Tag: picnic

picnic

  • Picnic: শীতের দুপুরে পিকনিক, কোন পাঁচটি বিষয়ে নজর না দিলে হতে পারে বিপদ?

    Picnic: শীতের দুপুরে পিকনিক, কোন পাঁচটি বিষয়ে নজর না দিলে হতে পারে বিপদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রার পারদ নীচের দিকে। তার সঙ্গে রয়েছে একাধিক ছুটি! তাই সপ্তাহান্তে বা ছুটির দিনে বন্ধু আর পরিবারের সঙ্গে হৈ হৈ করে চলছে পিকনিক (Picnic)।‌ শীতের মরশুমে উৎসবের তালিকায় আরেক উৎসব হল এই পিকনিক। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয়ে নজর না রাখলেই ঘটতে পারে বিপদ। মারাত্মক স্বাস্থ্যসঙ্কটও তৈরি হতে পারে। তাই পিকনিকের মরশুমে কয়েকটি বিষয়ে বাড়তি নজরদারির পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কোন দিকে নজরদারি জরুরি? (Picnic) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বনভোজনে খাওয়ার আগে স্বাস্থ্যবিধিতে বিশেষ নজরদারি জরুরি। বিশেষত হাত পরিষ্কারে বিশেষ নজরদারি জরুরি।‌ অনেক ক্ষেত্রেই খোলা জায়গায় খাওয়া হয়। তাই যে থালায় খাওয়া হচ্ছে, তা আগে ঠিকমতো পরিষ্কার করা হচ্ছে কিনা, সেটা খেয়াল‌ রাখা দরকার। পাশপাশি, হাত পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে নজরদারি জরুরি।‌ কারণ, এই ধরনের বিষয়গুলো এড়িয়ে গেলে একাধিক রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষত পেটের সমস্যা, ডায়রিয়ার মতো বিপদ‌ বাড়তে পারে। তাই হাত পরিষ্কারের দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি (Picnic)। 
    জলের ব্যবহারের দিকে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জলবাহিত রোগ বিপদ বাড়ায়। তাই বনভোজনের রান্নায় পরিশ্রুত জল ব্যবহার হচ্ছে কিনা, সেদিকে নজরদারি জরুরি। খাওয়ার জল পরিশ্রুত কিনা, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, জল থেকে জন্ডিস সহ একাধিক রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। 
    বনভোজনের জায়গায় শৌচালয় রয়েছে কিনা, তা পরিচ্ছন্ন কিনা, সেগুলোতে বিশেষ নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেক বনভোজনের জায়গায় এই দিকটি একেবারেই গুরুত্ব দেওয়া হয় না। শৌচাগারে পর্যাপ্ত জল থাকে না। আর এর জেরেই ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশনের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই এগুলোর দিকে নজরদারি জরুরি।

    অতিরিক্ত মদ্যপান? (Picnic)

    শীতের পিকনিকে অনেকের কাছেই মদ্যপান উদযাপনের অংশ। কিন্তু অতিরিক্ত মদ্যপান স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকারক।‌ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিস আক্রান্তদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। মদ্যপান যে কোনও বড় বিপদ তৈরি করতে পারে। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।‌
    পাশপাশি খাওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক হতে হবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পিকনিকের মরশুমে অনেকেই অতিরিক্ত মাংস কিংবা তেলেভাজা খান। এর ফলে একাধিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। হজমের অসুবিধা ছাড়াও হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে অতিরিক্ত পরিমাণ মাংসের পদ কিংবা তেলমশলা জাতীয় খাবার খেলে স্বাস্থ্যের একাধিক সমস্যা হতে পারে। তাই কতখানি খাবার খাবেন, সে সম্পর্ক সতর্ক থাকা জরুরি। তবেই সুস্থভাবে উদযাপন সম্ভব (Picnic)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Picnic: অনেকের চোখেই ‘ভিলেন’ টোটো চালকরা পিকনিক করলেন হোমের কচিকাঁচাদের নিয়ে

