Tag: Nadia

Nadia

  • BSF: নদিয়ার বাংলাদেশ সীমান্তে সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার বিএসএফ-এর

    BSF: নদিয়ার বাংলাদেশ সীমান্তে সাড়ে ৪ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার বিএসএফ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার সীমান্ত এলাকা থেকে (Nadia) ফের সোনা উদ্ধার করল বিএসএফের ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়ন। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী বিজয়পুর গ্রাম। এই গ্রামে চোরাচালানের কারবার বহু বছর থেকেই চলে আসছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার বিএসএফের (BSF) কর্তব্যরত জওয়ানরা এক পাচারকারীকে হাতনাতে ধরেন। বাজেয়াপ্ত করা হয় বিপুল পরিমাণ সোনা। পাচার করতেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে বিএসএফ আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BSF)

    বিজয়পুর গ্রামে সকালে টহল দিচ্ছিলেন বিএসএফের (BSF) কর্তব্যরত জওয়ানরা। সেই সময় ওই গ্রাম থেকে একজন পাচারকারী সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিল। কর্তব্যরত জওয়ানদের ওই ব্যক্তিকে দেখে সন্দেহ হয়। বিএসএফ সূত্রের খবর, সীমান্ত পারে বাঁশ বাগানের মধ্যে দিয়ে ওই ব্যক্তি সাইকেলে করে যাচ্ছিল। তার গতিবিধি দেখে সন্দেহ হওয়ায় তাকে দাঁড় করিয়ে তল্লাশির চেষ্টা করে বিএসএফ। তৎক্ষণাৎ ওই সাইকেল-আরোহী পালানোর চেষ্টা করে। ওই পাচারকারীর সঙ্গে বিএসএফের জওয়ানদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ওই চোরাচালানকারী পালানোর চেষ্টায় বিএসএফ জওয়ানদের ওপর ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান বিএসএফ জওয়ানরা। তাড়াহুড়োয় পালানোর সময় ওই পাচারকারীর কোমরে বাঁধা সোনার বিস্কুটগুলি পড়ে যায়। তখনই বিএসএফের সন্দেহ প্রমাণিত হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় সমস্ত সোনা।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি, আরজি কর কাণ্ডে শ্যামবাজারে আজ থেকে ধর্না বিজেপির

    কত সোনা বাজেয়াপ্ত?

    বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২২টি সোনার বিস্কুট, ৮টি সোনার ইট এবং ১টি ছোট সোনা আটক করা করেছে বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়রের অধীনস্থ বিজয়পুর বর্ডার ফাঁড়ির ৩২তম ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। ইতিমধ্যেই সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর পক্ষ থেকে গোটা ঘটনার কথা বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে। যে সোনা বাজেয়াপ্ত হয়েছে তার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা বলে জানা যাচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ সোনা উদ্ধারের খবর এলাকায় চাউর হতেই তা নিয়ে এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। এই পাচারের কাজে আর কারা যুক্ত তা জানতে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে বিএসএফ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ‘‘মমতাকে রাজ্য ছেড়ে পালাতে হবে’’, কোথায়? তাও জানালেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ

    Nadia: ‘‘মমতাকে রাজ্য ছেড়ে পালাতে হবে’’, কোথায়? তাও জানালেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে নিয়ে সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছেন। আদালতের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ একাধিকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই আবহের মধ্যে এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আহ্বান জানালেন নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। আরজি করের ঘটনা নিয়ে বাংলার মানুষ যেভাবে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে শুরু করেছেন, তাতে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত বলে মনে করছেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ।

    ঠিক কী বলেছেন বিজেপি সাংসদ? (Nadia)

    শান্তিপুর (Nadia) ডাকঘর মোড়ে আয়োজিত এক প্রতিবাদী সভায় বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘‘এতদিন বিরোধীরা বিরোধিতা করলেও বর্তমানে সমাজের সকল অংশের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিবাদ করছেন। আরজি করকাণ্ড সহ বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শাসকদলের দুই-একজন ভালো মানুষ, যারা মুখ খুলেছেন তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তড়িঘড়ি নিহত তরুণী চিকিৎসকের ময়নাতদন্ত করিয়ে প্রমাণ লোপাটের জন্য ভাঙা হয়েছে মেডিক্যাল কলেজের একটি অংশ। আন্দোলনকারীদের মধ্যে দলীয় কর্মীদের হাতে বিরোধীদের পতাকা ধরিয়ে আক্রমণ করানো হয়েছে। আর এ সমস্ত নাটক বুঝে গিয়েছে সাধারণ মানুষ। তাই তো সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন সাধারণ মানুষ।’’

