Tag: nafld

  • Fatty Liver: লিভারে চর্বি জমছে? প্রাতঃরাশের পাতে রাখুন এই খাবারগুলি, মিলবে উপকার

    Fatty Liver: লিভারে চর্বি জমছে? প্রাতঃরাশের পাতে রাখুন এই খাবারগুলি, মিলবে উপকার

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা। বিশেষত নন অ্যালকোহল ফ্যাটি লিভারের বিপদ আরও বাড়ছে। একাধিক সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে ফ্যাটি লিভারের সমস্যার ভুগছেন শিশু থেকে প্রৌঢ়! বিশেষত চল্লিশোর্ধ্বদের মধ্যে এই সমস্যা আরও বাড়ছে। দীর্ঘমেয়াদি ফ্যাটি লিভারের সমস্যা শরীরের একাধিক রোগের কারণ হয়ে উঠছে। লিভারের বড় জটিল সমস্যা, অন্ত্রের রোগ, হজমের গোলমাল এমনকি একাধিক হরমোন ঘটিত অসুখের নেপথ্যে থাকছে ফ্যাটি লিভার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই রোগের প্রকোপ থেকে বাদ নেই শিশুরাও। ভারতীয় শিশুদের মধ্যেও ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বয়স দশ কিংবা বারো বছর। কিন্তু তারাও এই ধরনের সমস্যায় ভুগছে। ফলে দীর্ঘ সুস্থ জীবন যাপন মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত মদ্যপানের অভ্যাস থাকলেই ফ্যাটি লিভার হয়। কিন্তু গত এক দশকে সেই ভাবনা বদলে গিয়েছে। জীবন যাপনের ধরনের জেরেই ফ্যাটি লিভারের সমস্যা হচ্ছে। যার নাম নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার। তবে, এই সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবে জলখাবার। এমনটাই জানাচ্ছেন, পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রাতঃরাশে কী খাওয়া হচ্ছে, তার উপরে নির্ভর করছে সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি। বিশেষত ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের মোকাবিলায় প্রাতঃরাশ খুবই জরুরি।‌ এই ধরনের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে প্রাতঃরাশের খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    প্রাতঃরাশের কোন খাবার ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে?

    মুগের ডালের ছিলা!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রাতঃরাশে সুষম খাবার নিয়মিত খেলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার লিভারে অপ্রয়োজনীয় চর্বি তৈরি করে। ফলে লিভারের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। জলখাবারে মুগ ডালের ছিলার মতো খাবার খেলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমে। তাঁদের পরামর্শ, মুগ ডালের পেস্ট বানিয়ে প্যানকেকের মতো তৈরি করতে হবে। তার মধ্যে কিছু সবুজ সব্জি যেমন ক্যাপসিকাম, বিনস কিংবা ভূট্টার মতো দানাশস্য ও দেওয়া যেতে পারে। তাহলে একসঙ্গে শরীরে প্রোটিন ও ভিটামিনের উপাদান পৌঁছবে। সকালে এই জাতীয় খাবার খেলে পেট ভরে থাকবে। অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়ার ঝুঁকি কমবে। আবার ভিটামিন ও ভালো প্রোটিন শরীরের ক্লান্তি কমাবে। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা মোকাবিলা সহজ হবে।

    ডিম ও সব্জি দিয়ে রুটি!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডিম, সবুজ সব্জি ও পরিমাণ মতো দানাশস্য একসঙ্গে নিয়মিত প্রাতঃরাশে থাকলে লিভারের কার্যক্ষমতা ভালো থাকবে। ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমবে। তাই তাঁদের পরামর্শ, নিয়মিত আটা, মিলেট বা বাজরার রুটি সব্জির পুর এবং ডিম দিয়ে বানিয়ে প্রাতঃরাশে খাওয়া যেতে পারে। সব্জির মধ্যে পালং শাক, গাজরের মতো সব্জি দেওয়া যেতে পারে। যেখান থেকে শরীর সহজেই ভিটামিন‌ সংগ্রহ করতে পারবে। আবার মাশরুম ও খাওয়া যেতে পারে।

    দই এবং বেরি মেশানো!

