Tag: Pakistan army

Pakistan army

  • BLA: বালুচিস্তানে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ২৫ পাক সেনা নিহতের দাবি বিএলএ-র, পাল্টা অভিযানে ৫০ ‘জঙ্গি’ নিহতের দাবি ইসলামাবাদের

    BLA: বালুচিস্তানে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, ২৫ পাক সেনা নিহতের দাবি বিএলএ-র, পাল্টা অভিযানে ৫০ ‘জঙ্গি’ নিহতের দাবি ইসলামাবাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুচিস্তানে ফের বড় ধরনের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ল পাক সেনা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (BLA)। সংগঠনের দাবি, পৃথক দু’টি হামলায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অন্তত ২৫ জন সদস্য নিহত (Pakistani Soldiers Killed) হয়েছেন। এর মধ্যে জিয়ারত ক্রস এলাকায় সামরিক কনভয়ে হামলা চালিয়ে ১৮ জনকে হত্যার দাবি করেছে বিএলএ। এদিকে, হাজিকা এলাকায় আরও একটি হামলায় সাত পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংগঠনটি। তবে হতাহতের সংখ্যা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার পর দ্রুত পাল্টা অভিযান শুরু করে পাক সেনাবাহিনী। তাদের দাবি, বালুচিস্তানের মাস্তুং, সিবি, কোয়েটা ও কালাত জেলার বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গিদের ঘাঁটিতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ জনকে হত্যা করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে বিএলএ এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (TTP)-এর সদস্য রয়েছে বলে দাবি করেছে পাক সামরিক বাহিনী। ফলে দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ বালুচিস্তানে নতুন করে নিরাপত্তা সংকট তীব্র হয়েছে।

    সশস্ত্র তৎপরতা আরও জোরদার করেছে বিএলএ (BLA)

    গত কয়েক মাস ধরে পাকিস্তানি সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র তৎপরতা আরও জোরদার করেছে বিএলএ। সংগঠনটির দাবি, তাদের ‘ফাতেহ স্কোয়াডে’র সদস্যরা জিয়ারত ক্রস এলাকায় একটি সামরিক কনভয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলায় দু’টি সামরিক যান ধ্বংস করা হয় এবং ১৮ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। আরও পাঁচ সেনা আহত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে পেরেছে বলেও জানিয়েছে বিএলএ।

    এই হামলার মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের চালানো সবচেয়ে বড় এবং দুঃসাহসিক হামলাগুলির একটি সামনে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। হামলার পর বিএলএর নিজস্ব গণমাধ্যম শাখা ‘হাক্কাল’ একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে বিস্ফোরণ, গুলির শব্দ এবং আগুনে জ্বলতে থাকা একটি সামরিক ট্রাকের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। ভিডিওর কয়েকটি দৃশ্যে সশস্ত্র যোদ্ধাদের সামরিক যানগুলির কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ট্রাক থেকে অস্ত্র সরিয়ে নিতে দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

    আলোচনায় বিএলএর ফাতেহ স্কোয়াড এবং এসটিওএস

    জিয়ারত ক্রসের হামলার পর ফের আলোচনায় এসেছে বিএলএর বিশেষ যুদ্ধ ইউনিট ‘ফাতেহ স্কোয়াড’। বালুচিস্তানের দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় এই বাহিনী মূলত গেরিলা কৌশল, অতর্কিত হামলা এবং হাইরিস্কের সামরিক অভিযানে সক্রিয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    এর আগেও বড় হামলায় এই ইউনিটের নাম সামনে এসেছিল। ২০২৫ সালের মার্চে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ রেল পরিষেবা জাফর এক্সপ্রেস ছিনতাইয়ের ঘটনায় ফাতেহ স্কোয়াড জড়িত ছিল বলে দাবি করেছিল বিএলএ। ওই ঘটনায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল।

    অন্যদিকে হাজিকা এলাকায় পৃথক হামলায় বিএলএ দাবি করেছে, তাদের ‘স্পেশাল ট্যাকটিক্যাল অপারেশনস স্কোয়াড’ (STOS) একটি দূর-নিয়ন্ত্রিত যান ব্যবহার করে বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে সাত পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছেন বলে সংগঠনটির দাবি। যদিও এই দাবিরও সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    পাকিস্তানি সেনাবাহিনী হামলাগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে পাকিস্তানি সেনা সদস্যদের মরদেহ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দৃশ্য দেখা গিয়েছে বলে সাংবাদিকদের পোস্টে দাবি করা হয়েছে। এই সব ভিডিওর সত্যতা এবং প্রেক্ষাপটও যাচাই করা যায়নি।

    ফের সামনে ‘অপারেশন হেরোফে’র স্মৃতি

    বালুচিস্তানে সাম্প্রতিক হিংসতার মাত্রা পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। গত মাসে বিএলএ দাবি করেছিল, পাকিস্তানি বাহিনীকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন এলাকায় তারা ৩৬টি অভিযান চালিয়েছে এবং এসব অভিযানে ৩৩ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছেন। এসব পরিসংখ্যানও যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ২০২৪ সালে বিএলএর চালানো ‘অপারেশন হেরোফে’র কথাও মনে করিয়ে দিচ্ছে। ওই অভিযানে বালুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবহণ পরিকাঠামোকে টার্গেট করেছিল। করাচি-কোয়েটা সড়কের বিভিন্ন অংশে হামলার পাশাপাশি মাস্তুংয়ের একটি রেলস্টেশনেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। ওই অভিযানে ২৫ জনেরও বেশি পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং প্রচুর সেনাকর্মী জখম হওয়ার কথা জানিয়েছিল বিএলএ।

    পাল্টা অভিযানে পাকিস্তানের জবাব

    বিএলএর সাম্প্রতিক হামলার পর দ্রুত পাল্টা অভিযান চালায় পাক সেনা (Pakistani Soldiers Killed)। সেনাবাহিনীর দাবি, বালুচিস্তানের একাধিক জেলায় জঙ্গিদের আস্তানা লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়। এতে প্রায় ৫০ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের বক্তব্য, নিহতদের মধ্যে বিএলএ (BLA) সদস্যদের পাশাপাশি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন টিটিপির সদস্যও রয়েছে। ফলে বালুচিস্তানের সংঘাত শুধু বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে বৃহত্তর জঙ্গিবাদ ও নিরাপত্তা সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গিয়েছে।

    বালুচিস্তানে দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানবিরোধী সশস্ত্র আন্দোলন চলছে। বালুচ সংগঠনগুলির অভিযোগ, ওই প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে আকছার মানবাধিকার লঙ্ঘন, জোরপূর্বক গুম এবং রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের ঘটনা ঘটছে। পাকিস্তান সরকার ও নিরাপত্তা বাহিনী অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করছে।

    আফগানিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া বালুচিস্তান ভৌগোলিক ও কৌশলগত দিক (BLA) থেকেও পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ এই প্রদেশে দীর্ঘদিন ধরে স্বায়ত্তশাসন থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিতে বিভিন্ন বালুচ সংগঠন আন্দোলন চালিয়ে আসছে।

    বিএলএ-সহ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির সাম্প্রতিক তৎপরতা এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পাল্টা অভিযান সেই পুরনো সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলেছে। দু’পক্ষের হতাহতের দাবি যদি আরও বড় আকার নেয়, তাহলে বালুচিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতির পাশাপাশি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপরও তার প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে সড়ক, রেলপথ ও সামরিক কনভয়কে লক্ষ্য করে হামলা বাড়লে ঝুঁকির মুখে (Pakistani Soldiers Killed) পড়তে পারে সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থাও (BLA)।