    ‘‘মমতার যাওয়ার একটাই জায়গা, সেটা হল…’’

    এর সঙ্গেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করে জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘‘আগামীদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্য ছেড়ে পালাতে হবে। সেক্ষেত্রে ওনার যাওয়ার একটাই জায়গা, সেটা হল বাংলাদেশ। তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে চেয়েছিলেন, এবার হয়তো সেই শখ পূরণ হতে চলেছে। তবে এ বাংলায় নয়, বর্তমানে অরাজকতার বাংলাদেশ। বাংলাদেশে গিয়ে জামাত, মৌলবীদের সঙ্গে মিলে প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন তিনি। তবে, আমরাও কথা দিচ্ছি ভারতবর্ষ তথা বাংলা থেকে বিতাড়িত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য না হয় স্লোগান দেব ‘জয় বাংলা’। সঙ্গে গান করব এক্কেবারে মানাইছে না রে।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘আমাদের আগে ৩টি বডি ছিল’’! দাবি নির্যাতিতার বাবার, সৎকারে কেন তৎপর পুলিশ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল ১৮ অগাস্ট! তিনদিন পর কেন জানেন?

    Nadia: নদিয়ায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হল ১৮ অগাস্ট! তিনদিন পর কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া (Nadia) এবং মুর্শিদাবাদের একটি বড় অংশ জুড়ে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয় ১৮ অগাস্ট। এবারও নদিয়ার শান্তিপুরে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে ১৮ অগাস্ট জাতীয় পতাকা তোলেন সেখানকার মানুষ। নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কেন তিনদিন পর জাতীয় পতাকা উঠল এই জেলায়, তা ব্যাখ্যা করেন উদ্যোক্তারা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Nadia)

    ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট নদিয়া (Nadia), কোচবিহার, মুর্শিদাবাদের একটা বড় অংশ পড়েছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশে। সাংসদ তথা পণ্ডিত লক্ষ্মীকান্ত মৈত্রর প্রচেষ্টায় তৎকালীন কৃষ্ণনগরের রানিমা রাজেশ্বরী দেবী, পণ্ডিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দিল্লিতে গিয়ে দরবার করেছিলেন। স্বাধীন ভারতের সদ্য ঘোষিত প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর সঙ্গে তাঁরা দেখা করে সমস্ত বিষয়টি জানান। নবদ্বীপ, শান্তিপুর সহ শ্রীচেতন্য মহাপ্রভু এবং বৈষ্ণবকূলচূড়ামণি অদ্বৈত আচার্যের স্মৃতি বিজড়িত নদিয়া জেলাকে ভারতের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত করতে না পারলে বৈষ্ণব সম্প্রদায়টিই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। একই সঙ্গে মুর্শিদাবাদ, কোচবিহারের বিষয়টি বলা হয়। এরপর ১৭ অগাস্ট রাতে ঘোষণা করা হয়, এই বিস্তীর্ণ এলাকাগুলি ভারতের। ১৫ অগাস্ট সেই সময়কার পাকিস্তানের মুসলিম লিগের পতাকা উঠেছিল। কিন্তু, মাত্র তিনদিনের মধ্যেই দ্বিতীয়বার আবারও কবি করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এই দুই পতাকা সুরক্ষিত রয়েছে শান্তিপুর পাবলিক লাইব্রেরি সংগ্রহশালায়।

