Tag: NCERT

NCERT

  • Emergency History: জরুরি অবস্থা নিয়ে নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে অধ্যায়, গণতন্ত্রের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরল এনসিইআরটি

    Emergency History: জরুরি অবস্থা নিয়ে নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে অধ্যায়, গণতন্ত্রের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরল এনসিইআরটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় পাঁচ দশক আগে ভারতে জারি হওয়া জরুরি অবস্থা নিয়ে প্রথমবারের মতো নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে বিস্তারিত আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করল ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (NCERT)। নতুন সোশ্যাল সায়েন্স বই ‘Understanding Society: India and Beyond’-এ জরুরি অবস্থাকে ভারতীয় গণতন্ত্রের সামনে আসা অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বইটিতে উল্লেখ (Emergency History) করা হয়েছে, ওই সময় দেশের অধিকাংশ মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) স্থগিত করা হয়েছিল এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। এনসিইআরটির এক আধিকারিক জানান, নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে এই প্রথম জরুরি অবস্থা নিয়ে আলাদা অংশ যুক্ত করা হয়েছে। ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণার ৫০ বছর পূর্তির প্রেক্ষাপটে এই অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের।

    জরুরি অবস্থা ও গণতন্ত্রের ওপর প্রভাব (Emergency History)

    নতুন পাঠ্যবইয়ের সংশ্লিষ্ট অংশে বলা হয়েছে, “ভারতে গণতন্ত্রের সামনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছিল ১৯৭৫-৭৭ সালের জরুরি অবস্থার সময়। ১৯৭০-এর গোড়ার দিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর (Indira Gandhi) নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছিল। বেকারত্ব বৃদ্ধি, মূল্যবৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় তুমুল বিক্ষোভ দেখা দেয়।” বইটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের জুন মাসে ‘অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা’র কারণ দেখিয়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এই সময় অধিকাংশ মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের ওপর সেন্সরশিপ আরোপ করা হয় এবং বহু রাজনৈতিক নেতা ও সমাজকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। ফলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলি তীব্র চাপে পড়ে এবং নাগরিক স্বাধীনতা ব্যাপকভাবে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়।

    জয়প্রকাশ নারায়ণের আন্দোলন

    পাঠ্যবইয়ে (NCERT) জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছিলেন জয়প্রকাশ নারায়ণ। তাঁর (Jayaprakash Narayan) ভূমিকাও বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘লোকনায়ক’ নামে পরিচিত এই সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ ও রাজনৈতিক নেতা ছাত্র-যুব এবং সাধারণ নাগরিকদের সংগঠিত করেছিলেন। বিশেষ করে বিহার ও গুজরাটে তাঁর নেতৃত্বে গণআন্দোলন গড়ে ওঠে। বইটিতে আরও বলা হয়েছে, ১৯৭৭ সালে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করা হয় এবং সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পায়। সেই নির্বাচনে তৎকালীন শাসক দলের পরাজয় ভারতীয় গণতন্ত্রের শক্তি ও জনগণের মতামতের গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে (Emergency History)।

    গণতন্ত্রের সামনে অন্যান্য চ্যালেঞ্জও আলোচনায়

    জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গটি বৃহত্তর একটি অধ্যায়ের অংশ, যেখানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার শক্তি এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটিতে ভুয়ো খবর, বিভ্রান্তিকর তথ্য, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি, জননিয়ম লঙ্ঘন, দারিদ্র্য, আঞ্চলিকতাবাদ, সামাজিক বৈষম্য এবং লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যকে গণতান্ত্রিক চর্চার সামনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    নতুন বিভাগ

    নয়া সংস্করণের বইয়ে প্রথমবারের মতো ‘ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইউ’ (Democracy and You) নামে একটি বিশেষ বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে। এনসিইআরটির মতে, এই অংশের লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের পাঠের সঙ্গে বাস্তব জীবনের নাগরিক দায়িত্ব ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের সম্পর্ক বোঝানো। এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের ভূমিকা সম্পর্কে আরও সচেতন হতে পারবে।

    গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের ওপর জোর

    সংশোধিত পাঠ্যবইয়ে ভারতের দীর্ঘ গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাচীন ভারতীয় সমাজে গণতান্ত্রিক চর্চার উল্লেখ করে দেখানো হয়েছে, কীভাবে সেই ঐতিহ্য বর্তমান শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত (Emergency History)। এছাড়া গণতন্ত্রে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে একটি পৃথক অধ্যায়ও রাখা হয়েছে। সেখানে সংবাদমাধ্যমকে ‘গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ’ (Fourth Pillar of Democracy) হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। জনসাধারণের সমস্যাকে সামনে আনা, সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে (NCERT)।

    বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে ভারতের পরিসংখ্যান

    ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ব্যাপ্তি বোঝাতে বইটিতে বিভিন্ন তথ্য ও পরিসংখ্যানও দেওয়া হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালে দেশে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ছিল ৯৬.৮ কোটিরও বেশি। দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা বিপুল সংখ্যক ভোটকেন্দ্র এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের কাঠামোর কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

    তৃণমূল স্তরের গণতন্ত্র ও নারীদের অংশগ্রহণ

    পাঠ্যবইয়ের এই অধ্যায়ে তৃণমূল স্তরের গণতন্ত্রের বাস্তব উদাহরণ হিসেবেও কয়েকটি কেস স্টাডি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গুজরাটের একটি পঞ্চায়েত এবং ত্রিপুরার মহিলা-বান্ধব পঞ্চায়েতের উদাহরণের মাধ্যমে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকদের অংশগ্রহণের বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হয়েছে (Emergency History)। এছাড়া নারীদের ভোটাধিকার, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থাগুলিতে সংরক্ষণ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নারীদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ নিয়েও একটি পৃথক অংশ রাখা হয়েছে (NCERT)। এর মাধ্যমে নারী প্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে (Emergency History)।

  • CBSE: সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ সিবিএসইর, নয়া পরিবর্তন কী হল জানেন?

    CBSE: সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ সিবিএসইর, নয়া পরিবর্তন কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ করল সিবিএসই (CBSE) বোর্ড। জাতীয় নীতির লক্ষ্যের সঙ্গে স্কুল শিক্ষাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই চালু করা হচ্ছে এই ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে (Three Language Rule)।

    উল্লেখযোগ্য সংস্কার (CBSE)

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংস্কারের মধ্যে রয়েছে ধাপে ধাপে একটি বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা চালু করা। ২০৩১ সালের মধ্যে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার অংশ হয়ে উঠবে এটি। জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ অনুযায়ী, বহুভাষিকতা ও সাংস্কৃতিক সংহতি বাড়াতে তিন-ভাষা সূত্র প্রয়োগ করা হবে। নতুন পাঠক্রম কাঠামোর অধীনে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমানে যে দুটি ভাষা শেখানো হয়, তার পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা পড়াও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটি মাধ্যমিক স্তরে পূর্ণাঙ্গ তিন-ভাষা ব্যবস্থার দিকে ধাপে ধাপে রূপান্তরের সূচনা। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সাধারণত ইংরেজি ও একটি ভারতীয় ভাষা পড়ে। তৃতীয় ভাষা (R3) যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের শুরুতেই আরও বিস্তৃত ভাষাগত ভিত্তি লাভ করবে।

    তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক

    সিবিএসই আধিকরিকদের মতে, তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ (NCERT)-এর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হচ্ছে। এই উপকরণগুলি শীঘ্রই সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক পোর্টালে উপলব্ধ হবে। যদিও মধ্যম স্তরে তৃতীয় ভাষা চালু হয়েছে, তবে এটি অবিলম্বে বোর্ড পরীক্ষায় প্রভাব ফেলবে না। বর্তমান ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ২০৩১ সালে দশম শ্রেণিতে পৌঁছলে নীতিটি পুরোপুরি কার্যকর হবে (CBSE)। প্রসঙ্গত, ত্রি-ভাষা সূত্রের ব্যাখ্যা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ রয়েছে। বাস্তবে, অনেক শিক্ষার্থী ইংরেজি পড়ে। তবে এনইপি ২০২০ অনুযায়ী ইংরেজিকে প্রায়ই বিদেশি ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Three Language Rule)। তাই প্রশ্ন উঠছে, ইংরেজির পাশাপাশি কি শিক্ষার্থীদের আরও দুটি ভারতীয় ভাষা শিখতে হবে? এতে পড়াশোনার চাপ বাড়তে পারে।

    দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করতেও একাধিক পরিবর্তন

    বিদেশে অবস্থিত সিবিএসই-সংযুক্ত স্কুলগুলির বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে বোর্ড কিছুটা শিথিলতা দিয়েছে। ভারতের বাইরে অবস্থিত স্কুলগুলিতে দুটি ভারতীয় ভাষা পড়ানো বাধ্যতামূলক নয়। তারা একটি ভারতীয় ভাষাকে বাধ্যতামূলক রেখে অন্যান্য ভাষা আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক প্রাসঙ্গিকতার প্রেক্ষিতে নির্বাচন করতে পারবে (CBSE)। ভাষা সংস্কারের পাশাপাশি সিবিএসই সামগ্রিক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে একাধিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। নবম ও দশম শ্রেণিতে শিল্প শিক্ষা, বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং শারীরিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আপাতত শিল্প ও শারীরিক শিক্ষা স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে, বোর্ড পরীক্ষার অংশ হবে না। তবে ২০২৭–২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে চালু হবে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    নয়া পাঠ্যক্রমের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নবম ও দশম শ্রেণিতে কম্পিউটেশনাল থিংকিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বাধ্যতামূলক করা। শুরুতে এগুলি মডিউল আকারে থাকবে এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন হবে। তবে ২০২৯ সালের মধ্যে এগুলি পূর্ণাঙ্গ বোর্ড পরীক্ষার বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে (Three Language Rule)। সিবিএসই নবম শ্রেণিতে গণিত ও বিজ্ঞানের জন্য দুই-স্তরের ব্যবস্থা চালু করেছে। শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতা ও আগ্রহ অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড বা অ্যাডভান্সড স্তর বেছে নিতে পারবে। অ্যাডভান্সড স্তরের শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত এক ঘণ্টার ২৫ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে, যেখানে সাধারণ সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন থাকবে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তবেই ফল অন্তর্ভুক্ত হবে মার্কশিটে।

    সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক ডিরেক্টরের বক্তব্য

    সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক ডিরেক্টর প্রজ্ঞা সিংয়ের মতে, এনসিইআরটির সঙ্গে যৌথভাবে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক তৈরি করা হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য একরূপ ও উচ্চমানের শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করবে (CBSE)। বিদেশে পরিচালিত সিবিএসই-সংযুক্ত স্কুলগুলির জন্য নমনীয়তা রাখা হয়েছে। যেখানে দেশের ভেতরের স্কুলগুলিকে দুটি ভারতীয় ভাষা পড়াতে হয়, সেখানে আন্তর্জাতিক স্কুলগুলিতে একটি ভারতীয় ভাষাই বাধ্যতামূলক থাকবে। গত বছরের সিবিএসই সার্কুলারের নির্দেশনাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল প্রস্তুতিমূলক স্তর থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অন্তত একটি ভারতীয় ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

    ভাষাগত বৈচিত্র্য

    ভাষাগত বৈচিত্র্য বাড়াতে সিবিএসই ভাষার তালিকাও সম্প্রসারণ করেছে (Three Language Rule)। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এখন ডোগরি, মৈথিলি, কোকনি ও সাঁওতালি ভাষা পড়ার সুযোগ পাবে। এর ফলে ভারতীয় সংবিধানের অষ্টম তফশিলে অন্তর্ভুক্ত ২২টি ভাষাই এখন এই বোর্ডের আওতায় এসেছে। এই সংস্কারগুলি সিবিএসইর মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ধীরে ধীরে কিন্তু ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন, মডিউলার বিষয় এবং উন্নত স্তরের বিকল্প চালুর মাধ্যমে বোর্ড একমাত্রিক পদ্ধতি থেকে সরে এসে আরও নমনীয় ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে (CBSE)।

     

  • NCERT: বিচার বিভাগে দুর্নীতি অধ্যায়ে চরম আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের, চাপে পড়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বন্ধ করল এনসিইআরটি

    NCERT: বিচার বিভাগে দুর্নীতি অধ্যায়ে চরম আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের, চাপে পড়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বন্ধ করল এনসিইআরটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে (Social Science Text Book) বিচার বিভাগীয় দুর্নীতির উপর একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট তীব্র আপত্তি করেছিল। এবার সুপ্রিম কোর্টের অসন্তোষ প্রকাশের পর জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ অর্থাৎ এনসিইআরটি বইটির বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, এনসিইআরটি (NCERT) স্বীকার করেছে যে বইটিতে “আমাদের সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা” শীর্ষক অধ্যায়টি অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়কে অনুমোদন করা সম্ভবপর নয়।

