Tag: Nirmala

Nirmala

  • Nirmala Sitharaman: বাজেটে স্বদেশি-প্রথম অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitharaman: বাজেটে স্বদেশি-প্রথম অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সংসদে বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বাজেট ২০২৬–২৭ পেশ করে তিনি এদিন একটি বিস্তৃত স্বদেশি-প্রথম (Swadeshi First Strategy) অর্থনৈতিক রোডম্যাপ তুলে ধরেন। এতে দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে দেশীয় উৎপাদন, প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতা এবং ভ্যালু-চেন সংহতকরণ। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী ছ’দফার একটি কাঠামোর কথা ঘোষণা করেন, যার লক্ষ্য স্বদেশি শিল্পকে প্রধান চালিকাশক্তি করে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ ত্বরান্বিত করা। এই কাঠামোর মাধ্যমে কেবল সংযোজন বা আমদানি-বিকল্পের বাইরে গিয়ে গভীর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, রফতানি প্রতিযোগিতা ও দেশীয় মেধাস্বত্ব (IP) গড়ে তোলার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ছ’টি স্তম্ভ (Nirmala Sitharaman)

    অর্থমন্ত্রী যে ছ’টি স্তম্ভের কথা বলেছেন, সেগুলি হল, সাতটি কৌশলগত ও অগ্রগামী খাতে স্বদেশি উৎপাদনের ব্যাপক সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান ও আঞ্চলিক অর্থনীতি রক্ষায় ঐতিহ্যবাহী শিল্পক্ষেত্রের পুনরুজ্জীবন, লক্ষ্যভিত্তিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তার মাধ্যমে ‘চ্যাম্পিয়ন’ এমএসএমই গড়ে তোলা, পরিকাঠামোয় বড়সড় বিনিয়োগ, দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং নগরভিত্তিক অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বৃদ্ধির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা প্রথম তিনটি স্তম্ভে স্বদেশি উৎপাদনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে, যা প্রযুক্তিগত গভীরতা (Swadeshi First Strategy), দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল এবং কর্মসংস্থাননির্ভর বৃদ্ধির প্রতি সরকারের অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত দেয়। স্বদেশি উদ্যোগের অন্যতম বড় ঘোষণা হল ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন (ISM) ২.০, যার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০,০০০ কোটি টাকা। আইএসএম ১.০–এর মাধ্যমে ভারতে সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি (Nirmala Sitharaman) ও ফ্যাব্রিকেশন ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছিল। নতুন পর্যায়ে শিল্পনির্ভর গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গঠনের ওপর জোর দেওয়া হবে।

    সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি

    এই পর্যায়ে ভারতীয় প্রয়োজন অনুযায়ী সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি ও উপকরণ উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। লক্ষ্য হল, পূর্ণাঙ্গ ভারতীয় মেধাস্বত্বভিত্তিক যন্ত্র ও উপকরণ উৎপাদন। এর মাধ্যমে কেবল অ্যাসেম্বলির সীমা ছাড়িয়ে সেমিকন্ডাক্টর ভ্যালু-চেনের প্রতি স্তরে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতকে বৈশ্বিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বাজেটে বায়োফার্মা শক্তি প্রকল্পের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এ জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০,০০০ কোটি টাকা (Swadeshi First Strategy)। এই উদ্যোগের আওতায় রয়েছে তিনটি নতুন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ফার্মাসিউটিক্যাল  (Swadeshi First Strategy)এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (NIPER) স্থাপন, সাতটি এনআইপিইআরের পরিকাঠামোর উন্নয়ন, ১,০০০টি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল কেন্দ্র গঠন এবং সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (CDSCO)–কে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলা।

    ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টে আমদানি

    স্মার্টফোন, অটোমোবাইল ও প্রতিরক্ষা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম ঘোষণা করা হয়েছে। এর লক্ষ্য হল দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল গভীর করা এবং স্বদেশি উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো।গুরুত্বপূর্ণ খনিজের কৌশলগত প্রয়োজন বিবেচনায় সরকার ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে রেয়ার আর্থ করিডর স্থাপনের কথা (Nirmala Sitharaman) ঘোষণা করা হয়েছে। এই করিডরগুলিতে খনন, প্রক্রিয়াকরণ, গবেষণা ও স্থায়ী চুম্বক উৎপাদনকে উৎসাহ দেওয়া হবে, যা বৈদ্যুতিক যান, উইন্ড টারবাইন ও প্রতিরক্ষা খাতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Swadeshi First Strategy)। বিশেষায়িত ও বাল্ক কেমিক্যাল উৎপাদনে ভারতের অবস্থান মজবুত করতে তিনটি বিশেষ কেমিক্যাল পার্ক স্থাপনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শিপিং কন্টেইনার উৎপাদনের জন্য নতুন একটি প্রকল্পও ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ১০,০০০ কোটি টাকা। লক্ষ্য হল, আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক স্বদেশি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো।