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

    ১০ বছর আগে শান্তিপুরের (Nadia) বিভিন্ন ইতিহাস নিয়ে কাজ করা অমিতাভ মৈত্র বেশ কয়েকজনকে নিয়ে এই অন্তর্ভুক্তি দিবস পালন করতে গেলে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন। যদিও শান্তিপুরের বিশিষ্টজনদের সহযোগিতায় জটিলতা কাটে। এরপর থেকে ভারতভুক্তি হিসেবে শান্তিপুরে ১৮ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়ে আসছে। এদিনের স্বাধীনতা দিবস অনুষ্ঠানে শান্তিপুর সাহিত্য পরিষদের সম্পাদক সুশান্ত মঠ, উদ্যাপন কমিটির অমিতাভ মৈত্র, রজত প্রামাণিক, সঞ্জিত কাষ্ঠ, বিশ্বজিৎ রায় সহ বহু বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের ঘটনার প্রসঙ্গে উঠে আসে আলোচনায়। উদ্যোক্তারা বলেন, যদি সেই সময় পণ্ডিত লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এই উদ্যোগ গ্রহণ না করতেন, তাহলে আজ আমাদের পরিস্থিতিও ওই ভয়াবহতার মধ্যে দিয়েই কাটত।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শ্রাবণের শেষ সোমবারে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ভক্তদের ঢল

    Nadia: শ্রাবণের শেষ সোমবারে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ভক্তদের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার। রাজ্যজুড়ে এই দিন শিবের মাথায় জল ঢালতে সকাল থেকে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়েছে মন্দিরে মন্দিরে। তারকেশ্বর মন্দিরে তো লক্ষাধিক ভক্ত সমাগম হয়েছে। ভক্তদের ভিড়ে পিছিয়ে নেয় নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস মন্দির। এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গে জল ঢালতে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়়ে।

    কৃষ্ণচন্দ্র প্রতিষ্ঠিত শিবলিঙ্গ (Nadia)

    ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় ১৭৫৪ সালে নদিয়ার (Nadia) শিবনিবাস গ্রামে (Shibnibas) শিবমন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই শিবমন্দিরসহ তিনটি মন্দির তিনি তৈরি করেছিলেন। এর মধ্যে দুটি শিবের মন্দির রয়েছে। আর একটি রাম-সীতার মন্দির। শিবলিঙ্গের উচ্চতা ৯ ফুট। স্থানীয়ভাবে বুরো শিব বা পুরাতন শিব নামে পরিচিত। শিবনিবাস গ্রামের নামটি এলাকায় শিব মন্দিরের প্রাচুর্য থেকে এসেছে। কলকাতার বিশপের নথি অনুসারে, রেজিনাল্ড হেবার ১৮২৪ সালে ঢাকায় যাওয়ার সময় শিবনিবাসকে দেখতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ে গ্রামে চারটি শিব মন্দির ছিল বলে জানা যায়। যদিও এই বিষয়ে এলাকার মানুষের কাছে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: আরজি কর থেকে ভাতার! মমতা প্রশাসনের মদতেই কি সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাপট?

    ভক্তরা কী বললেন?

    এদিন শিবনিবাসের (Shibnibas) শিবের মাথায় জল ঢালতে দূর-দুরান্ত থেকে এদিন হাজার হাজার ভক্ত সমাগম হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার আগে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাসে রয়েছে শিব মন্দির। রবিবার রাত বারোটা বাজতেই ভিড় সামলাতে খুলে দেওয়া হয়েছে শিব মন্দিরের গেট। পুরানো ঐতিহ্য মেনে নবদ্বীপ থেকে বাঁকে করে হাজার হাজার ভক্ত গঙ্গার জল নিয়ে শিবনিবাসে আসেন শিবের মাথায় জল ঢালতে। অগণিত ভক্তগণের লম্বা লাইন মন্দির প্রাঙ্গণ ছাড়িয়ে বিস্তৃত হয়েছে বহুদূর পর্যন্ত। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য পুলিশ প্রশাসন সচেষ্ট। মন্দির এলাকার নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়। বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ২৭০০ পুলিশ কর্মী। পুণ্যার্থী সুমিত্রা বিশ্বাস বলেন, আমি করিমপুর থেকে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে এসেছি। ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি। এত বড় শিবলিঙ্গ আমি কোনওদিন দেখিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কলেজের মধ্যে পিস্তল হাতে তৃণমূল ছাত্র নেতা! ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল

