Tag: Parliament Special Session

Parliament Special Session

  • Constitution Amendment Bill: সংবিধান সংশোধনী বিলে নয়া ডিলিমিটেশনের প্রস্তাব

    Constitution Amendment Bill: সংবিধান সংশোধনী বিলে নয়া ডিলিমিটেশনের প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভাগুলির আকার ও গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে সংবিধান (একশত একত্রিশতম সংশোধনী) বিল, ২০২৬। এতে ফের সীমানা পুনর্নির্ধারণ (delimitation) প্রক্রিয়া (Fresh Delimitation) শুরু করা এবং ১৯৭৬ সাল থেকে কার্যকর থাকা জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাসের ওপর দীর্ঘদিনের সাংবিধানিক স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে (Constitution Amendment Bill)। এই বিলটি সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে। অধিবেশন শুরু হবে ১৬ এপ্রিল থেকে। প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলির ফলে রাজ্য বিধানসভাগুলির মোট আসনসংখ্যা জনসংখ্যার পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে বদলাবে, রাজ্যের অভ্যন্তরে নির্বাচনী এলাকার সীমানাও নতুন করে নির্ধারণ করা হবে।

    ডিলিমিটেশন কমিশনকে দায়িত্ব (Constitution Amendment Bill)

    জানা গিয়েছে, এই বিলটি সংবিধানের ১৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব দেয়, যা রাজ্য বিধানসভার গঠন নিয়ন্ত্রণ করে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে সংসদ নির্ধারিত একটি জনগণনার ভিত্তিতে বিধানসভার আসনসংখ্যা পুনর্নির্ধারণ এবং নির্বাচনী এলাকার সীমানা ফের আঁকার ব্যবস্থা করা হবে। এভাবে ১৯৭৬ সাল থেকে চালু থাকা পুনর্বিন্যাসের ওপর স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হবে। বিলটি ১৭০ অনুচ্ছেদের তৃতীয় শর্তটি বাতিল করার প্রস্তাব দেয়, যা ২০২৬ সালের জনগণনার পর পর্যন্ত সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়া স্থগিত রেখেছিল (Constitution Amendment Bill)। এই সংশোধনীর মাধ্যমে আগে যেখানে সংসদ সীমানা নির্ধারণ কর্তৃপক্ষ ঠিক করত, সেখানে এখন সরাসরি একটি ডিলিমিটেশন কমিশনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে। ১৭০(২) অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যায় ‘জনসংখ্যা’ বলতে সংসদ যে জনগণনাকে গ্রহণ করবে, সেই জনগণনার তথ্য বোঝাবে (Fresh Delimitation)।

    এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য

    জানা গিয়েছে, বিলটি ৩৩৪এ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন করে রাজ্য বিধানসভায় এক-তৃতীয়াংশ আসন নারীদের জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা কার্যকর করবে। এই সংরক্ষণ কার্যকর হবে তখনই, যখন সর্বশেষ প্রকাশিত জনগণনার ভিত্তিতে নতুন করে সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হবে। উল্লেখ্য যে, সর্বশেষ জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে (Constitution Amendment Bill)। সংরক্ষিত আসনগুলিকে পরবর্তী সীমানা পুনর্নির্ধারণে রাজ্যের মধ্যে ঘুরিয়ে (rotation) দেওয়া হবে। এই সংরক্ষণ ২০২৩ সালের সংবিধান (১০৬তম সংশোধনী) আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে, যদি না সংসদ আইন করে এর মেয়াদ বাড়ায়। বিলটিতে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু রাজ্যে যাতে উপজাতি প্রতিনিধিত্ব কমে না যায়, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ৩৩২ অনুচ্ছেদের সংশোধনের মাধ্যমে অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মিজোরাম, ত্রিপুরা ও নাগাল্যান্ডে উপজাতিদের বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে (Constitution Amendment Bill)।

    তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসন

    এছাড়া নির্ধারিত হয়েছে যে, তফশিলি উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা বর্তমান অনুপাতের নীচে নামবে না (Fresh Delimitation)। এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হবে প্রস্তাবিত ডিলিমিটেশন বিল, ২০২৬ অনুযায়ী। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার একটি সীমানা পুনর্নির্ধারণ কমিশন গঠন করবে। এই কমিশনের প্রধান হবেন সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান বা প্রাক্তন বিচারপতি। থাকবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (অথবা নির্বাচন কমিশনের মনোনীত কোনও কমিশনার) এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার। প্রত্যেক রাজ্যে ১০ জন সহযোগী সদস্য থাকবেন। এঁদের মধ্যে ৫ জন লোকসভার সদস্য এবং ৫ জন রাজ্যের বিধায়ক। তাঁরা কমিশনকে সাহায্য করতে পারবেন, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোট দিতে পারবেন না (Constitution Amendment Bill)।

    আসুন, জেনে নেওয়া যাক কমিশনের কাজটি ঠিক কী। কমিশন প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের লোকসভার আসন নির্ধারণ করবে, রাজ্য বিধানসভার মোট আসনসংখ্যা ঠিক করবে, সংসদীয় ও বিধানসভা আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করবে, তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন চিহ্নিত করবে। খসড়া প্রস্তাব জনমত ও আপত্তির জন্য প্রকাশ করা হবে। পরে চূড়ান্ত হলে তা ভারতের গেজেটে প্রকাশিত হবে এবং আইনের শক্তি পাবে। তখন আর একে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না (Fresh Delimitation)।

    নতুন সীমানাগুলি কমিশনের চূড়ান্ত নির্দেশের পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে কার্যকর হবে (Constitution Amendment Bill)।

     

  • Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    Mayawati: ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার জন্য প্রস্তাবিত ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) সমর্থন করেছেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির প্রধান মায়াবতী (Mayawati)। এই বিলটি পাশ করাতে কয়েক দিনের মধ্যে একটি বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংসদ। এই অধিবেশনেই মহিলাদের সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা ও পাস করা হবে। এই প্রেক্ষিতে বহুজন সমাজ পার্টি সুপ্রিমোর ভিন্ন সুরে যারপরনাই খুশি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। মায়াবতী বলেন, “এটি অন্তত মহিলাদের প্রাপ্য প্রতিনিধিত্ব দেওয়ার একটি সূচনা।
    সংখ্যাটা হয়তো কম, কিন্তু এটি একটি শুরু, এবং আমরা একে স্বাগত জানাই। ৫০ না হলেও, ৩৩ শতাংশই চলবে।”

    প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Mayawati)

    উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দল বিএসপি আগে থেকেই মহিলাদের জন্য ৫০ শতাংশ সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছে। অন্য কোনও দল এতে রাজি হয়নি, ভবিষ্যতেও সম্মত হবে বলে মনে হয় না। আমরা শ্রদ্ধেয় বিআর আম্বেদকরকেও ধন্যবাদ জানাই, যিনি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান ভোটাধিকারের ব্যবস্থা করেছিলেন।” তিনি জানান, ২০২৩ সালে প্রথম পাশ হওয়া আইন বাস্তবায়িত হতে দেরি হলেও তার দল একে স্বাগত জানায় এবং ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চিত মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “যদিও দেরি হয়েছে, তবুও আমরা একে স্বাগত জানাই। যদি প্রকৃতপক্ষে শোষিত ও বঞ্চিত মহিলাদের—বিশেষত এসসি, এসটি এবং ওবিসি সম্প্রদায়ের মহিলাদের জন্য আলাদা সংরক্ষণ দেওয়া হয়, তবে তা যথাযথ ও ঐতিহাসিক (Mayawati) হবে।”

    নারী ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা

    মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মায়াবতী বলেন, “মহিলাদের অধিকার নিয়ে অনেক কথা বলা হলেও সুস্পষ্ট নীতি ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীকাল থেকে সংসদের তিন দিনের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও সঠিক নীতি ও ইচ্ছেশক্তির অভাবে তা যথাযথভাবে এগোয়নি। অন্যান্য (Womens Reservation Bill) বঞ্চিত গোষ্ঠীর মতো মহিলারাও এখনও বিভিন্ন অপরাধ ও হিংসার শিকার হচ্ছেন (Mayawati)।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মায়াবতীর

