Tag: NEW TOWN

NEW TOWN

  • NIA Police Station: খাগড়াগড় বিস্ফোরণের এক যুগ পর! নিউটাউনে এনআইএ-র নিজস্ব থানা, এক্তিয়ারে গোটা বাংলা

    NIA Police Station: খাগড়াগড় বিস্ফোরণের এক যুগ পর! নিউটাউনে এনআইএ-র নিজস্ব থানা, এক্তিয়ারে গোটা বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাল ২০১৪। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর রাজ্যে প্রথম তদন্ত শুরু করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই ঘটনার এক যুগ পর পশ্চিমবঙ্গে থানা পেল এনআইএ। সপ্তাহখানেক আগেই ক্যাবিনেট বৈঠকে থানা (NIA Police Station) তৈরির ছাড়পত্র মেলে। এবার তৈরি হল এনআইএ থানা। এবার থেকে আর রাজ্যের অন্য কোনও সাধারণ বা স্থানীয় থানার পরিকাঠামোর উপর তাদের নির্ভর করতে হবে না। নবান্নের তরফে এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে । বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিউটাউনের এনবিসিসি স্কোয়ারে এনআইএ-র নিজস্ব থানা কাজ শুরু করবে।

    এনআইএ-র থানার ভৌগোলিক পরিধি

    সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এনআইএ-র থানার ভৌগোলিক পরিধি। রাজ্য সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই একটি মাত্র থানার এক্তিয়ারেই থাকবে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ। অর্থাৎ, রাজ্যের যেকোনও প্রান্তে ঘটে যাওয়া অপরাধের তদন্তের প্রয়োজনে এই নির্দিষ্ট থানাতেই এফআইআর দায়ের বা মামলা রুজু করতে পারবে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। নতুন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস) বা ২০২৩ সালের ৪৬ নম্বর আইনের অধীনে রাজ্য সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই আইনের ২(১)(ইউ) ধারায় রাজ্য সরকারকে যেকোনও স্থানকে থানা হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সেই ক্ষমতার ভিত্তিতেই রাজ্যপাল এই থানার অনুমোদন দিয়েছেন। রাজ্যপালের নির্দেশ অনুযায়ী এই বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ। নবান্নের জারি করা এই বিজ্ঞপ্তির নম্বর হল ১৯৭৫-পিএল/পিবি/৪পি-০২/২০২৬।

    কোথায় হয়েছে এনআইয়ের থানা

    সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের এনআইএ আইনের অধীনে থাকা নির্দিষ্ট অপরাধগুলির তদন্তের জন্যই মূলত এই থানা কাজ করবে। নিউটাউনের অ্যাকশন এরিয়া থ্রি-তে অবস্থিত এনবিসিসি স্কোয়ারের ১৬ তলায় এই থানার আনুষ্ঠানিক ঠিকানা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে থানার নাম দেওয়া হয়েছে, ‘ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি পুলিশ স্টেশন, ওয়েস্ট বেঙ্গল’। তার ঠিক পাশেই এক্তিয়ারভুক্ত এলাকা হিসেবে ‘সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য থানার মতোই এই থানাতেও ওসি, সাব ইন্সপেক্টর, কনস্টেবলের মতো পোস্ট থাকে। এ রাজ্যে কোনও ঘটনায় এনআইএ তদন্তের প্রয়োজনীয়তা থাকলে, তা তদন্ত করা হবে এই থানা থেকে। রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গে বেলডাঙার অশান্তির মামলা, মালদহের মোথাবাড়ি-কাণ্ড থেকে শুরু করে একাধিক মামলার তদন্ত করছে এনআইএ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণের মামলাতেও একাধিকবার তদন্তভার নিয়েছে এনআইএ। সম্প্রতি রাজ্যে মন্ত্রিসভার বৈঠকে থানা তৈরির বিষয়টিতে অনুমোদন দেওয়া হয়। সম্প্রতি অমিত শাহও রাজ্য সফরে এসে এই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।

