Tag: NCP

NCP

  • Sunetra Pawar: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! শনিবারই শপথ সুনেত্রা পাওয়ারের, অর্থ দফতর বিজেপির হাতে

    Sunetra Pawar: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপ-মুখ্যমন্ত্রী! শনিবারই শপথ সুনেত্রা পাওয়ারের, অর্থ দফতর বিজেপির হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের প্রথম মহিলা উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন সুনেত্রা পওয়ার (Sunetra Pawar)। রাজনীতির মঞ্চে শোক আর সিদ্ধান্ত—দুটোই পাশাপাশি। একদিকে অজিত পাওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুর রেশ, অন্যদিকে রাজ্যের প্রশাসনিক ভারসাম্য বজায় রাখতে বড় সিদ্ধান্ত। দলীয় সূত্রে খবর, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অজিতের শূন্যস্থান পূরণের প্রস্তাব পাওয়ার পরে পাওয়ার পরিবারের অন্দরে এই বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। তার পরেই এই গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করতে রাজি হয়েছেন সুনেত্রা। শনিবার বিকেল পাঁচটায় হবে শপথ গ্রহণ। একই সঙ্গে তিনি এনসিপির প্রধানের দায়িত্বও নিতে চলেছেন বলে খবর। রাজভবনে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যায় শপথগ্রহণ

    এনসিপি সূত্রে জানা গিয়েছে, মার্চে বাজেট অধিবেশন থাকায় আপাতত অর্থ দফতর মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের কাছেই থাকবে। অধিবেশন মিটলেই সেই দায়িত্ব এনসিপির হাতে যেতে পারে। এখন উপমুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের আবগারি এবং ক্রীড়া দফতরের দায়িত্বও সামলাবেন সুনেত্রা। দলের অন্দরমহলের মতে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পুনে জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের দিশা স্পষ্ট করতেই অজিতের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ারকে উপ-মুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাব ওঠে। প্রস্তাব ঘিরে পওয়ার পরিবারের মধ্যেও আলোচনা হয়। পরিস্থিতি ও দায়িত্বের ভার বিচার করেই শেষ পর্যন্ত সম্মতি দেন সুনেত্রা। শনিবার সন্ধ্যার শপথগ্রহণের মধ্য দিয়েই রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তরে তাঁর আনুষ্ঠানিক প্রবেশ ঘটতে চলেছে। এনসিপি দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দলের বর্ষীয়ান নেতা ছগন ভুজবল এ কথা জানান।

    অজিতকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শাহ-গড়কড়ি

    উল্লেখ্য, বুধবার সকালে বরামতীতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। অবতরণের সময় রানওয়ের কাছেই ভেঙে পড়ে চার্টার্ড বিমানটি। বিমানে থাকা পাঁচজনেরই মৃত্যু হয়—অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী, এক বিমানকর্মী ও দুই পাইলটও ছিলেন তাঁদের মধ্যে। বৃহস্পতিবার বরামতীর বিদ্যা প্রতিষ্ঠান ময়দানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় অজিত পাওয়ারের শেষকৃত্য। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি, এনসিপি (এসসিপি) প্রধান শরদ পওয়ার, অভিনেতা রীতেশ দেশমুখ-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি।

    অজিত পাওয়ারের হাতে থাকা দফতরগুলির বণ্টন

    শুক্রবার এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল, সুনীল তাটকারে এবং ধনঞ্জয় মুন্ডে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন বর্ষা বাংলোয় বৈঠক করেন। বর্তমানে অজিত পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি মহারাষ্ট্রে বিজেপি ও একনাথ শিন্ডে নেতৃত্বাধীন শিব সেনার সঙ্গে জোট সরকারে রয়েছে। এনসিপি দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ছগন ভুজবল জানান, মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবীশ স্পষ্ট করেছেন যে শনিবারই যদি উপমুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ হয়, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই—শর্ত একটাই, দলের বিধায়ক দলের পক্ষ থেকে সেই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে নেওয়া হতে হবে। অজিত পাওয়ারের হাতে থাকা দফতরগুলির ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি অর্থ, পরিকল্পনা ও আবগারি দফতরের দায়িত্বে ছিলেন। পাশাপাশি ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ এবং সংখ্যালঘু উন্নয়ন দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্বও তাঁর হাতে ছিল। দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, অর্থ ও পরিকল্পনা দফতর বিজেপির হাতে যেতে পারে।

    এনসিপি প্রধানের পদে কে?

    এদিকে শনিবার দুপুর ২টায় এনসিপির বিধায়ক দলের বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি সুনীল তাটকারে। বিধানসভা ও বিধান পরিষদের সদস্যদের পাশাপাশি সাংসদরাও উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকেই দলের প্রধান নির্বাচন করা হবে এবং সেই সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীকে জানানো হবে। এর আগে ভুজবল জানিয়েছিলেন, ৩১ জানুয়ারির বিধায়ক দলের বৈঠকেই সুনেত্রা পাওয়ারের নাম দলের প্রধান হিসেবে ঘোষণা করা হবে। বর্তমানে সুনেত্রা পওয়ার রাজ্যসভার সাংসদ। তিনি মহারাষ্ট্র বিধানসভা বা বিধান পরিষদের সদস্য নন। তবে অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর ফলে পুণে জেলার বারামতী বিধানসভা কেন্দ্রটি শূন্য হয়েছে। ভুজবল আরও জানান, শোককাল কতদিন হবে—তিন দিন না দশ দিন—এই ধরনের কিছু প্রযুক্তিগত বিষয় খতিয়ে দেখছেন প্রবীণ নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল ও সুনীল তাটকারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বিধায়ক দলের বৈঠকেই।

    সুপ্রিয়া সুলের পরিবর্তে কেন সুনেত্রা পাওয়ার

    সুপ্রিয়া সুলের পরিবর্তে কেন সুনেত্রা পাওয়ার—এই প্রশ্নে দলীয় সূত্রের বক্তব্য, অজিত পাওয়ার শিবিরের অধিকাংশ নেতা সুনেত্রাকেই উপমুখ্যমন্ত্রী ও দলের মুখ হিসেবে চান।কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এনসিপি মূলত পরিবারকেন্দ্রিক দল এবং নেতৃত্ব পরিবারেই থাকা উচিত। পাশাপাশি দলটি মারাঠা ভিত্তিক হওয়ায় অ-মারাঠা নেতাদের নেতৃত্বে মানতে রাজি নন কর্মী ও সমর্থকদের বড় অংশ। সুনেত্রা পওয়ার মারাঠা মুখ এবং অজিত পাওয়ারের ঘনিষ্ঠ পরিবারভুক্ত হওয়ায় এই ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবেন বলে মত নেতৃত্বের। গত কয়েক বছর ধরে তিনি দলের দৈনন্দিন কাজকর্মেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন এবং এনসিপির দুই শিবিরেই তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে দাবি।

