Tag: Nitin Gadkari

Nitin Gadkari

  • Nitin Gadkari:  ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে গভীর সহযোগিতার আহ্বান নীতিনের, জোর টেকসই ও ভবিষ্যতমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর

    Nitin Gadkari:  ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে গভীর সহযোগিতার আহ্বান নীতিনের, জোর টেকসই ও ভবিষ্যতমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে আরও গভীর সহযোগিতার আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গডকরি (Nitin Gadkari)। তাঁর মতে, ব্রিকসের (BRICS) সদস্য দেশগুলির সম্মিলিত শক্তি বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনী, অংশীদারিত্বমূলক এবং দায়িত্বশীল পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার এক অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে।

    পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের বিবৃতি (Nitin Gadkari)

    সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নাগপুরে অনুষ্ঠিত ব্রিকস পরিবহণ মন্ত্রীদের বৈঠকে বিভিন্ন সদস্য দেশের পরিবহণ মন্ত্রী, প্রতিনিধিদলের প্রধান, শীর্ষ আধিকারিক এবং প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান নীতিন। তিনি জানান, এই বৈঠক উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ সহযোগিতা আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের মূল ভাবনা ‘স্থিতিশীলতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য নির্মাণ’—এই বিষয়কে সামনে রেখেই এগোচ্ছে বলে জানান গডকরি। তাঁর কথায়, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ বা ‘সমগ্র বিশ্ব এক পরিবার’—এই ভারতীয় দর্শনের ভিত্তিতেই মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী ব্রিকস পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পারে বলেও জানান তিনি।

    পরিবহণে জোর গডকরির

    অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে পরিবহণ ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে গডকরি বলেন, “সড়ক, রেল, সমুদ্র ও বিমান—সব ক্ষেত্রেই ভারতের দ্রুত অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক নেটওয়ার্ক ভারতের রয়েছে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকারযুক্ত দ্রুতগামী মহাসড়ক এবং বহুমাধ্যমভিত্তিক যোগাযোগ (Nitin Gadkari) ব্যবস্থারও উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটেছে।” দিল্লি-দেরাদুন অর্থনৈতিক করিডর, সোনমার্গ সুড়ঙ্গ এবং ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি নতুন দ্রুতগামী মহাসড়ক নির্মাণের মতো প্রকল্পগুলির উল্লেখ করে তিনি (BRICS) জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে পরিকাঠামো উন্নয়নের সমন্বয় ঘটানোর দিকেই ভারত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে সংকর বার্ষিক আর্থিক মডেলের সফল প্রয়োগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    পণ্য পরিবহণের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর

    রেল ক্ষেত্রেও ব্যাপক আধুনিকীকরণের কথা উল্লেখ করেন গডকরি। তিনি জানান, বিস্তৃত গেজ রেলপথের প্রায় সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়ন, বন্দে ভারত ট্রেন পরিষেবার সম্প্রসারণ, মুম্বই-আহমেদাবাদ উচ্চগতির রেল প্রকল্পের অগ্রগতি এবং নতুন পাম্বান সেতুর মতো টেকনোলজি দেশের রেল ব্যবস্থাকে নয়া উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়া ‘সামুদ্রিক অমৃতকাল ভিশন ২০৪৭’, ‘ই-নাবিক’, ‘ই-সমুদ্র’ এবং সবুজ নৌপরিবহণ উদ্যোগের মাধ্যমে সামুদ্রিক পরিকাঠামো ও পণ্য পরিবহণের দক্ষতা বৃদ্ধির দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান (Nitin Gadkari) তিনি। টেকসই পরিবহণ ব্যবস্থার লক্ষ্যে বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবা, সবুজ নগর পরিবহণ প্রকল্প এবং আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণে ‘উড়ান’ প্রকল্পের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর মতে, ‘প্রধানমন্ত্রী গতি শক্তি জাতীয় মহাপরিকল্পনা’ সমন্বিত বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবহণ ব্যয় কমিয়েছে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়িয়েছে।

