Tag: NEP

NEP

  • Jammu Kashmir: নিষিদ্ধ জামাত-ই-ইসলামির ৫৮টি স্কুলের রাশ নিল জম্মু-কাশ্মীর সরকার

    Jammu Kashmir: নিষিদ্ধ জামাত-ই-ইসলামির ৫৮টি স্কুলের রাশ নিল জম্মু-কাশ্মীর সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ ঘোষিত জামাত-ই-ইসলামি (JeI) এবং এর শিক্ষা-সংক্রান্ত সহযোগী সংস্থা ফালাহ-এ-আম ট্রাস্ট (FAT)-এর সঙ্গে যুক্ত ৫৮টি বেসরকারি স্কুলের রাশ নিজের হাতে নিয়ে নিল জম্মু-কাশ্মীর সরকার। স্কুল শিক্ষা বিভাগের সচিব কর্তৃক জারি করা এক নির্দেশিকায় সংশ্লিষ্ট ডেপুটি কমিশনারদের এই প্রতিষ্ঠানগুলির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে এই স্কুলগুলির সঙ্গে নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্ক থাকার কথা চিহ্নিত হওয়ায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এসব স্কুলের পরিচালন সমিতির মেয়াদ হয় শেষ হয়ে গিয়েছিল, নয়তো গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কাছ থেকে (Jammu Kashmir) তাদের বিরুদ্ধে বিরূপ প্রতিবেদন পাওয়া গিয়েছিল।

    অধিগ্রহণের উদ্দেশ্য (Jammu Kashmir)

    এই পদক্ষেপটি জম্মু-কাশ্মীর স্কুল শিক্ষা বিধি, ২০১০ এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তির আওতায় নেওয়া হয়েছে। এতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে অবৈধ কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন, ১৯৬৭ অনুযায়ী ঘোষণাগুলির উল্লেখ রয়েছে, যার মাধ্যমে ২০১৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এবং ২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখের নির্দেশে জম্মু-কাশ্মীরে জামাত-ই-ইসলামিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এই অধিগ্রহণের উদ্দেশ্য শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক স্বার্থ রক্ষা করা। ডেপুটি কমিশনারদের স্কুল শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে, যাতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে কোনও প্রভাব না পড়ে। যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের পর নয়া  পরিচালন সমিতি গঠনের প্রস্তাব দিতে এবং জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP)-এর মানদণ্ড অনুযায়ী শিক্ষার মান বজায় রাখতে বলা হয়েছে। প্রক্রিয়াটি সহজতর করতে এবং মসৃণভাবে রূপান্তর নিশ্চিত করতে এসইডির সরকারি দল মোতায়েন করা হয়েছে (Jammu Kashmir)।

    শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাকেও অগ্রাধিকার

    বস্তুত, এই পদক্ষেপটি পূর্ববর্তী একটি নির্দেশিকার ধারাবাহিকতা। ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে, জম্মু ও কাশ্মীর সরকার সমগ্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে জেইএল (JeI) এবং এফএটি (FAT)-সংযুক্ত ২১৫টি স্কুলের ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করেছিল। প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে রূপান্তরের সময় শিক্ষার ধারাবাহিকতা এবং শিক্ষার্থী ও কর্মীদের কল্যাণই প্রধান অগ্রাধিকার থাকবে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখায় ক্লাস বা পরীক্ষায় কোনও তাৎক্ষণিক বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই পদক্ষেপটি কেন্দ্র কর্তৃক অবৈধ ঘোষিত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টারই অংশ, একই সঙ্গে কাশ্মীর উপত্যকায় শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখাকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে (Jammu Kashmir)।

     

  • CBSE: সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ সিবিএসইর, নয়া পরিবর্তন কী হল জানেন?

