Tag: Parliament Session

Parliament Session

  • Digital Arrest: ডিজিটাল অ্যারেস্টে কড়া আইন! সংসদে আসতে পারে নতুন বিল, আলাদা অপরাধ হবে ‘ডিপফেকও’

    Digital Arrest: ডিজিটাল অ্যারেস্টে কড়া আইন! সংসদে আসতে পারে নতুন বিল, আলাদা অপরাধ হবে ‘ডিপফেকও’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল প্রতারণা রুখতে বড় পদক্ষেপের পথে কেন্দ্রীয় সরকার। চলতি সংসদ অধিবেশনেই ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest), ‘ডিপফেক’ (Deepfake) এবং অন্যান্য সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় একটি বিস্তৃত বিল আনা হতে পারে। এই বিলে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ এবং ‘ডিপফেক’-কে আলাদা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এই উদ্যোগের নেপথ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ। মঙ্গলবার দেশের শীর্ষ আদালত কেন্দ্রকে স্পষ্টভাবে জানায়, ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest)-কে একটি স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে আইনে সংজ্ঞায়িত করতে হবে এবং এর জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দ্রুত বাড়তে থাকা ‘ডিপফেক’ ও অন্যান্য নতুন ধরনের অনলাইন অপরাধ মোকাবিলায়ও আলাদা আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেয় আদালত।

    কী বলল সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ?

    প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ জানায়, কোনও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালত যদি প্রাথমিকভাবে শক্ত প্রমাণ পায়, তাহলে তদন্ত চলাকালীন তাঁর সম্পত্তি বা আর্থিক সম্পদ সাময়িকভাবে জব্দ করার ক্ষমতা তদন্তকারী সংস্থার থাকা উচিত। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, ‘ডিপফেক’ (Deepfake) প্রযুক্তির অপব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। তাই এই ধরনের নতুন সাইবার অপরাধকে আইনের আওতায় আনতে এবং স্পষ্ট সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে দ্রুত আইন প্রণয়ন প্রয়োজন।

    কেন্দ্র কী জানাল আদালতে?

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, কেন্দ্র ইতিমধ্যেই একটি খসড়া বিল তৈরি করছে। সেই বিলে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest), ‘ডিপফেক’ (Deepfake) এবং এ ধরনের অন্যান্য সাইবার অপরাধ মোকাবিলার জন্য বিস্তৃত আইনি ব্যবস্থা রাখা হবে। আদালতে তিনি বলেন, “একটি খসড়া বিল তৈরি হচ্ছে। সেখানে ডিজিটাল অ্যারেস্ট, ডিপফেক-সহ এই ধরনের সমস্ত অপরাধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।”

    ইন্টার-ডিপার্টমেন্টাল কমিটির রিপোর্ট চূড়ান্ত পর্যায়ে

    অ্যাটর্নি জেনারেল আর. ভেঙ্কটরমণি আদালতকে জানান, একটি আন্তঃবিভাগীয় কমিটি (IDC) বর্তমানে বিদ্যমান আইন ও তদন্ত প্রক্রিয়ার কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা খতিয়ে দেখে একটি বিস্তৃত রিপোর্ট তৈরি করছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই নতুন আইন চূড়ান্ত করা হবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ১০ কোটি টাকা বা তার বেশি ক্ষতির সঙ্গে যুক্ত প্রায় ২০টি বড় ডিজিটাল প্রতারণার মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। অন্য মামলাগুলির তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট রাজ্য পুলিশের সাইবার শাখা।

    বুধবার নির্দেশ দিতে পারে সুপ্রিম কোর্ট

    মঙ্গলবারের শুনানির শেষে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) জানায়, এই মামলায় বুধবার আনুষ্ঠানিক নির্দেশ জারি করা হবে।

    কেন শুরু হয়েছিল এই মামলার শুনানি?

    গত বছর দেশজুড়ে বেড়ে চলা ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest) প্রতারণার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা গ্রহণ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এই ধরনের প্রতারণায় জালিয়াতরা নিজেদের পুলিশ, সিবিআই, ইডি বা আদালতের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করে। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদেরই বেশি টার্গেট করা হয়। এর আগের এক শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, বিচারকদের জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে ভুয়ো আদালতের নির্দেশ তৈরি করা শুধু প্রতারণা নয়, এটি বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার উপর সরাসরি আঘাত। আদালতের মর্যাদা ও আইনের শাসনের বিরুদ্ধে এটি অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।

    কী হতে পারে নতুন আইনে?