    এনআইয়ের নিজস্ব থানার সুবিধা

    তৃণমূল সরকারের আমলেই থানা খুলতে চেয়েছিল এনআইএ। তবে বিভিন্ন সমস্যায় সেই থানা খোলা যায়নি বলে দাবি। তবে ক্ষমতায় এসেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা উন্নতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সহযোগিতা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই তিনমাসের মধ্যে ক্যাবিনেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় রাজ্যে খোলা হবে এনআইএ থানা। সেই সিদ্ধান্তের পরই খুলে গেল থানা। এতদিন রাজ্যে এনআইএ-র নিজস্ব কোনও পূর্ণাঙ্গ থানা ছিল না। ফলে তদন্তের প্রয়োজনে তাদের নানা আইনি এবং পদ্ধতিগত জটিলতার মুখে পড়তে হত। কোথাও তল্লাশি চালানো, কাউকে গ্রেফতার করা বা ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় থানাগুলির উপর নির্ভর করতে হত। অনেক ক্ষেত্রে এফআইআর দায়ের করার প্রক্রিয়াতেও অহেতুক সময় নষ্ট হত বলে অভিযোগ ছিল। নতুন এই থানা চালু হওয়ার ফলে সেই পরিকাঠামোগত সমস্যা আর থাকবে না। এখন থেকে সরাসরি নিজেদের থানাতেই অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন এনআইএ আধিকারিকরা।

    তৈরি হবে এনআইএ আদালত-ও

    শুধু থানা নয় এনআইএ আদালতও তৈরি করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই সেই কাজ হবে বলে জানা যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এই আদালত তৈরি হবে। কোথায় হবে আদালত, তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। এই আদালতে শুধুমাত্র এনআইএ মামলাগুলিরই শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে মামলাগুলির আরও দ্রুত নিষ্পত্তি হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে দেশজুড়ে এনআইএ-এর মামলাগুলোর জন‍্য সুনির্দিষ্ট ও পৃথক আদালত গঠন করতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে এই আদালত তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিচারভবনে মুখ্য বিচারকের এজলাসের উপর এনআইএ-এর আদালতের দায়িত্ব দিয়েছে রেখেছে হাইকোর্ট। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় তাদের মামলার সংখ্যাও অনেকটা বেড়েছে। এবার পৃথক থানা তৈরি হয়ে গেল। এবার আদালত গঠন হলে মামলার কাজ দ্রুত এগোনো সম্ভব হবে বলে দাবি করা হয়েছে।

    জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ

    প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এনআইএ সাধারণত সন্ত্রাসবাদ, দেশদ্রোহিতা, জালনোট কারবার বা বিস্ফোরক আইনের মতো গুরুতর এবং আন্তঃরাজ্য অপরাধের তদন্ত করে থাকে। নিজস্ব থানা না থাকায় অনেক সময় ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে নেওয়া বা লকআপে রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হত। এখন নিউটাউনের এই ঠিকানাই হবে রাজ্যে এনআইএ-র মূল কন্ট্রোল রুম। এখান থেকেই গোটা রাজ্যের যেকোনও প্রান্তের মামলার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। এর ফলে একদিকে যেমন তদন্তের কাজে গতি আসবে, তেমনই জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্পর্শকাতর মামলাগুলির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখাও অনেক বেশি সহজ হবে।

  • Larsen & Toubro: বাংলায় ৪,৫০০ কোটির বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা এলঅ্যান্ডটির, আসছে ডেটা সেন্টার, সফটওয়্যার পার্কে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    Larsen & Toubro: বাংলায় ৪,৫০০ কোটির বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা এলঅ্যান্ডটির, আসছে ডেটা সেন্টার, সফটওয়্যার পার্কে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে আগামী কয়েক বছরে ৪,৫০০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিকাঠামো সংস্থা লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। সংস্থার (Larsen Toubro) চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর এসএন সুব্রহ্মণ্যম জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে (West Bengal Data Centres) বৈঠক করে একাধিক বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে পারেন বলে জানিয়েছেন এলঅ্যান্ডটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা তথা প্রাক্তন বোর্ড সদস্য দীপ কিশোর সেন। কলকাতায় বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) এক অনুষ্ঠানে এই খবর জানান তিনি।

