Tag: oath taking ceremony

  • Suvendu Adhikari: রাত পোহালেই সম্প্রসারণ নয়া মন্ত্রিসভার, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: রাত পোহালেই সম্প্রসারণ নয়া মন্ত্রিসভার, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ সম্প্রসারণ হচ্ছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি মন্ত্রিসভার।  সোমবার শপথ নেবেন ৩৫ জন মন্ত্রী (35 Ministers)। রবিবারই এ কথা জানান রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট (Suvendu Adhikari)

    এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যপাল আরএন রবি (R. N. Ravi) আগামিকাল (সোমবার) সকাল ১১টায় নবান্নে নতুন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তিনি বলেন, “আগামিকাল পশ্চিমবঙ্গের জনগণের রায়ে নির্বাচিত জাতীয়তাবাদী সরকারের একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠিত হবে। মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ৩৫ জন মন্ত্রী আগামিকাল সকাল ১১টায় নবান্নে শপথ নেবেন। মাননীয় রাজ্যপাল শ্রী আরএন রবি তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন।” জানা গিয়েছে, বিজেপির কয়েকজন প্রবীণ নেতা রাজ্য প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পেতে চলেছেন। ১৮ মে পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এবং নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা তদন্ত ও মোকাবিলা করার জন্য দু’টি কমিশন গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। একথাও জানান রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। দু’টি কমিশনেরই প্রধান হবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। কমিশনগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে ১ জুন থেকে।

    প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি কমিশন

    মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রিসভা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে (Suvendu Adhikari) একটি কমিশন গঠনের অনুমোদন দিয়েছে, যার প্রধান হবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিত বসু। নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে তদন্তের জন্য একটি কমিশন গঠনের অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে, যার প্রধান হবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চ্যাটার্জি।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (35 Ministers)। তিনি বলেন, “উভয় কমিশনই ১ জুন থেকে কাজ শুরু করবে (Suvendu Adhikari)।”

     

  • Himanta Biswa Sarma: অসমে ‘চাঁদের হাট’, টানা দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: অসমে ‘চাঁদের হাট’, টানা দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা দ্বিতীয়বারের জন্য অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। আজ, মঙ্গলবার গুয়াহাটির খানাপাড়ায় আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন-সহ বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর একাধিক শীর্ষ নেতা। হিমন্ত ছাড়াও এদিন শপথ নেন নয়া মন্ত্রিসভার আরও পাঁচ সদস্য। এঁরা হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামেশ্বর তেলি, অসম গণ পরিষদের সভাপতি অতুল বরা, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি লিবারেল নেতা চরণ বোরো এবং বিজেপির প্রবীণ নেত্রী অজন্তা নেওগ।

    ঐতিহ্যবাহী অসমিয়া পোশাকে শপথ হিমন্তর (Himanta Biswa Sarma)

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনডিএ-শাসিত ২২টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, বিজেপির জাতীয় নেতৃত্ব, শিল্পপতি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। অসমের বৈষ্ণব মঠের ১৫ জন সত্রাধিকারও উপস্থিত ছিলেন হিমন্তের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। ঐতিহ্যবাহী অসমিয়া পোশাকে শপথ নেন হিমন্ত। আগেই বিজেপি বিধায়করা দল ও এনডিএ-র শরিক দলের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে নেতা নির্বাচিত করেন হিমন্তকে। পরে তিনি যান লোকভবনে (পূর্বতন রাজ্যপাল ভবন), সরকার গঠনের দাবি জানাতে। এদিন নেন শপথ (Himanta Biswa Sarma)।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

