Tag: NEET Protest

  • Rajeev Chandrasekhar: ‘নেতা বুঝে বেছে নিন’, সিজেপি নিয়ে ছাত্র-অভিভাবকদের সতর্ক করলেন বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর

    Rajeev Chandrasekhar: ‘নেতা বুঝে বেছে নিন’, সিজেপি নিয়ে ছাত্র-অভিভাবকদের সতর্ক করলেন বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিজেপি (Cockroach Janata Party)-কে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল। এবার কেরল বিজেপির সভাপতি রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar) সরাসরি ছাত্রছাত্রী ও তাঁদের অভিভাবকদের সতর্ক থাকার বার্তা দিলেন। সমাজমাধ্যমে সিজেপি নেতা সৌরভ দাসের সঙ্গে ২০২০ সালের দিল্লি হিংসার মামলার অন্যতম অভিযুক্ত উমর খালিদের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘‘যাঁরা ভারতের ভবিষ্যৎ গড়ার দাবি করছেন, তাঁরা আসলে কারা?’’

    সৌরভের পুরনো পোস্টও তুলে ধরলেন

    শুধু ছবিই নয়, সৌরভ দাসের একটি পুরনো এক্স (X) পোস্টও শেয়ার করেন রাজীব (Rajeev Chandrasekhar)। সেই পোস্টে উমর খালিদের কারাবাসকে ‘‘ভারতের বিচারব্যবস্থার এক কলঙ্ক’’ বলে মন্তব্য করেছিলেন সৌরভ। এই পোস্ট সামনে এনে বিজেপি নেতার দাবি, সিজেপি-র নেতৃত্ব ও তাদের মতাদর্শ সম্পর্কে দেশের মানুষ, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

    ‘কার সঙ্গে আছেন জানুন’

    নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনে যাঁরা যোগ দিয়েছেন, তাঁদের উদ্দেশে রাজীব চন্দ্রশেখর (Rajeev Chandrasekhar) বলেন, ‘‘অনেকেই হয়তো ন্যায্য দাবির জন্য রাস্তায় নেমেছেন। কিন্তু আন্দোলনের নেতৃত্ব কার হাতে এবং কোন শক্তি সেই আন্দোলনকে প্রভাবিত করছে, তা বুঝে নেওয়া জরুরি।’’

    দেশের ঐক্য ভাঙতে চাইলে বিরোধিতা করুন

    নিজের পোস্টে রাজীব (Rajeev Chandrasekhar) লেখেন, ‘‘যারা ভারতকে ভাঙতে ও ধ্বংস করতে চায়, তারাই আবার তোমাদের ভবিষ্যৎ গড়ার দাবি করছে। কিছু মতাদর্শভিত্তিক গোষ্ঠী দেশের যুবসমাজকে ব্যবহার করে ভারতের ঐক্য ও অখণ্ডতাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। যে নামেই তারা সামনে আসুক না কেন, তাদের বিরোধিতা করা প্রত্যেক ভারতীয়র দায়িত্ব।’’

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণেরও উল্লেখ

    সিজেপি (CJP)-র আন্দোলন ঘিরে মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, তদন্ত হলে শুধু পুলিশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ নয়, পুলিশকর্মীদের উপর হামলার ঘটনাও সমান গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখতে হবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘‘সত্য সামনে আসতেই হবে।’’ একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের সুরক্ষা দিলেও হিংসার অভিযোগে চলা তদন্তে স্থগিতাদেশ দিতে রাজি হয়নি শীর্ষ আদালত। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, যেখানে অপরাধের প্রমাণ মিলবে, সেখানে দায় ঠিক করতেই হবে।

    উমর খালিদকে ঘিরে কী বলছে তদন্ত?

    দিল্লি পুলিশের দাবি, ২০২০ সালের দিল্লি হিংসার বৃহত্তর ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম অভিযুক্ত উমর খালিদ। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে তিনি ইউএপিএ (UAPA)-এর অধীনে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করে, ঘটনাটি শুধু একটি বিক্ষোভের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঘটনা নয়; তদন্তকারী সংস্থার নথিতে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের প্রাথমিক ভিত্তি রয়েছে।

    নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    সম্প্রতি দিল্লির প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার এস. এন. শ্রীবাস্তব-সহ কয়েকজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ দাবি করেছেন, ২০২০ সালের দিল্লি হিংসা শুধুমাত্র আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না। তাঁদের মতে, এর পিছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র, তথ্যযুদ্ধ এবং সরকার অস্থির করার চেষ্টার দিকও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এই প্রেক্ষাপটেই রাজীব চন্দ্রশেখরের (Rajeev Chandrasekhar) বার্তা, ‘‘ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা যেন আন্দোলনের মুখ নয়, আন্দোলনের নেতৃত্বকেও চিনে নেন।’’

  • Gyanendra Pratap Singh: ‘সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের দায় আমার’, বাহিনীকে আশ্বাস সিআরপিএফ ডিজির

    Gyanendra Pratap Singh: ‘সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের দায় আমার’, বাহিনীকে আশ্বাস সিআরপিএফ ডিজির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দিল্লিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর পদক্ষেপ নিয়ে যখন রাজনৈতিক বিতর্ক, তদন্ত এবং আদালতের নজরদারি চলছে, ঠিক সেই সময় জওয়ানদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী (CRPF)-র ডিজি জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং (Gyanendra Pratap Singh)। তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব পালনের সময় সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের জন্য কোনও জওয়ানকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনে সেই সিদ্ধান্তের দায়ভার তিনি নিজেই নেবেন।

    ‘আপনারা কাজ করুন, দায়িত্ব আমার’

    ২৭ জুলাই সিআরপিএফ (CRPF)-এর ইনভেস্টিচার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং (Gyanendra Pratap Singh) বলেন, ‘‘দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আপনারা যে সিদ্ধান্ত নেবেন, যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে কর্তব্য পালনের অংশ হয়, তাহলে তার দায়িত্ব আমি নেব। নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করুন। নিজের কর্তব্য পালন করতে গিয়ে কোনও রকম দ্বিধা বা ভয় রাখবেন না। যেখানে জবাবদিহির প্রয়োজন হবে, সিআরপিএফ-এর ডিজি (Gyanendra Pratap Singh) হিসেবে সেই দায়িত্ব আমি নেব।’’