    এলঅ্যান্ডটির লগ্নির পরিকল্পনা (Larsen Toubro)

    সেন বলেন, “আগে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়েছে। তবে চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠকে একাধিক বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।” বর্তমানে নিউ টাউনের সিলিকন ভ্যালিতে এলটিআই মাইন্ডট্রির সফটওয়্যার পার্কের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষের পথে। পর্যায়ক্রমে আরও দু’টি ধাপে কাজ হবে। পুরো প্রকল্পে মোট প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা লগ্নি করা হবে, কর্মসংস্থান হবে হাজার পঁচিশেক মানুষের। সেন বলেন, “প্রকল্পে মোট বিনিয়োগ হবে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষ। খুব শীঘ্রই এর উদ্বোধন হওয়ার কথা।” কলকাতায় একটি টিয়ার-৩ ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনাও করেছে এলঅ্যান্ডটি। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে ৫ থেকে ১০ একর জমি চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টারে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। সেন বলেন, “আমরা ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি টিয়ার-৩ ডেটা সেন্টার গড়ে তুলতে আগ্রহী। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে ৫ থেকে ১০ একর জমি চেয়েছি।”

    বিনিয়োগ করবে এরাও…

    তিনি আরও জানান, অতীতে এলঅ্যান্ডটি পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার এবং এজেসি বোস রোড ফ্লাইওভারের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এবার রাজ্যে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে চায় সংস্থাটি (Larsen Toubro)। অন্যদিকে, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সিইও নবনীত নারায়ণ জানান, সংস্থার ৬,০০০ কোটি টাকার ফেনল-অ্যাসিটোন প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। দুর্গাপুজোর আগেই এই প্রকল্প চালু করার কথা (West Bengal Data Centres)। তিনি বলেন, “রাজ্যে বর্তমান পরিবেশ আমাদের আরও বিনিয়োগে উৎসাহিত করেছে। আমরা পুজোর আগেই প্রকল্পটি চালু করে দেশ তথা বাংলাকে উৎসর্গ করতে চাই।” এদিকে, রাজ্যের নয়া শিল্পনীতি ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে বার্জার পেইন্টস। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা সিইও অভিজিৎ রায় জানান, পানাগড়ে তাঁদের গ্রিনফিল্ড প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিমাণ পূর্বঘোষিত ৩৫০-৪০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কোটিরও বেশি করা হতে পারে। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকারের শিল্পনীতি ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছি। এটি ঘোষণা হলেই আমরা বিনিয়োগের পরিমাণ আরও বাড়াতে চাই।” পিয়ারলেস গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়ন্ত রায় জানান, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও রিয়েল এস্টেট খাতে পশ্চিমবঙ্গে মোট ১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে (Larsen Toubro)। এর মধ্যে রয়েছে পিয়ারলেস হাসপাতালে নতুন অনকোলজি সেন্টার, বারাসাত হাসপাতালের সম্প্রসারণ এবং নিউ টাউনে রিয়েল এস্টেট প্রকল্প (West Bengal Data Centres)।

     

  • Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে আদালতে আগাম জামিন সোহমের, সরকারি আইনজীবীর ঘরে থাকা নিয়ে বিতর্ক

    Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে আদালতে আগাম জামিন সোহমের, সরকারি আইনজীবীর ঘরে থাকা নিয়ে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ টাউনে রেস্তোরাঁর মালিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা গড়িয়েছে আদালতে। ফৌজদারি সেই মামলায় আগাম জামিন নিতে বারাসত জেলা আদালতে যান অভিনেতা তথা তৃণমূল বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী (Soham Chakraborty)। আদালতে আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। আদালত দু’হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে তাঁর আগাম জামিন মঞ্জুর করেছে।