    ত্রুটিটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ভাবে করা হয়েছে (NCERT)

    এনসিআরটির পাঠ্যপুস্তকের (NCERT) বিষয় হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে “আমাদের সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা” অধ্যায়। যার পৃষ্ঠা সংখ্যা ১২৫-১৪২। শিরোনামের ৪ নম্বর অধ্যায়ে কিছু অনুপযুক্ত পাঠ্য উপাদান এবং রায়ের ত্রুটি অসাবধানতাবশত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই এনসিইআরটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বইটির (Social Science Text Book) বিতরণ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। এনসিইআরটি জানিয়েছে, “স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগ অর্থাৎ শিক্ষা মন্ত্রণালয় একই রকম পর্যবেক্ষণ করেছে এবং নির্দেশ দিয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বইয়ের বিতরণ কঠোরভাবে স্থগিত রাখা হবে।” এই শিক্ষা সংস্থা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে তারা বিচার বিভাগকে সর্বোচ্চ সম্মান করে এবং এই ভুলটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। উক্ত অধ্যায়ে অনুপযুক্ত উপাদান অন্তর্ভুক্ত করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিচার বিভাগের অপমান করতে দেওয়া যাবে না

    বুধবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি বিবেচনা করে বিচার বিভাগের উপর দুর্নীতি সম্পর্কিত অধ্যায়টি চালু করার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এটিকে বিচার বিভাগের উপর আক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করে বলেন, “পৃথিবীতে কাউকে বিচার বিভাগকে অপমান করতে দেওয়া যাবে না।” প্রধান বিচারপতি এই অধ্যায়টিকে (NCERT) বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য গভীরভাবে প্রোথিত এবং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে অভিহিত করেছেন। যে প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ স্তরের জনসাধারণের আস্থার কেন্দ্র, তাকে কোনও ভাবেই সন্দেহের মধ্যে ফেলা যায় না।

    ৪.৭০ কোটি মামলা বিচারাধীন

    উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অধ্যায়ে আদালতের কাঠামো এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার পদ্ধতির পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থার নিজেস্ব পদ্ধতিগত চ্যালেঞ্জগুলি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি, মামলার বিশাল জট এবং বিচারকের ঘাটতি। পাঠ্যপুস্তকটিতে ভারতীয় আদালতগুলিতে বিচারাধীন মামলার পরিমাণ তুলে ধরে তথ্যও উপস্থাপন করা হয়েছে। অনুমান করা হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ৮১,০০০ মামলা, উচ্চ আদালতে প্রায় ৬২.৪০ লক্ষ এবং জেলা ও অধস্তন আদালতে প্রায় ৪.৭০ কোটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই অধ্যায়ের (NCERT) লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের (Social Science Text Book) বিচার ব্যবস্থার বাস্তব এবং চ্যালেঞ্জগুলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। আর এটাতেই সুপ্রিম কোর্টের আপত্তি।

  • NCERT: সপ্তম শ্রেণির গণিত পাঠ্যে ভারতীয় গণিতজ্ঞদের সংযুক্ত করল এনসিইআরটি  

    NCERT: সপ্তম শ্রেণির গণিত পাঠ্যে ভারতীয় গণিতজ্ঞদের সংযুক্ত করল এনসিইআরটি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনসিইআরটি (NCERT) এবার সপ্তম শ্রেণির গণিতের পাঠ্যপুস্তকে বীজগণিত এবং জ্যামিতিতে ভারতের প্রাচীন গণিতের পরম্পরা এবং উল্লেখযোগ্য সাফল্যকেই তুলে ধরতে চলেছে। এই সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ‘গণিত প্রকাশ পর্ব ২’-এ প্রাচীন ভারতীয় গণিত শাস্ত্রের চর্চাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরায় বীজগণিত-জ্যামিতি (Mathematical traditions) কীভাবে বিকশিত হয়েছিল তাকে যেমন তুলে ধরা হয়েছে, ঠিক একই ভাবে শিক্ষা কীভাবে সৃজনশীল এবং ব্যবহারিক অর্থবহ পণ্ডিত গণিতজ্ঞদের সম্পর্কেও তুলেও ধরা হয়েছে।

