Tag: Nari Shakti

  • Droupadi Murmu: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির

    Droupadi Murmu: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। তিনি বলেন, “শিক্ষিত ও ক্ষমতায়িত নারীরাই একটি প্রগতিশীল জাতির প্রধান স্তম্ভ।” এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে তিনি বলেন, “নারীরা যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছে এবং সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তখন তারা একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ সমাজের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করছে (International Womens Day)।”

    নারী দিবসের শুভেচ্ছা (Droupadi Murmu)

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। শিক্ষিত ও ক্ষমতায়িত নারীরা একটি প্রগতিশীল জাতির স্তম্ভ। নারী শক্তি যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করছে এবং সাহসের সঙ্গে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তখন তা একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ সমাজের ভিত্তিকে শক্তিশালী করে।” তিনি আরও বলেন, “এমন একটি সমাজ গড়ে তোলার জন্য আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা দরকার, যেখানে প্রত্যেক নারী সমান সুযোগ পাবে এবং স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবে।” রাষ্ট্রপতি বলেন, “এই উপলক্ষে আসুন আমরা আবারও আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করি, একটি এমন সমাজ গড়ে তুলতে, যেখানে প্রত্যেক নারী উন্নতি করার সমান সুযোগ পাবে এবং মর্যাদা, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার সঙ্গে বেঁচে থাকবে। আসুন আমরা একসঙ্গে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করি, যেখানে নারীদের স্বপ্ন ও সাফল্য একটি আরও ন্যায়সঙ্গত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে (Droupadi Murmu)।”

    জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সনের বক্তব্য

    এদিকে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন বিজয়া রাহাতকরও আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দেশবাসীকে। প্রশংসা করেছেন কর্তব্যপথে আয়োজিত ‘শক্তি ওয়াক’ উদ্যোগেরও। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই উদ্যোগ নারীদের জন্য প্রণীত বিভিন্ন নীতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করবে।” এর পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে মহিলাদের কল্যাণে সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন (Droupadi Murmu)। চেয়ারপার্সন বলেন, “আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এই উপলক্ষে সবাইকে আমার শুভেচ্ছা। আজ ভারতের নারী ও শিশু উন্নয়নমন্ত্রক অত্যন্ত সুন্দরভাবে কার্তব্যপথে একটি পদযাত্রার আয়োজন করেছে। এর মাধ্যমে নারীদের জন্য নেওয়া বিভিন্ন নীতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হবে। নারীদের জন্য উন্নত তহবিল গঠন করা হচ্ছে, তাদের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া হচ্ছে এবং শিক্ষাক্ষেত্রেও তারা আজ খুব ভালো জায়গায় রয়েছে। নারীরা এই সুযোগগুলি কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসবে (International Womens Day)।”

    ‘শক্তি ওয়াক’

    প্রসঙ্গত, ভারতের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রক আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে এদিন নয়াদিল্লির কর্তব্যপথে “শক্তি ওয়াক#শিলিডসভারত” নামে একটি নারী-নেতৃত্বাধীন পদযাত্রার আয়োজন করে (Droupadi Murmu)। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল একটি প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভারত গঠনে মহিলাদের মুখ্য ভূমিকার কথা তুলে ধরা। ‘শক্তি ওয়াকে’র লক্ষ্য হল বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের নেতৃত্ব ও অবদান উদযাপন করা, নারীদের নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা, নারীদের জন্য চালু বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্পের কথা তুলে ধরা, বিভিন্ন পটভূমি থেকে উঠে আসা নারীদের মধ্যে ঐক্য ও গর্বের অনুভূতি তৈরি করা এবং নারী-নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন যে জাতীয় অগ্রগতির কেন্দ্রবিন্দু, সেই বার্তা প্রচার করা (International Womens Day)। ফি বছর ৮ মার্চ বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়। এই দিনটি সমাজের সব ক্ষেত্রেই নারীদের সাফল্য, নেতৃত্ব এবং অবদানকে উদযাপন করে এবং লিঙ্গসমতা, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকারকে ফের সুদৃঢ় করে (Droupadi Murmu)।

     