    এদিকে, হিমন্তের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গুয়াহাটিতে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। গুয়াহাটি পৌঁছে অসমবাসীকে (Assam) শুভেচ্ছা জানান তিনি। হিমন্তকে ‘বড় দাদা’ সম্বোধন করে শুভেন্দু বলেন, “হিমন্তজি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করেন। তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।” অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, অসম এবং ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার আসার পরে যেভাবে অনুপ্রবেশকারীদের রুখে দেওয়া হয়েছে, বাংলাও ঠিক সেই পথেই হাঁটবে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পেছনে অসমের বিজেপি নেতাদের বড় অবদান রয়েছে বলে মনে করেন শুভেন্দু। তাঁর আশা, উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নে ওড়িশা, বিহার, অসম এবং সিকিম – সব রাজ্য একসঙ্গে কাজ করবে।

    অসম বিধানসভার আসন সংখ্যা ১২৬। এর মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেয়েছে ১০২টি আসন। এর (Assam) মধ্যে আবার বিজেপি একাই পেয়েছে ৮২টি আসন। জোট শরিক অগপ এবং বিপিএফ ১০টি করে আসন পেয়েছে। কংগ্রেসের জোট জিতেছে ১৯টি কেন্দ্রে। আর তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে একটি মাত্র একটি কেন্দ্র (Himanta Biswa Sarma)।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘যারা সমালোচনা করছে করুক, আমরা শুধু এগিয়ে যাব’, শপথের পর জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘যারা সমালোচনা করছে করুক, আমরা শুধু এগিয়ে যাব’, শপথের পর জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঁচিশে বৈশাখ, শনিবার কবিগুরুর জন্মদিনকেই বাংলায় পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে বেছে নিয়েছিল বিজেপি। এদিন ব্রিগেডে শপথগ্রহণের (West Bengal CM 2026 Oath Ceremony) পর সরাসরি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে গিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কবিগুরুকে প্রণাম করে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ শুরু করলেন তিনি। এদিন শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভার সব কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী এদিন জোড়াসাঁকো, কালীঘাট মন্দির, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাবেন। বুধবার বিধানসভায় আসবেন। ওই দিন বিধায়করা শপথ গ্রহণ করবেন।

    বাংলাকে নবনির্মাণের ডাক

    ঠাকুরবাড়িতে দাঁড়িয়ে এদিন শুভেন্দু জানান, বাংলার অনেক ক্ষতি হয়েছ গিয়েছে। শিক্ষা হারিয়ে গিয়েছে, সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। জোড়াসাঁকোতে দাঁড়িয়ে বাংলাকে নবনির্মাণ করার ডাক দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “এখন অনেক দায়িত্ব রয়েছে। এখন একে অপরের সমালোচনার সময় নয়। যারা সমালোচনা করতে চাইছে করুক। আমরা এখন শুধু এগিয়ে যাব। চরৈবতি, চরৈবতি।” তাঁর কথায়, “ধুতি-পাঞ্জাবিতে থাকা ডঃ শ্যামপ্রসাদ মুখার্জির আদর্শের ভিত্তিতে যে দল তৈরি হয়েছে তার কোনও সার্টিফিকেট লাগে না। কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করব না। আমি মুখ্যমন্ত্রী, আমি এখন সকলের। যারা সমালোচনা করছেন তাঁদের চৈতন্য হোক।”

    বাঙালির চেতনা কবিগুরুর ভাবনায় হবে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইচ্ছাতেই রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেডে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর কথা মেনে শপথ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম সরকারি কর্মসূচিতে যোগদান করেন তিনি। কবিগুরুকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে তাঁর বার্তা, বাংলা ও বাঙালির চেতনা কবিগুরুর চেতনা ও ভাবনায় হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবিন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গেও দেখা করতে পা যান। তখন পিছন থেকে বিজেপি কর্মীরা ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান তোলেন। তখন একটু বিরক্তি নিয়েই পিছনে তাকান শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন – ‘কবিগুরু লহ প্রণাম’ স্লোগান তুলতে। সঙ্গে সঙ্গে স্লোগান বদলে হয়ে যায় – ‘কবিগুরু লহ প্রণাম’।

