Tag: Om Birla

Om Birla

  • Cooch Behar: বিয়েবাড়িতে যোগদান করে মোদির প্রশংসা লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার

    Cooch Behar: বিয়েবাড়িতে যোগদান করে মোদির প্রশংসা লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে (Cooch Behar) বিয়েবাড়িতে এসে মোদির প্রশংসা করলেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। এই জেলার গোপালপুরের ইকরচালা গ্রামের বাসিন্দা দীনবন্ধু প্রায় পনেরো বছর ধরে ওম বিড়লার পার্সোনাল অ্যাটেন্ড্যান্ট হিসাবে কাজ করছেন। তাঁর আমন্ত্রণে লোকসভার অধ্যক্ষ এদিন বিয়েবাড়িতে আসেন। স্বাভাবিকভাবেই এলাকার বিজেপির কর্মীরা সাক্ষাৎ করেন তাঁর সঙ্গে। 

    বিয়েবাড়িতে লোকসভার অধ্যক্ষ (Cooch Behar)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভার অধ্যক্ষের পার্সোনাল অ্যাটেন্ড্যান্ট হিসাবে কাজ করেন দীনবন্ধু বর্মণ। তাঁরই নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগদান করতে আসেন ওম বিড়লা। এই কোচবিহারের বিয়ে বাড়িতে যোগদান করে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাজের ব্যাপক প্রশংসা করেন তিনি। তিনি জোরালো ভাবে বলেন, “দেশে তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।”

    ঠিক কী বললেন ওম বিড়লা? (Om Birla)

    এদিন কোচবিহারের বিয়েবাড়িতে গিয়ে ওম বিড়লা বলেন, “গত দশ বছরে আর্থিক এবং সামাজিক ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশে বিরাট পরিবর্তন এসেছে। দেশের মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস এবং ভরসা অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের প্রান্তিক এলাকার মানুষের জীবনের মান বদলে অনেক সক্রিয় হয়েছে সরকার। গরিব এবং বঞ্চিত মানুষের জন্য সরকারের বহু নীতি, যোজনা এবং পরিকল্পনাকে ব্যাপক ভাবে বাস্তবায়নের কাজ করতে সার্থক প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। আজ দেশে তীব্র গতিতে বেড়ে চলছে অর্থ ব্যবস্থার গতি-প্রকৃতি, ফলে সামাজিক এবং আর্থিক পরিসরে নতুন ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে ভারত উন্নত রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে বিকশিত ভারতের যাত্রা সুদূর প্রসারী হবে।”

    দীনবন্ধুর পরিবারের বক্তব্য (Cooch Behar)

    কোচবিহারে (Cooch Behar) দীনবন্ধুর পরিবারের সদস্যরা বলেন, “দীনবন্ধুর বাবা এবং মা পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন জয়পুরে। সেই সময় ওম বিড়লার কাছে কাজের সুযোগ রয়েছে জানতে পেরে ছেলেকে নিয়ে তাঁর বাড়িতে যান। এরপর থেকে দীনবন্ধু ওম বিড়লার বাড়িতে কাজ শুরু করেন। স্পিকার যেখানে যেখানে যান, সেখানে সেখানে সঙ্গে সঙ্গে থাকেন দীনবন্ধু।” এদিন বিয়েবাড়িতে অধ্যক্ষের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তিনি ঘণ্টা খানেক উপস্থিত থাকেন, তারপর বেরিয়ে যান। এদিকে তাঁকে দেখার জন্য গ্রামের মানুষ ভিড় করেন। জেলার বিজেপির নেতৃত্বরা পৌঁছালে, তাঁদের সঙ্গে কথাও বলেন স্পিকার।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভায় স্মোককাণ্ড, রাজ্যগুলির কাছে নিরাপত্তা প্রধানের নাম চাইল কেন্দ্র

