Tag: Nuclear Power India

  • PM Modi Visit: চূড়ান্ত হওয়ার পথে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ইউরেনিয়াম সরবরাহ, বিরল খনিজ চুক্তি, মোদির সফরে মিলতে পারে বড় সুখবর

    PM Modi Visit: চূড়ান্ত হওয়ার পথে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ইউরেনিয়াম সরবরাহ, বিরল খনিজ চুক্তি, মোদির সফরে মিলতে পারে বড় সুখবর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (Uranium Supply Pact) গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকে পৌঁছতে পারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Visit) অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন সফরে। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হলে ভারতের অসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচির জন্য অস্ট্রেলিয়া থেকে ইউরেনিয়াম আমদানির দুয়ার খুলে যাবে। এর ফলে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান পরিচ্ছন্ন জ্বালানির চাহিদা পূরণে বড় রকমের সুরাহা হবে। ভারত ও অস্ট্রেলিয়া গত কয়েক বছর ধরে বাণিজ্যিক ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে আসছে। ২০১৪ সালে দুই দেশের মধ্যে অসামরিক পরমাণু সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও আন্তর্জাতিক পরমাণু অস্ত্র বিস্তাররোধ সংক্রান্ত সুরক্ষা ব্যবস্থার কিছু প্রযুক্তিগত বিষয়ের কারণে বাণিজ্যিকভাবে ইউরেনিয়াম রফতানি শুরু করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সেই জটিলতা এখন অনেকটাই কেটে গিয়েছে।

    কেন গুরুত্বপূর্ণ এই চুক্তি (PM Modi Visit)

    ভারত আগামী কয়েক দশকে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এবং কার্বন নিঃসরণ কমাতে দ্রুত পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। অস্ট্রেলিয়া থেকে আমদানি করা ইউরেনিয়াম শুধুমাত্র ভারতের অসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বিধি মেনে ব্যবহার করা হবে। এর ফলে একদিকে যেমন পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে, তেমনি অন্যদিকে, নির্ভরতা কমবে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর।মেলবোর্ন সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের বৈঠক হওয়ার কথা। বৈঠকে ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তির পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, প্রযুক্তি এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ইউরেনিয়াম (PM Modi Visit) সরবরাহ চুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব বিশ্বেশ নেগি বলেন, “সাম্প্রতিক আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় এই আলোচনার যৌক্তিক পরিণতি হবে (Uranium Supply Pact) বলেই আমরা আশাবাদী।”

    ভারতের লাভ

    এই চুক্তি কার্যকর হলে ভারতের দ্রুত সম্প্রসারিত পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির জন্য নির্ভরযোগ্য ইউরেনিয়াম সরবরাহ নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদন এবং শিল্প, এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) এবং তথ্যকেন্দ্র খাতের বাড়তে থাকা বিদ্যুতের চাহিদা পূরণেও সহায়ক হবে। গত কয়েক বছরে বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজের ক্ষেত্রে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে গভীর হয়েছে। ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি দুই দেশের বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    বিরল খনিজ নিয়েও হতে পারে বড় চুক্তি

    প্রধানমন্ত্রীর তিন দিনের সফরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বিরল খনিজ সরবরাহ নিয়েও একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে রেয়ার আর্থ খনিজের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এই খনিজগুলি সামরিক সরঞ্জাম, বৈদ্যুতিক গাড়ি, বায়ুচালিত বিদ্যুৎ উৎপাদন যন্ত্র, স্মার্টফোন এবং উচ্চ প্রযুক্তির চুম্বক তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে বিশ্বের রেয়ার আর্থ খনিজ উত্তোলনের প্রায় ৬০ শতাংশ এবং প্রক্রিয়াকরণের প্রায় ৯০ শতাংশই চিনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রফতানিতে চিনের বিধিনিষেধের ফলে বিকল্প সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে বহু (PM Modi Visit) দেশ। ভারত ইতিমধ্যেই প্রায় ৮০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে উচ্চ প্রযুক্তির চুম্বক উৎপাদন শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে। লক্ষ্য, বছরে প্রায় ৬ হাজার টন উৎপাদন ক্ষমতা তৈরি করা (Uranium Supply Pact)। অস্ট্রেলিয়ার রেয়ার আর্থ খনিজ সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ ট্র্যাভিস বেইঙ্কে বলেন, “আমাদের প্রকল্প থেকে কাঁচামাল সরবরাহের বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আগ্রহ দেখাচ্ছে। ভারতের পক্ষ থেকেও এমন আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।” অন্যদিকে আরাফুরা রেয়ার আর্থ সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ ড্যারিল কাজুব্বো বলেন, “ভারত তাদের উৎপাদন শিল্পের জন্য কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সক্রিয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। ভারত সরকারের উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই এবং ভবিষ্যতে আরও বড় ভূমিকা নিতে প্রস্তুত।”