    কী বললেন গডকরি

    সড়ক নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে গডকরি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের নগদবিহীন চিকিৎসার জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী-রাহাত’ প্রকল্প চালু হয়েছে। পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্য, পৌর বর্জ্য, উড়ন্ত ছাই, ইস্পাতের অবশিষ্টাংশ, বাঁশের নিরাপত্তা ব্যারিয়ার এবং ব্যবহারের অযোগ্য পুরোনো টায়ার পুনর্ব্যবহার করে সড়ক নির্মাণে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ব্রিকস দেশগুলির সামনে পরিকাঠামোয় অর্থায়ন, যানজট, দূষণ, সড়ক নিরাপত্তা এবং শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যোগাযোগ নিশ্চিত করার মতো একাধিক অভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন গডকরি। এই সমস্যাগুলির সমাধানে পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়, দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং সবুজ হাইড্রোজেন, বৈদ্যুতিক যান, বিকল্প জ্বালানি, ডিজিটাল পরিবহণ ব্যবস্থা ও টেকসই বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিকাঠামো নিয়ে যৌথ গবেষণার ক্ষেত্রে ভারত সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে (Nitin Gadkari)। বৈঠকের ফল নিয়ে আশাবাদী গডকরি বলেন, এই আলোচনা ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবসম্মত ও উদ্ভাবনী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি, পরিবেশ রক্ষা এবং (BRICS) টেকসই ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সকল সদস্য দেশকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও জানান কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী (Nitin Gadkari)।

     

  • Iran: খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের প্রেসিডেন্টের

    Iran: খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ্ সৈয়দ আলি খামেনেইর রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও দাফনের অনুষ্ঠান প্রথমে মার্চ মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান-ইজরায়েল এবং আমেরিকাকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে সেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। পরে ইরানি কর্তৃপক্ষ ৪ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন শহরে একাধিক অনুষ্ঠানের সূচি নির্ধারণ করে।

    খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিতে আমন্ত্রণ ভারতের (Iran)

    অনুষ্ঠানের সূচনা হবে ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে। সেখানে খামেনেইর মরদেহ জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। দেশজুড়ে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে শোকানুষ্ঠান ও বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তেহরান এবং পবিত্র নগরী কোমে বিশাল শোকমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরেও বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ৯ জুলাই উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে ইমাম রেজা মাজারে খামেনেইকে দাফন দেওয়া হবে। মাশহাদই ছিল খামেনেইর জন্মস্থান। সপ্তাহব্যাপী এই শোকানুষ্ঠানে লক্ষাধিক নয়, বরং কয়েক মিলিয়ন মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা ইরানি প্রশাসনের (Iran)।

    ভারত-ইরান সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, ভারত এবং ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বজায় রয়েছে। সাম্প্রতিক পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটকালেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একাধিকবার ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এর আগে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও ভারতের প্রতিনিধিত্ব দেখা গিয়েছে। ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। একই বছরে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকরি।

    সম্প্রতি ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নয়াদিল্লি সফরে এসেছিলেন। ওই সফরে তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন, সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও (Iran)। ইরানের এই (PM Modi) রাষ্ট্রীয় শোকের অনুষ্ঠানে ইরাক, পাকিস্তান, রাশিয়া, চিন-সহ একাধিক আঞ্চলিক দেশের প্রতিনিধিদল উপস্থিত থাকতে পারে বলেও খবর।

     

  • Plastic Waste: তাক লাগিয়ে দিল ভারত! প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে ৪০ হাজার কিমি গ্রামীণ রাস্তা

    Plastic Waste: তাক লাগিয়ে দিল ভারত! প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে ৪০ হাজার কিমি গ্রামীণ রাস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্লাস্টিক। আধুনিক বিশ্বে আপাতত এটাই সব চেয়ে বেশি মাথাব্যথার কারণ বিজ্ঞানীদের। সেই প্লাস্টিককেই কাজে লাগিয়ে তাক লাগিয়ে দিল ভারত। প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি হচ্ছে গ্রামীণ রাস্তা (Plastic Waste)।

