Tag: Nepal

Nepal

  • Women’s Asia Cup 2024: নেপালকে ৮২ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের মেয়েরা

    Women’s Asia Cup 2024: নেপালকে ৮২ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের মেয়েরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপে বিধ্বংসী মেজাজে নেপালকে ৮২ রানে হারিয়ে (India vs Nepal) সেমিফাইনালে উঠল ভারতীয় মেয়েরা। মঙ্গলবার এই ম্যাচে জয়ের মধ্য দিয়ে সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা পুরোপুরি নিশ্চিত করলেন স্মৃতি মন্ধানারা। অন্যদিকে ভারতের এই জয়ের সঙ্গে মেয়েদের এশিয়া কাপের (Women’s Asia Cup 2024) সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল পাকিস্তানও। 

    ভারতীয় দলের অধিনায়কত্বের দায়িত্বে স্মৃতি মন্ধনা 

    এশিয়া কাপে (Women’s Asia Cup 2024) মঙ্গলবার ভারত-নেপাল ম্যাচ (India vs Nepal) হয়েছে শ্রীলঙ্কার ডাম্বুলা শহরের রণগিরি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ভারত। হরমনপ্রীত কৌর এই ম্যাচে খেলেননি। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দেন মন্ধানা। মন্ধানার নেতৃত্বে শেফালি বর্মার সঙ্গে পাঠানো হয় দয়ালান হেমালতাকে। তাঁরা মিলে ১২২ রানের জুটি গড়েন। প্রথম উইকেট হিসেবে আউট হন হেমলতাই। ৪২ বলে ৪৭ রানে মূলত ইনিংস অ্যাঙ্কর করেন।

    আরও পড়ুন: অলিম্পিক্স ফুটবলের প্রথম দিনই মাঠে নামছে ইউরো জয়ী স্পেন ও কোপা আমেরিকা জয়ী আর্জেন্টিনা

    অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস শেফালির (Women’s Asia Cup 2024) 

    অন্যদিকে মেয়েদের এশিয়া কাপে একমাত্র সেঞ্চুরি হয়েছে দু-দিন আগেই। শ্রীলঙ্কার চামারি আতাপাত্তু ইতিহাস গড়েছেন। এদিনের ম্যাচেও হয়তো দ্বিতীয় সেঞ্চুরিয়ও পাওয়া যেত। বিধ্বংসী ব্যাটিং করছিলেন শেফালি ভার্মা। কিন্তু নেপালের বাঁ হাতি স্পিনার শর্ট লেন্থে বোলিং করেন, অফ স্টাম্পের বেশ কিছুটা বাইরে। শেফালি স্টেপ আউট করেছিলেন। বড় শট খেলার চেষ্টা করলেও বলের লাইন মিস হয়। তবে স্টাম্পিং মিস করেননি নেপালের কিপার। ফলে ৪৮ বলে ৮১ রানে খেলা শেষ করেন শেফালি। তিনি আউট হন ইনিংসের ১৬তম ওভারে। ফলে সেঞ্চুরির দুর্দান্ত সুযোগ মিস করে শেফালি।  
    উল্লেখ্য, এদিন নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট নিয়ে দ্রুত ম্যাচ (Women’s Asia Cup 2024) শেষ করাই টার্গেট ছিল ভারতীয় বোলারদের। যদিও নেপালকে অলআউট করতে পারেনি ভারত। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ৯৬ রান করে নেপাল। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে অভিজ্ঞ অফস্পিনার দীপ্তি শর্মা মাত্র ১৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন অরুন্ধতী রেড্ডি ও রাধা যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Nepal Relation: নয়া প্রধানমন্ত্রী ওলি, কোন খাতে বইবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের জল?

    India Nepal Relation: নয়া প্রধানমন্ত্রী ওলি, কোন খাতে বইবে ভারত-নেপাল সম্পর্কের জল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma  Oli)। ১৫ জুলাই, সোমবার সে দেশের রাষ্ট্রপতি ভবন ‘শীতল নিবাসে’ গিয়ে শপথবাক্য পাঠ করেন ওলি। নয়া (India Nepal Relation) প্রধানমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি রামচন্দ্র পৌডেল। এ নিয়ে চতুর্থবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী পদে বসলেন বছর বাহাত্তরের ওলি। তাঁর নয়া মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়েছে বাইশজনের।

    প্রচণ্ডের পরাজয় (India Nepal Relation)