    টক দই লিভারের জন্য খুবই উপকারি।‌ তাই পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের মোকাবিলায় টক দই হাতিয়ার হতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময় সকালের জলখাবার ভারি খেতে ইচ্ছে হয় না। কখনো কখনো হালকা খাবার খেতে ইচ্ছে হয়। এমন সময় বেরি মেশানো টক দই খাওয়া যেতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, টক দই অন্ত্রের জন্য উপকারি। এতে প্রচুর পরিমাণে উপকারি ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। ফলে লিভার, পাকস্থলী, অন্ত্র ভালো রাখে। আবার বেরিও শরীরের জন্য উপকারি। এতে মেদ জমে না। বরং স্থুলতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে। ফলে, ফ্যাটি লিভারের মতো রোগ মোকাবিলা সহজ‌ হয়। তাই, ফ্যাটি লিভারের বিপদ রুখতে বেরি মেশানো টক দই খাওয়া যেতে পারে।

    সব্জি ও ডিম দেওয়া স্যান্ডুইচ!

    শশা, পিঁয়াজ, টমেটো, গাজর, লেটুস পাতার মতো রঙিন সব্জি শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এগুলোতে শরীরে মেদ জমে না।‌ বরং এই ধরনের খাবার ক্যালোরি ক্ষয় করতে সাহায্য করে। ফ্যাটি লিভার রুখতে এই ক্যালোরি ক্ষয় করা জরুরি। তাই সকালের জলখাবারে পাউরুটির ভিতরে শশা, পিঁয়াজ, টমেটো, লেটুস পাতা দিয়ে ভরে স্যান্ডুইচ বানিয়ে খাওয়া যেতে পারে। তবে এরসঙ্গে পাতে একটা বা দুটো সেদ্ধ ডিম রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদেরা।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন, ফাইবারের সঙ্গে প্রোটিন থাকা জরুরি। তাই সিদ্ধ ডিম থাকলে সুষম আহার হবে। ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকিও কমবে। সুস্থ জীবন যাপনের জন্য প্রাতঃরাশে স্বাস্থ্যকর খাবার রাখা খুবই জরুরি। ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে লুচি, পরোটা, অতিরিক্ত তেলেভাজা জাতীয় খাবার বাদ দিতে হবে। পাশাপাশি, প্রক্রিয়াজাত খাবার যেমন বার্গার, পিৎজা এগুলো কখনোই খাওয়া যাবে না। কারণ এগুলো লিভারের ক্ষতিকারক চর্বির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Fatty Liver: শহুরে ভারতীয়দের মধ্যে বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা, কতটা বিপজ্জনক? কীভাবে মোকাবিলা?

    Fatty Liver: শহুরে ভারতীয়দের মধ্যে বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা, কতটা বিপজ্জনক? কীভাবে মোকাবিলা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

     

    লিভারের অসুখে আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও বাড়ছে এই রোগ। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে লিভারের নানান অসুখের ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষত ফ্যাটি লিভারের (Fatty Liver) মতো অসুখে আক্রান্তের সংখ্যা মারাত্মকভাবে বাড়ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। ১২ জুন গ্লোবাল ফ্যাটি লিভার ডে (Global Fatty Liver Day)! আর সেই উপলক্ষে দেশ জুড়ে একাধিক সচেতনতা কর্মসূচির আয়োজন করেছেন চিকিৎসকদের একাধিক সংগঠন।

    ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) কী?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফ্যাটি লিভার হলো লিভারে অতিরিক্ত মেদ জমে যাওয়া। তার ফলে লিভারের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। শরীরের বিভিন্ন অংশে এর গভীর প্রভাব পড়ে। ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হলে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন মুশকিল। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই রোগ বেড়ে যাওয়া, যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলেই তাঁরা আশঙ্কা করছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, কয়েক বছর আগেও মূলত নিয়মিত মদ্যপান করলে, তবেই ফ্যাটি লিভারের মতো সমস্যা দেখা যেত। কিন্তু গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। নিয়মিত মদ্যপানে আসক্ত নন, এমন বহু মানুষ ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হচ্ছেন। যাকে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার (NAFLD) বলা হচ্ছে। এই রোগের কবল থেকে বাদ নেই শিশুরাও। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস ও জীবন যাপনের জেরেই এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তাই এই রোগের মোকাবিলার প্রধান অস্ত্র সচেতনতা।

    কী বলছে সাম্প্রতিক রিপোর্ট?