    ৪০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ (Plastic Waste)

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার অধীনে (India) প্রায় ৪০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে এই প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে। পানীয় জল ও স্যানিটেশন বিভাগের সচিব ভিনি মহাজন জানান, গত দু’বছরে এই টেকসই পদ্ধতি ব্যবহার করে ১৩ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মহাজন বলেন, “এই উদ্ভাবনগুলো আমাদের টেকসইতা এবং ভারতের স্যানিটেশন ব্যবস্থার ভবিষ্যতের প্রতি প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে।” তিনি জানান, গ্রে-ওয়াটার ও প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

    “স্বচ্ছতা একটি সামাজিক বিষয়” 

    তিনি বলেন, “৫৫ শতাংশের বেশি গ্রামকে ওডিএফ প্লাস মডেল ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে সারা দেশে পাঁচ লাখ বর্জ্য সংগ্রহের গাড়ি চালু রয়েছে।” এই অগ্রগতির জন্য তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সমষ্টিগত সহযোগিতাকে কৃতিত্ব দিয়েছেন, বিশেষত স্বচ্ছতা হি সেবা ২০২৪ প্রচারের ক্ষেত্রে। পানীয় জল ও স্যানিটেশন বিভাগের সচিব বলেন (Plastic Waste), “স্বচ্ছতা একটি সামাজিক বিষয় যা আমাদের সবাইকে একত্রিত করে। যা সর্বোচ্চ স্তর থেকে স্থানীয় সম্প্রদায় পর্যন্ত একটি সুসংহত নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত হয়।”

    আরও পড়ুন: ‘স্বাস্থ্যব্যবস্থা মানুষ মারার ও লুট করার যন্ত্রে পরিণত হয়েছে’, তোপ সুকান্তর

    এদিকে, কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গডকরি বলেন, “হাইওয়ে নির্মাণে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবহার এখন বাধ্যতামূলক।” তিনি জানান, এখনও পর্যন্ত ৮০ লাখ টন বর্জ্য পুনর্ব্যবহৃত করে জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে দিল্লি থেকে মুম্বইয়ের মহাসড়কও রয়েছে (India)। মন্ত্রী বলেন, “বর্জ্য পুনর্ব্যবহার কেবল দূষণ কমাতে সাহায্য করে না, এটি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করে।” বর্জ্য থেকে জ্বালানি তৈরির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে গডকরি বলেন, “ভারতীয় তেল ও অন্যান্য কোম্পানির সঙ্গে বর্জ্য থেকে বায়ো-সিএনজি উৎপাদনের প্রকল্প চলছে (Plastic Waste)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cashless Treatment: পথ দুর্ঘটনায় আহতরা পাবেন ‘ক্যাশলেস’ চিকিৎসা! আসছে কেন্দ্রের বিশেষ স্কিম

    Cashless Treatment: পথ দুর্ঘটনায় আহতরা পাবেন ‘ক্যাশলেস’ চিকিৎসা! আসছে কেন্দ্রের বিশেষ স্কিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য এবার নয়া প্রকল্প আনতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের জন্য় ক্যাশলেস চিকিৎসা (Cashless Treatment) ব্যবস্থা আনার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সূত্রের খবর, আপাতত পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে সেটা আনা হবে এই নতুন প্রকল্প। প্রথম পর্যায়ে চণ্ডীগড় ও অসমে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। এক্ষেত্রে কোথায় সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে সেটা বড় কথা নয়। এই ধরনের দুর্ঘটনা হলেই ক্যাশলেস চিকিৎসা প্রয়োগ করা হবে। 

    কী বললেন গড়কড়ি

    শুক্রবার লোকসভায় একটা লিখিত প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় সড়ক, পরিবহণ এবং হাইওয়ে মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানিয়েছেন, এই স্কিমের (Cashless Treatment) আওতায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্যাকেজের ব্যবস্থা থাকবে। আয়ুস্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী জনআরোগ্য যোজনার আওতায় প্যানেলভুক্ত হাসপাতালে ট্রমা ও পলিট্রমা কেয়ারের বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা করা হবে। দুর্ঘটনার পর সর্বোচ্চ সাতদিন পর্যন্ত এই সহায়তা করা হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর তুঘলকি কাণ্ডে ৫০০ কোটির ক্ষতি টলিপাড়ার! তাও চুপ রাজ্য

