Tag: Pakistani spy

  • ISI agent Rana Rauf: হাবড়ায় ধৃত পাকিস্তানি চর রানার নোটবুকে ৬ পাক এজেন্টের নাম! স্বাধীনতা দিবসে নাশকতার ছক?

    ISI agent Rana Rauf: হাবড়ায় ধৃত পাকিস্তানি চর রানার নোটবুকে ৬ পাক এজেন্টের নাম! স্বাধীনতা দিবসে নাশকতার ছক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে ধৃত সন্দেহভাজন পাকিস্তানি চর রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF)। তদন্তকারীদের দাবি, রানার নোটবুক ও ডায়েরি থেকে অন্তত ৬ জন আন্তর্জাতিক স্তরের পাক এজেন্টের নাম মিলেছে। তাঁদের মধ্যে ৫ জন নেপালের এবং ১ জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে খবর, কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার সেনা ছাউনি, বিএসএফ ক্যাম্প, গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন, রেলপথ এবং সামরিক পরিকাঠামোর ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে বিদেশে থাকা যোগাযোগকারীদের কাছে পাঠাত রানা। তদন্তকারীদের নজরে এসেছে ফোর্ট উইলিয়ামের ম্যাপ, ছবি ও ভিডিও সংগ্রহের অভিযোগও। বিএসএফ ও ভারতীয় সেনার গতিবিধি এবং ভারতীয় রেলের নেটওয়ার্ক সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছিল বলে অভিযোগ।

    মোবাইল ভেঙেও রক্ষা হল না

    তদন্তে উঠে এসেছে, নিজের সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনের তথ্য মুছে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিল রানা। নেপালে গিয়ে ব্যবহৃত মোবাইলটি ভেঙে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে। তবে তার কাছে থাকা দুটি সিমকার্ড নষ্ট করতে পারেনি সে। সেই সিমকার্ড এখন তদন্তকারীদের হাতে রয়েছে। এদিকে রানার নোটবুক ও ডায়েরি পরীক্ষা করতেই তদন্তের পরিধি আরও বাড়ে। সেখানে কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার নামে পাঁচ ব্যক্তির নাম পাওয়া গিয়েছে বলে এসটিএফ সূত্রে দাবি। তাঁরা নেপালে অবস্থান করছে বলে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান। একই সঙ্গে বাংলাদেশে থাকা পাভেল নামে আরও এক সন্দেহভাজন পাক এজেন্টের নামও উঠে এসেছে।

    নেপাল হয়ে বাংলাদেশ যাওয়ার ছক

    তদন্তকারীদের দাবি, কাঠমান্ডুতে একটি গোপন বৈঠকের পর বনগাঁ হয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রানার। হাবড়া থেকে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে সেখান থেকে নেপালের কাঠমান্ডু যাওয়ার পরিকল্পনাও তার ছিল বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশের যশোরে পাভেল নামে ওই সন্দেহভাজন এজেন্ট রানার জন্য একটি নতুন মোবাইল নিয়ে অপেক্ষা করছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সেই ফোনে পুরনো সিমকার্ড ঢুকিয়ে ফের নেপাল ও পাকিস্তানে যোগাযোগ করার পরিকল্পনা ছিল বলে এসটিএফ-এর অনুমান।

    ‘ওয়াহাব আলম’ পরিচয়ে ভারতীয় নথি

    মঙ্গলবার রাতে হাবড়ার চোংদা মোড় থেকে রানাকে আটক করে এসটিএফ। তপসিয়ার বাসিন্দা ‘ওয়াহাব আলম’ পরিচয়ে নিজের ভারতীয় পরিচয় প্রমাণের জন্য আধার ও ভোটার কার্ডও দেখিয়েছিল সে। কিন্তু তার পরিচয়, এনআরসি এবং নথিপত্র সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হতেই একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। দীর্ঘ জেরার পর শেষ পর্যন্ত রানা নিজেকে পাকিস্তানি নাগরিক বলে স্বীকার করে বলে তদন্তকারীদের দাবি। তার কাছ থেকে পাকিস্তানের পাসপোর্টও উদ্ধার হয়েছে। নগদ মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও এক সঙ্গী গ্রেফতার