    বীজগণিত অনেক মূল ধারণা ভারতীয়দের তৈরি (NCERT)

    জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ এনসিইআরটি (NCERT) কর্তৃক প্রকাশিত নতুন সপ্তম শ্রেণির গণিত পাঠ্যপুস্তকে গুরুত্বপূর্ণ গণিত শিক্ষা এবং বিকাশের প্রাথমিক পাঠ্যকেই বিশেষ জায়গা দেওয়া হয়েছে। দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদন অনুসারে এনসিইআরটি বলেছে, বীজগণিত সহ অনেক মূল ধারণা প্রথম ভারতীয় গণিতজ্ঞরাই আবিষ্কার করেছিলেন। তাই প্রাচীন ভারতীয় পণ্ডিতদের জ্ঞান চর্চাকেই প্রাথমিক ভাবে পাঠদানের কাজের জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে

    এনসিআরটি (NCERT) জানিয়েছে, একটি অধ্যায়ে পূর্ণসংখ্যা-ধনাত্মক-ঋণাত্মক-সংখ্যার ব্যাখ্যাকে ধরে ধরে করা আলোচনা করা হয়েছে। সপ্তম শতাব্দীর ভারতীয় গণিতবিদ ব্রহ্মগুপ্ত এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ব্রহ্মস্ফুটসিদ্ধান্তের উল্লেখ করা হয়েছে। এই বইতে বলা হয়েছে, কীভাবে ধনাত্মক-ঋণাত্মক সংখ্যার গুণ-ভাগ করতে হয়। এটি গণিতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল। পাটিগণিত এবং বীজগণিত গঠনে সহায়তা হিসবে এই ভাবনা অনন্য। ব্রহ্মগুপ্তের নিয়ম এবং তাঁর পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে অনুশীলনগুলিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বীজগণিতের উপর ভারতের কাজ বিশ্বের প্রাচীনতম কাজগুলির মধ্যে একটি অন্যতম ছিল। বীজগণিতীয় সমীকরণের একটি অংশে ‘বিজগনিতা’ শব্দটি উল্লেখ এখন বীজগণিতের সাথে যুক্ত হয়েছে। প্রাচীন ভারতে গাণিতিক অধ্যয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল প্রতীক ব্যবহার করে রাশি গঠন করা। আর এই ধরনের রাশি দিয়ে যে কোনও সমীকরণকে সমাধান করা হয়। বইতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, ব্রহ্মগুপ্ত অজানা সংখ্যা বোঝাতে অক্ষর ব্যবহার করতেন আর তাই হল বীজগণিতীয় চিন্তাভাবনার প্রাচীনতম উদাহরণ।

    ভারতীয় গাণিতিক (Mathematical traditions) জ্ঞান কীভাবে বিশ্বের অন্যান্য অংশে পৌঁছেছিল। জানা গিয়েছে, ৮ম শতাব্দীতে ভারতীয় গাণিতিক ধারণাগুলি আরবি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছিল। বর্তমান ইরাকের গণিতবিদ আল-খোয়ারিজমিকে প্রভাবিত করেছিল। ৮২৫ খ্রিস্টাব্দ তিনি হিসাব আল-জাবর ওয়াল-মুকাবালা লিখেছিলেন, যার অর্থ “পুনরুদ্ধার এবং ভারসাম্য বজায় রেখে গণনা করা। ব্রহ্মগুপ্তের সময়ে ভারতীয় গণিতবিদদের ব্যবহৃত প্রতীকগুলির তালিকাও দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে দ্বাদশ শতাব্দীতে ভাস্করাচার্যের লেখা বীজগণিতের একটি গণিত সমস্যাও পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরার জন্য বড় পদক্ষেপ