    Picnic: অনেকের চোখেই ‘ভিলেন’ টোটো চালকরা পিকনিক করলেন হোমের কচিকাঁচাদের নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল শীতে পিকনিকের (Picnic) মজাই আলাদা। কিন্তু অর্থনৈতিক চাপে অনেকেরই এই মজা বাস্তবে রূপায়িত হয় না। কেউ কেউ কিন্তু সেদিকেও খেয়াল রাখেন। যেমনটি ঘটল সোমবার রাতে। অনেকের কাছেই তাঁরা ‘ভিলেন’। চলার পথে বাধা সৃষ্টি করেন। রাস্তার জ্যাম নাকি তাঁদের জন্যই হয়। তাঁরা টোটো চালক নামে পরিচিত। সেই টোটো চালকরাই সোমবার নিজেদের উপার্জনের কিছুটা একত্রিত করে একটি হোমের কচিকাঁচাদের নিয়ে পিকনিক করলেন। চন্দননগর তেমাথা জোড়াঘাট টোটোস্টান্ডের ৩০ জন টোটো চালক হোমের ২৫০ জন শিশুর জন্য শুধু নৈশভোজই নয়, একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেন।

    কব্জি ডুবিয়ে ফ্রায়েড রাইস, মুরগির মাংস (Picnic)

    এই শিশুরা খুবই অসহায়। ছোট ছোট শিশুরা কব্জি ডুবিয়ে চেয়ার টেবিলে বসে আহার করল ফ্রায়েড রাইস, আলু-ফুলকপির তরকারি, ডিমের ডেভিল, মুরগির মাংস, চাটনি, পাঁপড় ইত্যাদি।রান্না, পরিবেশন সবই করেছেন তেমাথা জোড়াঘাট টোটোস্ট্যান্ডের টোটো চালকরা। তাঁদের উদ্যোগে আপ্লুত হয়ে পড়েন হোমের কর্ণধার। তিনি বলেন, আমরা খুব খুশি। অন্যদিকে ওই টোটো চালকদের পক্ষ থেকে সন্তু মণ্ডল বলেন, আমাদের ভালো লাগছে এই অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়াতে পেরে। আগামী দিনে আরও বড় অনুষ্ঠান করব এদের নিয়ে। সব মিলিয়ে এক অভাবনীয় দৃষ্টান্ত (Picnic) তুলে ধরলেন চন্দননগরের তেমাথা জোড়াঘাট টোটোস্টান্ডের টোটো চালকরা।

    খুশি অনেকেই (Picnic)

    এই ঘটনা কানে গিয়েছে টোটো নির্মাতাদেরও। তাঁরাও খুব খুশি। এমনই একজন বললেন, আমি আপ্লুত। টোটো চালকরা খালি বদনামের ভাগিদার হয়। কিন্তু এইসব ঘটনা কারোর চোখে পড়ে না। আমি আশা করব, আরও বেশি বেশি টোটো চালক এই ধরনের সমাজসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসুন। ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না?’ বিখ্যাত এই গানটির যথার্থতা বুঝেছেন টোটো চালকরাই। এটাই বলব, সমাজে থাকতে গেলে এই ধরনের কর্মকাণ্ডের (Picnic) সঙ্গে যত বেশি বেশি নিজেকে যুক্ত করতে পারবেন, তত অন্তরাত্মার শান্তি মিলবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Picnic: পিকনিক বা বনভোজনের উদ্ভব কীভাবে? এর মূল উদ্দেশ্যই বা কী?

