Tag: NCRB Report

NCRB Report

  • Missing Children List: ১২,৪৫৫ জনের নেই হদিস, নিখোঁজ শিশুদের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ!

    Missing Children List: ১২,৪৫৫ জনের নেই হদিস, নিখোঁজ শিশুদের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ভারতে নিখোঁজ শিশুর পরিসংখ্যান। সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ভারতের নিখোঁজ শিশুদের সংকটের (Missing Children List) একটি ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে এই নিয়ে তথ্য দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে ভারতে মোট ৩৩৫৭৭ জন শিশু নিখোঁজ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে এই সংখ্যাটা ১২,৪৫৫ জন। এখনও পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি বহু শিশু। তবে অনেক দিন ধরে জমে থাকা মামলার তথ্যের উপর নির্ভর করে এই পরি সংখ্যানকে তুলে ধরা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান জাতীয় অপরাধ রেকর্ড ব্যুরোর (এনসিআরবি) সূত্রেও উপলব্ধ। বাংলার শিশু সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিয়ে ইতিমধ্যে সমাজকর্মী এবং গবেষকদের কপালে বিরাট চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। এই পরিসংখ্যানে পশ্চিমবঙ্গে শিশু সুরক্ষার কী অবস্থা? তা জানতে গেলে সত্যই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়।

    শিশু নিখোঁজ তালিকায় শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ (Missing Children List)

    মমতার রাজত্ব যেখানে মা মাটি মানুষের নামে উন্নয়ন হয় আর সেই রাজ্য এখন শিশু নিখোঁজ ও পাচারে (Missing Children List) এগিয়ে। গত এক দশকের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পশ্চিমবঙ্গ আবারও নিখোঁজ শিশুদের তালিকায় দেশের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। ২০২২ সালের এনসিআরবি (NCRB) তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ১২,৪৫৫ জন শিশু নিখোঁজ হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৮৫% মেয়ে। মোট মেয়েদের পরিসংখ্যান ১০,৫৭১ জন। এখনও পর্যন্ত ৬,৯৯৪ জনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। রাজ্যে উদ্ধার বা খুঁজে পাওয়ার হার প্রায় ৫২ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতি দুটি মামলার মধ্যে একটিরও সমাধান হচ্ছে না। উল্লেখ্য ২০২৩ সালের মধ্যে রাজ্যে সকল বয়সের নিখোঁজ ব্যক্তিদের মোট মামলার প্রায় ১.২ লক্ষে পৌঁছে গিয়েছিল। তখন পুনরুদ্ধারের মামলায় হার ছিল ৫২ শতাংশ।

    পশ্চিমবঙ্গ কেন শীর্ষে? প্রধান কারণ কী?

    • ১> ভৌগোলিক অবস্থান: বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ ও উন্মুক্ত সীমান্ত থাকায় এটি মানব পাচারের একটি প্রধান করিডর হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘ সীমান্তে কাটা তার নেই, নদী, জঙ্গল এবং সমুদ্র থাকায় অবাধে চোরা কারবার, শিশু পাচার (Missing Children List) কাজ হয়ে থাকে। এই এলাকাকে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে উল্লেখ যোগ্য পাচারের জায়গা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে রিপোর্টে। ফলে রাজ্যের শাসক দলের ওপর দায় অবশ্যই বর্তায়।
    • ২> পাচার চক্র: দরিদ্রতা, কর্মসংস্থান এবং বেকারত্বের তাগিতে মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ব্যাপাক ভাবে শিশু পাচারে (Missing Children List) এগিয়ে। জেলাগুলোতে দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে পাচারকারীরা সক্রিয় থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিশুদের পাচার করে দিল্লি, মুম্বই, মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে চলে যাওয়া হয়। ইটভাটা, খামারের মতো গৃহস্থলি বা বাণিজ্যিক সংস্থায় যৌন কর্মীর মতো কাজে নিযুক্ত করা হয়।
    • ৩> পুলিশের এফআইআর-এ দেরি: অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডায়েরি না করে ২৪-৪৮ ঘণ্টা অপেক্ষা করে, যা পাচারকারীদের রাজ্য পার হওয়ার সুযোগ করে দেয়। কিন্তু নিখোঁজ শিশুর (Missing Children List) খোঁজ দ্রুত নিলে হয়তো উদ্ধার কাজ সহজ হয়।
    • ৪> লিঙ্গ বৈষম্য: নিখোঁজ শিশুদের মধ্যে প্রায় ৭১ শতাংশই মেয়ে। এদের মূলত পরিচারিকার কাজ, জোরপূর্বক বিয়ে বা যৌন ব্যবসায় ব্যবহারের জন্য পাচার করা হয়।
    • ৫> সরকারি উদ্যোগ: কেন্দ্রীয় সরকার ‘অপারেশন মুসকান’ এবং ‘ট্র্যাক চাইল্ড’ (TrackChild) পোর্টালের মতো ব্যবস্থা নিলেও রাজ্যগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং সঠিক তথ্য আপলোড না করার ফলে এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের কেন্দ্র-বিরোধী নীতির কারণেও সঠিক তথ্য সামনে উঠে আসছে না বলে জানা গিয়েছে রিপোর্টে।

