Tag: PAKISTAN CRICKET

PAKISTAN CRICKET

  • PSL 2026: ‘পিএসএল খেলতে এলে বিপদ হবে’! বিদেশি ক্রিকেটারদের সতর্কবার্তা পাক জঙ্গিদের, কী করবেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা?

    PSL 2026: ‘পিএসএল খেলতে এলে বিপদ হবে’! বিদেশি ক্রিকেটারদের সতর্কবার্তা পাক জঙ্গিদের, কী করবেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিপাকে পাকিস্তান সুপার লিগ (PSL 2026)। এবার পিএসএল-এ এল জঙ্গি হামলার হুমকি। পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর তরফ থেকে বিদেশি ক্রিকেটারদের উদ্দেশে বার্তা তারা যেন এই টুর্নামেন্ট থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নেন। তাদের দাবি, বর্তমান সময়ে পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট দুর্বল এবং এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এই হুমকির ফলে শুধু খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাই নয়, গোটা টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বিদেশি ক্রিকেটারদের হুমকি

    ‘তেহরিক ই তালিবান পাকিস্তান’-এর নেতা জামাত উল আহরার ‘দ্য সানডে গার্ডিয়ান’-কে বলেছেন, “আমরা বিশ্বের বাকি সব ক্রিকেট বোর্ডকে সতর্ক করে দিতে চাই। দয়া করে আপনাদের দেশের ক্রিকেটারদের পাকিস্তান সুপার লিগ খেলতে পাঠাবেন না। যদি কারও সঙ্গে কিছু হয়, তা হলে আমাদের কোনও দায় থাকবে না। খেলতে এলে বিপদ হবে।” আহরার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কিছুতেই যাতে পাকিস্তান সুপার লিগ না হয়, সেটা নিশ্চিত করবেন তাঁরা। আহরার বলেন, “যাতে পাকিস্তান সুপার লিগ না হয়, তার সব চেষ্টা আমরা করব। সেই কারণে ক্রিকেটারদেরও সতর্ক করা হচ্ছে। কেউ খেলতে আসবেন না।”

    ওয়ার্নার ও স্মিথের মতো তারকারা কী আসবেন?

    পাকিস্তান সুপার লিগে এবার খেলা বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথের মতো তারকা রয়েছেন। ওয়ার্নার করাচি কিংসের অধিনায়ক। স্মিথ রয়েছেন মুলতান সুলতানসে। তা ছাড়া মার্নাস লাবুশেন, মইন আলি, ডেভন কনওয়ে, অ্যাডাম জাম্পার মতো ক্রিকেটারও রয়েছেন এবারের লিগে। তাঁদের প্রত্যেককে সতর্ক করেছেন আহরার। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা পাকিস্তান সুপার লিগ। ফাইনাল ৩ মে। পশ্চিম এশিয়া যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সঙ্কট দেখা গিয়েছে। ফলে প্রতিযোগিতা ছয় শহরের বদলে দুই শহরে হবে। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হবে খেলা। তার মাঝেই এ বার আর এক সমস্যায় পাকিস্তানের লিগ।

    ক্রিকেটের বিরোধিতা নয়

    টিটিপি তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে তারা ক্রিকেটের বিরোধিতা করছে না। বরং তাদের বক্তব্য, দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি যখন স্থিতিশীল নয়, তখন এত বড় আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা আয়োজন করা বাস্তবসম্মত নয়। এই যুক্তি সামনে রেখেই তারা বিদেশি খেলোয়াড়দের সতর্ক করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাকিস্তান সুপার লিগে প্রতিবছরই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নামী ক্রিকেটাররা অংশ নেন, যা টুর্নামেন্টের আকর্ষণ বাড়ায়। কিন্তু এ ধরনের হুমকিতে ক্রিকেটাররা আশঙ্কিত। অনেকেই নিরাপত্তার বিষয়টি ভেবে অংশগ্রহণ নিয়ে পুনর্বিবেচনা করতে পারেন।

    পিএসএল-এ অনিশ্চয়তার আবহ

    অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং দেশটির নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বরাবরই দাবি করে আসছে যে, আন্তর্জাতিক মানের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়। অতীতেও নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও সফলভাবে পিএসএল (PSL 2026) সম্পন্ন হয়েছে। ফলে এবারও তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে কতটা সক্ষম হয়, সেটাই এখন দেখার। সব মিলিয়ে, টুর্নামেন্ট শুরু হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকলেও, এই হুমকির জেরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তার আবহ। শেষ পর্যন্ত পিএসএল নির্ধারিত সময়ে শুরু হবে কি না, বিদেশি ক্রিকেটাররা অংশ নেবেন কি না,এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে আগামী কয়েক দিনের পরিস্থিতির ওপর।

    বাংলাদেশের দ্বিচারিতা!

    নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে চায়নি বাংলাদেশ। শেষপর্যন্ত প্রতিযোগিতা বয়কট করে তারা। সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান সুপার লিগও। যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে লিগে। বিদেশি ক্রিকেটারদের হুমকি দিয়েছে একটি জঙ্গি সংগঠন। এই পরিস্থিতিতে সেখানে তাদের ক্রিকেটারদের পাঠানো হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে পিএসএল। সেখানে ক্রিকেটারদের খেলার অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ। একটি বিবৃতিতে সে দেশের বোর্ড বলেছে, “বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তান সুপার লিগে ক্রিকেটারদের যোগ দেওয়ার বিষয়ে দেশের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রক এবং বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা করেছে। তার পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, পাকিস্তানের মাটিতে খেলতে গেলে নিরাপত্তার কোনও সমস্যা হবে না। ইসলামাবাদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে। তার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এই সিদ্ধান্তেই ক্ষোভ ফেটে পড়েছে নেট দুনিয়ায়। নিরাপদ ভারতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করলেও জঙ্গি হুমকির মাঝেই পাকিস্তানে ক্রিকেটারদের পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ।

    পিএসএল নিয়ে উদ্বেগ, আইপিএল নিয়ে নো-টেনশন

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হোক বা রাজনৈতিক মঞ্চ, ভারত বনাম পাকিস্তানের লড়াইটা সর্বত্রই। সেই লড়াইটা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও প্রকাশ পায়। প্রায়শই পিএসএল না আইপিএল, কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ সেরা, সেই নিয়ে সমর্থকরা তর্ক, বিতর্কে জড়ান। এমনকী এবারে তো আইপিএল এবং পিএসএল ফের একবার একদম একই সময়ে আয়োজিত হবে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহগুলির দিকে তাকালে বোঝাই যায় যে কোন দলের মান, কদর ঠিক কতটা। বিদেশি ক্রিকেটাররাও  আইপিএল-এ দল না পেয়ে পিএসএল-এ যোগ দেন। আবার আইপিএল-এ যোগ দেওয়ার সুযোগ এলেই পিএসএল ছেড়ে দেন। অতীতে কর্বিন বশ পিএসএলের চুক্তি ছেড়ে আইপিএলে যোগ দিয়েছিলেন। এ বছরে ইতিমধ্যেই ব্লেসিং মুজারাবানি, শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকাও এমনটা করেছেন।

  • Imran Khan: ‘‘ভারতকে হারাতে ওপেনে নামুক নকভি আর মুনির’’! এশিয়া কাপে শাহিনদের ‘টোটকা’ জেলবন্দি ইমরানের

    Imran Khan: ‘‘ভারতকে হারাতে ওপেনে নামুক নকভি আর মুনির’’! এশিয়া কাপে শাহিনদের ‘টোটকা’ জেলবন্দি ইমরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক ক্রিকেটকে খোঁচা দিলেন সেদেশের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খান (Imran Khan)। ক্রিকেট মাঠে ভারতকে কী করে পাকিস্তান হারাতে পারবে, জেলে বসেই তার উপায় বাতলে দিলেন ইমরান। তিনি বলেন, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভি এবং পাক সেনাবাহিনীর প্রধান আসিম মুনিরের ব্যাট হাতে ওপেন করতে নামা উচিত। তা হলেই পাকিস্তান হারাতে পারবে ভারতকে!

    নকভির অযোগ্যতার ফল ভুগছে পাক ক্রিকেট

    একাধিক মামলায় আপাতত জেলবন্দি রয়েছেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী। সোমবার ইমরানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তাঁর বোন আলিমা খান। তারপরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আলিমা জানান, “ইমরান বলছে, ভারতকে হারাতে গেলে একটাই পথ রয়েছে পাকিস্তানের সামনে। সেটা হল, মুনির আর নকভি একসঙ্গে ওপেন করুক। তবে সেটুকুই যথেষ্ট নয়। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি কাজি ফৈয়জ ইসা এবং প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার সিকন্দর সুলতান রাজাকে ওই ম্যাচের আম্পায়ার হতে হবে। ম্যাচের তৃতীয় আম্পায়ার হবেন ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সরফরাজ ডোগার।” ১৯৯২ সালের পাকিস্তানের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ইমরান মনে করেন, নকভির অযোগ্যতা এবং স্বজনপোষণই পাকিস্তান ক্রিকেটের দুর্দশার কারণ।

