Tag: Nadia

Nadia

  • Nadia: সাত মাস ধরে স্কুলে না গিয়েও নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন শিক্ষক, জানুন আসল কারণ  

    Nadia: সাত মাস ধরে স্কুলে না গিয়েও নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন শিক্ষক, জানুন আসল কারণ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর বয়স ৫৫। বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (Student)! এছাড়া মহিলা কর্মীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এসব কারণেই ২০২২ সালের জুলাই মাসে তুলে নেওয়া হয় রানাঘাট (Nadia) ১ নম্বর ব্লকের গাংনাপুর থানার চিনাপুকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিমল বাইনকে। তারপর থেকে এক দিনও স্কুলে না গিয়ে নিয়মিত বেতন নিচ্ছেন পরিমল। তাঁর বিরুদ্ধে তোলা যাবতীয় অভিযোগ স্বীকার করে নিয়েছেন ওই শিক্ষক। জানিয়েছেন, বসে বসে বেতন নিতে ভাল লাগে না তাঁর। পরিমল বলেন, আমি তো স্কুলে যেতে চাই। কিন্তু আমায় বের করে দিয়েছে। এ ভাবে বসে বসে বেতন নিতে আমারও ভাল লাগে না।

    শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    ২০১৩ সালে চিনাপুকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন পরিমল। তার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে মহিলা কর্মীদের অভিযোগের অন্ত নেই। তার জেরে ২০১৯ সালে পরিমলকে অন্য একটি স্কুলে বদলি করা হয়। বছর দুয়েক পরে ফের চিনাপুকুরিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিরে আসেন পরিমল। এ বার তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। বিয়ে করতে চেয়ে ওই ছাত্রীর অভিভাবককে ফোনও করেন পরিমল। অভিযোগ স্বীকারও করে নিয়েছেন ওই শিক্ষক (Nadia)। তিনি বলেন, হ্যাঁ, আমি ফোন করে বলেছিলাম ওই ছাত্রীর মাকে, আপনার মেয়েকে পছন্দ হয়, দেখুন দেওয়া যায় কি না। স্কুলের প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত বাগচি বলেন, স্কুলে ফিরে এসে ফের ছাত্রীদের নোংরা আচরণ করা শুরু করেন উনি। চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছেন।

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    সরকারী স্কুল পরিদর্শক সুকন্যা রায়চৌধুরী বলেন, স্কুল পরিদর্শক অসুস্থ থাকায় গত বেশ কয়েকদিন ধরে আমি দায়িত্ব সামলাচ্ছি। তবে পরিমলের ব্যাপারে বিশেষ কিছু বলতে চাননি তিনি। রানাঘাটের এসডিও হরিশ রশিদ বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনও লিখিত অভিযোগ আমি পাইনি। পেলে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nadia: ‘তৃণমূলে থেকে মানুষের চোখের জল…’, নদিয়ায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন ২০০ তৃণমূল নেতা-কর্মী

    Nadia: ‘তৃণমূলে থেকে মানুষের চোখের জল…’, নদিয়ায় বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন ২০০ তৃণমূল নেতা-কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে কার্যত ধস নামল তৃণমূল (TMC) শিবিরে। তৃণমূলের একঝাঁক নেতা-কর্মী ঘাসফুল শিবির ছেড়ে যোগ দিলেন পদ্ম শিবিরে (BJP)। শুক্রবার নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট এক নম্বর ব্লকের তারাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এই তৃণমূল নেতা-কর্মীরা হাতে তুলে নেন পদ্ম আঁকা ঝান্ডা। দল বদলের এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে রানাঘাটের একটি বাজারে কর্মিসভার আয়োজন করেছিল বিজেপি। এই সভায় সাংসদ বিজেপির জগন্নাথ সরকারের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন ২০০ জন তৃণমূল নেতা-কর্মী। এদিন যাঁরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান বিপুল মণ্ডলও।

    বিপুলের ‘বিপুল’ ক্ষোভ…

    বিজেপিতে যোগ দিয়েই এদিন এক রাশ ক্ষোভ উগরে দেন বিপুল। তিনি বলেন, তৃণমূলে মানুষের জন্য কাজ করতে দেওয়া হয় না। উঁচুস্তরের নেতারা শুধু বাধা দেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই পদত্যাগ করেন বিপুল। তৃণমূলের এই প্রাক্তন প্রধান বলেন, আমাকে জোর করে পদত্যাগ করানো হয়েছিল। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগেও এদিন সরব হন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া বিপুল। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং স্বজন-পোষণ নিয়েও সোচ্চার হন তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান। বিপুল বলেন, তৃণমূলের একের পর এক দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসছে। এছাড়াও এতদিন যে দলটি করেছি, সেখানে থেকে মানুষের চোখের জল মোছানো যাবে না। স্বজন-পোষণ নীতি থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারব না। এই দলে শুধুই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে মানুষের স্বার্থে কাজ করতে হলে তৃণমূল দলটি ত্যাগ করতেই হবে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে তৃণমূলের এই প্রাক্তন প্রধান বলেন, মোদিজিকে দেখেই আমরা ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিয়েছি।