    জওয়ানদের ধৈর্যের প্রশংসা 

    সিআরপিএফ (CRPF) সদর দফতর থেকে বিভিন্ন ইউনিটে পাঠানো এক বার্তায় সাম্প্রতিক কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনকারী জওয়ানদের ধৈর্য, সংযম ও পেশাদারিত্বের প্রশংসাও করেন তিনি। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, দেশের স্বার্থে এবং দায়িত্ব পালনের সময় সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বাহিনী সদস্যদের পূর্ণ সমর্থন করবে। তবে একই সঙ্গে সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে- কোনও জওয়ান যদি দায়িত্বজ্ঞানহীন, অযৌক্তিক বা নিয়মবহির্ভূত কাজ করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে সিআরপিএফ-এর নিয়ম এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী কড়া বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বলপ্রয়োগের অভিযোগে শুরু হয়েছে তদন্ত

    দিল্লির ঘটনার পর র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)-এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করেছে সিআরপিএফ। তদন্তে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং ঘটনাস্থলে থাকা জওয়ান, কোম্পানি কমান্ডার ও শীর্ষ আধিকারিকদের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পেলেট গান ও শক ব্যাটন ব্যবহারের অভিযোগও তদন্তের আওতায় রয়েছে। যদি তদন্তে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলে, তাহলে আনুষ্ঠানিক কোর্ট অফ ইনকোয়ারি গঠন করা হবে বলে সূত্রের খবর।

    পেলেট ব্যবহারের অভিযোগে বাড়ছে বিতর্ক

    ২০ জুলাইয়ের সরকারি মোতায়েন সংক্রান্ত নথিতে উল্লেখ রয়েছে, দিল্লি পুলিশের নির্দেশে যন্তর মন্তর এলাকায় র‌্যাফ সদস্যরা দুটি প্লাস্টিক পেলেট রাউন্ড-সহ একাধিক নন-লেথাল অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন। যদিও দিল্লি পুলিশের দাবি, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে কোনও পেলেট ছোড়া হয়নি। তা সত্ত্বেও আহতদের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক থামেনি।

    সংসদ থেকে সুপ্রিম কোর্ট- সর্বত্র উঠছে প্রশ্ন

    এই ইস্যু ইতিমধ্যেই সংসদ এবং সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গিয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, পুলিশি পদক্ষেপের অনুমোদন দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শাসকপক্ষ অবশ্য সেই অভিযোগ খারিজ করে প্রমাণ দাবি করেছে। অন্যদিকে, সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলায় ভিড় নিয়ন্ত্রণে ধাতব পেলেট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবং আহতদের ক্ষতিপূরণের আবেদন জানানো হয়েছে।

    আন্দোলন শেষ, কিন্তু বিতর্ক নয়

    শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর প্রায় এক মাস ধরে চলা নিট প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের সমাপ্তি হয়েছে। তবে আন্দোলন মোকাবিলায় নিরাপত্তা বাহিনীর পদক্ষেপ কতটা আইনসম্মত ও প্রয়োজনীয় ছিল, তা নিয়েই এখন তদন্ত, রাজনৈতিক তরজা এবং বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে সিআরপিএফ প্রধানের (Gyanendra Pratap Singh) বার্তাকে বাহিনীর মনোবল বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • Sreelekha Mitra: প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির অভিযোগে আইনি জটিলতা বাড়ল শ্রীলেখার, অভিযোগ দায়ের আরও তিন থানায়

    Sreelekha Mitra: প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির অভিযোগে আইনি জটিলতা বাড়ল শ্রীলেখার, অভিযোগ দায়ের আরও তিন থানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁসের (NEET Protest) প্রতিবাদে কলকাতার মিছিলে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি-সম্বলিত পোস্টার প্রদর্শনের অভিযোগে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের (Sreelekha Mitra) বিরুদ্ধে আইনি জটিলতা আরও বাড়ল। বিধাননগর সাইবার থানা ও আনন্দপুর থানার পর সোমবার আরও তিন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুরুলিয়া সদর থানা, মুর্শিদাবাদের বহরমপুর এবং মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগ দায়ের হয়েছে ঠাকুরপুকুর থানায়ও।

    একের পর এক থানায় দায়ের এফআইআর (Sreelekha Mitra)

    পুরুলিয়া সদর থানায় জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে বিজেপির সাংগঠনিক জেলার নেতারাও লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। এর আগে রবিবার আনন্দপুর ও বিধাননগর সাইবার থানায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ। তিনি জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে এই ঘটনায় আদালতেরও দ্বারস্থ হবেন। মুখ্যমন্ত্রীর “জিরো টলারেন্স” নীতির প্রসঙ্গ টেনে কেয়া বলেন, “দরকার হলে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে যাব।” শুক্রবার কলকাতায় নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রফাঁসকাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত ছাত্রছাত্রীদের মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন শ্রীলেখা। অভিযোগ, সেই মিছিলে তাঁর হাতে থাকা একটি পোস্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একাধিক কুরুচিকর ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয় এবং একের পর এক থানায় অভিযোগ দায়ের হতে শুরু করে।

    শ্রীলেখার বক্তব্য

    যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্রীলেখা। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা একটি ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, পুরো বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির ফল। তাঁর কথায়, “রাজনৈতিকভাবে আমি বিজেপির বিরোধিতা করলেও, প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করার অভিযোগ ঠিক নয়।” অভিনেত্রীর দাবি, তিনি সেদিন শুধুমাত্র ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে গিয়েছিলেন (Sreelekha Mitra)। ভিড়ের মধ্যে তাড়াহুড়োয় একটি পোস্টার হাতে তুলে নিতে হয়েছিল। তিনি আরও জানান, সেদিন চশমা সঙ্গে নিতে ভুলে গিয়েছিলেন। তাঁর কাছে শুধু সানগ্লাস ছিল। তাই পোস্টারে কী লেখা বা কী ছবি ছিল, তা ঠিকঠাক দেখতে পারেননি। শ্রীলেখাকে ঘিরে বিতর্ক এই প্রথম নয়। অতীতেও সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তিনি চর্চায় এসেছেন। তবে (NEET Protest) বর্তমান ঘটনায় একাধিক জেলায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের (Sreelekha Mitra)।