    Nadia: কলেজের মধ্যে পিস্তল হাতে তৃণমূল ছাত্র নেতা! ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিস্তল হাতে কলেজ ইউনিয়ন রুমের মধ্যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সভাপতি! ভিডিও ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে শাসক দল। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরের একটি কলেজে। এই ঘটনা জানাজানি হতে জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূল ছাত্র নেতার এই আচরণে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    ভাইরাল ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে? (Nadia)

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কৃষ্ণনগরের (Nadia) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কলেজ ইউনিয়নের একটি ঘরের মধ্যে বেশ কয়েকজন তৃণমূল ছাত্র নেতা-কর্মী বসে রয়েছেন। এরমধ্যে একজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। তিনি কৃষ্ণনগর শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি ইমরান শেখ। আর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তৃণমূলের কৃষ্ণনগর শহর ছাত্র পরিষদের সভাপতি ইমরান শেখ বলেন, “যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিওতে আমি নেই। বোঝাই যাচ্ছে এটা পুরোটাই বিরোধীরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। যে বা যারা এই ভিডিওটি ভাইরাল করে আমার নামে দোষারোপ করার চেষ্টা করছে, আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেব।”

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি

    এই প্রসঙ্গে নদিয়া (Nadia) জেলা উত্তরের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সম্রাট পাল বলেন, “ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে সেটা আমাদের শহর সভাপতি ইমরান শেখ নয়। তাছাড়া, প্রথমে জানতে হবে, পিস্তলটি আসল কি না। এখন ফ্লিপকার্টেও এই ধরনের খেলনা পিস্তল পাওয়া যাচ্ছে। এটা পুরোটাই বিজেপির চক্রান্ত। আর যিনি এই ভিডিওটি ছেড়েছেন তিনি বিজেপি নেতা রাজশ্রী লাহিড়ী। তিনি প্রমাণ করুন,এই পিস্তলটি আসল। আমরা আইনজীবীর সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা আইনত ব্যবস্থা নেব।” ভাইরাল ভিডিওতে কী রয়েছে দেখে নিন।

    <

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সন্দীপ মজুমদার। তিনি বলেন, “এটা তৃণমূলের কালচার। এখানে যা কিছু হয় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় হয়। যে ছাত্রের হাতে খাতা কলম থাকার কথা, সেই ছাত্রের হাতে রয়েছে পিস্তল। সেই কারণেই সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের বলব, আপনারা তৃণমূল (TMCP) থেকে নিজের ছেলে-মেয়েকে সরিয়ে আনুন। এরা আপনার ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দেবে। অবিলম্বে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে রানাঘাটে জোড়া খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Ranaghat: বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে রানাঘাটে জোড়া খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানাঘাটে প্রকাশ্যে সোনার দোকানে ডাকাতির পর এবার (Ranaghat) ভরসন্ধ্যায় জোড়া খুন (Murder)। এই ঘটনায় রানাঘাটের আনুলিয়া মনসাতলা এলাকা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম রূপক দাস (৩৮) এবং সুমন চক্রবর্তী (৪০)। সুমনবাবু পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর গাড়ির চালক ছিলেন রূপক। দুজনের বাড়ি রানাঘাট পুরসভা এলাকায়। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের লোকজন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সুমনবাবুর কাছে বৃহস্পতিবার ফোন এসেছিল। সেই ফোন পেয়েই রূপকবাবুকে নিয়ে বাইকে করে ওই ব্যবসায়ী বেরিয়েছিলেন। তবে, তিনি কোথায় যাচ্ছেন তা বাড়িতে বলে যাননি। আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ পরিবারের লোকজন খবর পান, নির্মীয়মাণ বাড়িতে তাঁদের ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে রয়েছে। পরিবারের লোকজন তড়িঘড়ি তাঁদের দুজনকে সেখান থেকে উদ্ধার করে রানাঘাট হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকেরা দুজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের প্রাথমিক অনুমান, চক্রান্ত করে ওই ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ির চালককে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। তবে, এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে দিল নির্বাচন শেষ হয়ে গেলেও এখনও উত্তপ্ত রানাঘাট। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে রানাঘাট থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস, দেশের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন

    নিহত ব্যবসায়ীর আত্মীয় কী বললেন?