     

  • Baloch Liberation Army: বালোচিস্তানে সেনা কনভয়ে হামলা, ১৩ পাক সেনা নিহত, দাবি বিএলএর

    Baloch Liberation Army: বালোচিস্তানে সেনা কনভয়ে হামলা, ১৩ পাক সেনা নিহত, দাবি বিএলএর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের বালোচিস্তান প্রদেশের (Pakistani Military Convoy) মাস্তুং জেলায় সেনাবাহিনীর একটি কনভয়ে ভয়াল হামলা এবং পরবর্তী অতর্কিত হামলায় ১৩ জন সামরিক সদস্য নিহত এবং অন্তত ১০ জন জখম হয়েছেন বলে দাবি করেছে বালোচ লিবারেশন আর্মি (Baloch Liberation Army)।

    সংগঠনের মুখপাত্র জিয়েন্দ বালোচ জানিয়েছেন, ২২ অগাস্ট রাতে মাস্তুং জেলার খাদকোচা এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি সাঁজোয়া গাড়িকে বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে আর একটি সাঁজোয়া গাড়ি ও কনভয়ের সঙ্গে থাকা অন্যান্য যানবাহনের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়।

    জিয়েন্দ বালোচ বলেন, “এই ভয়াবহ হামলায় দখলদার বাহিনীর ১৩ জন সদস্য নিহত এবং ১০ জনেরও বেশি জখম হয়েছে।” তিনি জানান, এই অভিযানে সংগঠনটির বিশেষ কৌশলগত অভিযান দল অংশ নেয়।

    এর আগে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বালোচিস্তান পোস্টকে জানিয়েছিল, বিস্ফোরণে একটি সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস এবং আর একটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরে সশস্ত্র ব্যক্তিরা সেনা কনভয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে আরও একটি সামরিক গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত করে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের।

    হামলার পর অনির্দিষ্টকালের কারফিউ (Baloch Liberation Army)

    হামলার পর ২৩ অগাস্ট সকাল ৭টা থেকে খাদকোচা ও আশপাশ এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করেছে বালোচিস্তান স্বরাষ্ট্র দফতর। স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের মধ্যে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সড়ক ও বাজারে যাতায়াত করাও বন্ধ রাখা হয়েছে।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ এবং এলাকায় চলমান অভিযানের কারণে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Pakistani Military Convoy)।

    এদিকে ২৩ অগাস্ট তুরবাতের হায়রাবাদ এলাকায় পৃথক একটি হামলায় তিন পাক সেনা নিহত এবং আরও তিনজন জখম হয়েছে বলেও দাবি করেছে বালোচ লিবারেশন আর্মি। যদিও সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, হায়দরাবাদে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর একটি তল্লাশি দলের ওপর হামলা হলেও তিন সদস্যই আহত হয়েছেন।

    কর্তাদের বক্তব্য, তিনটি মোটরসাইকেলে থাকা ছ’জন সশস্ত্র ব্যক্তি একটি গ্রেনেড নিক্ষেপের পর গুলি চালায়। পরে বাহিনীর সদস্যরা পাল্টা গুলি চালালে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    বালোচ লিবারেশন আর্মির আরও দাবি করেছে, নোশকি, কালাত, খারান, ওয়াশুক, জেহরি ও চাগাইসহ বিভিন্ন এলাকায় তারা আরও আটটি অভিযান চালিয়েছে। এসব অভিযানের বিস্তারিত তথ্য সংগঠনটির পরবর্তী সাপ্তাহিক বিবৃতিতে জানানো হবে বলেও দাবি করা হয়েছে (Baloch Liberation Army)।

    সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস

    স্থানীয় সূত্রে খবর, খাদকোচায় সামরিক কনভয়ের অংশ হিসেবে চলাচলকারী একটি বড় সাঁজোয়া গাড়ি বিস্ফোরণে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। অন্য একটি সাঁজোয়া গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরে সশস্ত্র ব্যক্তিরা কনভয়ের ওপর অতর্কিত হামলা চালালে আরও একটি সামরিক গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    আঞ্চলিক সূত্রগুলি জানিয়েছে, দুই সামরিক সদস্যের মরদেহ এবং আটজন আহত সেনাকে মাস্তুংয়ের নওয়াব গাউস বখশ রাইসানি মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অন্য আহতদের হেলিকপ্টারে করে কোয়েটার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও খবর (Pakistani Military Convoy)। তবে এই হামলায় হতাহতের বিষয়ে পাক কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক কিছু বলেননি।

    খাদকোচা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

    খাদকোচায় সর্বশেষ হামলার আগে ১৭ জুলাই ওই একই এলাকায় বড় ধরনের আর একটি হামলা হয়েছিল। সেদিন কোয়েটা থেকে করাচির দিকে যাওয়া ১৮টিরও বেশি বাস ও নিরাপত্তাবাহিনীর যানবাহন নিয়ে গঠিত একটি কনভয়ে হামলা হয়। সেই হামলার দায়ও বালোচ লিবারেশন আর্মি স্বীকার করেছিল এবং বহু সামরিক সদস্য নিহত বা আহত হওয়ার দাবি করেছিল সংগঠনটি।

    এদিকে ২২ অগাস্ট রাতেই মাস্তুং জেলার খাদকোচার কাছে আনজেরি ক্রস এলাকায় জাতীয় মহাসড়ক এন-২৫-এর একটি সেতু বিস্ফোরণে ধ্বংস করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা বিস্ফোরক ব্যবহার করে সেতুটিতে হামলা চালায়। যদিও, হতাহতের খবর  মেলেনি।

    সেতুটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা মহাসড়কে যান চলাচলে এর কী প্রভাব পড়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি কর্তৃপক্ষ। বালোচিস্তানকে (Baloch Liberation Army) করাচি ও পাকিস্তানের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথগুলির একটি হল এই মহাসড়ক (Pakistani Military Convoy)।

    এক সপ্তাহের মধ্যে এটি সেতুতে তৃতীয় হামলার ঘটনা বলে জানা গিয়েছে। ২১ অগাস্ট খুজদারের জিদি এলাকায় একটি সেতু বিস্ফোরণে ধ্বংস করা হয় বলে খবর মিলেছে। এর আগে খারানের সোটাগান এলাকায় খারান-করাচি মহাসড়কের একটি সেতু ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ভেঙে ফেলার খবরও পাওয়া যায়।

    তবে সেতুগুলিতে চালানো এসব হামলার কোনওটির দায় স্বীকার করে সোমবার সন্ধে (Baloch Liberation Army) পর্যন্তও বিবৃতি দেয়নি কোনও সংগঠন (Pakistani Military Convoy)।

     

  • Imran Khan: মারা গিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান? পাক সাংবাদিকের নতুন দাবিতে ফের জল্পনা

    Imran Khan: মারা গিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান? পাক সাংবাদিকের নতুন দাবিতে ফের জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) মৃত্যু নিয়ে নতুন দাবি ঘিরে দেশটিতে (Pakistan) ফের একবার উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। পাকিস্তানি সাংবাদিক ওয়াজাহাত সাঈদ খানের দাবি, দেশটির সামরিক বাহিনীর তিন প্রবীণ আধিকারিক মনে করেন, জেলেই হয়তো ইমরানের মৃত্যু হয়েছে। যদিও এই খবরের সত্যতা যাচাই করা যায়নি। সাংবাদিক নিজেও জানিয়েছেন, তাঁর সূত্রগুলির কেউই ব্যক্তিগতভাবে ইমরানকে দেখেননি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক, এমি পুরস্কারের জন্য মনোনীত সাংবাদিক ওয়াজাহাত ১০ আগস্ট প্রকাশিত একটি ইউটিউব ভিডিওয় এই দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, রাওয়ালপিন্ডিতে পাক সেনাবাহিনীর জেনারেল সদর দফতরে কর্মরত প্রবীণ আধিকারিকদের কাছ থেকেই এই তথ্য পেয়েছেন তিনি।

