Tag: new

new

  • New Airlines: ছাড়পত্র পেল আরও ৩ নয়া উড়ান সংস্থা, গতি বাড়ছে ভারতের!

    New Airlines: ছাড়পত্র পেল আরও ৩ নয়া উড়ান সংস্থা, গতি বাড়ছে ভারতের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহণ বাজারে নতুন করে প্রতিযোগিতা বাড়তে চলেছে। কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের কাছ (India Clears) থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি)  পেয়েছে দুটি নয়া বিমান সংস্থা। একটি হল আল হিন্দ এয়ার (Al Hind Air) এবং অন্যটি ফ্লাইএক্সপ্রেস (FlyExpress)। উত্তরপ্রদেশভিত্তিক আরও একটি সংস্থা শঙ্খ এয়ার (Shankh Air), যার কাছে ইতিমধ্যেই এনওসি রয়েছে (New Airlines), তারা ২০২৬ সালে বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে বর্তমানে হাতে গোণা কয়েকটি বড় সংস্থার দখলে থাকা এই খাতে প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে।

    অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহণ (New Airlines)

    এই অনুমোদনগুলি এমন একটা সময়ে এল, যখন সরকার বিশ্বের দ্রুততম হারে বেড়ে ওঠা অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহণ বাজারগুলির একটিতে অংশগ্রহণের পরিধি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। বর্তমানে দেশে মাত্র ন’টি নির্ধারিত অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থা সক্রিয় রয়েছে। গত অক্টোবর মাসে আঞ্চলিক বিমান সংস্থা ফ্লাই বিগ (Fly Big) নির্ধারিত উড়ান স্থগিত করার পর সেই সংখ্যা আরও কমে যায়। আল হিন্দ এয়ারের উদ্যোক্তা কেরলভিত্তিক আলহিন্দ গ্রুপ, আর ফ্লাইএক্সপ্রেস যুক্ত হচ্ছে এমন একাধিক সম্ভাব্য নতুন সংস্থার তালিকায়, যারা এমন একটি বাজারে প্রবেশ করতে চাইছে যেখানে পরিসর (স্কেল) ও ভাড়ার নিয়ন্ত্রণ এখনও মূলত কয়েকটি সংস্থার হাতেই কেন্দ্রীভূত। ইতিমধ্যেই ছাড়পত্র পাওয়া শঙ্খ এয়ার আগামী বছর থেকেই বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করতে পারে বলে অনুমান।

    দ্বৈত আধিপত্য

    এই শিল্পখাতে কার্যত দ্বৈত আধিপত্য গড়ে ওঠা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় নয়া সংস্থার প্রবেশের দাবি আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়া গ্রুপ, যার মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসও অন্তর্ভুক্ত, এক সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবাজারের ৯০ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে। শুধু ইন্ডিগোই দখল করে রেখেছে ৬৫ শতাংশেরও বেশি বাজার। এই উদ্বেগগুলি চলতি মাসের শুরুতেই আরও তীব্র হয়ে ওঠে, যখন ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সে বড় ধরনের অপারেশনাল বিপর্যয় দেখা দেয়। এর প্রভাব গোটা নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত সম্প্রসারিত বাজারে একটিমাত্র এয়ারলাইনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার ঝুঁকি প্রকাশ্যে চলে আসে (New Airlines)।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    সিভিল অ্যাভিয়েশন মন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডু একটি পোস্টে অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে মন্ত্রক শঙ্খ এয়ার, আল হিন্দ এয়ার এবং ফ্লাইএক্সপ্রেসের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেছেন। উল্লেখ্য যে, যদিও শঙ্খ এয়ার ইতিমধ্যেই তাদের ছাড়পত্র পেয়েছে, অন্য দুটি ক্যারিয়ার এই সপ্তাহে তাদের এনওসি পেয়েছে। তিনি জানান, ভারতীয় বিমান চলাচল যে গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা বিবেচনা করে আরও বিমান সংস্থাকে উৎসাহিত করা আমাদের একটি ধারাবাহিক নীতি। তিনি ইউডিএএনের মতো সরকারি প্রকল্পের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যার লক্ষ্য আঞ্চলিক যোগাযোগ আরও উন্নত করা এবং একই সঙ্গে ছোট ক্যারিয়ারগুলিকে পা রাখতে সাহায্য করা। ইউডিএএন প্রকল্পের আওতায় স্টার এয়ার, ইন্ডিয়া ওয়ান এয়ার ও ফ্লাই৯১-এর মতো সংস্থাগুলি কম পরিষেবাপ্রাপ্ত রুটে তাদের পরিষেবা সম্প্রসারিত করেছে। এর মাধ্যমে ছোট শহরগুলিকে জাতীয় বিমান পরিবহণ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মন্ত্রী বলেন, এই খাতে আরও বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভাবনা এখনও রয়ে গিয়েছে (India Clears)।