    মুনির তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছিলেন

    ইমরান মনে করেন, ২০২৪-এর নির্বাচনে তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ -এর ভরাডুবির কারণ জেনারেল মুনির। তাঁর বিশ্বাস, প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ইশা এবং মুখ্যনির্বাচন আধিকারিক রাজার সাহায্যেই মুনির তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছিলেন। ২০২৩-এর অগাস্ট থেকে ইমরান জেলবন্দি। প্রসঙ্গত, পাক সেনার রোষের মুখে পড়ে গদি হারাতে হয়েছিল ইমরানকে। এর পরেই তাঁর ঠাঁই হয় জেলে। দু’বছর পার হয়ে গেলেও জেলমুক্তি ঘটেনি ইমরানের। বরং একের পর এক নয়া মামলা চেপেছে তাঁর উপর। ইমরানের মুক্তি চেয়ে কিছুদিন আগেও পাকিস্তান জুড়ে ব্যাপক আন্দোলন করেছিল তাঁর দল পিটিআই। যদিও তাতে বিশেষ ফল হয়নি। নিষ্ঠুরভাবে সেই বিদ্রোহ দমন করে সরকার।

    স্বজনপোষণ করে পাক ক্রিকেটকে ধ্বংস

    দিনকয়েক আগেই মুনিরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছিলেন ইমরান। জেলে তাঁর এবং তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবির উপর মানসিক নির্যাতন করছেন পাক সেনাপ্রধান, এমনটাই দাবি করেছিলেন ইমরান। অন্যদিকে স্বজনপোষণ করে পাক ক্রিকেটকে ধ্বংস করেছেন পিসিবি প্রধান তথা পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নকভি, এমনটাও বারবার বলেছেন পাকিস্তানের একমাত্র বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। তাঁর অভিযোগ, ইসা এবং রাজার মদতে ২০২৪ সালের পাক নির্বাচনের ফলাফল বদলে দেওয়া হয়েছিল। তাই একসঙ্গে সকলকে বিঁধেছেন ইমরান খান। মাঠে ভরাডুবি, মাঠের বাইরে চরম বিতর্ক। আর এতকিছুর ভিড়ে ফের একবার আলোচনায় পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক, কিংবদন্তি অলরাউন্ডার, দেশকে বিশ্বকাপ জেতানো দলনেতা ইমরান খান (Imran Khan)। এবার জেল থেকে ছুড়লেন তির। লক্ষ্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মসনদ। ব্যঙ্গের সুরে জানালেন—ভারতকে হারাতে চাইলে পাকিস্তানের জার্সিতে ওপেনিংয়ে নামতে হবে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি (Mohsin Naqvi) আর আর্মি চিফ আসিম মুনিরকে (Asim Munir)। এ ছাড়া টিম ইন্ডিয়াকে কুপোকাত করার অন্য কোনও গতি নেই।

  • PCB: ৮৬৯ কোটি খরচ করে লোকসান ৮৫ শতাংশ! বাবরদের ব্যর্থতায় ভাঁড়ার শূন্য পাক ক্রিকেট বোর্ডের

    PCB: ৮৬৯ কোটি খরচ করে লোকসান ৮৫ শতাংশ! বাবরদের ব্যর্থতায় ভাঁড়ার শূন্য পাক ক্রিকেট বোর্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পাক ক্রিকেট (PCB)। ২৯ বছর পর দেশের মাটিতে কোনও আইসিসি প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। সেখানে লাভের বদলে বিপুল লোকসানের মুখে পড়তে হয়েছে মহসিন নকভিদের। তার প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে। ভাঁড়ার খালি হওয়ায় কমেছে ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি।

    কেন লোকসানের মুখে পাক ক্রিকেট

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে সকলের আগে বিদায় নিয়েছে পাকিস্তান (PCB)। মাত্র চার দিনেই তাদের প্রতিযোগিতা শেষ হয়ে গিয়েছে। দেশে খেলেছে মাত্র একটি ম্যাচ। ফলে পাকিস্তানের দর্শক এই প্রতিযোগিতা থেকে আগ্রহ হারিয়েছে। পরের ম্যাচগুলিতে মাঠ ফাঁকা ছিল। টিকিটের চাহিদা কমেছে। তার ফলে মুখ ফিরিয়েছে স্পনসররা। সব মিলিয়ে সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান। সূত্রের খবর, দেশের তিনটি জায়গায় আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর বসানোর জেরে ইতিমধ্যে প্রায় ৭৩৭ কোটি টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। যার জেরে কোপ পড়েছে ক্রিকেটারদের বিলাস-ব্যাসনে। বাবর আজমরা বিদেশ সফরে গেলে আগে বিলাসবহুল পাঁচতারা হোটেলে থাকতেন। এবার থেকে ছাপোষা হোটেলেই দিন কাটাতে হবে।

    কমল পাক ক্রিকেটাদরদের ম্যাচ ফি

    এর প্রভাব পড়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটে (PCB)। আসন্ন জাতীয় টি২০ প্রতিযোগিতায় ক্রিকেটারদের বেতন ৯০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। জাতীয় টি২০ প্রতিযোগিতায় আগে প্রতিটি ম্যাচের জন্য ক্রিকেটাররা ৪০ হাজার টাকা করে পেতেন। সেটা কমে ১০ হাজার টাকা করা হয়েছে। ঘরোয়া লাল বলের প্রতিযোগিতাতেও আগে ম্যাচপিছু ৪০ হাজার টাকা করে দেওয়া হত। এ বার থেকে দেওয়া হবে ৩০ হাজার টাকা।