    সাংবাদিকের দাবি (Imran Khan)

    ওয়াজাহাতের দাবি, অন্তত তিনজন আধিকারিক আলাদাভাবে তাঁকে জানিয়েছেন যে ইমরান আর আমাদের মধ্যে নেই। তবে একইসঙ্গে তিনি কবুল করেছেন, তাঁর কোনও সূত্রই ইমরানকে নিজের চোখে দেখেননি। তিনি বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, তথ্যটি নিশ্চিত নয় এবং তিনি আশা করছেন, দাবিটি সত্য নয়। ইমরানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর পরিবার, আইনজীবী, দলের নেতারা এবং চিকিৎসকরা নানা সমস্যার কথা জানিয়ে আসছেন। তাঁর বোনেরা এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের নেতারা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ চেয়ে বারবার আবেদন করেছেন। একইসঙ্গে তাঁর শারীরিক অবস্থার চিকিৎসা মূল্যায়নের দাবিও জানিয়েছে দলটি। ২০২৩ সালের ৫ অগাস্ট থেকে জেলে রয়েছেন ইমরান। বর্তমানে ১৯ কোটি পাউন্ডের আল-কাদির ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তিনি ১৪ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। একই মামলায় তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিকেও ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দু’জনেই তাঁদের সাজাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। ইমরানের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ৯ মে-র বিক্ষোভ-সংক্রান্ত একাধিক মামলাও বিচারাধীন রয়েছে। ওই বিক্ষোভের সময় পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় তাঁর দলের সমর্থকরা সামরিক কাঠামোয় হামলা চালিয়েছিলেন।

    মৃত্যুর দাবি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা

    ইমরানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তা পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ এবং পাকিস্তানের সামরিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চলা উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ নেতা সোহেল আফ্রিদির দাবি, ২০ লাখেরও বেশি মানুষ রাস্তায় নামতে প্রস্তুত। আফ্রিদির বক্তব্য, তাঁদের দাবি অসাংবিধানিক নয় এবং ইমরানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগকে রাজনৈতিক বার্তা আদান-প্রদানের কাজে ব্যবহার করা হবে না। পাকিস্তানের তরুণদের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদ অভিমুখে দীর্ঘ পদযাত্রা করার কথা ঘোষণা করেছে। ইমরানের পরিবার ও চিকিৎসকদের তাঁর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া না হলে তার আগেই বিক্ষোভের হুমকিও দিয়েছে দলটি। ইমরানের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ এখনও বড় প্রশ্ন হয়ে থাকায় নতুন এই দাবি ফের সেই প্রশ্নই সামনে (Pakistan) এনেছে—ইমরান কি সত্যিই মারা গিয়েছেন? তবে বর্তমানে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাতে তাঁর মৃত্যুর কোনও নির্ভরযোগ্য নিশ্চিতকরণ নেই।

    এর আগেও ছড়িয়েছিল একই ধরনের গুজব

    ইমরানের মৃত্যুর গুজব এই প্রথম নয়। গত বছরের নভেম্বরেও তাঁর পরিবার এবং দলীয় কর্মীরা তাঁর সঙ্গে দেখা করতে সমস্যায় পড়ার পর একই ধরনের দাবি ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে ২ ডিসেম্বর সেই জল্পনার অবসান ঘটে। ইমরানের বোন উজমা খানুম আদিয়ালা জেলে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। সাক্ষাতের পর তিনি জানান, ইমরান শারীরিকভাবে ভালো আছেন। তবে তাঁকে একাকী রাখা হয়েছিল বলে জানান তিনি। নভেম্বরেই ফের একটি বড় মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছিল। আফগানিস্তান টাইমস দাবি করেছিল, আদিয়ালা জেলের ভেতরে ইমরানকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জেলে নির্যাতনের পর ৭২ বছর বয়সী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে, এবং তাঁর মরদেহ জেলের বাইরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে পাক প্রশাসন এই দাবি অস্বীকার করে জানায়, ইমরান জীবিত রয়েছেন (Imran Khan)।

    ভুয়া সরকারি বিবৃতিতেও ইমরানের মৃত্যুর দাবি

    ২০২৫ সালের মে মাসে সোশ্যাল মিডিয়ায় পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি হিসেবে একটি ছবি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, বিচারাধীন অবস্থায় ইমরানের মৃত্যু হয়েছে বলে সরকার নিশ্চিত করেছে (Pakistan)। তবে নথিটিতে বেশ কিছু অসঙ্গতি ছিল, যা এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। “৪২৭/২০২৫” নম্বর উল্লেখ থাকলেও, এতে যথাযথ তারিখ ছিল না। পাশাপাশি নথিতে বানান, বিরামচিহ্ন, ভাষা ও বিন্যাসের একাধিক ভুল দেখা যায়। পাকিস্তানের বা আন্তর্জাতিক কোনও বড় সংবাদমাধ্যম, বিদেশমন্ত্রক কিংবা প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকেও এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলা হয়নি। পরে নথিটিকে প্রকৃত সরকারি বিবৃতি নয়, বরং এডিটেড ও বিকৃত ছবি হিসেবে শনাক্ত করা হয়। জেলে ইমরানের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হচ্ছে, তা নিয়ে আরও কিছু দাবির মধ্যেই এটিও ছড়িয়েছিল। ফলে তাঁর স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্যের বহর আরও বেড়ে যায়।

    কারাগারে হামলার দাবিও ছিল ভুয়া

    ইমরানের কারাবাসকে ঘিরে শুধু মৃত্যুর গুজবই নয়, আরও নানা দাবি ছড়িয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি কথিত চিকিৎসা প্রতিবেদন ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দাবি করা হয়, জেলে ইমরান যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন (Imran Khan)। পাক এমিরেটস সামরিক হাসপাতালের নামে প্রচারিত ওই নথিতে গুরুতর আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। পাশাপাশি এইচআইভি, হেপাটাইটিস এবং অন্যান্য যৌন-সংক্রমণের পরীক্ষার কথাও বলা হয়। পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের অনুমোদন ছাড়া ইমরানের মুক্তি সম্ভব নয় বলেও দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু নথিটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অসঙ্গতি ছিল। এতে ২০২৫ সালের ৩ মে তারিখ উল্লেখ করা হলেও, সেটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে তার আগের দিনই, ২ মে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সরকারি তথ্য অনুযায়ী ইমরানের চিকিৎসা পরীক্ষা ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের চিকিৎসকরা করেছিলেন, পাক এমিরেটস সামরিক হাসপাতালে নয়।

    ভুয়া তথ্য!