    উচ্চাভিলাষী সমন্বিত কর্মসূচি

    বস্ত্র খাতে বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি উচ্চাভিলাষী সমন্বিত কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে (Swadeshi First Strategy)। ‘চ্যালেঞ্জ মোড’-এ বড় টেক্সটাইল পার্ক গড়ে তোলা হবে, যেখানে বেসরকারি সংস্থাগুলি দরপত্রের মাধ্যমে পার্ক নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পাবে, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল ও মূল্য সংযোজনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং বস্ত্র খাতের জন্য পাঁচ দফার সহায়তা প্যাকেজ। এগুলি হল, প্রাকৃতিক, কৃত্রিম ও আধুনিক ফাইবারে আত্মনির্ভরতা (Nirmala Sitharaman), টেক্সটাইল এক্সপ্যানশন অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট স্কিমে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও পরীক্ষণের সুবিধা, ন্যাশনাল হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্প কর্মসূচি, টেক্স-ইকো উদ্যোগে (Swadeshi First Strategy) পরিবেশবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদন, সামারাথ ২.০ (SAMARTH 2.0) শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ দক্ষতা উন্নয়ন। এছাড়াও মহাত্মা গান্ধী গ্রাম স্বরাজ উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়েছে, যার লক্ষ্য খাদি, হ্যান্ডলুম ও হস্তশিল্পকে ব্র্যান্ডিং, বাজার সংযোগ, প্রশিক্ষণ ও মান নির্ধারণের মাধ্যমে শক্তিশালী করা।

    ঐতিহ্যবাহী শিল্প ক্লাস্টার

    আঞ্চলিক বৈষম্য ও কর্মসংস্থানের সমস্যা মোকাবিলায় ২০০টি ঐতিহ্যবাহী শিল্প ক্লাস্টার পুনরুজ্জীবনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। এমএসএমইদের জন্য ১০,০০০ কোটি টাকার ‘চ্যাম্পিয়ন ফান্ড’, এবং দুটি হাই-টেক টুল রুম স্থাপনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। মজবুত উৎপাদনের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২০,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে কার্বন ক্যাপচার, ইউটিলাইজেশন অ্যান্ড স্টোরেজ (CCUS) প্রযুক্তির জন্য (Nirmala Sitharaman)। বিশ্ব বাণিজ্যে অস্থিরতা ও ভারতীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে এই স্বদেশির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫–২৬ আগেই ইলেকট্রনিক্স ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজে (Swadeshi First Strategy) আমদানি নির্ভরতা কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিল (Swadeshi First Strategy)। বাজেট বক্তৃতায় নির্মলা বলেন, “আত্মনির্ভরতাকে পথপ্রদর্শক হিসেবে রেখে আমরা দেশীয় উৎপাদন ক্ষমতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ আমদানি নির্ভরতা কমিয়েছি।” পূর্ণাঙ্গ ভারতীয় মেধাস্বত্ব, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিকাঠামো, রেয়ার আর্থ প্রক্রিয়াকরণ এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্প পুনরুজ্জীবনের ওপর জোর দিয়ে সরকার ভ্যালু-চেনের উচ্চ স্তরে ওঠার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দিয়েছে (Nirmala Sitharaman)।

     

  • Budget 2026: বাজেট পেশ নির্মলার, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাই লক্ষ্য অর্থমন্ত্রীর

    Budget 2026: বাজেট পেশ নির্মলার, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করাই লক্ষ্য অর্থমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি লোকসভায় ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের বাজেট (Budget 2026) পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। এটি তাঁর টানা নবম বাজেট। ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশে’র সরকারি দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত ও মজবুত করার লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করা হয়েছে এই বাজেটে।

    বাজেটে বিশেষ জোর (Budget 2026)

