Tag: news

news

  • Thailand Cambodia Ceasefire: তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কার্যকর হল সীমান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি

    Thailand Cambodia Ceasefire: তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কার্যকর হল সীমান্ত যুদ্ধবিরতি চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে কার্যকর হল সীমান্তে যুদ্ধবিরতি (Thailand Cambodia Ceasefire)। সপ্তাহ তিনেক ধরে চলা প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ফলে প্রায় দশ লাখ মানুষ তাঁদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে যে অবস্থানে সেনারা রয়েছেন, সেখানেই ফ্রন্টলাইন স্থির রাখা হবে, নতুন করে সেনা বা রসদ পাঠানো বন্ধ থাকবে এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষকে যত দ্রুত সম্ভব নিজ নিজ (Deadly Clash) বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। স্থানীয় সময় শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি টানা ৭২ ঘণ্টা কার্যকর থাকলে, জুলাই মাস থেকে তাইল্যান্ডের হেফাজতে থাকা ১৮ জন কম্বোডিয়ান সেনাকে মুক্তি দেওয়া হবে।

    যুদ্ধবিরতি (Thailand Cambodia Ceasefire)

    চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সহায়তায় দুই দেশের মধ্যে টানা কয়েক দিনের আলোচনার পর এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। চুক্তিটিতে বাস্তুচ্যুতদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। মাইন সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে। তাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নাথাফন নার্খফানিত যুদ্ধবিরতিকে অন্য পক্ষের আন্তরিকতার একটি পরীক্ষা বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “যদি যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হয় বা লঙ্ঘিত হয়, তবে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার তাইল্যান্ড বজায় রাখবে।” রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার টুর্কের আশা, এই যুদ্ধবিরতি শান্তির পথ প্রশস্ত করবে। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক মুখপাত্রের বাস্তবায়নে সদিচ্ছা দেখানোর আহ্বানও জানান।

    যুদ্ধবিরতিতে গররাজি ছিল তাইল্যান্ড

    তাইল্যান্ড প্রথমে যুদ্ধবিরতি মেনে নিতে গররাজি ছিল। তাদের যুক্তি ছিল, আগের যুদ্ধবিরতি সঠিকভাবে কার্যকর হয়নি। পাশাপাশি, কম্বোডিয়া সংঘাতটিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার যে চেষ্টা করছে বলে তাইল্যান্ড মনে করে, তাতেও তারা অসন্তুষ্ট ছিল। জুলাই মাসের আগের যুদ্ধবিরতির তুলনায় এবার একটি উল্লেখযোগ্য পার্থক্য ছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যভাবে এতে যুক্ত ছিলেন না, যদিও আমেরিকার বিদেশ দফতর প্রক্রিয়াটির সঙ্গে জড়িত ছিল। চলতি মাসের শুরুতেই সেই আগের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে, যখন নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। যুদ্ধবিরতি (Thailand Cambodia Ceasefire) ভাঙার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করে। তাই সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাইল্যান্ডের সি সা কেট প্রদেশে কম্বোডিয়ার দিক থেকে গোলাবর্ষণের জবাবে তাদের সেনারা পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়। ওই ঘটনায় দুজন তাই সেনা জখম হন।

    তাইবাহিনীর হানা

    অন্যদিকে, কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রকের দাবি, প্রথমে আক্রমণ চালায় তাইবাহিনী, প্রেয়াহ ভিহেয়ার প্রদেশে। তারা আরও জানায়, কম্বোডিয়া পাল্টা আক্রমণ করেনি। ডিসেম্বরজুড়ে সংঘর্ষ চলতে থাকে। শুক্রবার তাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার ভেতরে আরও বিমান হামলা চালায় (Deadly Clash)। তাই বিমান বাহিনীর দাবি, বেসামরিক লোকজন এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তারা কম্বোডিয়ার একটি সুরক্ষিত সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তবে কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এসব হামলাকে সাধারণ মানুষের বাড়িঘরের ওপর নির্বিচার আক্রমণ বলে অভিযোগ করেছে। এবার যুদ্ধবিরতি কতটা টিকে থাকবে, তা অনেকটাই নির্ভর করছে রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর। কারণ দুই দেশেই জাতীয়তাবাদী আবেগ তীব্রতর হয়ে উঠেছে।

    যুদ্ধ ব্যাপক ক্ষয় কম্বোডিয়ার

    বিশেষ করে কম্বোডিয়া বিপুল সংখ্যক সেনা এবং উল্লেখযোগ্য সামরিক সরঞ্জাম হারিয়েছে। সীমান্তে আগে দখলে থাকা অবস্থানগুলো থেকে তাদের সরে যেতে হয়েছে এবং তাই বিমান হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। এসব ক্ষোভ দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে (Thailand Cambodia Ceasefire)। সীমান্ত নিয়ে এই দুই দেশের মতবিরোধের ইতিহাস এক শতাব্দীরও বেশি পুরানো। তবে চলতি বছরের শুরুতে উত্তেজনা বেড়ে যায়, যখন বিতর্কিত একটি মন্দিরে কম্বোডিয়ার কয়েকজন নারী দেশাত্মবোধক গান গেয়েছিলেন (Deadly Clash)। মে মাসে এক সংঘর্ষে এক কম্বোডিয়ান সেনা নিহত হন। এর দুমাস পরে, জুলাইয়ে, সীমান্তজুড়ে টানা পাঁচ দিন ধরে তীব্র লড়াই চলে। এতে কয়েক ডজন সেনা ও নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান,  বাস্তুচ্যুত হন হাজার হাজার নাগরিক। মালয়েশিয়া এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যস্থতার পরে দুই দেশের মধ্যে একটি ক্ষণস্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হয়, যা অক্টোবরের শেষ দিকে স্বাক্ষরিত হয়।

    কুয়ালালামপুর শান্তি চুক্তি

    ট্রাম্প এই চুক্তির নাম দেন “কুয়ালালামপুর শান্তি চুক্তি”। এই চুক্তি অনুযায়ী, উভয় পক্ষকে বিতর্কিত অঞ্চল থেকে ভারী অস্ত্র প্রত্যাহার করতে হবে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি অস্থায়ী পর্যবেক্ষক দল গঠন করতে হবে। তবে নভেম্বর মাসে তাইল্যান্ড এই চুক্তি স্থগিত করে দেয়, যখন মাইন বিস্ফোরণে তাই সেনারা জখম হন। তাই প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল সেই সময় জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তাজনিত হুমকি বাস্তবে একেবারেই কমেনি (Thailand Cambodia Ceasefire)।

  • Bharats Rise: বিশ্ব হিন্দু অর্থনৈতিক ফোরামের অনুষ্ঠানে কারা উপস্থিত ছিল জানেন?…