    কীভাবে প্রকল্পের প্রয়োগ

    প্রতি বছর বহু মানুষের মৃত্য়ু হয় পথ দুর্ঘটনার কারণে। পথ দুর্ঘটনায় বেশিরভাগ মৃত্যু ঘটে চিকিৎসায় দেরি হওয়ার কারণে। এই বিষয়টির কথা মাথা রেখেই এবার সরকার শীঘ্রই পথ দুর্ঘটনায় ক্ষেত্রে ক্যাশলেস চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে চলেছে। অদূর ভবিষ্যতে পথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা ক্যাশলেস (Cashless Treatment) হতে চলেছে গোটা দেশে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Nitin Gadkari) আরও জানিয়েছেন, এই প্রকল্প প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় পুলিশ, প্যানেলভুক্ত হাসপাতাল, রাজ্যের স্বাস্থ্য বিষয়ক এজেন্সি, ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার, জেনারেল ইনস্যুরেন্স কাউন্সিল— সকলে মিলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nitin Gadkari: ‘‘কংগ্রেসের ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন বিজেপি না করে’’, গোয়ায় বললেন গড়করি

    Nitin Gadkari: ‘‘কংগ্রেসের ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন বিজেপি না করে’’, গোয়ায় বললেন গড়করি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিকে (BJP) বলা হয় ‘এ পার্টি উইথ ডিফারেন্স’, এবার এই কথা আর একবার শোনা গেল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করির (Nitin Gadkari) মুখে। গোয়াতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কংগ্রেসের ভুলের পুনরাবৃত্তি যেন বিজেপি না করে, কারণ আমরা হলাম এ পার্টি উইথ ডিফারেন্স।’’ তাঁর কথায়, ‘‘কংগ্রেস যা করত, আমরা যদি তা চালিয়ে যাই, তবে তাদের চলে যাওয়া এবং আমাদের ক্ষমতায় থাকা – এ দুটোরই কোনও পার্থক্য থাকবে না।’’ প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনে তৃতীয় মোদি সরকার গঠন হওয়ার এক মাসের মধ্যে নীতিন গড়করির (Nitin Gadkari) এমন মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    ‘‘আমাদের বুঝতে হবে আমরা অন্যান্য দলগুলির থেকে ঠিক কতটা আলাদা’’ 

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি (Nitin Gadkari) পানাজির কাছে বিজেপির (BJP) কার্যনির্বাহী সভায় হাজির ছিলেন। সেখানে তিনি বক্তব্যও রাখেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গোয়ার রাজ্য সভাপতি সদানন্দ তানাভাবে ও মুখ্যমন্ত্রীর প্রমোদ সাওয়ান্ত। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শুক্রবার ৪০ মিনিটের বক্তব্য রাখেন এবং সেই সময় তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের প্রাক্তন-উপ প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা এল কে আদবানীর বক্তব্যকেও। গেরুয়া শিবিরের সংগঠন গড়ে তুলতে অনবদ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন লাল কৃষ্ণ আদবানি এবং সে সময় তিনি বারবার বলতেন, ‘বিজেপি এ পার্টি উইথ ডিফারেন্স’। সেই মন্তব্য টেনে এনে  নীতিন গড়করি বলেন, ‘‘আমাদের বুঝতে হবে আমরা অন্যান্য দলগুলির থেকে ঠিক কতটা আলাদা।’’

    জাতপাতের রাজনীতি চলবে না মহারাষ্ট্রে, বললেন গড়করি (Nitin Gadkari) 