    আরও পড়ুন: ‘‘গণতন্ত্র বিপন্ন’’! দার্জিলিং পুরসভায় দল ক্ষমতায় আসার দিনেই তৃণমূল ছাড়লেন বিনয়

    এই সভায় (Nadia) তৃণমূলকে নিশানা করেন সাংসদ জগন্নাথ সরকারও। তিনি বলেন, তৃণমূল যদি পুলিশ-প্রশাসন ও ক্রিমিনালকে কাজে না লাগায়, তাহলে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের কোনও চিহ্ন পাওয়া যাবে না। মানুষ তৃণমূলকে ভোট দেবে না। তিনি বলেন, কেবল নদিয়া নয়, সারা বাংলায় এখন তৃণমূলের অবস্থা খুব খারাপ। মানুষ তৃণমূলকে বিশ্বাস করে না। সাংসদ বলেন, এমনিতেই নদিয়া দক্ষিণে তৃণমূল শূন্য। আগামী নির্বাচনে আমরা প্রত্যেকটি পঞ্চায়েত দখল করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Fly Ash Syndicate: ‘ছাইয়ের ঝগড়া’! ফরাক্কায় তুঙ্গে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

    Fly Ash Syndicate: ‘ছাইয়ের ঝগড়া’! ফরাক্কায় তুঙ্গে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাইয়ের দখল কার? এনটিপিসির ছাই নিয়ে এবার খুনোখুনির আশঙ্কা ফরাক্কায়। তুঙ্গে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। নবান্ন থেকে স্থানীয় থানা- ফরাক্কার ব্লক সভাপতির চিঠি গেল সর্বত্র। একই বিষয়ে চিঠি গেছে জেলাশাসক থেকে শুরু করে এসডিপিও, জেলা পুলিশ সুপারের কাছেও। চিঠিতে তোলাবাজির অভিযোগ প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে। 

    চিঠি পাঠিয়েছেন ফরাক্কার তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শেখ আজারত আলি। নিজের প্রাণনাশের আশঙ্কা করে চিঠি পাঠিয়েছেন সর্বত্র। চিঠিতে অভিযোগ, প্রাক্তন বিধায়ক মইনুল হকের সিন্ডিকেট দখল রেখেছে এনটিপিসির ফ্লাই অ্যাশের কারবার। শেখ আজরাত আলির অভিযোগ, দৈনিক প্রায় ৭ লক্ষ টাকার কারবার চালাচ্ছেন ফরাক্কার পাঁচবারের বিধায়ক মইনুল হক।

    এনটিপিসির ফ্লাই অ্যাশ সাপ্লাইয়ের দখল কার হাতে থাকবে তাই নিয়ে কোন্দল। মুখোমুখি সমরে শেখ আজারাত আর মইনুল হকের দুই গোষ্ঠী। মইনুল পাঁচবারের কংগ্রেস বিধায়ক। একুশের নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতীকে প্রার্থীও হন বিধানসভায়। হেরে যান তৃণমূলের মনিরুল ইসলামের কাছে। এরপরই ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে দলবদল করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন মইনুল হক। নব্য-পুরাতনের ঝগড়া তৃণমূলে আছেই। মইনুল যোগ দেওয়ায় সেই ঝগড়া বেড়েছে বই কমেনি। তবে শেখ আজারতের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মইনুল হক। মাধ্যমকে একান্ত সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, ৫ বারের বিধায়ক থাকাকালীন তোলাবাজি সিন্ডিকেট করলাম না এখন করতে যাব কেন?

    মইনুলের পাল্টা অভিযোগ, পুরানো ঈর্ষা থেকেই এমন অভিযোগ শেখ আজারাতের। তিনি বলেন, বাংলার নয় আদতে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা আজারাত। তাকে ব্লক প্রেসিডেন্ট থেকে সরিয়েও দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি সাংসদ খলিলুর রহমান সবই জানেন।

    সম্প্রতি, নদিয়ার তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।  তাপস সাহা পলাশীপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন। সেই সময় বিধায়ক থাকাকালীন তিনি চাকরি দেবেন বলে বহু মানুষের কাছে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগ। কিন্তু, কাউকে চাকরি দেওয়া হয়নি, সেই সমস্ত ব্যক্তিদের টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। এই প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে  দুর্নীতি দমন শাখা। তদন্তকারীদের সামনে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন তাপসের আপ্ত সহায়ক প্রবীর কয়াল বলে দাবি।

    কয়লা থেকে পাথর, গরুপাচারের একাধিক অভিযোগ বারবার উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। সিন্ডিকেট তোলাবাজিরও একাধিক অভিযোগ আছে। এবার ঝগড়া ছাই নিয়ে। কার দখল থাকবে ছাই পাচারে? কোন সিন্ডিকেট পাবে বরাত? পারষ্পরিক তরজা চলছিলই। এবার একে অপরকে প্রাণে মারার অভিযোগ দিয়ে চিঠি। দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে নাভিশ্বাস ফরাক্কার সাধারণ মানুষের। কেউ কেউ অবশ্য আড়ালে বলছেন, ‘ছাইয়ের ঝগড়া’!

LinkedIn
Share