Tag: Muslim population

  • USCIRF Report: ভারত নিয়ে আমেরিকার ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের রিপোর্টের কড়া সমালোচনা বিশিষ্টদের

    USCIRF Report: ভারত নিয়ে আমেরিকার ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের রিপোর্টের কড়া সমালোচনা বিশিষ্টদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত নিয়ে আমেরিকার আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের (USCIRF Report) সর্বশেষ রিপোর্টের কড়া সমালোচনা করলেন ২৭৫ জন বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত আমলা, কূটনীতিক এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধিকারিকদের একটি অংশ।  তাঁরা একে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং সম্পূর্ণভাবে বাস্তবতা থেকে বিচ্যুত” বলে অভিহিত করেন। যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা ইউএসসিআইআরএফের সেই সুপারিশের বিরোধিতা করেন, যেখানে ভারতকে “বিশেষ উদ্বেগের দেশ” (country of particular concern) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আরএসএস (RSS) এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান (Former Judges Officers) করে দিয়েছে। তারা একে “প্রণোদিত ও পক্ষপাতদুষ্ট” বলে উল্লেখ করেছে।

    বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীরা (USCIRF Report)

    এই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি আদর্শ কুমার গোয়েল ও বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত, হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন রাজ্যপাল বিচারপতি বিষ্ণু সদাশিব কোকজে, প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ওপি রাওয়াত এবং সুনীল অরোরা, প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিবাল-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ১৩০-এরও বেশি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্তা। তাঁরা ইউএসসিআইআরএফ কমিশনারদের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং প্রতিবেদনে ব্যবহৃত পদ্ধতি – উভয়েরই সমালোচনা করেন। তাঁদের মতে, ধর্মীয় স্বাধীনতার মূল্যায়ন দীর্ঘমেয়াদি জনসংখ্যাগত প্রবণতার ভিত্তিতে হওয়া উচিত, নির্বাচিত বা বিচ্ছিন্ন ঘটনার বর্ণনার ওপর নয়।

    জনগণনার তথ্য

    স্বাক্ষরকারীরা জনগণনার তথ্য তুলে ধরে জানান, ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ১৯৫১ সালে ৯.৮ শতাংশ থেকে ২০১১ সালে ১৪.২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে খ্রিস্টান ও শিখ জনসংখ্যা যথাক্রমে ২.৩ শতাংশ ও ১.৭ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, অবিভক্ত (USCIRF Report) পাকিস্তানে হিন্দু জনসংখ্যা ২০-২২ শতাংশ থেকে বর্তমানে পাকিস্তানে প্রায় ১.৫-২ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৭-৮ শতাংশে নেমে এসেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতাগুলি ইঙ্গিত দেয় যে ভারতে সামগ্রিক পরিবেশ এমন নয় যা সংখ্যালঘুদের ধারাবাহিক জনসংখ্যা হ্রাস করে, যা সাধারণত প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়ন বা ব্যবস্থাগত বর্জনের লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়।

    ইউএসসিআইআরএফের নিষেধাজ্ঞার আহ্বানের বিরোধিতা

    স্বাক্ষরকারীরা ইউএসসিআইআরএফের নিষেধাজ্ঞার আহ্বান, যার মধ্যে আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং যাতায়াতের বিধিনিষেধও অন্তর্ভুক্ত, তারও তীব্র বিরোধিতা করেন। তাঁরা এসব সুপারিশকে “অত্যন্ত প্রণোদিত” এবং “বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব ও বিকৃত সিদ্ধান্তের (USCIRF Report) প্রতিফলন” আখ্যা দেন। তাঁরা এও বলেন, ইউএসসিআইআরএফ বারবার ভারতীয় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলিকে উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়াই নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে। যদিও তাঁরা স্বীকার করেন, আরএসএসের মতো সংগঠন সমালোচনার ঊর্ধ্বে নয়, তবে এই সমালোচনা অবশ্যই “যাচাইযোগ্য প্রমাণ ও প্রাসঙ্গিক বোঝাপড়ার” ভিত্তিতে হওয়া উচিত, সরলীকরণের ওপর নয়।

    স্বাক্ষরকারীরা ভারতকে একটি “মজবুত গণতন্ত্র” হিসেবে উল্লেখ করেন। জানিয়ে দেন, এখানে সুপ্রতিষ্ঠিত বিচারব্যবস্থা ও সংসদীয় কাঠামো রয়েছে। তাঁরা মার্কিন সরকারকে ইউএসসিআইআরএফের রিপোর্টের ভিত্তি (Former Judges Officers) এবং এর যাথার্থ পুনর্মূল্যায়নের আহ্বান জানান। তাঁদের মতে, এই অঞ্চলে ধর্মীয় স্বাধীনতার যে কোনও অর্থবহ মূল্যায়নের জন্য আরও নিরপেক্ষ, দীর্ঘমেয়াদি এবং ভারতীয় উপমহাদেশজুড়ে তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা জরুরি (USCIRF Report)।

     

  • Morocco: এবছরের কোরবানিতে মরক্কোয় পশু হত্যা নিষিদ্ধ করেন রাজা ষষ্ঠ মহম্মদ, কেন জানেন?

