Tag: NHAI

NHAI

  • BSF Land Transfer: চিকেনস্ নেকে বড় সিদ্ধান্ত! বিএসএফকে ১২০ একর জমি দিল রাজ্য, বাড়ছে সীমান্ত নিরাপত্তা

    BSF Land Transfer: চিকেনস্ নেকে বড় সিদ্ধান্ত! বিএসএফকে ১২০ একর জমি দিল রাজ্য, বাড়ছে সীমান্ত নিরাপত্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা, সামরিক লজিস্টিকস এবং সীমান্ত সুরক্ষাকে আরও জোরদার করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার উত্তরবঙ্গের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চিকেনস নেক করিডর এলাকায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF)-কে ১২০ একর জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ চিকেনস্ নেক?

    বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের মাঝে অবস্থিত মাত্র ২২ কিলোমিটার চওড়া এই করিডরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্বের আটটি রাজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত করে। চিকেনস্ নেক বা সিলিগুড়ি করিডর ভারতের জন্য এক ধরনের লাইফলাইন। এই সরু ভূখণ্ডটি বিচ্ছিন্ন হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সামরিক ও কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি ভারতের অন্যতম সংবেদনশীল ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচিত।

    জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় পদক্ষেপ

    তাই বহুদিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং প্রতিরক্ষা মহল এই অঞ্চলকে বিশেষ নজরে রাখছে। রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে তাই শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত অবকাঠামো উন্নয়নের বড় পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জমি হস্তান্তরের মূল উদ্দেশ্য হল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং সীমান্ত নজরদারি আরও শক্তিশালী করা। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এই প্রকল্পে এবার গতি আনতে উদ্যোগী হয়েছে নতুন রাজ্য সরকার।

    জাতীয় সড়কও কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে

    শুধু জমি হস্তান্তরই নয়, রাজ্য সরকার উত্তরবঙ্গ ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ৭টি জাতীয় সড়কের অংশ রাজ্যের গণপূর্ত দফতর থেকে কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে। এই রাস্তা হস্তান্তর করা হবে জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) এবং জাতীয় মহাসড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন কর্পোরেশন লিমিটেড (NHIDCL)-এর কাছে। এই সাতটি রাস্তার মধ্যে পাঁচটিই চিকেনস নেক করিডরের মধ্য দিয়ে গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

    • ● সেবক – কালিম্পং – সিকিম সীমান্ত (১০ নম্বর জাতীয় সড়ক)
    • ● শিলিগুড়ি – কার্শিয়াং – দার্জিলিং
    • ● হাসিমারা – জয়গাঁও (ভুটান সীমান্ত)
    • ● চ্যাংরাবাঁধ (বাংলাদেশ সীমান্ত)

    বিশেষ করে ১০ নম্বর এবং ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কে দীর্ঘদিন ধরেই ধস, অতিবৃষ্টি এবং ভূমিধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসছে। এর ফলে সিকিম এবং দার্জিলিঙের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে, যা সরবরাহ ব্যবস্থা, পর্যটন এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পরিবহণে বড় প্রভাব ফেলে।

    উত্তরবঙ্গের সড়ক যোগাযোগে যুগান্তকারী পরিবর্তন

    মুখ্যসচিবের দফতর থেকে জারি করা সরকারি প্রেস নোটে বলা হয়েছে, এই সাতটি রাস্তা উন্নয়নের ফলে উত্তরবঙ্গ, ডুয়ার্স, দার্জিলিং পাহাড়, সিকিম, ভুটান এবং বাংলাদেশ সীমান্তের সঙ্গে যোগাযোগ আরও মজবুত হবে। এছাড়াও মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার সঙ্গে জাতীয় সড়ক সংযোগ উন্নত হবে। বিশেষ করে ঘোজাডাঙা আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যন্ত সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন বাণিজ্য ও সীমান্ত লজিস্টিকসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসন।

