Tag: Pm kisan

Pm kisan

  • Seva Setu Abhiyan: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাননি! রাজ্যজুড়ে চলছে ‘সেবা সেতু অভিযান’ শিবির, কী কী মিলছে?

    Seva Setu Abhiyan: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাননি! রাজ্যজুড়ে চলছে ‘সেবা সেতু অভিযান’ শিবির, কী কী মিলছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদন করেছেন, কিন্তু এখনও মেলেনি পরিষেবা? কোথায় আবেদন করবেন বা আবেদনের পর নিজের নামের স্ট্যাটাস কী, তা নিয়ে সমস্যায় রয়েছেন? এবার সেই সমস্যা মেটাতেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে সেবা সেতু অভিযান শিবির (Seva Setu Abhiyan)। আজ, শুক্রবার, ২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ শিবির চলবে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত।

    রাজ্য প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই তিন দিনের শিবিরে একই জায়গা থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য আবেদন করার সুযোগ মিলছে। পাশাপাশি বেশ কিছু প্রকল্পের আবেদনের স্ট্যাটাসও জানা যাচ্ছে। ফলে সরকারি পরিষেবা পেতে সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন দফতরে ঘুরতে হবে না।

    রাজ্যজুড়ে ৩৩০০টি শিবির

    প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্লক, পুরসভা, কর্পোরেশন-সহ বিভিন্ন স্তরে রাজ্যজুড়ে মোট ৩৩০০টি সেবা সেতু অভিযান শিবির চালু হয়েছে। এই শিবিরগুলিতে এক ছাদের নিচে প্রায় ৬০টি সরকারি প্রকল্পের পরিষেবা পাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিবিরে গিয়ে সরকারি প্রকল্পের জন্য আবেদন করা যাবে। একইসঙ্গে যাঁরা ইতিমধ্যে কোনও প্রকল্পে আবেদন করেছেন, তাঁরাও নির্দিষ্ট পরিষেবার ক্ষেত্রে আবেদনের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারবেন।

    কোন কোন প্রকল্পের সুবিধা মিলছে?

    সেবা সেতু অভিযান শিবিরে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্পের পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

    • ● অন্নপূর্ণা যোজনা
    • ● আয়ুষ্মান ভারত
    • ● প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা
    • ● শিক্ষাশ্রী
    • ● জয় জোহার
    • ● পিএম কিষান ক্রেডিট কার্ড
    • ● পিএম কিষান স্বনিধি
    • ● বিধবা ভাতা
    • ● বয়স্ক ভাতা
    • ● বিশেষভাবে সক্ষমদের ভাতা

    এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্যও প্রয়োজনীয় পরিষেবা ও আবেদনপত্রের ব্যবস্থা থাকছে।

    অন্নপূর্ণা যোজনায় নতুন করে আবেদন

    এই শিবিরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হল অন্নপূর্ণা যোজনায় নতুন করে আবেদন করার সুযোগ। যাঁরা এখনও এই প্রকল্পের সুবিধা পাননি, তাঁরা শিবির থেকে আবেদনের ফর্ম সংগ্রহ করে আবেদন করতে পারবেন। অন্নপূর্ণা যোজনায় ইতিমধ্যে আবেদন করে থাকলে তার স্ট্যাটাস সম্পর্কেও খোঁজ নেওয়া যাবে। একইভাবে আয়ুষ্মান ভারত কার্ডের স্ট্যাটাস জানার ব্যবস্থাও থাকছে।

    বিধবা ও বয়স্ক ভাতার জন্যও আবেদন

    শুধু অন্নপূর্ণা বা আয়ুষ্মান নয়, সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের ক্ষেত্রেও এই শিবির গুরুত্বপূর্ণ। বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা এবং বিশেষভাবে সক্ষমদের ভাতার জন্য নতুন আবেদনপত্র বিলি করা হচ্ছে। ফলে যোগ্য ব্যক্তিরা প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে শিবিরে গিয়ে আবেদন সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

    থাকছে ব্যাঙ্কের বিশেষ ক্যাম্পও

    সরকারি প্রকল্পের পাশাপাশি সেবা সেতু অভিযান শিবিরে ব্যাঙ্কের বিশেষ ক্যাম্পেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেখানে ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ থাকছে। এর ফলে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কিং পরিষেবার প্রয়োজন থাকলেও একই জায়গায় তার সমাধান করার সুযোগ মিলবে।

    কলকাতা ও হাওড়ায় কোথায় শিবির?

