Tag: Nepal

Nepal

  • Bipin Joshi: খোঁজ নেই হামাসের হাতে বন্দি নেপালি শিক্ষার্থীর, হিন্দুরা নীরব কেন?

    Bipin Joshi: খোঁজ নেই হামাসের হাতে বন্দি নেপালি শিক্ষার্থীর, হিন্দুরা নীরব কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুকে এক রাশ স্বপ্ন নিয়ে নেপাল থেকে ইজরায়েলে গিয়েছিলেন নেপালের হিন্দু তরুণ শিক্ষার্থী বিপিন জোশী (Bipin Joshi)। তিনি গিয়েছিলেন ইজরায়েলে উন্নত কৃষি প্রযুক্তির তালিম নিতে। গত অক্টোবরে হামাস (Hamas) জঙ্গিরা হামলা চালায় কিবুটজে। হামাসের গুলি বর্ষণের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন ১৭ জন নেপালি হিন্দু ছাত্র। তাঁদের মধ্যে ১০জনকেই সেখানে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বাকিরা প্রাণভিক্ষে করেছিলেন। সেই দলে ছিলেন বিপিনও। জঙ্গিরা তাঁকে হিড়হিড় করে টানতে টানতে নিয়ে গিয়েছিল তাদের ডেরার। নভেম্বরে প্রকাশিত এক ভয়ঙ্কর ভিডিওতে দেখা যায়, অপহরণকারীরা গাজার শিফা হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে বিপিনকে। তার পর থেকে আর কোনও খোঁজ নেই নেপালি এই হিন্দু পড়ুয়ার।

    অদ্ভূতভাবে নীরব হয়ে রয়েছে ভারত (Bipin Joshi)

    বিপিনের মতো হামাসের হাতে বন্দিদের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছে তামাম বিশ্ব। হলুদ ফিতে পরে জানিয়েছে সমবেদনা। অথচ বিপিন হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও অদ্ভূতভাবে নীরব হয়ে রয়েছে ভারত। যখন ইহুদি শিল্পীরা মহাদেশজুড়ে বন্দিদের জন্য ক্যাম্পেন চালাচ্ছেন, তখন ভারতের শিল্পী, চলচ্চিত্র তারকা এবং তথাকথিত মানবাধিকার কর্মীরা। এখানেই উঠেছে মোক্ষম প্রশ্নটি। বিপিন যদি ভারত কিংবা নেপালের একজন মুসলিম যুবক হতেন, তবে কি একই রকম প্রতিক্রিয়া হত? জেএনইউ থেকে গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়া পর্যন্ত কি মোমবাতি মিছিল হত না? গলা ফাটাতেন না মানবাধিকার কর্মীরা? এখন তাঁরা কোথায় গেলেন? কিন্তু বিপিন হিন্দু হওয়ায় তাঁকে নিয়ে মাথাব্যথা নেই তথাকথিত এলিট শ্রেণির।

    বিপিনের ঘটনা কোনও একক ট্র্যাজেডি নয়

    নয়াদিল্লির প্যালেস্তাইন দূতাবাসের সামনে কোনও প্রতিবাদ নেই, নেই কোনও আন্তর্জাতিক ক্ষোভও (Bipin Joshi)। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বলতেন, “যে কোনও জায়গার অবিচার মানেই সর্বত্র অবিচার।” তবে একজন হিন্দু যখন ইসলামি জেহাদি সন্ত্রাসের শিকার হয়, তখন কেন এই সত্য প্রযোজ্য হয় না? বিপিনের ঘটনা কোনও একক ট্র্যাজেডি নয়, এটা আমাদের সকলের সামনে ধরা একটি আয়না (Hamas)। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সনাতন ধর্ম অসংখ্য আক্রমণের মুখোমুখি হয়েছে, তবুও আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা শত্রুর তলোয়ার নয়, বরং হিন্দুর হিরন্ময় নীরবতা। তাই একজোট হতে হবে হিন্দুদের। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে আওয়াজ তুলতে হবে ‘বিপিন জোশীকে (Bipin Joshi) মুক্তি দাও’।

  • Bihar Election: বিহার ভোটে কমিশনের সমীক্ষায় উঠে এল নেপাল-বাংলাদেশ-মায়ানমারের অবৈধ নাগরিক

    Bihar Election: বিহার ভোটে কমিশনের সমীক্ষায় উঠে এল নেপাল-বাংলাদেশ-মায়ানমারের অবৈধ নাগরিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরেই বিহারে ভোট (Bihar Election)। এই আবহে নির্বাচন কমিশনের সমীক্ষায় ধরা পড়ল চাঞ্চল্যকর তথ্য। দেখা যাচ্ছে, নেপাল, বাংলাদেশ, এমনকি মায়ানমারের বহু নাগরিক বর্তমানে বিহারে বসবাস করছেন এবং তাঁরা অবৈধভাবে নিজেদের নামে আধার কার্ড, স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র এবং রেশন কার্ড তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সরকারি আধিকারিকরা ব্লক ধরে ধরে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে সমীক্ষা চালাচ্ছেন। এই সমীক্ষার মাধ্যমে বহু বিদেশি নাগরিককে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী ১ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে এই অবৈধ ভোটারদের বিরুদ্ধে ব্যাপক তদন্ত ও অভিযান চালানো হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যাঁরা অবৈধ প্রমাণিত হবেন, তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

