Tag: New York Times

New York Times

  • India Embassy Slams NYT: ‘পাকিস্তানি কাশ্মীর’ বলায় ‘নিউইয়র্ক টাইমসে’র কড়া সমালোচনা ভারতের

    India Embassy Slams NYT: ‘পাকিস্তানি কাশ্মীর’ বলায় ‘নিউইয়র্ক টাইমসে’র কড়া সমালোচনা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরকে ‘পাকিস্তানি কাশ্মীর’ হিসেবে উল্লেখ করায় মার্কিন সংবাদপত্র ‘নিউইয়র্ক টাইমসে’র তীব্র সমালোচনা করল আমেরিকার ভারতীয় দূতাবাস (India Embassy Slams NYT)। সংবাদপত্রটির ব্যবহৃত শিরোনামকে “বিভ্রান্তিকর ও ভুল” বলে অভিহিত করেছে দূতাবাস। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের বিষয়ে ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থানও ফের একবার স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে (POK)। স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে যে অস্থিরতা চলছে, তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিউইয়র্ক টাইমস। প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, “স্থানীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হতেই পাকিস্তানি কাশ্মীরে সংঘর্ষ।” ওই প্রতিবেদনে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সময় ছড়িয়ে পড়া হিংসার ঘটনাগুলি তুলে ধরা হয়।

    শিরোনাম বিভ্রান্তিকর ও ভুল

    এর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারতীয় দূতাবাস সংবাদপত্রটির ব্যবহৃত পরিভাষা প্রত্যাখ্যান করে। দূতাবাস বলেছে, “নিউইয়র্ক টাইমসের শিরোনাম বিভ্রান্তিকর ও ভুল। ‘পাকিস্তানি কাশ্মীর’ বলে কিছু নেই, রয়েছে শুধুই পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর।” দূতাবাস আরও জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ—এই দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল অতীতেও ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, বর্তমানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। বেআইনিভাবে পাকিস্তানের দখলে থাকা ভূখণ্ডগুলিও ভারতের অংশ বলে দাবি করেছে তারা। ভারতীয় দূতাবাসের অভিযোগ, পাকিস্তান এখনও ওই অঞ্চলের কিছু অংশ বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে এবং সেখানে বসবাসকারী মানুষের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ করছে। দূতাবাসের বক্তব্য, “পাকিস্তান এই ভূখণ্ডগুলির কিছু অংশ বেআইনিভাবে দখল করে রেখেছে এবং এখন আবার দখল করা এলাকার মানুষের বিরুদ্ধেই হিংসা ব্যবহার করছে।” পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে অস্থিরতা ক্রমেই বাড়ছে। স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই সেখানে একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সরকারি সূত্রের দাবি, বিক্ষোভকারীদের দমন করতে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালায়। এতে ৩০ জনেরও বেশি সাধারণ মানুষ নিহত এবং অন্তত ৩৩ জন জখম হয়েছেন (India Embassy Slams NYT)।

    আছড়ে পড়ল বিক্ষোভের ঢেউ

    এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি। মূল্যবৃদ্ধি, প্রশাসনিক অব্যবস্থা, কথিত রাজনৈতিক বৈষম্য এবং ওই অঞ্চলের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে আচরণ নিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ জানিয়ে আসছে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাওয়ালাকোট থেকে মুজাফফরাবাদ পর্যন্ত একটি দীর্ঘ পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। অভিযোগ, সেই পদযাত্রার সময় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তাকর্মীরা প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করেন। ওই অঞ্চলে পাকিস্তান সরকারের  আয়োজিত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ভারত বরাবরই প্রত্যাখ্যান করে এসেছে। ভারতের অবস্থান, পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের কোনও আইনি বৈধতাই নেই (POK)। চলতি সপ্তাহের গোড়ায় ভারতের বিদেশমন্ত্রকও পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের নির্বাচনকে “লোকদেখানো নির্বাচনী প্রক্রিয়া” বলে অভিহিত করে। ভারতের দাবি, বেআইনি দখলকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা হিসেবেই এই নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে। ওই অঞ্চলে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলি আড়াল করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেছে ভারত (India Embassy Slams NYT)। সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে একাধিক স্থানীয় সংগঠন। তাদের মধ্যে রয়েছে জম্মু কাশ্মীর ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ফেডারেশনও (India Embassy Slams NYT)।