    শুক্রবারই আস্থা ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কুমার দহল ওরফে প্রচণ্ড। নেপালের সংসদে তাঁর পক্ষে পড়ে মাত্র ৬৩ জন সাংসদের ভোট। যদিও সরকার বাঁচানোর জন্য প্রয়োজন ছিল ১৩৮ জনের সমর্থন। নেপালি সংসদের আসন সংখ্যা ২৭৫। আস্থা ভোটে হেরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন প্রচণ্ড। এক সময় ভারত-বিরোধী কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন ওলি। তারপর থেকেই ভাঁটা পড়ে ভারত-নেপাল সম্পর্কে। চিনের কমিউনিস্ট সরকারের সঙ্গে হাত মেলান কমিউনিস্ট ওলি। তার জেরেই ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভে’র অধীনে বিভিন্ন প্রকল্পে বেজিংয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে নেপাল।

    ভারত-নেপাল সম্পর্ক কোন পথে

    ২০১৫ সালের ভারত-বিরোধী (India Nepal Relation) অবস্থান নিয়েছিলেন ওলি। গত ন’বছরে পৃথিবীর ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে সময়ের স্রোত। নয়া ওলি সরকার চাইছে, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে। ওলির দলের তরফে বলা হয়েছে, নেপাল এবার তার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব গড়ে তুলবে। সে দেশের মাটিতে আর ভারত-বিরোধী কোনও শক্তিকে মাথা তুলতে দেবে না। ওলির দলের এক প্রবীণ নেতা বলেন, “ওলি জানিয়েছেন তাঁর এই দফার মেয়াদে ভারত-নেপাল সম্পর্ককে এক নয়া উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান তিনি।”

    আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    এদিকে প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর ওলিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি যে তাঁর সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে রয়েছেন, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত-নেপালের মধ্যে যে দীর্ঘ দিন ধরে সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে, সেই সম্পর্ক যাতে বজায় থাকে, সে ব্যাপারেও তাঁর আগ্রহের কথা ওলিকে (KP Sharma  Oli) জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (India Nepal Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bhanubhakta Acharya: আজ ভানুজয়ন্তী,  আদিকবি ভানুভক্তকে চেনেন?

    Bhanubhakta Acharya: আজ ভানুজয়ন্তী,  আদিকবি ভানুভক্তকে চেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভানুভক্তকে (Bhanubhakta Acharya) চেনেন? চিনবেন কি করে? তবে জেনে রাখুন এই মহান মানুষটির অমর কীর্তিগাথা। নেপালের আদিকবি (Nepali Poet) তিনি। পুরো নাম ভানুভক্ত আচার্য। নেপালি ভাষায় ‘রামায়ণ’ অনুবাদ করায় সারা বিশ্বে সমাদৃত এই নেপালি কবি। আদত নাম যাই হোক না কেন, সাহিত্যিক থেকে সাধারণ মানুষ, সর্বত্রই তিনি পরিচিত ভানুভক্ত নামেই। নেপালের পাশাপাশি ভারতের দার্জিলিং, সিকিম, ভুটান মায় মায়ানমারের লোকজনও মর্যাদার সঙ্গে পালন করেন ভানুজয়ন্তী।

    ভানুভক্ত (Bhanubhakta Acharya)

    ১৮১৩ সালের ১৩ জুলাই জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভানুভক্ত। নেপালের তনহুঁ জেলার রামঘা গ্রামের এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম। পিতা ধনঞ্জয়ের আচার্য ছিলেন সরকারি কর্মচারী। ভানু পরিবারের বড় ছেলে। প্রাথমিক পাঠ পিতামহের কাছে, বাড়িতেই। পরে সংস্কৃত শিখতে তিনি চলে আসেন বারাণসীতে। সংস্কৃত শিখে নেপালি ভাষায় ‘রামায়ণে’র মতো মহাকাব্য অনুবাদ করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তিনি। তাঁর জন্মদিনে নেপালি জনগণ তাঁদের সংস্কৃতি ও ভাষা সংরক্ষণ এবং সমৃদ্ধ করার শপথ নেন।

    ভানুভক্তকে শ্রদ্ধার্ঘ

    ভানুভক্ত সম্পর্কে বলতে গিয়ে নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা বলেছিলেন, “ভানুভক্ত (Bhanubhakta Acharya) এমন একজন বীর যিনি ভাষাতত্ত্বের মাধ্যমে সকলকে একত্রিত করেছেন। তাঁর সৃষ্টি মেচি থেকে মহাকালী পর্যন্ত সকলকে একত্রিত করেছে।” সিকিমে ভানুভক্তের মূর্তিও রয়েছে। ভানুভক্ত সম্পর্কে অগাধ শ্রদ্ধা বাংলার বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরও। তিনি বলেছিলেন, “আদিকবি উপাধি দিয়ে অমর হয়ে গিয়েছেন ভানুভক্ত আচার্য। নেপালি ভাষায় সাহিত্যকর্ম নথিভুক্ত করার জন্য এবং মহান মহাকাব্য রামায়ণ সংস্কৃত থেকে নেপালি ভাষায় অনুবাদ করার জন্য সর্বদা সম্মানিত হবেন।”