    ২০৪৭ সালের বড় লক্ষ্য

    ভারত বর্তমানে প্রায় ৮ গিগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। ২০৪৭ সালের মধ্যে এই উৎপাদন ১০০ গিগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। এআই এবং তথ্যকেন্দ্র শিল্পের দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে আগামিদিনে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এদিকে, বিশ্বের মোট পরিচিত ইউরেনিয়াম মজুতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অস্ট্রেলিয়ায় থাকলেও, বিভিন্ন রাজ্যে খনন নিষেধাজ্ঞার জেরে দেশটির উৎপাদন সম্ভাবনার তুলনায় কম। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম ইউরেনিয়াম উৎপাদক হল বিএইচপি, যারা দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার অলিম্পিক ড্যাম খনিতে তামার পাশাপাশি ইউরেনিয়ামও উৎপাদন করে (PM Modi Visit)। অস্ট্রেলিয়ার খনিজ পরিষদের সভাপতি টানিয়া কনস্টেবল বলেন, “এই চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি বড় অগ্রগতি। ভারতের উচ্চাভিলাষী পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচিতে আমাদের ইউরেনিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে। এটি প্রমাণ করে যে অস্ট্রেলিয়ার খনিজ সম্পদ ভারতের কাছে (Uranium Supply Pact) কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” অস্ট্রেলিয়ার খনিজ পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে দেশটি ইউরেনিয়াম রফতানি করে রোজগার করেছে প্রায় ১২০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলার (PM Modi Visit)।

     

  • Fast Breeder Reactor: ব্যর্থ হয় আমেরিকা, ডাহা ফেল ফ্রান্স-জাপানও! পরমাণু প্রযুক্তিতে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন ভারতের

    Fast Breeder Reactor: ব্যর্থ হয় আমেরিকা, ডাহা ফেল ফ্রান্স-জাপানও! পরমাণু প্রযুক্তিতে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে পরমাণু শক্তি প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বড়সড় সাফল্য অর্জন করল ভারত। তামিলনাড়ুর কালপাক্কমে (KNPP) ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রোটোটাইপ ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (PFBR) প্রথম বারের মতো ‘ক্রিটিক্যালিটি’ অর্জন করেছে। যার অর্থ রিঅ্যাক্টরে স্বনির্ভর পারমাণবিক চেন বিক্রিয়া সফলভাবে শুরু হয়েছে।

    এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ…

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত সাফল্য নয়, বরং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বনির্ভরতার পথে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। এই অর্জনের ফলে ভারত এমন একটি সক্ষমতা অর্জন করল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং জাপানের মতো উন্নত দেশগুলো দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে পারেনি। বর্তমানে বাণিজ্যিক স্তরে শুধুমাত্র রাশিয়াই এই প্রযুক্তি সফলভাবে ব্যবহার করছে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB) জানিয়েছে, “সম্পূর্ণরূপে চালু হলে ভারত রাশিয়ার পর বিশ্বের দ্বিতীয় দেশ হবে, যারা বাণিজ্যিকভাবে ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর পরিচালনা করবে।”

    কী এই ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর?

    সাধারণ পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর যেখানে ইউরেনিয়াম জ্বালানি ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করে, সেখানে ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর (Fast Breeder Reactor) ব্যবহার করা জ্বালানির থেকেও বেশি পরিমাণে নতুন জ্বালানি উৎপাদন করতে সক্ষম। এই ‘ফিসাইল’ জ্বালানি ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ উৎপাদনে কাজে লাগে। এই রিঅ্যাক্টরে মিশ্র অক্সাইড (MOX) জ্বালানি ব্যবহার করা হয় এবং তরল সোডিয়াম কুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে। এখন এটি নিম্ন-ক্ষমতার বিভিন্ন পরীক্ষা পর্যায় অতিক্রম করবে, এরপর পূর্ণ বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে।

    ভারতের জন্য কেন তা তাৎপর্যপূর্ণ?