    Parliament Security Breach: লোকসভায় স্মোককাণ্ড, রাজ্যগুলির কাছে নিরাপত্তা প্রধানের নাম চাইল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদ হামলার পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক গত ১৪ ডিসেম্বরে সমস্ত রাজ্য সরকারগুলির মুখ্যসচিবদের চিঠি পাঠিয়েছিল। এই চিঠিতে রাজ্যগুলির তরফ থেকে সংসদে নিরাপত্তা প্রধানের নাম চাওয়া হয়েছে। ১০ লাইনের ওই চিঠিতে রাজ্যের যোগ্য আইপিএস অফিসারদের নাম প্রস্তাব আকারে পাঠাতে বলেছে (Parliament Security Breach) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই নাম জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। গোয়া, মিজোরাম এবং অরুণাচল প্রদেশ, এই তিন রাজ্যে এখনও পর্যন্ত চিঠি পাঠানো হয়নি। তবে সমস্ত কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলের প্রশাসনিক প্রধানদের কাছেও এই চিঠি গিয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, সংসদে নিরাপত্তা প্রধানের পদে ছিলেন ১৯৯৭ ব্যাচের উত্তর প্রদেশ ক্যাডারের আইপিএস রঘুবীর লাল। গত অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়েই তাঁকে নিজ রাজ্যে বদলি করা হয়। সেই থেকে ওই পদে একজন অফিসারকে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে খবর।

    ১৩ ডিসেম্বরের ঘটনা নতুন কিছু নয়

    গত ১৩ ডিসেম্বর সংসদে রং বোমা নিয়ে হামলা নতুন কিছু নয়। এর আগেও একাধিকবার ঘটেছে এমন ঘটনা। তথ্য বলছে, ১৯৮৩ সালে স্লোগান দিতে দিতে রাজ্যসভার এক সাংসদের চেম্বার লক্ষ্য করে চটি ছুড়েছিল এক দর্শক। রাজ্যসভায় স্লোগান দিতে দিতে লিফলেটও ছুড়েছিল এক দর্শক। ১৯৯১ থেকে ৯৪ সালের মধ্যেও একাধিকবার দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়ে (Parliament Security Breach) অধিবেশন কক্ষে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল।

    স্পিকার ওম বিড়লার চিঠি

    সংসদে হানার (Parliament Security Breach) পরেই গড়া হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি। সেই কমিটি বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে। এনিয়ে সাংসদদের চিঠিও লিখেছেন স্পিকার ওম বিড়লা। সাংসদদের পাঠানো চিঠিতে ওম বিড়লা লিখেছেন, “১৩ ডিসেম্বর সংসদে যা ঘটেছে, তার সঙ্গে সাংসদদের সাসপেন্ড করার ঘটনাটি জুড়ে দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক।” তিনি জানিয়েছেন, অধিবেশন কক্ষে সাংসদদের অশালীন আচরণের প্রশংসা দেশবাসী করে না। সংসদের শৃঙ্খলা ও সম্মান রক্ষার্থেই সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে জানিয়ে স্পিকারের বার্তা, “আশা করি, ভবিষ্যতে সংসদের গরিমা ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেবেন সাংসদরা।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা, কী লিখলেন?

    Parliament Security Breach: লোকসভাকাণ্ডে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা, কী লিখলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভাকাণ্ডের (Parliament Security Breach) জেরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করার আবেদনও জানিয়েছেন বিরোধীদের কাছে। এবার ওই ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সাংসদদের চিঠি দিলেন স্পিকার ওম বিড়লা। ঘটনার তদন্তে গঠিত হয়েছে সংসদীয় তদন্ত কমিটি। সংসদ চত্বরের সুরক্ষার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করতে এবং বুধবারের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে, উচ্চ পর্যায়ের আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন স্পিকার ওম বিড়লা।

    সাংসদদের চিঠি স্পিকারের

    বিষয়টি জানিয়ে সাংসদদের চিঠি দিয়েছেন তিনি। উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটি দ্রুত রিপোর্ট দেবে এবং সেই রিপোর্ট সাংসদদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন স্পিকার। সংসদ চত্বরের (Parliament Security Breach) নিরাপত্তা দেখভালের দায়িত্ব সাংসদদের ওপরও বর্তায় বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মতোই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করার পরামর্শও দিয়েছেন ওম বিড়লা। চলছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। অধিবেশন চলাকালীন সংসদের নিয়ন্ত্রণ থাকে স্পিকারের হাতে।

    কী লিখলেন স্পিকার?