    প্রকৃত উন্নয়নের পথে পশ্চিমবঙ্গ

    উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের ভোটের লড়াইতে প্রথম থেকেই বিজেপিকে ‘বহিরাগত’ দল হিসেবে দাগিয়ে দিতে চেয়েছে তৃণমূল। বাঙালি বনাম অবাঙালি বিভাজনের সমীকরণে পশ্চিমবঙ্গের গদি নিজেদের দখলে রাখতে চেয়েছিল তৃণমূল। তবে সে সব সত্ত্বেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি বাংলায় সরকার গঠন করল। আজ পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর তাঁর শপথ উপলক্ষে যে মঞ্চ তৈরি করা হয়, সেই মঞ্চে দুর্গাপুজো থেকে শুরু করে বাঙালি সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের ছাপ ছিল মঞ্চে। অনুষ্ঠান স্থলে ছৌ নাচ ও বাউল গানের আয়োজন করা হয়েছিল। অন্যান্য বছরেও ২৫শে বৈশাখ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই প্রথম ঠাকুরবাড়িতে ঢুকলেন তিনি। রবীন্দ্র জয়ন্তীতে কবিগুরুকে প্রণাম জানিয়ে তিনি বলেন , ‘‘চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির…।’’ রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এ বার প্রকৃত উন্নয়নের পথে চলবে পশ্চিমবঙ্গ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে বিএনপির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দুই সংখ্যালঘুর, জানেন তাঁরা কারা?

    Bangladesh: বাংলাদেশে বিএনপির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দুই সংখ্যালঘুর, জানেন তাঁরা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) বিএনপির মন্ত্রিসভায় (BNP Led Cabinet) ঠাঁই হল দুই সংখ্যালঘুরও। বিএনপির নবনির্বাচিত সাংসদরা ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শপথ গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে বিএনপি নেতা তথা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠনের পথ সুগম হয়েছে। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে যাঁরা শপথ নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন হিন্দু নেতা নিতাই রায়চৌধুরী এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী দীপেন দেওয়ান। নতুন মন্ত্রিসভা ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের সাউথ প্লাজায় শপথ নেন।

    নয়া মন্ত্রিসভা (Bangladesh)

    সংবাদ মধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৫ জন নেতা পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। মুসলিম-প্রধান দেশে হিন্দু ও বৌদ্ধ পরিচয়ের কারণে চৌধুরী ও দেওয়ানকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর সংখ্যালঘুরা, বিশেষ করে হিন্দুরা, বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এরপর থেকে বাংলাদেশে হাজার হাজার হিন্দুর বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। সাধারণ নির্বাচনের আগে বেশ কয়েকজন হিন্দুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল, এবং সেই সব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয় ফলাও করে। যদিও বিএনপি মন্ত্রিসভায় একজন হিন্দু ও একজন বৌদ্ধ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, তবুও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের, বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন কমাতে এর প্রভাব পড়বে কি না—তা সময়ই বলবে (BNP Led Cabinet)।

    পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকা

    এবার দেখে নেওয়া যাক পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকাটি (Bangladesh)। মন্ত্রিসভায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরি, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন, খালিলুর রহমান, আবদুল আওয়াল মিন্টু, কাজি শাহ মোফাজ্জল হোসেন কাইকোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরি, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, আফরোজা খানম রিতা, শহিদউদ্দিন চৌধুরি অ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মহম্মদ আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, এএনএম এহসানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এবং শেখ রাবিউল আলম।

    প্রতিমন্ত্রীর তালিকায় ঠাঁই হয়েছে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মহম্মদ শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক, মির মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মহম্মদ রাজীব আহসান, মহম্মদ আবদুল বারি, মির শাহে আলম, জুনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরি, একে ইকবাল (BNP Led Cabinet) হোসেন, এমএ মুহিত, আহমেদ সোহেল মনজুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলি নেওয়াজ মাহমুদ খাইয়াম (Bangladesh)।

  • Tarique Rahman: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তারেক রহমান, সঙ্গী আরও ৪৯ মন্ত্রী