    এনসিপি’র দুই গোষ্ঠীর একত্রীকরণ

    এনসিপি’র দুই গোষ্ঠীর একত্রীকরণ প্রসঙ্গে দলের কর্মী-সমর্থকদের বড় অংশই চান শরদ ও অজিত পাওয়ার শিবির এক হোক। প্রাক্তন মন্ত্রী অনিল দেশমুখের দাবি, দুই গোষ্ঠীর মিলনই ছিল অজিত পাওয়ারের আন্তরিক ইচ্ছা। তাঁর কথায়, অজিত পওয়ার জীবিত থাকতেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল, এখন তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই উচিত। অজিত পওয়ারের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ কিরণ গুজরও জানান, তিনি দুই গোষ্ঠীর একত্রীকরণ নিয়ে শতভাগ নিশ্চিত ছিলেন এবং মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই বলেছিলেন, প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে, খুব শীঘ্রই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে। ১৫ জানুয়ারির পুনে ও পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুরসভা নির্বাচন দুই শিবির যৌথভাবে লড়েছিল। এরপর আগামী মাসের জেলা পরিষদ নির্বাচনেও জোট বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটেই এনসিপির ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

  • Ajit Pawar: অজিত প্রয়াত, ‘আসল’ এনসিপির নেতৃত্বে এবার কে?

    Ajit Pawar: অজিত প্রয়াত, ‘আসল’ এনসিপির নেতৃত্বে এবার কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সকালে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের (Ajit Pawar)। তার পরেই উঠছে সেই মোক্ষম প্রশ্নটি, ‘আসল’ এনসিপির (NCP) নেতৃত্বে এবার কে? ভারতের রাজনৈতিক দলগুলি সাধারণত কমিটি নয়, ব্যক্তিনির্ভর নেতৃত্বে চলে। সংগঠনিক কর্তৃত্বের চেয়ে এসব ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ক্যারিশমার গুরুত্ব বেশি, এনসিপিও এর ব্যতিক্রম নয়।

    ‘গ্র্যান্ড ওল্ড ম্যান’ (Ajit Pawar)

    মহারাষ্ট্র রাজনীতির ‘গ্র্যান্ড ওল্ড ম্যান’ শরদ পাওয়ারের হাতে গড়া ও লালিত এই দলটিতে বরাবরই নেতৃত্বে ছিলেন কোনও না কোনও ‘পাওয়ার’। ২০২৩ সালের মে মাসে এর এক আবেগঘন উদাহরণ দেখা গিয়েছিল। সেদিন ভাইপো অজিত পাওয়ারের বিজেপির দিকে ঝুঁকে পড়া ঠেকাতে শরদ পাওয়ার দল ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।  কিন্তু তৎক্ষণাৎ দলীয় কর্মীরা তাঁকে স্লোগানে স্লোগানে ভরিয়ে দেন। এমনকি যখন এনসিপি ভেঙে দু’টি শিবির তৈরি হয়েছিল, তখনও দলের রাশ ছিল পাওয়ার পরিবারেরই হাতে। কিন্তু অজিত পাওয়ারের অকাল মৃত্যুর পর সেই সমীকরণ বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। অজিত-উত্তর ‘আসল’ এনসিপির মালিকানা নিয়ে শীঘ্রই টানাপোড়েন শুরু হতে পারে। কারণ, এই মর্মান্তিক ঘটনার পরেও সরকার চালাতে হবে, মন্ত্রিসভায় শূন্য পদ, এমনকি উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদও পূরণ করতে হবে। এরই মধ্যে দু’টি স্পষ্ট ক্ষমতার ভরকেন্দ্র প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    প্রথম শিবির

    প্রথম শিবির পাওয়ার পরিবার। এই শিবিরের কেন্দ্রে রয়েছেন অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার। অন্তত আপাতত তিনি বিপুল সহানুভূতির হাওয়া পাবেন, এমনকি তাঁদের কাছ থেকেও, যাঁরা সাধারণত এনসিপি বা অজিত পাওয়ারের রাজনীতির সমর্থক নন। রাজনীতিতে বংশানুক্রমের দৃষ্টিভঙ্গি ধরলে, স্বামীর উত্তরসূরি হিসেবে সুনেত্রাই দলীয় নেতৃত্বের সবচেয়ে স্বাভাবিক পছন্দ। তবে সুনেত্রা রাজনৈতিকভাবে নবাগত। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গিয়েছিলেন। বর্তমানে সুনেত্রা রাজ্যসভার সাংসদ। কিন্তু এই অভিজ্ঞতা প্রবীণ ও কৌশলী নেতা, যেমন ছগন ভুজবল বা সুনীল তটকরের পূর্ণ আনুগত্য আদায় করার পক্ষে যথেষ্ট নাও হতে পারে (Ajit Pawar)। এই শিবিরে (NCP) রয়েছেন অজিতের দুই ছেলে—পার্থ ও জয় পাওয়ার। তবে দু’জনকেই সুনেত্রার থেকেও কম বাস্তবসম্মত বিকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পার্থকে ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। পুনে জেলার মাভাল কেন্দ্র থেকে তিনি প্রার্থী হন। কিন্তু শিবসেনার শ্রীরং বার্নের কাছে বিরাট ব্যবধানে হেরে যান তিনি। পার্থ পাঁচ লাখের কিছু বেশি ভোট পেলেও, বার্নে পেয়েছিলেন ৭.২ লাখেরও বেশি ভোট। এর পর থেকে পার্থকে আর সেভাবে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি। ভোটারদের মধ্যে আবেগ তৈরি করতে তাঁর প্রত্যাবর্তন কিছুটা ভূমিকা রাখতে পারলেও, তাঁর বিরুদ্ধে চলা একাধিক আইনি মামলার কারণে সেই সম্ভাবনাও অত্যন্ত ক্ষীণ।  অজিতের ছোট ছেলে জয় এই তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বিকল্প বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। গত কয়েক বছর ধরে জয় মূলত পারিবারিক ব্যবসার দিকেই মনোযোগ দিয়েছেন। বোর্ডরুমের কাজেই তিনি বেশি স্বচ্ছন্দ বলে মনে করা হয়। যদিও বারামতিতে, পরিবারের শক্ত ঘাঁটিতে, গ্রামস্তরে কিছু সক্রিয়তার খবর পাওয়া গিয়েছে। এবং সেটাও সম্ভবত তাঁকে রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক রাখার চেষ্টা হিসেবে করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হল, জয় কখনও কোনও নির্বাচনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি, যা তাঁর বিরুদ্ধে যেতে পারে।

    দ্বিতীয় শিবিরে কারা?