    নাগপুরের সাংসদ আরও জানিয়েছেন, কংগ্রেসের ভুলের কারণেই সাধারণ মানুষ বিজেপিকে নির্বাচিত করেছে। একই ভুলের ক্ষেত্রে বিজেপি কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। মহারাষ্ট্রের রাজনীতি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি (Nitin Gadkari) বলেন, ‘‘মহারাষ্ট্রে জাতপাতের রাজনীতি চলে না। যাঁরা এটা করবে তাঁদেরকে ক্ষমতা থেকে বের করে দেওয়া হবে। একজন ব্যক্তিকে তাঁর মূল্যবোধের মাধ্যমেই পরিচিতি দেওয়া উচিত, জাতের মাধ্যমে নয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের দায়িত্ব থেকে রাজ্যকে সরানো হোক, গড়করির কাছে দাবি রাজুর

    Darjeeling: ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের দায়িত্ব থেকে রাজ্যকে সরানো হোক, গড়করির কাছে দাবি রাজুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নিতিন গড়করিকে, ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের দায়িত্ব থেকে রাজ্যকে অপসারণের দাবি জানালেন দার্জিলিং (Darjeeling) লোকসভার সাংসদ রাজু বিস্তা। তিস্তার গতিপথ অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে রাজ্য সড়কের উপর। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার উদাসীন, তাই জাতীয় সড়কের দায়িত্ব এবার রাজ্য সরকারের হাত ছাড়া হতে বসেছে। ঠিক এমনটাই দাবি করলেন এই বিজেপি সাংসদ। উল্লেখ্য সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমসিংহ তামাং কিছু দিন আগে দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নিতিন গড়করির সঙ্গে দেখা করে, বাংলার অধীনে থাকা এই সড়ক দেখাশোনার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নেওয়ার দাবি করেন।

    বিজেপি সাংসদের দাবি (Darjeeling)

    বিজেপি সাংসদ রাজুবিস্তা জানিয়েছেন, “উত্তরে সিকিমের সঙ্গে দার্জিলিং-এর (Darjeeling) যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা হল ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক (National Highway 10)। এই সড়ক শুধু লাইফ লাইন নয়, দেশের নিরাপত্তার সঙ্গেও সম্পর্ক রয়েছে। উত্তরবঙ্গের গোটা অর্থনীতি, পর্যটন শিল্প এই সড়কের উপর নির্ভর করে আছে। কিন্তু এই সড়ককে ঠিক মতো মেরামত এবং সংস্কারের কাজ করছে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকার। গ্রিফ, এনএইচআইডিসিএল (ন্যাশনাল হাইওয়েজ় অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট) বা এনএইচআই (ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া)-র মতো সংস্থাকে যেন ওই সড়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহনমন্ত্রী রাজ্যের পূর্ত দফতর থেকে সড়ক দেখাশোনার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছেন।”

    আরও পড়ুনঃ হাওড়ার উন্নতি ও চন্দননগরের দীপ্তানুর কাছে এসে পৌঁছল প্রধানমন্ত্রী মোদির চিঠি

    ব্যবসায়ীদের দাবি কেন্দ্র হস্তক্ষেপ করুক

    এই জাতীয় সড়কের (National Highway 10) উপর নির্ভর করে আছে উত্তরের পর্যটন ব্যবসা। শিলিগুড়ি (Darjeeling) থেকে সিকিম পর্যন্ত অনেক মানুষের ব্যবসা জড়িয়ে রয়েছে এই সড়কের উপরই। হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজ়ম নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট স্যানাল বলেন, “উত্তর সিকিমের প্রধান দুটো পর্যটনস্থলের মধ্যে লাচেন প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ। আর লাচুং গত ডিসেম্বরে খুললেও আবার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমরা দাবি জানাই, কেন্দ্রীয় সরকার এই সড়কের উপর হস্তক্ষেপ করুক। সিকিম রাজ্য সরকার এবং আমাদের রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলে জিয়োলজিকাল সার্ভে করে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nitin Gadkari: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    Nitin Gadkari: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দিনে ভারতে পেট্রোল ও ডিজেল গাড়ির সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে যাবে বলে বিশ্বাস করেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। ভারতকে সবুজ অর্থনীতিতে পরিণত করাটা শক্ত হলেও অসম্ভব নয় বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। হাইব্রিড গাড়িতে জিএসটি কমানোর কথাও জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে ৩৬ কোটির বেশি পেট্রল-ডিজেল গাড়ি রয়েছে ভারতে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, জৈব জ্বালানির উপর জোর দিয়ে জ্বালানি আমদানি কমাতে পারে সরকার। কেন্দ্রের এই ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

