Tag: Odisha

Odisha

  • Cyclone Arnab: মধ্যরাতে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, ১৩৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া! বিপর্যস্ত জনজীবন

    Cyclone Arnab: মধ্যরাতে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, ১৩৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া! বিপর্যস্ত জনজীবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যরাতে অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব (Cyclone Arnab)। প্রবল আকারেই তার ‘ল্যান্ডফল’ হচ্ছে। ভারতের মৌসম ভবন জানিয়েছে, বুধবার রাত ১টা ২০ মিনিটে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়ার নিকটবর্তী পুদুচেরির ইয়ানামের কাছে ‘ল্যান্ডফল’ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ঝড় বইছে ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার বেগে। প্রবল ঝড়, মুষলধারে বৃষ্টি সঙ্গে উত্তাল সমুদ্র। ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণবে’র প্রভাবে বিপর্যস্ত অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকা। পরিস্থিতি সামাল দিতে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় সতর্কতা জারি হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল, সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের ঊপকূলভাগেও। দিঘা, মন্দারমনি একাধিক জায়গায় ইতিমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। বিশাখাপত্তনমে ২১৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে এখনও।

    অন্ধ্র উপকূলে ঝড়ের দাপট

    আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে বঙ্গোপসাগরের পশ্চিম-মধ্য অংশ থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের বাপাতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী উপকূল অতিক্রম করেছে অর্ণব। ইয়ানামের দক্ষিণে স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শুরু হয় বুধবার রাত দেড়টা নাগাদ। ভোরের পরেও সেই প্রক্রিয়া চলছে। কাকিনাড়া, বিশাখাপত্তনম, অনকাপল্লি ও কোনাসীমা জেলায় ভারী বৃষ্টি এবং প্রবল হাওয়ার খবর মিলেছে। বিভিন্ন জায়গায় গাছ উপড়ে পড়েছে। কাকিনাড়ার কয়েকটি এলাকায় বাড়িঘরের ক্ষয়ক্ষতির খবরও সামনে এসেছে। ‘ল্যান্ডফল’ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর ঝড়ের দাপট আরও বেড়ে গিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশে। জারি করা হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগেও বেড়েছে। বেশ কিছু জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিদ্যুৎ পরিষেবা। ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে ইয়ানামের কাছে জাতীয় সড়ক ২১৬-এ বেশ কয়েকটি গাছ উপড়ে পড়েছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী মাঝরাস্তা থেকে গাছগুলি দ্রুত সরানোর ব্যবস্থা করছে।

    ব্যাহত বিমান ও রেল পরিষেবা

    ঝড়ের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশের তিনটি বিমানবন্দরে বিমান পরিষেবা স্থগিত রাখা হয়েছে। বেশ কিছু বিমান বাতিলও করা হয়েছে। পাশাপাশি বাতিল করা হয়েছে ট্রেন পরিষেবাও। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে যাতে কারও কোনও ক্ষতি না হয়, সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রায় দু’হাজারেরও বেশি আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। উপকূল এলাকা থেকে ‌ইতিমধ্যেই বহু মানুষকে সরিয়ে এই কেন্দ্রগুলিতে নিরাপদে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গর্ভবতী মহিলাদের চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় একাধিক ট্রেন বাতিল করেছে রেল। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কমিটির বৈঠকে প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সচিব সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে প্রাণহানি ও সম্পত্তির ক্ষতি যথাসম্ভব কমানোর নির্দেশ দেন। অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায় পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন। স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শেষ হলেও বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার প্রভাব কিছু সময় বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা।

    ৮৯ হাজার মানুষকে অন্যত্র স্থানান্তর

    অন্ধ্রপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। তার মধ্যে বিশাখাপত্তনমে ২০০ মিলিমিটারের বেশি এবং কোঠাবল্লসায় ১৬২ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে নিচু এলাকা ও রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। কাঁকিনাড়া ও ইয়ানাম উপকূলে সমুদ্রের জলের উচ্চতা দেড় থেকে আড়াই মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়, যার ফলে উপকূলীয় গ্রামগুলো প্লাবিত। অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসন প্রাথমিক সমীক্ষার পরে জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পূর্ব ও পশ্চিম গোদাবরী জেলার কমবেশি ৪০ হাজার হেক্টরেরও বেশি কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধান ও অন্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া, ঝড়ে বহু মানুষের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। প্রশাসন কমবেশি ৮৯ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও পুলিশ আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার ও রাস্তা পরিষ্কারের কাজ চালাচ্ছে।

    ওড়িশায় প্রস্তুত উদ্ধারকারী দল

    ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় ওড়িশায় ৩১৩টি উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৬০টি দল, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৯টি দল এবং দমকল ও জরুরি পরিষেবার ২৪৪টি দল। পাশাপাশি প্রস্তুত রয়েছে ২,০৩৭টি আশ্রয়কেন্দ্র। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভবতী মহিলাদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আগেই। মৎস্যজীবীদেরও উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে সোমবারের মধ্যে। প্রশাসনের লক্ষ্য, কোনও প্রাণহানি যাতে না হয়। ওড়িশা প্রশাসন সূত্রে খবর, সেখানেও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিভিন্ন জায়গায় প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে ও ঝোড়ো হাওয়া বইছে। গজপতি, গঞ্জাম, রায়গাড়া, কোরাপুট, নওরংপুর, মালকানগিরি জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। পুরী, খুর্দা, সম্বলপুর, দেওগড়, কালাহান্ডি, কান্ধামাল, নুয়াপাড়াতেও ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি চলছে। রাজ্যের দক্ষিণ অঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলি থেকে কমবেশি ৪৮ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে ও মাল্টিপারপাস ফ্লাড সেন্টারে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।  পুরী-সহ বিভিন্ন সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের নামা নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং লাল সতর্কতা নিশান ওড়ানো হচ্ছে।

    স্থলভাগে  প্রবেশের পর শক্তিক্ষয় অর্ণবের

    ঝাড়খণ্ডের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। রাঁচি, খুঁটি, সিমডেগা, গুমলা, লোহারদাগা-সহ কয়েকটি জেলায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে স্থলভাগে ঢোকার পর দ্রুত শক্তিক্ষয়ের ইঙ্গিত মিলেছে ঘূর্ণিঝড়ের। ছত্তিশগড়েই সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে অর্ণব। স্থলভাগে আছড়ে পড়ার পর ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ধীরে ধীরে উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