     

  • Viral Video: আন্দোলনের পর ‘বিজয়োৎসব’? পাঁচতারা হোটেলে ‘ককরোচ-পার্টি’র ভাইরাল ভিডিও ছড়াতেই বিতর্কে সিজেপি

    Viral Video: আন্দোলনের পর ‘বিজয়োৎসব’? পাঁচতারা হোটেলে ‘ককরোচ-পার্টি’র ভাইরাল ভিডিও ছড়াতেই বিতর্কে সিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলন শেষ, এবার পাঁচতারা হোটেলে ফুর্তিতে মজেছে তথাকথিত ‘ককরোচরা’। দীর্ঘ ৩৭ দিনের আন্দোলন, সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার আক্রমণ, সাধারণ ছাত্র-যুবকদের আবেগকে সামনে রেখে ‘ন্যায়ের লড়াই’-এর দাবি। পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের অজুহাতে টানা ৩৭ দিন ধরে শহরকে অচল করে রাখার পর, সাবেক কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে বিক্ষোভের অবসান ঘটেছিল। কিন্তু আন্দোলন মিটতেই বেরিয়ে এলো এদের মূল চরিত্র। হঠাৎই সামনে এসেছে একাধিক ভাইরাল ভিডিও (Viral Video)। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। যেখানে দেখা যাচ্ছে নিট (NEET) পরীক্ষার্থীদের দুঃখ-কষ্টের তোয়াক্কা না করে, দিল্লির এক অতি-বিলাসবহুল পাঁচতারা হোটেলে মদ্যপ ও উন্মাদ উদযাপনে মেতে উঠেছে সিজেপি-র তথাকথিত নেতারা। সোশাল মিডিয়ায় সেই উদ্দাম ফুর্তির দৃশ্য ছড়িয়ে পড়তেই দেশজুড়ে উঠেছে সমালোচনার ঝড়।

    নীতিশিক্ষার আড়ালে চরম ‘ভণ্ডামি’

    নিট পরীক্ষার অনিয়ম আর শিক্ষা সংস্কারের বড় বড় বুলি ঝেড়ে যন্তর মন্তরে খাড়া করা হয়েছিল এই আন্দোলনের মঞ্চ। ৩৭ দিন ধরে চলা এই অবস্থান, অনশন আর সস্তা পথসভার আসল উদ্দেশ্য যে আন্দোলন ছিল না, বরং রাজনৈতিক ঘোলা জলে মাছ ধরা ছিল—তা আজ স্পষ্ট। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে (Viral Video) দেখা যাচ্ছে, অনলাইনে সিজেপির (Cockroach Janta Party) শীর্ষ নেতা হিসেবে পরিচিত অশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস ও অর্পিত শর্মা-সহ কয়েকজন একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে নাচ-গান ও উদ্‌যাপন করছেন। ভিডিওগুলির সত্যতা নিয়ে সরকারি কোনও তদন্তের কথা সামনে না এলেও, সেগুলি ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। যে আন্দোলনের নামে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন, যেখানে বহু আন্দোলনকারী এখনও আইনি জটিলতার মুখে, সেই আন্দোলনের নেতাদের এই বিলাসী উদ্‌যাপন কি আদৌ শোভনীয়?

    রাজপথের হিংসা

    আন্দোলনের সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ দেখা যায় গত ২০ জুলাই। তথাকথিত এই আন্দোলনকারীরা আন্দোলনের নামে রাজধানীজুড়ে তাণ্ডব চালায়। হাই-সিকিউরিটি জোন ভেঙে সংসদে ঢোকার চেষ্টা, পুলিশকে আক্রমণ করা, দিল্লির সরকারি বাস (DTC) ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার মতো তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে। সাধারণ মানুষের করের টাকায় তৈরি সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি করাই ছিল এদের মূল উদ্দেশ্য। আজ সেই হিংসাত্মক ঘটনার জন্য একাধিক আইনি মামলা ঝুলছে সাধারণ কর্মীদের কাঁধে।

    ইস্তফার নাটকের পরই ফুর্তির বন্যা!

    এদিকে আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে পদত্যাগ করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। পদত্যাগপত্রে তিনি সাফ জানান, চলমান অস্থিরতাকে এমন শক্তির হাতিয়ার হতে দিতে চান না, যারা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করতে চাইছে। এরপর ছাত্রদের ক্ষতিপূরণ, পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি বিষয় নিয়ে বিভিন্ন স্তরে আলোচনা হয়। এরপরই সিজেপি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা করে। আর আন্দোলনের দাবি মেটানো ও আলোচনার আশ্বাস মিলতেই পাততাড়ি গোটায় সিজেপি (Cockroach Janta Party)। রাজপথের ধুলো ঝেড়ে ফেলতে না ফেলতেই সামনে এলো নেতাদের আসল রূপ।

    বিলাসবহুল হোটেলে ‘ককরোচ’ নেতাদের তাণ্ডব

    আর ঠিক এই সময়েই সামনে আসে বিলাসবহুল হোটেলের উদ্‌যাপনের ভিডিও (Viral Video)। দিল্লির একটি বিলাসবহুল পাঁচতারা হোটেলে আয়োজিত প্রাইভেট পার্টিতে সিজেপি (Cockroach Janta Party)-র শীর্ষ নেতা আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস এবং অর্পীত শর্মাদের চরম অনৈতিক ভঙ্গিতে নাচ-গান ও হুল্লোড় করতে দেখা যাচ্ছে। যেখানে শত শত পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত এবং সাধারণ ছাত্ররা আজ কোর্ট-কাছারির চক্কর কাটছে, সেখানে নিজেদের “ছাত্রনেতা” দাবি করা এই যুবকরা কোটি টাকার পাঁচতারা হোটেলে উৎসব পালন করছে! এই দায়িত্বজ্ঞানহীনতা প্রমাণ করে, সাধারণ পরীক্ষার্থীরা এদের কাছে কেবলই রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের ঘুঁটি ছিল।