    এই সব অসঙ্গতি থেকেই এটি স্পষ্ট হয় যে চিকিৎসা প্রতিবেদনটি আদতে ভুয়া। ইমরানের আইনজীবীরা যৌন নির্যাতনের দাবির স্বপক্ষে নিশ্চিত করে কোনও বিবৃতি দেয়নি। নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম কিংবা সরকারি কোনও বিবৃতিতেও এই দাবির সমর্থন মেলেনি (Imran Khan)। ইমরানের মৃত্যু, স্বাস্থ্য এবং জেলে তাঁর সঙ্গে আচরণ নিয়ে বারবার গুজব ছড়িয়েছে মূলত তখনই, যখন তাঁর পরিবার ও সমর্থকেরা তাঁর সঙ্গে দেখা করার ক্ষেত্রে বাধার মুখে (Pakistan) পড়েছেন। ওয়াজাহাত সাঈদ খানের সর্বশেষ দাবিও সেই পুরনো প্রশ্নকে ফের একবার সামনে এনেছে (Imran Khan)।

  • POK Unrest: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অশান্তি চরমে, নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে

    POK Unrest: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অশান্তি চরমে, নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (POK Unrest)-এ পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। মঙ্গলবারও বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের আবহ অব্যাহত রয়েছে। যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC)-র অভিযোগ, বাগ জেলায় চলমান বিক্ষোভ দমাতে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর সরাসরি গুলি চালিয়েছে এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। সংগঠনের দাবি, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে। একই সঙ্গে মুজাফফরাবাদ জেলার মাকরি এলাকায় সাধারণ মানুষের মোটরসাইকেলে আগুন লাগানোরও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি

    সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC) রাষ্ট্রসংঘ (UN), রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের দফতর (OHCHR), আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবং বিশ্ব মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছে পরিস্থিতির ওপর নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অভিযোগের নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তেরও দাবি জানানো হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন স্থানীয় ইস্যুকে কেন্দ্র করে পিওকে-র একাধিক এলাকায় বিক্ষোভ চলছে। JAAC-এর দাবি, সাম্প্রতিক সংঘর্ষে ৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং কয়েকশো মানুষ আহত হয়েছেন। এদিকে, পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগগুলির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ভারত

    আগেও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সেনা। সাধুনাটি জেলায় জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)-র নিরস্ত্র জমায়েতে গুলিবর্ষণের ঘটনায় তিন জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। রাওয়ালকোটের মাতিয়াল মিরা বাস টার্মিনালের সামনে গুলিবর্ষণেও মৃত্যু হয়েছে তিন জনের। গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) ইসলামাবাদের সেনার ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চেয়েছে ভারতও। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘‘নয়াদিল্লি আশা করে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সংঘটিত নির্যাতন ও অনাচারের জন্য আন্তর্জাতিক ভাবে পাকিস্তানকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। সেখানে কয়েক দশক ধরে পাকিস্তানের পদ্ধতিগত শোষণ, মৌলিক অধিকার হরণ এবং অবৈধ ভাবে দখলে থাকা এলাকাগুলিতে প্রশাসনিক নিপীড়নের সরাসরি পরিণতি এই স্বতঃস্ফূর্ত গণবিক্ষোভ।’’ ভারতের অভিযোগ, স্থানীয় জনগণের ন্যায্য অভিযোগগুলোর সমাধান করার পরিবর্তে পাকিস্তানি রাষ্ট্র চরম দমনপীড়নের পথ নিয়েছে এবং নিরস্ত্র অসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ করেছে। যার ফলে ধারাবাহিক ভাবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

    ১২টি সংরক্ষিত আসন-ই ইসলামাবাদের চাবিকাঠি

    দীর্ঘ দিন ধরেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা পাক সেনার অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-আন্দোলন করছেন। তাতে নতুন মাত্রা এনেছে, জম্মু ও কাশ্মীর থেকে স্থানান্তরিত সংরক্ষিত ১২টি আসন। সেই আসনগুলিই এখন পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন সংগঠনের যৌথমঞ্চ, জেএএসি ওই ১২টি সংরক্ষিত আসন তুলে দেওয়ার দাবি তুলেছে। তাদের অভিযোগ, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সরকারের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে এবং সেখানকার রাজনীতিকে প্রভাবিত করতে ইসলামাবাদ এই আসনগুলিকে হাতিয়ার করছে। ১৯৪৭ এবং তার পর ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীর থেকে বহু মানুষ পাকিস্তানে স্থানান্তরিত হয়েছেন। বিশেষ করে জম্মু, পুঞ্চ এবং রাজৌরি থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। এই মানুষদের পাকিস্তানে ‘উদ্বাস্তু’ ঘোষণা করা হয়েছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের আইনসভায় মোট ৫৩ জন সদস্যের মধ্যে এই উদ্বাস্তুদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষিত করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬টি আসন কাশ্মীর উপত্যকা এবং ৬টি আসন জম্মু থেকে আসা উদ্বাস্তুদের জন্য সংরক্ষিত। ওই উদ্বাস্তুরা যেহেতু পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে বসতি স্থাপন করেছেন, তাই সংরক্ষিত আসনগুলির নির্বাচন পিওকে-র বাইরে হয়ে থাকে।

    কীভাবে ভুল পথে অধিকৃত কাশ্মীরকে নিয়ন্ত্রণ করে ইসলামাবাদ

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থানের সঙ্গে আসনগুলির যোগসূত্র রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের উদ্বাস্তু প্রতিনিধিদের দেখিয়ে ইসলামাবাদ বলতে চায়, কাশ্মীর সমস্যার সমাধান হয়নি। জেএএসি-র, এই উদ্বাস্তু আসনগুলি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করছে। অভিযোগ, ওই আসনগুলি থেকে সাজানো নির্বাচনে জয়ী প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ইসলামাবাদ। জেএএসি-র নেতা সর্দার আমান খান সম্প্রতি পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসেরও বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীই মূলত ওই স্থানান্তরিত কাশ্মীরিদের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাস রফতানি ও অস্ত্র সরবরাহ করে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তানি নির্যাতন প্রতিরোধে হস্তক্ষেপের জন্য নয়াদিল্লির কাছে আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। গত ৯ জুন থেকে ৩৮ দফা দাবিতে শুরু হয়েছে আন্দোলনে নতুন পর্যায়। তাতে ৫০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পাক সেনার বিরুদ্ধে।

    উদ্বেগ প্রকাশ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটি পাকিস্তান সরকারের কাছে দ্রুত, স্বচ্ছ ও স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছে। অ্যামনেস্টির আরও অভিযোগ, পিওকে-র কিছু এলাকায় ইন্টারনেট ও মোবাইল পরিষেবায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, যার ফলে ঘটনাগুলির স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তারা তথ্যপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখারও আহ্বান জানিয়েছে। পিওকে-তে পরিস্থিতি ঘিরে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসায় পাকিস্তানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক মহল নিরপেক্ষ তদন্ত, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি তুলেছে।

  • Pakistan: গোপন বৈঠকে ভারত-বিরোধী প্রচারের নির্দেশ! পাক সেনার প্রচারযন্ত্রের বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস

    Pakistan: গোপন বৈঠকে ভারত-বিরোধী প্রচারের নির্দেশ! পাক সেনার প্রচারযন্ত্রের বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাবাহিনীর প্রচারযন্ত্রের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন সে দেশের সাংবাদিক ইমরান রিয়াজ (Imran Riaz)। তাঁর অভিযোগ, পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগের ডিজি আইএসপিআর সম্প্রতি দেশের শীর্ষ সংবাদমাধ্যমের কর্তা এবং প্রভাবশালী সাংবাদিকদের নিয়ে একটি গোপন বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত সংবাদমাধ্যমগুলিকে ভারত-বিরোধী জোরদার প্রচার চালানোর স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়।

    পাক সাংবাদিকের বিস্ফোরক দাবি (Pakistan)