    বাংলায় বৃষ্টি, দিঘায় উত্তাল সমুদ্র

    ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কলকাতায় মঙ্গলবার বৃষ্টি হয়েছে হালকা। বুধবার ভোর থেকে আকাশের মুখ ভার। যদিও আপাতত রোদ উঠেছে। অর্ণবের দাপট খুব বেশি বোঝা যাচ্ছে না। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলা, বিশেষ করে উপকূলীয় জেলাগুলির অবস্থা যদিও এমন নয়। দিঘায় উত্তাল সমুদ্র, আকাশ অন্ধকার, পাশাপাশি প্রবল হাওয়ার দাপট রয়েছে মঙ্গলবার রাত থেকেই। উপকূলবর্তী সমস্ত এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। আবহাওয়া খারাপ দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু জায়গাতেও। বুধবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় রয়েছে হলুদ সতর্কতা। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। চার জেলায় রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে ভারী (৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার) বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ওই চার জেলায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। বৃহস্পতিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। ওই দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া। শুক্রবার ঝড়বৃষ্টির জন্য সতর্কতা রয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায়।

    উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    পুজোর মরশুমে পাহাড়ে এখন লোকের ঢল। মোবাইলের পর্দায় চোখ রাখলেই ভেসে উঠছে ঝকঝকে কাঞ্চনজঙ্ঘা। তবে, নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতি এবং শুক্রবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায়। বাকি জেলাগুলিতেও রয়েছে ঝড়বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা। বর্ষণের জেরে পাহাড়ি এলাকায় ধস নামতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস। আগামী শনিবার পাহাড় এবং সংলগ্ন পাঁচ জেলায় রয়েছে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা।

  • Gen Z: নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রতি নতুন প্রজন্মের গভীর আস্থা, ওড়িশায় বিপুল জয় এবিভিপির

    Gen Z: নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রতি নতুন প্রজন্মের গভীর আস্থা, ওড়িশায় বিপুল জয় এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ৮ বছরের বিরতির পর ওড়িশার বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলিতে ছাত্রসংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বিপুল জয় লাভ করেছে অখিল ভারতীয় শিক্ষার্থী পরিষদ (ABVP)। তরুণ প্রজন্ম বা ‘জেন-জি’ (Gen-Z)-র এই রায়কে দেশের রাজনীতির জন্য এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে।দিল্লি সমেত সর্বত্র ‘জেন-জি’ নাম দিয়ে আন্দোলনে নামে বিশৃঙ্খলা, অসভ্যতামি করা হলেও, ‘জেন-জি’ যে জাতীয়তাবাদের সাথে আছেই আছে তা প্রমাণ হল ওড়িশায়।

    নির্বাচনের ফলাফল

    ওড়িশার মোট ১৩টি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৮টিতে সভাপতি পদে এবং ১১টিতে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছে এবিভিপি। এর পাশাপাশি রাজ্যের ৩৪৬টি কলেজের মধ্যে ২০৮টি কলেজে সভাপতি এবং ২২১টি কলেজে সাধারণ সম্পাদক পদে জয়লাভ করেছে এবিভিপি (ABVP)। ভুবনেশ্বরের উৎকলা বিশ্ববিদ্যালয়, কটকের রেভেনশ বিশ্ববিদ্যালয়, সম্বলপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং কেওনঝড়ের ধরনীধর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবিভিপি অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে।

    বছরের পর বছর ধারাবাহিক কাজ

    এবিভিপির (ABVP) এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সারা বছর ধরে চালানো বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষামূলক কাজ। এবিভিপির ওড়িশা রাজ্য নেতৃত্বের মতে, এটি কোনো সাময়িক রাজনৈতিক ফল নয়। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অধিকার রক্ষা, ক্যাম্পাসের নানা সমস্যা সমাধান এবং ‘হোয়াই আই স্ট্যান্ড’ (Why I Stand) প্রচারের মাধ্যমে যে বিশ্বাস অর্জিত হয়েছে, তারই প্রতিফলন এই বিপুল ভোট।

    অমিত শাহ ও মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝির প্রতিক্রিয়া

    এবিভিপির এই বিশাল জয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের পর ওড়িশায় এই জয় প্রমাণ করে যে দেশের তরুণ সমাজ ‘দেশ প্রথম’ (Nation First) নীতিকেই সমর্থন করছে। মিথ্যা, বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী রাজনীতিকে তরুণ সমাজ প্রত্যাখ্যান করেছে।

    ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি এবিভিপি-কে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, এই ফলাফল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বের প্রতি নতুন প্রজন্মের (Gen Z) গভীর আস্থা প্রকাশ করে। তিনি নতুন নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের কাছে শৃঙ্খলা, জ্ঞান ও ঐক্যের বার্তা নিয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    নতুন নেতৃত্বের সূচনা

    ৮ বছর পর এই নির্বাচন (ABVP) হওয়ায় ওড়িশার কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আবার নতুন করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও ছাত্র রাজনীতির সক্রিয়তা ফিরে এসেছে। নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, তাঁরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ক্যাম্পাসের সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবেন।

  • PM Modi: বাংলার শিল্পের পুরনো গৌরব ফেরাতে বিশেষ নির্দেশ মোদির, দেড় লাখ কোটি টাকা পরিকাঠামো প্রকল্পের পরিকল্পনা

    PM Modi: বাংলার শিল্পের পুরনো গৌরব ফেরাতে বিশেষ নির্দেশ মোদির, দেড় লাখ কোটি টাকা পরিকাঠামো প্রকল্পের পরিকল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্র (PM Modi)। রাজ্যে পরিকাঠামোর উন্নয়ন, নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের বিশেষভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার কলকাতায় বণিকসভা অ্যাসোচ্যামের উদ্যোগে (Development Investment Jobs) আয়োজিত ওড়িশার অঙ্গুল অ্যালুমিনিয়াম শিল্পতালুক সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় কয়লা ও খনি মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই পরিকাঠামো উন্নয়নে ৭৯ হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ হয়েছে। পাশাপাশি, প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকার নতুন পরিকাঠামো প্রকল্প পরিকল্পনার পর্যায়ে রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ (PM Modi)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনের পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমস্ত মন্ত্রীকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে যা যা করা প্রয়োজন, তা করতে হবে। পরিকাঠামো উন্নয়ন হোক, বিনিয়োগ হোক কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ এক সময় ভারতের অন্যতম প্রধান শিল্পকেন্দ্র ছিল। এবার সেই পুরনো গৌরব ফিরিয়ে আনার সময় এসেছে।”

    পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশাকে একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে পূর্ব ভারতকে দেশের অন্যতম প্রধান উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান রেড্ডি। তাঁর বক্তব্য, ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা এবং শিল্পের ঐতিহ্যের কারণে পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিনিয়োগের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ওড়িশার অ্যালুমিনিয়াম শিল্পের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলিকে যুক্ত করা গেলে দুই রাজ্যই উপকৃত হতে পারে। এর মাধ্যমে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারের সঙ্গেও যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

    এদিনের অনুষ্ঠানে অঙ্গুল অ্যালুমিনিয়াম শিল্পতালুকে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হয়। দেশের অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সেই ধাতু ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের উচ্চমূল্যের পণ্য তৈরির উপর জোর দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার মধ্যে শিল্প করিডর গড়ে উঠলে নতুন কারখানা স্থাপন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ বাড়বে। কেন্দ্রের পূর্বমুখী নীতির বাস্তবায়নেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে (PM Modi)।

    বঙ্গে চলেছে ‘জঙ্গলরাজ’

    পশ্চিমবঙ্গের কয়লা শিল্প নিয়েও এদিন সরব হন রেড্ডি। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের কয়লা ক্ষেত্র বেআইনি খননকারী এবং কয়লা মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আগের সরকারগুলির আমলে এই ক্ষেত্রে জবাবদিহির অভাব ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সেই পরিস্থিতিকে ‘জঙ্গলরাজ’ বলে অভিহিত করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    রেড্ডি বলেন, “বহু বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের কয়লা ক্ষেত্র মাফিয়া এবং বেআইনি খননকারীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। কলকাতায় কোল ইন্ডিয়ার সদর দফতর থাকা সত্ত্বেও এই বাস্তবতার অভিজ্ঞতা সকলেরই রয়েছে (Development Investment Jobs)। খননের কোনও অনুমতি ছিল না, অথচ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে বেআইনিভাবে কয়লা উত্তোলন চলত। দুর্ঘটনা ঘটেছে, মানুষের প্রাণ গিয়েছে, কিন্তু কোনও জবাবদিহি ছিল না। পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের জঙ্গলরাজ চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমরা সেই পরিস্থিতি বদলানোর জন্য বিশেষভাবে কাজ করছি (PM Modi)।”

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, কয়লা ও খনি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে একাধিক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। বেআইনি খনন বন্ধ করা, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবহার রোধ এবং খনি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব যাতে যথাযথভাবে রাজ্য সরকারের কোষাগারে পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    রাজ্য সরকারের রাজস্ব

    তিনি বলেন, “আগে কয়লা থেকে যে রাজস্ব আদায় হত, তা সরকারি কোষাগারে না গিয়ে অন্যত্র চলে যেত। এখন স্বচ্ছ প্রক্রিয়া এবং কঠোর জবাবদিহির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলানো হচ্ছে। বহু বেআইনি কারবারি ইতিমধ্যেই সরে গিয়েছে। এর ফলে কয়লা ক্ষেত্র থেকে রাজ্য সরকারের রাজস্ব বাড়বে।”

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে দায়িত্ব পালনের সময়কার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন রেড্ডি। তাঁর অভিযোগ, অতীতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে পাঠানো প্রশাসনিক প্রতিবেদনে বাস্তব পরিস্থিতির যথাযথ প্রতিফলন থাকত না। তিনি দাবি করেন, খুন ও আত্মহত্যার মতো অপরাধের তথ্য চাওয়া হলেও, কোনও কোনও প্রতিবেদনে সেই সংখ্যা শূন্য দেখানো হত। তবে তাঁর এই অভিযোগের সমর্থনে অনুষ্ঠানে কোনও নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি (PM Modi)।

    কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সমন্বয়ে জোর

    রাজ্যের কয়লা ও খনি ক্ষেত্রের উন্নয়ন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করার কথাও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। নতুন বিনিয়োগ আনা, শিল্পের প্রসার এবং রাজ্যের শ্রমশক্তির জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের উপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    বেআইনি কার্যকলাপ বন্ধ করে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পক্ষেত্রকে পুনরুজ্জীবিত করতে (Development Investment Jobs) সাধারণ মানুষ এবং শিল্পমহলের সহযোগিতাও চান রেড্ডি। তাঁর বক্তব্য, বাংলার শিল্পের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি পূর্ব ভারতকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও রফতানিকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই কেন্দ্রের লক্ষ্য (PM Modi)।

     

  • Odisha: ওড়িশায় ফের মাওবাদী অস্ত্রভাণ্ডারের হদিস, পাঁচ দিনে মিলল তিন গোপন ডেরার হদিশ

    Odisha: ওড়িশায় ফের মাওবাদী অস্ত্রভাণ্ডারের হদিস, পাঁচ দিনে মিলল তিন গোপন ডেরার হদিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) কান্ধমাল জেলায় জঙ্গলে লুকিয়ে রাখা মাওবাদীদের অস্ত্র (Maoist Arms) ও বিস্ফোরকের ভাণ্ডারের হদিস পেল নিরাপত্তা বাহিনী। দারিংবাড়ি থানার আওতায় মাতরাবাড়ি গ্রামের কাছে জঙ্গলে তল্লাশি চালিয়ে এই অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গত পাঁচ দিনে ওড়িশার বিভিন্ন জঙ্গলে এটি তৃতীয় মাওবাদী অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধারের ঘটনা।

    অভিযানে মিলল প্রচুর অস্ত্র (Odisha)

    ২৮ অগাস্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কান্ধমাল জেলার একাধিক জঙ্গল এলাকায় যৌথ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। ওই এলাকায় মাওবাদীদের অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সামগ্রী লুকিয়ে রাখা হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরেই অভিযান শুরু হয়। সশস্ত্র তল্লাশি অভিযানে বিশেষ অভিযান গোষ্ঠী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। রায়কিয়া, বালিগুড়া, দারিংবাড়ি এবং কোটগড় থানার আওতাধীন বিস্তীর্ণ জঙ্গল এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানের আওতায় বাবুতি, জিমাবাড়ি, কারাহাপাঙ্গা, গারারমহা, জিমারাহা, তেলসি, সিদুপদর, পদলামালা, মাতাবাড়ি, তেরানিপাঙ্গা, ঝাঝিবাড়ি, টুকুবাড়ি, সাতারি, সালাকিঙ্গিয়া, পরিগড়া এবং পেনামাল-সহ একাধিক এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময় জেলা স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর সদস্যরা মাতরাবাড়ি গ্রামের কাছে মাটির নীচে বা জঙ্গলের আড়ালে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রভাণ্ডারটির সন্ধান পান।

    উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও বিস্ফোরকের মধ্যে রয়েছে একটি ১২ বোরের রাইফেল, একটি একনলা রাইফেল এবং একটি এসবিএল গ্রেনেড। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে ১৯টি বৈদ্যুতিক ডেটোনেটর, দুটি টিফিন-বাক্স আইইডি, এক বান্ডিল কর্ডেক্স এবং দুটি জেলাটিন স্টিক। অস্ত্রভাণ্ডার থেকে ১৩ রাউন্ড শূন্য দশমিক ৩০৩ ক্যালিবারের গুলি এবং একনলা রাইফেলের ১০ রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মাওবাদীদের শিবিরে ব্যবহৃত আরও বেশ কিছু সামগ্রী, যার মধ্যে বৈদ্যুতিক তার এবং অন্যান্য উপকরণ রয়েছে, সেগুলিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বিস্ফোরক সামগ্রী থাকায় সেগুলি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় ও সরিয়ে নেওয়ার জন্য বোমা শনাক্তকরণ ও নিষ্ক্রিয়করণ দলকে অভিযানে মোতায়েন করা হয়।

    ন’টি দল নিয়ে অভিযান

    কান্ধমালের পুলিশ সুপার রমেন্দ্র প্রসাদ জানিয়েছেন, এই অভিযানে একাধিক নিরাপত্তা দল অংশ নিয়েছিল। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বিশেষ অভিযান গোষ্ঠীর পাঁচটি দল, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ১০৮ নম্বর ব্যাটালিয়নের তিনটি ইউনিট এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর একটি দল যৌথভাবে তল্লাশি চালায়।

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই জঙ্গলে মাওবাদীদের লুকিয়ে রাখা অস্ত্রভাণ্ডারের সন্ধানে এই অভিযান চালানো হয়েছিল। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি জানিয়েছে, কান্ধমালকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে মাওবাদীমুক্ত ঘোষণা করা হলেও, জেলায় তল্লাশি ও এলাকা নিয়ন্ত্রণের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে যেসব জঙ্গল এলাকায় অতীতে মাওবাদীদের সক্রিয়তা ছিল, সেখানে পুরনো অস্ত্রভাণ্ডার ও বিস্ফোরক উদ্ধারে নজর দেওয়া হচ্ছে।

    নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, সাম্প্রতিক এই উদ্ধার প্রাক্তন মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় পড়ে থাকা অবশিষ্ট পরিকাঠামো চিহ্নিত ও নিষ্ক্রিয় করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই অংশ।

    অভিযান চলবে

    জেলার স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে নজরদারি এবং নিয়মিত তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করার পাশাপাশি পুরনো মাওবাদী ঘাঁটিগুলিকে যাতে ফের সশস্ত্র কার্যকলাপের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা না যায়, তা নিশ্চিত করাই এই অভিযানের মূল লক্ষ্য (Odisha)।

    পুলিশ সুপার রমেন্দ্র প্রসাদ জানিয়েছেন, জেলার ঝুঁকিপূর্ণ এবং অতীতে মাওবাদী প্রভাবিত এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে। সাম্প্রতিক অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধারের ঘটনা কান্ধমালে অবশিষ্ট মাওবাদী পরিকাঠামো ভেঙে ফেলার প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করবে বলে মনে করা হচ্ছে (Maoist Arms)।

    আগেও মিলেছে মাওবাদী অস্ত্রভাণ্ডারের খোঁজ

    কান্ধমালে চলতি বছরে মাওবাদীদের লুকিয়ে রাখা অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধারের ঘটনা এই প্রথম নয়। ১৬ জুন নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীতাগুড়হা, গঞ্জুগুড়হা, কুটিবারহি, গুড়িকিয়া এবং লাঞ্জাম গ্রামের আশপাশের জঙ্গল থেকে আরও একটি মাওবাদী অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করা হয়েছিল। এলাকাগুলি কোটগড়, বালিগুড়া এবং তুমুড়িবান্ধা থানার আওতাধীন।

    এর আগে ১১ জুন বালিগুড়া এলাকাতেও একটি মাওবাদী অস্ত্রভাণ্ডারের সন্ধান পেয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনী। সেখান থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিভিন্ন ধরনের অভিযানে ব্যবহৃত সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

    কান্ধমালকে ৩১ মার্চ ২০২৬ মাওবাদীমুক্ত ঘোষণা করা হলেও, বারবার অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধারের ঘটনা থেকে স্পষ্ট, জঙ্গলের বিভিন্ন এলাকায় পুরনো মাওবাদী পরিকাঠামোর সন্ধানে তল্লাশি এখনও জারি রয়েছে।

    ২৬ অগাস্ট মালকানগিরিতেও অস্ত্র উদ্ধার

    কান্ধমালের ঘটনার দু’দিন আগে, ২৬ অগাস্ট ওড়িশা-ছত্তিশগঢ় সীমান্তবর্তী মালকানগিরি জেলার একটি জঙ্গল থেকেও মাওবাদীদের লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ও গোলাবারুদের ভাণ্ডার উদ্ধার করা হয়।

    আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই অস্ত্রভাণ্ডারের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। এরপর জেলা স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর সদস্যরা মথিলি থানার আওতাধীন চেরকোটলা, কিরমিটি, কোটওয়াপদর এবং কাদাভাটা এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালান।

    কৌশলগত দিক থেকেও এলাকাটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি প্রতিবেশী ছত্তিশগঢ়ের বস্তার জেলার দরভা থানা এলাকা এবং সুকমা জেলার পুসপাল থানা এলাকার সংলগ্ন।

    অস্ত্র মিলেছিল সুন্দরগড়েও

    এর আগে ২৪ অগাস্ট সুন্দরগড় জেলার কে বালাং থানার আওতাধীন সিলকুটা সংরক্ষিত জঙ্গল থেকেও মাওবাদীদের একটি গোপন অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার করা হয়। জেলা স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী এবং বোমা শনাক্তকরণ ও নিষ্ক্রিয়করণ দলের যৌথ অভিযানে এই উদ্ধার হয়।

    আত্মসমর্পণকারী নকশালদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ওই অভিযান চালানো হয়েছিল। পুলিশের মতে, অস্ত্রভাণ্ডারটি প্রায় চার বছরের পুরনো। সেখান থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক সামগ্রী, যোগাযোগের সরঞ্জাম এবং মাওবাদীদের ব্যবহৃত অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়।

    অবশিষ্ট মাওবাদী পরিকাঠামো ভাঙতেই নজর

    মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে ওড়িশার তিনটি জঙ্গল এলাকা থেকে মাওবাদীদের গোপন অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধারের ঘটনা নিরাপত্তা সংস্থাগুলির ধারাবাহিক তল্লাশি অভিযানের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। ঝুঁকিপূর্ণ জঙ্গল এলাকাগুলিতে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, চিরুনি তল্লাশি এবং এলাকা নিয়ন্ত্রণের অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে।

    আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যও এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিরাপত্তা বাহিনী মনে করছে, পুরনো অস্ত্রভাণ্ডার ও মাওবাদী পরিকাঠামোর অবশিষ্ট অংশগুলি (Maoist Arms) সম্পূর্ণভাবে চিহ্নিত ও নিষ্ক্রিয় করা গেলে ভবিষ্যতে নতুন করে মাওবাদী নেটওয়ার্ক সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা আরও কমানো সম্ভব হবে (Odisha)।

     

  • Cargo Ship Sinks: ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পণ্যবাহী জাহাজ, নিখোঁজ ২২

    Cargo Ship Sinks: ওড়িশা উপকূলে ডুবল পানামার পণ্যবাহী জাহাজ, নিখোঁজ ২২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশা (Odisha) উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল সিঙ্গাপুরগামী পানামার পতাকাবাহী পণ্যবাহী জাহাজ (Cargo Ship Sinks) ‘এমভি ওশান উইনার’। জাহাজটিতে মোট ২৪ জন নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে দু’জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও, নিখোঁজ ২২ জন। তাঁদের সন্ধানে চলছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী ও নৌসেনার তল্লাশি অভিযান। জানা গিয়েছে, শুক্রবার ওড়িশা উপকূল থেকে লৌহ আকরিক বোঝাই করে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল জাহাজটি। শনিবার আচমকাই জাহাজটির সঙ্গে স্থলভাগের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে জানা যায়, পারাদ্বীপ উপকূল থেকে প্রায় ২৪০ নটিক্যাল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরে জাহাজটি ডুবে গিয়েছে।

    নিখোঁজ বহু নাবিক (Cargo Ship Sinks)

    জাহাজে থাকা ২৪ জন নাবিকের মধ্যে ২০ জন চিনা নাগরিক। এ ছাড়া ছিলেন বাংলাদেশের এক জন এবং মায়ানমারের তিন জন। দুর্ঘটনার পর তাঁদের উদ্ধারে দ্রুত তৎপর হয় ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী এবং নৌসেনা। সূত্রের খবর, শনিবার বেলা ১১টা ৪৮ মিনিট নাগাদ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর উদ্ধারকারী দল খবর পায় যে, ওড়িশা থেকে সিঙ্গাপুরগামী একটি জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। নির্দিষ্ট এলাকায় তখন একটি বাণিজ্যিক জাহাজ ছিল। সেটিকে ঘটনাস্থলের দিকে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।রাত ৮টা নাগাদ একটি লাইফবোট থেকে দু’জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাঁদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও মেলেনি। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের পরিচয়ও এখনও প্রকাশ করা হয়নি (Cargo Ship Sinks)।

    নাবিকদের সন্ধানে তল্লাশি

    এর পর নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধানে এলাকায় তিনটি উদ্ধারকারী জাহাজ পাঠানো হয়। পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ‘বিজিত’ নামে একটি জাহাজ ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। এ ছাড়া ‘বরদ’ এবং ‘আনমোল’ নামে আরও দু’টি জাহাজও পাঠায় ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। রাতভর তল্লাশি চালানো হলেও, বাকি নাবিকদের সন্ধান মেলেনি। কী কারণে জাহাজটি ডুবে গেল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার সময় বঙ্গোপসাগরের ওই এলাকায় আবহাওয়ার পরিস্থিতি কেমন ছিল, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জাহাজটি কীভাবে বিপদে পড়ল এবং ডুবে যাওয়ার আগে (Odisha) কোনও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে (Cargo Ship Sinks)।

     

  • ECI: ভোটার তালিকা সংশোধনে বড় পদক্ষেপ, ১২ রাজ্য-কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বাদ ১.৫৮ কোটিরও বেশি নাম

    ECI: ভোটার তালিকা সংশোধনে বড় পদক্ষেপ, ১২ রাজ্য-কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বাদ ১.৫৮ কোটিরও বেশি নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকা আপডেট এবং অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার লক্ষ্যে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) তৃতীয় পর্যায়ে ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া ভোটার তালিকা (ECI) থেকে এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৫৮ লক্ষ ৫৯ হাজার ৮৩৪টি নাম বাদ দিয়েছে (SIR) ভারতের নির্বাচন কমিশন। কমিশনের প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণ করে এই হিসেব সামনে এসেছে। এই ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সংশোধন প্রক্রিয়া শুরুর আগে মোট ভোটার ছিলেন ১৩ কোটি ৭৭ লাখ ২৭ হাজার ৮০৭ জন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই এবং অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁদের মধ্যে ১১.৫১ শতাংশের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

    যাঁরা বাদ গেলেন (ECI)

    বাদ পড়া নামগুলির মধ্যে রয়েছেন এমন ভোটার, যাঁদের দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি, অন্যত্র চলে গিয়েছেন, মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে অথবা একাধিক জায়গায় তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় ছিল। ভোটার তালিকাকে নির্ভুল ও আপডেট রাখাই এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য। তবে এখনও চূড়ান্ত ভোটার সংখ্যা নির্ধারিত হয়নি। খসড়া তালিকায় নাম সংযোজন বা বাদ দেওয়া নিয়ে দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যোগ্য নাগরিকেরা নতুন করে ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করার আবেদনও করতে পারবেন। ফলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে সংখ্যায় আরও পরিবর্তন হতে পারে।

    অন্ধ্রপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ

    পরম সংখ্যার বিচারে অন্ধ্রপ্রদেশে সব চেয়ে বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। সেখানে ৪৪.৮৯ লাখ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যা সংশোধনের আগে থাকা মোট ভোটারের ১০.৭৮ শতাংশ। এর ফলে খসড়া ভোটার তালিকায় ভোটারের সংখ্যা ৪ কোটি ১৬ লাখ থেকে কমে প্রায় ৩ কোটি ৭১ লাখ হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে বাদ পড়া ৪৪.৮৯ লাখ নামের মধ্যে ২২.৩০ লাখ ভোটার অন্যত্র চলে গিয়েছেন অথবা তাঁদের ঠিকানায় গিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ১৫.২২ লাখ ভোটারের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া ৭.৩৭ লাখ ভোটারের নাম একাধিক জায়গার ভোটার তালিকায় ছিল। নাম বাদ পড়ার সংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে হরিয়ানা। সেখানে ৩৩.৮৩ লাখ নাম বাদ পড়েছে। ওড়িশায় বাদ পড়েছে ২০.১২ লাখ নাম। এদিকে, সিকিমে সবচেয়ে কম নাম বাদ পড়েছে—৩৭ হাজার ৭২৪টি। মিজোরামে বাদ পড়েছে ৪৬ হাজার ১৬২টি নাম।