    সরকারি আইনজীবীর ঘরে মামলায় অভিযুক্ত সোহম (Soham Chakraborty)

    নিউ টাউনের রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরের ঘটনায় আগাম জামিন নিতে বারাসত আদালতে আত্মসমর্পণ করেন সোহম (Soham Chakraborty)। আদালতে জামিনের আবেদন করার পর তিনি প্রায় দুঘণ্টা সরকারি আইনজীবীর ঘরে বসে অপেক্ষা করেন বলে অভিযোগ। এর এই ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কারণ, একজন অভিযুক্ত আদালত কক্ষে না বসে কেন সরকারি আইনজীবীদের বরাদ্দ ঘরে বসেছেন, তা নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। সোহমের আইনজীবীদের ব্যাখ্যা, আদালত চত্বরের বাইরে গেলেও বারাসতের বাইরে তিনি যাননি। আগাম জামিন প্রসঙ্গে সোহম বলেন, “এখনই কোনও মন্তব্য আমি করব না। পুরো বিষয়টি বিচারাধীন।”

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    শুক্রবার মামলার শুনানি!

    ইতিমধ্যেই সোহমের (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে তাঁকে মারধরের অভিযোগ এনে বুধবারই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ওই রেস্তোরাঁ-মালিক আনিসুল আলম। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না পুলিশ। আনিসুলের আইনজীবী বলেন, আমার মক্কেল এবং পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন জনপ্রতিনিধি সোহম। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিংহ। শুক্রবার সেই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিক তার আগের দিন অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার আগাম জামিন নিতে তৃণমূল বিধায়ক বারাসত আদালতে যান। প্রশ্ন উঠছে, তা হলে কি গ্রেফতারির আশঙ্কা করছেন অভিনেতা-বিধায়ক? আর সেই কারণেই কি তড়িঘড়ি আগাম জামিনের পদক্ষেপ?

    প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় নিউ টাউনের রেস্তোরাঁর সামনে শুটিং ইউনিটের গাড়ি রাখা নিয়ে সোহমের নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে বচসা বাধে ওই রেস্তোরাঁর মালিক আনিসুল আলমের। পরে, সোহম (Soham Chakraborty) তাঁকে মারধর করেন। তাঁকে ঘুষি মারা হয়। এমনকী, সোহম তাঁকে সজোরে লাথি মারেন বলেও অভিযোগ আনিসুলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    Soham Chakraborty: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউটাউনের রেস্তোরাঁ মালিককে নিগ্রহের ঘটনায় এবার জল গড়াল আদালতে। অভিনেতা তথা চণ্ডীপুরের বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক আনিসুল আলম। পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না পুলিশ। এ বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিন‍্‍হার একক বেঞ্চ মামলা করার অনুমতি দিয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিককে। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    সোহমের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রেস্তোরাঁর মালিক (Soham Chakraborty) 

    রেস্তোরাঁ মালিক আনিসুল ইসলাম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন ধরনের হুমকির মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ। এমন অবস্থায় নিজেদের নিরাপত্তা ও যথাযথ তদন্তের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রেস্তোরাঁর মালিক। একইসঙ্গে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে মামলাকারী পক্ষের। আনিসুলের আইনজীবীর দাবি, তাঁর মক্কেল এবং পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন ওই জনপ্রতিনিধি। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি। ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ওই রেস্তোরাঁর মালিক। সেই প্রেক্ষিতে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) সোহমের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: পরবর্তী সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, চলতি মাসেই দায়িত্ব গ্রহণ

    হোটেল মালিকের অভিযোগ 

    অনিসুল অভিযোগ করেন, “ঘটনার পর তাঁকে থানায় ডেকে বিষয়টি মিটমাট করে নিতে চাপ দেওয়া হয়। তাতে রাজি না হওয়ায় তৃণমূল বিধায়কের (Soham Chakraborty) পক্ষ থেকে তাদের নানা রকম হুমকি দেওয়া হচ্ছে। রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও এসেছে। সমস্ত কথা পুলিশকে জানালেও সোহমের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না থানা। তার জেরেই তিনি হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।” যদিও পরে অভিনেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?  