    Bharats Rise: বিশ্ব হিন্দু অর্থনৈতিক ফোরামের অনুষ্ঠানে কারা উপস্থিত ছিল জানেন?…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব হিন্দু অর্থনৈতিক ফোরাম (ডব্লিউএইচইএফ) ২০২৫ অনুষ্ঠিত হল  ১৯–২০ ডিসেম্বর, মুম্বইয়ের গ্র্যান্ড হায়াতে। এই অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারণ, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের কেন্দ্রে সভ্যতাগত মূল্যবোধকে প্রতিষ্ঠা করে ভারতের সমকালীন অর্থনৈতিক আলোচনায় এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত চিহ্নিত করেছে। এটি কেবল (Hindu Economic Forum) একটি ব্যবসায়িক সম্মেলন নয়, ধর্ম, শৃঙ্খলা ও জাতীয় স্বার্থে প্রোথিত, আত্মবিশ্বাসী ও ভবিষ্যতমুখী এক অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরাই ছিল এই সমাবেশের লক্ষ্য।

    কারা উপস্থিত ছিলেন (Bharats Rise)

    দুদিনের এই ফোরামে কেন্দ্র ও রাজ্যের সিনিয়র মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক, শিল্পপতি, বৈশ্বিক বিনিয়োগকারী, এমএসএমই নেতৃত্ব, স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠাতা এবং দেশ-বিদেশের চিন্তাবিদরা একত্রিত হন। বিভিন্ন অধিবেশনে বারবার যে বার্তাটি স্পষ্ট হয়েছে তা হল, ভারতের অর্থনৈতিক উত্থান কেবল পুঁজি ও প্রযুক্তির জোরে নয়, বরং সম্পদ সৃষ্টির একটি সুসংগঠিত, মূল্যবোধভিত্তিক পন্থার মাধ্যমে এগোতে হবে (Bharats Rise)। ফোরামের উদ্বোধন করেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। তিনি আস্থাভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। নবি মুম্বইয়ে ৫৪তলা বিশিষ্ট একটি ‘আফ্রিকা সেন্টার’ নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করে তিনি। বলেন, “আফ্রিকা আগামী দিনের অন্যতম প্রধান বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। প্রস্তাবিত এই কেন্দ্রের প্রতিটি তলায় আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিত্বকারী দফতর থাকবে, যা বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও কৌশলগত সম্পৃক্ততার জন্য একটি স্থায়ী মঞ্চ তৈরি করবে।”

    কী বললেন ফড়নবীস

    ফড়নবীস উল্লেখ করেন, আফ্রিকা ও গ্লোবাল সাউথের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক ভারতকে এমন একটি অনন্য অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে, যেখানে কোনও ধরনের জবরদস্তি বা শোষণ ছাড়াই পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গঠনে সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করা সম্ভব। কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল স্পষ্টভাবে ভারতের ক্রমবিকাশমান বাণিজ্য দর্শনের রূপরেখা তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, ভারত কেবলমাত্র সম্পূর্ণভাবে উইন-উইন ভিত্তিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) অনুসরণ করছে এবং সচেতনভাবেই এমন কোনও চুক্তি থেকে দূরে থাকছে যা দেশের অভ্যন্তরীণ শিল্পের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে অথবা যেসব প্রতিযোগী অর্থনীতির মাথাপিছু আয় ভারতের তুলনায় কম, তাদের সঙ্গে করা হয় (Hindu Economic Forum)।

    ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’

    ভারত ইতিমধ্যেই ছটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE), অস্ট্রেলিয়া এবং ইএফটিএ জোটের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিও রয়েছে। একই সঙ্গে, একটি স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে একাধিক উন্নত অর্থনীতির দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে (Bharats Rise)। গয়াল জানান, ভারত ২০২৭ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার পথে রয়েছে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ৩০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি অর্থনীতিতে উন্নীত হবে। এই অগ্রগতি সংস্কার, পরিকাঠামো সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধির ফল। ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জোর দেন যে ভারতের উন্নয়ন মডেল অন্তর্ভুক্তিমূলক, নৈতিক এবং বিশ্বজনীন দায়বদ্ধতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

    নিতিন গডকরি

    সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকরি জাতীয় উন্নয়নের মেরুদণ্ড হিসেবে পরিকাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আগামী দুই বছরের মধ্যেই ভারতের সড়ক নেটওয়ার্ক আমেরিকার মানের সমতুল্য হবে, এবং কিছু ক্ষেত্রে তা ছাড়িয়েও যাবে। তিনি বলেন, মূল লক্ষ্য হল লজিস্টিক্স খরচ কমানো, যাতে ভারতীয় পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠে। বিশ্বমানের পরিকাঠামো মূলধনী বিনিয়োগ আকর্ষণ, শিল্প সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত জরুরি (Hindu Economic Forum)। এদিকে, মহারাষ্ট্রের তথ্যপ্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রী আশিস শেলার জানান, আগামী ছমাসের মধ্যে রাজ্যে ভারতের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে, পাশাপাশি গড়ে তোলা হবে একটি যৌথ এআই শহর (Bharats Rise)।

    সজ্জন জিন্দাল

    জেএসডব্লিউ গ্রুপের চেয়ারম্যান সজ্জন জিন্দাল ভারতের অর্থনৈতিক কাঠামো সম্পর্কে একটি স্পষ্ট মূল্যায়ন তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বর্তমানে জিডিপিতে পরিষেবা খাতের অবদান ৬০ শতাংশের বেশি হলেও টেকসই বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে উৎপাদন খাতের অংশ বর্তমান ১৫ শতাংশের সীমা ছাড়িয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো প্রয়োজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন প্যাক্স সিলিকার উদ্যোগ থেকে ভারতের বাদ পড়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জিন্দাল বলেন, ভারতের কাছে পর্যাপ্ত রেয়ার আর্থ মজুত রয়েছে এবং দেশীয় অনুসন্ধানে আক্রমণাত্মকভাবে বিনিয়োগ করা জরুরি। তিনি বলেন, “আত্মনির্ভর ভারত কোনও বিকল্প নয়, এটি একটি অর্থনৈতিক অনিবার্যতা।” তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে জেএসডব্লিউ গ্রুপ বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড প্রযুক্তিনির্ভর একটি দেশীয় যাত্রীবাহী গাড়ির ব্র্যান্ড উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে, পাশাপাশি মহারাষ্ট্রে ব্যাটারি উৎপাদন সক্ষমতাও গড়ে তোলা হচ্ছে (Hindu Economic Forum)।

