Tag: nagaland

nagaland

  • Assam Floods: অসমে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮, বানের জলে ভাসল হাজার হাজার পশু, জলমগ্ন ৫৫১ গ্রাম

    Assam Floods: অসমে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮, বানের জলে ভাসল হাজার হাজার পশু, জলমগ্ন ৫৫১ গ্রাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮-এ পৌঁছল।  বুধবার শিবসাগর ও গোলাঘাট জেলায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে রাজ্যের সাতটি জেলায় এখনও পর্যন্ত বন্যায় (Assam Floods) ক্ষতিগ্রস্ত তিন লাখেরও বেশি মানুষ। সর্বশেষ সরকারি বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়েছে (Rain Alert)। অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, নতুন করে মৃতদের মধ্যে দু’জন শিবসাগরের এবং একজন গোলাঘাটের বাসিন্দা। এর ফলে চলতি বছরে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, শিবসাগর, চরাইদেও, গোলাঘাট, যোরহাট, নগাঁও, বিশ্বনাথ এবং কামরূপ মহানগর—এই সাত জেলায় মোট ৩,০০,০৩১ জন এখনও বন্যার কবলে রয়েছেন।

    বন্যার কবলে (Assam Floods)

    বন্যার জলে এখনও ২১টি রাজস্ব চক্র এবং ৫৫১টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত। ২১,৫২৩.০৮ হেক্টর কৃষিজমি জলের তলায়। ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি মানুষ চরাইদেও জেলায়—১,৩৭,৫৬১ জন। এরপর রয়েছে শিবসাগর, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৮৪,৬০০, এবং যোরহাটে ৪৯,৯১১ জন। মঙ্গলবার ছ’টি জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছিল ৩.৩২ লাখ। ফলে বুধবার আরও একটি জেলা বন্যার কবলে এলেও, সামগ্রিক পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ঘরছাড়া ১৬,৫০০-রও বেশি মানুষ ৭১টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। আরও ৭২,০০০-এরও বেশি মানুষকে ৩০টি ত্রাণ বিতরণকেন্দ্রের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় চিকিৎসা ও পশুচিকিৎসা দল এবং একাধিক উদ্ধারকারী সংস্থা ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বন্যায় বাঁধ, রাস্তা, বাড়িঘর, স্কুল-সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো এবং সরকারি সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের হিসাবে, ১১,০০০-এরও বেশি পশু বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে, আরও প্রায় ১৭,০০০ গবাদি পশু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদীর জল উপচে পড়ার পাশাপাশি কামরূপ মহানগর জেলায়ও বন্যা অব্যাহত রয়েছে। সরকারি বুলেটিন অনুযায়ী, কামরূপ মহানগরের তিনটি রাজস্ব চক্র এবং ১০টি এলাকা বা ওয়ার্ড এখনও ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে রয়েছে পদুমবাড়ি, বোরাগাঁও, এক্সেলকেয়ার হাসপাতাল এলাকা, লাচিত নগর, চিড়িয়াখানা রোড, রুক্মিণীগাঁও, অনিল নগর, নবীন নগর, সাতগাঁও, বেহারবাড়ি, হাতিগাঁও, ওয়্যারলেস, জোরাবাট এবং জুবিন ক্ষেত্রের কাছে কামারকুচি। তবে সরকারি বুলেটিনে বলা হয়েছে, বন্যার কারণে শহরে কোনও জনসংখ্যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিনা, তার পরিসংখ্যান মেলেনি।

    হিমন্ত-অমিত কথা

    বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে কথা বলে বন্যা (Assam Floods) পরিস্থিতি এবং ত্রাণকার্যের বিষয়ে আলোচনা করেন। সাত দিনের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার দু’জনের মধ্যে কথা হল। এর আগে ২৩ জুলাই শাহ অসমের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছিলেন। কথোপকথনের পরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন এবং ত্রাণ, পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্য দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। কেন্দ্রের সব সংস্থা ও সম্পদ অসমের প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান। বিজেপি কর্মীদের সংগ্রহ করা ত্রাণসামগ্রী পাঠানোর কর্মসূচির সূচনা করার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২১ জুলাইয়ের পর ভারী বৃষ্টি হয়নি এবং বন্যার জলও কমেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা এখনও অত্যন্ত গুরুতর। তিনি বলেন, “বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে, কিন্তু ক্ষয়ক্ষতি এতটাই ব্যাপক যে বহু মানুষ এখনও নিজেদের বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। কারও বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আবার বাড়ি কাদা ও পলিতে ভরে গিয়েছে। নাগাল্যান্ডের পাহাড় থেকে নেমে আসা কাদার কারণে কয়েকটি জায়গায় রাস্তা এখনও বন্ধ রয়েছে।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই মুহূর্তে বন্যাকবলিত পরিবারগুলির দুর্ভোগ কমানোই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। একইসঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা নাকচ করে বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার—উভয়েই এই সঙ্কট মোকাবিলায় সক্ষম। সারা দেশ থেকে অসমের জন্য অনুদান আসছে বলেও জানান তিনি। অনুদান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    বন্যাকবলিতদের ঋণে বিশেষ সাহায্য

