Tag: PM Modi Bengal’s Visit

  • Modi in Malda: বিজেপি এলেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, মালদা থেকে হুঁশিয়ারি মোদির

    Modi in Malda: বিজেপি এলেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, মালদা থেকে হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত অশান্ত হচ্ছে। আর রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তাতে মদত দিচ্ছে। শনিবার মালদায় পরিবর্তন সংকল্প সভার মঞ্চ থেকেই অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Malda)। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধনের পরপরই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন মোদি। তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ বাংলার একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যার জেরে শুধু সামাজিক অস্থিরতাই নয়, কর্মক্ষেত্র, নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবেশও বিপর্যস্ত হচ্ছে রাজ্যের একাধিক জেলায়।

    অনুপ্রবেশ সমস্যা তৃণমূলের মদত

    প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বিশ্বের উন্নত দেশগুলিও অনুপ্রবেশকারীদের নিজেদের দেশ থেকে বের করে দিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকলে বাংলা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বের করা কার্যত অসম্ভব। মোদি বলেন, ‘‘বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। দুনিয়ার সমৃদ্ধ দেশ, যেখানে টাকার অভাব নেই, তারাও অনুপ্রবেশকারীদের বার করে দিচ্ছে। ওদের বাইরে পাঠানো উচিত কি না? কিন্তু তৃণমূল সরকার থাকতে তা কি সম্ভব? ওরা কি করবে? আপনাদের অধিকার কি রক্ষা করবে? আপনাদের জমি, বোন-মেয়েদের কি রক্ষা করবে? অনুপ্রবেশকারীদের কে বার করবে? তৃণমূলের সিন্ডিকেট বহু বছর ধরে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার করার খেলা করছে। ওরা গরিবদের অধিকার ছিনিয়ে নেয়। যুবকদের কাজ ছিনিয়ে নেয়। বোনদের উপর অত্যাচার করেছে। দেশে সন্ত্রাস, হিংসা আনছে। জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ভাষার ফারাক আসছে কিছু জায়গায়। মালদা, মুর্শিদাবাদের অনেক জায়গায় হিংসা বাড়ছে। অনুপ্রবেশকারী এবং সত্ত্বাধারীদের জোট ভাঙতে হবে। বিজেপি সরকার হলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হবে।’’

    মতুয়াদের উদ্দেশে বার্তা

    এ দিনের সভা থেকে মতুয়া সম্প্রদায়কে উদ্দেশ করে আলাদা বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘মোদির গ্যারান্টি, মতুয়া, যাঁরা প্রতিবেশী দেশে ধর্মের কারণে হিংসার শিকার হয়ে এখানে এসেছেন, তাঁরা ভয় পাবেন না। মোদি সিএএ-র মাধ্যমে শরণার্থীদের সুরক্ষা দিয়েছে। এখানে যে বিজেপি সরকার হবে, তারা মতুয়া, নমশূদ্র শরণার্থীদের বিকাশের কাজে গতি আনবে। বাংলায় পরিবর্তন আনার দায়িত্ব রয়েছে মা-বোন, যুবকদের।’’

    নারী নির্যাতন নিত্যদিন

    মোদি (Modi talks on Infiltration) বলেন, ‘‘বাংলায় এখন নারী নির্যাতন রোজ-কার ঘটনা। কাল দেখলাম মহিলা সাংবাদিক নিগৃহীত। কত অভদ্রতা করা হয়েছে। তৃণমূলরাজে স্কুল, কলেজেও মহিলারা সুরক্ষিত নয়। নির্মমতা এতটাই যে মহিলাদের কথা শোনা হয় না। নির্যাতিতাদের কোর্টে যেতে হয়। এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। এই কাজ কে করবে? আপনাদের একটা ভোট করবে। আপনাদের ভোট পশ্চিমবঙ্গের পুরনো গৌরব ফেরাবে। তৃণমূলের গুণ্ডাগিরি বেশিদিন চলবে না। এর শেষ হবে। গরিবদের নিপীড়ন শেষ হবে।’’ বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতেই বঙ্গবাসীর কাছে বাংলাকে বিকাশের পথে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান মোদি।

  • Modi in Malda: মালদার আম-অর্থনীতি নিয়ে ভাবেনি তূণমূল! ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি, দাবি মোদির