    নির্দিষ্ট বিনিয়োগ ঘোষণা

    এই সময় নির্দিষ্ট বিনিয়োগ ঘোষণাও করা হয়। শ্রী সিমেন্টসের চেয়ারম্যান শ্রী হরি মোহন বাঙ্গুর মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের হাতে পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১,৫০০ কোটি টাকার একটি লেটার অব ইনটেন্ট  তুলে দেন। মুখ্যমন্ত্রী মধ্যপ্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও রফতানি কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের কথা তুলে ধরেন, বিশেষ করে ওষুধ শিল্প, বস্ত্র এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ক্ষেত্রে। ২০২৫ সালকে শিল্প ও কর্মসংস্থানের বছর ঘোষণা করে তিনি জানান, রাজ্যে ইতিমধ্যেই ৬ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের প্রকল্প বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে। বৃহৎ কর্পোরেট সংস্থার পাশাপাশি, এই ফোরামে এমএসএমই, নারী উদ্যোক্তা, স্টার্ট-আপ এবং প্রথম প্রজন্মের ব্যবসায়ী নেতাদের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজক কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সঞ্জয় খেমানি বলেন, সততা, শৃঙ্খলা এবং দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গিকে ভিত্তি করে যাঁরা ব্যবসা গড়ে তুলছেন, সেই উদ্যোক্তাদের হাত ধরেই ভারতের প্রবৃদ্ধির কাহিনি ক্রমশ রূপ পাচ্ছে (Bharats Rise)।

    ফোরামের জাতীয় সংগঠন সম্পাদকের বক্তব্য

    হিন্দু ইকোনমিক ফোরামের জাতীয় সংগঠন সম্পাদক টিআর শিব প্রসাদ বলেন, এই প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য কেবল শহর বা কর্পোরেট পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়। মেন্টরশিপ, পুঁজি প্রাপ্তির সুযোগ এবং বাজার সংক্রান্ত দিকনির্দেশনার মাধ্যমে গ্রাম ও স্থানীয় উদ্যোগগুলিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করাই এর মূল উদ্দেশ্য (Hindu Economic Forum)। দ্বিতীয় দিনে আয়োজকেরা হিন্দু অ্যাসোসিয়েশন অব রেস্টুরেন্টস, হোটেলস, আহার অ্যান্ড রিফ্রেশমেন্টস (হারহার) উপস্থাপন করেন। এটি একটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শিল্প সংগঠন, যার ধারণা ও পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে হিন্দু ইকোনমিক ফোরাম। হারহার হিন্দু খাদ্যসংস্কৃতি ও আতিথেয়তা ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হোটেল মালিক, রেস্তোরাঁ উদ্যোক্তা, মিষ্টি ও স্ন্যাকস প্রস্তুতকারক, ক্যাটারার, শেফ, খাদ্য উদ্ভাবক, মসলা ও শস্য প্রক্রিয়াজাতকারী, সরবরাহকারী এবং পরিষেবা প্রদানকারীদের একত্রিত করে। দেশীয় বাজারের পরিমাণ ২ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি এবং বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১৪–১৮ শতাংশ হলেও, এতদিন এই খাতে ধর্মভিত্তিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের আদর্শে প্রতিষ্ঠিত একটি ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠস্বরের অভাব ছিল। হারহার সেই শূন্যতা পূরণের লক্ষ্য নিয়েছে এবং নিজেকে হিন্দু নেতৃত্বাধীন আতিথেয়তা উদ্যোগগুলির সম্মিলিত কণ্ঠস্বর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।

    ‘লঞ্চ প্যাড’-এ উদ্ভাবন

     ‘লঞ্চ প্যাড’-এ উদ্ভাবন ছিল মূল আকর্ষণ। সেখানে ছ’জন স্টার্ট-আপ উদ্ভাবক অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টর ও মেন্টরদের সামনে তাঁদের ধারণা উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে চারটি উদ্যোগ প্রাথমিক পর্যায়ের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে একান্ত আলোচনার জন্য নির্বাচিত হয়, যা স্বদেশি উদ্যোগ গড়ে তোলায় এই প্ল্যাটফর্মের ভূমিকা তুলে ধরে। বিনিয়োগকারীরা জানান, ধারণার বিস্তারযোগ্যতা ও বাস্তবায়নের সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে প্রতি উদ্যোগে ৫০ লক্ষ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে তাঁরা আগ্রহী (Hindu Economic Forum)।

    প্ল্যাটফর্মের পেছনের ভাবনা

    ওয়ার্ল্ড হিন্দু ইকোনমিক ফোরাম প্রতিষ্ঠা করেন স্বামী বিজ্ঞানানন্দ। তিনি আইআইটি খড়গপুরের প্রাক্তনী এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের দার্শনিক ঐতিহ্যে অনুপ্রাণিত এক সন্ন্যাসী। আচার্য চাণক্যের উক্তি—“ধর্মস্য মূলম্ অর্থঃ” থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে তিনি জোর দেন যে নৈতিক আচরণ, সামাজিক সামঞ্জস্য এবং কার্যকর শাসনব্যবস্থা অবশ্যই শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। ভগবদ গীতার “ভবিষ্যতের কথা ভেবে, ভবিষ্যতের জন্য কাজ করো” এই আহ্বানকে সামনে রেখে তিনি হিন্দু সমাজকে তার ঐতিহাসিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তির ভূমিকা পুনরুদ্ধার করার স্বপ্ন দেখেন। দুটি লাড্ডুর একটি সহজ উপমার মাধ্যমে—একটি আলগাভাবে বাঁধা ও অন্যটি দৃঢ়ভাবে একত্রে ধরা—তিনি দেখান, কীভাবে ঐক্য ব্যক্তিগত প্রচেষ্টাকে সম্মিলিত শক্তিতে রূপান্তরিত করে।

    ফোরাম শেষ হওয়ার আগে ঘোষণা করা হয় যে হিন্দু ইকোনমিক ফোরামের জাতীয় অধ্যায়ের বৈঠক ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে কর্ণাটকের হুব্বল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেসের নিবন্ধনও শুরু হয়, যা ১৮–২০ ডিসেম্বর ২০২৬ মুম্বাইয়ে আয়োজিত হবে (Bharats Rise)। সমাবেশের সমাপ্তিতে একটি স্পষ্ট বার্তা রয়ে যায়: ভারতের অর্থনৈতিক পুনরুত্থান তার সভ্যতাগত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত। ধর্মকে উদ্যোগের সঙ্গে এবং জাতীয়তাবাদকে বৈশ্বিক সম্পৃক্ততার সঙ্গে একীভূত করে ফোরামটি কেবল একটি অর্থনৈতিক রূপরেখাই নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় অভিযানের দিকনির্দেশও তুলে ধরে (Hindu Economic Forum)।

  • Jammu Kashmir: দুলহস্তি স্টেজ–টু জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে মিলল শিলমোহর, খরচ কত জানেন?