    শতাংশের হিসাবে শীর্ষে দাদরা ও নগর হাভেলি

    মোট ভোটারের তুলনায় নাম বাদ পড়ার হারে সব চেয়ে এগিয়ে রয়েছে দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ। সেখানে ২৯.৬৪ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। এর পরেই রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, যেখানে বাদ পড়ার হার ১৯.০৯ শতাংশ। হরিয়ানায় এই হার ১৬.৩৮ শতাংশ এবং চণ্ডীগড়ে ১২.৮ শতাংশ। মিজোরামে নাম বাদ পড়ার হার সবচেয়ে কম—৫.২ শতাংশ। অন্যান্য রাজ্যের মধ্যে ওড়িশায় ৬.০২ শতাংশ, মণিপুরে ৭.৫ শতাংশ, উত্তরাখণ্ডে ১০.৩৯ শতাংশ, মেঘালয়ে ৭.৬৭ শতাংশ এবং ঝাড়খণ্ডে ১৬.৪৮ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। সিকিমে আগের তালিকার ৮ শতাংশ নাম বাদ গিয়েছে (ECI)।

    ১৬ রাজ্য ও ৩ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে তৃতীয় পর্যায়

    বিশেষ নিবিড় সংশোধনের তৃতীয় পর্যায়ের কাজ চলছে মোট ১৬টি রাজ্য ও ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। এগুলি হল দিল্লি, ওড়িশা, মিজোরাম, সিকিম, মণিপুর, উত্তরাখণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, তেলঙ্গনা, পাঞ্জাব, কর্নাটক, মেঘালয়, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং দাদরা ও নগর হাভেলি ও দমন ও দিউ। এর মধ্যে ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া ভোটার তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। দিল্লি, পাঞ্জাব, তেলঙ্গনা, কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য যাচাই ও গণনার কাজের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ফলে ওই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া ভোটার তালিকা এখনও প্রকাশিত হয়নি। ত্রিপুরা ও নাগাল্যান্ডের খসড়া তালিকাও (SIR) এখনও প্রকাশের অপেক্ষায়।

    একাধিক রাজ্যে ইতিমধ্যেই শেষ সংশোধন

    এর আগেই বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, ছত্তিশগড়, গোয়া, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং লক্ষদ্বীপে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ শেষ হয়েছে। অসমে অবশ্য নাগরিকদের জাতীয় পঞ্জি সংক্রান্ত আইনি বিষয় বিবেচনা করে পৃথকভাবে বিশেষ সংশোধন করা হয়েছে (ECI)। বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিরোধী দলগুলির মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। বিষয়টি আদালতেও চ্যালেঞ্জ করা হয়। চলতি বছরের মার্চে সুপ্রিম কোর্ট সর্বসম্মতভাবে বিশেষ নিবিড় সংশোধন পরিচালনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সাংবিধানিক বৈধতা বহাল রাখে।

    তৃতীয় পর্যায়ের কাজ চলাকালীন নির্বাচন কমিশন ভোটারদের তথ্য যাচাই এবং ভোটার তালিকা আপডেটের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যোগ্য ভোটারদের নাম যাতে তালিকায় থাকে এবং একই ব্যক্তির একাধিক নাম বা পুরনো ও অযোগ্য নাম যাতে তালিকায় না (SIR) থাকে, তা নিশ্চিত করাই এই প্রক্রিয়ার লক্ষ্য। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ থাকায় যোগ্য নাগরিকেরা নিজেদের নাম সংশোধন, সংযোজন বা পুনরায় অন্তর্ভুক্তির (ECI) আবেদন করতে পারবেন।

     

  • Weather Alert: সপ্তাহজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণে, কলকাতায় জারি হলুদ সতর্কতা, উত্তরের আবহাওয়া কেমন?

    Weather Alert: সপ্তাহজুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণে, কলকাতায় জারি হলুদ সতর্কতা, উত্তরের আবহাওয়া কেমন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আগামী এক সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার প্রকাশিত আবহাওয়া দফতরের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল সংলগ্ন এলাকায় থাকা সুস্পষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে এই আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে। কলকাতার আঞ্চলিক আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ৫ জুলাই হতে পারে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি।

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Alert)

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়ায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এর সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের এক আধিকারিক সংবাদ সংস্থাকে জানান, নিম্নচাপটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর এটি পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা উপকূলের দিকে এগোবে। এর প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টিপাত হবে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎ ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    চলতে পারে ভারী বৃষ্টি

    জানা গিয়েছে, ৬ জুলাইও দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। এরপর বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেওস বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা পুরো পূর্বাভাসের সময়জুড়েই থাকবে। কলকাতার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেখানে ভারী বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ এবং ঘণ্টায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও আগামী সপ্তাহজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৬ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। ৭ থেকে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, কালিম্পং ও কোচবিহারে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

     

  • ECI: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের, আরও শক্তি বাড়বে এনডিএর?

    ECI: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের, আরও শক্তি বাড়বে এনডিএর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের (Rajya Sabha Polls) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। সোমবার জারি হয় এই বিজ্ঞপ্তি। এর মধ্যে ১০টি রাজ্যের ২৪টি আসন সদস্যদের অবসরের কারণে ফাঁকা হয়েছে। পদত্যাগজনিত কারণে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও ওড়িশার ৩টি আসনে হবে উপনির্বাচন।

    নির্বাচনের সাত-সতেরো (ECI)

    কমিশন জানিয়েছে, ২৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে ১৮ জুন। ওই দিনই বিকেল ৫টার পর হবে ভোট গণনা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ৮ জুন বিকেল ৩টা পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা ৯ জুন মনোনয়নপত্র যাচাই করবেন। ১১ জুন প্রার্থিপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন।অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, রাজস্থান, অরুণাচল প্রদেশ, কর্নাটক এবং মিজোরামে ২৪টি শূন্যপদে ভোট হবে। পদত্যাগের কারণে আরও ৩টি পদ শূন্য। ফলে বিরোধী জোট রাজ্যসভায় অন্তত তিনটি অতিরিক্ত আসন পেতে পারে বলেই ইঙ্গিত। যদিও শাসক বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ তাদের বর্তমান শক্তি বজায় রাখবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। আগামী মাসে রাজ্যসভা থেকে যাঁরা অবসর নেবেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়া, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং, এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু ও জর্জ কুরিয়েন।

    শক্তি বাড়ছে এনডিএর!