    সর্বশেষ তথ্য

    ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতের নির্ধারিত এয়ারলাইন্সগুলির মধ্যে রয়েছে ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, রাষ্ট্রায়ত্ত অ্যালায়েন্স এয়ার, আকাসা এয়ার, স্পাইসজেট, স্টার এয়ার, ফ্লাই৯১ এবং ইন্ডিয়া ওয়ান এয়ার (New Airlines)। তবে নতুন এয়ারলাইন্সের আগমন অতীতের ব্যর্থতার প্রেক্ষাপটেও ঘটছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জেট এয়ারওয়েজ ও গো ফার্স্টের মতো সংস্থাগুলি ঋণের চাপ ও পরিচালনাগত সমস্যায় জর্জরিত হয়ে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে, যা এই খাতের অস্থিরতা স্পষ্টভাবে তফশিলিভুক্ত ক্যারিয়ারগুলির মধ্যে বর্তমানে ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, রাষ্ট্রায়ত্ত অ্যালায়েন্স এয়ার, আকাসা এয়ার, স্পাইসজেট, স্টার এয়ার, ফ্লাই৯১ এবং ইন্ডিয়াওয়ান এয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    অতীতের ব্যর্থতার পটভূমিতেও (India Clears) নতুন বিমান সংস্থাগুলির আগমন ঘটে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, জেট এয়ারওয়েজ এবং গো ফার্স্টের মতো ক্যারিয়ারগুলি ঋণ এবং পরিচালনগত চ্যালেঞ্জের কারণে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়, যা এই খাতের অস্থিরতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরে (New Airlines)।

  • GST 2: চালু হয়ে গেল নয়া জিএসটি কাঠামো, দাম কমছে কোন কোন জিনিসের?

    GST 2: চালু হয়ে গেল নয়া জিএসটি কাঠামো, দাম কমছে কোন কোন জিনিসের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর উপহার দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেন নয়া জিএসটি কাঠামো (New GST Structure)। ২২ সেপ্টেম্বর দেবীপক্ষ থেকেই দেশজুড়ে চালু হয়ে গেল নয়া পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) (GST 2)। এতদিন জিএসটির স্তর ছিল চারটি – ৫, ১২, ১৮ এবং ২৮ শতাংশ। নয়া ব্যবস্থায় বাতিল করা হয়েছে ১২ এবং ২৮ শতাংশের স্তর। তাই আজ, সোমবার থেকে সমস্ত পণ্যের ওপর জিএসটি থাকবে ৫ কিংবা ১৮ শতাংশ। স্বাভাবিকভাবেই এদিন থেকেই কমে যাবে নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক জিনিসের দামই। প্রসঙ্গত, ৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে কেন্দ্র এবং রাজ্যের প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে কর ব্যবস্থা সংস্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেটাই এবার চালু হচ্ছে এদিন থেকে।

    আজ থেকেই কমছে দাম (GST 2)