    Jammu Kashmir: দুলহস্তি স্টেজ–টু জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে মিলল শিলমোহর, খরচ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রকের অধীন পরিবেশ (Jammu Kashmir) মূল্যায়ন কমিটি অনুমোদন দিল জম্মু-কাশ্মীরের কিশ্তওয়ার জেলায় ২৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুলহস্তি স্টেজ–টু জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের। প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৩,২৭৭.৪৫ কোটি টাকা (Indus Treaty Freeze)। প্রস্তাবিত প্রকল্পটিকে বর্তমানে চালু থাকা ৩৯০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন দুলহস্তি স্টেজ–ওয়ান প্রকল্পের সম্প্রসারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রকল্পের প্রথম ধাপ ২০০৭ সালে চালু হয় এবং তারপর থেকে সফলভাবে কাজ হয়ে আসছে।

    মউ স্বাক্ষর (Jammu Kashmir)

    রাষ্ট্রায়ত্ত ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন প্রায় চার বছর আগে, ২০২১ সালের ৩ জানুয়ারি, জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সরকারের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করে। এই চুক্তি অনুযায়ী বিল্ড–ওন–অপারেট–ট্রান্সফার মডেলে ৪০ বছরের জন্য দুলহস্তি স্টেজ–টু প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এই প্রকল্পে চেনাব নদীর জল ব্যবহার করা হবে। নদীটি সিন্ধু নদের অববাহিকার অন্তর্গত। পরিবেশ মূল্যায়ন কমিটি জানিয়েছে, প্রকল্পটির সমস্ত নকশা ১৯৬০ সালের সিন্ধু জলচুক্তির নিয়ম মেনে পরিকল্পিত। যদিও চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর এই চুক্তি কার্যত স্থগিত রাখা হয়েছে।

    দুলহস্তি স্টেজ–ওয়ান বিদ্যুৎকেন্দ্র

    নতুন প্রকল্পের জন্য দুলহস্তি স্টেজ–ওয়ান বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৮.৫ মিটার ব্যাসবিশিষ্ট ৩,৬৮৫ মিটার দীর্ঘ একটি পৃথক সুড়ঙ্গ দিয়ে জল আনা হবে। এই সুড়ঙ্গের মাধ্যমে স্টেজ–টু প্রকল্পের জন্য একটি হর্সশু আকৃতির পন্ডেজ নির্মাণ করা হবে। পন্ডেজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রকল্পের আওতায় একটি সার্জ শ্যাফ্ট, প্রেশার শ্যাফ্ট এবং একটি ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করা হবে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ১৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিট বসানো হবে। এর ফলে প্রকল্পটির মোট ক্ষমতা হবে ২৬০ মেগাওয়াট, এবং বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে (Indus Treaty Freeze)।

    ভূমি প্রয়োজনের পরিমাণ

    প্রকল্পটির জন্য মোট ভূমি প্রয়োজনের পরিমাণ আনুমানিক ৬০.৩ হেক্টর। এই প্রকল্পের জন্য কিশ্তওয়ার জেলার বেঞ্জওয়ার ও পালমার—এই দুই গ্রামের ৮.২৭ হেক্টর ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের জন্য পূর্বে অধিগৃহীত জমিও দ্বিতীয় পর্যায় তৈরিতে ব্যবহার করা হবে (Jammu Kashmir)। পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়ার সময় পরিবেশ মূল্যায়ন কমিটি নির্দেশ দেয় যে, প্রকল্পটি চালু হওয়ার পাঁচ বছর পর এর পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নের জন্য একটি সমীক্ষা করা হবে। গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত সরকারি বৈঠকের কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, “প্রকল্প চালু হওয়ার পাঁচ বছর পর পরিবেশের ওপর এর প্রভাব সংক্রান্ত একটি সমীক্ষা করা হবে। সমীক্ষা হবে একটি স্বতন্ত্র সংস্থা দ্বারা সম্পন্ন।”

    চেনাব ভ্যালি পাওয়ার প্রজেক্টস

    এছাড়াও মন্ত্রক এনএইচপিসি (NHPC) এবং চেনাব ভ্যালি পাওয়ার প্রজেক্টস লিমিটেড (CVPPL)-কে একটি স্বনামধন্য সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে একটি সমীক্ষা পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে, যাতে চেনাব নদী অববাহিকার টেকসই পরিবেশ ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কৌশল প্রণয়ন করা যায়। এই সমীক্ষায় বৈজ্ঞানিকভাবে সুদৃঢ় পরিবেশগত প্রবাহ ব্যবস্থা, নদীখাতের গঠন ও পলিসঞ্চালন প্রক্রিয়ার পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পাশাপাশি জলজ ও নদীতীরবর্তী জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জীবিকা ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের উদ্বেগ মোকাবিলা এবং চেনাব অববাহিকার ক্যাসকেড কাঠামোর মধ্যে মারুসুদার উপনদীকে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে (Jammu Kashmir)।

    দুল হস্তি জলাধার

    দুল হস্তি জলাধারে প্রতিবছর গড়ে ২ কোটি ৪০ লক্ষ টন পলি জমা হয়, যার বেশিরভাগই মে থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে, যখন নদীর জলপ্রবাহ বেশি থাকে। জলাধারের ধারণক্ষমতা বজায় রাখতে পলি ব্যবস্থাপনার জন্য ফ্লাশিং ও স্লুইসিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় (Indus Treaty Freeze)। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, চুক্তি হওয়ার পর প্রকল্পটি ৪৪ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে সময়সীমা পরিবর্তিত হতে পারে। বর্তমানে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি শুরু হওয়া টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং পরিবেশগত ছাড়পত্রের কারণে প্রকল্পটি ২০২৯ সালের মাঝামাঝি থেকে শেষের দিকে সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই প্রকল্প রূপায়ণ করতে গেলে কোনও বনভূমি পড়বে না। তাই ভূমি অধিগ্রহণের জন্য বন দফতরের কোনও ছাড়পত্রেরও প্রয়োজন নেই। এনএইচপিসি প্রকল্পের সম্প্রসারণ হিসেবে এটি ইতিমধ্যেই নির্মিত বাঁধ ও ইনটেক কাঠামো ব্যবহার করবে। তাই নতুন করে কোনও জলাধার নির্মাণেরও প্রয়োজন হবে না (Jammu Kashmir)।

  • Sam Pitroda: কংগ্রেস পার্টি ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সে’র অংশ, কবুল করলেন স্যাম পিত্রোদা