    দীর্ঘদিন আটকে থাকা প্রকল্পে গতি

    সরকারি মহলের দাবি, আগের সরকারের আমলে এই জমি হস্তান্তর এবং রাস্তা উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক প্রস্তাব দীর্ঘদিন ধরে ফাইলবন্দি ছিল। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর তা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকেনস নেক করিডরে অবকাঠামো শক্তিশালী হলে শুধু সীমান্ত নিরাপত্তাই নয়, জরুরি পরিস্থিতিতে সেনা মোতায়েন, সরঞ্জাম পরিবহণ এবং দ্রুত সামরিক প্রতিক্রিয়াও অনেক সহজ হবে।

  • NHAI Creates Record: বেঙ্গালুরু–বিজয়ওয়াড়া মহাসড়ক প্রকল্পে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের

    NHAI Creates Record: বেঙ্গালুরু–বিজয়ওয়াড়া মহাসড়ক প্রকল্পে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) বেঙ্গালুরু–কাড়াপা–বিজয়ওয়াড়া ইকোনমিক করিডর (NH-544G) নির্মাণে চারটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এই প্রকল্পে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের (NHAI) সহযোগী সংস্থা রাজপথ ইনফ্রাকন উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

    কী কী রেকর্ড গড়ল জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ

    জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) জানিয়েছে, ৬ জানুয়ারি অন্ধ্রপ্রদেশের পুট্টাপার্থির কাছে দুটি বিশ্বরেকর্ড গড়া হয়। প্রথম রেকর্ডটি হলো—২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটানা ২৮.৮৯ কিলোমিটার রাস্তা বিটুমিনাস কংক্রিট পিচ ঢালাই করা হয়েছে। যা তিন লেনের ৯.৬৩ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশ জুড়ে সম্পন্ন হয়। দ্বিতীয় রেকর্ডটি হলো—২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ১০,৬৫৫ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কংক্রিট একটানা ঢালাই। ছয় লেনের জাতীয় সড়ক প্রকল্পে এই দুটি রেকর্ড। বিশ্বে প্রথমবার কোনও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এই কাজ করেছে। এরপর ১১ জানুয়ারি আরও দুটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি হয়। এর মধ্যে রয়েছে—একটানা ৫৭,৫০০ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কংক্রিট ঢালাই এবং ১৫৬ লেন-কিলোমিটার বা তিন লেনের ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ অংশে একটানা পেভিং। এর মাধ্যমে আগের বিশ্বরেকর্ড—৮৪.৪ লেন-কিলোমিটার (দুই লেনের ৪২.২ কিলোমিটার)—ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

    বেঙ্গালুরু–কাড়াপা–বিজয়ওয়াড়া ইকোনমিক করিডরের গুরুত্ব

    এই রেকর্ড গড়া কাজগুলো বেঙ্গালুরু–কাড়াপা–বিজয়ওয়াড়া ইকোনমিক করিডরের প্যাকেজ-২ এবং প্যাকেজ-৩ জুড়ে সম্পন্ন হয়েছে। করিডরের একটি অংশ বনাঞ্চলের মধ্য দিয়েও গিয়েছে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে বেঙ্গালুরু ও বিজয়ওয়াড়ার মধ্যে যাতায়াতের দূরত্ব ৬৩৫ কিলোমিটার থেকে কমে ৫৩৫ কিলোমিটারে নামবে। পাশাপাশি যাত্রার সময় প্রায় চার ঘণ্টা কমে ১২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টায় নেমে আসবে বলে জানিয়েছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI)। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই ভারত বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে বায়ো-বিটুমিন উৎপাদন করেছে। অন্ধ্রপ্রদেশের অমরাবতী এবং কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুর মধ্যে সফরের সময় কমাতে ৬ লেনের এই গ্রিনফিল্ড জাতীয় মহাসড়কটি তৈরি করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি ভারতমালা ফেজ ২-র অধীনে শুরু করা হয়। যার মাধ্যমে গ্রিনফিল্ড এবং ব্রাউনফিল্ড উভয় রাস্তাই তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে এই রুটে সফরকারীরা এবার যানজটপূর্ণ শহর এবং পুরনো মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াত এড়াতে পারবেন। এই রাস্তাটি গুন্টুর থেকে শুরু করে প্রকাশম, কুর্নুল এবং কাড়াপা জেলার মধ্য দিয়ে যাবে।