    আর পড়ুন: ব্রিটেনের কুর্সিতে লেবার পার্টি, স্টার্মার-রাজত্বে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক কেমন হবে?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভানুভক্তের ‘রামায়ণ’ই সম্ভবত নেপালি ভাষায় অনূদিত প্রথম কোনও সংস্কৃত সাহিত্য। প্রসঙ্গত, ভানুভক্তই প্রথম ব্যক্তি, যিনি নেপালি ভাষায় কবিতা লিখতে শুরু করেন। তাই ‘আদিকবি’ সম্মানে ভূষিত করা হয় তাঁকে। ফি বছর ১৩ জুলাই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় ভানুভক্তের জন্মদিন। নেপালি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী দিনটি হল ২৯ আষাঢ়। ভানুভক্তের লেখার মূল বৈশিষ্ট্য হল ধর্মীয় অনুভূতি, সরলতা বোধ এবং দেশের প্রতি উষ্ণ আবেগ, যার পরিচয় সমকালীন অন্য কোনও কবির লেখায় মেলে না।

    প্রতি বছর নেপাল সরকার মর্যাদা সহকারে পালন করেন ভানুভক্তের জন্মদিন। নেপালের বাসিন্দারা তো বটেই, বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নেপালি ভাষাভাষীর মানুষজন এই দিনে মহান এই কবিকে (Bhanubhakta Acharya) স্মরণ করেন শ্রদ্ধার সঙ্গে (Nepali Poet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nepal PM: নেপালে পালাবদল! তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কেপি শর্মা ওলি

    Nepal PM: নেপালে পালাবদল! তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কেপি শর্মা ওলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালে পালাবদল। সম্প্রতি নেপালের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী (Nepal PM) পুষ্পকমল দহল ওরফে প্রচণ্ডকে ভোটে হারিয়ে শের বাহাদুর দেউবার নেতৃত্বাধীন নেপালি কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma Oli)। শুক্রবার ১২ জুলাই আস্থাভোটে ২৭৫ সদস্যের হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসের ২৫৭ জন ভোট দিয়েছিলেন। প্রচণ্ডকে সমর্থন করেছেন মাত্র ৬৩ জন। আর বাকি ১৯৪ জন বিরোধিতা করেছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নেপাল পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে বিজয়ী হয়েছেন কেপি শর্মা ওলি। 

    প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা পুষ্পকমল দহলের (Nepal PM) 

    শুক্রবার নেপাল পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজ়েনটেটিভসে আস্থাভোট পরাজিত হওয়ার পরে প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন মাওয়িস্ট সেন্টারের প্রধান প্রচণ্ড। তার আগেই অবশ্য নেপালি কংগ্রেস-সিপিএন (UML) জোটের কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষিত হয়েছিল। জানা গিয়েছে, শনিবার ১৩ জুলাই আনুষ্ঠানিক ভাবে জোট সরকারের প্রধান হিসাবে ‘চিনপন্থী’ নেতা কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল (ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট লেনিনিস্ট)-এর প্রধান কেপি শর্মা ওলির নাম ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে জল্পনা ছিল। যদিও নেপালি কংগ্রেসের ৮৯ জন এবং কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল (CPN)-এর ৭৮ মিলিয়ে মোট ১৬৭ জন সংসদের সমর্থন ওলির সঙ্গে রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন চর্চা হবে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে! কবে থেকে শুরু পঠনপাঠন?

    আগের ইতিহাস 

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালের নভেম্বরে নেপালের সাধারণ নির্বাচনে নেপালি কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেধে লড়েছিল প্রচণ্ডের মাওয়িস্ট সেন্টার। কিন্তু জোটে জেতার পরেই দেউবাকে ছেড়ে ওলির সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী (Nepal PM) হয়েছিলেন প্রচণ্ড। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের মধ্যপর্বে ওলির সঙ্গে মতবিরোধের সময় দেউবার সমর্থন নিয়ে কাঠমান্ডুর কুর্সি বাঁচিয়েছিলেন একদা গেরিলা যোদ্ধা। মোট চার বার জোট বদলে গদি বাঁচালেও এবার ‘চিনপন্থী’ ওলি (KP Sharma Oli) ‘জাতীয়তাবাদী’ দেউবার সঙ্গে হাত মেলানোয় আইনসভার গণিতের হিসাবে প্রচণ্ড তাঁর গদি হারান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nepal Bus Accident: ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ ধস নেপালে! রাস্তা থেকে নদীতে পড়ল ২টি বাস, নিখোঁজ ৬৩ জন

