Tag: Op Sindoor

  • Pakistani-Sindhi Brides: অপেক্ষার অবসান! অপারেশন সিঁদুরের পর ভিসা জট কাটিয়ে ভারতে এলেন ১৫০ পাকিস্তানি সিন্ধি কনে

    Pakistani-Sindhi Brides: অপেক্ষার অবসান! অপারেশন সিঁদুরের পর ভিসা জট কাটিয়ে ভারতে এলেন ১৫০ পাকিস্তানি সিন্ধি কনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের টানাপোড়েনে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ভিসা পরিষেবা এবং ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত দিয়ে যাতায়াত। এর জেরে পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের (Pakistani-Sindhi Brides) বহু পরিবারের মেয়েদের ভারতীয় পাত্রদের সঙ্গে বিয়ে কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। অবশেষে সেই জট কাটিয়ে অন্তত ১৫০ জন পাকিস্তানি সিন্ধি কনে ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা বিকল্প ট্রানজিট রুটে ভারতে এসে পৌঁছেছেন। সিন্ধি সম্প্রদায়ের নেতা রাজেশ ঝামবিয়া সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার পরবর্তীতে ওই কনেদের এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ভিসা মঞ্জুর করে। তবে তাঁদের সরাসরি আটারি সীমান্ত দিয়ে নয়, তৃতীয় কোনও দেশের মাধ্যমে বিমানে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। ঝামবিয়ার কথায়, “অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হয়েছে।” তাঁর দাবি, কনে ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা মাসকাট, দুবাই, শ্রীলঙ্কা এবং অন্যান্য ট্রানজিট রুট ব্যবহার করে ভারতে পৌঁছেছেন।

    আটারি সীমান্ত বন্ধের পর বদলে যায় পরিস্থিতি

    দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের সিন্ধি পরিবারগুলি বিয়ের জন্য ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত ব্যবহার করে ভারতে যাতায়াত করতেন। কিন্তু অপারেশন সিঁদুরের পর সেই পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। ঝামবিয়া বলেন, আটারি রুটে ভারতে আসার পরিকল্পনা করা ব্যক্তিদের ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছিল। ফলে ভারতে বিয়ের জন্য অপেক্ষায় থাকা বহু পাকিস্তানি তরুণীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এরপর রায়পুরের সন্ত যুধিষ্ঠিরলাল শাদানি, যিনি পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের ঘোটকিতে অবস্থিত শাদানি দরবারের আধ্যাত্মিক প্রধান, এই সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হন। ভারতে যাঁদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল, এমন পাকিস্তানি তরুণীদের একটি তালিকা তৈরি করা হয়।

    কেন্দ্রের কাছে আবেদন

    শাদানি দরবারের পক্ষ থেকে ওই তালিকা ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হয়। তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভারতে আসার জন্য ভিসা দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। ঝামবিয়ার দাবি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আবেদন বিবেচনা করে তাঁদের ভারতে আসার অনুমতি দেয়। তবে শর্ত ছিল—সীমান্ত দিয়ে নয়, বিমানে করে তৃতীয় কোনও দেশের মাধ্যমে ভারতে প্রবেশ করতে হবে। তিনি জানান, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে প্রায় ১৫০ জন কনে ও তাঁদের পরিবারের সদস্য পাকিস্তান থেকে দুবাই, ওমান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ-সহ বিভিন্ন দেশের ট্রানজিট রুট ব্যবহার করে ভারতে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে শুধু নাগপুরেরই প্রায় ১৫টি বিয়ের ঘটনা রয়েছে।

    এখনও অপেক্ষায় প্রায় ৩০০ কনে

    তবে সমস্যা পুরোপুরি মেটেনি। ঝামবিয়ার দাবি, পাকিস্তানে এখনও প্রায় ৩০০ জন সিন্ধি তরুণী রয়েছেন, যাঁদের ভারতীয় যুবকদের সঙ্গে বিয়ে ঠিক হয়েছে। ভিসা জটিলতার কারণে তাঁরাও ভারতে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। এই তরুণীদেরও যাতে ভারতীয় ভিসা দেওয়া হয়, সেই জন্য ভারত সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিন্ধি সম্প্রদায়ের নেতারা। অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেও এই বিয়েগুলির ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দুই দেশের সিন্ধি পরিবারগুলির জন্য স্বস্তির বার্তা এনেছে।

LinkedIn
Share