    ‘ফুর্তির টাকা কোথা থেকে এল?’ প্রশ্ন মহেশ জেঠমালানির

    সোশাল মিডিয়ায় এই ভিডিও (Viral Video) ছড়িয়ে পড়তেই কড়া আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী মহেশ জেঠমালানি। সিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে সোশাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “”সিরিয়াসলি? দিল্লিতে টানা কয়েকদিন তাণ্ডব ও সহিংসতার পর সিজেপি নেতৃত্ব পাঁচতারা হোটেলে ভিক্টরি পার্টি দিচ্ছে! তথাকথিত এই যুব নেতারা ফুল ভলিউমে গান চালিয়ে নাচতে শুরু করে দিল? পুরো আন্দোলনজুড়ে হাজার হাজার মানুষের থাকার ব্যবস্থা, বিলাসবহুল খাবার, যাতায়াত, তাঁবু, মঞ্চ, কোটি টাকার সাউন্ড সিস্টেমের খরচ কে জোগালো? দিল্লিকে অশান্ত রাখতে আর এই নেতাদের ফুর্তি যোগাতে কে এত টাকা ঢালল?” টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে রাজধানী স্থগিত করে রাখার পেছনে যে অঢেল কালো টাকার লেনদেন হয়েছে, তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব জনসমক্ষে আনতে হবে, বলেও দাবি তোলেন তিনি।

    তদন্ত চলছে

    দিল্লি পুলিশ এখনও ২০ জুলাইয়ের হিংসার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ভিডিও এবং সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ক্লিপ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভাঙচুর, পুলিশকর্মীদের উপর হামলা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার কাজও চলছে। তবে ভিডিওটি তদন্তের অংশ কি না, সে সম্পর্কেও কোনও সরকারি মন্তব্য করা হয়নি।

    শিক্ষা ইস্যু থেকে নজর এখন অর্থের উৎসে

    ভিডিওটি সামনে আসার পর কেবল রাজনৈতিক দলগুলোই নয়, সাধারণ মানুষও এই ‘ভণ্ড’ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। নেটিজেনদের প্রশ্ন- যাদের সাধারণ কর্মী ও ছাত্ররা আজ পুলিশের মামলার মুখোমুখি, তারা কী করে এমনভাবে পার্টি করতে পারে? যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল পরীক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও শিক্ষাক্ষেত্রের সংস্কারের দাবিতে, সেই আন্দোলনের আলোচনা এখন অনেকটাই সরে এসেছে অন্য দিকে। ভাইরাল উদ্‌যাপনের ভিডিও সামনে আসার পর রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে আন্দোলনের নেতৃত্ব, অর্থের উৎস, সাংগঠনিক জবাবদিহি এবং জনআন্দোলনের নামে সংগৃহীত অর্থ ব্যবহারের প্রশ্ন। আন্দোলনের সমর্থকদের একাংশ এখনও নেতৃত্বের পাশে থাকলেও, বিরোধীরা বলছেন- যাঁরা সাধারণ মানুষের আবেগকে সামনে রেখে আন্দোলন করেন, তাঁদের ব্যক্তিগত আচরণও জনসমক্ষে প্রশ্নের মুখে পড়ে। আর সেই কারণেই পাঁচতারা হোটেলের এই উদ্‌যাপন শুধু একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান নয়, বরং আন্দোলনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়েই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর ও অশালীন ভাষায় পোস্ট নয়! দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিল্লি পুলিশের

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর ও অশালীন ভাষায় পোস্ট নয়! দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলনের আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) উদ্দেশ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বহু আপত্তিকর ও অশালীন ভাষায় পোস্ট করা হয়েছে। এবার প্রকাশিত সেই পোস্টগুলির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। আপত্তিকর বলে চিহ্নিত হওয়া বহু ভিডিও, পোস্ট ও মন্তব্য ইতিমধ্যেই সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন করে এ ধরনের কোনও কনটেন্ট আপলোড হলে তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলিকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। দিল্লি পুলিশের একটি বিশেষ দল সর্বক্ষণ এই কাজে নিয়োজিত।

    আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অপরাধীদের পার্থক্য

    শনিবারই ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র নেতৃত্বে চলা আন্দোলনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি হিসেবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করার পরই আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলনের শেষে সরকার সিজেপি-র আরও কয়েকটি দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর সিজেপি নতুন করে কয়েকটি দাবি তোলে। এর মধ্যে ছিল নিট পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যার ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ১ কোটি আর্থিক সহায়তা, ছাত্র আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF) ও পুলিশের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা। এই প্রসঙ্গে সিজেপি-র প্রতিনিধি রাঙ্কা বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অপরাধীদের পার্থক্য করা সম্ভব। তাঁর দাবি, গত ৩৭ দিন ধরে সংগঠন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছে এবং সরকার আন্দোলনকারী ও সংগঠকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহারের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট নিয়ে দিল্লি পুলিশের এই অভিযানের বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সিজেপি-র পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

    প্রধানমন্ত্রীকে কুরুচিকর আক্রমণ নয়

    শিক্ষায় দুর্নীতির প্রতিবাদে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চেয়ে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) যন্তর মন্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেছিল। তাদের সমর্থন জানিয়ে সারা দেশের তরুণ প্রজন্ম সমাজমাধ্যমে সাড়া দেয়। কিন্তু প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কুরুচিকর আক্রমণ করেছেন যাঁরা, পোস্ট যেখানে শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়েছে, সেখানে পদক্ষেপ করছে পুলিশ। আন্দোলন থেমে যাওয়ার পরেও এই ধরনের পোস্টের বিরুদ্ধে সমাজমাধ্যমে নজর রাখা হয়েছে। কোথাও এমন কোনও পোস্ট চোখে পড়লে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে নোটিস দেওয়া হচ্ছে এবং সেগুলির বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করতে বলা হচ্ছে।

     

     

     

     

  • Journalists Attack: ছাত্র সমাবেশে দুষ্কৃতীদের ভিড়! সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১১