    রানাকে সাহায্য করার অভিযোগে কলকাতার তপসিয়া এলাকা থেকে মহম্মদ ইজাজ নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে এসটিএফ। তদন্তকারীদের দাবি, কলকাতার পূর্ব দিকের আরও দুই বাসিন্দা রানার চরবৃত্তির কাজে সহযোগিতা করত। তাঁদের ভূমিকা নিয়েও তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, রানা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকার ছবি এবং ভিডিও সংগ্রহ করে নেপালে থাকা যোগাযোগকারীদের কাছে অ্যাপের মাধ্যমে পাঠাত। পরে সেই তথ্য পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কাছে পৌঁছত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    স্বাধীনতা দিবসে নাশকতার আশঙ্কা?

    রানাকে ঘিরে তদন্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ১৫ অগাস্টকে কেন্দ্র করে। বারাসত আদালতের সরকারি আইনজীবী প্রসেনজিৎ রানা জানিয়েছেন, স্বাধীনতা দিবসের দিন নাশকতার কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আদালতে সরকারি পক্ষের তরফে এমন আশঙ্কার কথাও জানানো হয়েছে। তদন্তকারীদের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, রানার মোবাইলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার একাধিক নম্বর ছিল। ওই নম্বরগুলির সঙ্গে চ্যাটও হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে গ্রেফতারের আগে বহু চ্যাট এবং নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। সরকারি আইনজীবীর দাবি, দুই পাকিস্তানি নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে ভারতে ঢুকে কলকাতায় অবস্থান করছিল বলে তদন্তে তথ্য উঠে এসেছে। তাঁদের গতিবিধির মধ্যে কলকাতা ও আশপাশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানও ছিল। মুছে দেওয়া নথি ও ডিজিটাল যোগাযোগের তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

    আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সন্ধানে তদন্ত

    রানার নোটবুক থেকে নেপাল ও বাংলাদেশের সন্দেহভাজন এজেন্টদের নাম উঠে আসায় তদন্তের পরিধি এখন আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছেছে। নেপাল ও বাংলাদেশে থাকা সন্দেহভাজনদের সঙ্গে রানার যোগাযোগ কীভাবে তৈরি হয়েছিল, তাঁরা কার হয়ে কাজ করত এবং সংগৃহীত তথ্য কোথায় পাঠানো হত—এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, আন্তর্জাতিক স্তরে ছড়িয়ে থাকা এই সন্দেহভাজন নেটওয়ার্কের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে নেপাল ও বাংলাদেশ সরকারকেও তথ্য জানানো হচ্ছে। রানাকে ১৪ দিনের জন্য এসটিএফ হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। তার জেরা এবং উদ্ধার হওয়া নথি, সিমকার্ড, ডিজিটাল যোগাযোগ ও নোটবুকের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই চক্রের আরও সদস্য এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে তদন্তকারীদের অনুমান।

  • Pakistani Spy in IAF: টাকার বদলে পাকিস্তানে গোপন সামরিক তথ্য পাচার! চরবৃত্তির অভিযোগে অসমে গ্রেফতার বায়ুসেনার কর্মী