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের নির্দেশে বৃহস্পতিবার অসমে কাজ করা (Rain Alert) সমস্ত ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যাকবলিত নাগরিকদের নেওয়া ঋণের ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা হবে। ২৮ ও ২৯ জুলাই পূর্বাঞ্চলে দু’দিনের সফরের সময় সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরজ শেঠও অসমের বন্যায় ত্রাণকার্য পর্যালোচনা করেন (Assam Floods)। সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, সেনাপ্রধান উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, সামরিক প্রস্তুতি এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে চলা কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করেন। দাও ডিভিশন ও স্পিয়ারহেড ডিভিশন-সহ বিভিন্ন সেনা গঠনের প্রস্তুতি পর্যালোচনার সময় তাঁকে বন্যা ত্রাণকাজের বিষয়েও অবহিত করা হয়। সঙ্কটের সময়ে অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার জন্য সেনাদের প্রশংসাও করেন তিনি। ওই সফরে জেনারেল শেঠ অসম রাইফেলসের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে মণিপুরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও পর্যালোচনা করেন। তিনি ওই অঞ্চলে মোতায়েন থাকা সেনাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ইম্ফলে ১৩৫তম ইন্ডিয়ান অয়েল ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন।

    ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

    এদিকে, বন্যার জল কমতে শুরু করলেও, অসম-সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ফের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতের আবহাওয়া দফতর। ৩০ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত অসম, অরুণাচল প্রদেশ ও নাগাল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। তিনসুকিয়া জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নাগাল্যান্ডের মন, মোককচুং এবং ওখা জেলায়ও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এর প্রভাব অসমের পার্শ্ববর্তী চরাইদেও, শিবসাগর, যোরহাট এবং গোলাঘাট জেলায় পড়তে পারে (Rain Alert)। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন করে বৃষ্টি হলে জল জমে থাকা ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। পাশাপাশি হড়পা বান, যান চলাচলে ধীরগতি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থানীয়ভাবে ভূমিধসের আশঙ্কাও রয়েছে (Assam Floods)। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সব জেলার প্রশাসন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার ব্যবস্থা সতর্ক রয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

     

  • Vande Mataram: খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রধান নাগাল্যান্ডে বন্দে মাতরম গানে তীব্র আপত্তি, গাওয়া যাবে না গান!

    Vande Mataram: খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রধান নাগাল্যান্ডে বন্দে মাতরম গানে তীব্র আপত্তি, গাওয়া যাবে না গান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার নাগাল্যান্ডে (Nagaland) নাগা পিপলস ফ্রন্ট (এনপিএফ) দেশাত্মবোধক গান বন্দে মাতরমের (Vande Mataram) তীব্র বিরোধিতা করেছে । এই রাজনৈতিক দলটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং রাজ্য বিধানসভায় এই গানটি বাধ্যতামূলকভাবে গাওয়াকে “জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া” বলে অভিহিত করেছে। তাদের দাবি, এই গানটি নাগাল্যান্ডের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পক্ষে হুমকিস্বরূপ।

    সুরক্ষার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ (Vande Mataram)

    সূত্রের খবর, এনপিএফ কোহিমায় দলের কেন্দ্রীয় সদর দফতর থেকে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে দাবি করেছে, বন্দে মাতরম (Vande Mataram) গান রাজ্যের জনগণের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ নয়। যেখানে খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা রয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে এটি ভারতের সংবিধানের অধীনে নিশ্চিত মৌলিক অধিকারগুলিকে ক্ষুণ্ণ করবে। আবার রাজ্যে বিজেপির জোটসঙ্গী এনপিএফ এই সিদ্ধান্তকে ৩৭১এ ধারার অধীনে রাজ্যকে প্রদত্ত বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছে, যার লক্ষ্য নাগা জনগণের ধর্মীয় ও প্রথাগত রীতিনীতি রক্ষা করা।

    রাজ্যের (Nagaland) শাসক দলের পক্ষে আরও বলা হয়েছে, যেহেতু রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠই খ্রিস্টান ধর্মের, তাই বন্দে মাতরম তাদের বিবেক এবং বিশ্বাসের সঙ্গে খাপ খায় না। কারণ গানটিতে হিন্দু দেবদেবীদের উল্লেখ রয়েছে। নাগরিকদের ধর্মীয় বিশ্বাস ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর চেতনার পরিপন্থী। তাই কেন্দ্রীয় সরকারকে গানটি গাইতে বাধ্য করার পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বন্দে মাতরম গাওয়ার নির্দেশিকা

    গত জানুয়ারি মাসে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বন্দে মাতরম (Vande Mataram) গাওয়ার জন্য প্রোটোকল জারি করে একটি নির্দেশিকা দিয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের এই গানের পূর্ণাঙ্গ সংস্করণটি জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর আগে গাইতে হবে। সরকারি অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হলে শ্রোতাদের মনোযোগ সহকারে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। মন্ত্রকের নির্দেশ, রাষ্ট্রপতির আগমন, তেরঙ্গা উত্তোলন এবং রাজ্যপালদের বক্তৃতার মতো সরকারি অনুষ্ঠানে এই পূর্ণাঙ্গ সংস্করণটি বাজাতে হবে। সমস্ত স্কুলে জাতীয় সঙ্গীতের পর এই গানের মাধ্যমে দিনের কাজ শুরু করতে হবে।”