    রিয়াজের দাবি, বৈঠকে সংবাদমাধ্যমগুলিকে বারবার এমন একটি বয়ান প্রচার করতে বলা হয়, যাতে মনে হয় ভারত খুব শীঘ্রই ভেঙে পড়তে চলেছে। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের মনগড়া প্রচারের মাধ্যমে পাকিস্তানের সামরিক কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্র-সমর্থিত তথ্যযুদ্ধকে আরও তীব্র করার চেষ্টা করছে। রিয়াজের বক্তব্য অনুযায়ী, সাংবাদিকতার নীতিকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিবর্তে পাকিস্তানের সামরিক প্রচার বিভাগ দীর্ঘদিন ধরেই দেশের অভ্যন্তরে এমন এক জনমত গড়ে তুলতে সচেষ্ট, যেখানে ভারতকে দুর্বল ও অস্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরা হয়। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরাতে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত প্রচারমাধ্যমকে ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ ওঠে। ভারতকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত সঙ্কট আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করেন রিয়াজ।

    পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    তাঁর বক্তব্য থেকে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগের ডিজি আইএসপিআরের দফতর বর্তমানে শুধু সেনাবাহিনীর সরকারি তথ্য প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, নিরাপত্তা সঙ্কট কিংবা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জাতীয় সংবাদমাধ্যমের বয়ান নির্ধারণেও এই দফতরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থা বহুদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে, পাকিস্তানে নিরাপত্তা সংস্থাগুলির সংবাদমাধ্যমের ওপর প্রবল প্রভাব রয়েছে। সরকারি বয়ান থেকে সরে গেলে সংবাদমাধ্যমকে সেন্সরশিপ, প্রশাসনিক চাপ এমনকি ভয়ভীতি প্রদর্শনের মুখেও পড়তে হয়। রিয়াজের দাবি, ওই বৈঠকে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সঙ্কটের নিরপেক্ষ ও ভারসাম্যপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের চেয়ে ভারতবিরোধী প্রচারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাঁর অভিযোগ, এই (Pakistan) ব্যবস্থার ফলে স্বাধীন সাংবাদিকতা কার্যত দমিয়ে রাখা হচ্ছে এবং রাষ্ট্র-অনুমোদিত প্রচারই টেলিভিশন, ডিজিটাল মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাধান্য পাচ্ছে।

    ভারতে বৈচিত্র্যের মধ্যেও ঐক্য

    ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে এই ধরনের প্রচারকে পুরনো ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার বলেই মনে করা হয়। গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে পাকিস্তানের বিভিন্ন মহল বারবার ভারতের ভেঙে পড়ার ভবিষ্যদ্বাণী করেছে। কিন্তু ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামো, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এবং নিয়মিত নির্বাচন সেই সমস্ত দাবিকে বারবার ভুল প্রমাণ করেছে (Imran Riaz)। ভারতের মতো বৈচিত্র্যময় দেশে রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও, দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলি ধারাবাহিকভাবে স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈচিত্র্যের মধ্যেও ভারতের ঐক্য পাকিস্তানের প্রচারিত বয়ানকে কার্যত অস্বীকার করে। বর্তমানে তথ্যযুদ্ধকে আধুনিক যুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে ভারত। সেই কারণে টেলিভিশন, ডিজিটাল মিডিয়া, এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিদেশি বিভ্রান্তিমূলক প্রচারের মোকাবিলায় ভারত সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে বলেও অভিমত বিশ্লেষকদের।

    শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা!

    এদিকে, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে (Pakistan), ভারতের বিরুদ্ধে লাগাতার প্রচার চালানোর নেপথ্যে রয়েছে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত সঙ্কট থেকে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা।বালুচিস্তানে দীর্ঘদিনের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন এখনও অব্যাহত। সেখানে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনাও নিয়মিত ঘটছে। একইসঙ্গে সেনাবাহিনী, বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজের মধ্যে সংঘাত দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে (Imran Riaz)। পাক-অধিকৃত কাশ্মীরেও অর্থনৈতিক দুরবস্থা, প্রশাসনিক দুর্নীতি এবং কর্তৃত্ববাদী শাসনের অভিযোগে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। কিন্তু এই অভ্যন্তরীণ সঙ্কটগুলির পরিবর্তে ভারতের তথাকথিত অস্থিরতা নিয়ে প্রচার চালাতেই পাকিস্তানের সামরিক প্রচারযন্ত্র বেশি গুরুত্ব দিয়েছে বলে অভিযোগ।

    সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়

    রিয়াজের দাবি, দেশের প্রকৃত সমস্যার সমাধানের বদলে বিদেশবিরোধী প্রচারকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রযন্ত্র বাস্তব পরিস্থিতি থেকে ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। তাঁর বক্তব্য, ভারত যখন অর্থনীতি ও গণতন্ত্র—উভয় ক্ষেত্রেই আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজের অবস্থান ক্রমশ শক্তিশালী করছে, তখন পাকিস্তানের সামরিক প্রচারযন্ত্র এখনও ভারতবিরোধী প্রচারের পুরনো কৌশলেই আটকে রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হল শুধু ভারতবিরোধী প্রচার নয়, বরং রাষ্ট্রের তরফে সংবাদমাধ্যমকে সত্যনিষ্ঠ সংবাদ (Imran Riaz) পরিবেশনের পরিবর্তে বিদেশবিরোধী প্রচারকে () অগ্রাধিকার দিতে বাধ্য করার অভিযোগ।

     

  • Pakistan: শোয়েব আখতারের ভাইয়ের জানাজায় লস্কর জঙ্গিদের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    Pakistan: শোয়েব আখতারের ভাইয়ের জানাজায় লস্কর জঙ্গিদের উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) জঙ্গি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির প্রভাব এবং তাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মহলে (Terror Network Connections) নানা অভিযোগ রয়েছে। এবার পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকা পেসার শোয়েব আখতারের (Shoaib Akhtar) পরিবারের একটি শোকানুষ্ঠান ঘিরে নতুন করে উসকে দিয়েছে সেই বিতর্ক। শোয়েবের বড় ভাই শাহিদ আখতারের (Shahid Akhtar) জানাজায় লস্কর-ই-তৈবার (LeT)-র একাধিক শীর্ষ নেতার উপস্থিতির ভিডিও এবং ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা।

    শোয়েব আখতারের ভাইয়ের মৃত্যু

    গত ২৪ জুন শাহিদ প্রয়াত হন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর জানান শোয়েব। তিনি “Returned to Allah” লিখে শোকপ্রকাশ করেন এবং জানাজার সময় এবং জায়গা সম্পর্কেও তথ্য ভাগ করে নেন। ইসলামাবাদে আয়োজিত ওই জানাজায় বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

    জানাজায় লস্কর নেতারা!

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ভিডিও এবং ছবিতে দাবি করা হয়েছে, জানাজায় উপস্থিত ছিলেন লস্কর-ই-তৈবার (LeT) ডেপুটি প্রধান সইফুল্লাহ কাসুরি (Saifullah Kasuri)। সূত্রের দাবি, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও (Pahalgam) জঙ্গি হামলার অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রী তিনি। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগ (Pakistan Markazi Muslim League)-এর সভাপতি ইনাম-উর-রহমান কাম্বোহ (Inam-ur-Rehman Kamboh)-কে-ও। উল্লেখ্য, পাকিস্তান মার্কাজি মুসলিম লিগকে লস্কর-ই-তৈবার রাজনৈতিক শাখা হিসেবে দেখা হয়। সংগঠনটি গঠিত হয় জামাত-উদ-দাওয়া (JuD) এবং মিল্লি মুসলিম লিগের (MML) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পর। এই দুই সংগঠনের সঙ্গেই রাষ্ট্রসঙ্ঘ ঘোষিত জঙ্গি হাফিজ সইদের (Hafiz Saeed) ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ। ভিডিওতে আরও যাঁদের উপস্থিতির দাবি করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন লস্করের ডেপুটি জেনারেল সেক্রেটারি আবদুল্লাহ তুর (Abdullah Toor), PMML-এর জোনাল জেনারেল সেক্রেটারি হাফিজ উমর (Hafiz Umar) এবং খিদমত কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ ভাট্টি (Amjad Bhatti)।