    কংগ্রেসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর দলটির নীতিতে জাতিভেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল এবং এর ফলে মহিলাদের সংরক্ষণ বিলম্বিত হয়েছে।” মায়াবতী বলেন, “তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জাতিভেদের কারণে এটি গ্রহণ করেনি এবং পরে ধাপে ধাপে তা পাশ করে। ফলে আম্বেদকরকে দেশের প্রথম আইনমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে হয়। কারণ ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণ এবং মহিলাদের নিরাপত্তা ও উন্নতির জন্য যথেষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার, সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার লক্ষ্যে লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০ করার প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে ৮১৫টি আসন রাজ্যগুলির জন্য এবং ৩৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত হবে বলে সূত্রের খবর। বর্তমানে লোকসভায় ৫৪৩টি আসন রয়েছে। সরকার ১৬, ১৭ এবং ১৮ এপ্রিল সংসদের বিশেষ অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে চায়, যাতে ২০২৯ থেকে লোকসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা যায় (Mayawati)। প্রস্তাবিত সীমানা পুনর্নির্ধারণের ফলে সব রাজ্যের আসন সংখ্যা বাড়বে। এই বিশেষ অধিবেশনে নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম, ২০২৩ সংশোধন এবং প্রস্তাবিত (Womens Reservation Bill) ডিলিমিটেশন বিলও নিয়ে আলোচনা হবে।

     

  • Parliament Special Session: পুরনো সংসদ ভবনের শেষ অধিবেশন! গণেশ বন্দনার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু নতুনের

    Parliament Special Session: পুরনো সংসদ ভবনের শেষ অধিবেশন! গণেশ বন্দনার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু নতুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল একটা অধ্যায়। পুরনো সংসদ ভবনে অধিবেশন শেষ। এদিন সকালে সংসদ ভবনের সেন্ট্রাল হলে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করজোড়ে শাসক, বিরোধী-সহ সকল সাংসদের কাছে গিয়ে অভিবাদন জানান তিনি। সাংসদরাও পাল্টা করজোড়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান। পুরনো সংসদ ভবনকে বিদায় জানিয়ে আজ, গণেশ বন্দনার মধ্য দিয়ে শুরু হবে নতুন পার্লামেন্টের জয়যাত্রা। 

    বিদায়ী ফটোসেশন

    এদিন সকাল ১১টায় পুরানো সংসদ ভবনের সেন্ট্রাল হলে বসে যৌথ অধিবেশন। এটাই এই সংসদ ভবনের শেষ অধিবেশন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, স্পিকার ওম বিড়লা-সহ শাসক ও বিরোধী দলের সব সাংসদরা এই যৌথ অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন। বেলা পৌনে ১০টা নাগাদ পুরানো সংসদ ভবনে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর স্পিকার ওম বিড়লা, উপ-রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-সহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, শাসক ও বিরোধী দলের সাংসদদের সঙ্গে বসে ছবি তুললেন প্রধানন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। স্থান সংকট হওয়ায় নীচে বসতেও পিছুপা হননি সাংসদরা।

    নতুনের বন্দনা

    সংবিধানের একটি অনুলিপি নিয়ে পুরনো সংসদ ভবন থেকে নতুন সংসদ ভবনের দিকে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে অনুসরণ করবেন এনডিএ সাংসদরা। দুপুর ১টা বেজে ১৫ থেকে শুরু হবে লোকসভার অধিবেশন। দুপুর ২টো বেজে ১৫ থেকে অধিবেশন শুরু হবে রাজ্য়সভার। লোকসভা সেক্রেট্যারিয়টের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে নয়া সংসদভবনের সরকারি স্বীকৃতি প্রাপ্তির কথা জানানো হয়েছে। যুগ্ম সচিব সিদ্ধার্থ মহাজন স্বাক্ষর করেছেন তাতে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিতে পূরনো সংসদভবনের পূর্ব দিকে ১১৮ নম্বর প্লটের সংসদভবনকে আনুষ্ঠানিক ভাবে ভারতের সংসদভবন ঘোষণা করা হল। নতুন এই সংসদ ভবনের নাম রাখা হয়েছে, ‘পার্লামেন্ট হাউজ অফ ইন্ডিয়া’। 

    আরও পড়ুন: নয়া ভবনে সাংসদদের উপহার দেবে মোদি সরকার, কী কী থাকছে গিফটব্যাগে?