    Sam Pitroda: কংগ্রেস পার্টি ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সে’র অংশ, কবুল করলেন স্যাম পিত্রোদা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস পার্টি ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সে’র অংশ, যা বিশ্বের ১১০টিরও বেশি দেশের বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলির একটি আন্তর্জাতিক জোট। এই প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সের অর্থায়ন করতে পারেন আমেরিকান ব্যবসায়ী জর্জ সোরোস ও তাঁর ওপেন সোস্যাইটি ফাউন্ডেশন। জাতীয় জাতীয় টেলিভিশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই কবুল করলেন ওভারসিজ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান স্যাম পিত্রোদা (Sam Pitroda)। রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিদেশি যোগাযোগের বিষয়টিও প্রকাশ্যে আনেন তিনি। এর মাধ্যমে তিনি সোরোস ও তাঁর সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত বৈশ্বিক বামপন্থী নেটওয়ার্কের কথাও তুলে ধরেন। রাহুলের কথিত ‘গুরু’ হিসেবে পরিচিত পিত্রোদার এই বক্তব্য রাহুল ও তাঁর কংগ্রেস পার্টির বিদেশি যোগসূত্রের বিষয়টি ফের নিশ্চিত করল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাহুল গান্ধী যখনই বিদেশ সফরে যান, তার পরপরই ভারতে যে অস্থিরতা ও আকস্মিক প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখা যায়, তার নেপথ্যে কোনও গোপন অ্যাজেন্ডা থাকলেও থাকতে পারে।

    কংগ্রেস পার্টি ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সে’র অংশ (Sam Pitroda)

    ওই টেলিভিশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পিত্রোদা জানান, কংগ্রেস পার্টি ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সে’র অংশ, যা বিশ্বের ১১০টিরও বেশি দেশের বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলির একটি আন্তর্জাতিক জোট। এই প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সের অর্থায়ন করে থাকতে পারেন আমেরিকান ব্যবসায়ী জর্জ সোরোস। এই ব্যবসায়ী ভারতবিরোধী কার্যকলাপ, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টিতে অর্থ জোগান দেওয়ার জন্য কুখ্যাত। তাই প্রশ্ন উঠছে, ভারতের বিরুদ্ধে বক্তব্য ও দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে দুর্বল করার অভিযোগে অভিযুক্ত এমন একটি জোটের বৈঠকে রাহুল গান্ধী কেন অংশ নেন?

    ‘ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশন’

    জর্জ সোরোস তাঁর ‘ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনে’র মাধ্যমে গণতন্ত্র, রাজনৈতিক অধিকার, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, উদারনৈতিক অ্যাজেন্ডা ও মানবাধিকারের প্রচারের আড়ালে বাস্তবে বামপন্থী মতাদর্শ, সরকারবিরোধী বয়ান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বা গৃহঅভ্যুত্থান উসকে দেওয়ার কাজ করেন। এর মাধ্যমে তিনি নির্বাচিত সরকারগুলিকে দুর্বল করা ও ভেঙে দেওয়ার আদর্শিক কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিয়ে যান। দাতব্য কার্যকলাপ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সিভিল সোসাইটি সংগঠন, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে (Rahul Gandhi) অর্থ জোগান দিয়ে সোরোস ও তাঁর ফাউন্ডেশন ভারতের মতো দেশগুলিতে পরিকল্পিত রাজনৈতিক পরিবর্তনের গতি বাড়াতে চায়, যাতে জাতীয়তাবাদী শেকড় থেকে রাজনৈতিক জোটগুলিকে সরিয়ে আদর্শগত রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটানো যায় (Sam Pitroda)।

    সোরোসের কর্মকাণ্ড

    সোরোসের কর্মকাণ্ড একটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনে হস্তক্ষেপের স্পষ্ট উদাহরণ। দাতব্য কাজ, গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার প্রচারের আড়ালে এটি মূলত কোনও দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের প্রতিফলন। সোরোসের কার্যকলাপ অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতা সংহত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। এখানেই ওঠে মোক্ষম সেই প্রশ্নটি। কেন রাহুল গান্ধী এমন একটি জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত, যার লক্ষ্য ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোয় অস্থিরতা সৃষ্টি করা? প্রগতিশীল জোটের সঙ্গে রাহুলের সম্পর্ক নিয়ে সাম পিত্রোদার সাম্প্রতিক প্রকাশ এই আশঙ্কাগুলিকে আরও জোরালো করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতে যখনই কোনও নাগরিক অস্থিরতা বা প্রতিবাদ দেখা যায় এবং তা রাহুলের বিদেশ সফরের সময়সূচির সঙ্গে মিলে যায়, তখন তার পেছনে একটি গভীর যোগসূত্র, গোপন উদ্দেশ্য ও সুস্পষ্ট তাৎপর্য রয়েছে (Sam Pitroda)।

    ১৪০টি রাজনৈতিক দল প্রগতিশীল জোটের অংশ

    মনে রাখতে হবে, ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে প্রায় ১৪০টি রাজনৈতিক দল প্রগতিশীল জোটের অংশ। এই জোটের লক্ষ্য হল দাতব্য ও গণতন্ত্রের আড়ালে সরকার-বিরোধী (অ্যান্টি-এস্টাবলিশমেন্ট) অ্যাজেন্ডা-সংবলিত রাজনৈতিক আন্দোলন ও জনমত গড়ে তোলা। বিভিন্ন গবেষণাপত্রেও প্রগতিশীল জোটের (Rahul Gandhi) প্রকৃত উদ্দেশ্য হিসেবে ‘ভাবাদর্শগত বিশ্বায়নে’র কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রগতিশীল জোটে সোরোসের অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে পিত্রোদা বলেন, “ভারতের বাইরে অনুষ্ঠিত কোনও সেমিনার, সম্মেলন, রাজনৈতিক প্রচারাভিযান বা অন্যান্য জনআলোচনার অনুষ্ঠানের অর্থের উৎস বা তার শেকড় নিয়ে কংগ্রেস পার্টি মাথা ঘামায় না।” রাহুল গান্ধী–প্রগতিশীল জোট–জর্জ সোরোসের এই সম্পর্ক নিয়ে এমন প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি রাহুলের বিদেশ সফরের আড়ালে থাকা প্রকৃত অ্যাজেন্ডা সম্পর্কে গভীর ইঙ্গিত দেয় (Sam Pitroda)।

  • Cancer Vaccine: ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাবে রাশিয়ার তৈরি এন্টেরোমিক্স টিকা!