    পহেলগাঁও হামলার প্রসঙ্গ

    ভারতের দাবি মতো, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল (Pakistan) জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলায় ২৫ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল। হামলার দায় কবুল করেছিল ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ (The Resistance Front বা TRF), যাকে ভারত লস্কর-ই-তৈবার প্রক্সি সংগঠন হিসেবেই চিহ্নিত করে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির অভিযোগ, সইফুল্লাহ কাসুরি এই (Terror Network Connections) হামলার অন্যতম মূল চক্রী। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাক সরকার।

    নতুন করে উঠছে প্রশ্ন

    জানাজায় লস্কর নেতাদের প্রকাশ্য উপস্থিতির ভিডিও সামনে আসার পর পাকিস্তানে জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপ এবং তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে উঠছে মেলা প্রশ্ন। ওয়াকিবহাল মহলের দাবি, এই ধরনের ঘটনা পাকিস্তানে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনগুলির প্রভাব এবং তাদের স্বাধীনভাবে সক্রিয় থাকার বিষয়টিকেই সামনে তুলে ধরছে। এদিকে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া আর একটি ভিডিওয় সইফুল্লাহ কাসুরিকে দাবি করতে শোনা যায়, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তাঁকে বিভিন্ন সরকারি বৈঠক ও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায় এবং সেনা সদস্যদের জানাজায় ইমামতি করার অনুরোধও করে। তবে এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে, পাকিস্তানের মাটিতে একাধিক জঙ্গি সংগঠন নিরাপদ আশ্রয় ও কার্যকলাপের সুযোগ পেয়ে থাকে। পাকিস্তান অবশ্য (Terror Network Connections) বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তারা সব (Pakistan) ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরোধী এবং জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছে।

     

  • Pakistan: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে চলা সরকার বিরোধী আন্দোলন দমনে অমানবিক ব্যবহার ইসলামাবাদের!

    Pakistan: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে চলা সরকার বিরোধী আন্দোলন দমনে অমানবিক ব্যবহার ইসলামাবাদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া মোড় নিল পাক-অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে)-এ চলা সরকার বিরোধী আন্দোলন। স্থানীয়দের অভিযোগ, আন্দোলন দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পর এবার ওই এলাকায় খাদ্য, জ্বালানি ও স্বাস্থ্যসেবার সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করছে ইসলামাবাদ (Pakistan)। ফলে সাধারণ মানুষের (POK) দুর্ভোগ চরমে। নিদারুণ যন্ত্রণা সয়েই কোনওক্রমে দিন গুজরান করছেন পিওকের বাসিন্দারা।

    নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যান চলে বাধা (Pakistan)

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাদ্যশস্য, জ্বালানি তেল ও ওষুধ-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী যানবাহনকে পিওকেতে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। তার জেরে আগে থেকেই চলা সঙ্কট আরও গভীর হয়েছে। যৌথ আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি) ঘোষিত অঞ্চলব্যাপী ধর্মঘটের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হলেও, আন্দোলনকারীদের দাবি—সরকার ইচ্ছাকৃতভাবেই পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলছে। যদি পাক-প্রশাসন এই ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, আন্তর্জাতিক মহলের কাছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখানোর চেষ্টা করছে সরকার। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসন বাস্তব পরিস্থিতি আড়াল করতে তথ্য গোপন করছে।

    নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর গুলি

    এদিকে, আন্দোলনকারীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ চলবে। একই সঙ্গে তাঁরা রাষ্ট্রসঙ্ঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং বিদেশে বসবাসকারী  কাশ্মীরিদের কাছে বিষয়টি তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পাক নিরাপত্তা বাহিনী নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর গুলি চালিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সংঘর্ষে নিহত কয়েকজনের মরদেহও প্রশাসন সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। পিওকের এক বাসিন্দা জানান, নিরস্ত্র মানুষকে কাছ থেকে গুলি করা হয়েছে। তাই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে (Pakistan)।

    অস্থিরতার সূত্রপাত

    মূলত ১২টি আইনসভা আসনকে কেন্দ্র করে এই অস্থিরতার সূত্রপাত। এসব আসন জম্মু ও কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগ, ইসলামাবাদ এই আসনগুলিকে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে এবং নিজেদের পছন্দের সরকার প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। আন্দোলন তীব্র হওয়ার পর পাকিস্তান সরকার জেএএসিকে জঙ্গি সংগঠন বলে দেগে দেয়, এবং তাদের সমর্থকদের সন্ধানে অভিযান চালাতে শুরু করে। বিভিন্ন (POK) প্রতিবেদনে দাবি, এ পর্যন্ত সংঘর্ষ ও দমন-পীড়নের ঘটনায় অন্তত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে (Pakistan)।

     

  • PoK Violence: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সুর, গণ-আন্দোলনে কাঁপছে ইসলামাবাদ

    PoK Violence: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সুর, গণ-আন্দোলনে কাঁপছে ইসলামাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীর (PoK)-এ ফের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধি, প্রশাসনিক ব্যর্থতা, রাজনৈতিক অধিকার হরণ এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভকে কেন্দ্র করে চলা আন্দোলনের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ব্যাপক রক্তপাতের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় অধিকারকর্মী ও জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি — সংক্ষেপে জেএএসি বা ‘জাক’ (JAAC)— সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেছেন, রাওয়ালাকোটে একটি শোকসভা ও ‘জনাজা’র জমায়েতে পাকিস্তানি সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী নির্মম দমন-পীড়ন চালিয়েছে।

    কীভাবে শুরু হয় সংঘর্ষ?

    ঘটনাটি ঘটে ৭ জুন, যখন জেএএসি ৯ জুন সমগ্র পাক অধিকৃত কাশ্মীর জুড়ে ধর্মঘট ও গণআন্দোলনের ডাক দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সংঘর্ষের জেরে অন্তত ২০০ জন আহত এবং কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। নিহতদের মধ্যে চারজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও রয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাওয়ালকোটের বারমাং ব্রিজ এলাকায় নতুন করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। ওই সময় স্থানীয় অধিকারকর্মী সর্দার উমর নাজির কাশ্মীরিকে বহনকারী একটি গাড়ি নিরাপত্তা বাহিনী আটকায়। অভিযোগ, পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সর্দার উমর নাজির অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী শাহজেব হাবিব গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এই ঘটনার পর হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁদের অভিযোগ, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অঞ্চলের সম্পদ শোষণ করছে, জনগণের রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করছে এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়িয়ে তুলছে।

    জনাজার জমায়েতে গুলি চালানোর অভিযোগ

    জেএএসি-র দাবি, শাহজেব হাবিবের জনাজার নামাজ উপলক্ষে কম্বাইন্ড মিলিটারি হাসপাতালের (CMH) বাইরে জড়ো হওয়া শোকাহত মানুষ ও আন্দোলনকারীদের উপর নিরাপত্তা বাহিনী গুলি ও শেল নিক্ষেপ করে। সংগঠনের অভিযোগ, পাকিস্তানি রেঞ্জার্সের গুলিতেই হাবিব নিহত হন। জেএএসি আরও দাবি করেছে যে সাম্প্রতিক দমন-পীড়নের ঘটনায় প্রকৃত মৃতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি এবং অন্তত ২৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই সংখ্যা স্বীকার করা হয়নি। অন্যদিকে সরকারি সূত্র জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনজন সাধারণ নাগরিক নিহত এবং প্রায় ৪০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, চারজন নিরাপত্তাকর্মীও নিহত হয়েছেন এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন।

    ‘সন্ত্রাসবাদ’ অভিযোগে জেএএসি-র বিরুদ্ধে পদক্ষেপ

    ক্রমবর্ধমান আন্দোলনের মুখে পাকিস্তান সরকার জেএএসি-কে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় এনেছে। সংগঠনের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ’ এবং ‘অরাজকতা সৃষ্টি’-র অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে জেএএসি নেতাদের দাবি, তাঁদের আন্দোলন সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং জনস্বার্থে পরিচালিত। সংগঠনের সদস্য শওকত নওয়াজ মির বলেন, “আমরা কোনও দেশ, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে নই। আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করা অত্যন্ত অন্যায়। ৯ জুন থেকে একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ লং মার্চ শুরু হবে।” তিনি সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

    ৩৮ দফা দাবিপত্রে কী রয়েছে?