    প্রস্তাবিত বিলে সম্ভাব্যভাবে যে বিষয়গুলিতে জোর দেওয়া হতে পারে- ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’ (Digital Arrest)-কে আলাদা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি। ‘ডিপফেক’ (Deepfake) তৈরি ও অপব্যবহারের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট আইনি শাস্তি। নতুন ধরনের সাইবার প্রতারণার স্পষ্ট সংজ্ঞা ও শাস্তির বিধান। গুরুতর মামলায় তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্তের সম্পত্তি বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে জব্দ করার ক্ষমতা। সাইবার অপরাধের তদন্ত ও বিচার আরও দ্রুত ও কার্যকর করার জন্য নতুন আইনি কাঠামো।

  • Parliament Monsoon Session: সংসদের বাদল অধিবেশনে আসছে ৫টি নতুন বিল, কর ও বিচার ব্যবস্থায় বড় সংস্কারের উদ্যোগ

    Parliament Monsoon Session: সংসদের বাদল অধিবেশনে আসছে ৫টি নতুন বিল, কর ও বিচার ব্যবস্থায় বড় সংস্কারের উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদ অধিবেশন নিয়ে টানটান উত্তেজনা। আসন্ন বাদল অধিবেশনে (Parliament Monsoon Session) গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস নিয়ে চরম তৎপরতা শুরু শাসক শিবিরে। অন্যদিকে, বিল নিয়ে অবস্থানের ইস্যুতে আরও ভাঙ্গনের মুখে ইন্ডিয়া জোট (INDIA Alliance)। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু সংসদের বাদল অধিবেশন। লোকসভার সচিবালয়ের জারি করা বুলেটিনে জানানো হয়েছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ, আলোচনা ও পাশ করানোর প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। শিক্ষা, কর ব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, এমএসএমই (MSME) খাত, জাতীয় প্রশাসন ও বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে মোট সাতটি বিল সংসদে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি বিল বিবেচনা ও পাসের জন্য, এবং পাঁচটি নতুন বিল উত্থাপনের জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, এটি প্রাথমিক আইন প্রণয়ন সূচি। অধিবেশন চলাকালীন প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বিল আনা হতে পারে।

    বাদল অধিবেশনে সংসদে কোন সাতটি বিল

    বিদেশি অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী বিল ২০২৬ (FCRA): মূলত বেসরকারি এনজিও-গুলির সম্পদ এবং তাদের সাহায্যের নামে আসা বিদেশি অনুদানের উপরে নজরদারি আরও কড়া করতেই এই বিলের উদ্দেশ্য৷ গত মার্চ মাসেও বিলটি লোকসভায় পেশ করা হয়৷ প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, কোনও সংস্থার এফসিআরএ নিবন্ধন বাতিল, স্বেচ্ছায় সমর্পণ বা নবীকরণ না হলে, তাদের বিদেশি অনুদান ও সংশ্লিষ্ট সম্পদ সরকার-নির্ধারিত একটি ‘অথরিটির অধীনে ন্যস্ত হবে।

    বিকশিত ভারত শিক্ষা অধিষ্ঠান বিল ২০২৫: এই বিলটি আগেই যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়েছিল৷ তাদের রিপোর্ট জমা পড়লেই এই বিলটি সংসদে পেশ হতে পারে৷  এই বিলের মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ইউজিসি, এআইসিটিই এবং এনসিটিু-এর পরিবর্তে একটি একক নিয়ন্ত্রক কাঠামো গঠন করা হবে। জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সংস্কারের লক্ষ্য হলো নিয়মকানুন সহজ করা, অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শাসনব্যবস্থা আরও কার্যকর করা। যৌথ সংসদীয় কমিটির (JPC) রিপোর্ট জমা পড়ার পর বিলটি আলোচনায় আসতে পারে।

    সংসদে আসছে ৫টি নতুন বিল

    • ১. ইনকাম ট্যাক্স (সংশোধনী) বিল ২০২৬

    এই বিলের লক্ষ্য ভারতের সার্বভৌম ঋণ বাজারকে আরও শক্তিশালী করা, বাজারে তারল্য বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যও রয়েছে।

    • ২. সুপ্রিম কোর্ট (বিচারপতিদের সংখ্যা সংক্রান্ত) সংশোধনী বিল ২০২৬

    সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতির সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব আনা হবে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির সংখ্যা ৩৩ থেকে ৩৭-এ নিয়ে যাওয়ার জন্য এই বিল আনা হচ্ছে ৷ এর মাধ্যমে বিচারাধীন মামলার চাপ কমানো এবং সর্বোচ্চ আদালতের বিচারিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করাই সরকারের লক্ষ্য।