    Cancer Vaccine: ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাবে রাশিয়ার তৈরি এন্টেরোমিক্স টিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র একটি টিকা। তাতেই কমবে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি। ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে এমনটাই দাবি করেছে রাশিয়া (Russian Scientists)। মানুষের শরীরেও পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চলছে। প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালের পরে রাশিয়ার দাবি, তাদের তৈরি এন্টেরোমিক্স টিকা ক্যান্সারের (Cancer Vaccine) ঝুঁকি কমাতে পারবে। টিকাটির পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ফল ১০০ শতাংশ সফল বলে দাবি রাশিয়ার।

    এন্টেরোমিক্স টিকা (Cancer Vaccine)

    চার ধরনের ভাইরাসের নমুনা নিয়ে এন্টেরোমিক্স টিকা তৈরি করেছে রাশিয়া। এই ভাইরাসগুলি কম ক্ষতিকারক, তবে শরীরে ঢুকলে ক্যান্সার কোষের বারোটা বাজাতে পারবে। রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, টিকাটি ত্বকের সব চেয়ে বিপজ্জনক ক্যান্সার মেলানোমার ঝুঁকি কমাতে পারবে। অগ্যাশয়, কিডনি ও ফুসফুসের ক্যান্সার থেকেও সুরক্ষা দিতে পারবে এই টিকা। টিকার কাজই হল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া। শরীরে যদি কোনও বিজাতীয় প্রোটিন ঢোকে, তা হলে শরীর তার নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থা দিয়ে তা আটকানোর চেষ্টা করা। ক্যান্সারের সময় শরীরের নিজস্ব কোষগুলি শত্রুর মতো আচরণ করে। সেগুলির অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন শুরু হয়ে যায়। ফলে টক্সিন তৈরি হতে থাকে। এই প্রক্রিয়াকে রোধ করতে হলে প্রয়োজন অ্যান্টিবডি ও ইমিউনোসাইট।

    অ্যান্টিবডি তৈরি করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি

    এই ইমিউনোসাইট হল সেই সব কোষ, যারা অ্যান্টিবডি তৈরি করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে (Cancer Vaccine)। এই ইমিউনোসাইট কোষগুলিকে সক্রিয় করে তুলতেই টিকা তৈরি হয়। রাশিয়ার দাবি, তাদের তৈরি টিকা ইমিউনোসাইটকে বেশি মাত্রায় এবং দ্রুত অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সাহায্য করবে। ফলে ক্যান্সার কোষ আর তৈরিই হবে না। যদিও রাশিয়ার তৈরি ক্যান্সারের টিকা নিয়ে নিশ্চিত তথ্য এখনও মেলেনি। টিকাটির আরও কয়েক পর্যায়ের ট্রায়ালের ফলের জন্যই অপেক্ষা চলছে। উল্লেখ্য, টিকা তৈরি ও তার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনেকগুলি ধাপ থাকে। প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে পশুর শরীরে পরীক্ষা চলে। তার পর তিন ধাপে মানুষের শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ চালিয়ে টিকার কার্যকারিতা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা হয়। রাশিয়ার তৈরি টিকাটি এখনও প্রাথমিক ধাপেই রয়েছে বলে খবর। রাশিয়ার (Russian Scientists) দাবি, এতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও খুব সামান্যই হয়েছে (Cancer Vaccine)।

  • Asia Cup: এশিয়া কাপ হকি টুর্নামেন্টের শেষ সুপার ৪ ম্যাচে চিনকে গো-হারান হারিয়ে ফাইনালে ভারত

    Asia Cup: এশিয়া কাপ হকি টুর্নামেন্টের শেষ সুপার ৪ ম্যাচে চিনকে গো-হারান হারিয়ে ফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়া কাপ (Asia Cup) (পুরুষ) হকি টুর্নামেন্টের শেষ সুপার ৪ ম্যাচে চিনকে ৭-০ গোলে গো-হারান হারিয়ে ফাইনালে (Hockey Final) উঠল ভারত। ভারতের খেলোয়াড়রা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। গোল করেছেন শিলানন্দ লাকড়া, দিলপ্রীত সিং, মানদীপ সিং, রাজ কুমার পাল, সুখজিৎ সিং, এবং অভিষেক। এই জয়ে ভারত সুপার ৪ পর্যায়ের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে সাত পয়েন্ট নিয়ে। এবার তাকে খেলতে হবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন কোরিয়ার সঙ্গে। চার পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কোরিয়াও।

    কোরিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে ভারত (Asia Cup)

    ভারত আগামী বছর বেলজিয়াম এবং নেদারল্যান্ডস যৌথভাবে আয়োজিত বিশ্বকাপে খেলার স্থান নিশ্চিত করতে রবিবার ফাইনালে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন কোরিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে। চিন ও মালয়েশিয়া তৃতীয়-চতুর্থ স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও রবিবার মুখোমুখি হবে। কোরিয়া আগেই গুরুত্বপূর্ণ সুপার ৪ ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকে ৪-৩ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল। শনিবার চিনের বিরুদ্ধে পুরো ম্যাচ জুড়ে ভারতীয়দের আধিপত্য ছিল দেখার মতো। ভারতীয়রা তাদের আধিপত্য প্রমাণ করতে শুরু থেকেই জোরালোভাবে খেলে গিয়েছিল। তাদের প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হয় চতুর্থ মিনিটের মাথায়, যখন শিলানন্দ গোলটি করেন। এটি ছিল অধিনায়ক হারমনপ্রীত সিংয়ের সুনিপুণ বল, যা হাফলাইন থেকে জারমনপ্রীত সিংয়ের পায়ে পৌঁছয় ডান ফ্ল্যাঙ্কে, যাঁর পাসটি নিখুঁতভাবে শিলানন্দ থামিয়ে গোল করেন (Asia Cup)।

    চিনকে পর্যুদস্ত করল ভারত

    গোল করার পরেও ভারতীয়রা থেমে (Hockey Final) থাকেনি। বরং কয়েক মিনিটের মধ্যে শিলানন্দ তাঁর দলের পক্ষে একটি পেনাল্টি কর্নার করেন। হরমনপ্রীতের প্রাথমিক শট চিনা গোলরক্ষক ওয়েইহাও ওয়াং রক্ষা করেছিলেন। কিন্তু দিলপ্রীত সঠিক স্থান থেকে পুনরুদ্ধার করে গোল করে ভারতের লিড দ্বিগুণ করেন। ভারত ১৮তম মিনিটে তাদের দ্বিতীয় পেনাল্টি কর্নার পেয়েছিল। ভারতীয় আক্রমণকারীরা চিনা সার্কেলে একেবারে আধিপত্য বিস্তার করছিলেন। ম্যাচের সাইড পরিবর্তনের পর ভারত একই ধরনের আক্রমণ চালিয়ে গেল (Hockey Final) এবং গোলের খুব কাছে গিয়ে দিলপ্রীতের শক্তিশালী উচ্চ শট চিনা গোলরক্ষকের প্রসারিত হাত দ্বারা আক্রোব্যাটিকভাবে রক্ষা করা হয়। তার পরের গোলগুলি করে চিনকে কার্যত পর্যুদস্ত করে ভারত (Asia Cup)।