    Journalists Attack: ছাত্র সমাবেশে দুষ্কৃতীদের ভিড়! সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় ছাত্র সমাবেশ চলাকালীন হিংসা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার (Journalists Attack) ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ। গত ২৪ জুলাই হামলা হয় সাংবাদিকদের ওপর (Rally Violence)। শনিবার গ্রেফতারির খবর জানিয়েছেন পুলিশ কর্তারা। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) কুণাল আগরওয়াল জানান, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা কেউই ছাত্র নন।

    সাংবাদিক পিটিয়ে গ্রেফতার ১১ (Journalists Attack)

    তিনি বলেন, “হিংসা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা কেউই ছাত্র নয়। তারা সকলেই গোলমাল সৃষ্টি করেছিল। ছাত্র সংগঠনের সমাবেশে উপস্থিত থেকে তারা ভাঙচুর ও হিংসাত্মক ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছিল।” গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— ইরফান খুরশেদ (৩০), আরশাদ আলি ওরফে সাজিদ (৫০), মহম্মদ মইনুদ্দিন (২৬), মহম্মদ আলমগীর ওরফে রাজু (৪৮), ইমরান আহমেদ ওরফে গোপী (১৯), খালিদ রেজা ওরফে রিঙ্কু (৪৭), জামির আহমেদ ওরফে মিনকু (৪২), মহসিন খান (৩০) এবং দীপক ভৌমিক ওরফে ভিকি (৩৮)। এছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে জনৈক মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজকে। পুলিশের দাবি, “মহম্মদ আজাদ ও মহম্মদ আফরোজ পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে অন্ডালের কাছে তাদের আটক করা হয়।”

    কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী?

    এর আগে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলকাতায় নিট আন্দোলনের সময় পুলিশকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর “নৃশংস হামলা”র তীব্র নিন্দা করেন। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে গিয়ে জখম হওয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় তিনি জানান, আহতদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তাঁদের সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন (Journalists Attack)। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতায় দুষ্কৃতীদের হাতে পুলিশকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। একাধিক আহত সাংবাদিক বর্তমানে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমি হাসপাতালে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে দেখা করেছি এবং শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছি। তাঁদের সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছি। ঘটনায় জড়িত প্রত্যেক দোষীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।”

    উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলা আন্দোলনের সমর্থনে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। অল ইন্ডিয়া ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের ব্যানারে আয়োজিত এক (Rally Violence) বিক্ষোভে কয়েকজন আন্দোলনকারীকে বোতল ছুড়তেও দেখা গিয়েছে বলে অভিযোগ (Journalists Attack)।

     

  • Elderly Man Confronts: যন্তর মন্তরে ‘আরশোলা’দের বিক্ষোভের তাল কেটে দিলেন প্রবীণ, সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়ার বদলে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রবীণ

    Elderly Man Confronts: যন্তর মন্তরে ‘আরশোলা’দের বিক্ষোভের তাল কেটে দিলেন প্রবীণ, সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়ার বদলে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রবীণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনার জেরে (CJP) ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে (Elderly Man Confronts)। বিক্ষোভ মঞ্চে সরকারবিরোধী বার্তা তুলে ধরতে এক প্রবীণ ব্যক্তিকে সামনে আনা হয়েছিল। তবে তিনি সরকার-বিরোধী কিছু না বলে, উল্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হওয়ায় পুরো পরিস্থিতি নেয় নাটকীয় মোড়। ঘটনায় সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এবং তাঁর সমর্থকরা অস্বস্তিতে পড়ে যান।

    ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে হাজির প্রবীণ (Elderly Man Confronts)

    জানা গিয়েছে, যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ চলাকালীন হুইলচেয়ারে করে এক প্রবীণ ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হন। তাঁকে দেখে বিক্ষোভকারীদের একাংশ মনে করেন, তিনি সম্ভবত সরকারের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখবেন। সেই প্রত্যাশা থেকেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ নিজেই মঞ্চ থেকে নেমে এসে ওই প্রবীণকে স্বাগত জানান এবং তাঁকে বিক্ষোভকারীদের কাছে নিয়ে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই প্রবীণ ব্যক্তিকে মঞ্চের সামনে আনার পর বিক্ষোভকারীদের একাংশ তাঁকে ঘিরে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করেন। অভিযোগ, তাঁরা সরাসরি “মোদি চোর” বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন, এবং ওই প্রবীণ ব্যক্তিকেও সেই স্লোগানে গলা মেলাতে পীড়াপীড়ি করছিলেন।

    চুপ!

    ঘটনার মোড় ঘুরে যায় ঠিক সেই মুহূর্তেই। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সুর মেলানোর পরিবর্তে ওই প্রবীণ ব্যক্তি তাঁদের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি উপস্থিত বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “একদম চুপ করে থাকুন। প্রধানমন্ত্রী মোদি চোর নন।” তিনি (Elderly Man Confronts) আরও বলেন, “নরেন্দ্র মোদি তোমাদের বয়সের থেকেও বেশি সময় ধরে দেশের সেবা করে চলেছেন। তিনি বারো বছর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তারপর থেকে টানা দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি একজন সৎ মানুষ।” প্রবীণ ব্যক্তির এই মন্তব্যে বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত লোকজন হকচকিয়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই বিক্ষোভের পরিবেশ বদলে যায়। যাঁরা তাঁর কাছ থেকে সরকারবিরোধী বক্তব্য প্রত্যাশা করেছিলেন, তাঁদের সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বলেই খবর। শুধু প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায়ই থেমে থাকেননি তিনি। দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “ব্যবস্থার ভেতরে বসে থাকা কিছু মানুষের কারণেই নরেন্দ্র মোদির নাম খারাপ হচ্ছে। তোমরা এই ধরনের কথা বলে বোকামি করছ।” এই মন্তব্যের পর বিক্ষোভ মঞ্চে কিছু সময়ের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অভিজিৎ এবং তাঁর সমর্থকেরা কার্যত নীরব হয়ে যান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতেও দেখা যায়, প্রবীণ ব্যক্তির বক্তব্যের সময় উপস্থিত অনেকেই হাঁ করে তাঁর কথা শুনছেন।