    গত শুক্রবার সন্ধ্যেবেলা শুটিং করতে গিয়ে নিউটাউন সাপুরজি এলাকার একটি রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছিল সোহম চক্রবর্তীর (Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে। এরপর মারধরের অভিযোগ স্বীকার করে সোহম দাবি করেছিলেন, বচসা চলাকালীন হোটেল মালিক তাঁর নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কটূক্তি করেন। এতেই রেগে যান তিনি। আর তখনই সূত্রপাত হয় এই ঘটনার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh MP Murder: শ্বাসরোধ করেই খুন বাংলাদেশি সাংসদকে, টুকরো করে লোপাট করা হয় দেহাংশ!

    Bangladesh MP Murder: শ্বাসরোধ করেই খুন বাংলাদেশি সাংসদকে, টুকরো করে লোপাট করা হয় দেহাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ন’দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর শেষমেশ জানা যায় কলকাতার নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে খুন করা হয়েছে বাংলাদেশের সাংসদ আনায়ার-উল-আজিমকে (Bangladesh MP Murder)। বাংলাদেশের শাসক দল আওয়ামি লিগের এই সাংসদ চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছিলেন ১২ মে। দর্শনা সীমান্ত দিয়ে কলকাতায় এসেছিলেন ঝিনাইদহ-৪ এর এই সাংসদ। বুধবার তাঁর খুনের বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

    নৃশংসভাবে খুন (Bangladesh MP Murder)

    চিকিৎসা করাতে ভারতে এসে খুন হওয়া বাংলাদেশি সাংসদের মৃত্যু রহস্য উন্মোচন করতে তদন্ত করেছে সিআইডি। তদন্তকারীদের দাবি, প্রথমে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় ওই সাংসদকে। পরে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয় দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, ১২ তারিখে পশ্চিমবঙ্গে আসার পরের দিনই বন্ধুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান আনোয়ার। সেদিনই নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে খুন করা হয় তাঁকে। শ্বাসরোধ করে খুন করার পর মৃত্যু নিশ্চিত করে মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়। এরপর দেহ টুকরো টুকরো করে ১৪, ১৫ ও ১৮ তারিখে দেহাংশগুলি লোপাট করে দেয় খুনিরা (Bangladesh MP Murder)।

    দেহাংশ লোপাট করেছিল যারা…

    দেহাংশ লোপাট করতে যে দু’জনকে কাজে লাগানো হয়েছিল, ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক। তাই বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্তও উদ্ধার হয়নি সাংসদের দেহাংশ। তবে প্লাস্টিকের যে ব্যাগে করে দেহাংশগুলি লোপাট করা হয়েছিল, সেই ব্যাগটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। সিআইডির আইজি অখিলেশ চতুর্বেদী বলেন, “বুধবারই জানা গিয়েছে সাংসদকে খুন করা হয়েছে। রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য জোরকদমে চলছে তদন্ত। শীঘ্রই বিষয়টি প্রকাশ করা হবে। নিউ টাউনের ওই ফ্ল্যাটটিতে দু’জন পুরুষ ও এক মহিলাও ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাংসদের সঙ্গে ফ্ল্যাটে আসা তিনজনের মধ্যে দু’জন পরে বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছেন।

    আর পড়ুন: “অনেক জাতিকেই নিয়ম বিরুদ্ধভাবে ওবিসির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে”, তোপ কমিশনের