    জাতীয় পোর্টাল তৈরির নির্দেশ

    ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারকে রাজ্যজুড়ে নিখোঁজ শিশুদের (Missing Children List) তদন্তের সমন্বয় সাধনের জন্য একটি জাতীয় পোর্টাল তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার এবং পুলিশ প্রশাসন এই বিষয়ে তথ্য দিতে খুব একটা উৎসাহী নয়। বেশির ভাগ কেসে নিষ্ক্রিয়তা এবং দেরি অপরাধীদের অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এই ঘটনা ব্যাপক ভাবে ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ পাওয়া গিয়েছে।

    সাতটি রাজ্যে পরিসংখ্যান শূন্য!

    প্রতিবেদনটিতে সতর্ক করা হয়েছে যে, ৩৩,৫৭৭ সংখ্যাটি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়, এটি ৩৩,৫৭৭টি পরিবারের হাহাকার। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং শিশুদের (Missing Children List) সুরক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক ও সামাজিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। আশ্চর্যজনকভাবে দেশের সাতটি রাজ্য জানিয়েছে তাদের রাজ্যে কোনো শিশু নিখোঁজের তথ্য নেই। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ১৪০ কোটির দেশে এটি কার্যত অসম্ভব। এই ঘটনা মূলত মামলা নথিভুক্ত না করা (Underreporting) বা তথ্য গোপনের ইঙ্গিত দেয়।

    জাতীয় ট্র্যাকিং সিস্টেমও তথ্য নেই

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই তথ্য সার্বিক ভাবে পাচার, নির্যাতন, হত্যার বিষয়কে সমাজতাত্ত্বিকরা ইঙ্গিত করেছেন। মমতার রাজত্বে এই তথ্য শাসক দলকে ব্যাপক ভাবে চাপে ফেলেছে। এই তথ্য কেবল এক বছরের তথ্য নয়, বরং গত কয়েক বছরের জমে থাকা অমীমাংসিত মামলার প্রতিফলন। শিশুদের নিখোঁজের (Missing Children List) ঘটনা যদি প্রশাসন নথিভুক্ত না করে, পুলিশ যদি অভিযোগ দায়ের না করে তাহলে জাতীয় ট্র্যাকিং সিস্টেমও আপলোড হয় না। ফলে বাস্তব পরিসংখ্যান অধরাই থেকে যায়। বাংলার আমজনতার অবশ্য দাবি তৃণমূলের রাজত্বে পুলিশ কোন অভিযোগকেই এফআইআর করতে চায় না। রাজ্যের ভাবমূর্তি দেশের সামনে খারাপ হবে এই ভাবনার জায়গা থেকে অপরাধ, অভিযুক্ত, দুষ্কৃতীদের প্রচারের আলোয় নিয়ে না আসার একটি বড় শক্তি শাসক দলের অন্দরে রয়েছে।

  • Suicide: বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা! পরিবারের কেউ এই সমস্যায় আক্রান্ত নয় তো? কীভাবে চিহ্নিত করবেন?