    কী বললেন গডকরি

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানিয়েছেন, জ্বালানি আমদানির জন্য ১৬ লাখ কোটি টাকা খরচ করে ভারত। এই টাকা কৃষকদের জীবনযাত্রার উন্নয়নে, গ্রামগুলোকে সমৃদ্ধ করা এবং যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এখনও কোনও দিন নির্দিষ্ট করেনি কেন্দ্র। হাইব্রিড গাড়ির উপর জিএসটি কমিয়ে ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি ফ্লেক্স-ফুয়েল ইঞ্জিন চালিত গাড়িতে জিএসটি কমিয়ে ১২ শতাংশ করতে পারে কেন্দ্র সরকার। এই প্রস্তাব ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রকের কাছে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে এই সিদ্ধান্ত। 

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    জৈব জ্বালানিকে স্বাগত

    পরিবেশ দূষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে রেখে দেশের গাড়ি বাজারে আমূল পরিবর্তন করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানান, “এই পরিবর্তনের জন্য আমি আপনাদের কোনও তারিখ দিতে পারব না। এটা করা শক্ত তবে অসম্ভব নয়।” তিনি আশাবাদী যে হারে বর্তমানে ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারে আসতে শুরু করেছে তাতে আগামীদিনে বিকল্প জ্বালানি এবং জৈব জ্বালানির স্বপ্ন পূরণ হবে। তিনি আরও জানান, বাজাজ, টিভিএস, হিরো মটোকর্পের মতো সংস্থার ইতিমধ্যে ফ্লেক্স-ফুয়েল ইঞ্জিন চালিত মোটরসাইকেল এবং রিকশা বানানো শুরু করে দিয়েছে। ফলে আগামী ৫-৭ বছরের মধ্যে পেট্রল-ডিজেল চালিত গাড়িকে ছাপিয়ে শীঘ্রই যে ইলেকট্রিক গাড়ির দাপট শুরু হবে তা বলাই যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Satellite Based Toll Collection: এবার উপগ্রহের মাধ্যমে দেশে টোল সংগ্রহ হবে, জানালেন গড়করি

    Satellite Based Toll Collection: এবার উপগ্রহের মাধ্যমে দেশে টোল সংগ্রহ হবে, জানালেন গড়করি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে টোল (Satellite Based toll Collection) দেওয়ার দিন এবার শেষ হতে চলেছে! পরিবর্তে সরকার আপনার কাছে টোল নেবে স্যাটেলাইট মাধ্যমে। নয়া প্রযুক্তিতে তৈরি উপগ্রহই আপনার টোল ট্যাক্স কেটে নেবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে। শুক্রবারই একথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি। এমন ব্যবস্থা ভারতবর্ষে বাস্তবায়িত হলে তা বিপ্লবের থেকে কম কিছু হবে না, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    শুক্রবার নিজের ভাষণে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি বলেন, ‘‘আমরা টোল ব্যবস্থার সম্পূর্ণভাবে সমাপ্ত করছি এবং স্যাটেলাইট ভিত্তিক (Satellite Based toll Collection) টোল সংগ্রহের ব্যবস্থা গড়ে তুলছি। যেখানে আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি টাকা কেটে নেওয়া হবে। যতটা পরিমাণ রাস্তা আপনি অতিক্রম করবেন তার ভিত্তিতেই এই টোল কাটা হবে।’’ এই ব্যবস্থা গড়ে উঠলে সময় এবং অর্থ দুটোই যে বেঁচে যাবে তাও জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    ভারতমালা পরিযোজনা