    ৭৩৭ কোটি টাকা লোকসান

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য স্টেডিয়াম ঠিকঠাক করার পর টুর্নামেন্ট আয়োজন বাবদ পিসিবিকে কয়েক প্রস্থ অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৫২০ কোটি টাকা। এছাড়, প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিতে খরচ হয়েছে আরও প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। এতকিছুর পর আয়োজন ফি বাবদ পিসিবি-র হাতে আসে ৫২ কোটি টাকা। মোট খরচের তুলনায় যা নামমাত্র। আর দিনের শেষে লাভ-ক্ষতির যোগ-বিয়োগের পর পাক ক্রিকেট বোর্ডের ভাঁড়ার থেকে কিছু আসার বদলে বেরিয়ে গিয়েছে প্রায় ৭৩৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ, ক্ষতির পরিমাণ ৮৫ শতাংশ।

  • Danish Kaneria: ‘আফ্রিদি বারবার ধর্ম বদলের জন্য জোর করত’! পাক ক্রিকেটে বৈষম্যের কথা শোনালেন হিন্দু কানেরিয়া

    Danish Kaneria: ‘আফ্রিদি বারবার ধর্ম বদলের জন্য জোর করত’! পাক ক্রিকেটে বৈষম্যের কথা শোনালেন হিন্দু কানেরিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ক্রিকেট দলের মধ্যে ধর্মীয় বৈষম্যের ফলেই বাইশ গজে তাঁর কেরিয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে, বলে জানালেন দানিশ কানেরিয়া (Danish Kaneria)। প্রাক্তন পাকিস্তানি হিন্দু ক্রিকেটার দানিশ কানেরিয়া সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে ‘পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের অবস্থা’ নিয়ে অনুষ্ঠিত কংগ্রেশনাল ব্রিফিংয়ে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেছেন, ‘‘আমি হিন্দু ক্রিকেটার বলে আমাকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের কথা বলত শাহিদ আফ্রিদি। আমি এর বিরোধিতা করলে আমাকে নানাভাবে অপদস্থ করা হত। দলের সবাই যখন ডিনার টেবিলে রয়েছে, সেইসময় আমার সঙ্গে খেত না আফ্রিদির মতো কয়েকজন ক্রিকেটার।’’

    যোগ্য সম্মান মেলেনি

    পাকিস্তানে তিনি কখনই সমান সম্মান এবং মর্যাদা পাননি, এমনই দাবি কানেরিয়ার (Danish Kaneria)। ২০০০ সালে টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক হওয়া কানেরিয়া ৬১টি টেস্ট ম্যাচে ২৬১টি উইকেট নেন। তিনি বলেন, ‘‘আমি অনেক বৈষম্যের শিকার হয়েছি, এবং আমার কেরিয়ার ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। পাকিস্তানে আমাকে যে সম্মান প্রাপ্য ছিল, তা পাইনি। এই বৈষম্যের কারণেই আমি আজকে আমেরিকায় আছি। আমরা এখানে এসেছি, সচেতনতা তৈরি করতে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে জানাতে যে আমরা কতটা ভোগান্তির শিকার, যাতে এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নেওয়া যায়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘শাহিদ আফ্রিদি ছিল সেই ব্যক্তি, যে আমাকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে বলেছিল। তিনি অনেকবার আমাকে এই প্রস্তাব দেন।’’

    অন্যায়ভাবে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়

    কানেরিয়া (Danish Kaneria) আরও জানান, ‘‘আফ্রিদি আমাকে মানসিকভাবে নানা হেনস্থা করত। কিন্তু আমার পাশে থাকত ইনজামাম। ইনজি আমাকে সবসময় আগলে রাখত। ইনজি মানুষ হিসেবেও খুব উদার মনের। পাকিস্তানের একমাত্র অধিনায়ক যিনি আমার পাশে ছিলেন। এমনকী শোয়েব আখতারও আমাকে সমর্থন করে এসেছে। ওঁদের ব্যবহারই ছিল অন্যরকম। বড় ক্রিকেটার, বড় মনের মানুষও।’’ কানেরিয়া ছিলেন পাকিস্তানের সেইসময়ের একমাত্র হিন্দু ক্রিকেটার। তিনি সুরাটে জন্মগ্রহণ করা স্পিনার। কানেরিয়া শুধু আফ্রিদি নয়, পাক বোর্ডের কর্তাদেরও আক্রমণ করেছেন। নামী প্রাক্তন স্পিনার বলেন, ‘‘আমাকে অন্যায়ভাবে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। আমার যা রেকর্ড ছিল, এমনি দল থেকে বাদ দিতে পারতেন না কর্তারা। সেইজন্য নানা কারণ দেখিয়ে আমাকে ছেঁটে ফেলেছেন। এটা ভারতে কোনওদিন হয়নি। ভারতে মুসলিম ক্রিকেটারদের সম্মান ও শ্রদ্ধা দুটিই দেখানো হয়।’’