  • DRDO: রুখবে আকাশ পথে হামলা! ওড়িশা উপকূলে সফল ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ডিফেন্স ওয়েপনস সিস্টেমের পরীক্ষা

    DRDO: রুখবে আকাশ পথে হামলা! ওড়িশা উপকূলে সফল ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ডিফেন্স ওয়েপনস সিস্টেমের পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার উপকূলে সফলভাবে পরীক্ষা করা হল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যার নাম ইন্টিগ্রেটেড এয়ার ডিফেন্স ওয়েপন সিস্টেম (IADWS)। এই পরীক্ষাকে (Air Defence Weapon System) দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এক বড় অগ্রগতি বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) রবিবার সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে এই সফল পরীক্ষার কথা জানায়। তারা জানায়, শনিবার গভীর রাত ১২টা ৩০ মিনিট নাগাদ ওড়িশার উপকূলে এই উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়।

    IADWS হল একটি বহুস্তরীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

    IADWS হল একটি বহুস্তরীয় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা বিভিন্ন ধরনের শত্রু বিমান ও আকাশপথে (Air Defence Weapon System) আক্রমণের হুমকি প্রতিহত করতে সক্ষম। এতে রয়েছে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লেজার-নির্ভর নির্দেশিত অস্ত্র ব্যবস্থা, উন্নত রাডার, লঞ্চার, লক্ষ্য নির্ধারণ ও নির্দেশিকা ইউনিট, ক্ষেপণাস্ত্র, এবং কমান্ড-এন্ড-কন্ট্রোল ব্যবস্থা—যা সম্মিলিতভাবে একটি শক্তিশালী বিমান প্রতিরক্ষা চক্র গড়ে তোলে (DRDO)। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর প্রায় সাড়ে তিন মাস পর এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সফল পরীক্ষা দেশীয় প্রযুক্তির (Air Defence Weapon System) ওপর ভারতের আত্মনির্ভরতার প্রতিফলন।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং কী বলছেন?

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এই সাফল্যের জন্য ডিআরডিও (DRDO), ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং এর সঙ্গে যুক্ত সকলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “আইএডিডব্লুএস-এর সফল পরীক্ষার জন্য আমি ডিআরডিও (DRDO), ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং এর সঙ্গে যুক্ত বাকি সকলকে অভিনন্দন জানাই। এই অনন্য পরীক্ষা আমাদের দেশের বহুস্তরীয় বিমান প্রতিরক্ষা সক্ষমতার স্পষ্ট প্রমাণ। এই সিস্টেম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করবে এবং আকাশপথে শত্রু হামলার মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।” এই উন্নত প্রযুক্তি ভারতের আকাশপথকে (Air Defence Weapon System) আরও নিরাপদ করে তুলবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • Pakistani: ১৯৫৬ সাল থেকে দুই পাকিস্তানি মহিলা থাকছিলেন বিহারে, ধরা পড়ল বিশেষ নিবিড় সমীক্ষায়

    Pakistani: ১৯৫৬ সাল থেকে দুই পাকিস্তানি মহিলা থাকছিলেন বিহারে, ধরা পড়ল বিশেষ নিবিড় সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের ভাগলপুর থেকে ইমরানা খানম এবং ফিরদৌসিয়া খানম নামে দুই পাকিস্তানি (Pakistani) নারীর নাম রাজ্যের ভোটার তালিকায় দেখা যাওয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জানা যাচ্ছে, ইমরানা ১৯৫৬ সালে ৩ বছরের এবং ফিরদৌসিয়া ওই একই বছরে তিন মাসের ভিসায় ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। পরবর্তীকালে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন এই বিষয়টি প্রকাশ পায়। এই সময়ে তাদের নাগরিকত্ব যাচাই করা হয় এবং পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়।

    অবৈধভাবে বসবাস

    বিহারের প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ১৯৫৬ সালে ওই দুই পাকিস্তানি (Pakistani) মহিলা পাসপোর্ট নিয়ে ভারতে এসেছিলেন। রেকর্ড থেকে জানা যাচ্ছে, তারা ভিসা নতুনভাবে পুনর্নবীকরণ করেননি এবং অবৈধভাবে বিহারে (Bihar) বসবাস করে গিয়েছেন। পরবর্তীকালে প্রশাসন তাদের বিভিন্ন বিবরণ মিলিয়ে দেখেন এবং বিদেশি নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করেন। এ বিষয়ে বিহারের SIR-এর কাজে নিযুক্ত বুথ লেভেল অফিসার ফারজানা খাতুন জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়টি দেখাশোনা করছে এবং ওই দুই পাকিস্তানি (Pakistani) নাগরিকের নাম অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করতে বলা হয়েছে।

    সরকারি চাকরিও করতেন ইমরানা

    প্রশাসনের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, ইমরানা খানম একসময় বিহারে সরকারি চাকরিও করেছেন। বিদেশি নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন জাল সার্টিফিকেট জোগাড় করে তিনি এই কাজ পেয়েছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে তদন্ত চলছে। এর মাধ্যমেই জানা যাবে, কবে তাকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল এবং অতীতে তিনি ভোট প্রদান করেছিলেন কিনা।

    জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কী বলছেন

    অন্যদিকে, ভাগলপুরের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ডঃ নওয়াল কিশোর চৌধুরী জানিয়েছেন, বৈধ ভোটার আইডি কার্ড সহ দুই পাকিস্তানি (Pakistani) নাগরিককে চিহ্নিত করা গিয়েছে। তিনি আরও জানান, ভাগলপুরে ২৪ লক্ষ ভোটার রয়েছেন, যাদের যাচাই করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বুথ লেভেল অফিসারদের। তারা বিভিন্ন বুথে গিয়ে ভোটার যাচাইয়ের কাজ করছেন। এই প্রথমবার এমন একটি ঘটনা ঘটল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

  • Donald Trump: ভারত বিরোধী ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুশপুতুল নিয়ে বিক্ষোভ নাগপুরের মারবাট উৎসবে

    Donald Trump: ভারত বিরোধী ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুশপুতুল নিয়ে বিক্ষোভ নাগপুরের মারবাট উৎসবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে নাগপুরে (Nagpur) চলছে মারবাট উৎসব। শনিবার এই উৎসবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) একটি বিরাট কুশপুত্তলিকা নিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয় এবং সেখানে অনেক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা বলতে থাকে যে ভারতীয় পণ্যের উপর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট যেভাবে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে যেভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন, তারই প্রতিবাদ হিসেবে তারা এই প্রদর্শনী করছেন।

    কী কী লেখা ছিল কুশপুতুলে?