    Nepal Bus Accident: ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ ধস নেপালে! রাস্তা থেকে নদীতে পড়ল ২টি বাস, নিখোঁজ ৬৩ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও বিপর্যয় নেপালে। ভারী বৃষ্টি এবং ধসের জেরে রাস্তা থেকে ছিটকে খরস্রোতা ত্রিশূলি নদীতে গিয়ে পড়ল দুটি যাত্রীবোঝাই বাস (Nepal Bus Accident)। শুক্রবার সকালে নেপালের মদন-আশ্রিত মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী দুর্ঘটনায় দুটি বাস মিলিয়ে নিখোঁজ ৬৩ জন যাত্রী। দুর্ঘটনার পরেই নদীতে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। তবে একনাগাড়ে বৃষ্টির জেরে নিখোঁজ বাসগুলির সন্ধান পেতে নাজেহাল হতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলকে। ইতিমধ্যেই এই দুর্ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল ওরফে ‘প্রচণ্ড’। 

    কীভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা? (Nepal Bus Accident)

    উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ধরেই নেপালের বড় অংশে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। রাস্তায় ধস (Nepal Landslide) নামার ঘটনাও ঘটেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোর ৪টে নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। সেই সময় নেপালের চিতওয়ান জেলার মদন-আশ্রিত সড়ক ধরে এগোচ্ছিল দুটি বাস। দুটি বাসই নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর দিকে যাচ্ছিল। তবে ভারী বৃষ্টির কারণে রাস্তায় হঠাৎ ধস নামে। তখনই দুটি বাস ছিটকে গিয়ে পড়ে পাশ দিয়ে বয়ে চলা ত্রিশূলি নদীতে। ভেসে যান যাত্রীদের প্রায় সকলেই। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা। তড়িঘড়ি শুরু হয় উদ্ধারকাজ। নিখোঁজদের মধ্যে ৭ জন ভারতীয় রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷ 

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ নেপালের প্রধানমন্ত্রীর

    ঘটনায় (Nepal Bus Accident) শোকপ্রকাশ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল৷ দ্রুত তল্লাশি অভিযান শেষ করে সকলকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷ এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘‘নারায়ণগড়-মুগলিন সড়কে ভূমিধসের ঘটনায় নদীতে তলিয়ে গিয়েছে বাস৷ ভয়াবহ এই ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত৷ প্রশাসনের সমস্ত সংস্থাকে দ্রুত অনুসন্ধান এবং উদ্ধারকার্যের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷’’

    আরও পড়ুন: সেনার নমিনি নিয়মে বদলের আর্জি ক্যাপ্টেন অংশুমান সিং-এর বাবা-মার

    দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বাতিল সব ফ্লাইট 

    অন্যদিকে, আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকায় কাঠমান্ডু থেকে ভরতপুরগামী সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্ষার মরশুম শুরু হওয়ার পর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগে সারাদেশে ১ হাজার ৫৮টি পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। পাশাপাশি নেপালে বৃষ্টিজনিত ঘটনায় কমপক্ষে ৬২ জন নিহত এবং ৯০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে থেকে ভূমিধসে (Nepal Landslide) ৩৪ জন এবং টানা বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও ভারী বৃষ্টিপাতের জেরে সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কমপক্ষে ১২১টি বাড়ি প্লাবিত হয়েছে এবং ৮২টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh MP Death: কলকাতায় চিকিৎসার নামে অর্থ পাচার! বাংলাদেশের সাংসদ-খুনে অভিযুক্ত ধৃত নেপালে

    Bangladesh MP Death: কলকাতায় চিকিৎসার নামে অর্থ পাচার! বাংলাদেশের সাংসদ-খুনে অভিযুক্ত ধৃত নেপালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের সাংসদ (Bangladesh MP Death) আনোয়ারুল আজিমের খুনে অভিযুক্ত সিয়ামকে কাঠমান্ডুতে গ্রেফতার করেছে নেপাল (Nepal) পুলিশ। তাকে কলকাতায় আনার তোড়জোড় শুরু করেছে সিআইডি। অন্যদিকে, তদন্তে নেমে সিআইডি জানতে পেরেছে সীমান্ত পেরিয়ে সোনা পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন নিউটাউনে খুন হওয়া বাংলাদেশের ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাংসদ আনোয়ারুল।  প্রতিবেশী দেশে অনেকেই তাঁকে ‘সোনার আনার’ বলেও ডাকেন। শুধু সোনা নয় বিদেশে পাচার হত টাকাও। 