  • ICC Champions Trophy 2025: ভারতের ‘না’! বিসিসিআই-কে মান্যতা, পাকিস্তানে বাতিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অনুষ্ঠান

    ICC Champions Trophy 2025: ভারতের ‘না’! বিসিসিআই-কে মান্যতা, পাকিস্তানে বাতিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অনুষ্ঠান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে বিপাকে আইসিসি। বিসিসিআই-এর চাপে কার্যত দোদুল্যমান অবস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের। বিসিসিআইয়ের (BCCI) পক্ষ থেকে আইসিসিকে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy 2025) খেলার জন্য পাকিস্তানে যাবে না ভারতীয় দল। একইসঙ্গে সূচি নিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়ায় এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানও বাতিল করল আইসিসি। এই অনুষ্ঠানটি পাকিস্তানে হওয়ার কথা ছিল। এর ফলে ক্ষোভে ফুঁসছে পিসিবি।

    ভারতের দাবির মান্যতা

    ফেবরুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে পাকিস্তানের মাটিতে শুরু হওয়ার কথা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025)। প্রথমে কথা ছিল, গোটা প্রতিযোগিতাই অনুষ্ঠিত হবে পাকিস্তানের মাটিতে। সেই মতোই, সব দেশই প্রায় রাজি হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানে খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে, ব্যতিক্রম ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। এবার ভারতের চাপে পড়েই বড় সিদ্ধান্ত নিতে হল আইসিসিকে। যেমন কথা তেমন কাজ, আগেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড(BCCI) জানিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানে খেলতে যাবে না তাঁরা। আইসিসি ইভেন্ট হলেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে না যাওয়ার কড়া মনোভাবে অনড় থাকে ভারতীয় দল। হাইব্রিড মডেলেই আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করতে চায়। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান দলের অন্যান্য সব ম্যাচ পাকিস্তানে হলেও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সেদেশে হবে না। এমনকি ফাইনালে টিম ইন্ডিয়া উঠলে সেই ম্যাচও পাকিস্তানে হবে না।  এর ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুব্ধ পিসিবি। 

    আরও পড়ুন: দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে যাবে না ভারত

    আইসিসির অনুষ্ঠান বাতিল

    এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে আইসিসির সঙ্গে যৌথভাবে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy 2025) উন্মোচনের কথা ছিল ১১ নভেম্বর। সোমবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি শুরুর ১০০ দিন বাকি উপলক্ষ্যে লাহোরে সেই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। যদিও ভারতীয় দল সেদেশে যাব না জানিয়ে দেওয়ায়, সেই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়। যদিও পিসিবির ঘনিষ্ঠ এক আইসিসি কর্তা ভারতের জন্য এই ইভেন্ট বাতিল হয়েছে বলে মানতে নারাজ। তাঁর দাবি, লাহোরে এই মূহূর্তে আবহাওয়া ঠিক নেই। সেখানে বাতাসে বিষাক্ত ধূলিকনা রয়েছে, সেই কারণেই আপাতত ট্রফির ফ্ল্যাপ অফ সেরিমনি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Harris Rauf Fight: সমর্থকের কটূক্তি! মেজাজ হারালেন হ্যারিস রউফ

    Harris Rauf Fight: সমর্থকের কটূক্তি! মেজাজ হারালেন হ্যারিস রউফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে পাকিস্তান। সবচেয়ে লজ্জার, ভারতের কাছে হেরেছে বাবর আজমের বাহিনী। এরই মাঝে আরেকটি লজ্জাজনক ঘটনা ঘটিয়ে ফেললেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার হ্যারিস রউফ (Harris Rauf Fight) । ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে এক পাকিস্তানি সমর্থককে মারতে দৌড়াচ্ছেন তিনি। ভিডিও ভাইরাল হতেই সমাজ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