    নিহত ব্যবসায়ীর আত্মীয় মেঘনাদ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সুমন পেশায় ব্যবসায়ী ছিল। তার সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল বলে আমার জানা নেই। পরিবারের কাছে এই ধরনের আশঙ্কার কথাও ও বলেছে বলে আমার জানা নেই। এদিন সন্ধ্যায় আমরা খবর পেয়ে হাসপাতালে আসি। যেটুকু জেনেছি, কোনও ফোন পেয়ে সুমন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। সঙ্গে গাড়ির চালক ছিল। দুজনকে এভাবে কুপিয়ে খুন (Murder) করা হবে তা ভাবতে পারছি না। পুলিশ প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। ফলে, এই ঘটনার পর আমরাও আতঙ্কিত। আমাদের দাবি অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani AIIMS: ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতারণার ফাঁদ! সতর্ক করল কল্যাণী এইমস

    Kalyani AIIMS: ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতারণার ফাঁদ! সতর্ক করল কল্যাণী এইমস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল্যাণী এইমস (Kalyani AIIMS) এবার ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে প্রতারণার ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করল। একাধিক কর্মখালি নিয়ে ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। দেওয়া আছে শূন্যপদের বিবরণ সহ বেতনের তালিকা। অথচ্‌ এইমস কিছুই জানে না। ঘটনায় ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য আগেও একাধিকবার এই ভাবে মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে একাধিক সময়ে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল।

    ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে (Kalyani AIIMS)?

    সামজিক মাধ্যমে এই ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজের সময়। বেতন আকর্ষণীয়। দশম শ্রেণি পাশ হলে মিলবে ১৭ হাজার, উচ্চ মাধ্যমিক পাশ হলে মিলবে ২০ হাজার, ডিপ্লমা থাকলে সাড়ে ২১ হাজার, ডিগ্রি থাকলে ২৬ হাজার মিলবে। আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।” যোগাযোগ নম্বর দেওয়া রয়েছে। সেই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তির মধ্যে রয়েছে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স-এর (Kalyani AIIMS) লোগো। কয়েক দিন ধরে এই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি দিলে জালিয়াতি হয়!

    জাল বিজ্ঞপ্তিতে (Kalyani AIIMS) দেওয়া নম্বরে ফোন করে জানা গিয়েছে, বিজয় গঙ্গোপাধ্যায় নামক এক ব্যক্তি ধরেছেন। তিনি বলেছেন, “চাকরি হয়ে গেলে বাড়ি থেকে এইমসে যাওয়া-আসা করতে গেলে যদি অসুবিধা হয়, তাহলে আমাদের কাছে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। নার্সিংয়ে শূন্যপদ রয়েছে চাইলে আবেদন করতে পারেন। ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি দিলে জালিয়াতি হয়, তাই এই ভাবে দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ পানিহাটিতে তৃণমূলের ২ গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট! প্রতিবাদে থানা ঘেরাও, এলাকায় উত্তেজনা

    কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    এইমসের (Kalyani AIIMS) পক্ষ থেকে হাসপাতালের জনসংযোগ আধিকারিক চিকিৎসক সুকান্ত সরকার বলেছেন, “এই ধরনের কোনও বিজ্ঞপ্তি আমাদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। এখানে শূন্যপদে নিয়োগ হবে এমন কোনও খবর আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত নেই। চাকরিপ্রার্থীদের অনুরোধ করবো, তাঁরা যেন অবশ্যই কল্যাণী এইমসের নিজেস্ব ওয়েবসাইট থেকে তথ্য যাচাই করে নেন। প্রতারণার ফাঁদ থেকে সকলে সাবধান থাকবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: অশান্ত বাংলাদেশ! আটকে ভারতীয় পড়ুয়ারা, উদ্বেগে পরিবারের লোকজন