    ভাইরাল ভিডিওয় ইউজারদের প্রতিক্রিয়া

    এমন ‘অপ্রীতিকর’ ঘটনার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইউজারদের একাংশের দাবি, ওই প্রবীণ ব্যক্তি নিজের মত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করেছেন, এবং রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেননি। আর একাংশের বক্তব্য, একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বা বিচ্ছিন্ন ঘটনার ভিত্তিতে গোটা বিক্ষোভ কর্মসূচি সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো উচিত নয়। প্রসঙ্গত, যন্তর মন্তর দীর্ঘদিন (Elderly Man Confronts) ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন এবং নাগরিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতিবাদস্থল হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময়ে নানা দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় নয়া সংযোজন ককরোচ জনতা পার্টির কর্মসূচি পালনও। অবশ্য ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ওই প্রবীণ ব্যক্তির পরিচয়, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ভিডিও এবং ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াও মেলেনি।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে কোনও জনসমাবেশ বা বিক্ষোভে ঘটে যাওয়া এমন ঘটনাগুলি মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় এবং তা জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে (CJP) সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট না জেনে শুধুমাত্র ভাইরাল ভিডিওর ভিত্তিতে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকার পরামর্শও দিচ্ছেন তাঁরা।

     

  • Indresh Kumar: ‘নিট আন্দোলনের নেপথ্যে দেশি-বিদেশি শক্তি’, বিস্ফোরক দাবি প্রবীণ আরএসএস নেতার

    Indresh Kumar: ‘নিট আন্দোলনের নেপথ্যে দেশি-বিদেশি শক্তি’, বিস্ফোরক দাবি প্রবীণ আরএসএস নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: NEET ইস্যু নিয়ে আন্দোলনে এবার সরব হলেন আরএসএসের (RSS) প্রবীণ নেতা ইন্দ্রেশ কুমার (Indresh Kumar)। ‘‘এই আন্দোলনের পিছনে দেশীয় ও বিদেশি- উভয় ধরনের শক্তির মদত রয়েছে, এই শক্তিগুলি চায় না ভারত একটি উন্নত, শক্তিশালী ও শিক্ষিত দেশে পরিণত হোক।’’ বিস্ফোরক অভিযোগ প্রবীণ নেতার।

    নিটকে হাতিয়ার করে রাজনীতি

    আরএসএসের (RSS) প্রবীণ নেতা ইন্দ্রেশ কুমার (Indresh Kumar) বলেন, ‘‘প্রথমে বিরোধী দলগুলি নিট পরীক্ষার অনিয়মের প্রসঙ্গ তুলেছিল। কিন্তু পরে তারা মূল বিষয় থেকে সরে গিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার চেষ্টা শুরু করে। দেশে ইতিবাচক রাজনীতির পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা চলছে।’’

    ‘ভারতকে দুর্বল করার চেষ্টা’

    আরএসএসের (RSS) এই প্রবীণ নেতার (Indresh Kumar) অভিযোগ, দেশের ভিতরে ও বাইরে এমন কিছু শক্তি সক্রিয় রয়েছে, যারা ভারতের অগ্রগতি চায় না। যুব সমাজের বোঝা উচিত, এই আন্দোলনের পিছনে এমন কিছু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শক্তি রয়েছে, যারা চায় না ভারত উন্নত, শক্তিশালী ও শিক্ষিত জাতি হয়ে উঠুক। বরং তারা ভারতের ক্ষতি করতে চায়।

    যুব সমাজের প্রতি বার্তা

    আন্দোলনরত যুবকদের উদ্দেশে ইতিবাচক ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান ইন্দ্রেশ কুমারের (Indresh Kumar)। তিনি বলেন, ‘‘দেশের উন্নয়নের কাজে অংশ নেওয়াই হওয়া উচিত যুব সমাজের লক্ষ্য। যদি ভালো কিছু করতে না পারেন, অন্তত ক্ষতি করবেন না। অন্য কেউ ভালো কাজ করলে তাকে নষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। এ ধরনের মানসিকতা দুর্ভাগ্যজনক। আজ ভারত উন্নয়ন, উদ্ভাবন এবং স্টার্টআপ সংস্কৃতির মাধ্যমে বিশ্বের কাছে একটি উদাহরণ হয়ে উঠছে। সেই অগ্রগতির পথে যুব সমাজের সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত।’’

    স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান

    যুবকদের ভগত সিং, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, বিনায়ক দামোদর সাভারকর, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো জাতীয় নেতাদের আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে দেশ গঠনের কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বানও জানান আরএসএসের (RSS) প্রবীণ এই নেতা (Indresh Kumar)।

    সরকারের বার্তা: দ্রুত বিচার হবে

    এদিকে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে প্রতিদিন শুনানির ব্যবস্থা করা হবে। তাঁর দাবি, এর ফলে দ্রুত বিচার নিশ্চিত হবে এবং পরীক্ষার্থীরা সময়মতো ন্যায়বিচার পাবেন। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবও বিরোধীদের সমালোচনা করে বলেন, অযথা রাজনৈতিক সংঘাত না বাড়িয়ে সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের পথ খোঁজা উচিত।

  • Delhi Protest Update: ইট-পাথর, কাচের বোতল, লাঠি…! দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে তাণ্ডব, আহত দুই এসিপি, নিশানায় র‌্যাফ-ও

    Delhi Protest Update: ইট-পাথর, কাচের বোতল, লাঠি…! দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে তাণ্ডব, আহত দুই এসিপি, নিশানায় র‌্যাফ-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট (NEET) প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে কার্যত অশান্ত রাজধানী (Delhi Protest)। টানা কয়েক দিনের বিক্ষোভে একের পর এক হিংসার অভিযোগ সামনে আসছে। পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীদের একাংশের ইট-পাথর, কাচের বোতল ও লাঠি দিয়ে হামলায় আহত হয়েছেন দিল্লি পুলিশের দুই এসিপি এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)-এর দুই জওয়ান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দিল্লিতে মোতায়েন অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইতিমধ্যেই ১০টি এফআইআর দায়ের করে ২৫০-র বেশি সিসিটিভি ও মোবাইলের ভিডিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সাহায্যে খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ।

    পুলিশের উপর হামলা (Connaught Place Violence)

