Tag: Nuclear talks

  • Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    Middle East Tensions: যুদ্ধ আসন্ন? যে কোনও পরিবহণে ইরান ছাড়ুন, ভারতীয় নাগরিকদের নির্দেশ ভারতীয় দূতাবাসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে থাকা ভারতীয় (India) নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বলেছে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস (Middle East Tensions)। ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলা হতে পারে — এমন উদ্বেগ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্রতর হচ্ছে। এই নতুন পরামর্শ এমন একটা পরিস্থিতিতে এসে পড়েছে যখন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

    ভারতীয় দূতাবাসের নির্দেশ (Middle East Tensions)

    পরামর্শে বলা হচ্ছে, “ভারত সরকারের ৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর দেওয়া পরামর্শের ধারাবাহিকতায় এবং ইরানের পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিবেচনায়, যারা বর্তমানে ইরানে আছেন — শিক্ষার্থী (student), তীর্থযাত্রী (pilgrim), ব্যবসায়ী (businessperson) এবং পর্যটক (tourist) — তাঁদের যে কোনও পরিবহণ (means of transport) ব্যবহার করে ইরান ছাড়তে বলা হয়েছে, যার মধ্যে কমার্সিয়াল ফ্লাইটও রয়েছে।” দূতাবাস আগের জানুয়ারি নির্দেশনাটিকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে এবং সব ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। তাঁরা যেন বিক্ষোভে অংশ না নেন কিংবা যেখানে বিক্ষোভ হচ্ছে সেই অঞ্চলের কাছাকাছি না যাওয়ার, দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম থেকে আপডেট মনিটর করার অনুরোধও করা হয়েছে।

    মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে

    ভারতীয় নাগরিকদের এও বলা হয়েছে, তাঁরা যেন সব সময় তাঁদের ভ্রমণ ও ইমিগ্রেশন নথি, যেমন পাসপোর্ট এবং পরিচয়পত্র হাতের নাগালে রাখে, এবং প্রয়োজনে সহায়তার জন্য দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Middle East Tensions)। এটা এমন এক সময়ে এসেছে যখন ইরান–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ক্রমশ বাড়ছে। পারমাণবিক আলোচনা চলতে থাকলেও, পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত নয়। আলোচনা পরবর্তী রাউন্ড জেনেভায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এসব পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তেহরান এবং অন্যান্য শহরে ঠাঁই নিয়েছে, কখনও কখনও সরকারপন্থী সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কিও হয়েছে। জানুয়ারির শুরুর দিকে আগের বিক্ষোভগুলি শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Ayatollah Ali Khamenei) প্রশাসনের অধীনে কঠোরভাবে দমন করা হয়েছিল, যেটিতে (India) অনেক প্রতিবাদকারী নিহত ও আটক হন (Middle East Tensions)।

     

  • US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    US Military Strike Threat: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে, সংঘর্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়াল ইরানে (Iran)। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা পাল্টা গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছে এবং দেশটির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছে (US Military Strike Threat)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং স্থগিত পারমাণবিক আলোচনা ঘিরে এই অস্থিরতা নতুন করে সামনে এসেছে। অর্থনৈতিক সংকট ও অতীতের বিক্ষোভ দমন অভিযানের ক্ষোভই এই আন্দোলনের মূল কারণ।

    সরকারবিরোধী স্লোগান (US Military Strike Threat)

    শনিবার ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান শোনা যায়। পরে শিক্ষার্থীরা পাল্টা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার হুমকির প্রেক্ষাপটে দেশটির ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এটি ছিল সাম্প্রতিক ক্ষোভের প্রকাশ। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, তেহরানের শীর্ষ টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিড়ের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং মানুষ “বি শরাফ” (ফারসি ভাষায় যার অর্থ ‘লজ্জাজনক’) বলে চিৎকার করে। পার্সিয়ান ভাষার টিভি চ্যানেল ‘ইরান ইন্টারন্যাশনালে’ প্রকাশিত ফুটেজে দেখা যায়, শরিফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে বড় একটি জনতা সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে। পরে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়, ওই প্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষে কয়েকজন জখম হয়েছে বলে খবর।

    “খামেনেইর মৃত্যু হোক”

    বিক্ষোভকারীদের “খামেনেইর মৃত্যু হোক” এবং “কাজ শেষ করো” ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়। তারা প্রাক্তন শাহের প্রশংসা করে রাজতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিও জানায়। ফার্স প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একদল মানুষ ইরানের পতাকা নাড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছে এবং মুখোশ পরা আর একটি দলের মুখোমুখি অবস্থান করছে। স্যুট পরিহিত ব্যক্তিরা বিক্ষোভকারীদের আটকে রাখার চেষ্টা করছে (US Military Strike Threat)। ১৮ ফেব্রুয়ারিতেও এএফপি যাচাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, ইরানিরা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। তারা সারা দেশে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনের সময় নিহতদের স্মরণে জড়ো হয়েছিল।

    উত্তেজনা চরমে

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বর্তমানে চরমে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর সীমিত হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান- ওমানের মধ্যস্থতায় সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করলেও, ওয়াশিংটনের দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ত্যাগ করতে হবে, এ বিষয়ে এখনও কোনও সমঝোতা হয়নি (Iran)। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

    ইরানে বিক্ষোভ

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যখন অর্থনীতি ভেঙে পড়ার প্রতিবাদে দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামে। পরে আন্দোলন বিস্তৃত হয়ে ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার অবসান দাবি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। খামেনেই নেতৃত্বাধীন সরকার কঠোর দমনপীড়নের মাধ্যমে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করে (US Military Strike Threat)। ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ ৩,০০০-এরও বেশি মৃত্যুর কথা স্বীকার করলেও দাবি করেছে, এই হিংসা “জঙ্গি কার্যকলাপ” এবং ইরানের শত্রুদের প্ররোচনায় ঘটেছে (Iran)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৭,০০০-এরও বেশি। ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের অর্থনৈতিক দাবির বৈধতা স্বীকার করলেও “চিরশত্রু” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দাঙ্গা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে (US Military Strike Threat)।

    ট্রাম্পের নির্দেশ

    ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম এশিয়ায় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড পাঠিয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে গভর্নরদের সঙ্গে নৈশভোজে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের সামরিক বাহিনী আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তেহরান যদি চুক্তিতে না পৌঁছায়, তাহলে “খারাপ কিছু” ঘটবে। চুক্তির জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা দিয়েছেন। গত বছর ব্যর্থ পারমাণবিক কূটনীতি ও ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছিল (Iran)।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরান জানিয়েছে, তারা শিগগিরই একটি খসড়া প্রস্তাব জমা দেবে। তবে ‘অ্যাক্সিওস’ এক প্রবীণ মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন এমন একটি চুক্তি বিবেচনা করতে প্রস্তুত, যেখানে “সীমিত, প্রতীকী ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ” অনুমোদিত হতে পারে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র শূন্য মাত্রার সমৃদ্ধকরণের দাবি করেনি।” খামেনেই সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে হামলা চালালে তা আঞ্চলিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে (US Military Strike Threat)। তাহলে কি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প ইরানে হামলা করবেন? তা হয়তো কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হবে (Iran)।

     

LinkedIn
Share