    কলকাতা পুরনিগম এলাকায় দুটি ওয়ার্ড পিছু একটি করে সেবা সেতু অভিযান শিবির চালু করা হয়েছে। ফলে শহরের বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দারা নিজেদের এলাকার নির্দিষ্ট শিবিরে গিয়ে পরিষেবা নিতে পারবেন।অন্যদিকে হাওড়া পুরনিগমের ৫০টি ওয়ার্ডের জন্য ২৬টি জায়গায় সেবা সেতু অভিযান শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    আপনার এলাকার শিবির কোথায়, জানবেন কীভাবে?

    নিজের এলাকার সেবা সেতু অভিযান শিবির কোথায় হয়েছে, তা নিয়ে কোনও সংশয় থাকলে ফোন করেই তথ্য জানা যাবে। প্রশাসনের তরফে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করে নিকটবর্তী শিবিরের ঠিকানা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া যাবে।

    হেল্পলাইন নম্বর:
    ● ১৮০০ ৩৪৫ ০১১৭
    ● ০৩৩-২২১৪ ০১৫২

    তাই অন্নপূর্ণা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, পিএম কিষান, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা কিংবা অন্য কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে যাঁরা আবেদন করতে চাইছেন, তাঁরা ২ থেকে ৪ অক্টোবরের মধ্যে সেবা সেতু অভিযান শিবিরে গিয়ে প্রয়োজনীয় পরিষেবা নিতে পারেন।

  • কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    কংগ্রেসের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) ভোট চুরির অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। শুক্রবার তিনি বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে দলটি মানুষের সমর্থন হারাচ্ছে এবং মিলেনিয়ালরা বিরোধী দলকে শিক্ষা দিয়েছে, এবার জেন জেডও প্রস্তুত”। ‘রাইজিং ভারত সামিটে’ বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এবং তামিলনাড়ুর ডিএমকে নেতৃত্বাধীন সরকারকেও নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, এই রাজ্য সরকারগুলি কেন্দ্রের কিছু কল্যাণমূলক প্রকল্প আটকে দিয়েছে।

    “শার্টলেস প্রতিবাদ” নিয়ে তোপ (PM Modi)

    এআই সামিট চলাকালীন ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের ‘শার্টলেস’ প্রতিবাদ নিয়ে তিনি কংগ্রেসকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে বলেন, “বিরোধী দল বিদেশি অতিথিদের সামনে শুধু পোশাকই খোলেনি, নিজেদের মতাদর্শগত দেউলিয়াপনাও প্রকাশ করেছে।” তাঁর অভিযোগ, আদর্শের নামে কংগ্রেস এখন শুধু বিরোধিতার টুলকিটে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, কংগ্রেস ও তার মিত্ররা কখনও সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করেনি। গরিব মানুষের কষ্ট নিয়ে তাদের কোনও উদ্বেগ নেই (PM Modi)। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে আজ পর্যন্ত আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কার্যকর হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় সারা দেশে দরিদ্রদের জন্য পাকা বাড়ি নির্মাণ হচ্ছে। তামিলনাড়ুতে প্রায় ৯.৫ লক্ষ বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে, কিন্তু তার মধ্যে ৩ লক্ষ বাড়ির নির্মাণ আটকে রয়েছে। “কেন? ডিএমকে সরকার আগ্রহ দেখাচ্ছে না কেন?”

