Tag: Online Fraud

Online Fraud

  • Suvendu Adhikari: প্রতারণা রুখতে কড়া পদক্ষেপ, ফ্ল্যাট জালিয়াতি থেকে খাবারে ভেজাল—জিরো টলারেন্সের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: প্রতারণা রুখতে কড়া পদক্ষেপ, ফ্ল্যাট জালিয়াতি থেকে খাবারে ভেজাল—জিরো টলারেন্সের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির জেরে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতা। এমন অভিযোগ তুলে উপভোক্তা অধিকার রক্ষায় কড়া পদক্ষেপের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে ‘ক্রেতা সুরক্ষা সপ্তাহ’। হগ মার্কেট চত্বরে এই কর্মসূচির সূচনা করে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছে, ফ্ল্যাট জালিয়াতি, মাছ-সবজিতে ক্ষতিকর রাসায়নিকের ব্যবহার, মাপে কারচুপি কিংবা অন্য কোনও অসাধু কারবার— কোনও ক্ষেত্রেই আপস করা হবে না (Consumer Rights Week)।

    দীর্ঘদিন অবহেলায় ক্রেতা সুরক্ষা দফতর (Suvendu Adhikari)

    অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে আগের সরকারগুলির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। অভিযোগ করা হয়, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ক্রেতা সুরক্ষা দফতর কার্যত অবহেলিত ছিল।

    শাক-সবজি, মাছ-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কেনার সময় দাঁড়িপাল্লা থেকে আধুনিক বৈদ্যুতিন মাপযন্ত্রে কারচুপি, পণ্য কেনার পর রসিদ না দেওয়া— বিভিন্ন উপায়ে ক্রেতাদের প্রতারিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই ধরনের অনিয়ম বন্ধ করতে নজরদারি আরও জোরদার করার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    ফ্ল্যাটের নামে প্রতারণা, বাড়ছে অভিযোগ

    ফ্ল্যাট কেনাবেচার ক্ষেত্রে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতারণা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সল্টলেকে দলীয় কার্যালয়ে ‘জনতার দরবার’ এবং মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ গ্রহণকেন্দ্রে প্রতিদিন এ সংক্রান্ত বহু অভিযোগ জমা পড়ছে বলে জানানো হয়েছে।

    অভিযোগ, ভুয়ো বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করে অগ্রিম টাকা নেওয়া হচ্ছে। ফ্ল্যাট বুকিংয়ের নাম করে টাকা নেওয়ার পর বহু ক্ষেত্রে ক্রেতাদের সর্বস্বান্ত হতে হচ্ছে। এই ধরনের প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    অনলাইন প্রতারণা চক্রের হদিস, গ্রেফতার ১২০

    অনলাইন প্রতারণার একটি ঘটনার উল্লেখ করে জানানো হয়েছে, মাত্র ১০ দিন আগে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট নিউ টাউনের একটি ঘরে অভিযান চালিয়ে ১২০ জনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, একটি চক্র বিভিন্ন পরিচিত খাবার ও পণ্য সরবরাহকারী সংস্থার নাম ব্যবহার করে ভুয়ো বুকিংয়ের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করছিল।

    অনলাইন লেনদেনের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে আরও সতর্ক থাকার পাশাপাশি এই ধরনের চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    আনাজ-মাছে ক্ষতিকর রাসায়নিক, নজরদারিতে প্রশাসন

    খাদ্যে ভেজাল ও কালোবাজারি রুখতে সম্প্রতি নবান্নে বিশেষ প্রশাসনিক বৈঠক হয়। বৈঠকে ক্রেতা সুরক্ষা দফতর, খাদ্য পরিদর্শক, এনফোর্সমেন্ট শাখা, দুর্নীতি দমন শাখা এবং স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

    আনাজ ও চিনির দাম আচমকা বেড়ে যাওয়ার পর প্রশাসনের পদক্ষেপে বাজারদর কিছুটা কমেছে বলে জানানো হয়েছে। চালের দাম অকারণে বাড়ানোর কোনও কারণ নেই বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

    এছাড়াও নামী রেস্তোরাঁ, হোটেল ও মিষ্টির দোকানে খাবারে ক্ষতিকর রাসায়নিক রঙের ব্যবহার বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। মাছ ও সবজিকে সতেজ দেখাতে বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবহারের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে।

    অভিযোগ, অতিরিক্ত মুনাফার লোভে কিছু ব্যবসায়ী এবং দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা ও অসাধু আধিকারিকদের একাংশের যোগসাজশে এই ধরনের কারবার চলছিল। এই ধরনের অনিয়ম আর বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    বাউল গান থেকে পথনাটিকা, সচেতনতা প্রচারে নানা উদ্যোগ