    দেহ মেলেনি এখনও

    বাংলাদেশের সাংসদ (Bangladesh MP Death) আনোয়ারুলের দেহ এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁর দেহ খুঁজতে ভারতীয় নৌবাহিনীরও সাহায্য নেওয়া হয়েছে। ভাঙড়ের বাগজোলা খালে আনোয়ারুলের দেহ ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে সন্দেহ সিআইডি-র। কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েও এখনও আনোয়ারুলের দেহাংশের খোঁজ পায়নি সিআইডি।

    অপরাধীদের খোঁজে নেপালে 

    আজিম-খুনে অপরাধীদের ধরতে নেপালেও পাড়ি দিয়েছিল সিআইডি-র দল। সেখানকার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা। সিআইডি সূত্রের খবর, এই খুনের (Bangladesh MP Death) মামলার মূল অভিযুক্ত আখতারুজ্জামান ওরফে শাহিনের খোঁজ চলছে। অনুমান, শাহিন কলকাতা থেকে নেপাল হয়ে আমেরিকায় পালিয়ে গিয়েছেন। তিনি আমেরিকারই বাসিন্দা। তাই তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য আমেরিকার প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগও শুরু করা হয়েছে। সেই শাহিনেরই অন্যতম প্রধান সহযোগী সিয়াম। নেপাল (Nepal) থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সাংসদ-খুনের পরিকল্পনা কার্যকর করার বিভিন্ন ধাপে সিয়ামের কার্যকর ভূমিকা ছিল বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। অন্য দিকে, বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগও সিয়ামকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগী।

    চিকিৎসার নামে টাকা-সোনা পাচার

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে গত কয়েক বছর ধরে কয়েক জন বাংলাদেশি বিপুল টাকা ভারতে এনে তা বিনিয়োগ করেছেন সোনা পাচারের মতো বেআইনি কারবারে। সেই টাকার একাংশ অপরাধ জগতেও লগ্নি করা হয়েছে। ‘মেডিক্যাল ট্যুরিজম’-কে সামনে রেখে বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচারের পিছনেও কাজ করত খুন হওয়া বাংলাদেশের সাংসদ (Bangladesh MP Death) আজিমের মাথা। 

    আরও পড়ুন: “ভারতীয় মিডিয়াতে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন”, রামোজি রাওয়ের প্রয়াণে শোকবার্তা মোদির

    কীভাবে চলে পাচার

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অভিযোগ, বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর কয়েক হাজার মানুষ ভারতে চিকিৎসা করাতে আসেন। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তাঁদের জন্য বিশেষ ‘মেডিক্যাল ভিসা’-র বন্দোবস্ত করে দিল্লি। বাংলাদেশি রোগীরা কলকাতা ছাড়াও হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি ও মুম্বইয়ের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান। বেসরকারি এই হাসপাতালগুলিতে ভারতীয়দের চিকিৎসার পুরো খরচ নগদে দেওয়ার সুযোগ না থাকলেও, বাংলাদেশিদের সেই সুযোগ দেওয়া হয়। কারণ, সে দেশের অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা ভারতে অচল। অভিযোগ, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পাচারকারীরা গত কয়েক বছর ধরে চিকিৎসার ছুতোয় কোটি কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে এ দেশে এনেছে। চিকিৎসার টাকা পরে চলে গিয়েছে নিষিদ্ধ ব্যবসায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ৮ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন জানেন?

    PM Modi: ৮ জুন মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান, কারা কারা উপস্থিত থাকবেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮ তারিখে তৃতীয়বারের জন্য শপথ নিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশকে। সরকারি সূত্রেই এ খবর মিলেছে। বুধবারই বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের নেতারা। লোকসভার ৫৪৩টি আসনে নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে এনডিএ জিতেছে ২৯২টি আসনে। সূত্রটি জানিয়েছে, মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল এবং মরিশাসের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।

    কী বলছে শ্রীলঙ্কা? (PM Modi)

    শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিংহের অফিসের তরফে জানানো (PM Modi) হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিক্রমসিংহে আমন্ত্রণ গ্রহণও করেছেন। মোদির জয়ে তাঁকে ফোনে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। এই সময়ই বিক্রমসিংহকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট সেই আমন্ত্রণ গ্রহণও করেছেন।

    আসছেন কারা?