    ৩০ সেপ্টেম্বর বিহারের সংশোধিত ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে

    বিহারের ভোটার তালিকা সংশোধনের (Bihar Election) সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বহু বাংলাদেশি, নেপালি ও মায়ানমারের বাসিন্দা বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন।নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্ত করে এদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বিহারের সংশোধিত ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা।

    মোট ভোটার ৭ কোটি ৮০ লাখ (Bihar Election)

    ২৫ জুন থেকে শুরু হয়েছে বিহারে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ অভিযান, যা চলবে আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন রাজ্যের মোট ৭.৮ কোটি ভোটারের বৈধতা যাচাই করবে বলে জানানো হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, এবার ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য শুধুমাত্র আধার কার্ড বা রেশন কার্ড যথেষ্ট নয়। জন্ম সনদ বা সরকারি স্বীকৃত জন্ম-পরিচয়ের নথি দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর অর্থ, এবার আরও বেশি  কঠোর নির্বাচন কমিশন।

  • Terrorists: নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকে পড়তে পারে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা, সতর্ক করল কাঠমাণ্ডু

    Terrorists: নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকে পড়তে পারে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা, সতর্ক করল কাঠমাণ্ডু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপাল সীমান্ত দিয়ে ভারতে ঢুকে পড়তে পারে পাক মদতপুষ্ট বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন (Terrorists), বিশেষত লস্কর-ই-তৈবা এবং জইশ-ই-মহম্মদ। এই মর্মে ভারতকে সতর্কবার্তা দিলেন নেপালের নিরাপত্তা আধিকারিকরা। নেপালি আধিকারিকদের সতর্কবার্তা পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে ভারত। রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে নেপাল ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অ্যান্ড এনগেজমেন্ট আয়োজিত একটি সেমিনারে ভাষণ দিতে গিয়ে ভারতকে এই বার্তা দেন নেপালের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা সুনীল বাহাদুর থাপা।

    ভারত-নেপাল সীমান্ত (Terrorists)

    ভারতের সঙ্গে নেপালের স্থলসীমান্ত বিস্তৃত ১ হাজার ৭৫১ কিলোমিটার। এটি একটি উন্মুক্ত সীমান্ত, ভিসা ছাড়াই যাতায়াতের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে দুই দেশের নাগরিকরাই নিয়মিতভাবে চাকরি কিংবা অন্য কোনও কাজে নিত্য সীমান্ত পারাপার করেন। এই দুই দেশের মধ্যে একটি দৃঢ় সাংস্কৃতিক সম্পর্কও রয়েছে।  নেপালের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টার আশঙ্কা, এটাকেই কাজে লাগাতে পারে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা। পরিচয় গোপন করে কিংবা ভুয়ো পরিচয়পত্র দেখিয়ে পাকিস্তান থেকে ভায়া নেপাল হয়ে ভারতে ঢুকে পড়তে পারে তারা।

    পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি গ্রেফতার

    ২০১৭ সালে সশস্ত্র সীমা বল পাক মদতপুষ্ট এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করে। নেপালের রুট ব্যবহার করেই ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল সে। পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পর পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গিঘাঁটিগুলিতে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত। নয়াদিল্লির এই সামরিক ও কৌশলগত সাফল্যের প্রেক্ষিতে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান ছাড়াও ভারতের সব সীমান্তেই সতর্কতা বজায় রাখা প্রয়োজন, যাতে অনায়াসেই রোধ করা যায় কোনও অবৈধ কার্যকলাপ এবং সুরক্ষিত থাকে জাতীয় নিরাপত্তা (Terrorists)।

    মায়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান ও অস্থির শাসন ব্যবস্থা এবং বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক পরিবেশও ভারতের যথেষ্ট উদ্বেগের কারণ। এহেন আবহে এল নেপালি প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সতর্কবার্তা। কাঠমাণ্ডুর ওই সেমিনারে নেপালের কর্তারা এবং বিশেষজ্ঞরা সাফ জানিয়ে দেন, সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের মদত সার্ক-এর ঐক্য ও সমগ্র অঞ্চলের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধক। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নেপালি কর্তাদের এহেন মন্তব্যে ফের একবার মান্যতা পেল ভারতের দাবি। প্রসঙ্গত, নয়াদিল্লি বরাবারই দাবি করে আসছে সন্ত্রাসবাদে মদত দিয়ে চলেছে পাকিস্তান (Terrorists)।

  • Chicken Neck: চিকেন নেক-এর কাছে গ্রেফতার কুখ্যাত খালিস্তানি জঙ্গি ‘কাশ্মীর’, মাথার দাম ছিল ১০ লাখ