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    নতুন সংসদ ভবনে প্রবেশের আগে এবং পুরানো ভবনে বিদায় জানানোর আগে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদে ভাষণ দেন। সংসদের ইতিহাস উল্লেখ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী মোদিও। তিনি উভয় সংসদ ভবনের ৭৫ বছরের যাত্রার কথা উল্লেখ করে সবাইকে ধন্যবাদ জানান। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহরুর থেকে অটলবিহারী বাজপেয়ী পর্যন্ত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীদের কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। পার্লামেন্টের কর্মীদেরও তাঁর ভাষণে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    কী বললেন সাংসদেরা

    এদিন অধিবেশনের শুরুতেই বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। তারপর দীর্ঘদিনের সাংসদ হিসাবে যৌথ অধিবেশনের শুরুতেই বক্তব্য রাখেন মানেকা গান্ধী। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর জমানাতেও তিনি সংসদের সদস্য ছিলেন। পুরানো ইতিহাস তুলে ধরে মেনকা গান্ধী বলেন, বিজেপির সাংসদ হিসাবে তিনি গর্বিত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ প্রকল্পে দেশজুড়ে মহিলাদের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে বলে পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তিনি। সূত্রের খবর, মনমোহন সিং এবং মানেকা গান্ধীকে নয়া সংসদ ভবনের যাত্রা শুরুর অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আজ সংসদে পেশ হতে পারে মহিলা সংরক্ষণ বিল। গতকালই বিলটিকে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিসভার পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে কংগ্রেস। প্রায় ১৮০টি লোকসভার আসন বাড়ানো নিয়ে চিন্তা ভাবনা চলছে বলেও সাংসদ সূত্রে খবর। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “কান্নাকাটির জন্য অনেক সময় পাবেন”, অধিবেশন শুরুর আগেই বিরোধীদের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: “কান্নাকাটির জন্য অনেক সময় পাবেন”, অধিবেশন শুরুর আগেই বিরোধীদের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে শুরু হল সংসদের বিশেষ সংক্ষিপ্ত অধিবেশন (Parliament Special Session)। এদিন অধিবেশনের শুরুতে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেখানে তিনি বিরোধীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, মঙ্গলবার, গণেশ চতুর্থীর পুণ্য তিথি থেকে অধিবেশন বসবে নতুন সংসদ ভবনে।

    মোদির কথায়  চন্দ্রযান ৩ এবং জি২০-র সাফল্য

    এদিন বক্তব্যের রাখতে গিয়ে মোদির (Narendra Modi) কথায় উঠে আসে চন্দ্রযান ৩ এবং জি২০-র সাফল্য। তিনি বলেন, “চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যে শুধু ভারত নয় সারা বিশ্ব অভিভূত। দেশের মধ্যে একটা নতুন আত্মবিশ্বাস দেখা যাচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রী জানান, জি২০ বৈঠকের সাফল্য কোনও দল বা ব্যক্তির নয়, গোটা দেশের। জি২০ সম্মেলনে দেশের বৈচিত্রের উদ্‌যাপন হয়েছে।” জি২০ সম্মেলনের শীর্ষ বৈঠক সফল ভাবে আয়োজন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।

    “কান্নাকাটির জন্য অনেক সময় পাবেন”, বিরোধীদের বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    সংসদের পাঁচ দিনের বিশেষ অধিবেশনকে (Parliament Special Session) ‘ছোট হলেও গুরুত্বপূর্ণ’ বলে উল্লেখ করলেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। এই প্রেক্ষিতে পুরনো কথা ভুলে বিরোধীদের এগিয়ে আসার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “পুরনো কথা ভুলে গিয়ে নতুন করে এগিয়ে আসুন।” সংসদ ভবনে প্রবেশের আগে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা, ‘‘সংসদে ৫ দিনের বিশেষ অধিবেশন। সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে এটি একটি বড় অধিবেশন। কারণ, এই অধিবেশনে নেওয়া হবে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। ভারতকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’’ এর পাশাপাশি বিরোধীরা যাতে সময় নষ্ট না করেন, সেই কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কান্নাকাটির জন্য অনেক সময় পাবেন।”