    জেএএসি দীর্ঘদিন ধরে অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। সংগঠনটি ৩৮ দফা দাবিপত্র জমা দিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি দাবি হল—

    • ● বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য হ্রাস
    • ● ভর্তুকিযুক্ত আটা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ
    • ● স্থানীয় সম্পদের উপর জনগণের অধিকারের স্বীকৃতি
    • ● রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন বৃদ্ধি
    • ● বহিরাগতদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি বিধানসভা আসন বাতিল

    জেএএসি-র অভিযোগ, এই সংরক্ষিত আসনগুলির মাধ্যমে পাকিস্তানের বড় রাজনৈতিক দলগুলি স্থানীয় রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের সুযোগ পায় এবং প্রকৃত জনপ্রতিনিধিত্ব ক্ষুণ্ণ হয়।

    যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ, বাড়ছে ক্ষোভ

    অঞ্চলে একাধিক জেএএসি নেতার গ্রেফতারি, যোগাযোগ ব্যবস্থা আংশিক বন্ধ করে দেওয়া এবং বিভিন্ন এলাকায় অবরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবার উপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। একইসঙ্গে পাকিস্তান বর্তমানে একাধিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।

    আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্রিটেনের একদল সাংসদও। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের কাশ্মীর বিষয়ক সর্বদলীয় গোষ্ঠীর (APPG on Kashmir) চেয়ারম্যান এবং ব্র্যাডফোর্ড ইস্টের সাংসদ ইমরান হুসেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দফতরের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছেন। প্রায় ৩০ জন সাংসদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে অঞ্চলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা, গ্রেফতারি অভিযান, উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং জেএএসি প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ ভেঙে পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং যোগাযোগের অধিকার গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক ভিত্তি। তাই পরিস্থিতি শান্ত করতে সংলাপ, সংযম এবং কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।

    দীর্ঘদিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ

    বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘর্ষ কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। গত কয়েক বছর ধরে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বিদ্যুতের উচ্চ মূল্য, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, স্থানীয় সম্পদের উপর নিয়ন্ত্রণের অভাব এবং রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন চলেছে। বিশেষত গত বছর থেকে একাধিকবার বৃহৎ বিক্ষোভ, ধর্মঘট এবং প্রশাসনের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় জনগণের একাংশের অভিযোগ, ইসলামাবাদ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করলেও তার সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় না। বর্তমান সংঘর্ষ সেই দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভেরই নতুন বিস্ফোরণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। আগামী দিনে জেএএসি-র ঘোষিত লং মার্চ এবং পাকিস্তান সরকারের প্রতিক্রিয়ার উপর নির্ভর করবে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়।

  • Pakistan Afghanistan War: ডুরান্ড লাইনে বিস্ফোরণ-এয়ারস্ট্রাইক! রাতভর হামলা, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ পাকিস্তানের

    Pakistan Afghanistan War: ডুরান্ড লাইনে বিস্ফোরণ-এয়ারস্ট্রাইক! রাতভর হামলা, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘সরাসরি যুদ্ধে’ নামল পাকিস্তান (Pakistan Afghanistan War)। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই আফগানিস্তানের কাবুল, কান্দহার, পাকতিকায় পাকিস্তান আকাশপথে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে কাবুল। পাল্টা হানায় পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। যদিও এই পরিসংখ্যান মানতে রাজি নয় ইসলামাবাদ। তাদের পাল্টা দাবি, দুই পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। উল্টো দিকে মারা গিয়েছেন ৩৬ জন আফগান সেনা। শুক্রবার ভোর থেকেই কাবুলে বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা যায়। এর কয়েক ঘণ্টা আগে তালিবান সরকার জানায়, তারা বিতর্কিত ডুরান্ড লাইন সংলগ্ন বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি এবং পোস্ট দখল করে ফেলেছে। তবে পাকিস্তান এসব দাবি অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য, আফগান যোদ্ধাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    পাকিস্তানের অপারেশন ঘাজাব লিল হক

    ইতিমধ্যেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন ঘাজাব লিল হক’ নামের সামরিক অভিযান শুরুর কথা জানিয়েছে পাকিস্তান। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে লিখেছেন, “যে কোনও আগ্রাসী বাসনাকে ধ্বংস করতে সক্ষম আমাদের সামরিক বাহিনী।” ইসলামাবাদের দাবি, পাক-আফগান সীমান্ত বরাবর আফগানিস্তানের আগ্রাসী আচরণের মোকাবিলা করতেই তাদের এই পদক্ষেপ। শুক্রবার ভোরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। ডুরান্ড লাইন (পাক-আফগান আন্তর্জাতিক সীমান্ত) বরাবর ইসলামাবাদ হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তালিবানের। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ্ তারারের পাল্টা দাবি, আফগান হানায় দুই পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তিন জন। পাকিস্তানের হানায় ৩৬ জন তালিব যোদ্ধা মারা গিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি।

    পাক সেনার এফ-১৬ ভেঙে পড়ার ভিডিও ভাইরাল

    যুদ্ধ ঘোষণার পরেই পাক সেনার এফ ১৬ ভেঙে পড়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। আফগান প্রশাসনের দাবি, তারাই গুলি করে নামিয়েছে ওই যুদ্ধবিমান। সেই দাবি অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তবে, একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, ভিডিওটি ভুয়ো। এআই-এর সহায়তায় তৈরি। ভিডিওতে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে বলেও দাবি। তবে, সীমান্তে রক্তক্ষয়ী  সংঘাতের জন্য পাকিস্তানকেই দায়ী করেছে আফগানিস্তান। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লাহ্ মুজাহিদ সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে লিখেছেন, “ভীরু পাক সেনা কাবুল, কান্দাহার, পাকতিকার কিছু এলাকায় বিমানহানা চালিয়েছে। ভাগ্যক্রমে কোনও মৃত্যুর খবর নেই।” কাবুলের দাবি, পাকিস্তানই প্রথমে আফগান সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালানো শুরু করে। একাধিক আফগান শহরে এয়ারস্ট্রাইক করে পাকিস্তান। এরপরই দুই দেশের সীমান্তে সংঘর্ষ শুরু হয়।