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ২৭টি আসনের মধ্যে শাসক এনডিএ তাদের শক্তি এক বাড়িয়ে ১৯-এ নিয়ে যেতে পারে। বর্তমানে ২৪৫ সদস্য বিশিষ্ট রাজ্যসভায় এনডিএর আসন সংখ্যা ১৪৮। কংগ্রেসের রয়েছে ৪টি আসন, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM)-এর ১টি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি (YSRCP)-এর ৩টি আসন। রাজ্য বিধানসভাগুলিতে (Rajya Sabha Polls) দলগুলির বর্তমান শক্তির ভিত্তিতে কংগ্রেস তাদের আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ করতে পারে (ECI)। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা দু’টি আসনে জিততে পারে। শাসক তামিলাগা ভেত্রি কাজাগম (TVK) তামিলনাড়ুর উপনির্বাচনে একটি আসন জিতে প্রথমবারের মতো রাজ্যসভায় জায়গা পেতে পারে।

    এনডিএ ভালো অবস্থায়

    এনসিপি নেতা সুনেত্রা পাওয়ার এবং এআইএডিএমকে নেতা সিভি শানমুগম বিধানসভায় নির্বাচিত হওয়ায় রাজ্যসভায় ইস্তফা দিয়েছেন। সেই কারণেই উপনির্বাচন হবে মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুতে। ওড়িশায় দেবাশিস সমান্ত রায়, বিজেডি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ছেড়েছেন রাজ্যসভার সদস্যপদও। তাই এই কেন্দ্রেও হবে উপনির্বাচন (ECI)। মহারাষ্ট্রে সুনেত্রা পাওয়ারের শূন্য পদে এনডিএ ভালো অবস্থায় রয়েছে (Rajya Sabha Polls)। তামিলনাড়ুর একটিমাত্র আসন বন্ধু দলগুলির সমর্থনে টিভিকের দখলে যেতে পারে। ওড়িশার আসনটি শাসক দলের ঝুলিতে যেতে পারে।

    কোন আসনে জিতছে কারা

    অন্ধ্রপ্রদেশে টিডিপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ চারটি আসনই জিততে পারে। গুজরাটে বিজেপি চারটি আসনেই জিতবে। তাই এই রাজ্য থেকে কংগ্রেস তাদের একমাত্র আসনটি খোয়াতে পারে। কর্নাটকে কংগ্রেস চারটির মধ্যে তিনটি আসনে জিততে পারে, একটি আসন যেতে পারে পদ্ম-ঝুলিতে। খাড়্গে ফের রাজ্যসভায় মনোনীত হতে পারেন (ECI)। মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বিজেপি দু’টি করে আসন জিততে পারে। এই দুই রাজ্যে কংগ্রেস একটি করে আসন পেতে পারে। ঝাড়খণ্ডে শাসক জেএমএম-কংগ্রেস জোট দু’টি আসনই জিততে পারে। তাদের জয়ের পথে খাড়া প্রাচীর হয়ে দাঁড়াতে পারে বিজেপি। অর্থাৎ, জোরদার লড়াই হতে পারে (Rajya Sabha Polls)।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত দ্বিবার্ষিক রাজ্যসভা নির্বাচনে ১০টি রাজ্যের ৩৭টি আসনের মধ্যে (ECI) বিজেপি জিতেছিল ১৩টি আসনে।

     

  • ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    ABVP: ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে গবেষণা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের যৌথ অংশীদারিত্বের আহ্বান এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবনী পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করতে এবং ‘বিকশিত ভারত’-এর স্বপ্ন পূরণ করতে ভারতের বেসরকারি শিল্পক্ষেত্র ও উদ্যোক্তাদের গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর আহ্বান জানাল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)। ওড়িশার ভুবনেশ্বরে আয়োজিত সংগঠনের তিন দিনব্যাপী জাতীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ (NEC) বৈঠকে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। শিক্ষার সঙ্গে শিল্পক্ষেত্রের সমন্বয় না ঘটলে গবেষণার প্রকৃত বিকাশ সম্ভব নয়— এই মূল বার্তাটিই উঠে এসেছে এবিভিপি-র শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনা থেকে।

    জিডিপির ১ শতাংশেরও কম খরচ গবেষণায় (ABVP)

    এবিভিপি-র (ABVP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ডক্টর বীরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি বৈঠকে ভারতের বর্তমান গবেষণা ব্যবস্থার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে ভারত তার মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের (GDP) ১ শতাংশেরও কম অংশ গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) খাতে ব্যয় করে। সবচেয়ে বড় বিষয়, এই খরচের প্রায় ৬০ শতাংশই আসে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান যেমন— ইসরো (ISRO), ডিআরডিও (DRDO) এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় আইআইটি বা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মাধ্যমে। বৈশ্বিক মঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে ধরে রাখতে হলে এই ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের অবদান বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।”

    উদীয়মান প্রযুক্তিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের প্রয়োজন

    এবিভিপির (ABVP) পক্ষ থেকে ভারতীয় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, দেশের তরুণ প্রতিভাদের কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি যৌথ অংশীদারিত্বের (Industry-Academia Partnership) মডেল তৈরি করতে হবে। বিশেষ করে সমসাময়িক এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলি হল-

    • ● কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ও কোয়ান্টাম টেকনোলজি।
    • ● সাইবার নিরাপত্তা (Cybersecurity) এবং বায়োটেকনোলজি।
    • ● পরিবেশবান্ধব বা পরিচ্ছন্ন শক্তি (Clean Energy)।

    এবিভিপি সংগঠনের মতে, এই উদীয়মান খাতগুলিতে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল দেশের উদ্ভাবনী ক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং গবেষণা খাতে ভারতের সামগ্রিক জাতীয় ব্যয় বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে।

    ডিগ্রি অর্জনের ঊর্ধ্বে গিয়ে দেশ গঠন

    ডক্টর সোলাঙ্কি তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, “এবিভিপি (ABVP) সব সময়ই বিশ্বাস করে যে শিক্ষা মানে কেবল মাত্র একটি ডিগ্রি অর্জন বা চাকরি পাওয়া নয়; শিক্ষা হল দেশ গঠন এবং নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মূল ভিত্তি।” তিনি আরও বলেন, “শিল্পক্ষেত্রের সম্পদ ও পরিকাঠামোর সঙ্গে যদি আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির মেধা ও দক্ষতার সঠিক মেলবন্ধন ঘটানো যায়, তবে তা ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ে তোলার জাতীয় সংকল্পকে এক অভূতপূর্ব গতি প্রদান করবে। গবেষণায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি কেবল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অনুঘটক নয়, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের এক অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।”