    রাজ্যপালের ভাষণের পর থেকেই বিরোধিতা শুরু

    নাগাল্যান্ড (Nagaland) বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের প্রথম অধিবেশনে রাজ্যপাল অজয় ​​কুমার ভাল্লার ভাষণের সময় গানটি (Vande Mataram) বাজানোর সময় গানটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরের দিন, বিধায়করা সংসদে এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেন। এর ফলে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী নেফিউ রিও, যিনি এনপিএফ-এর সদস্য, “বিবেচিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে” বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং আইনি পরামর্শের জন্য সংসদের একটি সিলেক্ট কমিটির কাছে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। প্রসঙ্গত, রাজ্যে মুসলিম গোষ্ঠী, গির্জা কর্তৃপক্ষ এবং বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠন দেশাত্মবোধক গানটির বিরোধিতা করছে।

  • Hindu Sammelan: নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে বিশাল হিন্দু সম্মেলন

    Hindu Sammelan: নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে বিশাল হিন্দু সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগাল্যান্ডের (Nagaland) ডিমাপুরে হয়ে গেল বিশাল হিন্দু সম্মেলন (Hindu Sammelan)। ১ ফেব্রুয়ারি, রবিবার ডিমাপুর হিন্দু সোসাইটির উদ্যোগে ডিডিএসসি স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয় ওই সম্মেলনের। এই সম্মেলনে যোগ দেন নাগাল্যান্ড ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে আসা হাজার পাঁচেক মানুষ। এই সম্মেলন রাষ্ট্রীয় স্বার্থ (রাষ্ট্রীয়ত)-কে সামনে রেখে সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জাতীয় দায়িত্ব নিয়ে ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

    সম্মেলনে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব (Hindu Sammelan)

    সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন, আরএসএসের অখিল ভারতীয় কার্যকরিণী সদস্য মনমোহন বৈদ্য, রাষ্ট্র সেবিকা সমিতির অখিল ভারতীয় সহ-সারকার্যবাহিকা সুনীতা হালদেকর, রমেশ কুমার মুনি এবং প্রখ্যাত সমাজচিন্তক থুনবাই। তাঁদের উপস্থিতি সম্মেলনকে বৌদ্ধিক গভীরতা ও জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে সমৃদ্ধ করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বক্তারা সাংস্কৃতিক আত্মসচেতনতা, সামাজিক সংহতি এবং জাতীয় ঐক্যের গুরুত্বের ওপর জোর দেন, বিশেষত উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রেক্ষাপটে। বক্তৃতায় বলা হয়, সনাতন মূল্যবোধ ভারতের সভ্যতাগত চেতনাকে শক্তিশালী করতে এবং বহুবিধ সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (Hindu Sammelan)।

    ভারতের প্রকৃত শক্তি

    বক্তব্যে বৈদ্য বলেন, “ভারতের প্রকৃত শক্তি নিহিত রয়েছে তার সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা ও সমষ্টিগত চেতনায়।” তিনি সমাজ বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানান। বক্তারা আরও বলেন, “জাতি গঠনে যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য এবং আদিবাসী ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা আজ সময়ের দাবি।” সম্মেলনে সব বয়সের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়, যা সাংস্কৃতিক পরিচয় ও জাতীয় দায়িত্ব সম্পর্কে ক্রমবর্ধমান সচেতনতার প্রতিফলন। অনুষ্ঠানের শেষে সামাজিক ঐক্য, সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ এবং একটি শক্তিশালী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ ভারত গঠনে ইতিবাচক অবদান রাখার যৌথ সংকল্প গ্রহণ করা হয় (Nagaland)।

    ডিমাপুরে অনুষ্ঠিত এই হিন্দু সম্মেলন জাতীয় সংহতি ও সাংস্কৃতিক জাগরণের আদর্শকে আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে এক তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই বিবেচিত হচ্ছে ওয়াকিবহাল মহলে। এটি ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতে’র বৃহত্তর ভাবনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ (Hindu Sammelan)।

     

  • Critical Minerals: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকায় হদিশ মিলল গুরুত্বপূর্ণ খনিজের

    Critical Minerals: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকায় হদিশ মিলল গুরুত্বপূর্ণ খনিজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকায় হদিশ মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ খনিজের (Critical Minerals)। পরিচ্ছন্ন জ্বালানির রূপান্তর, ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত জরুরি। সম্প্রতি এ খবর জানিয়েছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। এই খনিজগুলির মধ্যে রয়েছে রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস (REE), গ্রাফাইট, ভ্যানাডিয়াম, লিথিয়াম, কোবাল্ট এবং অন্যান্য উপাদান, যা ব্যাটারি, সেমিকন্ডাক্টর এবং উন্নত ধাতব মিশ্রণ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

    জিএসআইয়ের রিপোর্ট (Critical Minerals)

    জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার এক রিপোর্টে বলা হয়েছে (Northeast Region), “এ ধরনের সম্পদের প্রতি ভারতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা দেশীয় উৎস চিহ্নিত ও উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরে, বিশেষ করে পূর্ব-উত্তর ভারতের মতো ভূতাত্ত্বিকভাবে সম্ভাবনাময় অঞ্চলে নিবেদিত থিম্যাটিক স্টাডি, বেসলাইন সমীক্ষা এবং প্রকল্পভিত্তিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে, জিএসআই একাধিক অঞ্চলে এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদে সমৃদ্ধ এলাকা চিহ্নিত করেছে।” ৫৭ পাতার এক প্রতিবেদনে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হয়েছে তাদের অনুসন্ধানের ফলের সারসংক্ষেপ।

    চিনের সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন ভারত

    বিশ্বের প্রধান রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট রফতানিকারী দেশ হল চিন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এই রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বেজিং। অথচ, এই রেয়ার আর্থ ম্যাগনেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে বৈদ্যুতিক যানবাহনের মোটর তৈরি-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে (Critical Minerals)। প্রতিবেশী দেশের এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমী দেশগুলির পাশাপাশি ভারতেও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। কারণ ২০২৫ অর্থবর্ষে ভারত তার ৫৪০ টন ম্যাগনেট আমদানির ৮০ শতাংশেরও বেশি সংগ্রহ করেছিল ড্রাগনের দেশ থেকেই। ইউরোপের জ্বালানি খাতও প্রায় ৯৮ শতাংশ সংগ্রহ করেছিল চিন থেকেই। ভারতের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল চিনের এই সিদ্ধান্তকে ভারতের জন্য এক সতর্কবার্তা বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “ভারতের উচিত বিকল্প সরবরাহ চেইন খুঁজে বের করা এবং চিনের ওপর নির্ভরতা কমানো (Northeast Region)।”

    উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অনন্য ভূতাত্ত্বিক গঠন

    জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অনন্য ভূতাত্ত্বিক গঠন — যার মধ্যে ওফিওলাইট বেল্ট, ক্ষার-আল্ট্রামাফিক কমপ্লেক্স এবং গ্রাফাইটযুক্ত সিস্ট রয়েছে — তা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খনিজের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। ভারত যখন খনিজ-নির্ভর পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পরিবর্তন ও প্রযুক্তিগত বিকাশের পথে এগিয়ে চলেছে, তখন উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খনিজ সম্পদ একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত (Critical Minerals)। উত্তর-পূর্বাঞ্চল অঞ্চলটি অরুণাচলপ্রদেশ, অসম, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, সিকিম এবং ত্রিপুরা নিয়ে গঠিত এবং এটি প্রায় ২.৬২ লাখ বর্গকিলোমিটার বা ভারতের মোট ভৌগোলিক এলাকার প্রায় ৮ শতাংশ জুড়ে রয়েছে (Northeast Region)।

    অরুণাচলপ্রদেশে ভ্যানাডিয়ামের খোঁজ

    অরুণাচলপ্রদেশ ভারতের প্রাকৃতিক ফ্লেক গ্রাফাইটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ উৎস হিসেবে উঠে এসেছে। জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়েছে, পশ্চিম সিয়াং, পাপুম পাড়ে এবং লোয়ার সুবনসিরি জেলায় প্রচুর মজুত চিহ্নিত করা হয়েছে, এবং এ পর্যন্ত ১৭.৮৯ মিলিয়ন টনেরও বেশি গ্রাফাইট সম্পদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা ব্যাটারি ও রিফ্র্যাক্টরি (উচ্চতাপ প্রতিরোধক) ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত মানের। জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে (Critical Minerals), “এই অঞ্চলের গ্রাফাইট সাধারণত সূক্ষ্ম থেকে মাঝারি ফ্লেকযুক্ত হয়, যার ফিক্সড কার্বন কন্টেন্ট ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত। এটি পরবর্তী পর্যায়ের পরিশোধন এবং লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির অ্যানোড-সহ উচ্চ-মূল্যবান ব্যবহারের জন্য একটি কার্যকর কাঁচামাল হিসেবে বিবেচিত হয়।” জানা গিয়েছে, অরুণাচলপ্রদেশে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হল ভ্যানাডিয়াম, যা স্টিল মিশ্র ধাতু এবং অন্যান্য শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাতু। জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার অনুসন্ধানে মোট ১৩.৭৯ মিলিয়ন টন ভ্যানাডিয়াম পাওয়া গিয়েছে, যা এই গুরুত্বপূর্ণ মিশ্র ধাতুর ক্ষেত্রে ভারতের প্রথম বড় রকমের উৎস।