  • International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    International Womens Day: আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বনাথ দর্শনে কাশীতে বিশেষ সুযোগ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর ৮ মার্চ, বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Womens Day) উদযাপিত হয়। এই উপলক্ষে এবার শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধাম (Kashi Vishwanath Dham) মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে দিনটি উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মন্দির প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ দর্শনের ব্যবস্থা করেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল, যাঁরা বাবা বিশ্বনাথকে প্রণাম করতে মন্দিরে আসবেন সেই মহিলা ভক্তদের জন্য একটি সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হল বারাণসী এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মহিলা ভক্তরা যেন বিপুল সংখ্যক পর্যটকের ভিড়ের ঝামেলা ছাড়াই মন্দিরের ধর্মীয় পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন।

    বিশেষ ব্যবস্থা (International Womens Day)

    বিশেষ ব্যবস্থার অধীনে, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মন্দিরে আগত মহিলা ভক্তরা কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। এই নির্দিষ্ট প্রবেশপথটি মন্দির প্রাঙ্গণের ভিতরে যাতায়াতকে আরও সহজ করতে এবং ব্যস্ত সময়ে ভিড় কমাতে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই সুবিধা শুধুমাত্র স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্যই সীমাবদ্ধ থাকবে না। অন্যান্য জেলা, রাজ্য মায় বিদেশ থেকেও আসা মহিলা ভক্তরাও এই সুবিধা পাবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসন মহিলা ভক্তদের জন্য এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায় যেখানে তাঁরা মর্যাদাপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়ভাবে মন্দিরের পবিত্রতা অনুভব করতে পারেন। সাম্প্রতিক সময়ে কাশী বিশ্বনাথ ধাম করিডরের উন্নয়নের মাধ্যমে মন্দির এলাকায় বড় পরিবর্তন এসেছে, যা ভক্তদের সুবিধা অনেক বাড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এই বিশেষ ব্যবস্থা সেই বৃহত্তর পরিকল্পনারই অংশ, যার লক্ষ্য তীর্থযাত্রার অভিজ্ঞতাকে আরও সুসংগঠিত এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করা।

    শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের অগ্রাধিকার

    এই উদ্যোগের সবচেয়ে সহানুভূতিশীল দিকগুলির একটি হল শিশুসন্তান নিয়ে আসা মায়েদের জন্য অগ্রাধিকারের ব্যবস্থা করা। তীর্থস্থানগুলিতে সাধারণত প্রচুর (Kashi Vishwanath Dham) ভিড় হয় এবং দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করা ছোট শিশু সঙ্গে নিয়ে আসা মহিলাদের সব চেয়ে করুণ অবস্থা হয় (International Womens Day)। এই বিষয়টি বিবেচনা করে মন্দির প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে শিশু নিয়ে আসা মায়েরা দর্শনের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে প্রবেশাধিকার পাবেন। মায়েরা যদি শিশু কোলে নিয়ে আসেন, সে ছেলেই হোক বা মেয়ে, তাদের খুব কম সময় অপেক্ষা করতে হবে। এই ব্যবস্থা মায়েদের যেন লাইনে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে সহজে প্রার্থনা করতে পারেন, সেই সুযোগ করে দেবে। এই ধরনের ব্যবস্থা পরিবার ও অভিভাবকদের প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ গুরুত্বের প্রমাণ দেয়।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা

    এই বিশেষ প্রবেশপথ ব্যবহার করতে মহিলা ভক্তদের (Kashi Vishwanath Dham) কোনও টিকিট বা ফি দিতে হবে না। এটি ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তিমূলক মনোভাবকে আরও শক্তিশালী করে (International Womens Day)। যদিও আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা দর্শনার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, তবুও মন্দির প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে বারাণসীর স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রচলিত দর্শন ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকবে। স্থানীয় ভক্তদের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা এবং সন্ধ্যা ৪:০০টা থেকে ৫:০০টা পর্যন্ত দর্শনের সময় শুধুমাত্র কাশীর স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এই সময়ে স্থানীয় ভক্তদের জন্য আগের নিয়ম অনুযায়ীই দর্শন চলবে।

    গেট নম্বর ৪-বি

    এই নির্দিষ্ট সময় ছাড়া অন্যান্য সময়ে গেট নম্বর ৪-বি দিয়ে মহিলা ভক্তরা সহজেই মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে বহু বছরের ঐতিহ্য বজায় রাখার পাশাপাশি বিশেষ দিনে সম্ভাব্য বিপুল ভিড় সামলানোর মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখা হবে (International Womens Day)। প্রসঙ্গত, এই উদ্যোগের তাৎপর্য কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়,  এর গভীর সাংস্কৃতিক তাৎপর্যও রয়েছে। ইতিহাসজুড়ে ভারতীয় পরিবারের মধ্যে ধর্মীয় অনুশীলন সংরক্ষণ ও লালন-পালনে মহিলারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন (Kashi Vishwanath Dham)। দৈনন্দিন পূজা, উৎসব উদযাপন থেকে শুরু করে পারিবারিক তীর্থযাত্রা, সব ক্ষেত্রেই মহিলাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা দিয়ে মন্দির কর্তৃপক্ষ মূলত নারীদের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে স্বীকৃতি জানাতে চেয়েছে। এই উদ্যোগ প্রতীকীভাবে সেইসব মা, মেয়ে ও বোনদের ভক্তি ও অবদানকে সম্মান জানায়, যাঁরা পরিবার ও সমাজে আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখেন।