    Chicken Neck: চিকেন নেক-এর কাছে গ্রেফতার কুখ্যাত খালিস্তানি জঙ্গি ‘কাশ্মীর’, মাথার দাম ছিল ১০ লাখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকেন নেকের (Chicken Neck) খুব কাছেই ভারত-নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হল জেল পালানো খালিস্তানি জঙ্গি-নেতাকে। অপারেশন সিঁদুরের আবহেই নিরাপত্তা এজেন্সির জালে ধরা পড়ল কুখ্যাত খালিস্তানি জঙ্গি কাশ্মীর সিং গালওয়াদ্দি ওরফে বলবীর সিং। যার মাথার দাম ছিল ১০ লাখ টাকা। প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুর শুরু হতেই বাড়তি তৎপরতা শুরু হয় উত্তরবঙ্গ করিডরে। নেপাল-পাকিস্তান সীমান্ত ঘেঁষা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও করেন অমিত শাহ। গত সপ্তাহেই নেপাল-বিহার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে চার চিনা নাগরিককে গ্রেফতারের করা হয়। এবার গ্রেফতার করা হল এই কুখ্যাত জঙ্গিকে। নেপালে বসেই ভারত-বিরোধী নানা কাজ করত কাশ্মীর, এমনটাই জানা গিয়েছে। এনআইএ-র তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সন্ত্রাসবাদীদের লজিস্টিক সাপোর্ট এবং হাওয়ালার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করত খালিস্তানি জঙ্গি কাশ্মীর। জানা গিয়েছে, ২০১৬ সালে পাঞ্জাবের একটি জেল ভাঙার ঘটনায় অভিযুক্ত জঙ্গি নেতা কাশ্মীর বব্বর খালসা ইন্টার ন্যাশানাল ও রিন্দা নামের একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। সন্ত্রাসীরা নেপাল সীমান্ত ব্যবহার করেই বারবার কেন ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছে! এটাই ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের।

    কেন অনুপ্রবেশের জন্য উত্তর-পূর্ব করিডর (Chicken Neck) বেছে নিচ্ছে জঙ্গিরা

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার, বাংলা ও বিহারের বেশ কিছুটা এলাকা জুড়ে রয়েছে নেপাল সীমান্ত। সহজেই নেপালে আশ্রয় নিয়ে থাকা যায় এবং প্রয়োজনে বাংলা ও বিহারে আসা যায়। এই জায়গাটাই কাজে লাগাতে চায় সন্ত্রাসীরা। সেই উত্তর-পূর্বের এই এলাকাকে (Chicken Neck) বেছে নেওয়া হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে চিন-পাক যোগ রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত রবিবার প্রেস ব্রিফিংয়েও ভারতের ডিজিএমও রাজীব ঘাই বলেছেন, “অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছে। এই অনুপ্রবেশকারীরাই সীমান্তে জঙ্গিকার্যকলাপে নিযুক্ত হয়। আমাদের কাছে এমনও তথ্য রয়েছে যে, সেটা পাকিস্তানি সেনাও হতে পারে, যারা আমাদের পোস্টকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।” ভারতের ডিজিএমও-র এমন মন্তব্যের ৭২ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই কুখ্যাত জঙ্গি গ্রেফতার হল চিকেন নেকের (Chicken Neck) কাছ থেকে।

    ২০১৬ সালে জেল ভেঙে পালায় কাশ্মীর

    পাঞ্জাবের পাতিয়ালার নাভাতে ২০১৬ সালের ২৭ নভেম্বর কার্যত তাণ্ডব চালায় খালিস্তানপন্থীরা। ওই দিন সকাল ৯ টা নাগাদ ২৪ জন সশস্ত্র জঙ্গি পাতিয়ালার উচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন নাভা জেলে হামলা করে। এরপর গার্ডদের থেকে অস্ত্র ছিনিয়ে নেয় তারা। সেদিন মোট ৬ কুখ্যাত অপারেটিভ, গ্যাংস্টারকে জেল থেকে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। জানা যায়, যে ৬ জন সেদিন জেল ভেঙে পালিয়েছিল তারমধ্যে ছিল কুখ্যাত খলিস্তানি কাশ্মীর সিংও। ঘটনার সাড়ে ৮ বছর পরে তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হল।

    খালিস্তানি লিবারেশন ফ্রন্টের অন্যতম সক্রিয় সদস্য কাশ্মীর সিং

    জানা গিয়েছে, খালিস্তানি লিবারেশন ফ্রন্টের অন্যতম সক্রিয় সদস্য হল এই কাশ্মীর সিং। তাকে গত ৮ বছর ধরে খুঁজে চলেছিল ভারতীয় নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি। পাঞ্জাব সহ বিভিন্ন জায়গায় একাধিক জঙ্গি সংক্রান্ত ঘটনায় রয়েছে এই খলিস্তানির যোগ মিলেছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। বহুদিন ধরেই দেশের নিরাপত্তা এজেন্সিগুলির কাছে সে ছিল ওয়ান্টেড। উল্লেখ্য, গ্রেফতার করার পরে ফের তাকে নাভা জেলেই আনা হচ্ছে বলে খবর।

    নেপালে সক্রিয় বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল গ্যাং

    ২০১৬ সালে নাভা জেল ভাঙা কাণ্ডে মোট ২২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে কোর্ট। এদের মধ্যে ২ জন ছিল অফিসার পদ মর্যাদার। এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড ছিল রমনজিৎ সিং রোমিকে। কুখ্যাত রোমিকে ২০২৪ সালে হংকং থেকে প্রত্যর্পণ করা হয় । তাকেও নাভা জেলে রাখা হয়েছে। তবে প্রথমে তাকে অমৃতসরের জেলে রাখা হয়। এর মাঝেই ২০২৫ সালে এল কাশ্মীর সিংয়ের গ্রেফতারির খবর। নাভার পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে মনদীপ কৌর কাশ্মীরের গ্রেফতারির খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জানা যাচ্ছে, জেল ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার (Khalistani Militant) পরেই বহু খলিস্তানি নেতার সঙ্গে সংযোগ করতে থাকে কাশ্মীর। তাদের মধ্যে অন্যতম হল বিদেশে থাকা বব্বর খালসা নেতা হরবিন্দর সিং সান্ধু ওরফে রিন্দা। এক্ষেত্রে বলা দরকার, বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল শিবিরের রিন্দা গ্যাং খলিস্তানি জঙ্গি নাশকতা চালিয়ে থাকে।