    প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ বন্ধের দাবি

    এদিকে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছেও আবেদন জানিয়েছে। তাদের দাবি, তথাকথিত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত করতে হবে, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ বন্ধ করতে হবে এবং দোষীদের জবাবদিহি করতে হবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে রাওয়ালাকোট, মুজাফফরাবাদ-সহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে বিপুল সংখ্যায় পাক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে (India Embassy Slams NYT)। সূত্রের আরও দাবি, একাধিক সংগঠনের স্থানীয় নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্ত ওই অঞ্চলে পাকিস্তানের প্রশাসন নিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষেরই প্রতিফলন (POK)। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থাও ক্রমশ কমছে বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের।

     

  • Israel: ইজরায়েলের গোপন পরিকল্পনায় ইরানের শীর্ষে মাহমুদ আহমাদিনেজাদ! বিস্ফোরক দাবি নিউ ইয়র্ক টাইমসের

    Israel: ইজরায়েলের গোপন পরিকল্পনায় ইরানের শীর্ষে মাহমুদ আহমাদিনেজাদ! বিস্ফোরক দাবি নিউ ইয়র্ক টাইমসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের গোয়েন্দা সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলেছিল ইজরায়েল (Israel)। ইরানে শাসন ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও, তাঁকেই দেশের নতুন নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও ছকেছিল তেল আভিভ (ইজরায়েলের রাজধানী)। মার্কিন সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনেই এমনই দাবি করা হয়েছে (Ahmadinejad Intelligence Asset)।

    ইজরায়েলের ছক! (Israel)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের প্রথম দিকেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। সেই সময় তেহরানে আহমাদিনেজাদের বাসভবন থেকে তাঁকে গোপনে সরিয়ে একটি নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন মোসাদের সদস্যরা। যদিও শেষ পর্যন্ত আহমাদিনেজাদ স্বয়ং ওই উদ্ধার অভিযানে অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েছিলেন, এবং আস্থা হারিয়েছিলেন ইরানে শাসন ক্ষমতার পরিবর্তনের ইজরায়েলি পরিকল্পনার সাফল্যে। ফলে গোটা পরিকল্পনাটাই ভেস্তে গিয়েছিল। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক একটি সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়ে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে গিয়েছিলেন আহমাদিনেজাদ। সম্মেলনটি ছিল আসলে ইজরায়েলি গোয়েন্দাদের সঙ্গে তাঁর গোপন বৈঠকের আড়াল। সেই সময় মোসাদের প্রধান ডেভিড বারনিয়া নিজেও বুদাপেস্টে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।

    আহমাদিনেজাদ-রহস্য

    গত বছরের জুন মাসে আবারও বুদাপেস্ট সফরে গিয়েছিলেন আহমাদিনেজাদ। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ইরানি রক্ষীরা পরে জানান, ওই সফরে অন্তত দু’বার তিনি তাঁদের নজর এড়িয়ে দীর্ঘ সময়ের জন্য গোপন বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। আহমাদিনেজাদ তাঁদের জানিয়েছিলেন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, তাঁর বিদেশ সফর এবং থাকা-খাওয়ার খরচও বহন করেছিল ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা (Israel)। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আহমাদিনেজাদের বাসভবন লক্ষ্য করে ইজরায়েলি বিমান হামলা চালানো হয়। হামলায় তাঁর দেহরক্ষীদের থাকার ভবন এবং সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস হয়। এর কিছুক্ষণ পর একটি কালো রঙের পিউজো গাড়ি সেখানে পৌঁছে তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যায়। মার্কিন ও ইরানি কর্তাদের বক্তব্য দিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, গাড়িটি চালাচ্ছিলেন মোসাদের সদস্যরা।

    ভূখণ্ড দখলের ছক!