    এর পাশাপাশি, এদিন ভারতমালা পরিযোজনা নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২৬,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি অর্থনৈতিক করিডর গড়ে তোলার চিন্তাভাবনা নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এর পাশাপাশি নিতিন গড়করি এদিন ব্যাখ্যা করেন, স্বর্ণিম চতুর্ভুজ প্রকল্পেরও। যা উত্তর-দক্ষিণ এবং পূর্ব-পশ্চিম ভারতকে জুড়ে ছিল। বাজপেয়ী জমানার এই প্রকল্প আজও চর্চিত বিষয়। দেশের সড়ক ব্যবস্থায় বিপ্লব প্রথমবারের জন্য ক্ষমতায় আসা বিজেপি সরকারই (Satellite Based toll Collection) এনেছিল বলে মনে করেন অনেকে। গড়করি আরও জানিয়েছেন, তাঁর লক্ষ্য হল যে ভারতবর্ষের জাতীয় সড়কগুলির মাধ্যমে এমন একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, যেটি আমেরিকা বা উন্নত দেশগুলিতে দেখা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nitin Gadkari: “ভারতে স্বয়ংক্রিয় গাড়ির অনুমতি দেব না”, ফের জানালেন গড়করি

    Nitin Gadkari: “ভারতে স্বয়ংক্রিয় গাড়ির অনুমতি দেব না”, ফের জানালেন গড়করি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে স্বয়ংক্রিয় গাড়ির অনুমতি দেব না।” ফের একবার জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও হাইওয়ে বিষয়ক মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। ‘দ্য আইআইএম’ নাগপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন নিতিন। সেখানে তিনি বলেন, “দেশে যদি স্বয়ংক্রিয় গাড়ি আসে তাহলে কাজ হারাবেন ৮০ লাখ চালক। সেই কারণেই এই জাতীয় গাড়িকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।”

    কী বললেন মন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আমি নিজেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বলেছিলাম, আমি কোনও মূল্যেই ভারতে চালকবিহীন গাড়ির অনুমতি দেব না। এর কারণ হল, আমাদের দেশে বিপুল সংখ্যক লোক চালক হিসেবে কাজ করেন…তাই চালকবিহীন গাড়ি তাঁদের চাকরি কেড়ে নেবে।” তিনি বলেন, “এই ধরনের যানবাহন কেবল ছোট জনসংখ্যার দেশগুলির জন্য উপযুক্ত। যাইহোক, যদি এগুলো এখানে আসে, তাহলে কাজ হারাবেন ৭০-৮০ লক্ষ মানুষ। এবং এতে অন্য ধরনের সমস্যা হবে।”

    প্রসঙ্গ টেসলা

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়, এর আগেও গড়করি (Nitin Gadkari) স্বয়ংক্রিয় গাড়ি নিয়ে এই মনোভাবই ব্যক্ত করেছিলেন। একবার ২০১৭ সালের জুলাই মাসে। আর দ্বিতীয়বার ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে। এদিনের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “আমরা টেসলাকে স্বাগত জানাই। কিন্তু টেসলা চিনে গাড়ি উৎপাদন করবে, আর ভারতে বিক্রি করবে, তা হবে না। আমরা তাদের বলেইছিলাম উৎপাদন এখানেই করতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলায় ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, কী বলল হাইকোর্ট?

    প্রসঙ্গত, ব্লুমবার্গের একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, মার্কিন গাড়ি তৈরির কোম্পানি টেসলা ২০২৪ সালে ভারতে গাড়ি তৈরির কারখানা তৈরি করতে পারে। মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও গুজরাটকে ওই কোম্পানি বেছে নিচ্ছে বলেও জানিয়েছে ওই রিপোর্ট। সূত্রের খবর, প্রাথমিকভাবে ভারতে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করতে পারে টেসলা। প্রথমে এখানে তারা শোরুম তৈরি করবে। সেখানেই বিনিয়োগ করা হবে। ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিয়ে ভারত থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশও কিনতে পারে টেলসা কোম্পানি। এই কোম্পানিই তৈরি করেছে চালকবিহীন গাড়ি। যেহেতু প্রায় ৮০ লাখ গাড়িচালক কর্মচ্যুত হতে পারেন, তাই চালকবিহনী গাড়িকে ভারতে প্রবেশের ছাত্রপত্র দেবেন না বলে এদিন আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Nitin Gadkari)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উদ্যোগে দুর্গাপুজোর আগেই খোলা হল বহরমপুর বাইপাস