    Morocco: এবছরের কোরবানিতে মরক্কোয় পশু হত্যা নিষিদ্ধ করেন রাজা ষষ্ঠ মহম্মদ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফ্রিকার ছোট্ট দেশ মরক্কো (Morocco), যেখানে ৯৯ শতাংশ মুসলিম জনসংখ্যা বসবাস করে। সেখানে এ বছরের ঈদ-উল-আযহা বা বকরিদ (Bakrid) উপলক্ষে পশু জবাই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মহম্মদ দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংকট এবং তীব্র খরার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    কোরবানির পশু বিক্রিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে (Morocco)

    সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, কোরবানির পশু বিক্রিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন পশুর হাট ও বাজার সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মরক্কোর প্রশাসনের মতে, দেশে পশু জবাইয়ের কারণে গবাদি পশুর সংখ্যা বিপজ্জনকভাবে কমে যাচ্ছে তাই এমন সিদ্ধান্ত। সেদেশের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন প্রদেশে সাপ্তাহিক ভেড়ার হাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি, পশু বিক্রি সংক্রান্ত যেকোনো অস্থায়ী বা স্থায়ী বাজারও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনী বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে গবাদি পশুগুলিকেও নিয়ে এসেছে। যাতে ঈদে সেগুলো হত্যা না করা হয়। একইসঙ্গে, কিছু এলাকার কসাইখানা সাময়িকভাবে (Morocco) বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পশু জবাইয়ের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম বিক্রির ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    মরোক্কোতে ভেড়ার সংখ্যা ৩৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে (Morocco)

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই রাজা ষষ্ঠ মহম্মদ দেশের নাগরিকদের আর্থিক চাপ কমাতে এবং গবাদি পশু সংরক্ষণের জন্য কোরবানি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি জানান, দেশের সমস্ত নাগরিকদের পক্ষ থেকে তিনিই একমাত্র পশু জবাই করবেন কোরবানিতে। বিগত ছয় বছর ধরে মরক্কো তীব্র খরার সঙ্গে লড়াই করছে। এর ফলে দেশে ভেড়ার সংখ্যা ৩৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এছাড়াও, মরোক্কোতে (Morocco) ৫০ শতাংশ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে, যার ফলে পশুখাদ্যের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে পশু জবাই বন্ধ করে সংরক্ষণের দিকেই গুরুত্ব দিচ্ছে মরক্কো সরকার (Bakrid)।

  • Muslim population: চার বছরে কর্নাটকে মুসলিম জনসংখ্যা বেড়েছে ৫.১৬ শতাংশ, উঠে এল সমীক্ষায়

    Muslim population: চার বছরে কর্নাটকে মুসলিম জনসংখ্যা বেড়েছে ৫.১৬ শতাংশ, উঠে এল সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছরের কর্নাটকে মুসলিম জনসংখ্যা (Muslim population) বেড়েছে ৫.১৬ শতাংশ। এমনটাই উঠে এসেছে একটি আর্থ-সামাজিক সমীক্ষায়। জানা যাচ্ছে, ২০১১ সালে যে জনগণনা হয়েছিল তখন মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১২.৯২ শতাংশ। কিন্তু বর্তমানে তা ১৮.০৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জানা যাচ্ছে, মাত্র চার বছরের মধ্যেই ৫.১৬ শতাংশ জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজনৈতিক কারণে মুসলিমদের জন্য যে সংরক্ষণ নীতি চালু হয় কর্নাটকে, তারই প্রভাব এখানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    কর্নাটকে মুসলমান সংরক্ষণ ৪ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশ করার সুপারিশ

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার কর্নাটক রাজ্যে (Muslim population) ২০১৫ সালে একটি আর্থ-সামাজিক সমীক্ষা করা হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যের মোট জনসংখ্যা ছিল ৬.৩৫ কোটি। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে এই সমীক্ষায় অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণী বা ওবিসির মধ্যে মুসলমানরাই সবথেকে বড় জনগোষ্ঠী হিসেবে সামনে আসে। রাজ্যে এই জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ছিল ৭৫.২৫ লক্ষ। কর্নাটকে ওবিসির মধ্যে মুসলমানরা আছে ২-বি ক্যাটাগরিতে। ঠিক এই কারণে কর্নাটকের কমিশন মুসলমান সংরক্ষণ ৪ শতাংশ থেকে ৮ শতাংশ করার সুপারিশ করেছে। সামগ্রিকভাবে ওবিসি সংরক্ষণ ৩২ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ৫১ শতাংশ করারও প্রস্তাব করা হয়েছে। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার কর্নাটকে মোট জনসংখ্যার ৬৯.৬ শতাংশই হল ওবিসি।

    ১৭ এপ্রিল বৈঠকে বসছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, কর্নাটক রাজ্যের (Muslim population) সমীক্ষা বলছে যে মোট মুসলিম জনসংখ্যার ৪৪.৬৩ মানুষ শহরাঞ্চলে বসবাস করেন। অন্যদিকে মাত্র ৩২.৩৬ লক্ষ মুসলিম গ্রামীণ কর্নাটকে বাস করেন। অর্থাৎ এক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে যে মুসলিমরা শহরেই বেশি বাস করছে। এই আবহে আগামী ১৭ এপ্রিল কর্নাটকে (Karnataka) কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধরামাইয়ার নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। এখানে কোন কোন সুপারিশগুলি রাখা সম্ভব মুসলিম সংরক্ষণের (Muslim population) ক্ষেত্রে সে নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, ভারতে ১৯৫০ সালে হিন্দু জনসংখ্যা ছিল ৮৪ শতাংশ। ২০১৫ সালের তা হ্রাস পেয়ে হয়েছে ৭৮ শতাংশ। একইভাবে মুসলমানদের জনসংখ্যা ১৯৫০ সালে ছিল ৯.৮৪ শতাংশ। বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৪.০৯ শতাংশ।

LinkedIn
Share