    অসম-মেঘালয়ে রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস

    জিএসআই জানিয়েছে (Critical Minerals), অরুণাচল প্রদেশের পাপুম পারে জেলায় লোদোসো গ্রামের আশপাশের এলাকায় ২.১৫ মিলিয়ন টন ‘আয়রনসমৃদ্ধ ফিলাইট’ (এক ধরনের রূপান্তরিত শিলা)-এ রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস পাওয়া গিয়েছে। অসম ও মেঘালয়েও রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অসমে রেয়ার আর্থ এলিমেন্টসের ঘনত্ব প্রতি মিলিয়নে ১,০০০ থেকে ৫,০০০ এর মধ্যে। ঘনত্ব প্রতি মিলিয়নের অর্থ হল, প্রতি এক মিলিয়ন অংশের মিশ্রণে কোনও নির্দিষ্ট পদার্থের একটি অংশ। মেঘালয়ে এই ঘনত্বের পরিমাণ প্রতি মিলিয়নে ৩,৬৪৬ থেকে ৫,১০০-র মধ্যে (Northeast Region)।

    লিথিয়াম মজুদ

    জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়েছে, অরুণাচলপ্রদেশ, নাগাল্যান্ড ও অসমে লিথিয়াম মজুদের ইঙ্গিত মিলেছে। ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, “নাগাল্যান্ড ও মণিপুরে অবস্থিত ওফিওলাইট শিলার সঙ্গে সম্পর্কিত নিকেল ও কোবাল্টের লক্ষ্যে সেখানে বিস্তারিত ভূ-রাসায়নিক সমীক্ষা ও শিলাচিত্র বিশ্লেষণ করা হচ্ছে (Critical Minerals)।”

  • Poswuyi Swuro: তাঁর গ্রামেই ছিলেন নেতাজি, প্রয়াত হলেন নাগাল্যান্ডে সুভাষের সহযোগী পসউই স্বুরো

    Poswuyi Swuro: তাঁর গ্রামেই ছিলেন নেতাজি, প্রয়াত হলেন নাগাল্যান্ডে সুভাষের সহযোগী পসউই স্বুরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগাল্যান্ডে প্রয়াত হলেন পসউই স্বুরো (Poswuyi Swuro)। যিনি ছিলেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর শেষ জীবিত সহযোগী। ১৫ এপ্রিল বিকেল ৪:০৩ মিনিটে নিজের রুজাঝো গ্রামের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। প্রসঙ্গত, পসউই স্বুরো নাগাল্যান্ডের একটি স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন বলে জানা যায়। তিনি তাঁর নিজের সম্প্রদায়ের একটি বড় স্তম্ভ ছিলেন। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বও ছিলেন তিনি। আজাদ হিন্দ ফৌজকে ভারত ভূমিতে সহযোগিতা করেছিলেন তিনি। নেতাজির (Netaji Subhas Chandra Bose) সঙ্গে কাটিয়েছিলেন বেশ কয়েকদিন। ইতিহাসে তাঁর অবদান ভোলার নয়। চল্লিশের দশকে নাগাল্যান্ডে যখন আজাদ হিন্দ বাহিনী পৌঁছায় তখন তিনি নেতাজির দোভাষী হিসেবে কাজ করেছিলেন। একইসঙ্গে আজাদ হিন্দ ফৌজকে নাগাল্যান্ডে গাইডও করেছিলেন বলে জানা যায়।

    তাঁর গ্রামে নেতাজি ছিলেন ন’দিন

    তাঁর ওই গ্রামে নেতাজি (Netaji Subhas Chandra Bose) ছিলেন ধারাবাহিকভাবে নয় দিন। এই সময়ে স্থানীয় নাগা নেতৃত্বের সঙ্গে নেতাজির যে বৈঠক হত সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন পসউই স্বুরো (Poswuyi Swuro)। নেতাজির সঙ্গে স্থানীয় নেতৃত্বে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবেই তিনি কাজ করতেন। বহু ভাষায় তাঁর জ্ঞান ছিল বলে জানা যায়। এর পাশাপাশি তাঁর দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবদান পসউই স্বুরোকে এক বিশেষ জায়গা দিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তাঁর সম্প্রদায়ের মানুষজন তাঁকে খুবই শ্রদ্ধা করতেন। দশকের পর দশক ধরে তিনি জনসেবার কাজের সঙ্গে যুক্ত। মানুষের সঙ্গে মেলামেশা, সহানুভূতির সঙ্গে কাজ করার জন্য তিনি খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। বিগত কয়েক বছর ধরে তাঁর কাছে ভিড় উপচে পড়ত। ইতিহাসবিদ থেকে গবেষক প্রত্যয়কেই যেতেন তাঁর কাছে। তাঁরা উদগ্রীব হয়ে শুনতেন নেতাজির সঙ্গে তাঁর কথোপকথন।

    নেতাজির নির্দেশে সংগ্রহ করতেন খাবার (Poswuyi Swuro)

    নেতাজি সঙ্গে তাঁর দিনগুলো ঠিক কেমন কাটত? রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ক্ষেত্রীয় প্রচারক সুনীল মহন্তর সঙ্গে পসউই স্বুরো এক বৈঠকে বসে ছিলেন। সেখানেই তিনি নেতাজি তথা আজাদ হিন্দ ফৌজের অনেক অজানা কাহিনী তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘‘নেতাজির নির্দেশেই আমি বিভিন্ন গ্রামে যেতাম। সৈন্যদের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করতাম।’’ এমন স্বাধীনতা সংগ্রামীর প্রয়াণে নাগাল্যান্ডের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা তেমজেম ইমনা, গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর (Poswuyi Swuro) অবদানকে স্মরণ করেছেন।