    খালিস্তানি জঙ্গিদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থার দায়িত্বে ছিল এই কাশ্মীর সিং

    এই গ্যাং বর্তমানে নেপালে খুবই সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে জানা যাচ্ছে। এরকম গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত কাশ্মীর সিংয়ের গ্রেফতার হল। অপারেশন সিঁদুরের আবহে এই ঘটনা এনআইএর কাছে বড় সাফল্য। খালিস্তানি জঙ্গিদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থার দায়িত্বে ছিল এই কাশ্মীর সিং। এমন খবর গোয়েন্দারা আগেই জানতে পেরেছিলেন বলে খবর। পাঞ্জাবের গোয়েন্দা হেডকোয়ার্টারে হামলার ঘটনাতেও উঠে আসে কাশ্মীরের নাম। এছাড়া ভারত বিরোধী নানা কাজে উঠে আসে কাশ্মীরের নাম। ২০২২ সালে খলিস্তানি জঙ্গি নাশকতার ষড়যন্ত্রেও উঠে আসে তার নাম (Khalistani Militant)। এবার ফের তাকে ফিরতে হচ্ছে নাভা জেলে।

  • Nepal: হিন্দু রাষ্ট্রের দাবিতে বিক্ষোভের ঘটনায় নেপালে গ্রেফতার ৫১ নেতা, জরিমানা প্রাক্তন রাজাকে

    Nepal: হিন্দু রাষ্ট্রের দাবিতে বিক্ষোভের ঘটনায় নেপালে গ্রেফতার ৫১ নেতা, জরিমানা প্রাক্তন রাজাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু রাষ্ট্রের দাবিতে উত্তাল নেপাল (Nepal)। শুক্রবারই সেদেশে উত্তেজনা ছড়ায়। সংঘর্ষে মৃত্যু হয় ২ জনের। নেপালের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টে (Nepal Crackdowns) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবারের বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নেপাল পুলিশ ৫১ জনকে গ্রেফতার করেছে। যার মধ্যে রয়েছেন জাতীয় প্রজাতন্ত্র পার্টির সহ সভাপতি রবীন্দ্র মিশ্র, সাধারণ সম্পাদক ধাওয়াল সমশের রানা, স্বাগত নেপাল, শেফার্ড লিম্বু এবং সন্তোষ তামাংয়ের মতো নেতারা। জানা গিয়েছে, কাঠমান্ডুর বেশ কিছু অংশে বর্তমানে কারফিউ তুলে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্ষোভে উস্কানি দেওয়ার সন্দেহে প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্রকে (Nepal) জরিমানা চেয়ে চিঠিও দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

    গৃহবন্দী আন্দোলনের কনভেনার নওরাজ সুবেদী

    ওই প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়েছে, আন্দোলনের কনভেনার নওরাজ সুবেদীকে বর্তমানে গৃহবন্দী করা হয়েছে। এরপাশাপাশি নেপালের নিরাপত্তা সংস্থাগুলি দুর্গা প্রসাইক নামের এক নেতাকে খুঁজছেন। এনিয়ে নেপালের একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারী কাঠমান্ডু পোস্টকে (Nepal) জানিয়েছেন জানিয়েছে, দুর্গা প্রসাইকের মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে এবং তাঁকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।

    হিন্দুরাষ্ট্রের তকমা ফেরানো দাবিতে মিছিল

    জানা গিয়েছে, গণতন্ত্রের পরিবর্তে রাজতন্ত্র এবং হিন্দুরাষ্ট্রের তকমা ফেরানোর দাবিতে শুক্রবার মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনের পুরোভাগে ছিলেন রাজতন্ত্রের সমর্থক রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি এবং আরও কয়েকটি দলের নেতারা। মিছিল শেষে রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে শুরু হয় বিক্ষোভ প্রদর্শন। সেই বিক্ষোভ দমন করতে গিয়েই খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে জনতা ও নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় একজনের। তাঁর নাম সাবিন মহার্জন। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় এক সাংবাদিকেরও। জখম হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। দেশে অশান্তির এই আবহে জরুরি ভিত্তিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। তলব করা হয়েছে সেনাকে। জারি করা হয়েছে কারফিউও। এদিন আন্দোলনকারীরা টিংকুনের একটি রাস্তার পাশের ভবনে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে পুলিশের তৈরি ব্যারিকেডও।

