Tag: muslim appeasement

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, এক ঝলকে দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন, এক ঝলকে দেখে নিন সাপ্তাহিক ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন। ২৪ থেকে ৩০ মে, ২০২৬ – পর্যন্ত পর্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি (Hindus Under Attack)

    মুসলমানদের মন পেতে ফের ‘তুষ্টিকরণে’র রাজনীতি করেছে কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। সব মিলিয়ে ৫২টি মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। এর মধ্যে ২০২২ সালের কালাবুরাগি দাঙ্গার সঙ্গে সম্পর্কিত ৭টি মামলাও রয়েছে। অভিযোগ, কালাবুরাগি দাঙ্গায় মুসলিম জনতা পুলিশের ওপর হামলা করেছিল (Roundup Week)।

    ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ

    বেঙ্গালুরুর এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের চেষ্টা এবং অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ এনেছেন কেরলের এক কলেজছাত্রী। মাডিওয়ালা থানায় দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে একটি পার্টিতে। এই পার্টির আয়োজন করেছিলেন কয়েকজন ক্যাফে মালিক। অভিযোগকারিণী একটি বেসরকারি কলেজের ছাত্রী। একটি মোমো আউটলেটে তিনি পার্টটাইম কাজ করতেন। তাঁকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ওই পার্টিতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত হাইনাস নামে একজন। তিনি কেরলের বাসিন্দা। কাজ করেন রিয়েল এস্টেট দালাল হিসেবে। ক্যাফেটি বিক্রির কাজে মালিকদের সাহায্য করেছিলেন তিনি। অভিযোগ, আয়োজকরা কিছুক্ষণের জন্য বাইরে চলে গেলে অভিযুক্ত ওই ছাত্রীর ওপর হামলা চালান।

    লাভ জিহাদ

    উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বীর একটি সরকারি কলেজকে ঘিরে বিতর্কের জেরে দুই মহিলা অধ্যাপক এবং আরও এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এক হিন্দু অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, তাদের মেয়েকে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, মানসিকভাবে প্রভাবিত করা এবং ‘লাভ জিহাদ’ চক্করের সঙ্গে যুক্ত কার্যকলাপে লাগানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। যদিও রবিবার দুপুর পর্যন্তও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি (Roundup Week)। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৌশাম্বীর একটি সরকারি বালিকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের দুই শিক্ষিকা এবং তাঁদের এক সহযোগী ছাত্রীদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে উৎসাহিত করছিলেন বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ইসলামী রীতিনীতি অনুশীলনে উৎসাহ দেওয়া, হিন্দু বিশ্বাসের সমালোচনা করা এবং বারবার প্রভাবিত করার মাধ্যমে ছাত্রীদের মতাদর্শগতভাবে পরিবর্তনের চেষ্টা করা।

    মন্দির ভাঙার চেষ্টা

    এদিকে, ভাটকালের মুরিনাকাট্টে বিরোধ আবারও দেখিয়ে দিয়েছে যে, উপকূলীয় কর্নাটকের কিছু অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি কতটা স্পর্শকাতর এবং প্রশাসনিক অনিশ্চয়তা কীভাবে স্থানীয় উত্তেজনাকে বড় আইন-শৃঙ্খলার সঙ্কটে পরিণত করতে পারে। জাতীয় সড়ক ৬৬-এর পাশে ভেঙ্কটাপুরে থাকা একটি ছোট কিন্তু ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু মন্দির পুনর্নির্মাণকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধই শেষতক একটি বড় উত্তেজনার কারণ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, শয়ে শয়ে মুসলমান পুনর্নির্মিত ওই মুরিনাকাট্টে মন্দিরের কাছে জড়ো হয়ে সেটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছিল (Roundup Week)।

    আমেরিকার ছবি

    ভারতের পাশাপাশি বিদেশেও চলছে হিন্দু ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচার। আমেরিকার নিউ জার্সির বিএপিএস স্বামিনারায়ণ মন্দিরের তীব্র সমালোচনা এবং নেতিবাচক প্রচার তারই একটি উদাহরণ। ফেডারেল তদন্তে কোনও অনিয়মের প্রমাণ না মিললেও, বিএপিএসের বিরুদ্ধে সংবাদ মাধ্যমের প্রচার চলছেই (Hindus Under Attack)।

     

  • Saraswati Puja: তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি, সরস্বতীপুজো বন্ধ একাধিক জায়গায়

