Tag: Pakistan Airstrikes

  • Cross Border Terrorism: সীমান্তপারের সন্ত্রাসে বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ করতে হবে পাকিস্তানকে, সাফ জানাল ভারত

    Cross Border Terrorism: সীমান্তপারের সন্ত্রাসে বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ করতে হবে পাকিস্তানকে, সাফ জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ (Cross Border Terrorism) মোকাবিলায় পাকিস্তানকে (Pakistan) কথার পাশাপাশি বাস্তব ও বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ করতে হবে। পাকিস্তান কী বলছে, তা আন্তর্জাতিক মহল বিশ্বাস করার আগে ইসলামাবাদকে কাজের মাধ্যমে তার প্রতিশ্রুতি পূরণের দাবি প্রমাণ করতে হবে বলে মঙ্গলবার জানাল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।

    মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান তথা প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। মুনির জানিয়েছিলেন, দেশে জঙ্গি তৎপরতা বাড়তে থাকা হুমকির মধ্যে সন্ত্রাসবাদ পরাস্ত করতে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    এর জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “পাকিস্তানকে পদক্ষেপ এবং দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রমাণ দিতে হবে। সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তাদের বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নিতে হবে। তারা যা বলছে, তা সত্যিই করবে—বিশ্বকে তা বিশ্বাস করাতে হলে এই পদক্ষেপ জরুরি।”

    গত বছর পহেলগাঁও হামলার পর থেকেই নয়াদিল্লি বলে আসছে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেওয়া থেকে পাকিস্তানকে বিশ্বাসযোগ্য ও স্থায়ীভাবে সরে আসতে হবে।

    পেশোয়ারে আসিম মুনিরের বার্তা (Cross Border Terrorism)

    এর আগে মঙ্গলবার পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির বলেছিলেন, দেশে জঙ্গি হুমকি বাড়তে থাকলেও, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দফতরের তথ্য অনুযায়ী, মুনির পেশোয়ারের সেনা সদর দফতর পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং প্রদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত হন। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং সেখানে মোতায়েন বাহিনীর প্রস্তুতি নিয়েও তাঁকে জানানো হয়।

    পাক সেনাবাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, মুনির জোর দিয়ে জানান, দেশের জনগণের অবিচল সমর্থন নিয়ে সশস্ত্র বাহিনী সন্ত্রাসবাদ পরাস্ত করতে এবং সারা দেশে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিহতদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

    আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলার নিন্দা ভারতের

    এদিকে আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানের বিমান হামলারও তীব্র নিন্দা করেছে ভারত। জয়সওয়াল বলেন, সার্বভৌম প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এই ধরনের আগ্রাসনের ঘটনা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আফগানিস্তানের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি ভারতের সমর্থনের কথাও জানান তিনি।

    পাকিস্তান সোমবার জানিয়েছিল, আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্ত্রাসবাদীদের শিবির ও গোপন আস্তানায় বিমান হামলা চালিয়েছে তাদের নিরাপত্তা বাহিনী। পাকিস্তানের দাবি, ওই হামলায় আত্মঘাতী হামলাকারী-সহ ২৮ জন সন্ত্রাসবাদী নিহত হয়েছে। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, তিনটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়।

    তবে আফগানিস্তান পাকিস্তানের এই দাবি ও পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছে। কাবুলের তরফে আফগান ভূখণ্ড পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেওয়া হয়—এমন অভিযোগও অস্বীকার করা হয়েছে।

    পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই কাবুলের তালিবান প্রশাসনের কাছে আফগান ভূখণ্ডে থাকা সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটি ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। বিশেষ করে পাকিস্তানের নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত ঘাঁটিগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায় ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের অভিযোগ, এসব জায়গা থেকে তাদের দেশে হামলা চালানো হয় (Cross Border Terrorism)।

    সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি নিয়েও ভারত-পাকিস্তান মতবিরোধ

    এদিকে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে সালিশি আদালতের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তথ্য বিকৃতির অভিযোগ তুলেছে ভারত।

