Tag: pm mark carney

  • Canada: ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র সূচনা, কী বললেন কানাডার প্রতিনিধি?

    Canada: ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র সূচনা, কী বললেন কানাডার প্রতিনিধি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই উন্নত হচ্ছে ভারত-কানাডা (Canada) সম্পর্ক। শনিবার সূচনা হয় ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজেস অ্যান্ড ইনস্টিটিউটস কানাডার (Canada India Talent) প্রেসিডেন্ট তথা সিইও প্যারি জনস্টন। তিনি একে ভারতের দক্ষতা ও উদ্যোগ মন্ত্রকের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক প্রথম পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন।

    জাতীয় স্কিল সেন্টার (Canada)

    জনস্টন জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় স্কিল সেন্টারগুলির উন্নয়নে সহায়তা করা হবে। প্রয়োগমুখী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষানবিশ বিষয়ে কানাডার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া হবে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কৃষি-খাদ্য খাত-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা উন্নয়ন পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগ আমাদের ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা ও উদ্যোগ মন্ত্রকের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় প্রথম পদক্ষেপ। আমরা জাতীয় স্কিল সেন্টারগুলির উন্নয়নে সহায়তা করব এবং প্রয়োগমুখী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষানবিশ কর্মসূচির ক্ষেত্রে কানাডার দক্ষতা ভাগ করে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, এআই এবং কৃষি-খাদ্য ক্ষেত্রের ভারতীয় দক্ষতা পরিকল্পনাকে সমর্থন করব।” জনস্টন বলেন, “দু’সপ্তাহের মধ্যে আমরা ভারতে আসছি। কলেজ ও পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানের কর্তারা আইটিআই, বেসরকারি খাত ও সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যাতে যৌথভাবে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা যায় (Canada)।”

    ইন্দো-কানাডিয়ান বিজনেস চেম্বার

    এদিকে, ইন্দো-কানাডিয়ান বিজনেস চেম্বারের সিইও নাদিরা হামিদ দুই দেশের সম্পর্কের বৃহত্তর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “এখানে এসে এই সুন্দর সম্পর্ককে বিকশিত হতে দেখা সত্যিই আনন্দের। কিছু বছর চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে গিয়েছে, কিন্তু এখন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীই সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী। আমরা অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং আরও কাজ করতে চাই (Canada India Talent)।” বাণিজ্য সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভারত ও কানাডার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। হামিদ বলেন, “সিইপিএ পুনরায় আলোচনায় আনা হয়েছে এবং আমরা আশাবাদী যে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে সমাধান হবে। দুই দেশের হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরা পুনর্বহাল হয়েছেন, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজ করবে। নীতিগুলি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে এবং বিনিয়োগ, সম্প্রসারণ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে সংস্থাগুলির মধ্যে আস্থা বেড়েছে। এই আস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বার্তা স্পষ্ট—কানাডা এখানে দীর্ঘমেয়াদে থাকতে আগ্রহী এবং প্রধানমন্ত্রী সম্পর্ক পুনর্গঠনে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন।”

    প্রযুক্তিগত সহযোগিতা

    অন্যদিকে, রেসপিরার লিভিং সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও রোনাক সুতারিয়া প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা মূলত বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও প্রশমন নিয়ে কাজ করি। টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমরা মডেলিং টুল তৈরি করছি। আইআইটি বম্বে এবং টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবেও কাজ করেছি। একটি (Canada) দিক হল দূষণ ও নির্গমন পর্যবেক্ষণ—এই প্রযুক্তি কানাডার জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমরা কানাডায় বায়ুগুণমান, দূষণ ও নির্গমন পর্যবেক্ষণে এই প্রযুক্তি প্রয়োগে সহায়তা করতে পারি। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজও চলছে (Canada India Talent)।” শনিবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মুম্বইয়ে একটি উদ্ভাবনী প্রদর্শনীতে অংশ নেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    ভারত সফরে কার্নি

    চার দিনের ভারত সফরে আসা কার্নি ২ মার্চ নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন। তাঁর সফরের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভারত ও কানাডা ‘ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’ চালু করেছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (রাষ্ট্রমন্ত্রী) জয়ন্ত চৌধুরী বলেন, “ভারত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা সহযোগিতা গভীর করা এবং দক্ষতার চলাচল শক্তিশালী করতে কানাডার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত (Canada)।” তিনি বলেন, “ইন্ডিয়া-কানাডা ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি সময়োপযোগী এবং তা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। এর চারটি স্তম্ভ—ভারতের অগ্রাধিকার খাতে কানাডীয় সক্ষমতা সংযোজন, জ্ঞান ও দক্ষতাকে অর্থনৈতিক ফলাফলে রূপান্তর, দুইমুখী চলাচল গভীর ও ভারসাম্যপূর্ণ করা, এবং দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্যতা প্রদর্শন—আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ (Canada India Talent)।” তিনি আরও বলেন, “আমরা এই অংশীদারিত্বকে শুধু শিক্ষা উদ্যোগ হিসেবে নয়, আমাদের যৌথ ভবিষ্যতে একটি যৌথ বিনিয়োগ হিসেবে দেখি।”