    Modi in Malda: মালদার আম-অর্থনীতি নিয়ে ভাবেনি তূণমূল! ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি, দাবি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদা আর আম সমার্থক। গোটা রাজ্যে তো বটেই গোটা দেশেই মালদার আমের আলাদা পরিচিত ও খ্যাতি রয়েছে। মালদার (Modi in Malda) অর্থনীতির একটা বড় স্তম্ভ হল আম। কিন্তু রাজ্যের তৃণমূল সরকার সেদিকে নজরই দেয় না। তাই মালদার আমজনতার মাঝে আম নিয়ে একাধিক বড় ঘোষণা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে পাটচাষী, রেশম চাষিদের দুর্দশার কথা উঠে এল মোদির কথায়। মোদি বলেন, ‘‘মালদা সেই জায়গা, যেখানে প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। রাজনীতি এবং সাংস্কৃতির চেতনা। মালদা বাংলার সমৃদ্ধির কেন্দ্র। আমি প্রথম বাংলার শিবেন্দুশেখর রায়কে প্রণাম জানাই, যার জন্য মালাহ আজও পরিচিত। আজও নিজের আম, আমসত্ত্ব, রেশম, লোকসঙ্গীত, বৌদ্ধিক চেতনার জন্য পরিচিত।’’

    আম-অর্থনীতি নিয়ে মোদির ভাবনা

    মালদার সভায় প্রধানমন্ত্রীর (Modi talks on Mango) ভাষণের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল চাষিদের কথা। আম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, “মালদা জেলা আম এবং আমসত্ত্বের জেলা। অথচ এই জেলায় আম অর্থনীতি নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি তৃণমূল।” মোদির দাবি, বাংলায় ক্ষমতায় এলে মালদার আম শিল্পকে ১ লক্ষ কোটি টাকার শিল্পক্ষেত্রে পরিণত করবে কেন্দ্রীয় সরকার। এখন কালিয়াচক ও ইংলিশবাজার আমের বাজার। সেটার বিকল্প বাজার তৈরি করবে বিজেপি সরকার। কোল্ড স্টোরেজ আরও বাড়বে, ফুড প্রসেসিং সেক্টরে বিনিয়োগ বাড়বে। আমজনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি, “ম্যাঙ্গো ইকোনমিকে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেবে বিজেপি সরকার। মালদার পুরনো গৌরব ফেরাব আমরা।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ মালদার নিত্যানন্দপুরে জনসভায় বলেন, “তৃণমূল সরকার দীর্ঘদিন ধরে মালদার আমচাষীদের বঞ্চিত করে রেখেছে। কোল্ড স্টোরেজ নেই, প্রসেসিং ইউনিট নেই, বাজারজাতকরণের সুবিধা নেই। ফলে চাষীরা ন্যায্য দাম পান না, আম নষ্ট হয়ে যায়। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই বঞ্চনার অবসান হবে।আমরা কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ দেব, নতুন নতুন কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করব, আধুনিক প্যাকেজিং ও লজিস্টিক্সের ব্যবস্থা করব যাতে মালদার ল্যাংড়া, লক্ষণভোগ, হিমসাগর, ফজলি এই সব বিখ্যাত আম সারা ভারতে সহজে পৌঁছে যায়।” প্রধানমন্ত্রী আরও জোর দিয়ে বলেন, আম চাষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠবে বৃহৎ ফুড প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রি। আমের আচার, জ্যাম, জেলি, পাল্প, ড্রাই ফ্রুটস, আমের রস – এসব তৈরির কারখানা হবে মালদায়।