    এতো গেল প্রথম শিবিরের কথা। দ্বিতীয় শিবিরে রয়েছেন এনসিপির শক্তিমান নেতারা। এই শিবিরে রয়েছেন অজিত -ঘনিষ্ঠ প্রবীণ তিন নেতাও, ছগন ভুজবল, সুনীল তটকরে এবং প্রফুল্ল প্যাটেল (NCP)। এঁদের মধ্যে প্রফুল্ল প্যাটেলই বর্তমানে অজিতের এনসিপির সবচেয়ে সিনিয়র নেতা। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক কৌশলবিদ প্যাটেল একসময় দিল্লিতে শরদ পাওয়ারের দরকষাকষির প্রধান মুখ ছিলেন (Ajit Pawar)। সংসদীয় রাজনীতিতে অভিজ্ঞতা এবং জাতীয় রাজধানীতে যোগাযোগের জোরে তিনি অজিতের এনসিপির স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন। তবে অনেকের মতে, দলের কর্মী ও ভোটারদের মধ্যে অজিতের যে দাপট ছিল, তা প্যাটেলের নেই। তাই দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব তাঁর পক্ষে কঠিন হতে পারে। তবুও, দল পুনর্গঠনের সময় তিনি একজন আদর্শ তত্ত্বাবধায়ক নেতা হতে পারেন। সুনীল তটকরে আবার একেবারে তৃণমূলস্তর থেকে উঠে আসা নেতা। রায়গড় জেলায় অজিতের এনসিপি গড়ে তুলতে তাঁর বিরাট ভূমিকা ছিল। তিনি মহারাষ্ট্রের জলসম্পদ মন্ত্রী হিসেবেও কাজ করেছেন।

    অজিতের এনসিপি কি আবার শরদ পাওয়ারের দলে?

    তবে প্যাটেলের মতো তাঁরও রাজ্যজুড়ে পূর্ণ কর্তৃত্ব নেই, যা ভবিষ্যতে দলের ভেতরে বিদ্রোহ হলে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একটা বড় অংশের মতে, সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত পরিণতি হতে পারে এটিই – যে এনসিপি বিধায়কদের শরদ পাওয়ার ছেড়ে অজিত পাওয়ারের দিকে টানা হয়েছিল, তাঁরা ‘পাইড পাইপারে’র মৃত্যুর পর পুরানো শিবিরে ফিরে যেতে পারেন। এমনটা কি হতে পারে? অজিতের এনসিপি কি আবার শরদ পাওয়ারের দলে, বা কার্যত তাঁর কন্যা সুপ্রিয়া সুলের নেতৃত্বাধীন এনসিপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে (NCP)? সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। চলতি মাসের শুরুতেই পুনে ও পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পুরসভা নির্বাচনে শরদ ও অজিত সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন। ফল আশানুরূপ না হলেও, এবং বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোটে অজিতের কোণঠাসা হওয়ার ফলেই এই জোট গড়ে উঠলেও, পুনর্মিলনের সম্ভাবনা কিন্তু রয়েই গিয়েছে (Ajit Pawar)।

  • Devendra Fadnavis: মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশ, উপমুখ্যমন্ত্রী শিন্ডের ছেলে?

    Devendra Fadnavis: মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশ, উপমুখ্যমন্ত্রী শিন্ডের ছেলে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis)। বিজেপি সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন শিবসেনার একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) ছেলে। মহারাষ্ট্রের নয়া সরকার শপথ নেবে ৫ ডিসেম্বর। তার আগে হবে বৈঠক। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এই বৈঠকেই বিধানসভা দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত হবেন ফড়ণবীশ।

    চালকের আসনে ফড়ণবীশ! (Devendra Fadnavis)

    মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। তার মধ্যে বিজেপি একাই জেতে ১৩২টি আসনে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএর (মহারাষ্ট্রে এই জোট মহাযুতি নামে পরিচিত) দুই শরিক শিবসেনার একনাথ শিন্ডের শিবির এবং এনসিপির অজিত পাওয়া গোষ্ঠী পেয়েছে যথাক্রমে ৫৭ ও ৪১টি আসন। যেহেতু বিজেপি এককভাবে সব চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে, তাই মুখ্যমন্ত্রিত্বের দাবিদার পদ্ম-পার্টিই। তবে ওই পদের দাবি জানাচ্ছিলেন শিন্ডের অনুগামীরা। পরে বিজেপিকে নিঃশর্ত সমর্থন জানান শিন্ডে। তার পরেই ফড়ণবীশকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর সিদ্ধান্ত হয় বলে বিজেপির একটি অসমর্থিত সূত্রের খবর। একনাথ বলেন, আমি আগেই বলেছি, মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা আমার ও শিবসেনার জন্য গ্রহণযোগ্য হবে এবং তাকে আমি পূর্ণ সমর্থন জানাব। শিন্ডের ছেলে শ্রীকান্ত যে উপমুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন খবর ছড়িয়েছে, তাকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন শ্রীকান্ত স্বয়ং।

    আরও পড়ুন: “চিন-ভারত সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে”, বললেন জয়শঙ্কর

    উপমুখ্যমন্ত্রী কে?

    জানা গিয়েছে (Devendra Fadnavis), উপমুখ্যমন্ত্রী হতে রাজি হয়েছেন শিন্ডে। তাঁর একাধিক মন্ত্রক পাওয়ার দাবি মেনে নিয়েছে বিজেপি। নয়া ফর্মুলা অনুযায়ী, ফড়ণবীশের সঙ্গেই ৫ ডিসেম্বর উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন শিন্ডে এবং অজিত পাওয়ার। একটি সূত্রের খবর, বিজেপির হাতে থাকবে ২২টি মন্ত্রক। শিন্ডে সেনা পাবে ১২টি মন্ত্রক। বিধান পরিষদের চেয়ারম্যানের পদও পাবে তারা। বিধানসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান-সহ ৯ থেকে ১০টি মন্ত্রক পাবে এনসিপির অজিত গোষ্ঠী। ৫ ডিসেম্বর সন্ধেয় আজাদ ময়দানে শপথ নেবে মহারাষ্ট্রের নয়া সরকার। প্রসঙ্গত, ফড়ণবীশ (Devendra Fadnavis) মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বলে (Eknath Shinde) আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Assembly Elections: মাত্র ছ’মাসেই মহারাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াল বিজেপি, কোন মন্ত্রবলে জানেন?