    হেরেও লন্ডনে ছুটি কাটাচ্ছে পাক ক্রিকেটাররা  

    প্রসঙ্গত হারের পরও লন্ডনে ছুটি কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ৬ সদস্য। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পাকিস্তান না গিয়ে তাঁরা লন্ডনে কয়েক দিন মানসিক চাপ কমাতে ছুটি কাটাবেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে পাকিস্তান আনকোরা আমেরিকা ও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে হেরে ছিটকে গিয়েছে তা মেনে নিতে পারছেন না ক্রিকেটার থেকে শুরু করে দলের সমর্থকরা। লন্ডনে ঘুরে বেড়ানোর সময় এক সমর্থকের সঙ্গে সেলফির আবদার মেটানোর সময় হ্যারিস রউফ (Harris Rauf Fight) ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে নিজের দলের সমর্থককেই ভারতীয় বলে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন রউফ। অথচ ওই ব্যক্তি নিজেকে পাকিস্তানি এবং পাকিস্তান দলের সমর্থক বলেই দাবি করে আসছেন। ওই ভিডিওতে রউফকে অকথ্য ভাষায় ওই সমর্থককে গালিগালাজ করতে দেখা গিয়েছে। রউফের স্ত্রী তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করছেন। তা সত্ত্বেও রউফ ওই সমর্থকের উপর মারমুখী হয়ে ওঠেন। অনেকেই ওই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেন।

    সমর্থকের উপর মারমুখি রউফ (Harris Rauf Fight)

    সোমবার জানানো হয় পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন বাবর আজম, মোহাম্মদ আমির, ইমাদ ওয়াসিম, সাদাব খান, আজম খান ও হ্যারিস রউফ পাকিস্তান ফিরে আসার আগে লন্ডনে বেশ কয়েকদিন ছুটি কাটাবেন। এই ৬ জন ক্রিকেটের বাদে বাকিরা মঙ্গলবার পাকিস্তান রওনা দেয়। হারের পরেও ছুটি কাটাতে ইচ্ছে করে? এই প্রশ্নেই নাকি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন রউফ (Harris Rauf Fight) । এমনিতেই ভারতের কাছে হেরে গিয়ে মেজাজ খারাপ পাকিস্তান দলের। তার উপরে সমর্থকের কটুক্তি সহ্য করতে পারেননি রাউফ মিয়াঁ।

    আরও পড়ুন: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের ম্যাচেও বৃষ্টির ভ্রুকুটি, জেনে নিন পূর্ণাঙ্গ সূচি

    পাকিস্তান এবার গ্রুপ এ-তে ছিল এই গ্রুপে ভারত, আমেরিকা, কানাডা, আয়ারল্যান্ড ও পাকিস্তান। শুধু ভারতের কাছে পাকিস্তান হেরেছে এমন নয়। আনকোরা দল আমেরিকার কাছেও হেরেছে তাঁরা। স্বাভাবিকভাবেই কানাডা ও আয়ারল্যান্ডের কাছে জয় পেয়েও গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকায় সুপার এইটে পৌঁছতে পারেনি পাকিস্তান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Under 19 World Cup: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান? কীভাবে সম্ভব

    Under 19 World Cup: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান? কীভাবে সম্ভব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপার সিক্সের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছল ভারত। ৪ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে ভারতের যুব দল। তারা নেট রান-রেটের নিরিখে পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে সুপার সিক্সের এক নম্বর গ্রুপের শীর্ষে থাকে। ভারতের নেট রান-রেট +৩.১৫৫। সেমিফাইনালে ভারতের সামনে দুই নম্বর গ্রুপের দ্বিতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকা।  সুপার সিক্সের এক নম্বর গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে ওঠায় পাকিস্তানকে শেষ চারের লড়াইয়ে নামতে হবে অন্য গ্রুপের এক নম্বর দল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে।

    শেষ চারের লড়াই

    অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের সামনে আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা। ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানো সহজ নয়। তবে যুব বিশ্বকাপের আসরে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে টিম ইন্ডিয়া। গ্রুপ লিগের চার পয়েন্ট সঙ্গে নিয়ে চলতি যুব বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে ওঠে ভারত। তারা সুপার সিক্স রাউন্ডে নিজেদের ২টি ম্যাচেই জয় তুলে নেয়। টুর্নামেন্টে এখনও অপরাজেয় ভারত। আর দুটো ধাপ পেরোতে পারলেই ট্রফি জয়ের স্বাদ পাবে ভারত। 

    টুর্নামেন্টের অন্য সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে পাকিস্তান। ভারত ও পাকিস্তান নিজেদের সেমিফাইনাল জিতলে ফাইনালে হবে মহারণ। যার অপেক্ষায় গোটা ক্রিকেট দুনিয়া। রবিবার, টান টান ম্যাচে বাংলাদেশকে ৫ রানে হারিয়ে সেই আশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে তারা। বাইশ গজে যে কোনও ফরম্যাটে যে কোনও পর্যায় ভারত-পাক ম্যাচ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। তবে ফাইনালে ভারতের সামনে অস্ট্রেলিয়া পড়লেও লড়াই জমে যাবে। তখন রোহিতদের বদলা নিতে হবে উদয়দের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Cricket: অধিনায়কের পদ ছাড়লেন বাবর! টি-টোয়েন্টি, টেস্টে দুই নেতার নাম ঘোষণা পিসিবি-র