    • ৩. জন্ম মৃত্যু নিবন্ধীকরণ (সংশোধনী) বিল ২০২৬

    জন্ম মৃত্যু নিবন্ধীকরণের প্রক্রিয়ায় জোর দিতে আরও কড়া আইন আনতে চায় কেন্দ্র৷ যাতে জন্ম মৃত্যু নিবন্ধীকরণ প্রক্রিয়ায় দেরি না হয় এবং হলেও কড়া জরিমানা গুনতে হয়৷ এই লক্ষ্যেই জন্ম মৃত্যু নিবন্ধীকরণ (সংশোধনী) বিল ২০২৬ পেশ করা হবে৷ জন্ম ও মৃত্যুর নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও নির্ভুল ও কার্যকর করতে এই সংশোধনী বিল আনা হচ্ছে।

    • ৪. জাতীয় সম্মানের অবমাননা (সংশোধনী) বিল ২০২৬

    ১৯৭১ সালের আইন সংশোধন করে সংবিধান, জাতীয় পতাকা, জাতীয় প্রতীক বা জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননার ক্ষেত্রে আরও কঠোর শাস্তির বিধান আনতে চায় কেন্দ্র। পাশাপাশি আইন প্রয়োগের ব্যবস্থাও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    • ৫. এমএসএমই ডেভেলপমেন্ট (সংশোধনী) বিল, ২০২৬

    ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি ব্যবসাকে আরও উৎসাহ দিতে রাজ্য সরকারগুলির হাতে আরও ক্ষমতা দেওয়ার লক্ষ্য পেশ করা হবে এই বিল৷ ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (MSME)-গুলিকে সময়মতো অর্থপ্রদান নিশ্চিত করতে নতুন ব্যবস্থা আনা হবে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারগুলিকে এমএসএমই কাউন্সিল গঠনে আরও নমনীয়তা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যাতে ব্যবসায়িক বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়।

    আর্থিক বিষয়েও আলোচনা

    আইন প্রণয়নের পাশাপাশি সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের অতিরিক্ত ব্যয়ের (Demands for Excess Grants) অনুমোদন সংক্রান্ত আর্থিক বিষয়ও উত্থাপিত হবে।

    শৃঙ্খলাতেও থাকবে কড়া নজর

    অধিবেশন শুরুর আগেই সাংসদদের জন্য কড়া আচরণবিধিও জারি করেছে লোকসভার সচিবালয়। প্ল্যাকার্ড, বিক্ষোভ, সংসদ চত্বরে ধরনা, আগ্নেয়াস্ত্র বহন, ধর্মীয় আচার পালন, এমনকি এআই-নির্মিত ছবি বা অবমাননাকর পোস্টার ও স্লোগান ব্যবহার থেকেও সদস্যদের বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংসদের গেটের সামনে কোনও ধরনের প্রতিবাদ কর্মসূচিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সরকারের বার্তা স্পষ্ট— অধিবেশনে আইন পাশের পাশাপাশি শৃঙ্খলাতেও থাকবে কড়া নজর।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

    আজ, ১৭ জুলাই এনডিএ-র গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। সূত্রের খবর, নিট (NEET), ইথানল, রাম মন্দির-সহ একাধিক ইস্যুতে বিরোধী আক্রমণের মুখে এনডিএ শরিক দলের সাংসদের প্রতিরোধের এক সুর নিশ্চিত করতেই বৈঠক। একই সঙ্গে আলোচনা হবে একাধিক বিলের স্ট্র্যাটেজি নিয়েও। সংসদে অস্তিত্বের সংকটে রয়েছে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস। ইন্ডিয়া জোট ছেড়েছে ডিএমকে, আম আদমি পার্টি। এবার বর্ষীয়ান শরদ পাওয়ার হাত ছাড়লে বিরোধী বৃত্তে আরও একা হবে কংগ্রেস।

  • President Murmu: “এক দশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত তার ভিত্তি মজবুত করেছে”, সংসদে বাজেট অধিবেশনের বক্তৃতায় রাষ্ট্রপতি

    President Murmu: “এক দশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত তার ভিত্তি মজবুত করেছে”, সংসদে বাজেট অধিবেশনের বক্তৃতায় রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের সংসদের বাজেট অধিবেশন (Budget Session)। এই উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (President Murmu) লোকসভা ও রাজ্যসভার যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেন। এই অধিবেশনের মধ্যে দিয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশের আগে সংসদীয় কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হল। অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে রাষ্ট্রপতি সরকারের অগ্রাধিকারের বিষয়গুলি তুলে ধরেন। তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার, জাতীয় নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, “গত এক দশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত তার ভিত্তি মজবুত করেছে এবং বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে যাত্রাপথে এখন এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।”