    Maharashtra Assembly Elections: মাত্র ছ’মাসেই মহারাষ্ট্রে ঘুরে দাঁড়াল বিজেপি, কোন মন্ত্রবলে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যবধান মাত্রই ছ’মাসের। এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচনে যে রাজ্যে পদ্মের হাল (Mahayuti) মলিন হয়ে গিয়েছিল, মাত্র ছ’মাস পরেই সেই রাজ্যই পদ্মময়। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে মহা বিকাশ অঘাড়ী জোটকে ধরাশায়ী করে জয়ডঙ্কা বাজাচ্ছে বিজেপি। এ রাজ্যে গেরুয়া শিবির বলে বলে গোল দিয়েছে বিরোধীদের। লোকসভা নির্বাচনের পর মহারাষ্ট্রের কুর্সি দখলের যে স্বপ্ন বিরোধীরা দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নই বিধানসভা নির্বাচনে খড়কুটোর মতো ভেসে গেল আরব সাগরের জলে। প্রশ্ন হল, কোন মন্ত্রবলে বিজেপির এই ঘুরে দাঁড়ানো আর বিরোধীদের অধঃপতন? আসছি সেই আলোচনায়ই।

    নিশ্চুপে মেরামত করে চলেছে ভাঙা নৌকার হাল (Maharashtra Assembly Elections)

    বিজেপি সূত্রে খবর, লোকসভা নির্বাচনের পর হাতে যে ছ’মাস ছিল, সেই সময় নিজেকে গড়েপিটে নিয়েছে মহারাষ্ট্র বিজেপি। শত্রুর ঘরে (পড়ুন বিরোধী শিবিরে) যখন নিত্য বয়ে গিয়েছে অশান্তির চোরাস্রোত, তখন বিজেপি নিশ্চুপে মেরামত করে চলেছে ভাঙা নৌকার হাল। যারই সুফল গেরুয়া শিবির কুড়িয়েছে বিধানসভা নির্বাচনে। গত ছ’মাসে একের পর এক সাহসী এবং জনকল্যাণকর পদক্ষেপ নিয়েছেন গৈরিক নেতারা।

    জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপ

    নীতিগত সংশোধনের পদক্ষেপের পাশাপাশি কৃষক, নারী ও অনগ্রসর শ্রেণির জন্যও বিভিন্ন জনহিতকর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে মহরাষ্ট্র সরকার। রাজনৈতিক মহলের মতে, মহাযুতি সরকারের এসব পদক্ষেপই ফলপ্রসূ হয়েছে। মহাযুতি সরকারের তিন শরিক— বিজেপি, শিবসেনা এবং ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি। লোকসভা নির্বাচনে বিপর্যয়ের পরে পরিস্থিতি পাল্টাতে সক্ষম হয়েছে এই জোট। মহারাষ্ট্রে লোকসভা আসন রয়েছে ৪৮টি। তার মধ্যে (Maharashtra Assembly Elections) বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ১৭টি আসন (Mahayuti)। বাকি কেন্দ্রের রাশ গিয়েছে মহা বিকাশ অঘাড়ী (MVA) জোটের ঝুলিতে। শনিবার বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়া শুরু হতেই চওড়া হতে থাকে বিজেপি নেতাদের মুখের হাসি। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ১২৪টি আসনে জয় পেয়েছে পদ্ম শিবির। বিভিন্ন আসনে এগিয়ে রয়েছে মহাযুতি সরকারের জোট শরিকরা।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে জয় নিশ্চিত ‘মহাযুতি’ জোটের, ভোটারদের ধন্যবাদ একনাথ শিন্ডের

    দুয়ারে জনকল্যাণকর বিভিন্ন পরিষেবা

    মহারাষ্ট্রবাসীর দুয়ারে জনকল্যাণকর বিভিন্ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার সুফল যেমন বিজেপি কুড়িয়েছে, তেমনি আরএসএসের প্রচারও গৈরিক শিবিরের ঘরে তুলে দিয়েছে লাভের কড়ি। মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে আদাজল খেয়ে ময়দানে নেমে পড়েছিল আরএসএস। বিজেপি এবং রাজ্যের শাসক জোটের হয়ে ব্যাপক প্রচারও করেছে তারা। যার জেরে হতাশা কাটিয়ে উঠে বিজেপির পক্ষে ভোট দিয়েছেন ভোটারদের একটা বড় অংশ। বিজেপিও তাদের কঠোর হিন্দুত্ববাদী অবস্থান জোরালো করে তোলে। বিজেপির স্লোগানের মধ্যে ছিল ‘এক হো তো সেফ হো’, ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’ (ভাগ হলেই পতন)-এর মতো ঝাঁঝালো স্লোগান। এগুলোও ভোটারদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। এসবই জুগিয়েছে বিজেপির পালে হাওয়া। বিজেপি এবং আরএসএসের যুগলবন্দির মোকাবিলা করতে পারেনি মহা বিকাশ অঘাড়ী জোট। যার জেরে মহারাষ্ট্রে পানি পায়নি এই মহাজোট।

    ওবিসি সম্প্রদায়

    মারাঠা আন্দোলন (Maharashtra Assembly Elections) ওবিসি সম্প্রদায়গুলিকে মেরুকরণ করবে বলে আশা করা হয়েছিল। বিজেপি তার জনসংযোগ পরিকল্পনার মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন ৩৫৩টি সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে নেমেছিল। মহারাষ্ট্র নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং রাজ্যের শীর্ষ নেতারা অঞ্চলভিত্তিকভাবে ওবিসি সম্প্রদায়ের সঙ্গে বিজেপির সংযোগ স্থাপনের জন্য সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করেছিলেন। বিজেপি কেন্দ্রীয় ওবিসি তালিকায় সাতটি জাতি বা উপজাতিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবও রেখেছিল ওবিসি কমিশনের কাছে। ওবিসি সম্প্রদায়ের এই সূক্ষ্ম ব্যবস্থাপনা মহাযুতির পক্ষে মাঠ পর্যায়ে কার্যকর প্রমাণিত হয়। মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮টি। এর মধ্যে ১৭৫টি আসনে নির্ণায়ক শক্তি ওবিসি সম্প্রদায়। তার একটা বড় অংশই এবার গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। যার জেরে আরব সাগরের তীরের লোনা মাটিতেও ফুটেছে পদ্ম।

    ‘কৃষি আমাদের ভিত্তি’

    মহারাষ্ট্রের জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশই কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই লোকসভা নির্বাচনে পরাস্ত হওয়ার পর কৃষকদের ভোট পদ্ম-ঝুলিতে টানতে একাধিক পদক্ষেপ করে মহারাষ্ট্রের মহাযুতি সরকার। এর মধ্যে ছিল রাজ্য বাজেটে সরকার ৭.৫ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত কৃষি পাম্প ব্যবহারকারী কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘোষণা। নির্বাচনী ইশতেহারে, মহাযুতি ফসল ঋণ মকুবের প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার। ‘ভাবান্তর যোজনা’র মাধ্যমে এমএসপি এবং প্রকৃত ক্রয়মূল্যের পার্থক্য পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতিও দেয় সরকার। এছাড়াও গুচ্ছ জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি হাতে নেয় সরকার। বিধানসভা নির্বাচনে এসবই ডিভিডেন্ট দিয়েছে বিজেপিকে। তার জেরেই আরব সাগরের তীর হয়েছে (Mahayuti) পদ্মময়। মহারাষ্ট্রের কুর্সির রং হয়েছে গেরুয়া (Maharashtra Assembly Elections)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Maharashtra Assembly Elections: মহারাষ্ট্রে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাজুটি জোটকে পূর্ণ সমর্থন শিখ সম্প্রদায়ের