    সোমবার থেকেই নবরাত্রি উৎসবে মেতেছেন দেশের একটা বড় অংশের মানুষ। জিএসটি সংস্কারের ফলে উৎসবের মরশুমে আমআদমির হেঁশেলে স্বস্তি ফিরবে তো বটেই, অনেকটা ছাড় মিলবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য মায় সাজসজ্জার মতো সরঞ্জামেও। রবিবার বিকেলে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। নয়া জিএসটি ব্যবস্থার কথা দেশবাসীকে মনেও করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য আগেই জিএসটি সংস্কারকে দ্বিগুণ দীপাবলি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিলেন। জানা গিয়েছে, জিএসটি বদলের ক্ষেত্রে সব চেয়ে জরুরি বিষয় হল, ২২ সেপ্টেম্বর থেকেই নয়া দাম কার্যকর হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আর পুরানো দামে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন না। যদি কোনও পণ্য পুরনো স্টকের হয় এবং এমআরপি বেশি লেখা থাকে, তাও স্টিকার বসিয়ে নয়া দামই নিতে হবে।

    সস্তা হচ্ছে এই সব জিনিস

    এবার দেখে নেওয়া যাক এদিন থেকে কমছে কোন কোন জিনিসের দাম। বাড়ছেই (GST 2) বা কোন কোন পণ্যের দাম। নয়া জিএসটি ব্যবস্থায় দুধ, ছানা, পনির, রুটি এবং পাউরুটির মতো পণ্যে এখন আর কোনও কর দিতে হবে না (New GST Structure)। কারণ এই সব পণ্য কিনলে জিএসটি দিতে হত ৫ শতাংশ। সোমবার থেকে এগুলি কিনলে আর কোনও জিএসটি দিতে হবে না। জিএসটি মুক্ত হচ্ছে পেন্সিল, শার্পনার, ছবি আঁকার রং, খাতা, মানচিত্র, চার্ট এবং গ্লোবের মতো প্রয়োজনীয় শিক্ষা সরঞ্জাম। জিএসটি দিতে হবে না জীবনবিমা এবং যে কোনও ধরনের স্বাস্থ্যবিমার ক্ষেত্রেও।

    দাম কমছে এসবেরও

    দাম কমছে কনডেন্সড মিল্ক, মাখন, ঘি, তেল, পশুচর্বি, সসেজ, প্রিজার্ভড বা রান্না করা মাংস, মাছ, চিনি, পাস্তা, নুডলস, স্প্যাগোটি, চিজ এবং দুগ্ধজাত যাবতীয় পণ্যেরও। এতদিন এসব জিনিস কিনলে জিএসটি দিতে হত ১২ শতাংশ। সেটাই এখন কমে হয়েছে ৫ শতাংশ। সস্তা হচ্ছে (GST 2) বাদাম, খেজুর, আনারস, অ্যাভোকাডো, পেয়ারা, আম-সহ অন্যান্য ফলও। কারণ এসব ক্ষেত্রেও জিএসটির হার কমে হয়েছে ৫ শতাংশ। মাত্র ৫ শতাংশ জিএসটি দিয়েই কেনা যাবে জ্যাম, জেলি, মাশরুম, ইস্ট, সর্ষে, সয়াবিন, ভুজিয়া এবং পানীয় জলের ২০ লিটারের বোতল। এতদিন এগুলি কিনতেই দিতে হত ১২ শতাংশ জিএসটি। সস্তা হচ্ছে মধু, মিছরি, চকোলেট, কর্নফ্লেক্স, কেক, পেস্ট্রি, স্যুপ, আইসক্রিম এবং জিলেটিনও। ২২ সেপ্টেম্বরের আগে পর্যন্ত এগুলি কিনতে গেলে গুণতে হত ১৮ শতাংশ জিএসটি (New GST Structure)। এখন তা কমে হয়েছে ৫ শতাংশ। মাত্র ৫ শতাংশ জিএসটি দিতে হবে একাধিক জীবনদায়ী ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, থার্মোমিটার, অক্সিজেন এবং গ্লুকোমিটার কিনলে। ২২ তারিখ থেকেই যাতে দাম কমে, তা নিশ্চিত করতে মূল্য সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ফার্মেসিগুলিতে। বিভিন্ন বৈদ্যুতিক গাড়িতেও জিএসটি নেওয়া হবে ৫ শতাংশ।