  • Nepal Unrest: হিন্দুরাষ্ট্রের দাবিতে উত্তাল নেপাল, সংঘর্ষের বলি ২, জারি কারফিউ

    Nepal Unrest: হিন্দুরাষ্ট্রের দাবিতে উত্তাল নেপাল, সংঘর্ষের বলি ২, জারি কারফিউ

    মাধ্যম নিউজ জেস্ক: হিন্দুরাষ্ট্রের দাবিতে উত্তাল নেপাল (Nepal Unrest)। বিক্ষোভের আগুনে পুড়ল ঘরবাড়ি। পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা জনতার। অবস্থা আয়ত্তের বাইরে চলে যাওয়ায় বিক্ষোভকারীদের দিকে টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ছোড়ে পুলিশ। তার পরেও নেভেনি অশান্তির আগুন। যার জেরে শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় পুলিশ। পুলিশ-জনতার সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে একজন সাংবাদিক-সহ দুজনের। জখম হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে টিংকুনের কান্তিপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    নেপালে রাজতন্ত্র (Nepal Unrest)

    হিমালয়ের কোলে অবস্থিত ছোট্ট দেশ নেপাল। এক সময় দেশটিতে ছিল রাজতন্ত্র। বিশ্বে একমাত্র হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবেও পরিচিত ছিল দেশটি। ২০০৮ সালে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে। ঘুচে যায় হিন্দু রাষ্ট্রের তকমাও। তার পর থেকে মাঝে মধ্যেই রাজতন্ত্র ও হিন্দুরাষ্ট্রের দাবিতে সরব হয়েছেন নেপালের নাগরিকরা। শুক্রবার সেই আন্দোলনই ব্যাপক আকার ধারণ করে। যার বলি হলেন দুজন।

    হিন্দুরাষ্ট্রের তকমা ফেরানো দাবিতে মিছিল

    জানা গিয়েছে, গণতন্ত্রের পরিবর্তে রাজতন্ত্র এবং হিন্দুরাষ্ট্রের তকমা ফেরানোর দাবিতে শুক্রবার মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনের পুরোভাগে ছিলেন রাজতন্ত্রের সমর্থক রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র পার্টি এবং আরও কয়েকটি দলের নেতারা। মিছিল শেষে রাজধানী কাঠমাণ্ডুতে শুরু হয় বিক্ষোভ প্রদর্শন। সেই বিক্ষোভ দমন করতে গিয়েই খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে জনতা ও নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় একজনের। তাঁর নাম সাবিন মহার্জন। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় এক সাংবাদিকেরও। জখম হয়েছেন অন্তত ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। দেশে অশান্তির এই আবহে জরুরি ভিত্তিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকের ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। তলব করা হয়েছে সেনাকে। জারি করা হয়েছে কারফিউও। এদিন আন্দোলনকারীরা টিংকুনের একটি রাস্তার পাশের ভবনে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে পুলিশের তৈরি ব্যারিকেডও।

    জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ

    তার জেরেই বেঁধে যায় জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ। নিরাপত্তারক্ষীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে জনতা। বিক্ষোভ দমনে ফাটানো হয় টিয়ার গ্যাসের শেল। ব্যবহার করা হয় জলকামান। তার পরেও আন্দোলনকারীদের দমন করতে না পেরে গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় একজনের। অশান্তি এড়াতে কাঠমাণ্ডুজুড়ে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। নিউ বাণেশ্বর এলাকায় যাওয়ার পথে বহু তরুণকে আটক করে পুলিশ (Nepal Unrest)।

    মিছিলে যোগী আদিত্যনাথের ছবিও

    এদিন আন্দোলনকারীরা স্লোগান দেন ‘নেপাল সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত’, ‘দেশে রাজতন্ত্র ফিরে আসুক’। এই দাবিতে টিংকুনে এলাকায় পথে নামেন হাজার হাজার রাজতন্ত্র সমর্থক। নেপালের জাতীয় পতাকা ও দেশের প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহের ছবি হাতে ‘রাজা আসুন, দেশ বাঁচান’, ‘আমরা রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চাই’ – স্লোগান দিতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলে জ্ঞানেন্দ্রর পাশাপাশি ভারতের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের ছবিও তুলে ধরেছিলেন অনেকে। জেলা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাত দশটা পর্যন্ত কারফিউ জারি থাকবে। এই সময় কয়েকটি এলাকায় কাউকে রাস্তায় বেরতে দেওয়া হবে না। সূত্রের খবর, কারফিউয়ের সময়সীমা বাড়িয়ে করা হয়েছিল শনিবার সকাল সাতটা পর্যন্ত। পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। শুক্রবার অশান্তির পর থেকে এ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ১০০ জনকে (Nepal Unrest)।

    রাজতন্ত্রের অবসান

    ২০০৮ সালে সংসদীয় ঘোষণার মাধ্যমে অবসান ঘটে নেপালের ২৪০ বছরের পুরানো রাজতন্ত্রের। হিন্দু রাষ্ট্র নেপাল পরিণত হয় ধর্মনিরপেক্ষ, যুক্তরাষ্ট্রীয় এবং গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে। এর ঠিক সতের বছর পর গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নেপালের গণতান্ত্রিক দিবসে প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ একটি ভিডিও বার্তা দেন। নেপালে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন জানান জনগণের কাছে। তার পরেই তৎপর হয়ে ওঠে রাজতন্ত্রের সমর্থক দলগুলি। গত ৯ মার্চ জ্ঞানেন্দ্রর সমর্থনে বিশাল মিছিল হয় নেপালে।জানা গিয়েছে, এদিনের এই প্রতিবাদ নেতৃত্বে ছিল নাওয়ারাজ সুবেদীর নেতৃত্বাধীন যৌথ আন্দোলন কমিটি। এছাড়াও, রাজেন্দ্র লিংডেনের নেতৃত্বাধীন রাজতন্ত্রপন্থী রাষ্ট্রীয় প্রজাতান্ত্রিক দল (আরপিপি)-ও এই আন্দোলনকে প্রকাশ্যে সমর্থন করে, যা ব্যাপকভাবে রাজতন্ত্রপন্থী দাবিগুলির সঙ্গে সহমত পোষণ করে। গত কয়েক মাসে নেপালের প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্রর প্রতি সমর্থন বেড়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই এদিন ব্যাপক অশান্তি হয় নেপালে।