    কার্নির প্রথম সরকারি সফর

    ২৭ ফেব্রুয়ারি কার্নি তাঁর প্রথম সরকারি সফরে মুম্বই পৌঁছান। ১ মার্চ তিনি নয়াদিল্লি পৌঁছাবেন এবং ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা কানানাস্কিস ও জোহানেসবার্গে তাঁদের আগের বৈঠকের ভিত্তিতে ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন (Canada)। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে পর্যালোচনা চলছে, তা নিয়েও আলোচনা হবে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হবে। দুই প্রধানমন্ত্রী ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও যোগ দেবেন। এই সফর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে (Canada India Talent)।

    এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক সম্মান, সংবেদনশীলতা, জনগণের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে একমত হয়েছেন (Canada)। বিদেশমন্ত্রকের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আসন্ন বৈঠক দুই দেশের ইতিবাচক গতি ও ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্বের যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিকে পুনরায় নিশ্চিত করার সুযোগ দেবে।

     

  • Canada PM: আমেরিকার নাগপাশ কাটাতে মার্চে ভারত সফরে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    Canada PM: আমেরিকার নাগপাশ কাটাতে মার্চে ভারত সফরে আসছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, একাধিক চুক্তির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সফরে আসতে পারেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ভারত সফরে আসার কথা তাঁর। জ্বালানি, খনিজ সম্পদ, পারমাণবিক সহযোগিতা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে একাধিক চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ পট্টনায়েক (Trump Tariffs)। এই সফর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে বাণিজ্য ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব বৈচিত্র্যময় করার ক্ষেত্রে কানাডার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, আমেরিকা বর্তমানে কানাডার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার।

    ভারতের হাইকমিশনারের বক্তব্য (Canada PM)

    পট্টনায়েক জানান, সফরকালে মার্ক কার্নি ভারতের সঙ্গে ইউরেনিয়াম সরবরাহ, তেল ও গ্যাস, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, এআই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত একাধিক চুক্তিতে সই করতে পারেন। প্রস্তাবিত চুক্তিগুলির মধ্যে প্রায় ২.৮ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার মূল্যের ১০ বছরের একটি ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এদিকে, চলতি সপ্তাহে ভারত সফররত কানাডার জ্বালানিমন্ত্রী টিম হজসন বলেন, “ভারত-কানাডার পারমাণবিক চুক্তির আওতায় পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে, তবে আন্তর্জাতিক সুরক্ষা বিধি মেনে চলার শর্তে।” তিনি আরও জানান, জ্বালানি ও খনি খাত হবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র, যার মধ্যে অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস লেনদেনের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি

    জাস্টিন ট্রুডোর আমলে ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতি হওয়ার পর কার্নি দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন। ট্রুডো ২০২৩ সালে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হারদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারত সরকারের জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন, যা ভারত অস্বীকার করেছিল (Trump Tariffs)। পট্টনায়েক জানান, ভারত ও কানাডার মধ্যে একটি বিস্তৃত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা মার্চ মাসে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রায় দু’বছর ধরে স্থগিত থাকা এই বাণিজ্য আলোচনা গত নভেম্বরে পুনরুজ্জীবিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁর মতে, আলোচনা শুরু হওয়ার এক বছরের মধ্যেই সিইপিএ চূড়ান্ত করা সম্ভব (Canada PM)।

    বৈশ্বিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা

    কার্নি কানাডার বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৈচিত্র্যময় করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, বৈশ্বিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থা আর কার্যকর নেই। গত সপ্তাহে সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি মধ্যম শক্তিধর দেশগুলির প্রতি নতুন জোট গঠনের আহ্বান জানান, যাতে আরও স্থিতিশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়। এই উদ্যোগ এমন একটা সময়ে নেওয়া হচ্ছে, যখন বৈশ্বিক বাণিজ্য অনিশ্চয়তা বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “কানাডা যদি চিনের সঙ্গে চুক্তি করে, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কঠোর শুল্ক আরোপ করতে পারে।” এ প্রসঙ্গে পট্টনায়েক বলেন, “বৈশ্বিক বাণিজ্য বিঘ্নের প্রেক্ষাপটে ভারত ও কানাডা দ্রুত নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে তৎপর হয়েছে।”

    তিনি জানান, আগামী মাসে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ওটাওয়া সফর করতে পারেন। সফরকালে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনেরও শীঘ্রই কানাডা সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। নিজ্জর হত্যা মামলা প্রসঙ্গে পট্টনায়েক বলেন, “কানাডায় চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা চলছে।” তিনি জানান, যদি তদন্তে কোনও ভারতীয় নাগরিকের জড়িত থাকার (Trump Tariffs) প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে ভারত যথাযথ ব্যবস্থা নেবে (Canada PM)।

LinkedIn
Share