    রাষ্ট্রপতির বক্তব্য (President Murmu)

    রাষ্ট্রপতি জানান, গত দশ বছরে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নীচ থেকে উঠে এসেছেন এবং দরিদ্রদের জন্য প্রায় চার কোটি পাকা বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাছ উৎপাদনকারী দেশ।” সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, “বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৯৫ কোটি নাগরিক রয়েছেন, যেখানে ২০১৪ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ২৫ কোটি।” তিনি বিআর আম্বেদকরের আদর্শের কথা স্মরণ করে সমতা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের কথাও জানান। কর্মসংস্থানের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি জানান, প্রস্তাবিত ‘বিকশিত ভারত–গ্রাম আইন’ গ্রামীণ এলাকায় ১২৫ দিনের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে (President Murmu)। নারীর ক্ষমতায়নের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি জাতীয় প্রতিরক্ষা অ্যাকাডেমি (এনডিএ) থেকে প্রথম ব্যাচের মহিলা ক্যাডেটদের স্নাতক হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এটি জাতীয় উন্নয়নে নারীদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার প্রতিফলন।”

    মাওবাদী হিংসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে

    অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “মাওবাদী হিংসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং বর্তমানে তা মাত্র আটটি জেলায় সীমাবদ্ধ। আগে যেসব অঞ্চল মাওবাদী সমস্যায় দীর্ণ ছিল, সেখানে এখন শান্তি ফিরছে। গত এক বছরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বহু ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করেছেন (President Murmu)।” জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি ‘অপারেশন সিঁদুরে’র কথা উল্লেখ করে বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতি দৃঢ় ও আপসহীন। প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করতে সরকার ‘মিশন সুদর্শন চক্রে’র ওপর কাজ করছে।” রেল উন্নয়নের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, “ভারতীয় রেল শীঘ্রই সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়নের লক্ষ্যে পৌঁছতে চলেছে।” তিনি দিল্লি–আইজল রাজধানী এক্সপ্রেস এবং কামাখ্যা–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন-সহ নতুন রেল পরিষেবার কথা উল্লেখ করে বলেন, “এই উদ্যোগগুলির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ আরও উন্নত হবে (Budget Session)।”

    রাষ্ট্রপতি তাঁর ভাষণের মাধ্যমে বাজেট অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘোষণা করেন। ২৯ জানুয়ারি অর্থনৈতিক সমীক্ষা সংসদে পেশ করা হবে এবং ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে পেশ হবে ২০২৬–২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট (President Murmu)।

  • One Nation One Election: উদ্যোগী এনডিএ, ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিল পেশ শীতকালীন অধিবেশনেই?

    One Nation One Election: উদ্যোগী এনডিএ, ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ বিল পেশ শীতকালীন অধিবেশনেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই পেশ হতে পারে ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ (One Nation One Election) বিল। সরকারি সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বর মাসেই ইঙ্গিত মিলেছিল, বিলটি পেশ হতে পারে শীতকালীন অধিবেশনে। সম্প্রতি এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Parliament Session)।

    পেশ হতে পারে বিল (One Nation One Election)

    জানা গিয়েছে, সরকার এই বিলটি পেশ করবে। পরে সেটি পাঠানো হবে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে। সূত্রের খবর, জেপিসি সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবে। সরকার আলোচনায় বিভিন্ন স্তরের অংশীদারদেরও যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে। সমস্ত রাজ্য বিধানসভার স্পিকারদের মতামত নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বুদ্ধিজীবী, বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক সমাজের সদস্যদেরও যুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। সূত্রের খবর, যদি শীতকালীন অধিবেশনে বিলটি পেশ করা নাও হয়, তাহলে বিলটি পেশ হবে বাজেট অধিবেশনে।