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও ফোনে কথা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই সময়ই হাসিনাকেও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান তিনি। জানা গিয়েছে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহল প্রচণ্ড, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবীন্দ জুগানাউথকেও। প্রচণ্ডের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আলাদা করেও কথা হয়েছে। ফোনে আমন্ত্রণ জানানো হলেও, বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতাদের অফিসিয়ালি নিমন্ত্রণ জানানো হবে আজ, বৃহস্পতিবার থেকে। ২০১৪ সালে যখন প্রথমবারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি, সেই সময় উপস্থিত ছিলেন সার্কের (SAARC) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানরা। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের পর যখন দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন মোদি, তখন উপস্থিত ছিলেন বিমস্টেক (BIMSTEC) দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানরা।

    আর পড়ুন: সরকার গড়ার সংখ্যা নেই, ‘ইন্ডি’ জোট বসবে বিরোধী আসনেই

    প্রসঙ্গত, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই পেয়েছে ২৪০টি আসন। এনডিএ পেয়েছে ২৯২টি কেন্দ্রের রাশ। সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২টি আসন। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার জন্যই রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছে এনডিএ (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Seema Haider: গ্রামীণ ভারতীয় মহিলার মতো সাজতে প্রশিক্ষণ নেন সীমা! দাবি গোয়েন্দাদের

    Seema Haider: গ্রামীণ ভারতীয় মহিলার মতো সাজতে প্রশিক্ষণ নেন সীমা! দাবি গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমার (Seema Haider) আদব-কায়দা এবং সাজপোশাক দেখে মনে হতেই পারে একেবার প্রান্তিক ভারতীয় মহিলা। তবে গোয়েন্দারা জানাচ্ছেন, ঠিক এমনভাবে সাজতে পেশাদার পোশাকশিল্পীদের সাহায্য নিয়েছিলেন সীমা হায়দার! ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্র মারফত আরও খবর মিলেছে, ভারতীয় প্রান্তিক মহিলাদের পোশাক, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে একেবারেই ওয়াকিবহাল ছিলেন না সীমা (Seema Haider)। আর সেই কারণেই তাঁকে মেক-আপ নিতে হয়। শুধু তাই নয়, চার সন্তানের ড্রেস কোড কেমন, হবে তা ঠিক করেন পাবজি প্রেমিকা। গোয়েন্দারা আরও জানিয়েছেন, নেপাল সীমান্তে মানবপাচারের কাজে যুক্ত থাকা অনেক মহিলা এক বিশেষ পোশাক পরেন। সীমা সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। আবার গোয়েন্দাদের ভাবাচ্ছে বিভিন্ন ভাষার ওপর সীমার দক্ষতা। নিজেকে ফাইভ পাশ পরিচয় দিলেও সীমা গড়গড় করে ইংরেজি বলছেন।

    ২০১৯ থেকে সীমা-সচিনের পরিচয় 

    সীমার (Seema Haider) দাবি অনুযায়ী, অনলাইন গেম পাবজি খেলার সময় ২০১৯ সালে সচিনের সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। সেখান থেকেই নাকি প্রেম। ২২ বছরের সচিনের প্রেমে পড়ে পাকিস্তান থেকে ছুটে আসেন ৩০ বছরের সীমা। তাঁর সঙ্গে আসে চার সন্তান, যাদের সবার বয়সই সাত বছরের কম। ভিসা ছাড়া নেপাল হয়ে বেআইনি ভাবে ভারতে প্রবেশ করেন সীমা। এই অভিযোগে ৪ জুলাই গ্রেফতার হন সীমা। তাঁকে আশ্রয় দিয়ে গ্রেফতার হন সচিন এবং তাঁর বাবা নেত্রপাল। পরে জামিনে ছাড়াও পান তাঁরা।

    কাঠমাণ্ডুর হোটেলে থাকেন তাঁরা ভারতে আসার আগে

    গোয়েন্দারা আরও জানাচ্ছেন, ভারতে আসার আগে সীমা (Seema Haider) ও সচিন দু’জনেই বেনামে হোটেল ঘর বুক করে এক সপ্তাহ ছিলেন কাঠমাণ্ডুতে। স্থানীয় ‘নিউ বিনায়ক হোটেল’-এর ২০৪ নম্বর রুমে ছিলেন সীমা-সচিন। তবে এই হোটেলের রেজিস্টার থেকে যুগলের নাম কোথাও পাওয়া যাবে না। কারণ, বেনামে হোটেল বুক করেছিলেন এই দম্পতি। জানা গিয়েছে হোটেলের এক কর্মী গণেশ রোকামগারের ছেলেমেয়েদের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে রিল শ্যুট করেছিলেন সচিন ও সীমা! আর সেটাই প্রমাণ ওই হোটেলে তাঁদের উপস্থিতির। হোটেল কর্মী বলছেন, ‘‘সচিন একাই এসে প্রথমে রুম বুক করেছিলেন। বলেছিলেন, তাঁর স্ত্রী পরে আসবেন। হোটেল বুক করার সময় কোনও আইডি কার্ড জমা দেননি তাঁরা। শুধুমাত্র নিজেদের নাম রেজিস্টার খাতায় লিখে দিয়েছিলেন। যদিও সেটা নকল ছিল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nepal: মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ! পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত খ্রিস্টান জনসংখ্যা বাড়ছে নেপালে