  • Nagaland: আরও সহজ উত্তর-পূর্ব যাত্রা, রেল মানচিত্রে কোহিমাকে জুড়তে উদ্যোগ মোদি সরকারের

    Nagaland: আরও সহজ উত্তর-পূর্ব যাত্রা, রেল মানচিত্রে কোহিমাকে জুড়তে উদ্যোগ মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপূর্ব ভারতে ক্রমশই উন্নত হচ্ছে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই আবহে নাগাল্যান্ডের (Nagaland) রাজধানী কোহিমাকে রেল মানচিত্রে জোড়ার কাজ এগোল আরও একধাপ। রেল যোগাযোগের মাধ্যমে জুড়তে চলেছে নাগাল্যান্ডের সোখুবই ও মলভম নামের দুটি জায়গা। জানা যাচ্ছে, এই ব্রডগেজ প্রকল্প খুব তাড়াতাড়ি শুরু হচ্ছে। এর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে গত ২৭ এবং ২৮ মার্চ। প্রসঙ্গত কোহিমা পর্যন্ত রেল চালু করতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এর আগে সাড়ে ১৬ কিলোমিটারের জন্য ধানসিঁড়ি থেকে সোখুবই পর্যন্ত রেল লাইন পাতার কাজ শুরু হয়। এর পর ফের ট্রেন মানচিত্রে নাগাল্যান্ডের রাজধানীকে (Kohima) জুড়তে পদক্ষেপ করতে দেখা গেল রেলকে।

    সর্বোচ্চ গতি থাকবে ৯০ কিমি প্রতি ঘণ্টা

    জানা গিয়েছে, সোখুবই ও মলভম পর্যন্ত ট্রেনের গতি সর্বোচ্চ ৯০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা রাখার কথা বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে একদল রেল আধিকারিক দুই স্থানেই পরিদর্শন করে গিয়েছেন বলে খবর। এই পরিদর্শনকালে, রেলওয়ে নিরাপত্তা আধিকারিক সুমিত সিংহলের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের (এনএফআর) উচ্চপদস্থ কর্তারাও হাজির ছিলেন। প্রশাসনিক আধিকারিক অঞ্জনি কুমার, আশুতোষ কুমার মিশ্র, রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ার বিকাশ সিং প্রমুখরা।

    বড় মাইলফলক পের হবে রেল (Nagaland)

    মনে করা হচ্ছে, এই প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ হলে একটা বড় মাইলস্টোন পেরবে ভারতীয় রেল (Nagaland)। নাগাল্যান্ডের যে প্রাকৃতিক সম্পদ তা সহজে আনা যাবে এবং ব্যবহার করা যাবে। উত্তরপূর্ব ভারতের (Kohima) সঙ্গে দেশের অন্যান্য় অংশে যোগাযোগও বাড়বে। রেল যোগাযোগের মাধ্যমে দুর্গম এলাকাগুলোতে পর্যটকদের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ হবে। এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, ২০২১ সালের অক্টোবর মাসেই ট্রেন পরিষেবা চালু হয়, মেঘালয় এবং অরুণাচল প্রদেশের মধ্যে। এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, ২০১৪ সালে মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই উত্তরপূর্ব ভারতের উন্নয়নে অজস্র প্রকল্প চালু করেছে। যার মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে রেল যোগাযোগকে।

  • Nagaland Manipur: নাগাল্যান্ডে ভোটগ্রহণ ঘিরে উত্তেজনা! আন্তর্জাতিক সীমান্ত সিল, কড়া নিরাপত্তা মেঘালয়ে

    Nagaland Manipur: নাগাল্যান্ডে ভোটগ্রহণ ঘিরে উত্তেজনা! আন্তর্জাতিক সীমান্ত সিল, কড়া নিরাপত্তা মেঘালয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যেই মেঘালয়, নাগাল্যান্ড বিধানসভায় নির্বাচন শুরু হয়ে গিয়েছে। চোখে পড়েছে লম্বা লাইন। মেঘালয়ে মোট ২১ লক্ষ ভোটার ৩৬৯ জন প্রার্থীর মধ্যে নিজেদের পছন্দ মতো প্রতিনিধি বেছে নেবে জনসাধারণ। পাশাপাশি নাগাল্যান্ডে ১৩ লক্ষ ভোটার আজ, ১৮৩ জন প্রার্থীর ভবিষ্যত নির্ধারণ করবেন। বাংলাদেশ ও মায়ানমার থেকে যাতে কেউ এখানে প্রবেশ না করতে পারে, সেজন্য ভোটগ্রহণ ঘিরে দুই রাজ্যে কড়া নিরাপত্তা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ২ তারিখ নির্বাচনের ফল ঘোষণা শেষ না হওয়া অবধি আন্তর্জাতিক সীমান্ত সিল থাকবে। ভোটারদের অবাধে ও শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    নাগাল্যান্ডে উত্তেজনা