    Pakistani Spy in IAF: টাকার বদলে পাকিস্তানে গোপন সামরিক তথ্য পাচার! চরবৃত্তির অভিযোগে অসমে গ্রেফতার বায়ুসেনার কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বায়ুসেনা ঘাঁটির গোপন তথ্য তুলে দেওয়া হতো পাকিস্তানের চরের (Pakistani Spy in IAF) হাতে। দীর্ঘদিন ধরেই এই কাজ চালানোর পরে অবশেষে গোয়েন্দাদের হাতে ধরা পড়ল চক্রী। যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে অসমের ছাবুয়া বায়ুসেনাঘাঁটিতে সিভিলিয়ান কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল। রবিবার ৩৬ বছরের সুমিত কুমারকে রাজস্থান ইন্টেলিজেন্স এবং এয়ার ফোর্স ইন্টেলিজেন্সের যৌথ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২০২৩ সাল থেকে সুমিত পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে অত্যন্ত গোপনীয় তথ্য ফাঁস করে আসছিলেন বলে অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে ভারতের একাধিক স্পর্শকাতর তথ্য পাকিস্তানের চরের কাছে পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।

    কীভাবে পুলিশের জালে সুমিত

    রাজস্থান পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি (ইন্টেলিজেন্স) প্রফুল্ল কুমার জানিয়েছেন, জানুয়ারি ২০২৬-এ জয়সলমীর থেকে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি জহরারামকে গ্রেফতারের পর তদন্তের সূত্র ধরে সুমিতের নাম উঠে আসে। সুমিত উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের বাসিন্দা। ছাবুয়া বিমান ঘাঁটিতে মাল্টি টাস্কিং স্টাফ হিসেবে কর্মরত ছিল সুমিত। পেশার সুবিধা কাজে লাগিয়ে নানা তথ্য জোগাড় করে সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল ব্যবহার করে তথ্য পাচার করত সুমিত। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ২০২৩ থেকে চরবৃত্তির কাজে যুক্ত সুমিত। টাকার বিনিময়ে তথ্য পাচার করা হত। বায়ুসেনা ঘাঁটিতে কী কী রয়েছে, কোন ফাইটার জেট রাখা হয়, ঘাঁটির কোথায় রাখা হয়- এমন নানা ধরনের তথ্য পাচার করা হয়েছে।

    পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগ

    জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সুমিত নিজের নামে সিম কার্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে দিয়েছেন, যাতে তারা যোগাযোগ রাখতে পারেন। এই সব তথ্য ভারতের সামরিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর। যৌথ অভিযানে রাজস্থান ইন্টেলিজেন্সের টিম এয়ারফোর্স ইন্টেলিজেন্সের সহায়তায় ছাবুয়া থেকে সুমিতকে আটক করে জয়পুরের সেন্ট্রাল ইন্টারোগেশন সেন্টারে নিয়ে আসে। ২২ মার্চ ২০২৬-এ জয়পুরের স্পেশাল পুলিশ স্টেশনে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩ এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস), ২০২৩-এর ধারায় মামলা রুজু করে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে তাকে জয়পুর কোর্টে তোলা হয়েছে। এই গ্রেফতার পাকিস্তান-সমর্থিত গুপ্তচর নেটওয়ার্কের একটি বড় অংশ উন্মোচন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই নেটওয়ার্ক দেশের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ছড়িয়ে রয়েছে এবং আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসতে পারে। সুমিতের মতো একজন নিম্নপদস্থ কর্মী কীভাবে এত গোপন তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

  • Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার পর এবার মুর্শিদবাদ (Murshidabad)! পশ্চিমবঙ্গ কি জঙ্গি-ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল? তা না হলে, কীভাবে একের পর এক ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এরাজ্যে ঘটে চলেছে? এরাজ্যে এসে বড়সড় নাশকতার ষড়যন্ত্র ফাঁস করেছে দিল্লি পুলিশ। মালদা থেকে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার মধ্যে মুর্শিদাবাদে দুই যুবকের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pakistani Spy) অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। ইতিমধ্যে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। তার মধ্যে একজনকে কিছুদিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই অভিযুক্তকে জেরা করে সূত্র ধরে বহরমপুর থেকে অন্য আরেক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত যুবেকের নাম সুমন শেখ। অভিযোগ, তারা পাকিস্তানে সিম কার্ডের ওটিপি পাচার করত।