    Maharashtra Assembly Elections: মহারাষ্ট্রে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাজুটি জোটকে পূর্ণ সমর্থন শিখ সম্প্রদায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Maharashtra Assembly Elections) মহারাষ্ট্রে বিজেপি-নেতৃত্বাধীন মহাজুটি জোটকে পূর্ণ সমর্থনের কথা ঘোষণা করল শিখ সম্প্রদায়। সোমবার শিখ সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, “গত আড়াই বছরে, সরকার গুরু নানক নাম লেবা সঙ্গত, শিখ, হিন্দু পাঞ্জাবি, লুবানা, সিকলিগার এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের কল্যাণে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।” তারা আরও উল্লেখ করেছে, “বিজেপি সরকার শুধু এই সম্প্রদায়গুলির জন্য উপকারি ঘোষণাই করেনি, বরং তাদের উন্নতির জন্য ঐতিহাসিক পদক্ষেপও করেছে।”

    মহাজুটি জোটের পাশে শিখরা

    সোমবার মহারাষ্ট্রের ২৮৮টি আসনের সবগুলিতেই প্রচার (Maharashtra Assembly Elections) শেষ হয়েছে। বুধবার ওই কেন্দ্রগুলিতে ভোটগ্রহণ হবে। বুধবার এক দফায় মহারাষ্ট্রে ২৮৮টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে। গণনা ২৩ নভেম্বর। মূল লড়াই বিজেপি-শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে)-এনসিপি-র (অজিত) জোট ‘মহাজুটি’এবং কংগ্রেস-শিবসেনা (ইউবিটি)-এনসিপি-র (শরদ) ‘মহাবিকাশ আঘাড়ি’র মধ্যে। সম্প্রতি, একজন শিখ সদস্যকে মহারাষ্ট্র সরকারের মাইনরিটি কমিশনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ১১ সদস্যের মহারাষ্ট্র রাজ্য পাঞ্জাবি সাহিত্য অ্যাকাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই উদ্যোগগুলি স্পষ্টভাবে সরকারের উদ্দেশ্য এবং শিখ সম্প্রদায়ের কল্যাণ ও অগ্রগতির প্রতি প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে বলে মনে করা হচ্ছে।

    শিখ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা গুরু নানক নাম লেবা সঙ্গত, শিখ, হিন্দু, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, সিকলিগার, বানজারা ও লুবানা সম্প্রদায় এই ইতিবাচক পদক্ষেপগুলির জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা আশাবাদী যে, সরকার ভবিষ্যতেও সমস্ত সম্প্রদায়ের কল্যাণে একই উদ্দেশ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবে। তাই এই সম্প্রদায়ের সকল প্রতিনিধিদের মহাজুটি জোটকে ভোট দিতে আহ্বান জানিয়েছে শিখ সংগঠনটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে আসনরফা চূড়ান্ত, কোন আসনে লড়বেন শিন্ডে, অজিত?

    Assembly Election 2024: মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে আসনরফা চূড়ান্ত, কোন আসনে লড়বেন শিন্ডে, অজিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election 2024)। তার আগে রয়েছে দেওয়ালি। তাই উৎসব শুরুর আগেই বিজেপির সঙ্গে আসনরফা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা ও এনসিপি (অজিত)। এই আবহে বুধবার মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ভোটে (Maharashtra) প্রথম দফায় ৪৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা। উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের এনসিপি (অজিত) ৩৮টি বিধানসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে।

    কোথায় লড়বে কে

    তালিকা প্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী শিন্ডে ঠাণে জেলার কাপরি–পাচপাখিড়ি আসনে লড়বেন। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত টানা তিনটি বিধানসভা ভোটে অবিভক্ত শিবসেনার প্রার্থী হিসেবে ওই আসনে জিতেছেন তিনি। শিন্ডে শিবিরের মুখপাত্র সদা সরভঙ্কর তাঁর পুরনো আসন মুম্বইয়ের ফাহিম থেকে লড়বেন। সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী শিবসেনার প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরের ভাইপো রাজ ঠাকরের পুত্র অমিত। এছাড়া মনীষা রবীন্দ্র ওয়েকার লড়বেন যোগেশ্বরী–পূর্ব থেকে। সুহাস দ্বারকানাথ কান্দে (নন্দগাঁও), প্রদীপ শিবনারায়ণ জয়সওয়াল (ছত্রপতি সম্ভাজিনগর–মধ্য) থেকে লড়বেন। অন্যদিকে, এনসিপি প্রধান তথা উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত লড়বেন তাঁর পুরনো আসন বারামতী থেকে। নাসিকের ইয়েলার বিদায়ী বিধায়ক, শিন্ডে মন্ত্রিসভার সদস্য ছগন ভুজবল এ বারও সেখান থেকেই প্রার্থী।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল সাংসদ কল্যাণের আচরণ গণতন্ত্রের লজ্জা!” তোপ বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখরের

    পুরোদমে প্রচার শুরু

    মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনের (Maharashtra Assembly Election 2024) আর প্রায় এক মাস বাকি। পুরোদমে প্রচারে নেমেছে রাজনৈতিক দলগুলি। ইতিমধ্যেই প্রথম দফায় ৯৯ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। আগামী ২০ নভেম্বরে এক দফায় মহারাষ্ট্রে ২৮৮টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে। গণনা ২৩ নভেম্বর। সেখানে শাসকজোটের বৃহত্তম দল বিজেপি লড়ছে ১৫৫টি আসনে। শিন্ডে সেনা ৭৮ এবং এনসিপি (অজিত) ৫৫টিতে লড়ছে। মূল লড়াই বিজেপি-শিবসেনা (একনাথ শিন্ডে)-এনসিপি (অজিত)-এর জোট ‘মহাজুটি’ এবং কংগ্রেস-শিবসেনা (ইউবিটি)-এনসিপি (শরদ)-এর ‘মহাবিকাশ আঘাড়ী’র মধ্যে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Farooq Abdullah: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না”, সাফ জানিয়ে দিলেন ফারুক আবদুল্লা

    Farooq Abdullah: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না”, সাফ জানিয়ে দিলেন ফারুক আবদুল্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না।” কথাগুলো যিনি বললেন, তাঁর বক্তব্যে একাধিকবার পাকিস্তান-প্রীতির ইঙ্গিত মিলেছিল। গান্ডেরবালকাণ্ডের (Ganderbal Terror Attack) পর সেই তিনিই নিশানা করলেন পাকিস্তানকে (Farooq Abdullah)। সাফ জানিয়ে দিলেন, কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না।