    Murshidabad: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উদ্যোগে দুর্গাপুজোর আগেই খোলা হল বহরমপুর বাইপাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রী নীতিন গডকড়ির উদ্যোগে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে সারাদেশে। পুজোর আগেই এই রাজ্যের কলকাতার সঙ্গে শিলিগুড়ির অন্যতম প্রধান জাতীয় সড়ক ৩৪ নম্বর সম্প্রসারণের কাজ আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রীকে আবেদন করেছিলেন। আর তার ফলে মহালয়ার দিনে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরে শহরের যানজট কমাতে বাইপাস খুলে দেওয়া হল। রাস্তা সম্পূর্ণ না হলেও একটা অংশ খুলে উদ্বোধন করলেন এলাকার সাংসদ। পুজোর আগে বহরমপুরবাসীর কাছে এক আনন্দের খবর। এলাকাবাসী বলছেন, যানজটের কবল থেকে শহরের মানুষ অনেকটাই মুক্তি পাবে।

    খোলা হল বহরমপুর বাইপাস (Murshidabad)

    উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে সংযোগকারী ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর শহরের মধ্যপথ দিয়ে গিয়েছে। শহরে জনসংখ্যার ঘনত্ব বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়। তাই জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ এবং পুনঃনির্মানের মধ্যে দিয়ে বহরমপুর শহরের বাইরে দিয়ে একটি বাইপাস রাস্তা করা হয়। যদিও, এখনও জাতীয় সড়কের কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। কিন্তু এই উৎসবের মরশুমে শহরবাসী তথা সারা বাংলার সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং অধীর চৌধুরীর অনুরোধে জাতীয় সড়ক মন্ত্রকের পক্ষ থেকে পুজোর কিছুদিন সাময়িক ভাবে বাইপাস খোলা হল। রাস্তা চালু হওয়ায় উপকৃত হলেন অগণিত মানুষ।

    বাইপাসের অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সড়ক মন্ত্রক

    কেন্দ্রীয় সরকার ১৪ বছর আগে বহরমপুর বাইপাস রাস্তার কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু জমিজট এবং নানা জটিলতা মিটিয়ে শেষ হওয়ার পথে। বাইপাস সড়কটি সারগাছি থেকে বহরমপুরের দিকে এসে, বলরামপুর থেকে মানকরা হয়ে ভাগীরথীর উপর দিয়ে বাসুদেবখালি হয়ে খাগড়াঘাট স্টেশনের পশ্চিম দিক দিয়ে ফতেপুরের কাজ পর্যন্ত, প্রায় ১১ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়েছে। উল্লেখ্য ২০০৯ সালে বাইপাস রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা করে কেন্দ্রীয় সরকারের পূর্ত দপ্তর। এই দপ্তরের মন্ত্রী নীতিন গডকড়ী বহরমপুর বাইপাসের কাজ শুরু হওয়ার বরাত দেন।

    সাংসদের বক্তব্য

    সাংসদ (Murshidabad) অধীর চৌধুরী নিজেই, ওই রাস্তায় নিজের সমর্থকদের নিয়ে মোটরসাইকেল চালালেন এবং সেই সঙ্গে বাইকে হাত ছেড়ে সোজা হয়ে একপ্রকার চমক দেখালেন। আজ বলেন তিনি, “পুজোর আগে বহরমপুরকে যানজট মুক্ত করা আমার লক্ষ্য, সেজন্য আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিনজির কাছে গিয়েছিলাম এবং সরকারি আধিকারিক, ঠিকাদারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে, আজ মহালয়ার দিনে খুলে দেওয়া হল নতুন বাইপাস ও দ্বিতীয় সেতু।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share