    ইন্ডি জোট

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং ডিএমকে কংগ্রেসের সঙ্গে ইন্ডি জোটের অংশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেসের প্রতিবাদে মানুষের ক্ষোভ বাড়ায় কংগ্রেস মহাত্মা গান্ধীকে সামনে আনার চেষ্টা করেছে। এআই সামিট ছিল দেশের গর্বের মুহূর্ত। কিন্তু দেশের প্রাচীনতম দল সেই অনুষ্ঠান কলঙ্কিত করতে চেয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, “পাপ ঢাকতে হলে কংগ্রেস (Congress) বাপুকে সামনে আনে, আর কৃতিত্ব নিতে হলে একটি পরিবারের নাম করে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেসের ভোট কেউ চুরি করছে না, বরং মানুষ আর তাদের যোগ্য মনে করছে না। ১৯৮৪-র পর থেকেই কংগ্রেসের ভোট কমতে শুরু করেছে। এখন মাত্র চারটি রাজ্যে তাদের ৫০-এর বেশি বিধায়ক রয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “প্রথমে মিলেনিয়ালরা শিক্ষা দিয়েছে, এখন জেন জেডও প্রস্তুত।” ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জাতি গঠন স্বল্পমেয়াদি চিন্তায় হয় না, এর জন্য প্রয়োজন বড় দৃষ্টি, ধৈর্য ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার।

    কংগ্রেসকে তোপ

    গণতন্ত্রে বিরোধিতা মানে অন্ধ বিরোধিতা নয়, বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সব ভালো কাজেরই বিরোধিতা করে, যেমন নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ বা অশোক স্তম্ভের সিংহ প্রতীক (PM Modi)।” তিনি জানান, বিদেশি জাহাজে পণ্য পরিবহণে বছরে ৬ লাখ কোটি টাকা, সার আমদানিতে ২.২৫ লাখ কোটি টাকা এবং পেট্রোলিয়াম আমদানিতে ১১ লাখ কোটি টাকা ব্যয় হয়। এই অর্থ আত্মনির্ভরতার পথে আগে বিনিয়োগ করা হলে দেশ আরও শক্তিশালী হত। তিনি বলেন, “দেশীয় জাহাজ ও বন্দর পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে, সারের উৎপাদন বাড়াতে নয়া কারখানা স্থাপন করা হচ্ছে, ন্যানো ইউরিয়া, ইথানল মিশ্রণ, গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন, সৌর শক্তি ও ইলেকট্রিক মোবিলিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে (Congress)।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারতে উৎপাদন বাড়ালে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমদানি নয়, রফতানির কথা বলবে। দূরদর্শিতার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রমই ২০৪৭ সালের আত্মনির্ভর ও সমৃদ্ধ ভারতের ভিত্তি।”

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক

    তিনি জানান, তাঁর সরকার ভারতকে বিশ্বের প্রবৃদ্ধির ইঞ্জিনে পরিণত করছে এবং উন্নত দেশগুলি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ক্ষেত্রে জনধন-আধার-মোবাইল ‘ত্রয়ী’ এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে ২৪ লাখ কোটি টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভারত এখন সৌর শক্তিতে অগ্রণী, রেলব্যবস্থা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ভারত শুধু অনুসারী নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণেও অংশীদার। দেশের নিজস্ব এআই স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে।” তিনি জানান, কৃষিখাতে ২৮ লাখ কোটি টাকার ঋণ দেওয়া হয়েছে এবং পিএম-কিষান প্রকল্পে ৪ লাখ কোটিরও বেশি টাকা সরাসরি কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটাই সঠিক সময়। আমাদের রুটিন কাজ নয়, বিশ্বমানের কাজ করতে হবে (Congress)।”

     

  • Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    Mamata Banerjee: “মমতাই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন”, তোপ ভূপেন্দ্রর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই (Mamata Banerjee) একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন।” বুধবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন।”

    ভূপেন্দ্রর নিশানায় মমতা (Mamata Banerjee)