    Suicide: বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা! পরিবারের কেউ এই সমস্যায় আক্রান্ত নয় তো? কীভাবে চিহ্নিত করবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিঃশব্দে হানা দিচ্ছে আরেকটি মহামারি, যার নাম আত্মহত্যা (Suicide)! বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও ক্রমেই বাড়ছে এই সমস্যা। অধিকাংশ সময়েই অসাবধানতার জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সতর্কতা বাড়ালেই সমস্যা কমতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিপদ ঘটার আগে অসচেতনতার কারণে কিছুই টের পাওয়া যায় না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা এখনও তলানিতে। পরিবারের পাশে থাকা মানসিক রোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক সমস্যা হলে পরিবারকেই আগে চিহ্নিত করতে হবে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিবার আক্রান্তের সমস্যা বুঝতেই পারে না। তাই ভয়ঙ্কর পরিণতি হয়। তাই আত্মহত্যা আরেকটি মহামারির আকার ধারণ করছে।

    ভারতের পরিস্থিতি কতখানি উদ্বেগজনক? (Suicide)

    ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশ জুড়ে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষত করোনা মহামারির পরবর্তী সময়ে আত্মহত্যার প্রবণতা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে ২৭ শতাংশ আত্মহত্যা বেড়েছে। অন্যান্য দেশের মতোই মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের আত্মহত্যার ঘটনা বেশি।‌ সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে প্রতি আট মিনিটে একজন পুরুষ আত্মহত্যা করছেন। পাশপাশি, উদ্বেগজনকভাবে কিশোর-কিশোরী অর্থাৎ বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে। কম বয়সী ছেলেমেয়েদের আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়তি উদ্বেগের বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন ভারতে আত্মহত্যা বেড়েছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ার অন্যতম কারণ খারাপ ব্যবহার এবং একাকিত্ব। কর্মক্ষেত্রে কিংবা পরিবারের কাছের মানুষের লাগাতার খারাপ ব্যবহারের জেরেই আত্মহত্যার (Suicide) প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। নিয়মিত হেনস্থার জেরেই সমস্যা আরও জটিল হচ্ছে। মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অবসাদগ্রস্ত হলেও তাঁরা অধিকাংশ সময়, তাঁদের সমস্যা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকছেন না। এর ফলে তাঁরা কোনও রকম সাহায্য পাচ্ছেন না। বরং, পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।

    কীভাবে চিহ্নিত করবেন? (Suicide)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্যান্য শারীরিক সমস্যার মতোই আত্মহত্যার প্রবণতারও কিছু উপসর্গ রয়েছে। সে সম্পর্কে সতর্ক আর সচেতন থাকলেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, হঠাৎ করেই অভ্যাস বদলে যাওয়া, এর প্রথম লক্ষণ! বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পরিবারের কোনও সদস্য হঠাৎ খুব চুপচাপ হয়ে গেল। নিজের মতোই সময় কাটাচ্ছেন, পরিবারের সঙ্গে কোনও বিষয়েই কথা বলা বা আলোচনা করছেন না। তাহলে বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই ধরনের আচরণ দেখা দিলে, তা নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই ১২-১৫ বছরের ছেলেমেয়েরা দিনের বেশিরভাগ সময় ঘর বন্ধ করে নিজেদের মতো থাকে। অভিভাবকদের অবশ্যই খেয়াল রাখা জরুরি, নিজের মতো থাকার অভ্যাসে একাকিত্ব গ্রাস করছে কিনা (Suffering)!

    নানান ওষুধে অভ্যস্ত?