    বুধবারই বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন, “১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের সাংসদ আনোয়ার ভারতে গিয়েছিলেন। তার দু’দিন পর থেকে আর ওঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। ওঁর উদ্বিগ্ন পরিবার আমাদের কাছে সাহায্য চান। তারপর থেকে আমাদের পুলিশ ভারতের পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল। এদিনই আমাদের কাছে খবর এসেছে খুন করা হয়েছে সাংসদকে।”

    বিদেশে এসে কেন খুন (Bangladesh MP Murder) হতে হল আনোয়ারকে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রহস্যময়ী ওই নারীই বা কে? তাঁর সঙ্গে যে পুরুষটি বাংলাদেশে চলে গিয়েছেন, তিনিই বা কে? সাংসদের দেহাংশগুলিই বা কোথায় গেল? আপাতত এই প্রশ্নগুলিরই উত্তর হাতড়াচ্ছেন তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Monorail: নিউটাউনে ছুটবে মনোরেল! বেসরকারি সংস্থার প্রস্তাবে কী সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে হিডকো?

    Monorail: নিউটাউনে ছুটবে মনোরেল! বেসরকারি সংস্থার প্রস্তাবে কী সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে হিডকো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজারহাট-নিউটাউনে যানজট কমাতে বিশেষ অত্যাধুনিক পরিবহণ ব্যবস্থা মনোরেল (Monorail) চালু করার প্রস্তাব এসেছে। বিশ্ববাংলা গেট (নারকেল বাগান) থেকে নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া থ্রি পর্যন্ত এই বিশেষ অত্যাধুনিক মনোরেল চলবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের উপর।

    LTR বা লাইট ট্রানজিট রেল সিস্টেম কী এবং কেন? 

    স্মার্ট সিটির মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অত্যাধুনিক করতে এই বিশেষ লাইট ট্রানজিট রেল সিস্টেমে মনোরেল (Monorail) চালানোর প্রস্তাব এসেছে। একটি বেসরকারি সংস্থা হিডকোকে (হাউসিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেণ্ট কর্পোরেশন) বিশেষ এই যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়ে প্রস্তাব দিয়েছে। স্মার্ট সিটির অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য এই মনোরেল সময়ের ব্যবধান কমাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। নিউটাউন অ্যাকশন এরিয়া ওয়ান এবং টু-এর মধ্যে মেট্রো রেল সংযুক্ত হয়েছে। এবার মনোরেলের সংযুক্তিকরণ হবে। স্মার্ট সিটিতে রোপওয়ের মাধ্যমেও যোগাযোগ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর সঙ্গে আধুনিক সংযোজন হল মনোরেল। অনেকটা কলকাতার ট্রামের মতোই দেখতে হবে। কিন্তু অত্যাধুনিক, উচ্চগতি এবং শব্দবিহীন হবে মনোরেল। মূলত তথ্যপ্রযুক্তি সিটি অ্যাকশন এরিয়া থ্রি-র সঙ্গে বিশ্ববাংলা সরণীর সংযুক্তিকরণ ঘটবে, এমনটাই বলা হয়েছে প্রস্তাবে। হিডকো বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে সরকারের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলেই জানা গেছে।