    বাংলার কৃষকদের সুদিন ফেরানোর আশা

    শুধু আম নয়, মালদা ও মুর্শিদাবাদের কৃষকদের জীবনযাত্রার একটা বড় ভিত রেশম ও পাটচাষ। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, রেশম চাষিদের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার। মোদির কথায়,“এই তৃণমূলের লোকেরা যখন দিল্লিতে সরকার চালাত তখন পাটের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ছিল ২৪০০ টাকা। আজ সেটা ৫৫০০ টাকা। দ্বিগুণের বেশি হয়ে গিয়েছে। আমাদের সরকার পাটচাষিদের ১৩০০ কোটির বেশি টাকা দিয়েছে।” মোদি বলেন, ‘‘মালদায় আপনাদের দুঃখ কমাতে এসেছি। এখানে কারখানা হচ্ছে না। কৃষকেরা সুবিধা পাচ্ছে না। মালদা, মুর্শিদাবাদ থেকে যুবকেরা রুজির জন্য পালাতে বাধ্য হন। রেশম কৃষক, আম কৃষকদের অবস্থা বেহাল। আমচাষীরা বলছেন, চাষের টাকাও ওঠেনি। কারণ, তৃণমূল সরকার এই নিয়ে উদ্যোগ নেয়নি। প্রক্রিয়াকরণ নিয়ে বড় উদ্যোগ নেয়নি। আপনাদের হকের টাকা দেয়নি।’’

    নদীভাঙন নিয়ে সরব মোদি

    মানিকচক, রতুয়ার দীর্ঘদিনের সমস্যা নদী ভাঙন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে সেই প্রসঙ্গও উঠে এল। প্রধানমন্ত্রী বললেন, “আপনাদের কষ্টের কোনও চিন্তা নেই তৃণমূলের। কেন্দ্র টাকা পাঠায় আর তৃণমূল খেয়ে নেয়। তৃণমূল সরকার নির্মম নির্দয়।” প্রধানমন্ত্রী বললেন, “মালদায় গঙ্গা আর ফুলহারের ভাঙনে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়। প্রতিবছর তৃণমূলের সাহায্য চায় মানুষ, কিন্তু তৃণমূল আপনাদের দুর্দশার মধ্যেই রেখে দিয়েছে।” মোদি বলেন, ‘‘মালদা তৃণমূলের দুর্নীতির কারণে মার খাচ্ছে। প্রতি বছর এখানে অসংখ্য ঘর নদীতে তলিয়ে যায়। লক্ষ মানুষ তৃণমূল সরকারের কাছে আবেদন করছেন, পাড় বাঁধাতে। তৃণমূল ছেড়ে দেয়। বাঁধের নামে কত যে খেলা হয়, আমার থেকে বেশি আপনারা জানেন। সিএজি রিপোর্ট দেখছিলাম বাঁধ নিয়ে। আপনাদের বাঁধের টাকা দেয়নি। কিন্তু তৃণমূলের নিজের লোকদের খাতায় ৪০ বার বাঁধের টাকা পাঠানো হয়েছে। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের দেওয়া হয়েছে। যাঁরা সঙ্কটে ছিলেন, তাঁদের দেয়নি। তৃণমূলের ঘনিষ্ঠেরা পীড়িতদের টাকা লুটেছে। মালদার মাটিতে বলছি, বাংলায় বিজেপির সরকার হলেই তৃণমূলের এই কালো দুর্নীতি বন্ধ হবে।’’

  • Modi in Malda: ‘‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার!’’ বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি

    Modi in Malda: ‘‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার!’’ বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার চারপাশে সুশাসনের সরকার রয়েছে৷ বিহার, ওড়িশা, অসম, ত্রিপুরার পর এবার বাংলায় সুশাসনের পালা৷ মালদার সভা থেকে শনিবার রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের স্লোগান বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “বাংলা আমায় অনেক ভালোবাসা দিয়েছে। আজ মালদার (PM Modi in Malda) এই জনসাগর দেখে আমি নিশ্চিত, বাংলার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য মানুষ আসল পরিবর্তনের সঙ্কল্প নিয়েছেন।” বাংলার দ্রুত বিকাশই কেন্দ্রের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিন্তু সেই পথ আটকাচ্ছে তৃণমূলের হিংসার রাজনীতি। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বঙ্গবাসী।

    কেন্দ্রের টাকা লুট করে তৃণমূল

    মালদায় রাজনৈতিক জনসভা থেকে এদিন সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রী এদিন সরাসরি তৃণমূল সরকারকে ‘গরিবদের শত্রু’ বলে আখ্যা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা পাঠায়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়। ওরা নিজেদের সিন্দুক ভরতে ব্যস্ত।” মোদি বলেন, ‘‘দেশ আজ দীক্ষিত ভারত হওয়ার লক্ষ্যে। পূর্ব ভারতের বিকাশ খুব জরুরি। হিংসার রাজনীতি যারা করে, তারা বিকাশ আটকে রেখেছিল। বিজেপি এই রাজ্যগুলিকে হিংসার রাজনীতি করা লোকজনের থেকে মুক্ত করেছে। পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির বিশ্বাস যদি কারও সঙ্গে থাকে, তা হলে তা হল বিজেপি।’’

    পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার

    মোদি বলেন, ‘‘ওড়িশায় বিজেপি সরকার করেছে। ত্রিপুরা, অসম ভরসা রেখেছে বিজেপি-তে। কিছু দিন আগে বিহার আরও এক বার বিজেপি-এনডিএ সরকার গড়েছে। বাংলার চার দিকে বিজেপির সুশাসনের সরকার রয়েছে। এখন বাংলায় সুশাসনের সময় এসেছে। তাই আমি বিহারে জয়ের পর বলেছিলাম, মা গঙ্গা আশীর্বাদে বাংলায় বিকাশের গঙ্গা বইবে। বিজেপি এই কাজ করে ছাড়বে। বাংলায় সুশাসন আনবে। আমার সঙ্গে একটা সঙ্কল্প নিন। আমি বলব, পাল্টানো দরকার। আপনারা বলবেন, চাই বিজেপি সরকার।’’ মুম্বই পুরসভা (BMC) এবং তিরুবনন্তপুরমে বিজেপির সাফল্যের উদাহরণ টেনে মোদি বলেন, দেশের চারদিকে আজ বিজেপির সুশাসনের সরকার। এবার বাংলার সময় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি-র জয় অসম্ভব বলেই মনে করা হত, সেখানেও এখন বিজেপি নির্বাচনে সাফল্য পাচ্ছে৷ উদাহরণ হিসেবে কেরল, মহারাষ্ট্রের কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী৷ তাঁর দাবি, এবার বাংলাতেও পালাবদল হয়ে পদ্ম ফুটবে৷

    বাংলার উন্নয়ন প্রাথমিক লক্ষ্য

    মোদির কথায়, ‘‘বাংলার দ্রুত বিকাশ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিছু ক্ষণ আগে বাংলার বিকাশের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু প্রকল্প উদ্বোধন করেছি। বাংলা আধ ডজন নতুন ট্রেন পেয়েছে। তার মধ্যে একটা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। মেড ইন ইন্ডিয়া। সকলের জন্য আনন্দের যে, প্রথম স্লিপার বন্দে ভারত শুরু হচ্ছে বাংলা থেকেই। একটা স্টেশন মালদাও। বাংলার সব মানুষকে শুভেচ্ছা। দেশের তরুণ প্রজন্ম, জেন জি বিজেপি-র উপরে ভরসা রাখছে৷ বিজেপি-কে নিয়ে যে ভুল প্রচার চালানো হত, তা দূর হচ্ছে৷’’ মোদি বলেন, ‘‘বাংলার সব গৃহহীন ঘর পান। নল থেকে সকলে জল পান, মুক্ত রেশন পান, যে যোজনা কেন্দ্র গরিবদের জন্য তালু করেছে, আমি চাই, বাংলার মানুষ তার সুবিধা পাক। আপনাদের সেগুলি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা হচ্ছে না। তৃণমূল সরকার নির্দয়। নির্মম। কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা দেয়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়।’’ বিশেষ করে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) প্রকল্পের সুবিধা থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগে তিনি সরব হন। মোদি বলেন, “সারা দেশের গরিবরা ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পেলেও বাংলার মানুষ তা পাচ্ছেন না। তৃণমূল সরকার এখানে এই যোজনা চালু করতে দিচ্ছে না।” তাই বাংলার উন্নয়নের স্বার্থে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • PM Modi in Malda: যুক্ত হল কালীঘাট-তারাপীঠ-কামাখ্যা! প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে দেশের প্রথম বন্দেভারত স্লিপার-ট্রেনের সূচনা