    উপভোক্তা সুরক্ষা আইন সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে রাজ্যজুড়ে সপ্তাহব্যাপী প্রচার চালানো হচ্ছে। বাউল গান, পথনাটিকা, লিফলেট বিতরণ, প্রচার-সজ্জিত ট্যাবলো, বাজারে গিয়ে মাপযন্ত্র পরীক্ষা এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার চালানো হবে। বিভিন্ন জায়গায় সচেতনতামূলক শিবির ও স্টলও করা হবে। ক্রেতারা যাতে নিজেদের অধিকার সম্পর্কে জানতে পারেন এবং প্রতারণার শিকার হলে কোথায় অভিযোগ জানাবেন, সে বিষয়ে তাঁদের সচেতন করাই এই (Suvendu Adhikari) কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

    দফতরকে আরও সক্রিয় করতে একাধিক পদক্ষেপ

    ক্রেতা সুরক্ষা দফতরকে আরও গতিশীল করতে একাধিক প্রশাসনিক পদক্ষেপের কথাও জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, বাজেটে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ, সরকারি কর্ম কমিশনের মাধ্যমে দ্রুত নতুন আধিকারিক নিয়োগ, গুণমান ও পরিমাপ পরীক্ষার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ, আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এনফোর্সমেন্ট শাখা ও দুর্নীতি দমন শাখার পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা নিশ্চিত করা।

    প্রশাসনের বার্তা, ক্রেতা প্রতারণা, ভেজাল, মাপে কারচুপি কিংবা অসাধু ব্যবসার বিরুদ্ধে আগামী দিনে আরও কড়া নজরদারি চলবে (Consumer Rights Week)। সাধারণ মানুষের স্বার্থে উপভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় ও কার্যকর করাই সরকারের লক্ষ্য (Suvendu Adhikari)।

     

  • Online Fraud: নয়া ব্যাঙ্কিং প্রতারণার ফাঁদ! বাঁচার উপায় কী? জানুন এবং সুরক্ষিত থাকুন

    Online Fraud: নয়া ব্যাঙ্কিং প্রতারণার ফাঁদ! বাঁচার উপায় কী? জানুন এবং সুরক্ষিত থাকুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল ব্যাঙ্কিংয়ের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের সঙ্গে বেড়েছে প্রতারণা। পারম্পরিক চুরি ডাকাতির জায়গা নিয়েছে অনলাইন চুরি (Online Fraud)।  ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে একেবারে পুরো টাকা হাপিস করার নতুন উপায় নিয়ে আসছে হ্যাকাররা। গ্রাহকরা এখন সময় বাঁচাতে অনলাইন ব্যাঙ্কিং পরিষেবা গ্রহণ করছে এবং প্রতারকরা তাদের কেলেঙ্কারি চালাতে এখন ব্যবহার করছে ফাইল ডাউনলোড জালিয়াতি। দেশের প্রধান ব্যাঙ্কগুলি, যেমন AU Bank, SBI, PNB, Axis Bank, এবং অন্যান্যগুলি গ্রাহকদের প্রতারণা থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশগুলি প্রদান করেছে। APK ফাইল ডাউনলোড স্ক্যাম এখন OTP স্ক্যামের জায়গা নিয়েছে। আসুন এই নতুন স্ক্যাম কৌশলগুলি সম্পর্কে জেনে নিন। ব্যাঙ্কগুলি তাদের ক্লায়েন্টদের স্ক্যামারদের ফাঁদে পড়া থেকে সতর্ক করছে।

    APK ফাইল ডাউনলোড স্ক্যাম

    ইতিমধ্যেই দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক SBI ফাইল জালিয়াতির বিষয়ে সতর্ক করেছে। যে কোন পরিচিত থার্ড পার্টি অ্যাপ বা অ্যাপের APK ফাইল যা আপনার সমস্ত তথ্য অ্যাক্সেস করতে চায় এমন অ্যাপ বা APK ফাইল ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ হ্যাকাররা সহজেই আপনার সমস্ত তথ্য পেয়ে যেতে পারে এবং জালিয়াতি করতে পারে। এর আগে, এসবিআই নিজের গ্রাহকদের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, জালিয়াতি রোধ করতে হোয়াটসঅ্যাপ বা বার্তার মাধ্যমে প্রাপ্ত কোনও লিঙ্ক না খুলতে বলেছিল। প্রথমে হ্যাকাররা গ্রাহককে মেসেজ বা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একটি লিঙ্ক পাঠায়। গ্রাহক যখন APK ফাইলে ক্লিক করেন এবং এটি ইনস্টল করেন, তখন তাদের স্ক্রিনে বিভিন্ন সতর্কবার্তা দেখা যায়। এর পরে, হ্যাকার তাদের হ্যাকিং ডিভাইসের মাধ্যমে গ্রাহকের মোবাইল ফোনের অ্যাক্সেস লাভ করে, যা প্রতারণার দিকে পরিচালিত করে।

    প্রতারণা থেকে বাঁচতে

    APK ফাইলের আকার মাত্র কয়েক KB হলে কখনই লিঙ্ক ক্লিক বা ডাউনলোড করবেন না। যদি একটি ইনস্টল করা APK ফাইল ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, জিপিএস, পরিচিতি, এসএমএস ইত্যাদির জন্য অনুমতির অনুরোধ করে, তাহলে অবিলম্বে আপনার ফোন থেকে সেই অ্যাপ সরিয়ে ফেলুন।

    আরও পড়ুন: Lok Sabha Elections 2024: ভোট তো দেন, জানেন কীভাবে কাজ করে ইভিএম?

