Tag: Pamban Bridge

  • Nitin Gadkari:  ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে গভীর সহযোগিতার আহ্বান নীতিনের, জোর টেকসই ও ভবিষ্যতমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর

    Nitin Gadkari:  ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে গভীর সহযোগিতার আহ্বান নীতিনের, জোর টেকসই ও ভবিষ্যতমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে আরও গভীর সহযোগিতার আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গডকরি (Nitin Gadkari)। তাঁর মতে, ব্রিকসের (BRICS) সদস্য দেশগুলির সম্মিলিত শক্তি বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনী, অংশীদারিত্বমূলক এবং দায়িত্বশীল পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার এক অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে।

    পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের বিবৃতি (Nitin Gadkari)

    সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নাগপুরে অনুষ্ঠিত ব্রিকস পরিবহণ মন্ত্রীদের বৈঠকে বিভিন্ন সদস্য দেশের পরিবহণ মন্ত্রী, প্রতিনিধিদলের প্রধান, শীর্ষ আধিকারিক এবং প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান নীতিন। তিনি জানান, এই বৈঠক উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ সহযোগিতা আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের মূল ভাবনা ‘স্থিতিশীলতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য নির্মাণ’—এই বিষয়কে সামনে রেখেই এগোচ্ছে বলে জানান গডকরি। তাঁর কথায়, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ বা ‘সমগ্র বিশ্ব এক পরিবার’—এই ভারতীয় দর্শনের ভিত্তিতেই মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী ব্রিকস পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পারে বলেও জানান তিনি।

    পরিবহণে জোর গডকরির

    অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে পরিবহণ ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে গডকরি বলেন, “সড়ক, রেল, সমুদ্র ও বিমান—সব ক্ষেত্রেই ভারতের দ্রুত অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক নেটওয়ার্ক ভারতের রয়েছে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকারযুক্ত দ্রুতগামী মহাসড়ক এবং বহুমাধ্যমভিত্তিক যোগাযোগ (Nitin Gadkari) ব্যবস্থারও উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটেছে।” দিল্লি-দেরাদুন অর্থনৈতিক করিডর, সোনমার্গ সুড়ঙ্গ এবং ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি নতুন দ্রুতগামী মহাসড়ক নির্মাণের মতো প্রকল্পগুলির উল্লেখ করে তিনি (BRICS) জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে পরিকাঠামো উন্নয়নের সমন্বয় ঘটানোর দিকেই ভারত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে সংকর বার্ষিক আর্থিক মডেলের সফল প্রয়োগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    পণ্য পরিবহণের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর

    রেল ক্ষেত্রেও ব্যাপক আধুনিকীকরণের কথা উল্লেখ করেন গডকরি। তিনি জানান, বিস্তৃত গেজ রেলপথের প্রায় সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়ন, বন্দে ভারত ট্রেন পরিষেবার সম্প্রসারণ, মুম্বই-আহমেদাবাদ উচ্চগতির রেল প্রকল্পের অগ্রগতি এবং নতুন পাম্বান সেতুর মতো টেকনোলজি দেশের রেল ব্যবস্থাকে নয়া উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়া ‘সামুদ্রিক অমৃতকাল ভিশন ২০৪৭’, ‘ই-নাবিক’, ‘ই-সমুদ্র’ এবং সবুজ নৌপরিবহণ উদ্যোগের মাধ্যমে সামুদ্রিক পরিকাঠামো ও পণ্য পরিবহণের দক্ষতা বৃদ্ধির দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান (Nitin Gadkari) তিনি। টেকসই পরিবহণ ব্যবস্থার লক্ষ্যে বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবা, সবুজ নগর পরিবহণ প্রকল্প এবং আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণে ‘উড়ান’ প্রকল্পের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর মতে, ‘প্রধানমন্ত্রী গতি শক্তি জাতীয় মহাপরিকল্পনা’ সমন্বিত বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবহণ ব্যয় কমিয়েছে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়িয়েছে।