    নাগাল্যান্ডে এবারও জোট করেই লড়াই করছে এনডিপিপি এবং বিজেপি। নাগাল্যান্ডে নিফো রিওর দল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টি (এনডিপিপি)-র সঙ্গে জোটে লড়াই করছে দেশের শাসকদল। এনডিপিপি ৪০টি আসনে, ২০টি আসনে বিজেপি লড়াই করছে। এই দু’দলের জোট সরকারই বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে নাগাল্যান্ডে। আবারও তাঁরা ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। এবারে ভোটের প্রচারে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জে পি নাড্ডারা। এখানে নাগা পিপলস পার্টি (এনপিপি) ২২টি আসনে লড়াই করছে। কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছে ২৩টি আসনে।

    ভোটগ্রহণ চলার সময় উত্তপ্ত হয়ে উঠল নাগাল্যান্ডের একটি ভোটকেন্দ্র। অভিযোগ, বুথের ভিতরেই এনপিপি সমর্থককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন এক এনপিএফ সমর্থক। ওই বুথে ভোটগ্রহণ কিছু সময়ের জন্য স্থগিত থাকলেও আবারও শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া।

    আরও পড়ুন:কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্যেই সাগরদিঘিতে ভোটগ্রহণ শুরু

    মেঘালয়ে কড়া নিরাপত্তা

    মেঘালয়ে ৬০ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী কানরাড সাংমার দল এনপিপি। মেঘালয় ও নাগাল্যান্ডে শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে তৎপর দুই রাজ্যের নির্বাচন কমিশন। ভোটে অশান্তি এড়াতে দুই রাজ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আবার মেঘালয়ের ৯০০টি বুথ স্পর্শকাতর হিসাবে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন। তাই ওই বুথগুলিতে বিশেষ নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি-র ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এফ আর খারকোনগোর ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Nagaland Landslide:পাহাড় থেকে পাথর গড়িয়ে ধাক্কা গাড়িতে! নাগাল্যান্ডে মৃত ২, দেখুন ভিডিও

    Nagaland Landslide:পাহাড় থেকে পাথর গড়িয়ে ধাক্কা গাড়িতে! নাগাল্যান্ডে মৃত ২, দেখুন ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগাল্যান্ডের (Nagaland Landslide) ডিমাপুরের চুমৌকেদিমাতে পাথরের আঘাতে মাটিতে মিশল গাড়ি। ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।  ভয়াবহ এই ঘটনায় আহত হয়েছেন তিনজন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ঘটনার ভিডিও ধরা পড়েছে অন্য একটি গাড়ির ড্যাশক্যাম থেকে। ওপর থেকে আসা একটি পাথরের চাঁই মুহূর্তের মধ্যে তুবড়ে দিল ৩ টি গাড়িকে সেই ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়েছে ভিডিওতে। আহতদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য।

    নাগাল্যান্ডে বিভিন্ন এলাকায় ধস

    নাগাল্যান্ডে (Nagaland Landslide) গত কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় ধস নামছে। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা নাগাদ চুমৌকেদিমা জেলায় ২৯ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ওই সময় এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল। যে পাহাড়ের ধারের রাস্তায় গাড়িগুলি দাঁড়িয়েছিল,সেখানে প্রায়ই ধস নামে। পাহাড়ে ধসের কারণে ভারী পাথর নীচের দিকে গড়িয়ে আসে তীব্র গতিতে। দু’টি চারচাকার গাড়ি সেই পাথরের নীচে খেলনার মতো পিষে যায়। এই দুর্ঘটনায় এক জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। অন্য এক জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসা চলাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া, গাড়ির ধ্বংসস্তূপে দীর্ঘ ক্ষণ এক জন আটকে ছিলেন। তিনিও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

    আরও পড়ুন: রিজার্ভ ব্যাটালিয়নের শিবিরে অস্ত্র লুটের চেষ্টা, মণিপুরে নিহত ১

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

    নাগাল্যান্ডের (Nagaland Landslide) মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছে নাগাল্যান্ড সরকার।  ট্যুইটে নেইফিউ রিও লেখেন, “ মঙ্গলবার, সন্ধ্যা ৫ টা নাগাদ, ডিমাপুর এবং কোহিমার মধ্যে, জাতীয় সড়কে একটি গাড়ির ওপরে গড়িয়ে পড়ে একটি বড় পাথর। এই ঘটনায় দারুণ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাড়িটি। পলকা পাহাড়ের কাছে এই দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন দুজন। এবং তিনজন এই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন।” এই ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে সমবেদনাও জানিয়েছেন তিনি। ওই ঘটনায় আহতদের উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা এবং সাহায্য করবে নাগাল্যান্ড সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেখানের জাতীয় সড়ক এবং অন্য যে সমস্ত বিপদজনক এবং দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা আছে সেখানে নিরাপত্তা পরিকাঠামো দ্রুত গড়ে তোলা হবে। কেন্দ্র সরকার এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এই কাজ করতে বলা হবে। সেখানের বাসিন্দাদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে কোন সমঝোতা করা হবে না বলেও জানান তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Army: প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারাকপুর সেনা ছাউনিতে মৃত্যু দুই জওয়ানের! কী করে ঘটল দুর্ঘটনা?