    পাকিস্তানকে নিশানা ফারুকের (Farooq Abdullah)

    কথা হচ্ছিল জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লার। রবিবার কাশ্মীরের গান্ডেরবালে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ৭ জন। এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন ফারুক। কাশ্মীরের কুর্সিতে রয়েছে ফারুকের দল। মুখ্যমন্ত্রী তাঁরই ছেলে ওমর আবদুল্লা। সরাসরি পাকিস্তানকে চাঁদমারি করে জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি পাকিস্তানের নেতৃত্বকে বলতে চাই, তারা যদি ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায়, তাহলে এসব বন্ধ করতে হবে।” এর পরেই তিনি বলেন, “কাশ্মীর কখনওই পাকিস্তান হবে না। আসুন, আমরা মর্যাদার সঙ্গে বাঁচি এবং সফল হই।”

    ‘সন্ত্রাসবাদ বন্ধের সময় এটা’

    ফারুক বলেন, “তারা যদি ৭৫ বছরে একটি পাকিস্তান বানাতে না পারে, তাহলে এখন কীভাবে সম্ভব? সন্ত্রাসবাদ বন্ধের সময় এটা। তা যদি না হয়, তাহলে পরিণতি হবে ভয়ঙ্কর।” তাঁর প্রশ্ন, “তারা (পাকিস্তান) যদি আমাদের দেশের নিরীহ মানুষকে হত্যা করে, তাহলে কীভাবে আলাপ-আলোচনা সম্ভব?” ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো বলেন, “এই হামলা দুর্ভাগ্যজনক। পরিযায়ী গরিব শ্রমিক এবং চিকিৎসক প্রাণ হারিয়েছেন এই হামলায়। সন্ত্রাসবাদীরা এ থেকে কী পাবে? তারা কি ভাবছে, যে তারা এখানে পাকিস্তান বানাবে? আমরা এটা (সন্ত্রাসবাদ) বন্ধের চেষ্টা করছি, যাতে আমরা এই দুর্দশা থেকে বেরিয়ে এগিয়ে যেতে পারি।”

    আরও পড়ুন: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    জঙ্গি হামলায় গান্ডেরবালে এক চিকিৎসক-সহ মোট (Farooq Abdullah) সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ছয় নির্মাণ শ্রমিকই ভিন রাজ্যের। একটি বেসরকারি সংস্থার হয়ে গান্ডেরবালে একটি টানেল তৈরির কাজ করছিলেন তাঁরা। জঙ্গিদের ওই হামলায় জখম হয়েছেন পাঁচজন। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে কানগান সাবডিস্ট্রিক্ট হাসপাতালে। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সেনা। তবে সোমবার (Ganderbal Terror Attack) সন্ধে পর্যন্ত কোনও জঙ্গিই ধরা পড়েনি। এমতাবস্থায় ফারুকের (Farooq Abdullah) মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বই কি!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Baba Siddique Murder: মুম্বইয়ে বাবা সিদ্দিকি খুনে ফের আলোচনায় বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগ

    Baba Siddique Murder: মুম্বইয়ে বাবা সিদ্দিকি খুনে ফের আলোচনায় বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাউদ-উত্তর জমানায় বলিউড দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। শনিবার রাতে আততায়ীর গুলিতে খুন হন বাবা সিদ্দিকি, যার একটা ডাকেই হাজির হয়ে যেতেন বলিউডের ‘ভাইজান’। তিনি আবার কোনও সাধারণ মানুষ নন, এনসিপি নেতা। শারদ পাওয়ারের দলের অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর নেতা বাবা সিদ্দিকি (Baba Siddique Murder) খুনের দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। শনিবার রাতে খুন হন সিদ্দিকি। পুলিশ জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার যে পোস্টে সিদ্দিকি খুনের দায় স্বীকার করা হয়েছে, সেটা সত্যিই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে, এই ঘটনায় বলিউডের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগের (Bollywood Underworld Nexus) অভিযোগ ফের শিরোনামে চলে এসেছে।

    সিদ্দিকি খুনে গ্রেফতার ২

    সিদ্দিকি খুনের ঘটনায় রবিবারই দুই অভিযুক্ত গুরমাইল সিং ও ধরমরাজ কাশ্যপকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছিল দশেরা উৎসব। মহারাষ্ট্রের বান্দ্রার খায়ের নগরে প্রাক্তন মন্ত্রী সিদ্দিকি তাঁর ছেলে বিধায়ক জিশান সিদ্দিকির অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আচমকাই তিন দুষ্কৃতী এসে খুব কাছ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। আর্তনাদ করতে করতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সিদ্দিকি। মুম্বইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মুম্বইয়ের একজন জনপ্রিয় নেতা ছিলেন সিদ্দিকি। রাজনীতির পাশাপাশি বলিউডের (Bollywood Underworld Nexus) সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল। সলমন খান, শাহরুখ খান এবং সঞ্জয় দত্তের মতো প্রথম সারির নেতাদের সঙ্গে সিদ্দিকির সম্পর্ক ভালো ছিল বলেই শোনা যায়। এহেন এক জনপ্রিয় নেতা কারা খুন করল, তা নিয়ে চলছে জল্পনা।

    বিষ্ণোই গ্যাংয়ের দাবি

    পুলিশ সূত্রে খবর, সিদ্দিকির মৃত্যুর দায় সংক্রান্ত একটি পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে খুনের দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। পোস্টটি করেছে জনৈক শুবু লোনকর নামের এক ব্যক্তি। তার দাবি, “আমি যেটা ঠিক বুঝেছি, সেটাই করেছি। বন্ধুত্বের দায়কে সম্মান জানিয়েছি। সলমন খান, আমরা এই যুদ্ধটা চাইনি। আমাদের ভাই প্রাণ হারিয়েছেন। এটা আপনি বাধ্য করেছেন। তাঁর মৃত্যুর কারণ দাউদ ও অনুজ থাপানের সঙ্গে বলিউডের যোগাযোগ, রাজনীতি এবং সম্পত্তি কেনাবেচা।” লোনকর আরও জানিয়েছে, “কারও সঙ্গে (Bollywood Underworld Nexus) আমাদের শত্রুতা নেই। কিন্তু যে সলমন খান কিংবা দাউদ গ্যাংকে সাহায্য করবে, সে যেন প্রস্তুত থাকে। আমাদের কোনও ভাইয়ের মৃত্যু হলে, আমরাও নিশ্চিতভাবে তার উত্তর দেব। আমরা কিন্তু কখনও প্রথম আঘাত হানি না।”