    কেন্দ্রীয় বাজেট প্রসঙ্গে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই মামলা করেন এবং লড়াই করেন। ২০ লাখ মানুষ ষষ্ঠ বেতন কমিশনের জন্য লড়াই করছেন, অথচ ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের সুবিধা পাচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এসআইআর বাস্তবায়নের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই করতে গিয়েছেন, কিন্তু ডিএর ক্ষেত্রে নিজের কর্মচারীদের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছেন। তিনি হেরে গিয়েছেন। তাই তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি নিজের কর্মচারীদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।” কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অনুপ্রবেশের কারণে জাতীয় নিরাপত্তা একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে এবং বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে আপস করছেন।” তোষণমূলক রাজনীতির জন্যও মন্ত্রী রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন।

    মন্ত্রী দাবি

    মন্ত্রীর দাবি (Mamata Banerjee), পশ্চিমবঙ্গে মাথাপিছু আয় কমে যাওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তাই মানুষ অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক খুন ও হিংসার ঘটনা এখানে সর্বাধিক। এখানে রাজনৈতিক তোষণও সর্বাধিক।” তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ অর্থ রাজ্য সরকার সঠিকভাবে ব্যবহার করছে না এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও মেঘালয়ে চালু করা হয়েছিল। প্রতিটি রাজ্যে একটি কমিটি গঠনের কথা ছিল। কিন্তু গত চার বছরে বাংলায় তা করা হয়নি। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বহু বিধান ছিল। অসম সরকার কমিটি গঠন করে ৩৭০ কোটি টাকা ব্যবহার করেছে।”

    এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব

    যাদব বলেন, “সুরাট–ডানকুনি ফ্রেট করিডর পরিবহন ব্যয় ৩০ শতাংশ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিলিগুড়ি–বারাণসী করিডর এবং দুর্গাপুরে উন্নয়ন সামগ্রিক লজিস্টিক দক্ষতা বাড়াবে।” তিনি জানান, ১০,০০০ কোটি টাকার এমএসএমই গ্রোথ ফান্ড প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের দুর্বল প্রশাসনের কারণে বাংলা সবসময় বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তালিকাভুক্ত ৬,৮০০টি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং এমএসএমই ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” মন্ত্রী উল্লেখ করেন, গ্রামীণ উন্নয়নমন্ত্রক একাই পশ্চিমবঙ্গকে (Mamata Banerjee) ১.১০ লাখ কোটি টাকা দিয়েছে, তবুও তিনি অভিযোগ করেন যে তৃণমূল সরকার দুর্বল প্রশাসনের প্রতীক।

    মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি

    তিনি বলেন, “মনরেগা বাস্তবায়নে ত্রুটি রয়েছে এবং তহবিল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অর্থের ব্যবহার সংক্রান্ত শংসাপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়া হয়নি, প্রধানমন্ত্রী পোষণ যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, এবং কেন্দ্র নির্ধারিত ‘দিশা’ বৈঠকগুলি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়নি।” মন্ত্রী বলেন, “আয়ুষ্মান ভারত এবং পিএম-কিষানের মতো প্রকল্প পূর্ণমাত্রায় চালু হতে দেওয়া হয়নি। রাজ্য কম মূলধনী ব্যয়ে চলছে এবং আয় না বাড়িয়ে ধারাবাহিকভাবে ঋণ নিচ্ছে, ফলে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ বিপন্ন হচ্ছে। এটি শুধু তৃণমূলের শেষ বাজেট নয়, বিদায়ী দলিল।” তিনি মন্তব্য করেন, “বাংলা সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও জগদীশচন্দ্র বসুর মতো মহান বিজ্ঞানীদের ভূমি, তবুও বিজ্ঞান শিক্ষায় বরাদ্দ করা হয়নি, কিন্তু মাদ্রাসায় ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা (Mamata Banerjee) বরাদ্দ করা হয়েছে।” উত্তরবঙ্গে ৩ কোটি জনসংখ্যার জন্য মাত্র ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। মন্ত্রী বলেন, “বস্ত্রশিল্পে পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকারের এই খাতে উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট রোডম্যাপ নেই (Mamata Banerjee)।”

     

LinkedIn
Share