    কী বললেন গডকরি

    সড়ক নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে গডকরি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের নগদবিহীন চিকিৎসার জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী-রাহাত’ প্রকল্প চালু হয়েছে। পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্য, পৌর বর্জ্য, উড়ন্ত ছাই, ইস্পাতের অবশিষ্টাংশ, বাঁশের নিরাপত্তা ব্যারিয়ার এবং ব্যবহারের অযোগ্য পুরোনো টায়ার পুনর্ব্যবহার করে সড়ক নির্মাণে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ব্রিকস দেশগুলির সামনে পরিকাঠামোয় অর্থায়ন, যানজট, দূষণ, সড়ক নিরাপত্তা এবং শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যোগাযোগ নিশ্চিত করার মতো একাধিক অভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন গডকরি। এই সমস্যাগুলির সমাধানে পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়, দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং সবুজ হাইড্রোজেন, বৈদ্যুতিক যান, বিকল্প জ্বালানি, ডিজিটাল পরিবহণ ব্যবস্থা ও টেকসই বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিকাঠামো নিয়ে যৌথ গবেষণার ক্ষেত্রে ভারত সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে (Nitin Gadkari)। বৈঠকের ফল নিয়ে আশাবাদী গডকরি বলেন, এই আলোচনা ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবসম্মত ও উদ্ভাবনী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি, পরিবেশ রক্ষা এবং (BRICS) টেকসই ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সকল সদস্য দেশকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও জানান কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী (Nitin Gadkari)।

     

  • New Pamban Bridge: দেশের প্রথম ভার্টিক্যাল লিফট সি-ব্রিজ! জানুন মোদির হাতে উদ্বোধন হওয়া পাম্বান রেলসেতুর বৈশিষ্ট্য

    New Pamban Bridge: দেশের প্রথম ভার্টিক্যাল লিফট সি-ব্রিজ! জানুন মোদির হাতে উদ্বোধন হওয়া পাম্বান রেলসেতুর বৈশিষ্ট্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীতে সমুদ্রে অবস্থিত ভারতের প্রথম উল্লম্বভাবে উত্তোলিত রেলসেতু পাম্বান ব্রিজের (New Pamban Bridge) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মান্নান উপসাগরের অবস্থিত আগের সেতু পুরনো হয়ে যাওয়াতেই নয়া ব্রিজ তৈরি করা হয়। উদ্বোধনের আগে রেল মন্ত্রকের তরফে বলা হয়, ‘‘অতীতের সেতু, নতুনকে তুলে ধরছে, অবিশ্বাস্য সৌন্দর্যের মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে পাম্বান। এই রামনবমীতে ভারতের প্রথম ভার্টিকাল লিফট রেলওয়ে সি ব্রিজের (প্রথম উল্লম্বভাবে উত্তোলিত রেলসেতু) সাক্ষী থাকুন।’’

    ১৭ মিটার উঠে যাবে পাম্বান ব্রিজের উলম্ব অংশ (New Pamban Bridge)

    প্রসঙ্গত নয়া যে পাম্বান ব্রিজ (New Pamban Bridge) তৈরি করা হয়েছে, তা মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে রামেশ্বরমকে যুক্ত করেছে। রেলের তরফে জানানো ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে, নয়া পাম্বান ব্রিজের দৈর্ঘ্য হল প্রায় ২.০৮ কিলোমিটার। দু’প্রান্তের প্রায় ৩৫ মিটার উঁচু স্তম্ভ থেকে এই সেতুকে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। জাহাজ এলেই সরে যাবে সেতু। সেজন্য পাম্বান সেতুর মাঝ বরাবর ৭২.৫ মিটার লম্বা এবং ৬৪০ টনের উলম্ব অংশ আছে, যা ১৭ মিটার পর্যন্ত উঠে যাবে। সেতু উঠে যাওয়ার সময় যাতে রেললাইনের সংযোগ এবং ওভারহেড তারের সংযোগ কোনওভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়, সেজন্য বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেতু সরে যেতে মাত্র ৫ মিনিট সময় লাগবে। এর ফলে জাহাজ চলাচল করতে পারে। রেলের (Vertical Lift Railway Sea Bridge) তরফে দাবি করা হয়েছে, নয়া পাম্বান সেতুর ফলে একদিকে যেমন সহজেই বড় জাহাজ চলাচল করত পারবে, তেমনই ট্রেন পরিষেবা আরও ভালো হবে।