    কী বলছে পুলিশ

    মুম্বই পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় এ সংক্রান্ত পোস্টটা দেখেছি। এটা আদৌ সত্যি কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।” সিদ্দিকি হত্যার কারণ প্রসঙ্গে এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “ভাড়াটে খুনির তত্ত্ব, ব্যবসায়িক শত্রুতা না কি বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্প, খুনের নেপথ্যের প্রতিটি সম্ভাবনাই সমান গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মুম্বইয়ের বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্পে প্রায় দু’হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই মামলায় নাম জড়িয়েছিল সিদ্দিকিরও (Baba Siddique Murder)। ২০০০-২০০৪ সাল পর্যন্ত মহারাষ্ট্রের আবাসন ও নগরোন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি সংস্থাকে বস্তি পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। মামলার তদন্তে ২০১৮ সালে সিদ্দিকির ৪৬২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি।

    পুলিশের সন্দেহ

    এহেন সিদ্দিকি খুন (Baba Siddique Murder) হওয়ায় তোলপাড় মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহল। পুলিশের সন্দেহ, হামলার ঘটনায় একটা ৯ এমএম পিস্তল ব্যবহার করা হয়েছিল। সেটা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দুষ্কৃতীরা চার থেকে পাঁচ রাউন্ড গুলি চালিয়েছিল বলে দাবি পুলিশের। মহারাষ্ট্র পুলিশের তদন্তকারী দলকে সাহায্যের জন্য দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের একটা দলকে পাঠানো হচ্ছে সে রাজ্যে। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেন্সিক দল। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভির ফুটেজও। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের তরফে জানানো হয়েছে, গত এক মাস ধরে এলাকা রেইকি করেছিল তারা। মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের সন্দেহ, অভিযুক্তদের বাবা সিদ্দিকি সম্পর্কে তথ্য জোগাচ্ছিল অন্য কেউ। মুম্বইয়ের রাজনীতি সম্পর্কে যাঁরা ওয়াকিবহাল, তাঁদের একটা অংশের মতে, সলমনের সঙ্গে সিদ্দিকির ঘনিষ্ঠতাই কাল হয়েছে কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপির অজিত গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়া সিদ্দিকির। দীর্ঘদিন ধরেই সলমনকে খুনের হুমকি দিচ্ছেন লরেন্স বিষ্ণোই (Bollywood Underworld Nexus)। মাস কয়েক আগে সলমনের বাড়ি গ্যালাক্সি লক্ষ্য করে দু’রাউন্ড গুলিও চালিয়েছিল জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্যরা।

    সলমনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    ১৯৯৮ সালে একটি সিনেমার শুটিংয়ের সময় কৃষ্ণসার হরিণ শিকার করেছিলেন সলমন। লুপ্তপ্রায় প্রজাতির হরিণ শিকার করায় জেলও খাটতে হয়েছিল সলমনকে। কৃষ্ণসার হরিণ বিষ্ণোই সম্প্রদায়ে পূজ্য। ওই ঘটনার পর থেকে সলমনকে একাধিকবার খুনের হুমকি দিয়েছে বিষ্ণোই গ্যাং। সলমনের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার পর বাড়ানো হয়েছে অভিনেতার নিরাপত্তা। বর্তমানে ওয়াই ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পান সলমন। সিদ্দিকিকে (Baba Siddique Murder) অবশ্য এমন কোনও হুমকি দেওয়া হয়নি বলেই সূত্রের খবর। রাজনীতির পাশাপাশি বলিউডের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল সিদ্দিকির। তাঁর দেওয়া ইফতার পার্টিতে চাঁদের হাট বসে। তাঁর ডাকে সেই পার্টিতে হাজির হন মুম্বইয়ের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। সিদ্দিকির এই পার্টিতেই শাহরুখ খান ও সলমনের দীর্ঘ দিনের ঝামেলার অবসান হয়েছিল। এহেন জনপ্রিয় সিদ্দিকির মৃত্যুতে তাই শোকের ছায়া বলিউডে (Bollywood Underworld Nexus)।

    আরও পড়ুন: সন্দীপ ও তাঁর আত্মীয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অবৈধ লেনদেনের খোঁজ! জেরা করবে ইডি

    ৬ রাউন্ড গুলি

    মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, সিদ্দিকিকে (Baba Siddique Murder) তাক করে মোট ৬ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এর মধ্যে ৩টি গুলি লাগে তাঁর শরীরে। এই ঘটনায় আরও একবার প্রকাশ্যে এল বলিউডের সঙ্গে আন্ডার ওয়ার্ল্ডের নিবিড় যোগ এবং শত্রুতার কথা। এক সময় বলিউডে শেষ কথা বলতেন করিম লালা। তাঁর মূল ব্যবসাই ছিল অপহরণ, কন্ট্রাক্ট নিয়ে কাউকে হত্যা করা। মাদক দ্রব্য পাচারও করতেন তিনি। বলিউডে কোনও রকম সমস্যা দেখা দিলে লোকজন ছুটে যেতেন করিমের কাছে। সমস্যার সমাধান করতেন তিনিই। ফি বছর ইদের সময় বলিউড তারকাদের ডাকতেন করিম। তাঁর ডাকে ওই পার্টিতে হাজির হতেন তারকারা (Bollywood Underworld Nexus)। করিমের পর বলিউডের রুপোলি দুনিয়ায় প্রবেশ করে ভরাদ্রজন মুদালিয়র। তার পরে দাপিয়ে বেড়ান হাজি মস্তান। এরপর উত্থান হয় দাউদ ইব্রাহিমের। তিনিই আন্ডার ওয়ার্ল্ডকে প্রথম কর্পোরেটাইজ করেন। অভিনেতা-অভিনেত্রীদের শো করতে নিয়ে যান দুবাইয়ে।

    আন্ডারওয়ার্ল্ডে দুষ্কৃতী রাজ

    আন্ডারওয়ার্ল্ডের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে প্রথম সরব হন অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা। পরে মুম্বই পুলিশের দক্ষতায় ধীরে ধীরে বন্ধ হয় বলিউডকে হুমকি দেওয়া, চাপ দিয়ে টাকা আদায়। এরপর উত্থান হয় রবি পূজারির মতো দুষ্কৃতীদের (Bollywood Underworld Nexus)। আরও অনেকেই রাজ করেছে বলিউডে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন সিদ্দিকি (Baba Siddique Murder)। তিনি হয়তো দুষ্কৃতী নন, তবে তাঁর বিরুদ্ধেও অভিযোগ বিস্তর। প্রসঙ্গত, নয়ের দশকের পর থেকে মুম্বইয়ে এমন বড় মাপের রাজনৈতিক কোনও নেতা খুন হননি। ওই দশকের শুরুর দিকে বিজেপির তৎকালীন দুই বিধায়ক রামদাস নায়েক ও প্রেমকুমার শর্মাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই সময়ই খুন হয়েছিলেন শিবসেনার দুই নেতা বিঠ্ঠল চহ্বান ও রমেশ মোরে। তার পর এই খুন হলেন সিদ্দিকির (Baba Siddique Murder) মতো এমন বড় মাপের এক রাজনৈতিক নেতা (Bollywood Underworld Nexus)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NDA: ভাইপো অজিতের সঙ্গে গোপন বৈঠক পাওয়ারের, এনডিএ-তে শামিল হচ্ছে এনসিপি?