    এরপর তাঁকে একটি গোপন নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়। একই সময়ে ইরানের সরকার উৎখাতের বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইরানি কুর্দি বিরোধী যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ভূখণ্ড দখল এবং পরে তেহরানের দিকে অগ্রসর হওয়ার পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হয়নি। পরে কীভাবে আহমাদিনেজাদ নিরাপদ আশ্রয় ছেড়ে বেরিয়ে আসেন, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। এর কিছুদিন পরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্যের যাত্রায় খানিকক্ষণের জন্য প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল আহমাদিনেজাদকে। তিনি নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে ছিলেন, এবং কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। নিউ ইয়র্ক টাইমসের দাবি, ইরানের চার প্রবীণ আধিকারিক জানিয়েছেন, বর্তমানে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর গোয়েন্দা শাখার হেফাজতে রয়েছেন আহমাদিনেজাদ, তাঁকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঘনিষ্ঠদের কাছে আহমাদিনেজাদ (নাকি) জানিয়েছিলেন, বিদেশি সমর্থনে তিনি আবার ক্ষমতায় ফিরতে চান। শাসন পরিবর্তনের পর তিনি ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়ার পক্ষেও প্রস্তুত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে (Israel)। তবে এই সব অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত মোসাদ কিংবা আহমাদিনেজাদের মুখপাত্রের পক্ষ থেকে (Ahmadinejad Intelligence Asset) কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তাই জানা যায়নি, সত্যটা ঠিক কী।

     

  • Washington Post: এক ঝটকায় ৩০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ওয়াশিংটন পোস্ট, কেন জানেন?

    Washington Post: এক ঝটকায় ৩০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করল ওয়াশিংটন পোস্ট, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী ছাঁটাই করল জেফ বেজোসের মালিকানাধীন ওয়াশিংটন পোস্ট (Washington Post)।  তাদের মোট কর্মশক্তির প্রায় ৩০ শতাংশ ছাঁটাই করছে। এই ব্যাপক ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়বে বিদেশনীতি ও ক্রীড়া বিষয়ক প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে। বিশেষ করে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে পত্রিকাটির বহু রিপোর্টিং কার্যকলাপ মার খাবে (Mass Layoffs)।

    ছাঁটাইয়ের তালিকায় (Washington Post)

    এক্স হ্যান্ডেলে সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ছাঁটাইয়ের তালিকায় রয়েছেন ওয়াশিংটন পোস্টের এশিয়া সম্পাদক, নয়াদিল্লি, সিডনি ও কায়রোর ব্যুরো প্রধানরা, চিন ও তুরস্কের সংবাদদাতারা এবং মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক পুরো রিপোর্টিং টিম। সাংবাদিকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্লোবাল সাউথের বড় একটি অংশ থেকে স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ করার ক্ষমতা হারাবে পত্রিকাটি। পত্রিকার এক্সিকিউটিভ এডিটর ম্যাট মারি বলেন, “এই ছাঁটাই নিউজরুমে স্থিতিশীলতা আনার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।” তবে প্রত্যাশিতভাবেই এই ঘোষণা কর্মীদের পাশাপাশি পত্রিকার একাধিক প্রাক্তন শীর্ষ কর্তার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন এই ঘটনাকে পত্রিকার ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার দিনগুলির একটি বলে উল্লেখ করেছেন।

    আন্তর্জাতিক সংবাদ কভারেজ টিম

    মারে এও বলেন, “পোস্টের আন্তর্জাতিক সংবাদ কভারেজ টিম ছোট করা হলেও, প্রায় ১২টি ব্যুরো চালু থাকবে, যেগুলির মূল ফোকাস থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সংবাদপত্রটিতে (Washington Post) একের পর এক কর্মী ছাঁটাই ও স্বেচ্ছাবসর কর্মসূচির ধারাবাহিকতারই সর্বশেষ উদাহরণ এই সিদ্ধান্ত। সাবস্ক্রিপশন কমে যাওয়া এবং আর্থিক চাপের মুখে পড়েই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে (Mass Layoffs)।” সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কর্মীসংখ্যা হ্রাস ও স্বেচ্ছাবসর কর্মসূচির ধারাবাহিকতারই অংশ এই ছাঁটাই। সাবস্ক্রিপশন কমে যাওয়া ও আর্থিক চাপের সঙ্গে লড়াই করছে পত্রিকাটি। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগে ওয়াশিংটন পোস্ট বড় ধাক্কা খায়, যখন ডিজিটাল গ্রাহকদের একাংশ সাবস্ক্রিপশন বাতিল করেন এবং একাধিক কলামিস্ট পদত্যাগ করেন।