    খরচ হয়েছে ৫৫০ কোটি টাকা

    জানা যায়, রামেশ্বরমকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে ১৯১৪ সালে পাম্বান ব্রিজ তৈরি করেছিল ব্রিটিশরা। নয়া ব্রিজ (New Pamban Bridge) নির্মাণ করতে ৫৫০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই ব্রিজের ক্ষেত্রে স্টেনলেস স্টিল এবং বিশেষ রং ব্যবহার করা হয়েছে। সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৭৫ কিমি বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে নতুন ব্রিজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডের নকশায় আধুনিক প্রযুক্তিতে এই সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।

  • PM Modi: রামনবমীতে রামানাথাস্বামী মন্দিরে পুজো দেবেন মোদি, করবেন পামবান রেল সেতুর উদ্বোধন

    PM Modi: রামনবমীতে রামানাথাস্বামী মন্দিরে পুজো দেবেন মোদি, করবেন পামবান রেল সেতুর উদ্বোধন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৬ এপ্রিল রামনবমীর দিন তামিলনাড়ুর রামেশ্বরামের রামানাথাস্বামী মন্দিরে পুজো দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। এরপর তিনি উদ্বোধন করবেন পামবান রেল সেতুর। প্রসঙ্গত ভারতের প্রথম ‘ভার্টিকাল লিফট সি-ব্রিজ’ হল পামবান সেতু। সমুদ্রের ওপর তৈরি হওয়া সর্বাধিক দৈর্ঘ্যের সেতু এটি। এমনভাবে এই ব্রিজকে নির্মাণ করা হয়েছে যে উপরে ছুটবে ট্রেন আবার জাহাজ এলেই সরে যাবে সেতু।

    রামনবমীর পুণ্য তিথিতেই কেন সেতু উদ্বোধন?

    তবে রামনবমীর পুণ্য তিথিতেই এই সেতুর উদ্বোধন কেন? অনেকেই বলছেন, হিন্দুদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, রামেশ্বরম হল সেই জায়গা যেখানে ভগবান রামচন্দ্র এবং তাঁর সেনাবাহিনী মিলে তৈরি করেছিলেন রাম সেতু। এরপরেই রাবণের হাত থেকে মাতা সীতাকে উদ্ধার করা হয়। রামনবমীর পুণ্য তিথিতে রামানাথাস্বামী মন্দিরের প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) যাওয়া এবং সেতু উদ্বোধন তাই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। দেশ জুড়ে রাম ভক্তদের মধ্যে এনিয়ে উন্মাদনাও ছড়িয়েছে।

    প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় ভূখণ্ডের সঙ্গে রামেশ্বরাম বা পামবান দ্বীপকে জুড়তেই তৈরি হয়েছে নয়া এই রেলব্রিজ (Pamban Bridge)। সমুদ্রের উপরে তৈরি হওয়া নতুন সেতু উদ্বোধনে খরচ পড়েছে মোট ৫৪০ কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয় ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই। এরপর কাজ শুরু ২০২০ সালের গোড়ার দিকে। পরবর্তীকালে করোনা মহামারীর কারণে কাজ বন্ধ থাকে। ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে সেতুর কাজ সম্পন্ন হয়। উল্লেখ্য, গত মাসেই এই রেল সেতুতে প্রথম ট্রায়াল রানও সম্পন্ন হয়েছে। এবার আগামী মাসেই রামনবমীতে প্রধানমন্ত্রীর হাতে (PM Modi) উদ্বোধন হতে যাচ্ছে এই সেতুর। জানা যাচ্ছে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ায় খুব সহজেই প্রতি ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার বেগে এই নতুন রেল সেতু হয়ে ছোটানো যাবে ট্রেনগুলি। একই সঙ্গে, জাহাজ পারাপার করানোর জন্য মাঝখান থেকে ১৭ মিটার পর্যন্ত উচ্চতায় উঠে যেতে পারে ব্রিজটি।

LinkedIn
Share