    তাই সম্প্রতি বিভিন্ন দলের যে ১৪ জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, লোকসভাকাণ্ডের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও চিঠিতে জানিয়েছেন স্পিকার। সাংসদদের পাঠানো চিঠিতে ওম বিড়লা লিখেছেন, “১৩ ডিসেম্বর সংসদে যা ঘটেছে, তার সঙ্গে সাংসদদের সাসপেন্ড করার ঘটনাটি জুড়ে দেওয়া দুর্ভাগ্যজনক।” তিনি জানিয়েছেন, অধিবেশন কক্ষে সাংসদদের অশালীন আচরণের প্রশংসা দেশবাসী করে না। সংসদের শৃঙ্খলা ও সম্মান রক্ষার্থেই সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে জানিয়ে স্পিকারের বার্তা, “আশা করি, ভবিষ্যতে সংসদের গরিমা ও মর্যাদাকে গুরুত্ব দেবেন সাংসদরা।”

    আরও পড়ুুন: “সংসদের ঘটনার গুরুত্বকে ছোট করে দেখা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    স্পিকার লিখেছেন, অতীতেও সংসদে দর্শকদের গ্যালারিতে পিস্তল নিয়ে ঢোকা, স্লোগান দেওয়া, লিফলেট ছড়ানো মায় সাংসদদের পিপার স্প্রে নিয়ে ঢোকার নজিরও রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংসদ সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সামগ্রিকভাবে সাংসদদের সহযোগিতা ও সমর্থনের আহ্বানও জানিয়েছেন স্পিকার।

    প্রসঙ্গত, ১৯৮৩ সালে স্লোগান দিতে দিতে রাজ্যসভার এক সাংসদের চেম্বার লক্ষ্য করে চটি ছুড়েছিল এক দর্শক। রাজ্যসভায় স্লোগান দিতে দিতে লিফলেটও ছুড়েছিল এক দর্শক। ১৯৯১ থেকে ৯৪ সালের মধ্যেও একাধিকবার দর্শক গ্যালারি থেকে ঝাঁপ দিয়ে (Parliament Security Breach) অধিবেশন কক্ষে পড়ার ঘটনা ঘটেছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Adjourned: “ওঁরা মণিপুরে যেতে পারেন, বাংলা, রাজস্থানে নয়”, ‘ইন্ডিয়া’কে তোপ অনুরাগের  

    Parliament Adjourned: “ওঁরা মণিপুরে যেতে পারেন, বাংলা, রাজস্থানে নয়”, ‘ইন্ডিয়া’কে তোপ অনুরাগের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর নিয়ে প্রথম দিন থেকেই উত্তপ্ত সংসদের বাদল অধিবেশন। বুধবার এ নিয়ে বিরোধীদের তোপ দেগেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন, “বিরোধী নেতারা মণিপুর ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে প্রস্তুত নন। তাঁরা সংসদের আলোচনায় (Parliament Adjourned) অংশগ্রহণ করছেন না। তাঁরা কেবল পালিয়ে যাচ্ছেন, সংসদকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন না।”

    বিরোধীদের তোপ অনুরাগের

    তিনি বলেন, “তাঁরা (বিরোধীরা) মণিপুরে যেতে পারেন, কিন্তু বাংলা ও রাজস্থানে যেতে পারেন না। তাঁরা কেবল রাজনীতি করছেন।” বিরোধীদের উদ্দেশে অনুরাগ বলেন, “সংসদে বিল পেশ করতে বাধা দিলে কিছুই হবে না। তাই তাঁদের সংসদে আসা এবং আলোচনায় অংশ নেওয়া উচিত। তাঁরা এর থেকে অনেক কিছু জানতে পারবেন।” এদিকে, সংসদীয় কাজে (Parliament Adjourned) ব্যাঘাত ঘটায় শাসক ও বিরোধী দু পক্ষের সাংসদদের ওপরই ক্ষুব্ধ লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। যতদিন না সংসদরা উপযুক্ত আচরণ করছেন, ততদিন তিনি আর লোকসভায় আসবেন না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।  