     

     

  • Toll Booths: বাড়বে টোল আদায়ের পরিমাণ, বাঁচবে সময়ও, নয়া ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী এনএইচএআই

    Toll Booths: বাড়বে টোল আদায়ের পরিমাণ, বাঁচবে সময়ও, নয়া ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী এনএইচএআই

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: জাতীয় সড়কে টোল সংগ্রহে সাহায্যের জন্য আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলিকে আমন্ত্রণ জানালেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI)। গ্লোবাল নেভিগেশান স্যাটেলাইট সিস্টেম প্রযুক্তির ভিত্তিতে কীভাবে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যায়, কোম্পানিগুলির সঞ্চিত সেই অভিজ্ঞতাই কাজে লাগাতে চান জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। নয়া এই সিস্টেম শুরু হলে ম্যানুয়াল টোল বুথের মূলোৎপাটন করা হবে।

    নয়া প্রযুক্তি

    ম্যানুয়াল টোল সংগ্রহে যে সমস্যা রয়েছে, তা দূর করতেই নয়া প্রযুক্তির সাহায্যে টোল আদায় করতে চাইছেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI)। উদ্যোগটা নিয়েছিল ইন্ডিয়ান হাইওয়েজ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড। এই কোম্পানি একটি বিশেষজ্ঞ সংস্থা যারা ভারতের জাতীয় সড়কের পরিকাঠামোর আধুনীকিকরণ ও ম্যানেজিংয়ের ওপর আলোকপাত করে। টোল আদায় যাতে আরও বেশি দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হয়, টোল সংগ্রহের ক্ষেত্রে যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে, সেই কারণেই তারা নয়া জিএনএসএস-ভিত্তিক টোল সিস্টেমে চলে যাচ্ছে। এই নয়া প্রযুক্তি হাইওয়েতে ভ্রমণকে করবে তুলনামূলকভাবে অনায়াস। ম্যানুয়াল টোলের ক্ষেত্রে যেমন ট্রাফিকের ভিড় হত, নষ্ট করতে হত মূল্যবান সময়, নয়া ব্যবস্থায় তা হবে না। এক্ষেত্রে ভ্রমণ হবে অনায়াস, দ্রুততর।

    কী চাইছে এনএইচএআই?…

    এনএইচএআই চাইছে বর্তমানে যে ফাস্ট্যাগ (FASTAG) ব্যবস্থা রয়েছে, সেটা বজায় রেখেই জিএনএসএস ভিত্তিক ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন সিস্টেম চালু করতে। প্রাথমিক পর্যায়ে হাইব্রিড মডেলের পাশাপাশি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) ভিত্তিক ইটিসি চালু করতেও চাইছেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। এতে এক সিস্টেম থেকে নয়া ব্যবস্থায় চলে যাওয়া হবে সহজ। পুরোপুরিভাবে সুইচ ওভার করার আগে নয়া জিপিএস সিস্টেমের সঙ্গে কারেন্ট আরএফআইডি সিস্টেমের অ্যাডজাস্টামেন্ট পরীক্ষা ও নিশ্চিত করতে হবে। টোলপ্লাজাগুলিতে গ্লোবাল নেভিগেশান স্যাটেলাইট সিস্টেম (GNSS) ব্যবহার করলে যানবাহনগুলি পারবে দ্রুত টোলগেট পার হতে। এই লেন্সগুলি যানবাহনগুলিকে সহজে হ্যান্ডেল করতে পারবে। জিএনএসএস প্রযুক্তি ব্যবহার করলে টোল গেটে না দাঁড়িয়েই যানবাহন পার হয়ে যেতে পারবে টোলপ্লাজা। ডেডিকেটেড লেনগুলিও ট্রাফিক ম্যানেজ করতে পারবে অনেক বেশি দক্ষভাবে (NHAI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • GPS Based Toll: যানজট কমাতে চালু হচ্ছে জিপিএস নির্ভর টোল ব্যবস্থা, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    GPS Based Toll: যানজট কমাতে চালু হচ্ছে জিপিএস নির্ভর টোল ব্যবস্থা, জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সারা দেশে জিপিএস (GPS Based Toll) নির্ভর টোল ব্যবস্থা কার্যকর হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়করি একথা জানিয়েছেন। দেশের হাইওয়ের টোলপ্লাজগুলিতে বর্তমানে যে ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে পরিবর্তন এনে এবার থেকে জিপিএস নির্ভর টোল আদায়ের পদ্ধতি চালু করা হবে। দেশের সড়ক এবং পরিবহণ দফতরের পক্ষে জানানো হয়েছে, এই ব্যবস্থায় অপেক্ষাকৃত কম যানজট হবে। তাছাড়া নিরাপত্তা এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে যে কোনও রকম অনুসন্ধান করতে এটি ব্যাপক কার্যকর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই বছরের আগামী এপ্রিল মাস থেকে এই ব্যবস্থা কার্যকর করার ইঙ্গিত মিলেছে।