    আন্দোলনের আঁচ এতটাই প্রবল হয়ে উঠেছে যে পুলিশের উপরও হামলা চালানো হয়। দিল্লি পুলিশের দাবি, বুধবার রাত প্রায় সাড়ে ৮টা নাগাদ কনট প্লেসের টলস্টয় মার্গ এলাকার আচমকাই পুলিশের উপর হামলায় চালায় বেশ কিছু দুষ্কৃতী। পুলিশকে লক্ষ্য় করে ছোড়া হয় ইট-পাথর (Stone Pelting) ও কাচের বোতল। সেই হামলায় আহত হন কনট প্লেসের এসিপি বিবেক ভগত। তাঁকে দ্রুত ড. রাম মনোহর লোহিয়া (RML) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর হাত, পা ও কাঁধে একাধিক আঘাত রয়েছে। মাথার পিছনের অংশেও চোট লেগেছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    যন্তর মন্তরেও সংঘর্ষ (Delhi Protest)

    এদিকে, এই ঘটনার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভেও (Jantar Mantar Protest) পুলিশের সঙ্গে কার্যত ধস্তাধস্তি হয় আন্দোলনকারীদের। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা সংসদ মার্গের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়। এরপরই শুরু হয় ইট-পাথর ছোড়াছুড়ি (Stone Pelting)। একটি পাথর এসে লাগে পাঞ্জাবি বাগের এসিপি জয় প্রকাশের কপালে। আহত অবস্থায় তাঁকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল থেকেই এসিপি জয় প্রকাশ জানান, “পুলিশ মানবশৃঙ্খল তৈরি করে বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করছিল। সেই সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পুলিশের দিকে বোতল ও পাথর ছোড়া হয়।”

    র‌্যাফ-এর জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগ

    শুধু দিল্লি পুলিশই নয়, কনট প্লেসে র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (RAF)-এর দুই জওয়ানের উপরও হামলার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনা থামাতে গেলে র‌্যাফ-এর জওয়ানদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের বচসা শুরু হয়। সেই সময় এক জওয়ান নিজের দলের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। অভিযোগ, এরপর তলোয়ার ও লাঠি হাতে একদল লোক তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর করে। তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে আরও এক জওয়ানও আক্রান্ত হন। এরইমধ্যে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল বেশকিছু ভিডিও। সেখানেই না কি দেখা যাচ্ছে আক্রান্ত জওয়ান প্রাণ বাঁচাতে দৌড়চ্ছিলেন। যদিও ভিডিওগুলির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় পৃথক এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (নয়াদিল্লি) আনন্দ কুমার মিশ্র।

    ২৫০-র বেশি ভিডিও খতিয়ে দেখছে পুলিশ

    গোটা ঘটনার তদন্তে এবার প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ২৫০-রও বেশি সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ভিডিও এবং সোশাল মিডিয়ার ভিডিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI Investigation)-র সাহায্যে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ২০ জুলাইয়ের সংঘর্ষে কারা জড়িত ছিলেন? কারা হামলার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন? কোথা থেকে ভিড়কে উস্কানি দেওয়া হয়েছিল? সেই সব তথ্য খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। এছাড়াও, তদন্তকারীরা BitChat নামে একটি ইন্টারনেট ছাড়াই চলতে সক্ষম মেসেজিং অ্যাপের কথোপকথনও খতিয়ে দেখছেন। সংঘর্ষটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করা হয়েছিল কি না, সেই দিকটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    ১০টি এফআইআর, একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা

    ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০টি এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। তার মধ্যে- ৪টি সংসদ মার্গ থানায়, ৩টি কনট প্লেস থানায়, এবং মন্দির মার্গ, বারাখম্বা রোড ও কর্তব্য পথ থানায় একটি করে মামলা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধা, পুলিশকে আক্রমণ, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, অস্ত্র আইনে অপরাধ, সংসদ অধিবেশন চলাকালীন অনুমতি ছাড়া ড্রোন ওড়ানো- সহ একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

    রাজধানীতে বাড়ানো হল নিরাপত্তা

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক দিল্লিতে অতিরিক্ত ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছে। ফলে আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত দিল্লি পুলিশের হাতে মোট ৪৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, অর্থাৎ প্রায় ৪,৫০০ জওয়ান থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে-  ২৪ কোম্পানি সিআরপিএফ, ১৫ কোম্পানি র‌্যাফ, ৩ কোম্পানি বিএসএফ, ১ কোম্পানি আইটিবিপি ও ২ কোম্পানি এসএসবি। পাশাপাশি পার্লামেন্ট স্ট্রিট, যন্তর মন্তর, কনট প্লেস-সহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ত্রিপুরা রাইফেলস এবং BSF-এর অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।

    কেন এই আন্দোলন?

    নিট (NEET) পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের (Dharmendra Pradhan) পদত্যাগের দাবিতে কয়েক দিন ধরে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলছে। এই আন্দোলনে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকরাও অংশ নিয়েছেন। দিল্লি পুলিশের দাবি, বিক্ষোভকারীদের নির্ধারিত স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে আন্দোলনকারীদের একাংশ ব্যারিকেড ভেঙে সংসদ মার্গের দিকে এগোনোর চেষ্টা করে এবং বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও পরিস্থিতি অশান্ত করে তোলে। এরপর পুলিশের উপর ইট-পাথর, বোতল ও অন্যান্য বস্তু ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় একাধিক পুলিশকর্মী ও আধিকারিক আহত হয়েছেন।

    কী বলছেন জে পি নাড্ডা?