    বিশাল কুশপুত্তলিকার সঙ্গে অনেক প্ল্যাকার্ড দেখা যায় (Donald Trump)। ওই প্ল্যাকার্ডগুলিতে লেখা ছিল— “আমাদের ভয় দেখানোর জন্য শুল্ক আরোপ করেছে তারা, কিন্তু তারা অচিরেই বুঝবে ভারতের শক্তি।” একইসঙ্গে আরও লেখা ছিল। “আমাদের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ যারা করবে, তাদের নিজেদেরই ব্যবসা ধ্বংস হবে।”

    ট্রাম্পকে চাচা বলে সম্বোধন

    ট্রাম্পকে (Donald Trump) উদ্দেশ্য করে কিছু কিছু আন্দোলনকারী হাতে প্ল্যাকার্ড এনেছিলেন, যেখানে লেখা ছিল— “ট্রাম্প, আপনি ভারতকে বলেছিলেন ‘তুমি আমার বন্ধু’, কিন্তু আপনি পর্দার আড়ালে পাকিস্তানকেই ভালোবাসেন।” কেউ কেউ আবার ট্রাম্পকে চাচা বলে সম্বোধন করে লিখে রাখেন— “আমেরিকান চাচা ভারতের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, তবু রাশিয়ার পণ্য নিজেই গ্রহণ করেন।”

    রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে শুল্ক যুদ্ধ (Donald Trump)

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাশিয়া থেকে তেল কেনার ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং এই নিয়ে ভারত সরকার ও বিদেশ মন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যা বলছেন তা অনর্থক এবং অযৌক্তিক, এবং ভারত কোথায় ব্যবসা করবে, তা এই দেশ নিজেই ঠিক করবে। রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতীয় চুলচে পণ্যের উপর আমেরিকাতে শুল্কের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে মোট ৫০ শতাংশ। নতুন যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, তা ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। প্রসঙ্গত, নাগপুরের মারবাট উৎসব হলো এক ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। এই উৎসবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কুশপুত্তলিকা নিয়ে প্রদর্শন একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা বলেই মনে করছেন অনেকে।

  • Guru Granth Sahib: বিশ্ববাসীকে শেখায় মানবতার পাঠ, ২৪ অগাস্ট ‘গুরু গ্রন্থ সাহিব’ প্রকাশ উৎসব

    Guru Granth Sahib: বিশ্ববাসীকে শেখায় মানবতার পাঠ, ২৪ অগাস্ট ‘গুরু গ্রন্থ সাহিব’ প্রকাশ উৎসব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমাদের দেশ ভারত হল মুনি-ঋষিদের ভূমি। এই ভারতেই রচিত হয়েছে অনেক ধর্মশাস্ত্র, যেগুলি সারা পৃথিবীর মানুষকে পথ দেখিয়েছে এবং নৈতিক জীবন গড়ে তোলার উপদেশ দিয়েছে। এই ধর্মশাস্ত্রগুলির মধ্যে অজস্র গ্রন্থ রয়েছে—বেদ, গীতা, রামচরিতমানস প্রভৃতি (Guru Granth Sahib)। এরই মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় গ্রন্থ হল গুরুগ্রন্থ সাহিব, যা ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। সারা পৃথিবীজুড়ে কোটি কোটি মানুষ এই গুরুগ্রন্থ সাহিব-কে অনুসরণ করেন। এটি শুধু শিখ সমাজের ধর্মীয় গ্রন্থ নয়—এখানে আলোচিত হয়েছে মানবতার কথা, নৈতিকতার কথা এবং একটি সৎ, শুদ্ধ জীবনযাপনের পথ।

    স্থাপন করা হয় ১৬০৪ খ্রিস্টাব্দে (Guru Granth Sahib)

    গুরুগ্রন্থ সাহিব (Guru Granth Sahib) প্রথমবার রচনা করা হয় এবং তা হরিমন্দির সাহিব-এ (যাকে আমরা স্বর্ণমন্দির, অমৃতসরে বলি) স্থাপন করা হয় ১৬০৪ খ্রিস্টাব্দে। গুরুগ্রন্থ সাহিব রচনা করেন গুরু অর্জন দেব। একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রন্থের প্রতিষ্ঠা হয়, যেখানে বাবা বুদ্ধজি গ্রন্থটিকে তাঁর মাথার উপর ধারণ করে স্বর্ণমন্দিরের পবিত্র গর্ভগৃহে স্থাপন করেন। এরপর থেকে একে ঘিরে শুরু হয় নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। গুরুগ্রন্থ সাহিবের প্রথম গ্রন্থি হিসেবে নিযুক্ত হন বাবা বুদ্ধজি, যিনি এই গ্রন্থের দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করেন কেয়ারটেকার হিসেবে (Guru Granth Sahib Prakash Utsav)।

    শিখ ধর্মে গুরুগ্রন্থ সাহিব একটি মহান পবিত্র ধর্মগ্রন্থ

    শিখ ধর্মে গুরুগ্রন্থ সাহিব (Guru Granth Sahib Prakash Utsav) একটি মহান পবিত্র ধর্মগ্রন্থ, যেখানে আলোচিত হয়েছে ভ্রাতৃত্ববোধ, আধ্যাত্মিকতা, এবং এক ঈশ্বর বিশ্বাসের কথা। এতে বহু শিখ গুরুর রচিত শ্লোক স্থান পেয়েছে, যেমন—নামদেব থেকে রামানন্দ—প্রত্যেকেই এতে অন্তর্ভুক্ত। শুধু তাই নয়, পশ্চিমবঙ্গের জয়দেব, গুজরাটের ত্রিলোচন, রাজস্থানের ধন্না, সিন্ধ প্রদেশের সাধন—এই সব মহাপুরুষদের রচনাও গুরুগ্রন্থ সাহিবে স্থান পেয়েছে। পরবর্তীকালে ভারতের বাইরে থেকে আগত আক্রমণকারীরা—বাবর থেকে শুরু করে ইব্রাহিম লোদী পর্যন্ত—এদেশে এসে হিংসার পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং বহুক্ষেত্রে জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ ঘটায়। এই প্রসঙ্গেই শিখদের প্রথম গুরু গুরু নানক, তাঁর শ্লোকগুলিতে সেইসব শাসকদের নৃশংসতা ও ধর্মদ্রোহী কার্যকলাপের তীব্র সমালোচনা করেন—যারা ধর্মে আঘাত করত এবং সাধারণ মানুষকে নিপীড়ন করত।

LinkedIn
Share