    এক আন্তর্জাতিক সংস্থা সম্প্রতি সর্বভারতীয় স্তরে একটি সমীক্ষা চালায়। আর তাতেই উদ্বেগজনক রিপোর্ট পাওয়া যায়। ওই সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ভারতে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ফ্যাটি লিভারের (Fatty Liver) সমস্যায় ভুগছেন‌। প্রায় ৬৫ শতাংশ শহুরে ভারতীয় (Urban Indians) নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের (NAFLD) সমস্যায় আক্রান্ত। অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগীর বয়স ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। এমনকি আক্রান্তের তালিকায় শিশুদের সংখ্যাও যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য।

    কেন প্রকোপ বাড়াচ্ছে ফ্যাটি লিভার?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মদ্যপান ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের প্রধান কারণ। নিয়মিত অতিরিক্ত মদ্যপান করলে লিভারের এই সমস্যা দেখা যায়। তবে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের (NAFLD) মতো সমস্যা আরও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, অসময়ে খাবার খাওয়া, অপরিমিত খাদ্যাভ্যাস এবং অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাস নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারণ। তাঁরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের একাংশ স্থুলতার সমস্যায় ভুগছেন। ওবেসিটি, ডায়াবেটিস এই দুই সমস্যা ফ্যাটি লিভারের (Fatty Liver) অন্যতম কারণ। আর এই দুই সমস্যার সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস সরাসরি ভাবে যুক্ত। অতিরিক্ত ওজন‌ শরীরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের উপরে গভীর প্রভাব ফেলে। ফ্যাটি লিভারেরও কারণ স্থুলতা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই অতিরিক্ত সময়ের ব্যবধানে খাবার খান। অনিয়মিত খাদ্যাভাস শরীরে প্রভাব ফেলে। আবার অনেকেই পিৎজা, বার্গারের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবার অর্থাৎ, যেসব খাবারে অতিরিক্ত রাসায়নিক দেওয়া মাংস ব্যবহার হয়, সেই ধরনের খাবার নিয়মিত খান। যার ফলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়াও, পরিবারের কেউ ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হলে, পরবর্তী প্রজন্মের ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। রক্তচাপের সমস্যা থাকলেও এই রোগের ঝুঁকি থাকে।

    কীভাবে এই রোগের মোকাবিলা সম্ভব?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফ্যাটি লিভারের (Fatty Liver) মতো রোগের মোকাবিলা করতে প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন। তাঁরা জানাচ্ছেন, মদ্যপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। তাই নিয়মিত মদ্যপান করা চলবে না। তবে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের মতো অসুখ রুখতে শরীরের ওজন নিয়ে সচেতনতা জরুরি। স্থুলতা যাতে না হয়, সেদিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। নিয়মিত যোগাভ্যাস জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, দিনের অন্তত তিরিশ মিনিট হাঁটা কিংবা আধ ঘণ্টা যোগাভ্যাস জরুরি। এতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিক মতো হয়। রক্তচাপের সমস্যার ঝুঁকি কমে। হরমোন নিঃসরণ স্বাভাবিক হয়। আবার দেহের অতিরিক্ত মেদ ঝড়ে যায়। ফলে, ফ্যাটি লিভারের (Fatty Liver) ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। নিয়মিত শারীরিক কসরত ফ্যাটি লিভারের রুখতে ‘ওষুধ’-এর মতো কাজ করবে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    লিভারের অসুখ রুখতে প্রধান ‘মেডিসিন’ খাবার

    লিভারের অসুখ রুখতে প্রধান ‘মেডিসিন’ খাবার। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ফ্যাটি লিভার রুখতেও বিশেষত নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের (NAFLD) মতো রোগ মোকাবিলা করবে খাবার। নির্দিষ্ট সময়ে পরিমিত খাবার ফ্যাটি লিভারের মতো রোগ রুখতে সাহায্য করবে। তাঁদের পরামর্শ, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়ার সময় পরিমাণের দিকে নজরদারি জরুরি। বাড়ির তৈরি খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত কম তেল মশলার সহজপাচ্য খাবার খাওয়া জরুরি। তাতে লিভার সুস্থ থাকে। শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছয়। নিয়মিত ডাব, লাউ, পেঁপে, কাঁচকলা, আপেল, পালং শাকের মতো ফল এবং সব্জি খাওয়া দরকার। এতে লিভার সুস্থ থাকে। অতিরিক্ত মেদ জমে না। মাছ, মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে নজর দেওয়া দরকার, ঠিকমতো রান্না হচ্ছে কিনা, অতিরিক্ত তেল মশলা যাতে ব্যবহার না হয়, সেটা খেয়াল রাখা জরুরি।‌ প্রানীজ প্রোটিন থেকে শরীর সহজেই প্রোটিন পায়। সেই প্রোটিন যাতে ঠিকমতো শরীরে কাজে লাগে, তাই রান্না নিয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। চটজলদি প্রক্রিয়াজাত খাবার অর্থাৎ বিরিয়ানি, পিৎজা, হটডগ‌, বার্গার এবং অতিরিক্ত তেলেভাজা জাতীয় খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। তবেই ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) মোকাবিলা সহজ হবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share