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যসভার সাংসদ জে পি নাড্ডা (J P Nadda) বলেন, ‘‘প্রশ্নফাঁসের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে রাজনৈতিক রং দেওয়া উচিত নয়। এই ইস্যুতে সংসদে বিস্তারিত আলোচনায় সরকার প্রস্তুত। আন্দোলনকারী প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সংলাপের পথ খোলা রয়েছে।’’

    সরকারের সাফ বার্তা

    এদিকে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, নিট পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয় এবং তা নিয়ে রাজনীতি না করে তথ্যভিত্তিক আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যসভার নেতা জে পি নাড্ডা জানিয়েছেন, সরকার এই ইস্যুতে সংসদে বিস্তারিত আলোচনায় প্রস্তুত এবং আন্দোলনকারী প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সংলাপের দরজা খোলা রয়েছে। একইসঙ্গে সরকারের স্পষ্ট বার্তা, গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদের অধিকার সকলের থাকলেও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা বা পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীদের উপর হামলার মতো ঘটনা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। যারা হিংসায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

  • BJP Slams Rahul Gandhi: প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ধর্না, রাহুলকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে তোপ বিজেপির

    BJP Slams Rahul Gandhi: প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ধর্না, রাহুলকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিক্যাল প্রবেশিকায় (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের ধর্না ঘিরে ক্রমেই চড়ছে রাজনীতির পারদ। এদিন রাহুল গান্ধীকে একযোগে নিশানা বিজেপির (BJP Slams Rahul Gandhi) শীর্ষ নেতৃত্বের। অভিযোগ, লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে সাংবিধানিক মর্যাদার অপব্যবহার করেছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ বিজেপির।

    কী অভিযোগ বিজেপির?

    বিজেপির (BJP) দাবি, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে প্রতিবাদ করার অধিকার থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) সরকারি বাসভবনের সামনে গিয়ে ধর্নায় বসা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শাসক দলের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী দেশের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সুরক্ষিত ব্যক্তিদের অন্যতম। ফলে তাঁর সরকারি বাসভবনের সামনে এ ধরনের কর্মসূচি নিরাপত্তার দিক থেকেও অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। বিরোধী দলনেতা হিসেবে রাহুল গান্ধীর যে সাংবিধানিক মর্যাদা রয়েছে, সেই পদমর্যাদার সঙ্গে এই ধরনের আচরণ কোনওভাবেই মানানসই নয়। রাহুল গান্ধী দিশাহীন রাজনীতি করছেন, কটাক্ষ বিজেপির। একইসঙ্গে বুধবার দেশজুড়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণাও করেছে গেরুয়া শিবির।

    বিএল সন্তোষের কড়া আক্রমণ

    রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) ‘‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’’, ‘‘শিশুসুলভ’’ বলেও কটাক্ষ বিজেপির (BJP Slams Rahul Gandhi) একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের। বিএল সন্তোষ বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসকে একযোগে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ঘেরাওয়ের চেষ্টা করে কংগ্রেস অত্যন্ত বিপজ্জনক নজির তৈরি করেছে।’’ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বাড়ি লক্ষ্য করে এ ধরনের কর্মসূচি দেশের নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ঘটনা ‘‘রাষ্ট্রদ্রোহের কাছাকাছি একটি কাজ’’।

    ‘‘গণতন্ত্রের ইতিহাসে লজ্জাজনক দিন’’

    বুধবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, মঙ্গলবার ভারতের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি ‘‘লজ্জাজনক দিন’’ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ‘‘কোনও অনুমতি ছাড়াই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন রাহুল গান্ধী। বিরোধী দলনেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের মর্যাদা এবং নিরাপত্তার গুরুত্ব তাঁর অজানা নয়। তা সত্ত্বেও তিনি যে আচরণ করেছেন, তা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন। নিট ইস্যুতে আলোচনার জন্য সরকার প্রস্তুত ছিল। কিন্তু কংগ্রেস সেই আলোচনার পথ ছেড়ে সংঘাতের রাজনীতি করেছে।’’ তাঁর প্রশ্ন দেশ কি রাহুল গান্ধীর ইচ্ছেমতো চলবে? সংসদে আলোচনা না করে কেন প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ধর্না? তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত।

    নিশিকান্ত দুবের বিস্ফোরক অভিযোগ

    সরব হয়েছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেও। রাহুলের বিদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন সাংসদের। রাহুল গান্ধীর বিদেশ সফরগুলির তদন্তের দাবি করেছেন নিশিকান্ত। তিনি বলেন, ‘‘বিদেশে রাহুল গান্ধী কাদের সঙ্গে দেখা করেছেন? কোন কোন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন? ভারতের বিরুদ্ধে কাজ করে এমন কোনও গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না? কিংবা বিদেশি সংস্থার কোনও অর্থায়নের যোগ রয়েছে কি না?- সেই সমস্ত বিষয় সরকারকে খতিয়ে দেখা উচিত।’’

    ‘‘বিশেষ সুবিধার অপব্যবহার’’

    অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ ও রাজস্থানের বিজেপি সভাপতি মদন রাঠোরের অভিযোগ, ‘‘লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে রাহুল গান্ধীর কিছু বিশেষ সাংবিধানিক সুযোগ- সুবিধা রয়েছে। কিন্তু তিনি সেই মর্যাদার অপব্যবহার করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে ধর্নায় বসার কোনও যৌক্তিকতা ছিল না। এটি কংগ্রেসের হতাশা, দিশাহীনতা এবং শিশুসুলভ রাজনীতির পরিচয় বহন করে।’’

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    মঙ্গলবার নিট প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের প্রতিবাদে ধর্না দেয় কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) পদত্যাগের দাবিতে তাঁর সরকারি বাসভবনের বাইরে ধর্নায় বসে কংগ্রেস (Congress)। এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব-সহ ইন্ডি জোটের (INDI Alliance) একাধিক বিরোধী নেতাও। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ চলাকালীন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, অখিলেশ যাদব-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ। যদিও পরে অবশ্য তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

    দেশজুড়ে বিজেপির প্রতিবাদ

    প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভের প্রতিবাদে বুধবার দেশজুড়ে আন্দোলনে বিজেপি। দলের নির্দেশ অনুযায়ী, বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেসের রাজ্য ও জেলা কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন।

    ক্রমশ তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত

    প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে ধর্নাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক লড়াই এখন আরও তীব্র। বিজেপির অভিযোগ, নিট ইস্যুর আড়ালে কংগ্রেস রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করেছে এবং বিরোধী দলনেতার সাংবিধানিক মর্যাদার অপব্যবহার করেছেন রাহুল গান্ধী। তাই এই ঘটনার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রতিবাদে নামছে বিজেপি। শাসক দলের বার্তা, গণতন্ত্রের নামে দেশের নিরাপত্তা ও সাংবিধানিক শালীনতার সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না। এখন দেখার এই রাজনৈতিক টানাটানি কোন দিকে মোড় নেয়?

LinkedIn
Share