    সম্পাদকীয় অনুমোদন আটকে দেন বেজোস, তারপরেই…

    এই পরিস্থিতির সূচনা হয় পত্রিকার মালিক জেফ বেজোস উপ-রাষ্ট্রপতি কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট পদে সমর্থনের সম্পাদকীয় অনুমোদন আটকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ছাঁটাইয়ের আওতায় পড়া কর্মীরা ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বেতন পাবেন, তবে এই সময়ে তাঁদের কাজ করতে হবে না। পাশাপাশি তাঁরা ছ’মাসের স্বাস্থ্য বিমার সুবিধাও পাবেন (Mass Layoffs)। ওয়াশিংটন পোস্টের এই সঙ্কটের সম্পূর্ণ উল্টো ছবি দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের। পত্রিকাটি জানিয়েছে, ৪ ফেব্রুয়ারির তথ্য বলছে, তারা ২০২৫ সালে প্রায় ১৪ লাখ নতুন সাবস্ক্রাইবার যুক্ত করেছে (Washington Post)।

     

  • Pakistan: অপারেশন সিঁদুর থামাতে আমেরিকার হাতে-পায়ে পড়েছিল পাকিস্তান! প্রকাশ্যে মার্কিন নথি

    Pakistan: অপারেশন সিঁদুর থামাতে আমেরিকার হাতে-পায়ে পড়েছিল পাকিস্তান! প্রকাশ্যে মার্কিন নথি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সামরিক অভিযান অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে এক নজিরবিহীন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছিল পাকিস্তান (Pakistan)। মার্কিন সরকারি নথি থেকে জানা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার জবাবে ভারতের সামরিক অভিযানের (অপারেশন সিঁদুর) থামাতে পাকিস্তান সরাসরি মার্কিন হস্তক্ষেপ দাবি করে। মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরে জমা দেওয়া সরকারি নথি অনুযায়ী, পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত এবং প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে সব মিলিয়ে ৬০ জনেরও বেশি মার্কিন সরকারি কর্তা, নীতিনির্ধারক ও প্রভাবশালী মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। উদ্দেশ্য ছিল, যেকোনও উপায়ে, যেনতেন প্রকারে ভারতের সামরিক অভিযান বন্ধ করতে ওয়াশিংটনের চাপ সৃষ্টি করা।

     কী বলছে ফাঁস হওয়া নথি? (Pakistan)

    নথি অনুযায়ী, পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক প্রচারাভিযানের লক্ষ্য ছিল, হোয়াইট হাউস ও মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা, মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা, পেন্টাগনের প্রতিরক্ষা কর্তারা, মার্কিন বিদেশ দফতর (স্টেট ডিপার্টমেন্ট) এবং প্রভাবশালী মার্কিন সাংবাদিক ও নীতিবিশেষজ্ঞরা। এই তৎপরতার মূল উদ্দেশ্য ছিল, ভারতের সামরিক পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ফেলে সীমিত বা বন্ধ করে দেওয়া। সংবাদ মাধ্যমে (Pakistan) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন সরকারি নথিতে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে পাকিস্তান ভারতীয় সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে সরাসরি আমেরিকার চেয়ে কার্যত হাতে-পায়ে পড়ে গিয়েছিল। কূটনৈতিক ভাষায় বলা হলেও, বার্তা ছিল পরিষ্কার, ভারতের অভিযান যেভাবেই হোক থামাতে হবে (Operation Sindoor)।