    CBSE: সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ সিবিএসইর, নয়া পরিবর্তন কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সংশোধিত পাঠ্যক্রম প্রকাশ করল সিবিএসই (CBSE) বোর্ড। জাতীয় নীতির লক্ষ্যের সঙ্গে স্কুল শিক্ষাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতেই চালু করা হচ্ছে এই ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে (Three Language Rule)।

    উল্লেখযোগ্য সংস্কার (CBSE)

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংস্কারের মধ্যে রয়েছে ধাপে ধাপে একটি বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা চালু করা। ২০৩১ সালের মধ্যে দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষার অংশ হয়ে উঠবে এটি। জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ অনুযায়ী, বহুভাষিকতা ও সাংস্কৃতিক সংহতি বাড়াতে তিন-ভাষা সূত্র প্রয়োগ করা হবে। নতুন পাঠক্রম কাঠামোর অধীনে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমানে যে দুটি ভাষা শেখানো হয়, তার পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা পড়াও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এটি মাধ্যমিক স্তরে পূর্ণাঙ্গ তিন-ভাষা ব্যবস্থার দিকে ধাপে ধাপে রূপান্তরের সূচনা। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সাধারণত ইংরেজি ও একটি ভারতীয় ভাষা পড়ে। তৃতীয় ভাষা (R3) যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের শুরুতেই আরও বিস্তৃত ভাষাগত ভিত্তি লাভ করবে।

    তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক

    সিবিএসই আধিকরিকদের মতে, তৃতীয় ভাষার পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাসামগ্রী জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ (NCERT)-এর সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা হচ্ছে। এই উপকরণগুলি শীঘ্রই সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক পোর্টালে উপলব্ধ হবে। যদিও মধ্যম স্তরে তৃতীয় ভাষা চালু হয়েছে, তবে এটি অবিলম্বে বোর্ড পরীক্ষায় প্রভাব ফেলবে না। বর্তমান ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ২০৩১ সালে দশম শ্রেণিতে পৌঁছলে নীতিটি পুরোপুরি কার্যকর হবে (CBSE)। প্রসঙ্গত, ত্রি-ভাষা সূত্রের ব্যাখ্যা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ রয়েছে। বাস্তবে, অনেক শিক্ষার্থী ইংরেজি পড়ে। তবে এনইপি ২০২০ অনুযায়ী ইংরেজিকে প্রায়ই বিদেশি ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয় (Three Language Rule)। তাই প্রশ্ন উঠছে, ইংরেজির পাশাপাশি কি শিক্ষার্থীদের আরও দুটি ভারতীয় ভাষা শিখতে হবে? এতে পড়াশোনার চাপ বাড়তে পারে।

    দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করতেও একাধিক পরিবর্তন

    বিদেশে অবস্থিত সিবিএসই-সংযুক্ত স্কুলগুলির বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে বোর্ড কিছুটা শিথিলতা দিয়েছে। ভারতের বাইরে অবস্থিত স্কুলগুলিতে দুটি ভারতীয় ভাষা পড়ানো বাধ্যতামূলক নয়। তারা একটি ভারতীয় ভাষাকে বাধ্যতামূলক রেখে অন্যান্য ভাষা আঞ্চলিক বা আন্তর্জাতিক প্রাসঙ্গিকতার প্রেক্ষিতে নির্বাচন করতে পারবে (CBSE)। ভাষা সংস্কারের পাশাপাশি সিবিএসই সামগ্রিক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে একাধিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। নবম ও দশম শ্রেণিতে শিল্প শিক্ষা, বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং শারীরিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আপাতত শিল্প ও শারীরিক শিক্ষা স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে, বোর্ড পরীক্ষার অংশ হবে না। তবে ২০২৭–২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে বৃত্তিমূলক শিক্ষা বাধ্যতামূলক বিষয় হিসেবে চালু হবে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    নয়া পাঠ্যক্রমের আর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নবম ও দশম শ্রেণিতে কম্পিউটেশনাল থিংকিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বাধ্যতামূলক করা। শুরুতে এগুলি মডিউল আকারে থাকবে এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন হবে। তবে ২০২৯ সালের মধ্যে এগুলি পূর্ণাঙ্গ বোর্ড পরীক্ষার বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে (Three Language Rule)। সিবিএসই নবম শ্রেণিতে গণিত ও বিজ্ঞানের জন্য দুই-স্তরের ব্যবস্থা চালু করেছে। শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতা ও আগ্রহ অনুযায়ী স্ট্যান্ডার্ড বা অ্যাডভান্সড স্তর বেছে নিতে পারবে। অ্যাডভান্সড স্তরের শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত এক ঘণ্টার ২৫ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে, যেখানে সাধারণ সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন থাকবে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তবেই ফল অন্তর্ভুক্ত হবে মার্কশিটে।

    সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক ডিরেক্টরের বক্তব্য

    সিবিএসইর অ্যাকাডেমিক ডিরেক্টর প্রজ্ঞা সিংয়ের মতে, এনসিইআরটির সঙ্গে যৌথভাবে মানসম্মত পাঠ্যপুস্তক তৈরি করা হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য একরূপ ও উচ্চমানের শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করবে (CBSE)। বিদেশে পরিচালিত সিবিএসই-সংযুক্ত স্কুলগুলির জন্য নমনীয়তা রাখা হয়েছে। যেখানে দেশের ভেতরের স্কুলগুলিকে দুটি ভারতীয় ভাষা পড়াতে হয়, সেখানে আন্তর্জাতিক স্কুলগুলিতে একটি ভারতীয় ভাষাই বাধ্যতামূলক থাকবে। গত বছরের সিবিএসই সার্কুলারের নির্দেশনাও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল প্রস্তুতিমূলক স্তর থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অন্তত একটি ভারতীয় ভাষাকে শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

    ভাষাগত বৈচিত্র্য

    ভাষাগত বৈচিত্র্য বাড়াতে সিবিএসই ভাষার তালিকাও সম্প্রসারণ করেছে (Three Language Rule)। নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এখন ডোগরি, মৈথিলি, কোকনি ও সাঁওতালি ভাষা পড়ার সুযোগ পাবে। এর ফলে ভারতীয় সংবিধানের অষ্টম তফশিলে অন্তর্ভুক্ত ২২টি ভাষাই এখন এই বোর্ডের আওতায় এসেছে। এই সংস্কারগুলি সিবিএসইর মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ধীরে ধীরে কিন্তু ব্যাপক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন, মডিউলার বিষয় এবং উন্নত স্তরের বিকল্প চালুর মাধ্যমে বোর্ড একমাত্রিক পদ্ধতি থেকে সরে এসে আরও নমনীয় ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে (CBSE)।

     

  • NEP: কেন্দ্রের নতুন শিক্ষানীতিকেই মান্যতা! চার বছরের ডিগ্রি কোর্স শুরু এরাজ্যেও

    NEP: কেন্দ্রের নতুন শিক্ষানীতিকেই মান্যতা! চার বছরের ডিগ্রি কোর্স শুরু এরাজ্যেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের পাশ করা জাতীয় শিক্ষানীতিকেই (NEP) অবশেষে মান্যতা দিতে হল রাজ্যকে। কেন্দ্রের নতুন শিক্ষানীতি অনুযায়ী, চার বছরের স্নাতক প্রক্রিয়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে চলেছে উচ্চ শিক্ষা দফতর।

    মান্যতা না দিলে বিপদে পড়তেন ৭ লক্ষ পড়ুয়া?

    এই মর্মে, বুধবার শিক্ষা দফতরের তরফে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকেই রাজ্যের সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে চার বছরের স্নাতক (NEP) পাঠক্রম চালু হয়ে যাবে। একই সঙ্গে কলেজগুলোতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে, রাজ্য যে কেন্দ্রীয় পোর্টালের মাধ্যমে এবছর ভর্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল, তা আপাতত হচ্ছে না। তাই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেরা যেভাবে অনলাইনে ভর্তি নিয়ে থাকে সেই প্রক্রিয়াতেই ভর্তি হবে বলে জানানো হয়েছে। 

    এদিন উচ্চশিক্ষা দফতরের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘‘কমিটির সুপারিশ মেনেই স্নাতক স্তরে চার বছরের পাঠক্রম (NEP) চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ ৪ বছরের ডিগ্রি কোর্স চালু না করলে আমাদের ৭ লক্ষ ছাত্রছাত্রী সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় অংশই নিতে পারতেন না। এক্ষেত্রে তাদের বাইরের রাজ্যে গিয়ে পড়ার প্রবণতা বেড়ে যেত। যারা আর্থিক ভাবে অস্বচ্ছল, তারা বিপদে পড়তেন। এই সমস্ত কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’