    চব্বিশ বছরের বয়সী যুবক (Murshidabad)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জুহাব শেখকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। এই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চব্বিশ বছরের সুমনের নাম জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসাররা। বহরমপুরের গির্জার মোড় এলাকা থেকে প্রথমে সুমনকে আটক করা হয়। এরপর তার বাড়িতে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। ধৃত দুজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে (Pakistani Spy) পাচার করার অভিযোগ রয়েছে। কোন অভিপ্রায়ে চলত ওটিপি পাচার? জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বহু পাকিস্তানিদের সঙ্গে যোগ রয়েছে সুমনের। রবিবার সুমনকেও গ্রেফতার করা হয়। কার্যত পাকিস্তানি গুপ্তচর হিসাবেই কাজ করছিল এই যুবক। হোয়টসঅ্যাপে নম্বর ভেরিফিকেশনের জন্য যে ওটিপি আসে, তা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিত তারা। তাতে সেখানেই এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে যেত। আর এর বিনিময়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত।

    হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত

    ধৃত সুমন শেখের পরিবারের তরফে বলা হয়েছে, ছেলে ডেলিভারির কাজ করত। তদন্তকারী অফিসারদের বক্তব্য, ধৃত দুই জনই সিম কার্ড বিক্রেতা। সাধারণ মানুষের নথি ব্যবহার করে সিম কার্ড দিত। এই নম্বর দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত। নম্বর ভেরিফাইয়ের জন্য যে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা ওটিপি আসত সেগুলি পাকিস্তান হ্যান্ডেলারদের (Pakistani Spy) পাঠিয়ে দিত। তার বিনিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা পেত। ওই সিমগুলি যারা ব্যবহার করে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চলে পাকিস্তান থেকে। ছেলে অপকর্মে গ্রেফতার হওয়ায় মা মেনকা বিবি বলেন, “বহরমপুরে ডেলিভারির কাজ করত। কিসের জন্য পুলিশ গ্রেফতার করেছে তা জানা নেই। জুহাবকে আগে ধরেছে পুলিশ। সেই আমার ছেলের নাম বলেছে। আমি চাই ছেলে ছাড়া পাক।” জানা গিয়েছে, সুমনের বাবা বহরমপুরে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। বর্তমানে তিনি বাড়িতে নেই। জেঠু গোলাম হোসেন বলেন, “সুমনকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে আমরা জানি না, আমাদের পুলিশ কিছু বলেনি। আমরা বহরমপুরে গিয়েছিলাম।”

    কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে

    এর আগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মালদা থেকে ২ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম উমর ফারুক এবং রবিউল ইসলাম। উমর মালদার বাসিন্দার কিন্তু রবিউল বাংলাদেশি। প্রত্যেকেই লস্করের সদস্য। এছাড়া তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার হয়েছে মিজানুর রহমান, মহম্মদ শব্বত, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল। উল্লেখ্য এরা সবাই বাংলাদেশি। শাব্বির আহমেদ লোন নামে একজন হ্যান্ডলার নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের ছক করেছিল তারা। এই শাব্বির লোন হল কাশ্মীরি। ২০০৭ সালে এক আত্মঘাতী হামলার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। এরপর সেখানে গিয়ে ঘাঁটি গড়ে তোলে। সম্প্রতি কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। বড়সড় এক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল এই শব্বির। আর সেই ছকের ঘুঁটি ছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গিরা (Pakistani Spy)।

    উল্লেখ্য গত কয়েক মাস আগেই ওয়াকফের নামে ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জে কট্টরপন্থী মুসলিমরা হিন্দু সাম্প্রদায়ের উপর ব্যাপক ভাবে হিংসার ঘটনা ঘটায়। গত কয়েক মাসে আল কায়দা, আইএসআই, জেএমবি, লস্কর, পিএফআই সহ একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেশকিছু জঙ্গিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সম্প্রতি এই জেলায় জঙ্গিদের ধরপাকড়ের ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত চিন্তা এবং উদ্বেগের চিত্র সামনে এসেছে।

LinkedIn
Share