    জাতীয় নিরাপত্তা ও শিক্ষা সংস্কার নিয়ে ব্যাপক মন্থন

    ভুবনেশ্বরের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এই তিন দিনের জাতীয় বৈঠকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ৫০০ জন ছাত্রনেতা, শিক্ষাবিদ ও প্রতিনিধি অংশ নেন। গবেষণা ও শিল্পক্ষেত্রের অংশীদারিত্ব ছাড়াও এই সম্মেলনে জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP) ২০২০-র বাস্তবায়ন, ত্রি-ভাষা নীতি, ক্যাম্পাস স্তরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন পরিচালনা, নারী নিরাপত্তা এবং ‘আর্বান নকশাল’ বা শহুরে মাওবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়গুলি নিয়ে গভীর আলোচনা (NEC) হয়। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝির উপস্থিতিতে একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই সম্মেলনের আবহ তৈরি হয়েছিল, যা আগামী দিনে দেশের শিক্ষাঙ্গনে নতুন জাতীয়তাবাদী চিন্তার প্রসার ঘটাতে ছাত্র সমাজকে আরও উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশাবাদী এবিভিপি (ABVP) নেতৃত্ব।

  • Maoist Attack Plot: ওড়িশায় মাওবাদী হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    Maoist Attack Plot: ওড়িশায় মাওবাদী হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও দমনে ফের মিলল বড় ধরনের সাফল্য। ওডিশার (Odisha) কন্ধমাল জেলায় একটি বড় মাওবাদী হামলার (Maoist Attack Plot) পরিকল্পনা ভেস্তে দিল নিরাপত্তা বাহিনী। ডারিংবাড়ি থানার অধীনে একটি বনাঞ্চলের গোপন গুহা থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক।

    নকশালবিরোধী অভিযান (Maoist Attack Plot)

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (SOG) এবং ডিস্ট্রিক্ট ভলান্টারি ফোর্স (DVF) যৌথভাবে পাকরি, বাবুটি, জামাবাড়ি এবং মাতাবাড়ি গ্রাম-সহ বিভিন্ন এলাকায় নকশালবিরোধী অভিযান শুরু করে। ৩০ মার্চ তল্লাশি অভিযানের সময় নিরাপত্তা কর্মীরা মাতাবাড়ি গ্রামের কাছে একটি গোপন গুহা আবিষ্কার করেন, যেখানে মাওবাদীরা অস্ত্র ও লজিস্টিক সামগ্রী মজুত করত।

    উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের পরিমাণ

    উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র। এগুলি হল— একটি এসএলআর রাইফেল, একটি .৩০৩ রাইফেল, দুটি ১২-বোর বন্দুক, দুটি এসবিজিএল (SBGL) রাইফেল এবং একটি দেশি অস্ত্র। এর সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি ম্যাগাজিন এবং ৭৯ রাউন্ড গুলিও। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১০টি এসবিজিএল গ্রেনেড, ৩০টি ইলেকট্রিক ডিটোনেটর এবং কিছু বিস্ফোরক পদার্থ (কোডেক্স)। এই মজুত ভান্ডারই ইঙ্গিত দেয় মাওবাদীরা বড় ধরনের কোনও নাশকতার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে পাঁচটি ওয়াকি-টকি, তিনটি সোলার প্যানেল, দুটি টর্চলাইট, খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ, বাসনপত্র এবং মাওবাদী পুস্তিকা। পুলিশের সন্দেহ, এই মজুত করা সামগ্রী নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালানোর উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল।

    চলছে জোরদার তল্লাশি অভিযান

    বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানের পর আশপাশের বনাঞ্চলে জোরদার করা হয়েছে তল্লাশি অভিযান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ন’জন মাওবাদী, যার মধ্যে দু’জন পুরুষ এবং সাতজন মহিলা—এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। মাওবাদী নেত্রী শীলা, যিনি (Odisha) এই অঞ্চলে সক্রিয় বলে মনে করা হচ্ছে, তাঁর মাথার দাম ২৭ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছে (Maoist Attack Plot)। কান্ধামালের পুলিশ সুপার হরিশ বিশি জানান, রাইকিয়া এবং ডারিংবাড়ির সীমান্তবর্তী বনাঞ্চলে বড় পরিসরে মাওবাদীবিরোধী অভিযান চলছে। তিনি বলেন, “এই অভিযানে আমরা ২৮টি দল মোতায়েন করেছি। গোপন অস্ত্রভান্ডারের তথ্যের ভিত্তিতে এসওজি এবং ডিভিএফে যৌথ দল তল্লাশি চালিয়ে মাতাবাড়ি গ্রামের কাছে বড়সড় মাওবাদী অস্ত্রভান্ডার উদ্ধার করেছে।”

    পুলিশ কর্তার বক্তব্য

    পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা জানান, ওডিশা প্রায় মাওবাদী-মুক্ত অবস্থার দিকে এগোচ্ছে।  এডিজি (নকশালবিরোধী অভিযান) সঞ্জীব পান্ডা বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের ফলে রাজ্যে মাওবাদী কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।” তিনি জানান, ইতিমধ্যেই আটটি জেলাকে মাওবাদী-মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৫ সালের তুলনায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে পরিস্থিতির (Maoist Attack Plot)।তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে মোট ২৭ জন মাওবাদীকে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে, ১২০ জন আত্মসমর্পণ করেছে, গ্রেফতার করা হয়েছে ৯ জনকে। তবে তিনি দীর্ঘদিনের এই সংঘর্ষের গুরুত্ব স্বীকার করে জানান, নকশালবিরোধী অভিযানে ২৩৯ জন নিরাপত্তাকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। আর মাওবাদী হিংসার বলি হয়েছেন ৩৫৯ জন সাধারণ মানুষ।

    লক্ষ্যের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছি আমরা

    তিনি বলেন, “এই অগ্রগতি নিরাপত্তা বাহিনীর ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগের ফল। আমরা লক্ষ্যের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছি। এখন হাতেগোণা কয়েকজন মাওবাদী সক্রিয় রয়েছে।” পুলিশের এই কর্তা ওই মাওবাদীদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান (Odisha)। এদিকে, নিরাপত্তা বাহিনী সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অবশিষ্ট মাওবাদীরা আত্মসমর্পণ না করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘন বনাঞ্চলে তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে, যা ওডিশার দীর্ঘদিনের মাওবাদী বিদ্রোহ দমনে এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে নির্দেশ করছে এবং রাজ্যকে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে (Maoist Attack Plot)।

     

LinkedIn
Share