    Pakistan Cricket: অধিনায়কের পদ ছাড়লেন বাবর! টি-টোয়েন্টি, টেস্টে দুই নেতার নাম ঘোষণা পিসিবি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায় নিয়েই নেতৃত্ব ছাড়লেন পাকিস্তানের ক্রিকেট অধিনায়ক বাবর আজম। বাবরের সেই ঘোষণার ৯৩ মিনিট পর সমাজমাধ্যমেই নতুন অধিনায়কদের নাম জানিয়ে দিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি। টেস্টে অধিনায়ক করা হল শান মাসুদকে। এক দিনের ক্রিকেটের অধিনায়কের নাম এখনও ঘোষণা করা হয়নি। একই সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ডিরেক্টর করা হয়েছে প্রাক্তন পাক অধিনায়ক মহম্মদ হাফিজকে। 

    কী বললেন বাবর

    সমাজমাধ্যমে নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন বাবর। তিনি লিখেছিলেন, “তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটে পাকিস্তানের নেতৃত্ব ছাড়ছি। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব কঠিন ছিল কিন্তু আমার মনে হয় এটাই সঠিক সময়। নেতৃত্ব ছাড়লেও আমি পাকিস্তানের হয়ে তিন ফরম্যাটেই ক্রিকেট খেলব। নতুন অধিনায়ককে সব রকম সাহায্য করব। আমার সব অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেব তাঁর সঙ্গে।” বাবরের দেখানো পথেই চলার অঙ্গীকার নিলেন টিমে তাঁর বিপরীত মেরুতে থাকা বর্তমান টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি।

    আইসিসি বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর পাকিস্তান দলের সার্বিক পরিস্থিতি খারাপ। ভারতের  মাটিতে লজ্জাজনক পরাজয়েরই খেসারত দিলেন বাবর। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল দুঃখ ভরা পোস্ট করেছেন তিনি৷

    বাবর আজম লিখেছেন, ‘‘আমার এখনও মনে আছে যখন আমি ২০১৯ সালে পিসিবি থেকে ডাক পেয়েছিলাম,  যে আপনি পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন। আমি গত ৪ বছরে অনেক উত্থান-পতন দেখেছি। আমার উদ্দেশ্য ছিল সবসময় দলের জন্য আরও ভাল পারফর্ম করা এবং এটিকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। ওডিআই ক্রিকেটে এক নম্বর র‍্যাঙ্কিংয়ে পৌঁছানো পুরো দলের একটি দুর্দান্ত প্রচেষ্টা ছিল। এর পিছনে ছিল খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও টিম ম্যানেজমেন্টের পুরো পরিশ্রম।’’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপে ব্যর্থ বাবররা! পাক ক্রিকেটে পরিবর্তন, দায়িত্বে আসতে পারেন কারা?

    ICC World Cup 2023: বিশ্বকাপে ব্যর্থ বাবররা! পাক ক্রিকেটে পরিবর্তন, দায়িত্বে আসতে পারেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপে ব্যর্থতার রেশ! পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং পাকিস্তান দলের কোচিং প্যানেল পরিবর্তন করা হতে পারে। ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তান। সেই প্রতিযোগিতাকে লক্ষ্য রেখেই করা হবে পরিবর্তন। সূত্রের খবর, পিসিবি এবং পাক দলের বিভিন্ন দায়িত্বে আসতে পারেন একাধিক প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার। ওয়াকার ইউনিস, শাহিদ আফ্রিদি, আকিব জাভেদ, ইউনিস খান, আজহার আলিদের মতো প্রাক্তন ক্রিকেটারদের দায়িত্বে আনা হতে পারে।

    কোচিং প্যানেল পরিবর্তন

    জাকা আশরফের নেতৃত্বাধীন পিসিবির ১২ সদস্যের কমিটির কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে এই নভেম্বর মাসেই। তবে তাঁদের আরও তিন মাস, অর্থাৎ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কাজ চালানোর নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। তার মধ্যেই ঠিক করে ফেলা হবে কে কোন দায়িত্বে আসবেন। প্রধান নির্বাচক, ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট পদে আসতে পারে নতুন মুখ। জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলেও দেখা যতে পারে একাধিক প্রাক্তন ক্রিকেটারকে। এশিয়া কাপ এবং বিশ্বকাপের ব্যর্থতার পরই এই সিদ্ধান্ত নেয় পিসিবি। টিম ডিরেক্টর মিকি আর্থার, প্রধান কোচ গ্র্যান্ট ব্র্যাডবার্ন ও ব্যাটিং কোট অ্যান্ড্রু পুটিকের চাকরি যেতে পারে। বিশ্বকাপে দলের খারাপ পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা গিয়েছে। ঠিক কোন কোন জায়গায় বাবরেরা ভুল করেছেন তা পর্যালোচনা করে দেখবে বোর্ড। বাবরের চাকরিও চাপের মুখে। ইতিমধ্যেই তাঁকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছে।

    আরও পড়ুন: মুম্বই পৌঁছেই পিচ পরিদর্শনে রাহুল! সেমির অঙ্ক নিয়ে কী ভাবছে ভারত?