    Picnic: পিকনিক বা বনভোজনের উদ্ভব কীভাবে? এর মূল উদ্দেশ্যই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের মরশুম শুরু হতে না হতেই মানুষের পিকনিক (Picnic) করার ধুম পড়ে যায়। বছরের এই সময়টার জন্যই যেন সবাই অপেক্ষা করে থাকে। বাড়ি থেকে দূরে নিরিবিলি, প্রাকৃতিক পরিবেশে পিকনিক করার মজাই আলাদা। কিন্তু অনেকেই জানেন না, এই পিকনিক বা বনভোজনের উদ্ভব কীভাবে? বনভোজন বা পিকনিক শব্দটির উৎপত্তি ফরাসি শব্দ ‘Pique-nique’ থেকে। এই বনভোজনের মূল উদ্দেশ্য প্রকৃতির মাঝে বসে মনকে ভালো রাখা ও ভালো খাবার খাওয়া। এই পিকনিকের উদ্ভবের আছে কিছু ইতিহাস, যা আজও বর্তমানে সেই ধারা বয়ে নিয়ে চলেছে। মূলত শীতপ্রধান দেশে গরমকালকে পিকনিকের মূল সময় হিসাবে বেছে নেওয়া হয় অর্থাৎ জুন মাসকে। এই মাসের ১৮ জুনকে আন্তর্জাতিক পিকনিক দিবসের মর্যাদাও দেওয়া হয়েছে। অপর দিকে ভারতের মতো উষ্ণতার দেশগুলিতে প্রধানত শীতকালকেই পিকনিকের মোক্ষম সময় হিসাবে বেছে নেওয়া হয়।

    বনভোজনের উদ্ভব হল কীভাবে? (Picnic)

    বিভিন্ন ঐতিহাসিকের বিভিন্ন মত আছে এই বনভোজন বা পিকনিকের উদ্ভব নিয়ে। কিছু ঐতিহাসিক বলেন, ১৭৯৯ সালে ফরাসি বিপ্লবের শেষের দিকে এই পিকনিকের উদ্ভব হয়। এই সময় অর্থাৎ ফরাসি বিপ্লবের আগে সেখানকার স্থানীয় পার্কগুলিতে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করতে পারতেন না। পরবর্তীতে ফরাসি বিপ্লবের শেষে এই পার্কগুলি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। আর এই সময় মানুষ সেই পার্কে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া, সময় কাটানো ইত্যাদি করতে শুরু করেন। আর এই সময় থেকেই ইতিহাসবিদরা মনে করেন এই পিকনিকের (Picnic) উদ্ভব হয়।
    কিন্তু কিছু ঐতিহাসিক এই মতবাদকে মানেন না। তাঁদের মতে, এই পিকনিকের উদ্ভব ভিক্টোরিয়ান যুগেও হতে পারে। কারণ এই ভিক্টোরিয়ান যুগে অনেক মানুষ বাইরে সময় কাটাতে এবং বাইরে খাওয়াদাওয়া করতে ভালোবাসতেন। আবার কিছু ঐতিহাসিকের মতে, বাংলায় গুপ্ত যুগের পুণ্ড্র নগরে সর্বপ্রথম বনভোজনের আয়োজন করা হয়। সেই থেকেই বর্তমানে এই বনভোজনের রীতি চলে আসছে।

    বিশ্বের সবচেয়ে বড় বনভোজন (Picnic)

    ২০০৯ সালে পর্তুগালের লিসবনে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বনভোজনের আয়োজন করা হয়। এই বনভোজনে প্রায় ২২ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। যেটি এখনও পর্যন্ত বিশ্ব রেকর্ডের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে আছে। অস্ট্রেলিয়াতে অগাস্ট মাসের প্রথম সোমবারকে পিকনিক দিবস হিসাবে পালন করা হয়, যেটি ‘অস্ট্রেলিয়ান নর্দান টেরিটরি’ নামে পরিচিত (Picnic)।

    পিকনিকের অর্থ কী? (Picnic)

    যুক্তরাষ্ট্রের কেমব্রিজ বিশ্ব অভিধানে বলা হয়েছে, যখন কোনও উদ্দেশ্য ছাড়াই মানুষ বাইরে খেতে, ঘুরতে যান, সেটিই পিকনিক নামে পরিচিত। বনভোজন এমন একটি আয়োজন যা মানুষের কর্মব্যস্ততা, মানসিক চাপ প্রভৃতিকে ভুলিয়ে একদিনের জন্য আনন্দ উপভোগ করায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: জঙ্গলে গিয়ে পিকনিক করা বন্ধ, বন দফতরের নির্দেশে ক্ষুব্ধ জেলাবাসী