    Army: প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারাকপুর সেনা ছাউনিতে মৃত্যু দুই জওয়ানের! কী করে ঘটল দুর্ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে প্রশিক্ষণ চলার সময় জলে ডুবে মৃত্যু হল দুই জওয়ানের। এছাড়াও আরও এক জওয়ান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে সেনা (Army) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম লেংখোলাল এবং অলড্রিন হিমিংথানজুয়ালা। লেংখোলাল নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন। আর সিপাই পদে কর্মরত ছিলেন অলড্রিন। দুজনেই ১৬ নম্বর আসাম রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন। একজনের বাড়ি নাগাল্যান্ড। অন্যজনের বাড়ি মিজোরাম। ইতিমধ্যেই দুই সেনা (Army) জওয়ানের দেহ ময়না তদন্ত করা হয়েছে। নিয়ম মেনে মৃতদের পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে। তবে, প্রশিক্ষণ চলাকালীন এই ঘটনা কী করে ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কী করে মৃত্যু হল দুই সেনা জওয়ানের? Army

    বুধবার বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে অ্যাসল্ট রিভার প্রশিক্ষণ নামে বিশেষ প্রশিক্ষণ চলছিল। মূলত, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেনা জওয়ানদের দড়ি ধরে জলাশয়ের ওপর দিয়ে পারাপার হতে হয়। সেনা (Army) সূত্রে জানা গিয়েছে, আসাম রেজিমেন্ট থেকে ওই জওয়ানরা এই বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলেন। ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে বিশাল জলাশয়ের ওপর চলছিল এই প্রশিক্ষণ। নিয়মিত এই প্রশিক্ষণ করা হয়। দুর্ঘটনার দিন ৬ জন জওয়ানকে নিয়ে প্রশিক্ষণ চলছিল। প্রথম তিনজন নিয়ম মেনেই দড়ি ধরে জলাশয় পারাপার করেন। কারও কোনও সমস্যা হয়নি। পরের তিনজন দড়ি ধরে ওই জলাশয়ের ওপর দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে। দড়ি ছিঁড়ে তিনজন জওয়ান জলাশয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা তলিয়ে যান। যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রশিক্ষকের উদ্যোগে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনজনকে জলাশয় থেকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর দুজনের মৃত্যু হয়। অন্যজন এখনও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। তবে, এই ধরনের দুর্ঘটনা এর আগে কখনও হয়নি। তাই, প্রশিক্ষণ করতে এসে দুই সেনা জওয়ানের মৃত্যুতে বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nagaland: পঞ্চমবারের জন্য নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফু রিও! অভিনন্দন মোদি-শাহের

    Nagaland: পঞ্চমবারের জন্য নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেফু রিও! অভিনন্দন মোদি-শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নাগাল্যান্ডের (Nagaland) মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন এনডিপিপি নেতা নেফু রিও (Neiphiu Rio)। দোলের দিন, মঙ্গলবার দুপুরে পঞ্চমবারের জন্য নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী (Nagaland CM) হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেন তিনি। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) উপস্থিতিতেই মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন রিও। উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে.পি নড্ডা এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। 

    শপথ অনুষ্ঠান

    এদিন ৭২-এর রিওকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল লা গণেশন। উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথবাক্য পাঠ করেন টিআর জেলিং ও ওয়াই প্যাটন। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুসারেই এদিন দুপুর ২টো নাগাদ কোহিমায় রাজভবনে নাগাল্যান্ডের (Nagaland) নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। রিও মন্ত্রিসভার অন্যান্যরাও শপথ নেন। সম্প্রতি ৬০ আসন বিশিষ্ট নাগাল্যান্ড বিধানসভায় ৩৭টি আসনে জয়লাভ করে এনডিপিপি-বিজেপি জোট। এর পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য রাজনৈতিক দলও রিও-নেতৃত্বাধীন জোট সরকারকে চিঠি লিখে তাদের সমর্থন জানিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি! অর্থনৈতিক লেনদেনে ভারতীয় মুদ্রা ব্যবহার করতে চলেছে শ্রীলঙ্কা

    পঞ্চমবারের জন্য নাগাল্যান্ডের (Nagaland) দায়িত্বভার গ্রহণের পর করমর্দন করে রিও-কে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রসঙ্গত, বিরোধীদের প্রচার উপেক্ষা করে অভাবনীয় ফল করেছে BJP ও NDPP জোট। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে ফের নাগাল্যান্ডের (Nagaland) মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসলেন NDPP বিধায়ক নিইফিউ রিও। এর আগে চারটি পর্যায়ের মধ্যে তিনবারই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে পূর্ণ সময়ের মেয়াদ সম্পূর্ণ করেছেন তিনি। কেবল ২০০৮ সালে নাগাল্যান্ডে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়ায় তিনি ৫ বছরের মেয়াদ সম্পূর্ণ করতে পারেননি। তবে পরের বছর বিধানসভা নির্বাচনে NDPP জোট জয়ী হয়ে সরকার গড়ে এবং পুনরায় মুখ্যমন্ত্রী হন রিও।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share