    Bangladesh Protest: অশান্ত বাংলাদেশ! আটকে ভারতীয় পড়ুয়ারা, উদ্বেগে পরিবারের লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা বিরোধী আন্দোলনের জেরে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ (Bangladesh Protest)। গত তিন-চারদিন ধরে শয়ে শয়ে ভারতীয় দেশে ফিরছেন। কিন্তু, এখনও বহু ভারতীয় বাংলাদেশে রয়েছেন। তাঁরা ফিরতে পারেননি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ, নদিয়ার অনেক পড়ুয়া আটকে রয়েছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে। ফলে, চরম আতঙ্কে রয়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। কারণ, অনেককেই ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁরা কী অবস্থায় রয়েছেন, তা জানা যাচ্ছে না।

    চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন পরিবারের লোকজন (Bangladesh Protest)

    হরিহরপাড়ার বাসিন্দা নাসিম হাসান বিশ্বাস ঢাকার ডেলটা মেডিক্যাল কলেজের এমবিবিএস ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র। একই কলেজের ডাক্তারি পড়ুয়া রানিনগরের ইমরুল কায়েস। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে তাঁরা আটকে রয়েছেন ঢাকা (Bangladesh Protest) শহরে। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হওয়ার কারণে তাঁদের সঙ্গে পরিবারের লোকজন কোনও যোগাযোগ করতে পারছেন না। এর আগে শেষবার যখন যোগাযোগ হয়েছিল তাতে জানা গিয়েছিল, ঘরে ফেরার জন্য তাঁরা বাস পাচ্ছেন না। বাতিল হয়েছে উড়ান। ফলে তাঁদের মতো অনেকেই আটকে রয়েছেন সেখানে। হরিহরপাড়ার নাসিমের বাবা হাফিজুল ইসলাম বলেন, “ছেলে যে কলেজে পড়ে সেখানকার নিরপত্তারক্ষী খুন হয়েছেন। এই ঘটনার পর ছেলে আতঙ্কে রয়েছে। সে বাড়ি ফেরার জন্য বাস পায়নি। প্লেনও পায়নি। ইন্টারনেট সংযোগও নেই। ফলে, আমরাও ওর সঙ্গে ঠিক মতো যোগাযোগ করতে পারছি না। চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। প্রতিদিন খবরে যা দেখছি, তাতে আতঙ্ক আরও বাড়ছে। ছেলের সঙ্গে নদিয়া, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) অনেক পড়়ুয়া রয়েছে। সকলেই দেশে না ফেরা পর্যন্ত আমাদের আতঙ্ক কাটবে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করলে খুব ভালো হয়।”

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে দেখলেই গুলি চালানোর নির্দেশ সেনাকে! শনিবারও নিহত ৭

    কী বললেন সাংসদ?

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাংসদ আবু তাহের খান বলেন, “এই এলাকায় অনেকে বাংলাদেশে (Bangladesh Protest) রয়েছে। তাঁরা ফিরতে চাইছেন, সেখানকার পরিস্থিতির কারণে তাঁরা আটকে পড়েছেন। তাঁদের ফেরানোর জন্য আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব। প্রয়োজনে বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীকেও জানাব। ছেলেমেয়েরা যাতে ঘরে ফিরতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, নিরাপদে থাকতে ভারতে আসছেন বহু বাংলাদেশি

    Bangladesh Protest: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, নিরাপদে থাকতে ভারতে আসছেন বহু বাংলাদেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে (Bangladesh Protest)। জারি করা হয়েছে কার্ফু। বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। এই পরিস্থিতিতে ভারত থেকে বাংলাদেশে যারা পড়াশুনা করতে গিয়েছিলেন, তাঁরা দল বেঁধে দেশে ফিরছেন। একইসঙ্গে বহু বাংলাদেশি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নিজের দেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসছেন। পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা আত্মীয়দের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছেন। এমনিতেই বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে আশঙ্কা করেই সীমান্তে বিএসএফ কড়া নজরদারি শুরু করেছেন।

     গেদে সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন পড়ুয়ারা (Bangladesh Protest)