    স্কুলপাঠ্যে জ্যামিতির একটি অধ্যায় “Constructions and Tilings”-এ প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থ “Sulba-Sutras” সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। যেখানে দড়ি দিয়ে লম্ব রেখা এবং দ্বিখণ্ডক কীভাবে তৈরি করতে হয় তাও ব্যাখ্যা (Mathematical traditions) করা হয়েছে। পূর্বে সপ্তম শ্রেণির গণিতের পাঠ্যপুস্তকে প্রাচীন ভারতীয় পণ্ডিতদের উল্লেখ ছিল না। এনসিইআরটি এখন জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) 2020 এবং জাতীয় পাঠ্যক্রম কাঠামোর অধীনে পাঠ্যপুস্তক গুলিকে সংস্করণ করছে। এই কাজ স্কুল শিক্ষায় ভারতীয় জ্ঞান পরম্পরা অন্তর্ভুক্ত করার বড় পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • NCERT: স্কুলের বিজ্ঞান পাঠ্যে আয়ুর্বেদ পড়ানো হবে, জানাল এনসিইআরটি

    NCERT: স্কুলের বিজ্ঞান পাঠ্যে আয়ুর্বেদ পড়ানো হবে, জানাল এনসিইআরটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির এনসিইআরটি-র (Ayurveda Chapters) বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তকে আয়ুর্বেদ সম্পর্কিত একটি অধ্যায় যুক্ত করা হয়েছে। ছাত্র–ছাত্রীদের প্রাচীন ভারতীয় বিজ্ঞান, চিকিৎসা ব্যবস্থা, পরম্পরা, ইতিহাস এবং ঐতিহ্য সম্পর্কে যথার্থ জ্ঞান দেওয়ার জন্য এই পাঠ্যক্রমকে বিশেষ জায়গা দেওয়া হয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে জাতীয় শিক্ষানীতি কার্যকর শুরু করেছে মোদি সরকার। প্রাচীন ভারতের জ্ঞান-পরম্পরা সম্পর্কে সঠিক ভাবে জানা, ভারতীত্ববোধে পড়াশোনা করার সিলেবাস গঠন এবং তাকে  কার্যকরতে বিশেষ ভাবে সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক।

    কীভাবে পড়ানো হবে (Ayurveda Chapters)?

    এনসিইআরটি শিক্ষা ব্যবস্থায় আয়ুর্বেদকে (Ayurveda Chapters) অন্তর্ভুক্তি করে জানিয়েছে, ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছেলে মেয়েরা এবার থেকে বিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে আয়ুর্বেদ পড়বে। আয়ুর্বেদ প্রাচীন ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য জ্ঞানকাণ্ড। সভ্যতার জন্মলগ্ন থেকেই আয়ুর্বেদ (NCERT) চর্চা হয়ে আসছে। এবার এই জ্ঞান চর্চার ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে রাখা হয়েছে। বেসরকারি একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এনসিইআরটি একই ভাবে উচ্চ শ্রেণির শিক্ষা পাঠক্রমে যথা কলেজগুলিতেও অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সহযোগিতার কাজে পরিকল্পনা করছে। ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি আয়োগ রীতিমতো ভাবনা চিন্তা শুরু করে পাঠ্যক্রম তৈরির কাজে একাধিক পদক্ষেক গ্রহণ করেছে।

    কিউরিওসিটি-র তৃতীয় অধ্যায়

    এনসিইআরটির (NCERT) নির্দেশক দীনেশ প্রসাদ সাকলানি বলেছেন, বিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে আয়ুর্বেদ যুক্ত করে সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থাকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। শরীর, বিদ্যা এবং মনকে একদিকে পরিচালিত করতে অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তকে কিউরিওসিটি-র তৃতীয় অধ্যায়ে পরিচয় হিসেবে রাখা হয়েছে। দৈনিক জীবন, ঋতকালীন পরিচর্চা, শরীরের জন্য পুষ্টিকর খাবার ও নিয়মিত ব্যায়াম ইত্যাদি বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।

    আয়ুষ মন্ত্রী প্রতাপরাও যাদব বলেছিলেন, “এনসিইআরটি, ইউজিসি উচ্চশিক্ষার জন্য নিজেদের কোর্স মডিউল তৈরি করতে এক যোগে কাজ করছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে স্বাস্থ্য এবং নীতিগত শিক্ষা সম্পর্কে যেন ভালো করে জানতে পারে তাই এই প্রচেষ্টা চলছে। একই ভাবে নীতি বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষণ পদ্ধতি এবং স্কীল ডেভলোপমেন্ট বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে। আর তাই পাঠ্যে আয়ুর্বেদ (Ayurveda Chapters) যুক্ত করা হয়েছে।”

LinkedIn
Share