    পরিবারের কেউ হঠাৎ করেই নানান ওষুধে অভ্যস্ত হয়ে পড়লে‌ বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবারের কেউ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া, হঠাৎ নানা রকমের ওষুধ কিনে খাওয়া শুরু করলে, তা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বুঝতে হবে, তাঁর মধ্যে নানা রকম অ্যাংজাইটি কাজ করছে। তাই সতর্কতা জরুরি। ভীষণ রকমের উদ্বেগ থেকেই আত্মহত্যার (Suicide) প্রবণতা তৈরি হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।

    আলোচনা করা জরুরি

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক সময়েই বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েরা বলে, ‘আমাকে নিয়ে বেশি দিন‌ সমস্যা থাকবে না!’ কিংবা ‘এই রকম সমস্যায় তোমাদের আর পড়তে হবে না’, এই ধরনের কথা! এগুলোও যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বুঝতে হবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, অভিভাবকদের অনেকেই এই ধরনের মন্তব্যে গুরুত্ব দেন না। কিন্তু সন্তান এই রকম কথা বললে, তার সঙ্গে আলোচনা করা জরুরি। সময় দেওয়া দরকার। তার নানান কাজ সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল থাকা দরকার। তবেই বড় বিপদ আটকানো সম্ভব হবে‌।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • NCRB Report: ১ বছরেই বৃদ্ধি ৪০ শতাংশ! পর পর ৫ বছর অ্যাসিড হামলায় শীর্ষে বাংলা

    NCRB Report: ১ বছরেই বৃদ্ধি ৪০ শতাংশ! পর পর ৫ বছর অ্যাসিড হামলায় শীর্ষে বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাসিড হামলায় (Acid Attack) সবার থেকে এগিয়ে বাংলা। ২০২২ সালের এনসিআরবি (NCRB)-র রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশকে পিছনে ফেলে এবারও অ্যাসিড হামলায় শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। ২০১৮ সাল থেকে এই নিয়ে টানা ৫ বার শীর্ষে বাংলা।

    কেন বাড়ল হামলা

    ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর (NCRB) সাম্প্রতিক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, অ্যাসিড হামলার ঘটনায় সব রাজ্যের চেয়ে এগিয়ে বাংলা। এনসিআরবি-র রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২২ সালে দেশে মোট ২০২টি অ্যাসিড হামলার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি পশ্চিমবঙ্গের। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। সে রাজ্যে ২০২২ সালে ৩০ টি অ্যাসিড হামলা ঘটনা হয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হল, ২০২১ সালের তুলনায় বাংলায় অ্যাসিড হামলা বেড়েছে ১৪টি। অর্থাৎ ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে অ্যাসিড হামলা। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে অ্যাসিড হামলার শিকার ৯০ শতাংশ মহিলা। তবে, এনসিআরবি-র রিপোর্ট অনুযায়ী অ্যাসিড হামলায় শীর্ষে হলেও দেশের মধ্যে মহিলাদের জন্য় সবথেকে নিরাপদ শহর কলকাতা (Kolkata)।

    আরও পড়ুন: ‘চাকরি আদালতে বিচারাধীন’, ২০১৬ সালে নিয়োগপ্রাপ্তদের নোটিশ দেবে এসএসসি

    প্রশাসনের উদাসীনতা

    ২০২১ সালের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী, দেশে ১৭৪টি অ্যাসিড হামলার মধ্যে ৩৪টি পশ্চিমবঙ্গে হয়েছিল। এরমধ্যে ৩০ জন আক্রান্তই মহিলা ছিলেন। এছাড়া আরও ১১ জনের উপরে অ্যাসিড হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল। বছরের পর বছর হামলার এই তথ্যে প্রশ্ন উঠছে। সমাজকর্মীদের একাংশের মতে অ্যাসিড বিক্রির ক্ষেত্রে প্রশাসনের নজরদারি না থাকা এই পরিসংখ্যান বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। প্রসঙ্গত, এনসিআরবি-র রিপোর্টে বলা হয়েছে মানব পাচারে এগিয়ে রয়েছে ওড়িশা। গত বছর সব মিলিয়ে ১১২০ জন পাচার হয়ে গিয়েছেন। তার মধ্য়ে ৫০২জন মহিলা ও ৩৫৩জন শিশু। এরপরই মহারাষ্ট্র ও বিহারের স্থান। ২০২১ সালে এই সংখ্য়াটা ছিল ১৪৭৫। আর ২০২০ সালে সেই পাচারের সংখ্যা ছিল ৭৪১। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share