    দায়িত্বে কারা 

    সূত্রের খবর, নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে শোয়েব মালিককেও। টি-টোয়েন্টি দলের কোচ অথবা অধিনায়ক করা হতে পারে তাঁকে। আগে দু’দফায় পাকিস্তানের প্রধান কোচ হিসাবে কাজ করেছেন ইউনিস। জাতীয় দলের ব্যাটিং, বোলিং কোচ হিসাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে জাভেদ এবং ইউনিসের। তাঁদের আবার সেই ভূমিকায় দেখা যেতে পারে। বিশ্বকাপের ব্যর্থতার দায় নিয়ে প্রধান নির্বাচকের পদে ইস্তফা দিয়েছেন ইনজামাম উল হক। তাঁর জায়গায় দেখা যেতে পারে শাহিদ আফ্রিদিকে। মাঝে অল্প কয়েক দিনের জন্য এই দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। বাবরদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও ভাল। বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল ইতিমধ্যেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। সেই জায়গায় নাম শোনা যাচ্ছে ‘কলকাতা’র উমর গুলের। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলে যাওয়া এই পাক পেসার বলেন, “পাক ক্রিকেট বোর্ড আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। যদি পাকিস্তান দলের বোলিং কোচ করা হয়, তাহলে সেটা আমার কাছে খুবই গর্বের।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ICC World Cup 2023: পুলিশি পাহারায় বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে উঠতে হল বাবরকে! জানেন কেন

    ICC World Cup 2023: পুলিশি পাহারায় বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে উঠতে হল বাবরকে! জানেন কেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যর্থ বাবররা দেশে ফিরতেই বিমানবন্দরে শুরু হয়ে গেল ধাক্কাধাক্কি। পুলইশ পাহারায় শেষ পর্যন্ত বিমানবন্দর ছাড়লেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। বিশ্বকাপের শুরুটা ভাল হলেও ভারতের কাছে হেরে যায় পাকিস্তান।  আর ঠিক এখান থেকেই বেলাইন হয়ে যায় পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সাফল্য যাত্রা। ভারতের বিরুদ্ধে এই পরাজয়ের পর চূড়ান্ত হতাশাই বাবরদের সঙ্গী হয়েছে।

    লাহোরে ফিরলেন বাবররা

    সোমবার সকালেই পাকিস্তানে ফিরেছে দল। বাবর আজমেরা বিমানবন্দরে নামার পরেই হুলস্থূল পড়ে যায় সেখানে। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। কলকাতা থেকে দুবাই হয়ে পাকিস্তানের লাহোরে ফিরেছেন বাবরেরা। দল সেখানে নামার পরেই দেখা যায়, অনেকে ক্রিকেটারদের দিকে ছুটে যাচ্ছেন। পাক ক্রিকেটারদের সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের আটকে দেন। কাউকে কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। ভিড় ক্রমশ বাড়তে থাকে। এই পরিস্থিতিতে কোনও ঝুঁকি নিতে চাননি নিরাপত্তারক্ষীরা। তবে দলের উপর রাগ থেকে এই ভিড় জড়ো হয়নি। তাঁরা পাকিস্তান দলকে স্বাগত জানাতেই গিয়েছিলেন। কারণ, বেশির ভাগকেই দেখা যায় বাবরের ছবি তুলছেন।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপে প্রথম উইকেট বিরাটের! গ্যালারি মাতালেন অনুষ্কা

    কত টাকা পেলেন পাক ক্রিকেটাররা

    নকআউটের আগে দেশের ফিরে গেলেও এবারের বিশ্বকাপ থেকে বাবর আজমরা ভারতীয় মুদ্রায় মোট ২ কোটি ১৬ লাখ টাকা (২,৬০,০০০ মার্কিন ডলার) উপার্জন করেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের নিয়ম অনুসারে, চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে প্রত্যেকটা দল যতগুলো করে ম্যাচ খেলবে ততবার ৪০,০০০ ডলার করে পাবে। অর্থাৎ ম্যাচ প্রতি বাবররা ভারতীয় মুদ্রায় ৩৩ লাখ টাকা করে রোজগার করেছেন। ফলে প্রত্যেকটা ম্যাচ যোগ করে এই আকাশছোঁয়া অঙ্কই বাবরদের হাতে এসেছে। পাশাপাশি, যারা সেমিফাইনালে উঠতে পারবে না সেই দলগুলোকে ১ লাখ ডলার করে দেওয়া হবে, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় এককালীন ৮৩ লাখ টাকা পাবেন বাবররা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share