে দুজনই জখম হয়। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    জখম পড়ুয়ার পরিবারের এক সদস্য বলেন, আক্রান্ত স্কুল পড়ুয়া আমার ভাগ্নে হয়। এভাবে যেখানে  সেখানে বোমা ফেলে রাখা অন্যায়। আরও হয়তো অনেক বোমা গ্রামে পড়ে রয়েছে। যে বা যারা বোমা রেখেছে তাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। কারণ, পুলিশের উদাসীনতার কারণেই এত বোমা রাস্তাঘাটে পড়ে থাকছে। আরও অনেকের বিপদ হতে পারে। এভাবে রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করাই কঠিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ভোটের দিন বুথে তৃণমূলের সন্ত্রাস, হরিহরপাড়ায় ফের খুন হলেন সিপিএম কর্মী

    TMC: ভোটের দিন বুথে তৃণমূলের সন্ত্রাস, হরিহরপাড়ায় ফের খুন হলেন সিপিএম কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন তৃণমূলের (TMC) সন্ত্রাসের জেরে মুর্শিদাবাদের আরও একজন রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু হল। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রিন্টু শেখ। তাঁর বাড়ি হরিহরপাড়া ব্লকের নিয়ামতপুর গ্রামে। তিনি সিপিএমের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    পঞ্চায়েত ভোটের দিন তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীরা বুথে ঢুকে  ভোট লুটের চেষ্টা করে। তাতে এই সিপিএম কর্মী বাধা দেন। এরপরই তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে এতদিন ভর্তি ছিলেন। এদিন দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় পরিবারের শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের (TMC) হামলায় দলীয় কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় রবিবার সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা সাংবাদিক সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, ভোটে তৃণমূল লুট করেছিল। সেটা বাধা দিতে গিয়ে আমাদের আরও এক কর্মীকে প্রাণ হারাতে হল।

    দৌলতাবাদে ও বড়ঞায় উদ্ধার হল বোমা

    দৌলতাবাদ থানার গৌরীপুর এলাকায় পাটের জমিতে তিনটি সকেট বোমা উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। জমিতে পাট কাটতে গিয়ে স্থানীয় লোকজন বোমাগুলি দেখতে পান। তারপর দৌলতাবাদ থানায় খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে বোমা তিনটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এদিন  বড়ঞায় দুই জার ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, নিমা গ্ৰামের মাঠ থেকে এদিন সকালেই এলাকার বাসিন্দারা একটি জার দেখতে পেয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন, পরে পুলিশ গেলে সেটি বোমা বলে জানানো হয়। অন্যদিকে এই ঘটনার এক ঘণ্টার মধ্যেই বড়ঞার সুন্দরপুর সংলগ্ন  হাতিশালা গ্রামের মাঠেও উদ্ধার হয়েছে আরও একটি জার ভর্তি তাজা বোমা। বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ভোটের জন্য বোমা মজুত করেছিল। তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: খেলনা ভেবে খেলতে গিয়ে সালারে বোমা বিস্ফোরণে জখম দুই শিশু

    Bomb Blast: খেলনা ভেবে খেলতে গিয়ে সালারে বোমা বিস্ফোরণে জখম দুই শিশু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেলনা ভেবে একটি কৌটো নিয়ে খেলতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) জখম হল হল দুই শিশু। শনিবার সকালে ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার সালার থানার কাগ্রাম অঞ্চলের বাবলা গ্রামে। জখমদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    কীভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ওই গ্রামেরই বাসিন্দা সাহিল শেখ এবং সাকিব শেখ নামে দুই শিশু বাড়ির কাছেই খেলা করছিল। রাস্তার পাশেই প্লাস্টিকে মোড়া কৌটো বোমা ছিল। তবে, কতগুলি বোমা ছিল তা জানা যায়নি। দুই শিশু সেটিকে খেলনা ভেবে কৌটো বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। বিস্ফোরণের  জেরে গুরুতরভাবে দুজন জখম হয়। দুজনকেই চিকিৎসার জন্য সালার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বাবলা গ্রামে প্রায় পাঁচটি কৌটো বোমা পড়েছিল। আর সেই কৌটো বোমাকে খেলনা ভেবে খেলতে যাই দুই শিশু। একটি কৌটো বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। বোমা বিস্ফোরণের পর থেকে ওই এলাকায় আরও চারটি কৌটো বোমা পড়ে আছে। ঘটনায় উত্তেজনা রয়েছে গোটা এলাকায়। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছই সালার থানার পুলিশ। সামগ্রিক ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কে বা কারা কী উদ্দেশ্যে ওই বোমাগুলি মজুত করে রেখেছিল তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

    কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    জখম শিশুর এক পরিবারের সদস্য বলেন, আক্রান্ত শিশু আমার ভাইপো। এভাবে যেখানে  সেখানে বোমা ফেলে রাখা অন্যায়। আরও হয়তো অনেক বোমা গ্রামে পড়ে রয়েছে। পুলিশ তল্লাশি করলে খুঁজে পাবে। আমাদের দাবি, যে বা যাদের জন্য আমাদের বাড়ির দুই সন্তান এভাবে জখম হল, তাদের আমরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share