    হট্টগোলে বিরক্ত স্পিকার

    মঙ্গলবার লোকসভায় দিল্লি জাতীয় রাজধানী এলাকার সরকার (সংশোধনী) বিল ২০২৩ পেশ করেছে সরকার। এই বিল পেশের সময় ব্যাপক হট্টগোল হয় সংসদে (Parliament Adjourned)। তার জেরে বিরক্ত বোধ করেন স্পিকার। জানা গিয়েছে, অধ্যক্ষের কাছে সংসদের মর্যাদা রক্ষাই রয়েছে অগ্রাধিকারের তালিকায়। সংসদীয় কার্যক্রম চলার সময় সাংসদরা সংসদের মর্যাদা ও শালীনতা বজায় রাখবেন, এমনটাই আশা করেন তিনি। কিন্তু, ২০ জুলাই বাদল অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকে বিরোধী দল ও ট্রেজারি বেঞ্চের বাধায় যেভাবে বারংবার ব্যাহত হয়েছে সংসদের কাজকর্ম, তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্পিকার। সেই কারণেই অধিবেশন বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “প্রতারণার টাকা সাইফন হয়েছে দফায় দফায়, সেই টাকায়ই ফ্ল্যাট নুসরতের”, দাবি বিজেপির

    আজ, বুধবার স্পিকারের আসনে ছিলেন নাম ওম বিড়লা। এদিন দিল্লি জাতীয় রাজধানী এলাকার সরকার (সংশোধনী) বিল ২০২৩ এর ওপর আলোচনা ও ভোটাভুটি হওয়ার কথা ছিল। তবে এদিনও সংসদের অধিবেশন শুরু হতেই মণিপুর হিংসা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিবৃতির দাবিতে হট্টগোল শুরু করে দেন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সাংসদরা। যেহেতু লোকসভার ডেপুটি পদে কেউ এখন নেই, তাই সংসদ পরিচালনা করেন সাংসদ বিজেপির কিরিৎ সোলাঙ্কি। তিনি একাধিকবার বিরোধীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানালেও, কাজ হয়নি। বাধ্য হয়ে এদিনের মতো মুলতুবি করে দিতে হয় সংসদের দুই কক্ষের কার্যক্রম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • All Party Meeting: সর্বদল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন, কী বললেন প্রহ্লাদ যোশী?

    All Party Meeting: সর্বদল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন, কী বললেন প্রহ্লাদ যোশী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন (Monsoon session)। তার আগে রবিবার সর্বদলীয় বৈঠকে (All Party Meeting) বসল সরকার। রবিবার সকাল ১১টায় সংসদের অ্যানেক্স ভবনে বসে বৈঠক। সরকার পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh), সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Pralhad Joshi)। শনিবার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) ডাকা বৈঠকে যোগ দেয়নি তৃণমূল। তবে এদিন তৃণমূলের তরফে সর্বদল বৈঠকে হাজির ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের তরফে হাজির ছিলেন জয়রাম রমেশ, মল্লিকার্জুন খাড়গে।

    প্রথা মাফিক সংসদে প্রতিটি অধিবেশন শুরুর একদিন আগে সর্বদল বৈঠক ডাকে সরকার। রীতি মেনে ওই বৈঠকে হাজির হয় সব দলই। সংসদের কাজকর্ম স্বাভাবিক এবং সচল রাখতে বৈঠকে বিরোধীদের সহযোগিতা চায় সরকার। এদিনের বৈঠকে গরহাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা। এ নিয়ে ট্যুইট বার্তায় কটাক্ষ করেছেন কংগ্রেসের জয়রাম রমেশ। তিনি লেখেন, সংসদে চলছে সর্বদল বৈঠক। অথচ প্রধানমন্ত্রীই সেই বৈঠকে নেই। এটা কী অসংসদীয় আচরণ নয়?