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী কঠোর অবস্থানের পর পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে কোণঠাসা মনে করছে। বিশেষত, দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে তৃতীয় পক্ষকে টানার পাকিস্তানি প্রবণতা ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।ভারত সরকার অবশ্য আগেই স্পষ্ট করেছে যে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষামূলক প্রয়াস, এবং এতে কোনও বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রশ্ন নেই (Pakistan)। মার্কিন ফরেন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় জমা দেওয়া এই নথিগুলিতে বলা হয়েছে, ওই সময়ের মধ্যে পাকিস্তানি প্রতিনিধিরা অন্তত ৫০টিরও বেশি বৈঠক করেছেন বা বৈঠকের অনুরোধ জানিয়েছেন প্রভাবশালী মার্কিন কংগ্রেস সদস্য ও শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে (Operation Sindoor)।

    পাকিস্তানের এই লবিং

    জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের এই লবিং অভিযানে কেবল কাশ্মীর ইস্যুই নয়, আলোচনায় উঠে এসেছে, দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, কাশ্মীর সংকট, বিরল খনিজ ও রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস, পাকিস্তান–মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ। অনেক ক্ষেত্রেই পাক প্রতিনিধিরা প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার ও ব্যাকগ্রাউন্ড ব্রিফিংয়ের আবেদনও করেছেন (Pakistan)। এই নথির একাধিক এন্ট্রিতে পাকিস্তানের এই কার্যকলাপকে সরাসরি “অনগোয়িং রিপ্রেজেন্টেশন অফ পাকিস্তান” বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ই-মেল, ফোন এবং সরাসরি বৈঠকের মাধ্যমে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়টি এই লবিং অভিযানের তীব্রতা ও পরিকল্পিত চরিত্রকেই স্পষ্ট করে (Operation Sindoor)। রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, এই লবিংয়ের মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় করে ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়াকে নরম করা। ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করেই ইসলামাবাদ ভারতের চাপ মোকাবিলায় কৌশলগত সুবিধা নিতে চেয়েছিল বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

    দ্রুত প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্য

    এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরেই আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, সংঘর্ষ চলাকালীন এমন সক্রিয় লবিং কতটা ন্যায্য?, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় বিদেশি প্রভাব কতটা গভীর? ভারত–পাকিস্তান সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই লবিং অভিযানের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এখন আলোচনা তুঙ্গে (Pakistan)। জানা গিয়েছে, মার্কিন প্রশাসনের শীর্ষ মহলে দ্রুত প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে পাকিস্তান গত কয়েক বছরে ব্যাপক লবিং করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসলামাবাদ প্রায় ছ’টি ওয়াশিংটনভিত্তিক লবিং সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছিল, যার আর্থিক মূল্য বছরে ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি (Operation Sindoor)। এই লবিং প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল পূর্বাতন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে দ্রুত ও সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই কৌশলের ফল খুব দ্রুতই স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Pakistan)।

    লবিং কার্যকলাপ

    নিউ ইয়র্ক টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান সেইডেন ল এলএলপির সঙ্গে একটি চুক্তি করে, যারা জ্যাভেলিন অ্যাডভাইসরসের মাধ্যমে লবিং কার্যকলাপ পরিচালনা করছিল। এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই হোয়াইট হাউসে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে আতিথ্য দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Operation Sindoor)। এই বৈঠককে ঘিরে কূটনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং পাকিস্তানের সুপরিকল্পিত কূটনৈতিক ও লবিং প্রচেষ্টারই প্রত্যক্ষ ফল। বিশ্লেষকদের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান তার অবস্থান মজবুত করতে এবং মার্কিন প্রশাসনের সমর্থন পেতে এই ধরনের লবিং কৌশলকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে হোয়াইট হাউস বা পাকিস্তান সরকারের তরফে এই বৈঠকের বিষয়ে (Operation Sindoor) বিস্তারিত কোনও সরকারি বিবৃতি এখনও প্রকাশ করা হয়নি (Pakistan)।

  • Media Censorship: গরিবি ঢাকতে দারিদ্রের করুণ ছবি মুছছে চিনের কমিউনিস্ট সরকার!