    Raiganj: জঙ্গলে গিয়ে পিকনিক করা বন্ধ, বন দফতরের নির্দেশে ক্ষুব্ধ জেলাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় জঙ্গলে গিয়ে পিকনিক করা পুরোপুরি নিষিদ্ধ করল জেলা বনদফতর। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ (Raiganj) কুলিক পক্ষীনিবাস সংলগ্ন এলাকা, হেমতাবাদের বাহারাইল ফরেস্ট এলাকা, কালিয়াগঞ্জের ধামজা ফরেস্ট সংলগ্ন এলাকায় পিকনিক করতেন সাধারণ মানুষেরা। এবছর বন বিভাগের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কিত পোস্টার ও নির্দেশিকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার পিকনিকে উৎসাহী সাধারণ মানুষদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। শীত মানেই তো পিকনিক, তাই সাধারণ মানুষের দাবি বন দফতরের পক্ষ থেকে জঙ্গলের পরিবর্তে অন্য কোনও জায়গায় পিকনিকের ব্যবস্থা করলে ভালো হয়। বনবিভাগের এই সিদ্ধান্তে মর্মাহত পরিবেশ ও পশুপ্রেমী গৌতম তান্তিয়া। তিনি বলেন, বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না বলেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়টি পুনরায় বিবেচনার তিনি দাবি জানিয়েছেন।

    বন বিভাগের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ সাধার মানুষ (Raiganj)

    উত্তর দিনাজপুর জেলা সদর রায়গঞ্জ (Raiganj) শহর থেকে মাত্র দু’কিলোমিটার দূরেই রয়েছে আবদুলঘাটা, ভট্টদিঘি, সোহারই এই তিনটি মৌজার প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে কুলিক পক্ষীনিবাস। প্রতি বছর জুন মাস থেকে হাজার হাজার মাইল দূর থেকে শামুকখোল, ইগ্রেট, করমরেন্ট, নাইট হেরন সহ বিভিন্ন প্রজাতির লক্ষাধিক পরিযায়ী পাখির দল এই কুলিক পক্ষীনিবাসে এসে ভিড় জমায়। যা দেখতে দূর দূরান্তের বহু পর্যটকের আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হয়ে ওঠে রায়গঞ্জ কুলিক পক্ষীনিবাস। অপরদিকে শীত পড়তেই ২৫ শে, ডিসেম্বর থেকে নতুন ইংরেজি বছরের গোটা জানুয়ারি মাস পক্ষীনিবাসের কোর এরিয়া সংলগ্ন ভট্টদিঘি, শিয়ালমণি, আবদুলঘাটা, মনিপাড়া সহ বিভিন্ন স্থানে শুধু স্থানীয়রাই নয়, আশপাশের বিভিন্ন জেলা, এমনকী ভিনরাজ্য থেকেও প্রচুর মানুষ পিকনিক করতে আসেন। শুধু রায়গঞ্জই নয় হেমতাবাদ ও কালিয়াগঞ্জের বাহারাইল ও ধামজা ফরেস্ট এলাকাতেও পিকনিক করার জন্য ভিড় করেন সাধারণ মানুষ। তবে, এবারে বন সংরক্ষনের লক্ষ্যে পিকনিক বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে উত্তর দিনাজপুর জেলা বন বিভাগ। এই ঘটনা ক্ষুব্ধ জেলাবাসী। তাঁদের বক্তব্য, এমনিতেই রায়গঞ্জ কিংবা জেলায় তেমন ঘোরার জায়গা নেই। তারমধ্যে এই সিদ্ধান্তের জেরে আমরা সকলেই অসন্তুষ্ট। পিকনিক করতে না দিলে পর্যটকের সংখ্যা কমবে। ক্ষতি হবে রাজস্বের।

    বন বিভাগের আধিকারিক কী বললেন?