    ভারতের জন্য এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশে ইউরেনিয়ামের মজুত সীমিত হলেও থোরিয়ামের ভাণ্ডার বিপুল। ওড়িশা, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুর উপকূলে এই থোরিয়াম মজুত রয়েছে। কালপাক্কমের এই রিঅ্যাক্টরটি সীমিত ইউরেনিয়াম ও বিপুল থোরিয়ামের বাস্তবতাকে একত্রে কাজে লাগায়। প্রথম পর্যায়ে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে শুরু হলেও, পরবর্তী পর্যায়ে থোরিয়াম-ভিত্তিক জ্বালানিতে এটি চালানো সম্ভব হবে। এর ফলে ইউরেনিয়াম আমদানির ওপর ভারতের নির্ভরতা কমবে। এই রিঅ্যাক্টর শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই করবে না, বরং যতটা জ্বালানি ব্যবহার করবে তার থেকেও বেশি জ্বালানি তৈরি করতে পারবে। ফলে ভবিষ্যতে থোরিয়াম ব্যবহার করে শতাব্দীর পর শতাব্দী বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথ খুলে যাবে। এটি যেমন বৈজ্ঞানিক সাফল্য, তেমনই একটি কৌশলগত জয়।

    তিন-পর্যায়ের পরমাণু কর্মসূচিতে বড় অগ্রগতি

    এই সাফল্যের মাধ্যমে ভারত তার তিন-পর্যায়ের পরমাণু কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করল। এই কর্মসূচির ধারণা প্রথম দেন ভারতের পরমাণু কর্মসূচির জনক ডক্টর হোমি জেহাঙ্গির ভাবা।

    • ● প্রথম পর্যায়: প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও প্লুটোনিয়াম তৈরি
    • ● দ্বিতীয় পর্যায়: ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরে সেই প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করে আরও জ্বালানি উৎপাদন
    • ● তৃতীয় পর্যায়: থোরিয়াম ব্যবহার করে ইউরেনিয়াম-২৩৩ তৈরি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন

    কেন ব্যর্থ হয় আমেরিকা ও ফ্রান্স?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৬০-এর দশকে ‘ফার্মি-১’ রিঅ্যাক্টর তৈরি করলেও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও দুর্ঘটনার কারণে প্রকল্পটি ব্যর্থ হয়। পরে ‘ক্লিঞ্চ রিভার’ প্রকল্পও ব্যয়বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা সমস্যার জন্য বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ‘সুপারফেনিক্স’ রিঅ্যাক্টরও সোডিয়াম লিক, আগুন ও রাজনৈতিক বিরোধিতার কারণে দীর্ঘদিন টেকেনি এবং ১৯৯৮ সালে বন্ধ হয়ে যায়। জাপানের ‘মনজু’ রিঅ্যাক্টরও একাধিক দুর্ঘটনার জেরে শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা

    বর্তমানে ভারত প্রায় ৮ গিগাওয়াট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। সরকারের লক্ষ্য ২০৪৭ সালের মধ্যে তা বাড়িয়ে ১০০ গিগাওয়াটে পৌঁছানো। ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর এই লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, কারণ এটি আমদানিকৃত ইউরেনিয়াম ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাবে। এটি স্থিতিশীল ও পরিষ্কার বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা থেকেও ভারতকে সুরক্ষা দেবে। কালপাক্কমের এই রিঅ্যাক্টর প্রায় ৩০ লক্ষ পরিবারের জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালপাক্কমের ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টর ভারতের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি স্বনির্ভরতা এবং কৌশলগত স্বাধীনতার ভিত্তি মজবুত করবে। দশকের পর দশক গবেষণা, বিনিয়োগ এবং ধৈর্যের ফল এই সাফল্য এসেছে। এই ঐতিহাসিক সাফল্য নিঃসন্দেহে ভারতের জন্য গর্বের মুহূর্ত।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সাফল্যকে ভারতের অসামরিক পরমাণু কর্মসূচির “একটি নির্ধারক পদক্ষেপ” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার প্রতিফলন এবং থোরিয়াম ব্যবহারের পথে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA) ভারত, প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং ভারতীয় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের এই সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে। তারা বলেছে, “এই রিঅ্যাক্টর কম জ্বালানি ব্যবহার করে এবং একটি ক্লোজড ফুয়েল সাইকেলের পথে দিশা দেখাবে।”

LinkedIn
Share