    বাংলাদেশের (Bangladesh Protest) মেডিক্যাল কলেজ পড়ুয়া সাদিকুল। তিনি ভারতীয়। বাংলাদেশে পড়তে গিয়েছিলেন। অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর ক্যাম্পাসের বাইরে বের হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। খবর জেনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের লোকজন। কলেজের অন্য ভারতীয় ছাত্রেরা বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। সে দলে নাম লেখান সাদিকুলও। রাতের অন্ধকারে গাড়ি ভাড়া করে চলে আসেন গেদে (Gede)। নদিয়ার মায়াপুরের বাসিন্দা নীলাভ সাইদ বাংলাদেশের মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র। তিনি বলেন, “অনেক স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশে পড়তে গিয়েছিলাম। জানি না, আগামী দিনে সব ঠিকঠাক হবে কিনা। জীবন নিয়ে ফিরলেও কেরিয়ার অনিশ্চিত হয়ে গেল। বাড়ি ফিরতে পারলাম, এটা ভেবেও ভালো লাগছে।”

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    আসছেন বহু বাংলাদেশি

    ভারতীয়দের পাশাপাশি বাংলাদেশিরাও আশ্রয় নিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গে। বাংলাদেশের রাজশাহী ঘোষপাড়ার বাসিন্দা চার খুড়তুতো-জ্যেঠতুতো ভাই গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে আসেন। গেদে (Gede) স্টেশন থেকে তাঁদের নানিকে ফোন করেন। নানির বাড়ি মুর্শিদাবাদের লালগোলায়। তাঁরা সেখানেই উঠবেন। খুব ভোরে বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন চার ভাই। গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের পর হাঁফ ছেড়েছেন। এঁদের এক জন ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র প্রিন্স মহম্মদ। তিনি বলেন, “মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের ছাত্রেরাও বিক্ষোভে শামিল হচ্ছেন। তাঁরাও এমন অনৈতিক সংরক্ষণ চাইছে না। ঢাকার বাসিন্দা নাইমুর রহমান। পেশায় আইনজীবী। বাংলাদেশের গন্ডগোলের জন্য তিনিও ভারতে চলে এসেছেন। গেদে সীমান্তে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। আমি ভ্রমণ করতে ভারতে এসেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে হিন্দুদের ভোট দিতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে হিন্দুদের ভোট দিতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুলিশ প্রশাসনকে সামনে রেখে তৃণমূল বিধানসভা উপনির্বাচনের আগেরদিন হিন্দুদের বেছে বেছে বাড়ি ভাঙচুর করেছে। ভোটের দিন দুপুরে হিন্দু ভোটারদের গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু বিজেপি নয়, হিন্দু ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না।” শুক্রবার নদিয়ার পায়রাডাঙ্গায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে একথা বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, পুলিশকে সামনে রেখে তৃণমূলের জেহাদিরা এসব করে বেড়াচ্ছে। এসব বেশিদিন চলতে পারে না। আক্রান্তদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই এসেছিলাম। আমাদের স্পষ্ট বার্তা, স্বৈরাচারী মমতার সরকারের অবসান করতে হবে। এরজন্য হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

    শুভেন্দুকে বাধা তৃণমূলের (Suvendu Adhikari)

    বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে রানাঘাট এবং গাংনাপুর এলাকার বিভিন্ন বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর এবং তাঁদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়িতে যান। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি যখন গাংনাপুরে গিয়ে পৌঁছান, ঠিক তখনই তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মী তাঁকে ঘিরে স্লোগান দিতে শুরু করেন। পাশাপাশি কালো পতাকা দেখানো হয়। এরপরই দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর প্রতিবাদ জানান। প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখালেও পুলিশ নীরব দর্শক ছিল বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    তৃণমূল-পুলিশকে তুলোধনা করলেন শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এটা তৃণমূলের কালচার। আমাকে ওরা আক্রমণ করেছিল। ভেবেছিল আমি ভয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাব। কিন্তু, আমি একা তার প্রতিবাদ করেছি। ওদের বিক্ষোভ রুখে দিয়েছি। পুলিশের সামনেই সব কিছু হয়েছে। ওরা কিছু করেনি। আসলে গাংনাপুর থানার ওসি সম্পূর্ণ বিষয়টি সামনে থেকে করিয়েছেন। আমি সকলকে চিহ্নিত করব এবং গাংনাপুর থানার ওসির বিরুদ্ধে আদালতে জানাব। আমি কোনওভাবেই এই ধরনের নোংরামো সহ্য করব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share