    বন বিভাগের বিভাগীয় বন আধিকারিক দাওয়া সাংমু শেরপা বলেন, এবছরে উত্তর দিনাজপুর জেলার প্রতিটি বনাঞ্চলে পিকনিকে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। রায়গঞ্জের (Raiganj) কুলিক, আব্দুল ঘাটা, শিয়ালমণি, ধামজা, বাহারাইল সহ একাধিক বনাঞ্চলে পিকনিক নট অ্যালাও এর পোস্টার ঝোলানো হয়েছে। এর নেপথ্যে বন আধিকারিকের ব্যখ্যা, বর্তমানে শুষ্ক আবহাওয়া রয়েছে। এর মধ্যে বনাঞ্চলে আগুন জ্বালিয়ে রান্না করলে যে কোনও মুহূর্তে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। এমনিতেই এজেলায় বনভূমির পরিমাণ কম। ৬০০ হেক্টর জমিতে রয়েছে বনাঞ্চল। যে সব জায়গা ফাঁকা হয়েছে সেখানে বনসৃজন করা হয়েছে। তাই বন সংরক্ষণের জন্যই এই সিদ্ধান্ত। তবে মানুষ চাইলে ঘুরতে আসতেই পারেন। কিন্তু ‘পিকনিক’ বলতে আক্ষরিক অর্থে যা বোঝাই সেই কর্মসূচি নেওয়া যাবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: গড়াগড়ি খাচ্ছে হাজার হাজার সিদ্ধ ডিম, তৃণমূলের শহিদ দিবস নাকি মোচ্ছব!

    TMC: গড়াগড়ি খাচ্ছে হাজার হাজার সিদ্ধ ডিম, তৃণমূলের শহিদ দিবস নাকি মোচ্ছব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাই কলকাতার ধর্মতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) শহিদ দিবস। কিন্তু এই উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশ যেন নাম কা ওয়াস্তে। আসলে এটা দলের বহু কর্মী-সমর্থকদের কাছে বাৎসরিক কলকাতা ভ্রমণ ও পিকনিক। বিনা পয়সায় থাকা, খাওয়া-দাওয়া। তাই প্রতি বছর এই দিনটিতে বিনা পয়সায় কলকাতা ভ্রমণের জন্যই এঁরা অপেক্ষা করে থাকেন। দলীয় নেতৃত্ব সেটা জানে না, তা নয়। তাই কলকাতার চিড়িয়াখানা, ভিক্টোরিয়া, ইকো পার্ক সহ পর্যটন স্থলগুলির সামনে আগে থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের পোস্টার, ব্যানার, এমনকি সরকারের সাফল্যের খতিয়ানের পোস্টার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। এই সমাবেশে বিভিন্ন জেলা থেকে দল বেঁধে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা দলীয় পতাকা হাতে এক-দু দিন আগে থেকেই রওনা দিয়েছেন সমাবেশ স্থলের উদ্দেেশে। কারণ ট্রেনে টিকিট কাটার বালাই নেই।

    হাওড়া স্টেশন যেন ওদেরই (TMC) সম্পত্তি

    অন্যদিকে দলীয় কর্মীদের (TMC) উদ্যোগেই ব্যবস্থা করা হয়েছে থাকা, খাওয়ার। ফলে বিনা পয়সায় কলকাতা ঘোরার সুযোগ এর থেকে বড় হতেই পারে না। থাকা, খাওয়া কোনও কিছুরই খরচ নেই৷ তাই ছেলেপুলে, বয়স্ক সকলেই সদলবলে বুকে তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যাজ লাগিয়ে চলে এসেছেন শহরে। একুশে জুলাইয়ের একদিন আগে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন ট্রেনে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে কোনও টিকিট না কেটেই হাওড়া স্টেশনে পৌঁছাতে শুরু করেছেন হাজার হাজার তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থক ও কর্মী। আর তাদের দাপটে নাজেহাল হতে হচ্ছে সাধারণ রেল যাত্রীদের। ট্রেনে বসার জায়গা তারা আগে থেকেই দখল করে রাখছেন। ফলে দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন সাধারণ রেল যাত্রীরা। আর এই ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে রেল পুলিশকেও। এর জেরে প্রতি বছর বিপুল টাকার ক্ষতি হচ্ছে রেলের।