    এদিকে, দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল (মাওবাদী সেন্টার)-এর প্রধান পুষ্পকমল দহল ওরফে প্রচণ্ডর হুঁশিয়ারি, রাজতন্ত্রের বাহিনীরা যেন স্বাধীনচেতা নেপালবাসী ও দেশের রাজনৈতিক দলগুলিকে দুর্বল না ভাবে। রাজা জ্ঞানেন্দ্র শাহ যেন ফের একই ভুল না করেন (Nepal Unrest)।

  • Nepal: মধ্যরাতে কেঁপে উঠল নেপাল, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৬.১, কম্পন অনুভূত বিহার, বাংলাতেও

    Nepal: মধ্যরাতে কেঁপে উঠল নেপাল, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৬.১, কম্পন অনুভূত বিহার, বাংলাতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নেপাল (Nepal)। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.১। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার নেপালের স্থানীয় সময় ২টো ৫১ মিনিট নাগাদ হঠাৎই কেঁপে ওঠে নেপালের মধ্য এবং পূর্বাংশ। ভূ-কম্পন অনুভূত হয় শিলিগুড়ি এবং পাটনাতেও। বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের (Earthquake) উৎসস্থল নেপালের সিন্ধুপালচক জেলার ভৈরবকুণ্ড। জানা গিয়েছে, মাটির অন্তত ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের উৎপত্তিস্থলটি। নেপালের বাসিন্দা গণেশ নেপালি সংবাদসংস্থা রয়টার্সকে বলেন, “আমরা ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ প্রচন্ড ঝাঁকুনিতে ঘম ভেঙে গেল। ভূমিকম্প বুঝতে পেরেই আমরা দৌড়ে পালিয়ে যাই বাড়ি থেকে।”

    আতঙ্কে অনেকেই ঘর বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন

    এনিয়ে নেপালের (Nepal) ভূমিকম্প পর্যবেক্ষক এবং গবেষণা সংস্থা কম্পনের মাত্রা ৬.১ বলে জানালেও জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিয়োসায়েন্সের মতে, এদিনের ভূমিকম্পের মাত্রা ৫.৬। অন্যদিকে ভারতের জাতীয় ভূকম্পন পরিমাপকেন্দ্র বা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি এবং আমেরিকার জিয়োলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, এদিনের কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫। ভূমিকম্পে বিহার, সিকিম, দার্জিলিং, শিলিগুড়িতেও বাড়িঘর কেঁপে ওঠে বলে খবর। আতঙ্কে অনেকেই ঘর বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। তবে সেভাবে কোথাও ক্ষতি হয়নি। নেপালের (Nepal) বেশ কিছু বাড়ি ও পুলিশ পোস্টে ফাটল দেখা গিয়েছে।

    কম্পন সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়েছে নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তে

    সেদেশের বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, কম্পন সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়েছে নেপাল (Nepal) ও তিব্বতের সীমান্তে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই এনিয়ে আতঙ্কে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন বলে জানিয়েছে বিভিন্ন সংবাদসংস্থা। তবে এখনও পর্যন্ত এই ভূমিকম্পে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর অবশ্য সেভাবে মেলেনি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ করছে বলে জানা গিয়েছে। ভূমিকম্পের উৎসস্থল যেখানে, সেই ভোটে কোশি এলাকার পুরসভার চেয়ারম্যান হলেন পাসাং শেরপা। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ভূমিকম্পের জেরে দুগুনাগড়িতে ধস নেমেছে। তবে আশেপাশে বাড়ি না থাকায় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।”

  • Solo Trekking in Nepal: হিমালয়ে সোলো-ট্রেকিং বন্ধের নির্দেশ! একা পর্বতারোহণে না নেপালের

    Solo Trekking in Nepal: হিমালয়ে সোলো-ট্রেকিং বন্ধের নির্দেশ! একা পর্বতারোহণে না নেপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোলো ট্রেকিং (Solo Trekking in Nepal) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল নেপাল। পর্বতারোহী বা অভিযাত্রীদের সুরক্ষার কথায় মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানায় নেপাল সরকার। মঙ্গলবার রাতে নেপাল গেজেটের মাধ্যমে সরকার ঘোষণা করেছে যে তারা ৮,০০০ মিটার উচ্চতার সব পর্বত শৃঙ্গের একক অভিযান নিষিদ্ধ করছে। নতুন নিয়মাবলী অনুযায়ী, ৮,০০০ মিটার বা তার বেশি উচ্চতার পর্বত শৃঙ্গের অভিযানে প্রতিটি দুই সদস্যের দলের সঙ্গে অন্তত একজন গাইড রাখতে হবে। এই বিধি এখন থেকে এভারেস্টসহ সব ৮,০০০ মিটার উচ্চতার পর্বতের জন্য প্রযোজ্য।

    কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল?