    আপনার ফোনে যদি অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ইনস্টল করা থাকলে, এটি অবিলম্বে বিপদ সনাক্ত করবে, এটি নির্দেশ দেবে যে APK ফাইলটি নিরাপদ নয়। ব্যবহারকারীদের গুগল প্লে স্টোর থেকে সতর্কতা অনুসরণ করা উচিত। পর্যায়ক্রমে আপনার ফোন রিবুট করুন।

    অন্যান্য বেসরকারি ব্যাঙ্কের সাবধান বাণী (Online Fraud)

    এটি উল্লেখ করার মত যে ICICI ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক এবং AU ব্যাঙ্কও তাদের গ্রাহকদের অনলাইন জালিয়াতি (Online Fraud) থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারি করেছে। অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক কোনও অনলাইন তথ্য শেয়ার করার আগে তার গ্রাহকদের উৎস যাচাই করার জন্য অনুরোধ করে। যেই ব্যাঙ্কে আপনার অ্যাকাউন্ট আছে তাঁদের গাইডলাইন মেনে চলুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Fraud: অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নিল প্রতারকরা, কীভাবে?

    Fraud: অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নিল প্রতারকরা, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই জামতারা গ্যাংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বারাকপুর জুড়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা (Fraud) করার অভিযোগ উঠেছিল একটি দলের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। মূল পান্ডার খোঁজে তল্লাশি শুরু করছে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার রাজ্য পুলিশের এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মী কালীচরণ মাঝি প্রতারকদের খপ্পড়ে পড়লেন। তিনি বিধানসভার মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষের প্রাক্তন দেহরক্ষী ছিলেন। প্রতারকরা কয়েক দফায় তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৭ লাখ ১৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। ইতিমধ্যেই বারাকপুর সাইবার ক্রাইম থানায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। একজন পুলিশ কর্মীর অ্যাকাউন্ট সাফ করে দেওয়ার ঘটনায় যথেষ্ট উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কীভাবে প্রতারণা? (Fraud)

    রাজ্যজুড়ে অনলাইন প্রতারণা (Fraud) চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আধার কার্ড জালিয়াতি করে বহু মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা সাফ করে দিচ্ছে প্রতারকরা। অনলাইনে প্রতারকদের বিরুদ্ধে পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে। অনেককে গ্রেফতারও করেছে। কিন্তু, প্রতারকদের এই জালিয়াতি বন্ধ করতে পারছে না পুলিশ। নিত্য নতুন কৌশল ব্যবহার করে প্রতারকরা মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফাঁকা করে দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, কালীচরণ মাঝি রাজ্য পুলিশের কর্মী ছিলেন। তিনি থাকেন সোদপুরে। তিনি পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। মাসখানেক আগে তিনি অবসরগ্রহণ করেন। স্বাভাবিকভাবে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অবসরকালীন অনেক টাকাই গচ্ছিত ছিল। এই গচ্ছিত টাকার একটা বড় পরিমাণ প্রতারকরা হাতিয়ে নেয়। কালীচরণবাবু বলেন, আমার মোবাইলের মেসেজে একটা নম্বর আসে। এরপর একটা অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে। বিদ্যুতের বিল আপডেট নেই বলে জানানো হয়। আমি বিল মিটিয়ে দিয়েছি। অফিস যাচ্ছি বলার পর ফোনের অপরপ্রান্তে থাকা ব্যক্তি বলেন, অফিস যাওয়ার প্রয়োজন নেই। একটি ওটিপি দিচ্ছি। সেটা শেয়ার করলেই বিল আপডেট হয়ে যাবে। ওটিপি শেয়ার করতেই পর পর মোবাইলে মেসেজ আসে। এরপর কয়েক দফায় আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ৭ লক্ষ ১৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারকরা।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ বলেন, রাজ্যজুড়ে প্রতারণা (Fraud)  চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অবসরকালীন তিনি যে টাকা পেয়েছিলেন, সেই টাকার একটা বড় অংশ প্রতারকরা হাতিয়ে নিয়েছে। পুলিশে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। আমাদের দাবি, যে বা যারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত তাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share