    Saraswati Puja: তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি, সরস্বতীপুজো বন্ধ একাধিক জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের তুষ্টিকরণের রাজনীতির বিষবৃক্ষে ফলতে শুরু করেছে বিষময় ফল! তার জেরে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল-শাসিত (TMC) রাজ্যের একাধিক জায়গায় ব্যাহত হয়েছে বার্ষিক হিন্দু উৎসব সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja)। শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ছিল সরস্বতী পুজো। উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি শহরে শাসক দল তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে বাধা সৃষ্টি হয় সরস্বতী পুজোয়।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে মন্দিরে তালা (Saraswati Puja)

    সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেলঘরিয়া সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা চৌক সোসাইটি মন্দিরটিতে তৃণমূলের এক গোষ্ঠী তালা ঝুলিয়ে দেয়। এর ফলে স্থানীয় হিন্দু মহিলারা সরস্বতীর আরাধনা করতে পারেননি। সমস্যার সমাধান করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট টিএমসি কাউন্সিলরও। পুলিশ জানিয়েছে, টিএমসির বিবদমান দুই গোষ্ঠী কোনও সমঝোতায় না পৌঁছনো পর্যন্ত তারা তালা ভাঙবে না বা হস্তক্ষেপ করবে না। স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “আমরা চাই এই মন্দিরটি সকলের জন্য একটি সাধারণ উপাসনাস্থল হোক। এখানে একটি মাত্র তালা থাকবে, যার দুটি চাবি থাকবে, একটি ওদের কাছে, অন্যটি আমাদের কাছে।” আর এক মহিলা বলেন, “এটি কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি সবার।”

    পুজো বন্ধ কলেজ-স্কুলেও

    এদিকে, দক্ষিণ কলকাতার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজের এক ছাত্রী জানান, সরস্বতী পুজোর আয়োজন করার জন্য তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, হুমকি দেওয়া টিএমসি নেতার নাম দাউদ আলম মোল্লা। ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে ওই ছাত্রী বলেন, “দাউদ আলম মোল্লা বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে আমায় হুমকি দিয়েছে যে সে আমার এলএলএম (LLM) নষ্ট করে দেবে।” উল্লেখ্য, যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল’ কলেজই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী (TMC), কীভাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ শব্বির আলি সরস্বতী পুজোর আয়োজন করলে ছাত্রছাত্রীদের ধর্ষণ ও খুনের হুমকি দিয়েছিলেন।

    এদিন, কোচবিহার জেলার দিনহাটা কলেজে টিএমসির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে সরস্বতী পূজার মণ্ডপ পরিত্যক্ত হয়ে যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে তলব করা হয়। খবর পেয়ে দিনহাটা থানার ওসি এবং এসডিপিও কলেজ চত্বরে পৌঁছন (Saraswati Puja)। পুজোয় অংশ নিতে আসা হিন্দু ভক্তদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া দৃশ্যে দেখা যায়, শাসক দলের দুষ্কৃতীরা কলেজ ক্যাম্পাসকে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত শহরের আর একটি ঘটনায়, স্কুল চত্বরে সরস্বতী পুজো আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের। জানা গিয়েছে, ওই স্কুলে ৫০ শতাংশের বেশি মুসলিম ছাত্রছাত্রী থাকায় পুজোর অনুমতি নাকচ করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ আধিকারিকরা ছাত্রছাত্রীদের দেবী সরস্বতীর পুজো করতে বাধা দিচ্ছেন।

    ফুটপাতে পুজোর আয়োজন!

    শেষ পর্যন্ত হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের স্কুল প্রাঙ্গণের বাইরে, ফুটপাতে পুজোর আয়োজন করতে বাধ্য করা হয় (Saraswati Puja)। প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি বলেন, “তারা বলেছে, এই স্কুলে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হওয়ায় এখানে পুজো করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গে থাকা হিন্দুদের অবস্থা আর বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থার মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই (TMC)।” তিনি এও বলেন, “পুলিশ দেবী সরস্বতীকেও স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে, ফলে ছাত্রছাত্রীদের রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ফুল দিতে হয়েছে।” এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। টুইট-বার্তায় তাঁর প্রশ্ন, “পশ্চিমবঙ্গ কি এখন বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে?” তিনি এও লেখেন, “এই ঘটনা আমাদের একটি বিষয় শেখায়, যদি হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে যায়, তাহলে তাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হবে।” উপরোক্ত চারটি ঘটনা স্থানীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রায়ই যেমন দেখা যায়, হিন্দুদের অধিকার সংক্রান্ত বহু খবরই মূলধারার সংবাদমাধ্যমে উপেক্ষিত থেকে যায়। তাই সরস্বতী পুজো ব্যাহত হওয়ার ঘটনার সংখ্যা (TMC) কয়েক ডজন ছাড়িয়ে গেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না (Saraswati Puja)।

LinkedIn
Share