    গণেশ চতুর্থীতে নতুন ভবনে ‘গৃহপ্রবেশ’

    এদিন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) ঘোষণা করেন, গণেশ চতুর্থীর দিনেই নব-নির্মিত সংসদ ভবনে বসবে অধিবেশন। তিনি বলেন, ‘‘আগামী মঙ্গলবার গণেশ চতুর্থীর দিনই নতুন সংসদ ভবনে প্রবেশ করবেন সাংসদেরা। সব বাধাবিঘ্ন পেরিয়ে ভারত সব স্বপ্ন এবং সঙ্কল্প পূরণ করবে।” এর পাশাপাশি তিনি জানালেন যে, পুরনো ভবন দেশের যুব সমাজের কাছে দৃষ্টান্ত হিসাবে রয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Special Session: সংসদের পাঁচ দিনের বিশেষ অধিবেশন সেপ্টেম্বরে, কেন জানেন?  

    Parliament Special Session: সংসদের পাঁচ দিনের বিশেষ অধিবেশন সেপ্টেম্বরে, কেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশন শেষ হয়েছে নির্দিষ্ট দিনেই। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ফের বসতে চলেছে পাঁচ দিনের বিশেষ অধিবেশন (Parliament Special Session)। বৃহস্পতিবার ট্যুইট-বার্তায় একথা জানিয়েছেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। তিনি জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এই অধিবেশন চলবে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। অমৃতকালের মধ্যেই ফলপ্রসূ আলোচনা হবে বলে আশাবাদী।  

    দানা বেঁধেছে জল্পনা

    তবে ঠিক কী কারণে এই বিশেষ অধিবেশনের আয়োজন, তা জানা যায়নি। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে জল্পনা। দিন কয়েক আগেই তৃণমূল নেত্রী তথা ‘ইন্ডিয়া’র অন্যতম নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, সরকার লোকসভা নির্বাচন এগিয়ে আনতে পারে। ‘ইন্ডিয়া’র আর এক নেতা তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে দাবি করেছেন রাজস্থান সহ চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গেই লোকসভা নির্বাচন (Parliament Special Session) করিয়ে নেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে সরকার। পাঁচ দিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকায় এইসব জল্পনার পালে লেগেছে হাওয়া।

    জম্মু-কাশ্মীরে নির্বাচন?

    অন্য একটি অংশের মতে, গত বাদল অধিবেশনে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সংক্রান্ত বিল পেশ করার পরিকল্পনা করেছিল মোদি সরকার। বিশেষ অধিবেশন ডেকে সেই বিলই পাশ করিয়ে নিতে চাইছে সরকার। জম্মু-কাশ্মীরে যে কোনও সময় নির্বাচন করতে প্রস্তুত সরকার। বৃহস্পতিবারই সুপ্রিম কোর্টে একথা জানিয়েছে কেন্দ্র।

    সেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য বিশেষ অধিবেশন ডাকা হতে পারে বলেও ছড়িয়েছে জল্পনা। ইচ্ছে থাকলেও, বাদল অধিবেশনে বেশ কয়েকটি বিল পাশ করতে পারেনি সরকার। এর মধ্যে রয়েছে ফৌজদারি আইন সংক্রান্ত তিনটি বিলও। বিশেষ অধিবেশনে সেই বিলও সরকার পাশ করিয়ে নিতে পারে বলে ধারণা অনেকের।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল সমাবেশে বেফাঁস মন্তব্য, চটে লাল রাজবংশী, মতুয়ারা, মমতাকে নিশানা শুভেন্দুরও

    অসমর্থিত সূত্রের খবর, পুরনো সংসদ ভবন থেকে সবকিছু নতুন (Parliament Special Session) সংসদ ভবনে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। সেই কারণেও আয়োজন করা হতে পারে বিশেষ অধিবেশনের। এ ব্যাপারে সরকারি তরফে কিছু না বলা হলেও, এই বিশেষ অধিবেশন নয়া ভবনেই বসতে পারে বলে খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share