    Nepal: মিশনারিদের বিরুদ্ধে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ! পৃথিবীর মধ্যে দ্রুত খ্রিস্টান জনসংখ্যা বাড়ছে নেপালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর মধ্যে খ্রিস্টান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নেপালে সবথেকে বেশি। পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৬১ সালে যেখানে নেপালে মাত্র ৪৫৮ জন খ্রিস্টান বাস করতেন, সেখানে ২০১১ সালের সেনসাসে মোট জনসংখ্যার ১.৪ শতাংশ মানুষ খ্রিস্টান ছিলেন। আবার, ২০২২ সালে এই সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে দেশের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ। নেপালের এই ডেমোগ্রাফিক পরিবর্তনে বিপদ দেখছেন অনেকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামাজিক এবং ধর্মীয় বিন্যাস ক্রমশই বদলে যাচ্ছে নেপালে। বিশেষজ্ঞদের মতে নেপালের সামাজিক এবং ধর্মীয় বিন্যাস স্থিতিশীল ছিল ২০০৬ পর্যন্ত। তখন নেপাল ছিল একটি হিন্দু রাষ্ট্র। কিন্তু পরবর্তীতে নেপাল ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে যখন থেকে আত্মপ্রকাশ করে, তখন থেকে সুযোগটা নিতে থাকে মিশনারিরা।

    সেদেশে ৬৫ বছর ধরে কাজ করে চলেছে United Mission নামের একটি সংগঠন

    সেদেশের হিন্দু বৌদ্ধরা এই ধর্মান্তকরণের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। তবুও কাজ সেভাবে হচ্ছেনা বলেই জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে জানা যাচ্ছে নেপালের সংবিধানে ধর্মান্তকরণের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারা রয়েছে, তবে তা শুধুমাত্র সংবিধানেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে তার কোনও প্রয়োগ দেখতে পাওয়া যায়না। আন্তর্জাতিক খ্রীস্টান সংগঠনগুলি থেকে ব্যাপক ফান্ডিং আসে নেপালে। মিশনারিরা ধরেই নিয়েছেন যে নেপাল হল তাদের সহজ লক্ষ্যবস্তু। তারা প্রতি মুহূর্তে সক্রিয় ধর্মান্তকরণের কাজে। জানা যাচ্ছে সেদেশে ৬৫ বছর ধরে কাজ করে চলেছে United Mission নামের একটি সংগঠন। খাতায় কলমে দেখায় যে তারা গরিব এবং জনকল্যাণমূলক কাজ করে, কিন্তু আদতে তাদের লক্ষ্য নেপালকে খ্রীস্টান রাষ্ট্র বানানো। এই কাজে তাদের সাহায্য করে চলেছে বিভিন্ন খ্রীস্টান এনজিও।

    উত্তর নেপালে মিশনারিদের এই প্রভাব সবথেকে বেশি

    উত্তর নেপালে মিশনারিদের এই প্রভাব সবথেকে বেশি বলে জানা যাচ্ছে। গরিব মানুষদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে, তাদের ভাল জীবন ও জীবিকার স্বপ্ন দেখিয়ে খ্রিস্টান মিশনারিরা ধর্মান্তকরণ করে চলেছে।  “to make Christ known by word and life”……. এই নামে চলছে প্রচার অভিযান। অন্যদিকে মুসলিম সংগঠনের নেতারা এবং খ্রীস্টান সংগঠনগুলি লাগাতার দাবি জানিয়ে আসছে ধর্ম পরিবর্তনের অধিকারকে মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দানের জন্য। ২০১৪ সালে সেদেশের ব্রিটিশ দূত বলেন, ব্যক্তির নিজ ইচ্ছায় ধর্ম পরিবর্তনকে আমরা সর্বদাই সমর্থন করি। ধর্ম পরিবর্তনের অধিকারকে সদা সুরক্ষিত রাখব আমরা।

    গসপেল অফ ট্রুথ কেন প্রচার করা হচ্ছে গরিব মানুষের সেবা কাজে 

    সেদেশের খ্রিস্টান মিশনারিরা অবশ্য এসব অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে বলছে, আমরা কাউকে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ করছিনা। সবাই নিজেদের জীবনকে সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বানানোর জন্য খ্রিস্টান হচ্ছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে সবাই যখন নিজের ইচ্ছায় খ্রিস্টান হচ্ছে, তবে বাইবেলের সঙ্গে তাদের টাকা কেন দেওয়া হচ্ছে? গসপেল অফ ট্রুথ কেন প্রচার করা হচ্ছে গরিব মানুষের সেবা কাজে?