    পাক সামরিক ঘাঁটি দখল, দাবি আফগানিস্তানের

    আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে ৪ ঘণ্টা ধরে পাল্টা অভিযানে পাকতিয়া, পাকতিকা, খোস্ত, নানগারহার, কুমার ও নুরিস্তান সীমান্ত এলাকায় অভিযান চলেছে। তাদের দাবি, ২টি পাকিস্তানি সামরিক ঘাঁটি ও ১৯টি পোস্ট দখল করা হয়েছে এবং ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া কিছু সেনাকে জীবিত আটক এবং অস্ত্র-গোলাবারুদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আফগান কর্তৃপক্ষ এ-ও স্বীকার করেছে, তাদের ৮ জন তালেব যোদ্ধা নিহত ও ১১ জন আহত হয়েছে। নানগারহারের একটি শরণার্থী শিবিরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নারী ও শিশু সহ ১৩ জন সাধারণ নাগরিক আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

    টোরখাম সীমান্ত এলাকাতেও সংঘর্ষ

    প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মুখপাত্র মশাররফ আলি জাইদি বলেন, ‘‘কোনও পাকিস্তানি সেনাকে আটক করা হয়নি।’’ পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রকের দাবি, আফগান তালিবান বাহিনী খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্টে ইচ্ছাকৃত এবং উস্কানিমূলক হামলা চালায়। যার জবাবে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে। প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি বলেন, ‘‘পাকিস্তান তার সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা নিয়ে কোনও আপস করবে না।’’ সংঘর্ষ টোরখাম সীমান্ত এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ে, যা দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পারাপার পয়েন্ট।

    কোন দিকে এগোচ্ছে পরিস্থিতি

    ২ হাজার ৬১১ কিলোমিটার দীর্ঘ ডুরান্ড লাইন, যা আফগানিস্তান আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকৃতি দেয়নি, দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। গত কয়েক মাস ধরেই সীমান্তে সংঘর্ষ চলছে। যদিও কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতি শান্ত রেখেছিল। বিতর্কিত ডুরান্ড লাইন নিয়ে এবার সরাসরি যুদ্ধে নামল পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ৷ গত কয়েক মাসে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে সীমান্ত সংঘর্ষে দু’পক্ষের ৭০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। সেনা জওয়ানদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও মৃত্যু হয়েছে। ফের দুই দেশের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি (Iran’s Foreign Minister Seyed Abbas Araghchi) জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে আলোচনার বিষয়ে সাহায্য করতে তৈরি ইরান।

    ভারতকে নিয়ে মিথ্যা প্রচার পাকিস্তানের

    অন্যদিকে, নিজেদের স্বভাববশত যে কোনও বিষয়ে ভারতকে টেনে আনার পুরনো রীতি ছাড়েনি পাকিস্তান। পাক-আফগান দ্বন্দ্ব নিয়েও পাকিস্কতান প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেন, ‘‘ন্যাটো বাহিনী প্রত্যাহারের পর, আফগানিস্তানে শান্তির প্রত্যাশা ছিল ৷ তালিবানরা আফগান জনগণের উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর মনোযোগ দিচ্ছে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু তালিবানরা আফগানিস্তানকে কার্যত ভারতের উপনিবেশে পরিণত করেছে। তারা সারা বিশ্ব থেকে সন্ত্রাসবাদীদের আফগানিস্তানে জড়ো করছে ৷ সন্ত্রাসবাদকে রফতানি করাও শুরু করেছিল ৷’’ তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার জন্য পাকিস্তান সরাসরি এবং বন্ধু দেশগুলির মাধ্যমে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল । তবে, তালিবানরা ভারতের মতো প্রতিশোধের মানসিকতাই দেখিয়েছে বলে দাবি পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ৷

    নারী ও শিশুদের নির্বিচারে হত্যা কেন, প্রশ্ন কাবুলের

    অন্যদিকে, কাবুলের তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান দুই দেশের মধ্যে ২৬১১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তকে আফগানিস্তান কখনওই সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। এক বিবৃতিতে আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রমজানের মধ্যেই রাত আটটায় এই অভিযান শুরু হয়েছিল ৷ কয়েকদিন আগে পাকিস্তান বাহিনী আফগান ভূখণ্ড দখলের প্রতিক্রিয়ায় শুরু করেছিল তার বিরুদ্ধেই এই অভিযান বলে দাবি তালিবানের। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘কয়েক দিন আগে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগান ভূখণ্ডে প্রবেশ করে ৷ আমাদের সীমান্ত লঙ্ঘন করে এসে নারী ও শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করেছে ৷ তাই পাক হামলার প্রত্যুত্তর দেওয়া হয়েছে।’’

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরে ১৫০-র বেশি পাকিস্তানি সেনা নিহত! পাক মিডিয়ার রিপোর্টে ইঙ্গিত, পরে মুছে ফেলা হয়

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুরে ১৫০-র বেশি পাকিস্তানি সেনা নিহত! পাক মিডিয়ার রিপোর্টে ইঙ্গিত, পরে মুছে ফেলা হয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরে ১৫০ জনেরও বেশি পাকিস্তানের সেনা নিহত হয়েছে। এই খবর উঠে এসেছিল পাকিস্তানেরই এক বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমে। যদিও দ্রুত সেই খবর সরিয়ে ফেলা হয়। অপারেশন সিঁদুরে (Operation Sindoor) কোনওভাবেই দুর্বল পাকিস্তানের ছবি সামনে আনতে চায় না ইসলামাবাদ। সব সময়ই যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের ক্ষয়-ক্ষতি গোপন করার চেষ্টা করছে শাহবাজ শরিফের সরকার। তা পাক যুদ্ধ বিমান ধ্বংসই হোক বা পাক সেনা ঘাঁটিতে হামলা।

    কী উঠে এল প্রতিবেদনে

    প্রকাশিত ও পরে মুছে ফেলা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের (India Pakistan) প্রেসিডেন্ট “অপারেশন বুনিয়ানুন মারসুস”-এ অংশগ্রহণকারী সেনাদের বীরত্বের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন সামরিক পদক প্রদান করেছেন। কিন্তু সেই তালিকাতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে—অনেক পদকপ্রাপ্ত সেনার নামের পাশে লেখা “শহিদ”, অর্থাৎ তাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধুমাত্র ইমতিয়াজি সানাদ পেয়েছেন ১৪৬ জন শহিদ সেনা। এই সনদ সাধারণত কর্তব্যে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেওয়া হয়। তাছাড়া, তামগা-ই-বাসালাত পদক পেয়েছেন আরও ৪৫ জন, যাদের মধ্যে ৪ জনের পুরস্কার মরণোত্তর। উচ্চতর বীরত্বের জন্য দেওয়া সিতারা-ই-বাসালাতেও একজন শহিদের নাম ছিল। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়—তামগা-ই-জুরাত, যেটি ভারতের বীর চক্রের সমতুল্য, সেটি দেওয়া হয়েছে ৫ জনকে, যার মধ্যে ৪ জনই শহিদ।

    কূটনৈতিক মহলে আলোচনা

    এই তথ্য সামনে আসতেই কূটনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মধ্যে শোরগোল পড়ে যায়। অনেকের মতে, এই ঘটনা ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধের কথা মনে করিয়ে দেয়, যেখানে পাকিস্তান তাদের মৃত সেনার সংখ্যা গোপন করেছিল। এমনকি অনেক শহিদের দেহ ফিরিয়েও নেওয়া হয়নি। যুদ্ধক্ষেত্রে “গোপনীয়তা নীতি” বজায় রেখেই এই প্রতিবেদন দ্রুত মুছে ফেলা হয়েছে, বলে মত বিশেষজ্ঞদের। যদি প্রতিবেদনটি সত্য হয়, তবে বলা যায় যে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মাধ্যমে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর উপর কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম বড় আঘাত হেনেছে ভারতীয় বাহিনী। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পর এখনো পর্যন্ত ভারত বা পাকিস্তান, কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি।

LinkedIn
Share