    কী বলেন নিতিন গড়করি (GPS Based Toll)?

    কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়করি জানিয়েছেন, “ফাস্ট ট্যাগের সঙ্গেই জিপিএস (GPS Based Toll) নির্ভর এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। পাইলট প্রকল্প হিসেবে তা প্রথম চালু হবে। হাইওয়েতে ট্রাফিক জ্যাম কমাতেই এই নতুন পদ্ধতির কথা ভাবা হচ্ছে। এই ব্যবস্থার ফলে টোল আদায়ও আরও বাড়বে।” এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও আশা প্রকাশ করে বলেন, “ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়ার বর্তমান রাজস্বের পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা। আগামী ২ থেকে ৩ বছরে এই এই রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়াবে ১.৪০ লক্ষ কোটি টাকা।”

    নতুন টোল আদায় ব্যবস্থা

    এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন, “সরকার নতুন প্রযুক্তির বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। জিপিএস (GPS Based Toll) নির্ভর টোল ব্যবস্থা গোটা দেশে চালু করতে চায় সরকার। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই প্রকল্প আসবে।” যদিও গত দশ বছরে হাইওয়ের টোল প্লাজার ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এসছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০১৮ সালে হাইওয়ের টোল প্লাজাতে গড়ি দাঁড়ানোর সময় ছিল ৮ মিনিট। ফাস্ট ট্যাগ পদ্ধতির ফলে টোলপ্লাজায় এখন গাড়ি দাঁড়ানোর সময় কমে হয়েছে মাত্র ৪৭ সেকেন্ড। জিপিএস নির্ভর পদ্ধতি চালু হলে আগামী দিনে আরও সময় কম হবে বলে জানা গিয়েছে।

    কেমন হবে ব্যবস্থা

    জিপিএস নির্ভর ইলেকট্রনিক টোল (GPS Based Toll) গ্রহণ ব্যবস্থায় হাইওয়েতে থাকা ক্যামেরার মাধ্যমে একটি স্বয়ংক্রিয় নম্বর প্লেট গণনার সিস্টেম ব্যবহার করা হবে। এর মাধ্যমে যানবাহনের কতটা দূরত্বের পথ অতিক্রম করছে সেই বিষয়ের উপর নির্ভর করে টোল ধার্য করা হব। এই পদ্ধতিতে গাড়ি চালানোর সময় গতিবিধি নিরীক্ষণ করে, সঠিকভাবে টোল করা অংশগুলিতে চালকদের প্রবেশ এবং প্রস্থানগুলিকে খুব সহজেই চিহ্নিত করা থাকবে। একই সঙ্গে গাড়ির যাত্রাপথের দূরত্বকে বিশ্লেষণ করবে। গাড়ির চালক যে টোল প্লাজাগুলি অতিক্রম করেছেন তাও সুনিশ্চিত করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Flag: জাতীয় পতাকায় ‘টক্কর’ পাকিস্তানকে, আটারিতে উড়বে ভারতের উচ্চতম তেরঙা