    Media Censorship: গরিবি ঢাকতে দারিদ্রের করুণ ছবি মুছছে চিনের কমিউনিস্ট সরকার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরিবি হটানোর কোনও চেষ্টা নেই! যা আছে, তাহল গরিবি ঢাকার চেষ্টা। তামাম বিশ্বের সামনে চিনা (China) অর্থনীতির বেহাল দশার কথা তুলে ধরতে রাজি নয় সে দেশের কমিউনিস্ট সরকার। তাই দেশবাসীর করুণ অবস্থার ছবি তুলে ধরে যেসব ভিডিও পোস্ট করা হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়, তা মুছতে (Media Censorship) শুরু করেছে ‘গরিব দরদি’ সরকার। সম্প্রতি চিনে বাড়ছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা। সেই গরিব মানুষদের দুঃসহ জীবনের ছবি সম্প্রতি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওতে স্পষ্ট, কীভাবে বহু চিনা নাগরিক আধ পেটা কিংবা প্রতিদিন ভরপেট খেতে না পেয়ে দুঃসহ জীবন যাপন করছেন।

    ভাইরাল ভিডিওয় কাঁচি (Media Censorship)…

    ভাইরাল ভিডিও থেকে জানা যাচ্ছে, চিনের অতি সাধারণ মানুষ ফি মাসে মুদিখানার সামগ্রী কেনার জন্য খরচ করতে পারেন মাত্র ১০০ ইয়েন। মার্কিন ডলারে যার পরিমাণ দাঁড়ায় ভারতীয় ১৪ টাকার মতো। কেবল ওই ভিডিও নয়, চিনের বেহাল অর্থনীতির খবর প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদ সংস্থা দ্য নিউইয়র্ক টাইমসও। সেখানেও উঠে এসেছে অতি সাধারণ চিনা নাগরিকদের দুর্বিষহ জীবনের করুণ ছবি। এক চিনা নাগরিক বলেন, প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখ ধুয়ে ফেলি। দাঁত (Media Censorship) মাজি। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমার পেট মুখের চেয়ে বেশি পরিষ্কার। কারণ সেখানে ময়লা জমার মতো কিছুই যাচ্ছে না।

    আরও পড়ুুন: পুলিশ কর্তা ও এনআইএ-র অফিসে নাশকতার ছক জঙ্গিদের! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    মার্কিন সংবাদপত্রের প্রতিবেদন মুছতে পারেনি চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার। তবে দেশ থেকে যেসব ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে বেআব্রু হয়ে গিয়েছে চিনের ভুখা অর্থনীতির ছবি, যে ছবি ভাইরাল হওয়ার পর মুখ পুড়েছে কমিউনিস্ট শাসিত এই দেশের। তার পরেই ভাইরাল হওয়া দারিদ্রের করুণ কাহিনি সম্বলিত ছবি ডিলিট করতে উঠেপড়ে লেগেছে সে দেশের সরকার।

    একুশ সালে দারিদ্রতার বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা ঘোষণা করেছিলেন (Media Censorship) চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি বলেছিলেন, এখনও বহু মানুষ দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করছেন। তবে আমাদের দেশের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির কথা আগে ভাবতে হবে। সেটা যে নিছকই কথার কথা ছিল, তার জ্বলন্ত প্রমাণ দেশের অর্থনীতির করুণ ছবি। যে ছবি মোছার চেষ্টা করছে ড্রাগনের দেশের সরকার।

    ছবি না হয় মোছা গেল, দারিদ্র ঘুঁচবে কি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cancer Drug Trial: বিশ্বে প্রথমবার এক ওষুধেই উধাও ক্যান্সার! চমকে দেওয়া দাবি গবেষকদের