    আরও পড়ুন : উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়

    কংগ্রেসের এই প্রশ্ন-বাণের উত্তর দিয়েছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগেও সর্বদলীয় বৈঠকে যোগ দিতেন না প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, মনমোহন সিংজি কতবার সর্বদলীয় বৈঠকে অংশ নিয়েছেন?  যোশী জানান, চলতি অধিবেশনে ৩২টি বিল আনবে সরকার। যার মধ্যে ১৪টি বিলই প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। তবে আলোচনা ছাড়া যে সরকার পক্ষ বিল পাশ করাবে না এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, সোমবার থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশন চলবে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত। এই অধিবেশন পর্ব চলাকালীনই হবে রাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন।

     

  • Maharasthra Politics: শিন্ডে শিবিরকে স্বীকৃতি, লোকসভার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ ঠাকরের

    Maharasthra Politics: শিন্ডে শিবিরকে স্বীকৃতি, লোকসভার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ ঠাকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিন্ডে শিবিরকেই আসল শিবসেনার (Shiv Sena) স্বীকৃতি দিয়েছিলেন মহারাষ্ট্র (Maharasthra) বিধানসভার স্পিকার রাহুল নরবেকর। পরে উদ্ধব বিরোধী ওই শিবিরকে স্বীকৃতি দিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও (Om Birla)। এবার সেই স্বীকৃতিকে দেশের শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) চ্যালেঞ্জ জানাল মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) গোষ্ঠী।

    শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেসকে নিয়ে গঠিত মহাবিকাশ আগাড়ি জোট ছেড়ে বেরিয়ে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন শিবসেনা নেতা একনাথ শিন্ডে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে তাতে রাজি না হওয়ায় অনুগত বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাটের সুরাট ও পরে আসামের গুয়াহাটি উড়ে যান শিন্ডে। পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন তিনি। পতন হয় উদ্ধব ঠাকরে সরকারের।

    আরও পড়ুন : শিবসেনা কার? উদ্ধব, শিন্ডেকে তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়ার নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    এর পরে পরেই শিন্ডে শিবিরকে আসল শিবসেনা হিসেবে স্বীকৃতি দেন মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার রাহুল নরবেকর। সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয় ১৮ জুলাই। অধিবেশনের প্রথম দিনই শিবসেনার ১২ জন সাংসদ শিন্ডে শিবিরের অংশ হিসেবে আসল শিবসেনার স্বীকৃতি পেতে আবেদন জানান লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে। লোকসভায় শিবসেনার সাংসদ সংখ্যা ১৮। তার সিংহভাগই শিন্ডে শিবিরে যোগ দেওয়ায় স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের স্বীকৃতি দেন। দক্ষিণ-মধ্য মুম্বই কেন্দ্রের সাংসদ রাহুল শেওয়ালেকে শিবসেনার লোকসভার নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন স্পিকার। রাহুল শিন্ডে শিবিরের নেতা। খারিজ হয়ে যায় উদ্ধব গোষ্ঠীর নেতা বিনায়ক রাউতের এ সংক্রান্ত আবেদন। উদ্ধব গোষ্ঠীর নেতা রাজন বিচারের বদলে শিন্ডে শিবিরের ভাবনা গাওলিকে শিবসেনার চিফ হুইপ হিসেবেও স্বীকৃতি দেন লোকসভার স্পিকার। স্পিকারের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিনায়ক ও রাজন। শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীর দাবি, এটি অবৈধ, অসাংবিধানিক এবং সংসদের রীতি বিরুদ্ধ। তাঁদের অভিযোগ, এটা করা হয়েছে স্রেফ শিবসেনার বিরোধী গোষ্ঠীকে মদত দিতে। তাঁরা বলেন, সংসদীয় দল একটি রাজনৈতিক দলের প্রোডাক্ট মাত্র। তাই শিন্ডে শিবিরকে মান্যতা দেওয়া ঠিক হয়নি।

    আরও পড়ুন : আসল শিবসেনা প্রমাণ করতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন শিন্ডে?