    প্রস্তাবিত রুট 

    হিডকো যে প্রস্তাব পেয়েছে, তাতে বলা হয়, মনোরেল প্রাথমিকভাবে বিশ্ববাংলা গেট থেকে হাতিশালা পর্যন্ত ১০ কিমি পথে চলবে। এটা হবে প্রধান রাস্তা। এর সঙ্গে বিশ্ববাংলা গেট থেকে মহিষবাথান পর্যন্ত তিন কিমি রাস্তাতেও চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও বিশ্ববাংলা গেট থেকে ইউনিটেক ১ হয়ে ইকোস্পেসের মধ্যে দিয়ে গীতাঞ্জলি পার্ক পর্যন্ত মনোরেলের (Monorail) বিশেষ করিডোর তৈরি হবে। মনোরেলের সঙ্গে হাতিশালার তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান উইপ্রো এবং ইনফোসিসের সরাসরি সংযুক্তিকরণ করা হবে। মূল মনোরেলের ডিপোটি ইনফোসিস কোম্পানির বিপরীতে প্রায় ১৭.৫৪ একর জমির উপর নির্মিত হবে বলে প্রস্তাবনায় রয়েছে। এই বছরে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা পড়লে হিডকো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’, কী দাবি করলেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’, কী দাবি করলেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় ৩৫টি আসন জয়ের লক্ষ্যে বঙ্গ বিজেপির ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠন করে দিয়েছেন অমিত শাহ-জেপি নাড্ডা। এমন খবর সংবাদমাধ্যমের একাংশে মঙ্গলবার পরিবেশিত হয়েছিল। বুধবার, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন এমন কোনও টিমই গঠন হয়নি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন বলেন, “আপনাদের কাছে সম্পূর্ণ ভুল তথ্য রয়েছে। রাজ্যের নির্বাচনী কোনও কমিটি তৈরি হয়নি। রাজ্যের নির্বাচনী কমিটিতে রাষ্ট্রীয় সভাপতির নাম থাকে না। এইটুকু কমন সেন্স আপানাদের থাকা উচিত।”

    কী বলছেন সুকান্ত?  

    মঙ্গলবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে বঙ্গ বিজেপির নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পরেই সংবাদমাধ্যম মারফৎ প্রকাশ্যে আসে ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠনের কথা। এও জানা যায়, বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী সহ অনেকেরই ঠাঁই হয়নি তালিকায়। ১৫ জনের ওই টিমে বাংলার ১০ জন থাকলেও, ৫ জন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিও রাখা হয়েছিল। এদিন ‘ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট টিম’ গঠনের কথা অস্বীকার করে সুকান্ত সাফ জানিয়ে দিলেন, কোনও টিম গঠন হয়নি। তিনি বলেন, “নির্বাচনের যে কমিটি টিভিতে দেখানো হচ্ছে, মাননীয় অমিত শাহজি ও জেপি নাড্ডাজির নামও নাকি তাতে রয়েছে। রাজ্য নির্বাচনী কমিটিতে কেন্দ্রীয় কোনও নেতার নাম থাকে না।” 

    আরও পড়ুুন: “যাঁরা রামের ডাক শুনবেন, তাঁরাই আসবেন”, বৃন্দার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বললেন মীনাক্ষি

    বৈঠকে শাহ-নাড্ডা

    আগামী লোকসভা ভোটের রোডম্যাপ এবং দলের পরিকল্পনা স্থির করে দিতে বাংলা সফরে এসেছিলেন অমিত শাহ এবং জেপি নাড্ডা। দিনভর বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন তাঁরা। নিউ টাউনের একটি হোটেলে হওয়া বৈঠকে ডাকা হয়েছিল বঙ্গ বিজেপির দুই প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহাকেও। তবে (Sukanta Majumdar) বিতর্কিত মন্তব্য করে দলকে অস্বস্তিতে ফেলায় বৈঠকে ডাকা হয়নি অনুপম হাজরাকে। বৈঠক শেষে আরও কয়েকটি কর্মসূচিতে যোগ দেন বিজেপির এই দুই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ তাঁরা রওনা দেন কলকাতা বিমানবন্দরের উদ্দেশে। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত এদিন বলেন, “২০২৪ কে সামনে রেখে রাজ্যে ভারতীয় জনতা পার্টি কীভাবে এগোবে, সেই রোডম্যাপ বলে গিয়েছেন তাঁরা। সেই রোডম্যাপের কথা আমি আপনাদের বলতে পারব না। তবে তাঁদের বাতলে দেওয়া সেই রোডম্যাপ অনুসারেই আমরা চলব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • New Flyover: নিউ টাউন ও সেক্টর ফাইভকে জুড়তে নয়া ফ্লাইওভার, কবে খুলবে এই উড়ালপুল, জানুন…