    NDA: ভাইপো অজিতের সঙ্গে গোপন বৈঠক পাওয়ারের, এনডিএ-তে শামিল হচ্ছে এনসিপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাইপো অজিত পাওয়ারের সঙ্গে গোপন বৈঠক (NDA) শরদ পাওয়ারের। আর এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিরোধী শিবির। বেঙ্গালুরুতে ইন্ডিয়া জোটের শেষ বৈঠকে হাজির ছিলেন শরদ পাওয়ার। পরবর্তীকালে লোকমান্য তিলকের নামাঙ্কিত  একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর দেখা গিয়েছিল মারাঠা ম্যানকে। যা নিয়ে প্রবল অস্বস্তিতে পড়েছিল বিরোধী শিবির।

    শরদ পাওয়ার কি এনডিএ তে (NDA) শামিল হচ্ছেন?

    স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, শরদ পাওয়ারের দল কি তবে এনডিএ তে (NDA) শামিল হচ্ছে?  শনিবার রাতে তাঁর দলত্যাগী ভাইপো এবং বর্তমান মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণের বৈঠক হয় পাওয়ারের। পুনের কোরেগাঁও পার্কে শিল্পপতি অতুল চোরদিয়ার বাংলোতে এই বৈঠক সম্পন্ন হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারনা, ভাইপো অজিত বিজেপি শিবিরে চলে যাওয়ায় ভালোই ধাক্কা লেগেছে এনসিপিতে। আবার অন্যদিকে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মোদির জোরালো প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। বিরোধী জোটের জেতার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এমতো অবস্থায় দল বাঁচাতে ভাইপোর সঙ্গে বিজেপি জোটে (NDA) শামিল হতে পারেন পাওয়ার। 

    চলতি মাসেই মুম্বইতে বসছে বিরোধী জোটের বৈঠক

     চলতি মাসেই মুম্বইতে (NDA) বিরোধীরা ফের বৈঠকে বসতে চলেছে, যার অন্যতম উদ্যোক্তা শরদ পাওয়ারের এনসিপি। তার আগে বিজেপি শিবিরের অজিত পাওয়ারের সঙ্গে শরদ পাওয়ারের এই  বৈঠক বিরোধী জোটকে প্রবল অস্বস্তিতে ফেলেছে।  যদিও এই বৈঠকে নিছক কাকা ভাইপোর সাক্ষাৎকার হিসেবে এবং পারিবারিক বিষয় হিসেবেই বোঝাতে চাইছেন শরদ পাওয়ার। তাঁর মন্তব্য, ‘‘অজিত আমার ভাইপো হয়, নিজের ভাইপোর সঙ্গে দেখা করায় কাকার দোষ রয়েছে? যদি পরিবারের গুরুজন আর এক সদস্যের সঙ্গে দেখা করতে চান তা নিয়ে কোনও সমস্যা থাকা উচিত নয়।’’ আবার ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে পাওয়ার বলছেন, ‘‘আমার কিছু ‘শুভানুধ্যায়ী’ আমাকে বিজেপিকে সমর্থনের কথা বলছেন। কিন্তু আমি স্পষ্ট বলছি, ‘আমার দল এনসিপি বিজেপির সঙ্গে যাবে না। কারণ এনসিপির রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে বিজেপির মতাদর্শ মেলে না।’’ অর্থাৎ প্রথমে পাওয়ার বলছেন কাকা-ভাইপোর কথা, আবার পরক্ষণেই বলছেন, রাজনৈতিক আলোচনাও হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sharad Pawar: দলের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেন শরদ পাওয়ার

    Sharad Pawar: দলের সভাপতি পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেন শরদ পাওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েকদিন ধরেই জাতীয় রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়েছে শরদ পাওয়ারকে (Sharad Pawar) নিয়ে। ইতিমধ্যে পাওয়ার ঘোষণা করেন যে এনসিপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদ থেকে তিনি ইস্তফা দিতে চলেছেন। এদিকে জল্পনা শুরু হয় ভাইপো অজিত পাওয়ারকে নিয়েও যে তিনি নাকি বেশ কয়েকজন বিধায়ক নিয়ে যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে। অন্যদিকে একাধিক ইস্যুতে মেদিকে সমর্থন করে বিবৃতি দিতে থাকেন পাওয়ার। এতে জল্পনা আরও বাড়ে যে তিনি এনডিএ-তে যোগ দিতে চলেছেন। পাওয়ারের (Sharad Pawar) ইস্তফার সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই চর্চা শুরু হয়েছিল তাঁর পরবর্তী উত্তরসূরি নিয়ে। খবর রটে, মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে এবং ভাইপো অজিত পাওয়ারের মধ্যে দলের কর্তৃত্ব ভাগ করে দিতে চাইছেন মারাঠা স্ট্রংম্যান। তবে এই জল্পনার মাঝে উঠে আসে নতুন একটি নামও। সম্পর্কে শরদ পাওয়ারের (Sharad Pawar) নাতি রোহিত পাওয়ার। বিধায়ক এবং মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রোহিত এনসিপি সুপ্রিমোর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাই তিনিও হতে পারেন এনসিপির পরবর্তী সভাপতি এমন খবরও ভাসতে থাকে। তবে পাওয়ার আজ নিজেই জল ঢাললেন সে সম্ভাবনায়।

    আরও পড়ুন: আজ বুদ্ধ পূর্ণিমা, বছরের প্রথম চন্দ্রগ্রহণও! কোন কোন বিধি মেনে চলতে হবে?

    ইস্তফা প্রত্যাহার পাওয়ারের (Sharad Pawar)

    এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে পাওয়ার ঘোষণা করেন যে তিনি এনসিপির সভাপতিই থাকছেন। তিনি বলেন, “আমি কারোর অনুভূতিকে অসম্মান করতে পারি না। আপনাদের দাবি ছিল যেন আমি ইস্তফা প্রত্যাহার করি। আপনাদের ভালবাসা, দাবির প্রতি সম্মান জানাচ্ছি। একইসঙ্গে বর্ষীয়ান এনসিপি নেতাদের প্রস্তাবকে সম্মান জানিয়ে আমি ইস্তফা প্রত্যাহার করছি। এনসিপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি পদেই থাকছি।” প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে এসে এনসিপি প্রতিষ্ঠা করেন শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। তারপর থেকেই দলের সর্বভারতীয় সভাপতি পদে আসীন রয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share