  • Unparliamentary Words Row: কোনও শব্দেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি, সাফ জানালেন লোকসভার স্পিকার

    Unparliamentary Words Row: কোনও শব্দেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি, সাফ জানালেন লোকসভার স্পিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও শব্দেই কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়নি। সাংসদরা স্বাধীনভাবে তাঁদের মতামত জানাতে পারেন। তবে সংসদীয় পরম্পরা মেনে বক্তব্য রাখাই বাঞ্ছনীয়। অসংসদীয় শব্দ (Unparliamentary Words) নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই এমন মন্তব্য করেন লোকসভার (Lok Sabha) স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)।

    ৮ জুলাই বাদল অধিবশেন শুরুর আগে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে কেন্দ্র জানিয়ে দেয় গণতন্ত্রের মন্দিরে আপত্তিকর এবং অসংসদীয় শব্দ প্রয়োগ করা যাবে না। সম্প্রতি বিলি করা হয়েছে ওই পুস্তিকা। তাতে অংসদীয় শব্দের বেশ কিছু তালিকাও দেওয়া হয়েছে। হিন্দির পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ইংরেজি শব্দও এতে রয়েছে। সংসদে বক্তব্য রাখার সময় এই শব্দগুলি ব্যবহার করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে পুস্তিকায়। এর মধ্যে রেয়েছে জুমলেবাজি, শকুনি, তানাশাহি, গদ্দার, দালাল, বহেরি সরকার, কালা দিনের মতো শব্দ। এই সব হিন্দি শব্দের পাশাপাশি রয়েছে কিছু ইংরেজি শব্দও। এগুলি হল, ডাংকি, অ্যাবিউজড, কোরাপ্ট, কাউওয়ার্ড, ক্রিমিনাল, ড্রামা, ক্রোকোডাইল টিয়ার্স প্রভৃতি। শব মিলিয়ে অসংসদীয় শব্দের সংখ্যা পঞ্চাশের কাছাকাছি। এই পরেই সূত্রপাত হয় বিতর্কের।

    আরও পড়ুন : ৩৩ কোটি হিন্দু দেব দেবীর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন! দুঃখিত আজমীর শরিফের ধর্মগুরু আদিল চিস্তি

    বিতর্কে ইতি টানতে উদ্যোগী হয়েছেন লোকসভার স্পিকার স্বয়ং। তিনি বলেন, এই ধরনের পুস্তিকা প্রকাশ হয়ে আসছে ১৯৫৯ সাল থেকে। কোনও শব্দই নিষিদ্ধ করা হয়নি। সংসদের সদস্যরা তাঁদের নিজেদের মতামত জানাতে পারেন। কারওরই কোনও কোনও অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে না। তবে সংসদীয় পরম্পরা মেনে বক্তব্য রাখাই বাঞ্ছনীয়। তিনি বলেন, আগেও এ ধরনের পুস্তিকা প্রকাশিত হয়েছে। কাগজের অপব্যবহার রুখতে আমরা সেগুলিকে ইন্টারনেটে রেখে দিয়েছি। কোনও শব্দই নিষিদ্ধ করা হয়নি। 

    আরও পড়ুন :ভারত এগোচ্ছে, প্রগতির ছবিও স্পষ্ট, জানালেন মোহন ভাগবত

    ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেছেন রাহুল গান্ধী। তাঁর কটাক্ষ, নতুন ভারতের নতুন অভিধান। পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে পদ্ম শিবিরও। বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, লোকসভার স্পিকার পুরো ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। বিরোধীদের ধোঁয়াশা পরিষ্কারও করে দিয়েছেন তিনি। তার পরেও অযথা বিতর্ক হচ্ছে। বিরোধীরা এই অধিবেশনে তোলার মতো কোনও ইস্যু পাচ্ছেন না। তাই এটা নিয়ে হইচই করছেন। সম্বিত বলেন, স্পিকার তো সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও শব্দই নিষিদ্ধ করা হয়নি।