    New Flyover: নিউ টাউন ও সেক্টর ফাইভকে জুড়তে নয়া ফ্লাইওভার, কবে খুলবে এই উড়ালপুল, জানুন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরবাসীদের জন্য ফের এক সুখবর! সূত্রের খবর, ২ মাসের মধ্যেই সল্টলেকের সেক্টর ৫ থেকে নিউটাউনকে সংযোগকারী একটি নতুন ফ্লাইওভার (New Flyover) খুলতে চলেছে। ৬০০ মিটার দীর্ঘ এই ফ্লাইওভার চালু হলে বর্তমান ফ্লাইওভারগুলির ওপর চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। হাউজিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন বা হিডকোর তরফে জানানো হয়েছে যে, এই ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজ খুব দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। এপ্রিল মাসের শেষ নাগাদই এটার কাজ সম্পন্ন হবে।

    সেক্টর ফাইভ ও নিউটাউন সংযোগকারী উড়ালপুল

    নিউ টাউন থেকে সল্টলেক পাঁচ নম্বর সেক্টর হয়ে কলকাতা যাওয়ার মূল রাস্তা একটিই। বক্স ব্রিজ দিয়ে সে পথে গাড়ি যাতায়াত করে। ওই রাস্তায় প্রতিদিন বাড়ছে গাড়ির চাপ। বিকল্প পথ রয়েছে, যেটি নিউ টাউনের বলাকা আবাসন থেকে এসে লোহার ব্রিজ পার হয়ে বিধাননগর পুর এলাকার মহিষবাথান দিয়ে গিয়ে পড়েছে রিং রোডে। তবে ওই লোহার সেতুটির অবস্থাও ভাল নয়। তাই সেটি ছোট গাড়ি এবং মোটরবাইকের জন্য খোলা আছে। ফলে সেখানেই নতুন সেতু করছে হিডকো। সূত্রের খবর, কেষ্টপুর খালের উপরে মহিষবাথানের কাছে রিং রোড থেকে বলাকা আবাসন পর্যন্ত যাবে উড়ালপুলটি।

    আরও পড়ুন: জটে জমি আটকে রেল (পর্ব-১৪): ১৬ বছর ধরে আটকে দাঁইহাট-মন্তেশ্বর-মেমারি রেলপথ সম্প্রসারণের কাজ

    সেক্টর ৫-এর পিছনের রিং রোডকে নিউটাউনের মেন রোডের দক্ষিণ-পূর্বের এক্সটেনশনকে সঙ্গে যুক্ত করবে নতুন ফ্লাইওভারটি। বিশ্ববাংলা গেটের কাছে নারকেলবাগান মোড়ে এই উড়ালপুলটি (New Flyover) এসে নামবে নিউটাউনে। এই ফ্লাইওভারটি চালু হলে বিমানবন্দর বা বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টার থেকে শহরের দিকে যেতে এই নয়া ফ্লাইওভার (New Flyover) ব্যবহার করতে পারবেন গাড়িচালকরা।

    হিডকোর এক আধিকারিক বলেন, “উড়ালপুলটি হয়ে গেলে, বিমানবন্দর বা বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টার থেকে শহরের দিকে যাওয়া গাড়ি চালকরা নারকেলবাগানে ডানদিকে মোড় নেওয়ার পরিবর্তে সরাসরি এমএআর-এর দক্ষিণ-পূর্ব এক্সটেনশনে যেতে পারবেন। রাস্তাটি কেষ্টপুর খালের উপর দিয়ে সেতুতে নিয়ে যাবে, সেক্টর ভি-এর রিং রোডে।”

    ফলে এই উড়ালপুলটি শুরু হয়ে গেলে শহরবাসীদের জন্য তো সুবিধা হবেই। এই ফ্লাইওভারটি বিশেষ করে অফিসে যাতায়াতকারীদের জন্য খুব উপকারী হবে। তাঁদের যাতায়াতের জন্য অনেক কম সময়ও লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share