    আরও পড়ুন: আরএসএস পরিচালিত স্কুলে পড়ে আজ ইউপিএসসি-তে সফল এক ডজনেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী

    রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে নির্দেশ ইউজিসি-র

    বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি-র নির্দেশিকা আগেই পাঠানো হয়েছিল রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ থেকেই নয়া নিয়ম (NEP) কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাতে। জাতীয় শিক্ষানীতি মেনে দেশের বেশ কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যে চার বছরের স্নাতক পাঠক্রম চালু হয়েছে। এরাজ্যের সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় ইতিমধ্যেই জাতীয় শিক্ষানীতি মেনে চার বছরের স্নাতক পাঠক্রম চালু করেছে। প্রসঙ্গত, স্নাতক স্তরের পড়াশোনা ৩ বছর থেকে বেড়ে ৪ বছর হওয়ার পাশাপাশি, স্নাতকোত্তর স্তরের পড়াশোনা ২ বছর থেকে কমে ১ বছর করা হয়েছে নতুন শিক্ষানীতিতে। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট স্তরে পড়াশোনায় ভোকেশনাল ট্রেনিং, স্কিল ডেভেলপমেন্ট, ইন্টার্নশিপ ইত্যাদিও যুক্ত করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Niti Aayog: বিশ্বকে নেতৃত্ব দিক ভারত, নীতি আয়োগের বৈঠকে এমনই ইচ্ছে প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi Niti Aayog: বিশ্বকে নেতৃত্ব দিক ভারত, নীতি আয়োগের বৈঠকে এমনই ইচ্ছে প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে আত্ম নির্ভর হতে হবে। কৃষি ক্ষেত্রে আগামীতে ভারতই নেতৃত্ব দেবে পুরো বিশ্বকে। রবিবারের নীতি আয়োগের (Niti Ayog) বৈঠকে এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। এদিন দেশের কৃষি ক্ষেত্রকে (Farm Sector) আরও শক্তিশালী করার বার্তা দিলেন মোদি।  

    এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দ্রুত নগরায়ণ ভারতের দুর্বলতার বদলে শক্তি হয়ে উঠেছে। জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: নীতি আয়োগের বৈঠকে হাজির মমতা, কিছু না বলেই ধরলেন কলকাতার উড়ান

    তিনি আরও বলেন, “ভোজ্য তেলের ক্ষেত্রেও ভারতকে আত্ম নির্ভর হতে হবে।” 

    আগামী বছর ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জি-২০ (G-20) সম্মেলন। রবিবারের বৈঠকে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা আমাদের কাছে একটা বিরাট সুযোগ। এর মাধ্যমে আমরা বিশ্বকে এটা দেখাতে পারব যে, ভারত মানে শুধু দিল্লি নয়। একাধিক রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠেছে এই দেশ। জি-২০ (G-20) সম্মেলন নিয়ে দেশজুড়ে প্রচারের কথাও বলেও তিনি। “এই সম্মেলনের আগে আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করতে হবে। যাতে তাঁদেরকে গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা যায়।” 

    আরও পড়ুন: নীতি আয়োগের পরবর্তী ভাইস চেয়ারম্যান সুমন কে বেরি

    বিগত কয়েক বছর ধরেই নীতি আয়োগের ভার্চুয়াল বৈঠক হয়ে আসছে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার নীতি আয়োগের সামনা সামনি বৈঠক হয়েছে। এরপর বিভিন্ন কারণে ভার্চুয়াল মাধ্যমেই সারতে হয়েছে এই বৈঠক। ২০২০ সালেও করোনা সংক্রমণের কারণে ভার্চুয়াল বৈঠক হয়। করোনা পরবর্তী সময়ে এই প্রথমবার মুখোমুখি বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা।   

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ২৩ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, ৩ জন লেফটাল্যান্ট গভর্নর, ২ জন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। 

    মূলত চারটে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকে। সেগুলি হল,

    ১) শস্যবৈচিত্র্য এবং ডাল, তৈলবীজ এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা।

    ২) স্কুলে শিক্ষায় জাতীয় শিক্ষা নীতির বাস্তবায়ন।

    ৩) উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন।

    ৪) মজবুত আর্বান প্রশাসন।

     

LinkedIn
Share