    এভারেস্ট-সহ (Solo Trekking in Nepal) বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ৮টি পর্বত অবস্থিত নেপালে। প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষেরা নেপাল আসেন শুধু ট্রেকিংয়ের লোভে। এভারেস্ট ছাড়াও মাউন্ট লোৎসে, অন্নপূর্ণা ইত্যাদি পর্বত শৃঙ্গের ট্রেকিং শুরু হয় নেপাল থেকে। কিন্তু এবার নেপালে একা-একা পর্বতারোহণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নেপালের পাহাড়ি পথ বেশ দুর্গম। হিমালয়ের কোলে একাধিক দুর্ধর্ষ ট্রেকিং রুট শুরু হয় নেপাল থেকেই। নেপালের হিমালয়ের বাঁকে বাঁকে রয়েছে রোমাঞ্চ। কিন্তু এই অ্যাডভেঞ্চারের মাঝে বিপদের মুখে কোনও পর্যটক পড়ুক, তা চায় না সে দেশের সরকার। তাই দুর্ঘটনা এড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল সরকার। হিমালয়ের আচরণ বোঝা কঠিন। অন্তত এ দেশে ঘুরতে আসা পর্যটকদের ক্ষেত্রে। প্রতি বছর নেপাল ভয়াবহ ভূমিকম্প, তুষারপাত ও তুষারঝড়ের সম্মুখীন হয়। তাছাড়া উচ্চতায় দেখা দেয় অক্সিজেনের সমস্যা। এমন পরিস্থিতিতে বিপদের মুখে পড়লে কিংবা দুর্ঘটনা শিকার হলে উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিল নেপাল সরকার।

    নয়া নির্দেশে কী কী বলা হয়েছে?

    নেপালের ট্যুরিজম (Solo Trekking in Nepal) বোর্ডের মতে, সরকারের এই সিদ্ধান্তে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। নেপালে ট্রেকিংয়ের জন্য এমন গাইড নিয়ে হবে যাঁর লাইসেন্স রয়েছে। গাইডরা দুর্গম পরিবেশ এবং পাহাড়ি পথের সঙ্গে পরিচিত। সুতরাং, এই গাইডদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিচ্ছে নেপাল সরকারের এই সিদ্ধান্ত। নতুন নিয়মের আওতায়, বিদেশি অভিযাত্রীদের জন্য এভারেস্টের দক্ষিণ রুটে বসন্তে ১৫,০০০ মার্কিন ডলার রাজস্ব ফি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ১১,০০০ ডলার। এছাড়া, শরতে রাজস্ব ফি বেড়ে ৭,৫০০ ডলার হয়েছে, যা আগে ছিল ৫,৫০০ ডলার। শীতকালীন অভিযান ফি ২,৭৫০ ডলার থেকে বেড়ে ৩,৭৫০ ডলার হয়েছে।

  • Kho Kho World 2025: খো-খো বিশ্বকাপে দ্বিমুকুট ভারতের, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পুরুষ ও মহিলা দল, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    Kho Kho World 2025: খো-খো বিশ্বকাপে দ্বিমুকুট ভারতের, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পুরুষ ও মহিলা দল, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস গড়ল ভারতের ছেলে ও মেয়েরা। জিতল উদ্বোধনী খো খো বিশ্বকাপ। প্রথমে নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল দেশের মেয়েরা। তার পর চ্যাম্পিয়ন হল পুরুষরাও। ফাইনালে নেপালকে ৫৪-৩৬ পয়েন্টে হারায় ভারতের ছেলেরা। তার আগে রবিবার নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ফাইনালে নেপালকে ৭৮-৪০ ব্যবধানে হারিয়ে দেয় মেয়েরা। প্রতিবেশী নেপালের বিরুদ্ধে পরিকল্পনা, দুরন্ত গতি এবং দক্ষতার মিশেলে এক দাপুটে পারফরম্যান্সে খেতাব এল ভারতের ঘরে।

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    প্রথম খো খো বিশ্বকাপে দ্বিমুকুট ভারতের। খো খো-তে উড়ল টিম ইন্ডিয়ার বিজয় পতাকা। ঐতিহাসিক জয়ের পরে ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘উদ্বোধনী খো খো বিশ্বকাপ জেতার জন্য ভারতীয় দলকে আন্তরিক অভিনন্দন। তোমাদের কঠোর পরিশ্রম, দৃঢ় সংকল্প এবং দলগত প্রচেষ্টার কারণে দেশ গর্বিত হয়েছে। এই জয় ভারতের প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলির মধ্যে একটিকে আরও আলোকিত করেছে, যা সারা দেশে অগণিত তরুণ ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রাণিত করবে। এই কৃতিত্ব পরবর্তী প্রজন্মকে এই খেলা অনুসরণ করার রাস্তা সুগম করবে।’