    সস্তায় মিলবে এই সব জিনিসও

    দাম কমছে (GST 2) টিভি, এসি, ওয়াশিং মেশিন এবং রেফ্রিজারেটরেরও। এতদিন এগুলি কিনতে গেলে জিএসটি দিতে হত ২৮ শতাংশ। সেটাই এখন কমে হয়েছে ১৮ শতাংশ। ১৮ শতাংশ জিএসটি গুণতে হবে ছোট গাড়ি, ৩৫০ সিসির নীচে বাইকের দাম। ৫ শতাংশ জিএসটি দিতে হবে জুতো, জামাকাপড়, টুথপেস্ট, ব্রাশ, ট্যালকম পাউডার, শেভিং ক্রিম, চুলের তেল, সাবান, বাসনকোসন, ছাতা, বাইসাইকেল এবং বাঁশের তৈরি বিভিন্ন আসবাবপত্র কিনতে গেলে। খরচ কমবে স্পা, জিম, যোগব্যায়াম কেন্দ্র এবং বিভিন্ন হেলথ ক্লাবের। দাম কমছে সিমেন্ট, কৃষিকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, সার ট্রাক্টরের সরঞ্জাম এবং সেলাই মেশিনেরও (New GST Structure)।

    দাম বাড়ছে যে সব জিনিসের

    এদিকে, দাম (GST 2) বাড়ছে বিলাসবহুল গাড়ি, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট জেট, রেসিংকার, পান মশলা, বাড়তি চিনি মিশ্রিত পানীয়, কার্বন যুক্ত পানীয়, সিগারেট, চুরুট এবং তামাকজাত যাবতীয় পণ্যের। এসব কিনতে গেলে গুণতে হবে ৪০ শতাংশ হারে জিএসটি।

  • PM Modi: নয়া তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করতে ফের রাজ্য আসছেন প্রধানমন্ত্রী, কবে জানেন?

    PM Modi: নয়া তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করতে ফের রাজ্য আসছেন প্রধানমন্ত্রী, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গবাসীকে দুর্গাপুজোর বড় উপহার দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। যেমন তেমন কোনও উপহার নয়, ঐতিহাসিক উপহার। নয়া তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করতেই চলতি মাসেই কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ২২ অগাস্ট দমদমে প্রশাসনিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। সেখান থেকেই নয়া তিন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী (New Metro Routes)।

    সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য (PM Modi)

    খবরটি সংবাদ মাধ্যমে শেয়ার করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ইতিমধ্যেই রেলের তরফে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণপত্র পাঠানোও শুরু হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের তরফ থেকে সেই আমন্ত্রণপত্র পাওয়ার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি ফাঁস করেন সুকান্ত। তিনি একে দুর্গাপুজোর আগে পশ্চিমবঙ্গের জন্য এক ঐতিহাসিক উপহার বলেও উল্লেখ করেছেন। জানা গিয়েছে, ওই দিন প্রধানমন্ত্রী যে তিনটি নয়া রুটের মেট্রোর উদ্বোধন করবেন, সেগুলি হল, শিয়ালদা-এসপ্ল্যানেড, বেলেঘাটা-হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) এবং নোয়াপাড়া-জয়হিন্দ (বিমানবন্দর) স্টেশন।

    উদ্বোধন মেট্রো স্টেশনের সাবওয়েরও

    তিনটি নয়া মেট্রো রুটের পাশাপাশি আগামী ২২ তারিখে হাওড়া মেট্রো স্টেশনের সাবওয়েরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, রেল সংক্রান্ত নানা উন্নয়নমূলক কাজের জন্য শুধুমাত্র চলতি বছরের বাজেটেই ১৩ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা পেয়েছে বাংলা। এই মুহূর্তে রেল পরিষেবা এবং পরিকাঠামোর উন্নতির জন্য সব মিলিয়ে ৮৩ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকার কাজ চলছে পশ্চিমবঙ্গে। ১০১টি স্টেশনকে বিশ্বমানের রেলস্টেশন হিসেবে পুনর্নির্মাণ করার কাজ চলছে (PM Modi)। ইতিমধ্যেই ৯টি বন্দে ভারত ও ২টি অমৃত ভারত ট্রেনের যাত্রাও শুরু হয়েছে। এহেন আবহে এবার মেট্রো পরিষেবার পরিসর আরও বাড়ানোর পথে হাঁটল রেল।