    সবথেকে বেশি ধর্মান্তকরণের কাজ মিশনারিরা করেছে ২০১৫ সালে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের সময় 

    বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, সবথেকে বেশি ধর্মান্তকরণের কাজ মিশনারিরা করেছে ২০১৫ সালে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পের সময়। সেসময় সেবা কাজের অজুহাতে তারা ব্যাপক ধর্মান্তকরণ চালাতে থাকে। ভূকম্প বিধ্বস্ত নেপালে তখন ঘরবাড়ি হারান বহু সংখ্যক মানুষ, তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে এগিয়ে আসে মিশনারিরা।

    একনজরে….

    ১৯৫১ সালে মোট খ্রিস্টান সংখ্যা –  ০

    ১৯৬১ সালে মোট খ্রিস্টান সংখ্যা- ৪৫৮

    ২০১১ সালে মোট খ্রিস্টান সংখ্যা- ৩,৭৬,০০০

    ২০২২ সালে মোট খ্রিস্টান সংখ্যা- ৫,৪৫,০০০

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • War In Russia: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    War In Russia: “রাশিয়ার যুদ্ধে ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান”, ভারতের কাছে কাতর আর্জি ৪ নেপালির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাশিয়ার যুদ্ধে (War In Russia) ফেঁসে গিয়েছি, বাঁচান।” নরেন্দ্র মোদির দেশের কাছে এই কাতর আবেদন যাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা ভারতের কেউ নন, বিদেশি। আরও স্পষ্ট করে বললে, নেপালি। রাশিয়ায় কাজের সন্ধানে গিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে গিয়েছেন বলে জানিয়েছেন চার যুবক।

    ভারতের কাছে উদ্ধারের আর্তি

    অভিযোগ, চাকরি দেওয়ার নামে নিয়ে গিয়ে জোর করে তাঁদের লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধে। গত দু’বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সেই যুদ্ধেই রাশিয়ার হয়ে লড়াই করতে হচ্ছে ওই চার কর্মপ্রার্থীকে। প্রাণে বাঁচতে ভারতের কাছে উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন পড়শি দেশের ওই চার যুবক। মোটা অঙ্কের মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে রাশিয়া ‘ছেলে ধরছে’ বলে অভিযোগ। দিন কয়েক আগে ভারতের কয়েকজন যুবকও রাশিয়ার কবল থেকে উদ্ধারের আর্জি জানিয়েছিলেন। রাশিয়ায় যাঁরা বেড়াতে যাচ্ছেন, তাঁদেরও ধরে ধরে যুতে দেওয়া হচ্ছে যুদ্ধের কাজে।

    টোপ দিয়ে ধরা হচ্ছে ছেলে!

    রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের অনেক (War In Russia) জায়গায়ই রুশ সেনাদের পাশাপাশি ভারতীয় তরুণদের আগ্নেয়াস্ত্র হাতে লড়াই করতে দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ। এবার সেই একই অভিযোগ করলেন নেপালের চার চাকরিপ্রার্থীও। কাজের খোঁজে রাশিয়ায় পাড়ি দিয়েছিলেন সঞ্জয়, রাম, কুমার এবং সন্তোষ নামে চার যুবক। এজেন্টের মাধ্যমে তাঁরা পৌঁছে যান রাশিয়ায়। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, রুশ সেনাবাহিনীতে সাহায্যকারী কিংবা পরিচারকের কাজ করতে হবে। অভিযোগ, ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হতেই ট্রেনিং দিয়ে তাঁদেরও লাগিয়ে দেওয়া হয় যুদ্ধ করতে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তাঁদের বাধ্য করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী।

    আরও পড়ুুন: বিহার থেকে বাঙালি তাড়িয়েছিলেন বাবা, তাঁর ছেলেকে বাংলায় প্রার্থী তৃণমূলের, তোপ মালব্যর

    ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো একটি ভিডিও বার্তায় নেপালের ওই চার যুবক জানিয়েছেন, তাঁরা ফেঁসে গিয়েছেন। এজেন্ট তাঁদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। মিথ্যে কথা বলে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রাশিয়ায়। পরে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যুদ্ধে। প্রচণ্ড ঠান্ডায় তাঁদের জীবন বিপন্ন বলেও জানান ওই চার নেপালি যুবক। সঞ্জয় বলেন, “আমাদের ভারতীয় সহকর্মীদের উদ্ধার করছে তাঁদের দেশের সরকার। কিন্তু নেপাল সরকার কিংবা দূতাবাসের তরফে কোনও সাহায্য পাচ্ছি না। ভারত সরকারের কাছে আমাদের বিরাট আশা। ভারত শক্তিশালী দেশ। তাই তাদের সাহায্য চাইছি। এখানকার (War In Russia) সব নেপালিই বাড়ি ফিরতে চান।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share