    ঢালাও ডিম-ভাত, আলু-পটলের তরকারি

    অন্যদিকে এইসব দলীয় কর্মীদের রাত্রিবাস এবং তাদের দেদার খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে উত্তর হাওড়া তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) পক্ষ থেকে। হাওড়া স্টেশন থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে উত্তর হাওড়ার শ্যাম গার্ডেন ও শ্রীরাম বাটিকায় স্থানীয় বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর নেতৃত্বে এদিন সকাল থেকেই শুরু হয়েছে হাজার হাজার দলীয় কর্মীর জন্য রান্না। সেই রান্না দেখে মনেই হবে না যে এটা কোনও শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি। রীতিমতো পিকনিকের মেজাজ। বড় বড় হাঁড়ি-কড়ায় তৈরি হচ্ছে ভাত, ডাল, আলু-পটলের তরকারি, উনুনের সামনে ডাঁই করে রাখা হয়েছে ৫০ হাজারের বেশি সিদ্ধ ডিম। আর তা দেখে আনন্দে আত্মহারা তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা। এখান থেকে ভর পেট খেয়েই তাঁরা যে সব মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন ধর্মতলার সভাস্থলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রাতে সরকারি স্কুলে মদ-মাংসের পিকনিক! ভোট কেনার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Nadia: রাতে সরকারি স্কুলে মদ-মাংসের পিকনিক! ভোট কেনার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতের অন্ধকারে সরকারি স্কুল খুলে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে চলছে মাংস-ভাত খাওয়া। স্কুল চত্বরে পড়ে রয়েছে মদের বোতল। ভোটের আগে এলাকা দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি বলছে, নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের চোখে কি তুলসি পাতা লাগানো রয়েছে?

    ঘটনা কী ঘটেছে (Nadia)?

    সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। গ্রামগঞ্জের প্রতি বুথে চলছে রাতের বেলায় খাওয়া-দাওয়ার আসর। একই ভাবে নবদ্বীপ (Nadia) বিধানসভার চরমাজদিয়া চরব্রহ্মনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার একটি সরকারি স্কুলে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা লাগিয়ে চলল মাংস-ভাত খাবার আয়োজন। গ্রামের মানুষকে নিমন্ত্রণ করে চরমাজদিয়া গভর্নমেন্ট কলোনি জুনিয়র স্কুলে হয়ে গেল পিকনিক। স্কুলের চৌদ্দহির ভিতরেই পড়ে রয়েছে মদের বোতল। আর এ নিয়েই বিরোধীদের অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থীরা ওই এলাকায় মাংস-ভাত খাইয়ে ভোট কিনতে চাইছে! রাতের বেলায় স্কুলের চাবি পেল কোথায় তৃণমূল কংগ্রেস? তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা। স্কুলের ভিতরে মাইক এবং দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেদার অনুষ্ঠান রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের। ভোটের আগে এলাকায় শাসক দলের এই আচরণে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    এলাকার (Nadia) বিজেপি নেতা দিলীপ সরকার বলেন, এই স্কুলের শিক্ষকরা আসেন এবং চলে যান। পড়াশুনা হয় না বললেই চলে। রাজনৈতিক নেতাদের গোপন আস্তানা হয়েছে এই স্কুল। ভোটের নিয়মবিধি চালু হওয়ার পর থেকেই স্কুলের মধ্যে তৃণমূলের পাতাকা লাগিয়ে মাংস-ভাত খাইয়ে রাতের অন্ধকারে ভোট কেনাবেচা চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষকরা কি কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না! নাকি চোখে তুলসি পাতা লাগিয়ে রেখেছেন! ঠিক এই ভাবেই শাসকদলের ভোট কেনার কথা বলে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেন এই বিজেপি নেতা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Nadia) তৃণমূল নেতা বলেন, খাওয়া দাওয়ার সেরকম কিছু ব্যাপার নয়। ওই এলাকায় সারা বছরই স্কুলে পিকনিক হয়। দুর্গাপুজো, কালীপুজো এরকম বছরের ১২ থেকে ১৩ বার খাওয়া দাওয়া চলে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগাযোগ নেই। মদ খাওয়ার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, যারা মদ খায় তারা খেতেই থাকে, সারা বছরই মদ খায়। নির্বাচনকে সামনে নিয়ে বিরোধীরা মূলত অপ্রচার করছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share