    Indian Flag: জাতীয় পতাকায় ‘টক্কর’ পাকিস্তানকে, আটারিতে উড়বে ভারতের উচ্চতম তেরঙা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে ওয়াঘা-আটারি সীমান্তে (Wagah-Attari border) উড়বে দেশের উচ্চতম জাতীয় পতাকা (National Flag)। যা প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তানের পতাকার উচ্চতাকেও ছাড়িয়ে যাবে। এই তেরঙাটির উচ্চতা হবে ৪১৮ ফুট। ফলে আর কিছুদিনের মধ্যেই  ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে দেশের সবচেয়ে বড় পতাকা (Indian Flag) উড়তে দেখা যাবে।

    বর্তমানে যে পতাকাটি লাগানো রয়েছে, সেটির উচ্চতা ৩৬০ ফুট। ২০১৭ সালের মার্চ মাসে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা খরচ করে ওই পতাকাটি স্থাপন করা হয়েছিল। অন্যদিকে পাকিস্তানও সেই বছরই একটি বড় পতাকা স্থাপন করে। দৈর্ঘ্যে সেটি আবার ভারতের পতাকার (Indian Flag) থেকে বেশি দীর্ঘ। এটির উচ্চতা ৪০০ ফুট। ফলে পাকিস্তানকে তার উত্তর দিতেই ভারত এবার এমন পদক্ষেপ নিয়েছে ও পাকিস্তানের চেয়েও বড় পতাকা স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানের পতাকাটি পাকিস্তানের পতাকার থেকে আকারে ছোট হলেও এই নতুন পতাকাটি ছাপিয়ে যাবে পাকিস্তানের পতাকাটির উচ্চতাকে। ভারতের পতাকাটি পাকিস্তানের পতাকার থেকেও ১৮ ফুট লম্বা বলে জানা গিয়েছে।

    কেন্দ্রের এবং রাজ্য সরকারের অনুমতি পাওয়ার পরেই ভারতের ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি (NHAI) এই পতাকা নির্মাণের বরাত দিয়েছে এক কন্ট্রাক্টরকে। তবে নতুন পতাকা (Indian Flag) লাগানো হলেও বর্তমান পতাকাটি সরানো হবে কি না তা নিয়ে আলোচন চলছে।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা তো তুললেন, কিন্তু পতাকা ভাঁজ করার সঠিক নিয়ম জানেন কি?

    এনএইচএআই-এর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আটারি-ওয়াঘা সীমান্তের ঠিক কোন স্থানে নতুন পতাকাটি (Indian Flag) স্থাপন করা হবে তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি আরও জানান, ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই সম্ভবত পতাকাটি স্থাপন করা হবে। বিএসএফের কর্মকর্তাদের পরামর্শ মেনে সম্ভবত যৌথ চেক পোস্টের কাছে যেখানে পর্যটকদের গ্যালারি রয়েছে, সেখানেই উড়তে পারে দেশের উচ্চতম জাতীয় পতাকা (Indian Flag)।

    এক বিএসএফ কর্মকর্তা বলেন, “অনেক দর্শক আমাদের জাতীয় পতাকার উচ্চতা বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন, কারণ পাকিস্তানের পতাকার তুলনায় ভারতের পতাকার (Indian Flag) উচ্চতা কম দেখায়। নতুন পতাকা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের কোনও অভিযোগ থাকবে না, বরং তাঁরা খুশী হবেন।“ অবশেষে ভারতবাসীর সেই দাবিই সত্যি হতে চলেছে। তবে শুধুমাত্র পতাকা নয়, এনএইচএআই সীমান্তের সৌন্দর্যায়নেও কাজ করা হচ্ছে, যা দর্শকদের কাছে এক আকর্ষণ হয়ে উঠবে। ফলে প্রতিবেশিদের পতাকাকে ছাপিয়ে আকাশছোঁয়া তেরঙাকে দেখতে সীমান্তে মানুষের ভিড় উপচে পড়তে চলেছে, তা এখনই বোঝা যাচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারতের উচ্চতম জাতীয় পতাকা (Indian Flag) আছে কর্ণাটকে বেলাগাম ফোর্টে। এটির উচ্চতা ৩৬১ ফুট, যা আটারি সীমান্তে বর্তমান পতাকার চেয়ে মাত্র এক ফুট লম্বা।

LinkedIn
Share