    এই বাজেটে পরিকাঠামো-কেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধি, আর্থিক খাত সংস্কার, রাজস্ব সংহতি এবং বাজারের গভীরতার (market deepening) ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রতিকূলতার মধ্যেও নীতিগত ধারাবাহিকতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সীতারামনের বাজেট বক্তৃতার প্রধান দিকগুলি হল, পরিকাঠামোকে প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে অর্থমন্ত্রী ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে মূলধনী ব্যয় বাড়িয়ে ১২.২ লক্ষ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দেন। ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে এই বরাদ্দ ছিল ১১.২ লক্ষ কোটি টাকা। ক্রিসিলের তথ্য অনুযায়ী, এটি বছরে ৮.৯ শতাংশ বৃদ্ধি, যা বাজারের প্রত্যাশার সঙ্গে মোটামুটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। পরিবহণ খাতে বড় উদ্যোগ হিসেবে সাতটি নয়া হাই-স্পিড রেল করিডরের কথাও ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। এগুলি হল, মুম্বই–পুণে, পুণে–হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ–বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ–চেন্নাই, চেন্নাই–বেঙ্গালুরু, দিল্লি–বারাণসী এবং বারাণসী–শিলিগুড়ি। এই করিডরগুলির লক্ষ্য পরিবেশবান্ধব যাত্রী পরিবহণে উৎসাহ দেওয়া এবং শহরগুলির মধ্যে সংযোগ আরও মজবুত করা।

    ভারতের বন্ড বাজার

    ভারতের বন্ড বাজারকে শক্তিশালী করতে কর্পোরেট বন্ড সূচকের ওপর তহবিল ও ডেরিভেটিভ ব্যবহারের সুযোগ-সহ একটি মার্কেট-মেকিং কাঠামোর প্রস্তাবও করা হয়েছে। এর ফলে বাজারে মূল্য নির্ধারণ আরও স্বচ্ছ হবে এবং সংস্থাগুলির দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে (Budget 2026)। ‘বিকশিত ভারতে’র লক্ষ্য পূরণে সহায়তার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যাঙ্কিং কমিটি গঠনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। এই কমিটি গোটা ব্যাংকিং ব্যবস্থার পর্যালোচনা করে আগামী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পর্যায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ সংস্কারের সুপারিশ করবে (Nirmala Sitharaman)। বিদেশি পুঁজি আকর্ষণের লক্ষ্যে ভারতীয় শেয়ারবাজারে ব্যক্তিগত এনআরআই বিনিয়োগ সীমা ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি মোট বিনিয়োগ সীমা ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৪ শতাংশ করা হয়েছে।

    বন্ড বাজার সংস্কার

    অর্থমন্ত্রী রাজস্ব শৃঙ্খলার প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে জানান, ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষে রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির ৪.৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে (Budget 2026)। তুলনায়, ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে সংশোধিত অনুমান ছিল ৪.৪ শতাংশ। এই ধাপে ধাপে ঘাটতি কমানোর রূপরেখা প্রবৃদ্ধি ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার ইঙ্গিত দেয়। কর সংক্রান্ত প্রস্তাবের অংশ হিসেবে অপশন ট্রেডিংয়ের ওপর সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স (STT) ০.১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ০.১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর প্রভাব ডেরিভেটিভস ব্যবসায়ীদের ওপর পড়তে পারে, তবে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে। রেলওয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। সরকারের বিশ্বাস, সরকারি বিনিয়োগ বেসরকারি পুঁজিকে আকৃষ্ট করবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে (Nirmala Sitharaman)। বন্ড বাজার সংস্কার এবং এনআরআই বিনিয়োগ সীমা বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপগুলি ভারতীয় আর্থিক বাজারকে আরও গভীর, দক্ষ এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ (Budget 2026)।

    মাঝারি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস

    সামগ্রিকভাবে বলতে গেলে বলতে হয়, ২০২৬ সালের বাজেটে বড় কোনও নীতিগত পরিবর্তনের বদলে ধারাবাহিকতা ও পরিমিত সংস্কারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। মাঝারি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে সরকার পরিকাঠামো-কেন্দ্রিক সম্প্রসারণ, রাজস্ব সংহতি এবং আর্থিক খাত শক্তিশালী করার পথ বেছে নিয়েছে। সব মিলিয়ে, নির্মলা সীতারামনের নবম বাজেট উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও সতর্কতার মধ্যে ভারসাম্য রেখে পরিকাঠামো, বাজার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারকে ভারতের মধ্যমেয়াদি (Nirmala Sitharaman) প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে (Budget 2026)।

     

LinkedIn
Share