    ছেলেদের একাধিপত্য

    পুরুষদের ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে ডিফেন্স করার সিদ্ধান্ত নেয় নেপাল। কিন্তু প্রথম টার্নেই ২৬-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয় টার্নে ব্যবধান ছিল ২৬-১৮। তৃতীয় টার্নে সুরেশ ওয়াইকাররা পয়েন্টের ব্যবধান বাড়িয়ে করেন ৫৪-১৮। অবশ্য চতুর্থ টার্নে নেপাল কিছুটা লড়াই করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতের চ্যাম্পিয়ন হওয়া আটকাতে পারেনি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই নেপালকে ৪২-৩৭ পয়েন্টে হারিয়েছিল ভারত। শাসন ধরে রেখেছিল পরের ম্যাচগুলিতেও। সেমিফাইনালে দারুণ লড়াই করেও ভারতের পুরুষ দলের বিরুদ্ধে জিততে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার ফাইনালেও সেই দাপট ধরে রেখে নেপালের বিরুদ্ধে  মাঠে নেমেছিল তারা। 

    ভারতের মহিলা দলের দাপট

    অপরাজিত হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছে মেয়েরা। ফাইনালের আগে হারিয়েছে, ইরান, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ আফ্রিকাকে। আর আজ নেপালকে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে ভারতীয় মহিলা দল। শুরু থেকেই ভারতীয় অ্যাটাকাররা দাপট দেখাতে শুরু করেন। তিন ব্যাচ পর নেপালের মহিলারা সাত বার আউট হন। ভারতের ঝুলিতে আসে ১৪টি পয়েন্ট। অধিনায়ক প্রিয়াঙ্কা ইংলে স্বপ্নের ফর্মে ছিলেন। তিনি একের পর এক টাচ পয়েন্ট আনতে থাকেন। এর জেরেই ভারতীয় দলের পয়েন্ট হু হু করে বাড়তে থাকে। ভারতীয় দল ৩৪ পয়েন্টে পৌঁছে যায়। প্রথম টার্নের মাত্র ৫০ সেকেন্ডের মধ্যে নিজেদের তিন ডিফেন্ডারকে হারিয়ে ফেলে নেপাল। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের গতি কিছুটা কমানোর চেষ্টা করে নেপাল। দায়িত্ব দেওয়া হয় পুনম, নিশাদের। কিন্তু তাঁরা খুব একটা কার্যকর হননি। বরং ভারতীয় মেয়েরা নিজেদের ছন্দ বজায় রাখেন। নেপালকে কার্যত দাঁড়াতেই দেননি। 

    অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তা

    ঐতিহাসিক জয়ের পরে ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। তিনি বলেন, ‘অপরাজিত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। উদ্বোধনী খো খো বিশ্বকাপ জেতার জন্য ভারতীয় মহিলা খো খো দলকে আন্তরিক অভিনন্দন।’ ভারতীয় দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুবরাজ সিং, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। 

    ভারতীয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীশও। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Earthquake: শীতের সকালে তিব্বতে জোরালো ভূমিকম্প! তীব্রতা ৭.১, কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু থেকে কলকাতা

    Earthquake: শীতের সকালে তিব্বতে জোরালো ভূমিকম্প! তীব্রতা ৭.১, কেঁপে উঠল কাঠমান্ডু থেকে কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের সকালে কেঁপে (Earthquake) উঠল কলকাতা। মঙ্গলবার যখন ভালো করে ঘুম ভাঙেনি শহরবাসীর, তখনই আচমকা কেঁপে ওঠে কলকাতা ও আশপাশের এলাকা। শুধুমাত্র দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও অনুভূত হয়েছে প্রবল কম্পন। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল তিব্বত। এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর মেলেনি। প্রথম কম্পনটি হয় সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৭.১।

    তিব্বতই কম্পনের উৎস

    সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, নেপালের লোবুচে থেকে ৯৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এই কম্পনের (Earthquake) উৎসস্থল। গভীরতা ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। উৎসস্থলে ক্ষয়ক্ষতি কতটা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পর পর কম্পন অনুভূত হয়েছে একই অঞ্চলে। দ্বিতীয় কম্পনটি হয় সকাল ৭টা ২ মিনিটে। তীব্রতা ছিল ৪.৭। এর পাঁচ মিনিট পরে আবার তৃতীয় কম্পন, সকাল ৭টা ৭ মিনিটে। তৃতীয় কম্পনের তীব্রতা ছিল ৪.৯। প্রথম দু’টি ভূমিকম্প হয়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। তৃতীয়টি ৩০ কিলোমিটার গভীরে। ছ’মিনিট পরে আরও একটি কম্পন অনুভূত হয়, যার তীব্রতা ছিল ৫.০। তিব্বতের অপর একটি শহর শিগাতসে শহরে ৬.৮ তীব্রতার ভূমিকম্প হয়েছে বলে দাবি করেছে চিন। শিগাতসে হল তিব্বতের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে কম্পনের পর আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন অনেকে। ভুটান এবং চিনের কিছু অঞ্চলেও কম্পন টের পাওয়া গিয়েছে।

    ভারতে বিভিন্ন জায়গায় কম্পন

    মঙ্গলবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই ভূমিকম্পের (Earthquake) জেরে রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু করে বিহার পর্যন্ত কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভারত-নেপাল সীমান্তবর্তী অঞ্চলেও টের পাওয়া গিয়েছে কম্পন। উত্তরবঙ্গের কিছু অঞ্চলেও মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে। কেঁপেছে কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। এছাড়া জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, দুই দিনাজপুরের মানুষও এদিন কম্পন অনুভব করেছেন। সিকিম, অসমের কিছু অঞ্চলেও ভূমিকম্প টের পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share