    Tarique Rahman: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তারেক রহমান, সঙ্গী আরও ৪৯ মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান (Tarique Rahman)। বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর মঙ্গলবার শপথ নেন তিনি। দেশের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপির ঐতিহাসিক জয়ের পাঁচ দিন পর হল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। এদিন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিনি এদিন সকালেই ঢাকায় পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি এবং অন্য আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, প্রথমবারের মতো বঙ্গভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের সাউথ প্লাজায় হয়েছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।

    বিএনপির জয়জয়কার (Tarique Rahman)

    ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশ সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়ী হয়। এক সময়ের মিত্র এবং বর্তমানে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডানপন্থী জামায়াতে ইসলামি (জামাত নামে পরিচিত) পেয়েছে ৬৮টি আসন। অপসারিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগকে নির্বাচনে অংশই নিতে দেওয়া হয়নি। তাঁর দলের ওপর জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা।

    শপথ নিলেন প্রধানমন্ত্রী-সহ ৫০ জন

    এদিন তারেক ছাড়াও শপথ নিয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। বাংলাদেশের প্রথম সারির দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, বিএনপির মন্ত্রিসভায় মোট ৫০ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ২৫ জন মন্ত্রী, ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী এবং ৩ জন টেকনোক্র্যাট। ২৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১৭ জনই নতুন (Bangladesh) মুখ, এবং সব প্রতিমন্ত্রীই প্রথমবারের মতো এই দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী রহমান নিজেও প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার সদস্য হলেন (Tarique Rahman)।

    প্রসঙ্গত, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সরকারে ছিল খালেদা জিয়ার বিএনপি। সম্প্রতি প্রয়াত হন তিনি। ২০০৬ এর পর থেকে বাংলাদেশের রশি ছিল দেশান্তরিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগের হাতে। ২০ বছর পরে ত্রয়োদশ জাতীয় (Bangladesh) সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়ে সরকার গড়ল বিএনপি (Tarique Rahman)।

  • Sushila Karki: নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিচ্ছেন সুশীলা কার্কি!

    Sushila Karki: নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিচ্ছেন সুশীলা কার্কি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের (Nepal) অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন সে দেশের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি (Sushila Karki)। সেনাবাহিনীর সঙ্গে জেন জেড-এর প্রতিনিধিদের একাধিক বৈঠক শেষে শিলমোহর পড়ে সুসীলার নামে। তার পরেই ঠিক হয় আজ, শুক্রবার রাতেই শপথ নেবেন তিনি। প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেলের কাছে নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কথা সুশীলার।

    ভেঙে দেওয়া হল সংসদ (Sushila Karki)

    এদিন জেন জেড ঘোষণা করেছে, তারা সুশীলার নেতৃত্ব মেনে নিতে রাজি। তবে কয়েকটি শর্তও আরোপ করা হয়েছে। তার মধ্যে একটি হল সংসদ ভেঙে দেওয়া। সেই মতো এদিন সন্ধ্যায়ই ভেঙে দেওয়া হয় সংসদ। জেন জেড গ্রুপের তরফে সাংবাদিক বৈঠকে বলা হয়, “উই নেপালি গ্রুপ নিশ্চিত করছি যে আমরা বৃহত্তর সহমতে আসতে পেরেছি।” গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সুদান গুরুং জানান, সংসদ ভেঙে দেওয়া তাঁদের প্রধান দাবিগুলির মধ্যে একটি। তার পরেই পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য এগনো যেতে পারে। সুশীলা প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিলে নেপালে রচিত হবে ইতিহাস। প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী পাবে বুদ্ধের দেশ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে সুশীলা ছাড়াও ঘোরাফেরা করছিল আরও চারজনের নাম। এঁরা হলেন কাঠমাণ্ডুর মেয়র বলেন্দ্র শাহ, ধারানের মেয়র হরকা সামপাং, প্রাক্তন সাংবাদিক রবি লামিছানে এবং নেপালের বিদ্যুৎ দফতরের অধিকর্তা কুলমান ঘিসিং।