    পাকিস্তান এই সিদ্ধান্তকে স্থায়ী সালিশি আদালতের রায় হিসেবে তুলে ধরছে—এমন প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “প্রথমত, পাকিস্তানের মন্ত্রী যেভাবে বিষয়টি তুলে ধরছেন, তথাকথিত এই সিদ্ধান্ত স্থায়ী সালিশি আদালতের রায় নয়। এটি একটি বেআইনিভাবে গঠিত আদালতের সিদ্ধান্ত। আমরা একে বাস্তবতাকে বিকৃত করার পাকিস্তানের আর একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছি। এই বিষয়ে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট এবং আমরা তা একাধিকবার জানিয়েও দিয়েছি।”

    অগাস্টের শেষের দিকে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি সংক্রান্ত একটি সিদ্ধান্তে সালিশি সংস্থা (Pakistan) জানিয়েছিল, চুক্তিটি কার্যকর রয়েছে এবং ভারত একতরফাভাবে সেটিকে স্থগিত রাখতে পারে না। ভারত অবশ্য ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে স্পষ্ট জানিয়েছিল, তারা ওই সালিশি প্রক্রিয়াকে স্বীকৃতিই দেয় না (Cross Border Terrorism)।

     

  • India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ তকমাকে বলল রাষ্ট্রীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশল

    India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ তকমাকে বলল রাষ্ট্রীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলল ভারত (India Slams Pakistan)। সোমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UN Security Council) আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পার্বতানেনি বলেন, “পাকিস্তান নিজেদের দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ নামে অভিহিত করে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন প্রচার চালাচ্ছে।”

    পাকিস্তানকে তোপ ভারতের (India Slams Pakistan)

    গত বছর পাকিস্তান নিজেদের ভূখণ্ডে সক্রিয় একাধিক জঙ্গি সংগঠনকে এই নামে চিহ্নিত করে দাবি করেছিল যে, তারা ভারতের মদতপুষ্ট। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে ইসলামাবাদ কোনও প্রমাণ দাখিল করেনি। এ প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “ধর্মীয় পরিভাষার আড়ালে এই নামকরণ আসলে পাকিস্তানের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের অংশ।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী নিজেদের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে এই ধরনের প্রচার চালাচ্ছে।” তাঁর দাবি, ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ জিইয়ে রেখে পাকিস্তান আসলে নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছে।

    পাকিস্তানের সমালোচনা

    তিনি পাকিস্তানের রাজনৈতিক কাঠামো ও সেনাবাহিনীর ভূমিকার সমালোচনাও করেন। পার্বতানেনির অভিযোগ, সাম্প্রতিক সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশটিতে সামরিক বাহিনীর প্রভাব আরও বেড়েছে। আফগানিস্তানের ভেতরে পাকিস্তানের সামরিক অভিযানেরও তীব্র সমালোচনা করে ভারত। পার্বতানেনি সাফ জানিয়ে দেন, অসামরিক মানুষের মৃত্যু ঘটিয়ে কোনও অভিযানকে সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ বলা যায় না। তিনি এও বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও ইসলামি সংহতির কথা বললেও, রমজান মাসে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়ে পাকিস্তান ভণ্ডামির পরিচয় দিয়েছে।” ভারতের প্রতিনিধি দাবি করেন, প্রতিবেশী দেশগুলির ওপর নিজেদের ব্যর্থতার দায় চাপানোর দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে পাকিস্তানের।

    পাক-আফগান সীমান্তে উত্তেজনা

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী ও শিশু-সহ অন্তত ১৩ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হওয়ার তথ্য সামনে আসে। এরপর দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ ও পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু হয়। মার্চ মাসে রাষ্ট্রসঙ্ঘ জানিয়েছিল, সংঘর্ষে আফগানিস্তানে অন্তত ৪২ জন নিহত ও ১০৪ জন আহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এক লাখেরও বেশি মানুষ (India Slams Pakistan)। এরপর আফগান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কাবুলের একটি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, ওই হামলায় ৪০০-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যদিও রাষ্ট্রসঙ্ঘ (UN Security Council) অন্তত ২৬৯ জনের মৃত্যুর খবর যাচাই করেছে। আপাতত উত্তেজনা কিছুটা কমলেও, সীমান্তে এখনও ঘটছে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা (India Slams Pakistan)।

     

LinkedIn
Share