    Cancer Drug Trial: বিশ্বে প্রথমবার এক ওষুধেই উধাও ক্যান্সার! চমকে দেওয়া দাবি গবেষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশ্চর্যজনক ঘটনা! কর্কটরোগ (Cancer) থেকে মুক্তি পেতে এমনই একটি সঞ্জীবনী ওষুধের সন্ধান পেয়েছেন বলে দাবি করলেন বিজ্ঞানীরা। এক ওষুধেই কেল্লাফতে! যাকে বলা হচ্ছে মিরাক্যল! সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে কি মিলল ক্যান্সারের ওষুধ (Cancer Drug)? অন্তত একটি ট্রায়ালে, তাই প্রমাণিত হয়েছে।

    যুগ যুগ ধরে মারণ কর্কটরোগের নিরাময় খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মানুষ। বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশ দশকের পর দশক ধরে ক্যান্সারের ওষুধ তৈরি করার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু, নির্দিষ্ট সাফল্য অধরাই থেকে গিয়েছিল। 

    কিন্তু, অদূর ভবিষ্যতে, সেই সম্ভাবনা বাস্তব রূপ পেতে চলেছে। অন্তত তেমনই আশা জাগিয়েছে নতুন গবেষণা। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ক্যান্সার নিরাময়ে এমনই একটি ম্যাজিক ড্রাগের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা।

    দাবি করা হচ্ছে, ‘ডসটারলিম্যাব’ (Dostarlimab) নামের একটি ওষুধের ফলেই ক্যান্সার মুক্ত হতে পেরেছে কিছুজন। ১৮ জন রোগীর শরীরে এটি প্রয়োগ করা হয়েছিল। প্রায় ৬ মাস ধরে এই ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। তারপর ম্যাজিকের মতোই শরীর থেকে উধাও হয়ে যায় টিউমার। এই আবিষ্কারের জন্য ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে চিকিৎসক মহলে।

    আরও পড়ুন: রোগীর শরীরে ভুল রক্ত, সরকারি হাসপাতালের বেহাল দশা

    নিউইয়র্কের (New York) একটি ক্যান্সার সেন্টারের এক চিকিৎসক বলেন, “ক্যান্সারের  ইতিহাসে ঘটনাটি এই প্রথমবার ঘটেছে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘ডসটারলিম্যাব’ ওষুধটি ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা হয়েছে যা মানব শরীরে অ্যান্টিবডির বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।

    আরও পড়ুন: থাইরয়েডের সমস্যা? তাহলে খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন এই খাবারগুলি

    আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, যে ১৮ জন রোগীর ওপর এই ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছিল, তাঁদের আগে কেমোথেরাপি করা হয়েছিল। রেডিয়েশনও দেওয়া হয়েছিল। কারও কারও অস্ত্রোপচারও করা হয়। কোনও আশানুরূপ ফল লা আসায় এই ওষুধটি প্রয়োগ করা হয়। এবং তারপরেই আর তাঁদের কোনও চিকিৎসার প্রয়োজন হয়নি।

    একজন কলোরেক্টাল ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ (Colorectal Cancer specialist) জানান, প্রতিটি ক্যান্সার  রোগী এখন সম্পূর্ণ সুস্থ, এবং এটি একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা। তিনি এই গবেষণাকে বিশ্ব-প্রথম বলে অভিহিত করেছেন। অন্য একজন অনকোলজিস্ট  (Oncologist) জানান, তাঁরা ক্যান্সার মুক্ত হয়েছেন জেনে রোগীরা খুশিতে কেঁদে ফেলেছিলেন।

    চিকিৎসকরা জানান, ট্রায়াল চলাকালীন রোগীদের ছয় মাস ধরে প্রতি তিন সপ্তাহে এই ওষুধ দেওয়া হয়। তাঁরা সবাই ক্যান্সারের একই লেভেলে ছিল ও ক্যান্সার তাঁদের মলদ্বারে (Rectum) হলেও পরে এটি দেহের অন্যান্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়েনি এবং রোগীদের ওপর ওই ওষুধ প্রয়োগ করার ফলে কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও দেখা যায়নি।

    ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এই ওষুধের গুরুত্ব অনেকটাই বেশি, তবে এই নিয়ে আরও পরীক্ষা বা ট্রায়ালের দরকার আছে, এমনটাই জানিয়েছেন ক্যান্সার গবেষকরা।

LinkedIn
Share