    কোন লাইনে কোন কোন স্টেশন

    জানা গিয়েছে, ইয়োলো লাইনে নোয়াপাড়া থেকে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত মেট্রোর সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে (New Metro Routes)। ১৬ অগাস্ট শনিবার এই রুট পরিদর্শনে আসবেন কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটি। তার পরেই প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে সূচনা হবে মেট্রোর নিত্য যাত্রা। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতেই প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার প্রস্তুতি করতে মেট্রো রেলের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। নিউ গড়িয়া বিমানবন্দর মেট্রো করিডরের (ভায়া রাজারহাট) রুবি থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত অংশ দীর্ঘদিন ধরেই তৈরি হয়ে পড়ে রয়েছে। সিআরএস অনুমোদনও হয়ে গিয়েছে। তার পরেও চালু হয়নি। এদিন সেই অংশও চালু হবে। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি) থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত মোট মেট্রো স্টেশনের সংখ্যা পাঁচটি। ট্রেন রুবি ছাড়লেই প্রথম স্টেশন ভিআইপি বাজার, তারপর ঋত্বিক ঘটক, তারপর বরুণ সেনগুপ্ত (এটি সায়েন্স সিটি এলাকায়), এর পরেই সটান বেলেঘাটা স্টেশন (PM Modi)।

    নিউ গড়িয়া রুবি রুট

    এদিকে নিউ গড়িয়া থেকে রুবি রুটের মধ্যেও রয়েছে পাঁচটি স্টেশন। এগুলি হল, কবি সুভাষ (নিউ গড়িয়া), সত্যজিৎ রায় (এসআরএফটিআই সংলগ্ন এলাকা), জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী (অজয়নগর এলাকা), কবি সুভাষ (কালিকাপুর) এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায় (রুবি)। রেল সূত্রে খবর, নিউ গড়িয়া থেকে বেলেঘাটা পর্যন্ত রুটটি চালু হয়ে গেলে এই লাইনেও যাত্রিসংখ্যা এক ধাক্কায় বেড়ে যাবে অনেকখানিই। এদিনই সূচনা হবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর এসপ্ল্যানেড-শিয়ালদা অংশের পরিষেবা (New Metro Routes)। এই অংশের পরিষেবা শুরু হলে মেট্রো পথে জুড়ে যাবে সল্টলেক-হাওড়া। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার খবরটি শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, কলকাতার মেট্রো পরিষেবায় এক নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে। ২২ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন তিনটি নতুন মেট্রো রুটের। এর মধ্যে রয়েছে গ্রিন লাইন ১ ও ২ এর সংযোগ, যা বহুদিনের দাবি পূরণ করবে (PM Modi)।

    গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো করিডর

    গ্রিন লাইন ১ বর্তমানে শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো করিডর, যা বহু অফিসপাড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক কেন্দ্রকে যুক্ত করে। গ্রিন লাইন ২ যুক্ত হলে যাত্রীদের সময় ও খরচ – দুই বাঁচবে। একসঙ্গে জুড়ে যাবে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশন। হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত ১৬.৬ কিমি পূর্ণ করিডরেই যাত্রী চলাচল সম্ভব হবে। সব চেয়ে বেশি উপকৃত হবেন কর্মজীবীরা। কারণ এখন থেকে তাঁরা মাত্র একটি ট্রেনে করেই হাওড়া থেকে শিয়ালদা পৌঁছে যেতে পারবেন (New Metro Routes)। হাওড়া–শিয়ালদার মধ্যে সময় লাগবে মাত্র ১২ মিনিট। ব্যস্ত সময়ে প্রতি ৮ মিনিট অন্তর এবং অন্য সময়ে প্রতি ১০ মিনিট অন্তর ট্রেন চলবে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি লোকসভায় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, ১৯৭২ সালে চালু হওয়ার পর থেকে কলকাতা মেট্রোর যাত্রাপথ বাড়তে বাড়তে এখন দাঁড়িয়েছে ৬৯ কিলোমিটারে। ১৯৭২ থেকে ২০১৪ এই ৪২ বছরে কলকাতা মেট্রোর ২৮ কিলোমিটার ট্র্যাক তৈরিতে রেলের তরফে বরাদ্দ করা হয় ৫ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা। ২০১৪ থেকে ২০২৫ – এই ১১ বছরে কলকাতা মেট্রোর ৪১ কিলোমিটার ট্র্যাক তৈরিতে বরাদ্দ করা হয়েছে ২৫ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা (PM Modi)।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নয়া দল গঠনের উদ্যোগ, শীর্ষ পদে কারা, মতান্তর নেতাদের মধ্যেই

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নয়া দল গঠনের উদ্যোগ, শীর্ষ পদে কারা, মতান্তর নেতাদের মধ্যেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে নয়া দল (New Party) গঠিত হতে চলেছে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। নতুন দলের নাম ঘোষণা হওয়ার কথা ২৬ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে গঠিত হবে দল। দলের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হওয়ার আগেই তৈরি হয়েছে জটিলতা। কে কোন পদে বসবেন, কার পদের গুরুত্ব কতটা, তা নিয়ে এখনও ঐক্যমত্যে পৌঁছতে পারেননি নেতারা। সূত্রের খবর, সমঝোতাসূত্র বের করতেই বাড়ানো হচ্ছে শীর্ষ পদের সংখ্যা। প্রথমে ঠিক ছিল শীর্ষ পদে থাকবেন চারজন। পরে সেটাই বাড়িয়ে করা হয় ছয়। সংখ্যাটি আরও বাড়তে পারে বলেই সূত্রের খবর।

    ক্রমেই বাড়ছে শীর্ষ পদের সংখ্যা (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নয়া দলে শীর্ষপদ থাকতে পারে ১০ থেকে ১২টি। তবে তা নিয়েও একমত হতে পারেননি যাঁরা দল গঠন করছেন, তাঁরা। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, শীর্ষ পদের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। নয়া দলে আহ্বায়ক, সদস্যসচিব, মুখপাত্র এবং মুখ্য সংগঠক এই চারটি শীর্ষপদ থাকবে বলে প্রথমে ঠিক ছিল। পরে বাড়ানো হয় আরও দুটি পদ – জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব। আরও দুটি মুখপাত্রের পদ সৃষ্টি করা হতে পারে বলে খবর। জানা গিয়েছে, হাসিনা-বিরোধী আন্দোলনে যাঁরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন, নতুন দলে তাঁরা যাতে কম গুরুত্ব না পান, তা নিশ্চিত করতেই বাড়ানো হচ্ছে দলের শীর্ষপদের সংখ্যা। বুধবার দলের সদস্যদের যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানেই প্রস্তাব পাশ হয় শীর্ষ পদ বৃদ্ধির সংখ্যা (Bangladesh Crisis)।

    কে কোন পদে

    প্রথমে যে চারটি শীর্ষ পদ ঠিক করা হয়েছিল, তাতে আহ্বায়ক পদে বসানো হয়েছে ইউনূস প্রশাসনের অন্যতম উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, সাধারণ সচিব পদে থাকবেন জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র পদে বসানো হয়েছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক সারসিজ আলম ও হাসনাত আবদুল্লা। বাকি পদে কারা থাকবেন, পদের সংখ্যাই বা বাড়ানো হবে কিনা, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, নয়া দল গঠনের নেপথ্যে রয়েছেন মহম্মদ ইউনূস। তবে তিনি কোন পদে (New Party) বসবেন, আদৌ তিনি কোনও পদে থাকবেন কিনা, তা এখনও জানা যায়নি (Bangladesh Crisis)।

LinkedIn
Share