     

  • Navneet Rana: নবনীত রাণার গ্রেফতারি ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব সংসদীয় কমিটির

    Navneet Rana: নবনীত রাণার গ্রেফতারি ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব সংসদীয় কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা সাংসদ নবনীত রাণার (Navneet Rana) গ্রেফতারির ইস্যুতে মহারাষ্ট্রের চার শীর্ষ আধিকারিককে তলব করল সংসদীয় কমিটি। এই চারজন হলেন – মহারাষ্ট্রের মুখ্যসচিব, মহারাষ্ট্রের ডিজিপি, মুম্বাই পুলিশ কমিশনার এবং বাইকুল্লা জেলা মহিলা জেলের সুপারইন্টেনডেন্ট আগামী ১৫ জুন তলব করল সংসদের প্রিভিলেজ এবং এথিকস্ কমিটি (Parliament Privileges and Ethics Committee)। এছাড়াও সাংসদ সঞ্জয় কুমার বন্দিকে গ্রেফতারের ইস্যুতে তেলাঙ্গনার এক আধিকারিককেও তলব করা হয়েছে। 

    ২৩ এপ্রিল ‘হনুমান চালিশা’ বিতর্কে সাংসদ নবনীত রাণা এবং তাঁর বিধায়ক স্বামী রবি রাণাকে গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশ। জেলে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে একথা জানিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লেখেন নির্দল সাংসদ নবনীত রাণা। চিঠিতে নবনীত লেখেন, “২৩ তারিখ আমাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ২৩ এপ্রিলের রাত আমাকে পুরোপুরি থানার ভিতরেই কাটাতে হয়। রাতে আমি বহুবার খাওয়ার জন্য জল চেয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে একবারও জল দেওয়া হয়নি। এমনকী, আমাকে বলা হয়, আমি নিচু জাতের মেয়ে। তাই তাঁরা যে গ্লাসে জল খান, সেই একই গ্লাসে আমাকে জল দিতে পারবেন না। আমার সঙ্গে যা করা হয়েছে, তা আদতে মানবাধিকারবিরোধী।”  

    আরও পড়ুন: মোদির বাসভবনের সামনে নমাজ, হনুমান চালিশা পাঠ করতে চেয়ে অমিত শাহকে চিঠি এনসিপি নেত্রীর
     
    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই লাউডস্পিকার বিতর্কে উত্তাল হয় গোটা দেশ, বিশেষ করে মহারাষ্ট্র। মুসলিমদের লাউডস্পিকারে আজান পড়ার বিরোধিতা করে হিন্দু সংগঠন থেকে সাধারণ মানুষ। সেই প্রসঙ্গেই এই রাণা দম্পতি মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের বাড়ির সামনে লাউডস্পিকারে হনুমান চালিশা পড়ার হুঁশিয়ারি দেন। সেই অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয় তাঁদের। পরে জামিনও পান তাঁরা।    

    সংসদীয় কমিটি তলব করা সব সরকারি আধিকারিককেই ১৫ জুন সশরীরে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাংসদ সঞ্জয় কুমার বন্দি অভিযোগ করেন একটি মিথ্যে মামলায় তাঁকে বলপূর্বক গ্রেফতার করেন তেলাঙ্গনার পুলিশ আধিকারিক সত্যনারায়ণ। সেই অভিযোগের ভিত্ততেই সত্যনারায়ণকেও তলব করেছে কমিটি। 

    আরও পড়ুন: “ক্ষমতা আসে-যায়…” উদ্ধবকে কী হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ ঠাকরে?

LinkedIn
Share