    পবিত্র কাশীর পরিবেশে, যেখানে গঙ্গা শান্তভাবে প্রাচীন ঘাটের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি শহরজুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়, সেখানে এই ধরনের উদ্যোগ আরও গভীর অর্থ বহন করে (Kashi Vishwanath Dham)। মহিলা ভক্তদের জন্য এই বিশেষ উদ্যোগ দেখায় যে আমরা যেমন ঐতিহ্যকে সম্মান করি, তেমনি উপাসনালয়ের মতো জনসমাগমস্থলে অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তাও উপলব্ধি করি। ৮ মার্চ যখন মহিলা ভক্তরা শ্রী কাশী বিশ্বনাথ ধামের করিডর দিয়ে এগোবেন, তখন তাঁদের এই যাত্রা শুধু একটি তীর্থযাত্রা নয়, এটি হবে তাঁদের বিশ্বাস, গর্ব এবং ‘নারী শক্তি’র উদযাপনের প্রতীক (International Womens Day)।

     

  • International Womens Day: থিম ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’, আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন মোদি সরকারের

    International Womens Day: থিম ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’, আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৮ মার্চ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Womens Day)। এই দিনটিতে নারীর অধিকার-ক্ষমতায়ন-সশক্তিকরণ নিয়ে সচেতনতামূলক নানা রকমের অনুষ্ঠান পালিত হয়। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, রাজনৈতিক কার্যকলাপ এবং আর্থসামাজিক দিক থেকে নারীরা কতটা এগিয়েছে- তা এদিন উঠে আসে বিভিন্ন আলোচনাতে। সাধারণভাবে এই দিনটিতেই বিশ্বজুড়ে প্রচার করা হয় যে পুরুষদের সমানই হল নারীরা এবং কোনও রকমের লিঙ্গ বৈষম্য নেই এখানে। চলতি বছরে অর্থাৎ ২০২৫ সালের নারী দিবসের আন্তর্জাতিক থিম রাখা হয়েছে Accelerate Action.

    ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’ (International Womens Day)

    প্রসঙ্গত, এবছরের নারী দিবসে (International Womens Day) কেন্দ্রের মোদি সরকারও নানারকমের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বলে জানা গিয়েছে। নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী সম্প্রতি একটি থিমের ঘোষণা করেছেন এই উপলক্ষ্যে এবং যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিকশিত ভারত সঙ্গে নারী শক্তি’। আসলে এই থিমের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হচ্ছে যে আগামী দিনে মোদি সরকারের লক্ষ্য।

    আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিজ্ঞান ভবনে অনুষ্ঠান (International Womens Day 2025)

    এই আবহে নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক আন্তর্জাতিক স্তরে নারীদের (International Womens Day) সাফল্যকে তুলে ধরতে উদ্যোগ নিয়েছে। ভাষাগত দিক থেকে নারী সাফল্য, সাংস্কৃতিক দিক থেকে নারী সাফল্য, অর্থনৈতিক দিক থেকে নারী সাফল্য, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের সাফল্য- এই সমস্ত কিছুকেই তুলে ধরা হচ্ছে। এই উপলক্ষে একটি হ্যাশট্যাগও ব্যবহার করা হচ্ছে। নাম দেওয়া হয়েছে #SheBuildsBharat. প্রসঙ্গত, আজ ৮ মার্চ শনিবার দিল্লির বিজ্ঞানভবন একটি অনুষ্ঠান হবে। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শ্রীমতি অন্নপূর্ণা দেবী, প্রতিমন্ত্রী শ্রীমতি সাবিত্রী ঠাকুর সহ সম্মানিত অতিথিরা। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে থাকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। জানা যায়, পরবর্তীকালে ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। সেসময় নারী দিবস পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে সারা পৃথিবী জুড়েই পালিত হচ্ছে দিনটি।

LinkedIn
Share