    প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিচ্ছেন সুশীলা কার্কি

    প্রসঙ্গত, যে জেন জেডের আন্দোলনের জেরে পালাবদল হল নেপালে, সেই আন্দোলনকারীদের মধ্যেই অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে কাকে বেছে নেওয়া হবে, তা নিয়েই চলছিল দ্বন্দ্ব। সেই দ্বন্দ্বের অবসান ঘটাতে দফায় দফায় হয়েছে আলোচনা (Sushila Karki)। রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন জেন জেডের এক প্রতিনিধি দলও। শেষমেশ সুশীলার নামেই পড়ে শিলমোহর। তার পরেই রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেন। শুরু হয়ে যায় নয়া প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের প্রস্তুতিও। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সংসদের স্পিকার এবং জাতীয় পরিষদের চেয়ারপার্সনকেও। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে সব নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধানদেরও।

    জেন জেডের আন্দোলনের জেরে পতন হয় কেপি শর্মা অলি সরকারের। দেশ ছেড়ে পালান তিনি। তার পরেই শুরু হয় নয়া অন্তর্বর্তী সরকারের (Nepal) প্রধানমন্ত্রীর খোঁজ। সেখানেই ‘জয়ী’ হন ‘ভারত-প্রেমী’ সুশীলা (Sushila Karki)।

  • Rekha Gupta: দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির রেখা গুপ্ত, উপমুখ্যমন্ত্রী পারবেশ

    Rekha Gupta: দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির রেখা গুপ্ত, উপমুখ্যমন্ত্রী পারবেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির রেখা গুপ্ত (Rekha Gupta)। উপমুখ্যমন্ত্রী পারবেশ বর্মা। বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপির বৈঠকে বেছে নেওয়া হয় রেখা এবং পারবেশকে (Delhi CM)। প্রায় ২৭ বছর পরে দিল্লির কুর্সিতে ফিরছে বিজেপি। আপ দুর্গে ধস নামিয়ে দিল্লির ক্ষমতায় এসেছে পদ্ম শিবির। তার পরেই জল্পনা শুরু হয় দিল্লির কুর্সিতে কে বসবেন বিজেপির। এদিন বৈঠক শেষে বিজেপির তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় রেখার নাম।

    জয়ী পদ্ম পার্টি (Rekha Gupta)

    ৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয় দিল্লি বিধানসভার। ৭০ আসনের বিধানসভায় ৪৮টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে পদ্ম পার্টি। রাজ্যের শাসক দল আপ পেয়েছে মাত্র ২২টি আসন। খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে কংগ্রেসকে। গোহারা হেরে গিয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। বৃহস্পতিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে হবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে রামলীলা ময়দান সাজানোর কাজ (Rekha Gupta)। এখানেই দুপুর ১২টায় হবে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান।

    শপথের প্রস্তুতি

    সরকারি এক আধিকারিক বলেন, “শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে রামলীলা ময়দান। ২৫ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে।” তিনি বলেন, “২৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ কর্মী ও ১৫ কোম্পানিরও বেশি আধা সামরিক বাহিনী কড়া প্রহরায় নিযুক্ত থাকবে। শুধু রামলীলা ময়দানের চারদিকে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ কর্মী। তাদের সঙ্গে থাকবে আধা সামরিক বাহিনীও।” তিনি বলেন, “আমরা ২ হাজার ৫০০টিরও বেশি কৌশলী পয়েন্ট চিহ্নিত করেছি। সেখানে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকবে।”

    বিজেপির সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা বলেন, “অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। থাকবেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে শুরু করে অটোরিক্সা চালক এবং শ্রমিকরাও। নাগরিক সমাজের (Delhi CM) কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বও উপস্থিত থাকবেন এদিনের (Rekha Gupta) অনুষ্ঠানে।”

LinkedIn
Share