    এক দেশ, এক নির্বাচন

    এক দেশ, এক নির্বাচন ব্যবস্থা চালু করা কতটা বাস্তবসম্মত, তা খতিয়ে দেখতে একটি কমিটিও গঠন করেছিল মোদি সরকার। এই কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। চলতি বছরের মার্চ মাসেই কমিটি রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে একটি রিপোর্ট জমা দেয়। তার পরেই কোবিন্দ কমিটির প্রস্তাব পাশ হয় মোদির মন্ত্রিসভায়। এক দেশ, এক নির্বাচন (One Nation One Election) ব্যবস্থা চালু করতে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্যোগী বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। এই ব্যবস্থা চালুর ব্যাপারে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। বিলটি পাশ হয়ে আইনে পরিণত হলে সারা দেশে এক সঙ্গে হবে লোকসভা ও বিধানসভার নির্বাচন।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে হিন্দুরা, ঢাকার সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট জানাল ভারত

    এক দেশ, এক নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। মোদি সরকারের যুক্তি, এই ব্যবস্থা চালু হলে নির্বাচন করতে যে বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়, তা কমে যাব। তাছাড়া, আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হওয়ায় বারবার থমকে যাবে না উন্নয়নমূলক কাজ। সরকারি কর্মীদেরও চাপ কমে যাবে। নির্বাচন হলে ভোটার তালিকা প্রস্তুত থেকে নানা কাজে যুক্ত হন সরকারি কর্মীরা। তাঁদের ওপর চাপ পড়ার পাশাপাশি, ব্যাহত হয় (Parliament Session) সরকারি কাজকর্মও। দেশজুড়ে এক সঙ্গে নির্বাচন (One Nation One Election) হলে, বন্ধ হবে এসবই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Parliament Special Session: আজ থেকে শুরু হচ্ছে বিশেষ অধিবেশন! কাল নতুন সংসদ ভবনে প্রবেশ

    Parliament Special Session: আজ থেকে শুরু হচ্ছে বিশেষ অধিবেশন! কাল নতুন সংসদ ভবনে প্রবেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হতে চলেছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন। আজ সকাল ১১টার মধ্যে লোকসভা এবং রাজ্যসভার সাংসদদের হাজির হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একাধিক বিল পেশের সম্ভাবনা রয়েছে। ৮টি বিল পেশ করা হতে পারে সরকারের তরফে। তার মধ্যে রয়েছে এক দেশ এক নির্বাচন এবং দেশের নাম ইন্ডিয়ার পরিবর্তে ভারত রাখা,  মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রভৃতি। রবিবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে তার প্রস্তুতি। সংসদ ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়। কিন্তু এই অনুষ্ঠানে যোগ দেননি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তার তীব্র সমালোচনা করে বিজেপি। 

    রবিবার হয় সর্বদলীয় বৈঠক

    বিশেষ অধিবেশনের লক্ষ্যে রবিবার সর্বদলীয় বৈঠক হয়। পুরনো সংসদ ভবনকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে এদিনের বৈঠকে ঠিক হয়েছে। সূত্রের খবর, সোমবার ভারতের সংসদ ভবনের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য তুলে ধরেই বিশেষ অধিবেশনের সূচনা হবে। মঙ্গলবার, গণেশ চতুর্থীর দিন থেকে নতুন সংসদ ভবনে বিশেষ অধিবেশন হবে। তার আগে পুরানো সংসদ ভবন ও এটির ইতিহাস সম্পর্কে অধিবেশনে আলোচনা হবে। পুরানো সংসদ ভবনে শ্রদ্ধার্ঘ্যও জানানো হবে। এরপর অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন, মঙ্গলবার নতুন সংসদ ভবনে যাওয়ার আগে সকাল সাড়ে ৯টায় লোকসভা এবং রাজ্যসভার সব সদস্যদের গ্রুপ ফোটো তোলা হবে। উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

    পুরনো সংসদ ভবনের জন্য লেখা

    সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সকাল ১১ টায় পুরানো সংসদে সেন্ট্রাল হলে একটি অনুষ্ঠান হবে। তারপর বেলা সাড়ে ১১ টায় সরকারি সূচি অনুযায়ী সংসদের সেন্ট্রাল হলে বক্তব্য হবে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টা ৪৫ নাগাদ পুরানো সংসদ ভবন থেকে নতুন সংসদ ভবনের দিকে যাবেন সব সাংসদরা। পুরনো সংসদ ভবনের জন্য সুন্দর একটি লেখা লিখেছেন ১০ মহিলা সাংসদ। নতুন সংসদ ভবনে অধিবেশন শুরু হওয়ার পাশাপাশি একাধিক নিয়ম জারি হচ্ছে। নতুন করে সাংসদদের পরিচয় পত্র তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের নতুন আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। নতুন সংসদ ভবনে একাধিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে সাংসদদের। তাঁদের জন্য তৈরি করা হয়েছে নতুন ডাইনিং হল। সেন্ট্রাল হল।

    আরও পড়ুন: নিউ দিঘার খুব কাছেই আর এক সমুদ্র সৈকতের হাতছানি, ঘুরে আসবেন নাকি?

    কেন সংসদের বিশেষ অধিবেশন

    কেন সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হল তা নিয়ে জল্পনা চলছে। জানা গিয়েছে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে ৮টি বিল পেশ করা হবে। তার মধ্যে রয়েছে দ্যা অ্যাডভোকেট অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৩, দ্যা প্রেস রেজিস্ট্রেশন অব পিরিওডিকাল বিল ২০২৩, ৩ অগাস্ট রাজ্যসভায় বিলগুলি পাস হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও পোস্ট অফিস বিল ২০২৩ ও পেশ করা হবে এই অধিবেশনে। গত ১০ অগাস্ট বিলটি রাজ্যসভায় পেশ করা হয়েছে। এছাড়াও এক দেশ এক ভোট বিল নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Session: শুরু সংসদের শীতকালীন অধিবেশন, ১৬ বিল পেশ করবে কেন্দ্র, কোনগুলি জানেন?

    Parliament Session: শুরু সংসদের শীতকালীন অধিবেশন, ১৬ বিল পেশ করবে কেন্দ্র, কোনগুলি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Session)। অধিবেশন চলবে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, চলতি অধিবেশনে ১৬টি নতুন বিল (New Bills) পাশ করাতে চায় কেন্দ্র (Center)। এদিকে, অধিবেশন শুরুর আগের দিন প্রথা মেনে হয়েছে সর্বদলীয় বৈঠক।

    বিরোধীদের অবস্থান…

    ওই বৈঠকে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে কংগ্রেস সহ বিভিন্ন বিরোধী দল। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্বের পাশাপাশি ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি, কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির অপব্যবহারের মতো নানা বিষয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবে বিরোধীরা। বিরোধীদের তোলা সব বিষয় নিয়েই সংসদে আলোচনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্র যে শীতকালীন অধিবেশনে (Parliament Session) ১৬টি বিল পেশ করতে চলেছে, সে ব্যাপারে লোকসভা ও রাজ্যসভার সচিবালয়ে তালিকা পাঠিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এর মধ্যে রয়েছে বহু রাষ্ট্রীয় সমবায় সমিতি, জাতীয় ডেন্টাল কমিশন, বন সুরক্ষার মতো বিলও।

    বহু রাষ্ট্রীয় সমবায় সমিতি বিল পাশ হলে এই জাতীয় সংস্থাগুলিতে আরও স্বচ্ছতা আনা সম্ভব হবে বলে কেন্দ্রের ধারণা। স্বাধীনতার আগে প্রতিরক্ষার জন্য অনেক জমি ব্যবহার করা হত। এগুলি ওল্ড গ্রান্ট সাইট হিসেবে পরিচিত। সেই সব জমির আরও ভাল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দ্য ওল্ড গ্রান্ট (রেগুলেশন) বিল ২০২২ আনা হবে।

    আরও পড়ুন: আরও ৪০ ‘অযোগ্য শিক্ষকের’ নাম, ওএমআর শিট প্রকাশ এসএসসি-র, দেখুন তালিকা

    জাতীয় নার্সিং কমিশন সম্পর্কিত একটি বিলও চলতি অধিবেশনে (Parliament Session) পেশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেখানে জাতীয় নার্সিং কমিশন প্রতিষ্ঠা ও ভারতীয় নার্সিং কাউন্সিল আইন ১৯৪৭ বাতিল করার একটি প্রস্তাবও আনার সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে ক্যান্টনমেন্ট বিল। ক্যান্টনমেন্ট এলাকাকে আরও আধুনিকীকরণ এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে কেন্দ্র দুটি বিল আনতে চলেছে। নর্থ ইস্ট ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি গঠনের জন্য একটি বিলও চলতি অধিবেশনে আনা হবে। তফশিলি উপজাতি সংক্রান্ত চারটি সংশোধনীও আনা হবে। জৈবিক সংশোধনী বিল, সামুদ্রিক জলদস্যুতা বিরোধী বিলও পেশ করা হবে। এদিন অধিবেশন (Parliament Session) শুরুর আগে চলতি বছর যে সব নেতা প্রয়াত হয়েছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। এদিনই পেশ করা হতে পারে বেশ কিছু বিল। বহু রাষ্ট্রীয় সমবায় সমিতি বিল, ২০০২ পেশ করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্বয়ং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share