    PM Modi in Malda: যুক্ত হল কালীঘাট-তারাপীঠ-কামাখ্যা! প্রধানমন্ত্রী মোদির হাত ধরে দেশের প্রথম বন্দেভারত স্লিপার-ট্রেনের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গায় স্নান সেরে কালীঘাট দর্শন বিকেলে ট্রেনে চেপে আজিমগঞ্জে নেমে তারাপীঠে মা-তারার পুজো। আবার পরের দিন সোজা গুয়াহাটি পৌঁছে মাতা কামাখ্যার প্রার্থনা। দেশের প্রথম হাওড়া-কামাখ্যা বন্দেভারত স্লিপার ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper) উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার এর পাশাপাশি চারটি নতুন অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের ভার্চুয়াল উদ্বোধনও করলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Malda)। রেলমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে এক ডজনের বেশি নতুন ট্রেন উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গে রেলওয়ের উন্নয়নে ১৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে।” শনিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ মালদা টাউন স্টেশন থেকে হাওড়া-কামাক্ষ্যা পথের এই ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি ৷ তাঁর সঙ্গে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু, মালদা দক্ষিণের ঈশা খান চৌধুরি ৷

    বন্দেভারত স্লিপার ট্রেনের ভিতরে মোদি

    গতির সঙ্গে বিলাসিতার মিশেলে শনিবার থেকে হাওড়া-গুয়াহাটির মধ্যে চালু হল দেশের প্রথম ‘বন্দে ভারত স্লিপার’ ট্রেন। দূরপাল্লার যাত্রায় এখন আর ক্লান্তি নয় বরং বিলাসবহুল বিছানায় শুয়েই গন্তব্যে পৌঁছবেন যাত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই অত্যাধুনিক এই ট্রেনের উদ্বোধন হল। এই ট্রেনটি পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলার পাশাপাশি অসমের বঙ্গাইগাঁও ও কামরূপ মেট্রোপলিটন জেলায় পরিষেবা দেবে। রাতের সফরের কথা মাথায় রেখে বিশেষ ভাবে নকশা করা হয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮০ কিলোমিটার গতিবেগে চলার ক্ষমতা থাকলেও, বাণিজ্যিক ভাবে এই ট্রেন চলবে ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে। মোট ১৮টি কামরার এই ট্রেনে একসঙ্গে সফর করতে পারবেন ৮২৩ জন যাত্রী। এদিন বন্দেভারত ট্রেনের ভিতরের কোচও ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। সবুজ পতাকা নাড়িয়ে নতুন ট্রেনের যাত্রা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। কথা বলেন কচিকাঁচাদের সঙ্গে।

    কবে কবে চলবে, কোথায় থামবে

    রেলমন্ত্রকের তরফে দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সপ্তাহে ছ’দিন হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি চলবে হাওড়া এবং কামাখ্যার মধ্যে। হাওড়া স্টেশন থেকে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ট্রেনটি ছাড়বে। পরের দিন কামাখ্যা পৌঁছবে সকাল ৮টা ২০ মিনিটে। অন্যদিকে কামাখ্যা থেকে ট্রেনটি ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে। হাওড়া পৌঁছাবে পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে। অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের যাত্রার সময় অনেকটাই কম লাগবে বলেই দাবি রেলের। অন্যদিকে দীর্ঘ এই যাত্রাপথে মোট ১৩ টি স্টেশনে দাঁড়াবে হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি। রেলের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে ট্রেনটি ছাড়ার পরেই প্রথমে ট্রেনটি দাঁড়াবে ব্যান্ডেল স্টেশনে। এরপর নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, নিউ ফারাক্কা জংশম, মালদহ টাউন, আলুবাড়ি রোড, নিউ জলপাইগুড়ি, জলপাইগুড়ি রোড, নিউ কোচবিহার, নিউ আলিপুরদুয়ার, নিউ বঙ্গাইগাঁও, রঙ্গিয়া হয়ে কামাখ্যা পৌঁছাবে। কামাখ্যা থেকে ছাড়ার পর একইভাবে এই স্টেশনগুলিতেই স্টপেজ দেবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ট্রেনটি। তবে কামাখ্যা থেকে বুধবার এবং হাওড়া থেকে বৃহস্পতিবার পাওয়া যাবে না ট্রেনটি। এদিন পতাকা নেড়ে ট্রেন রওনা হওয়ার পর কিছুক্ষণ ট্রেনের ভিতরেই কাটান প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের একাধিক কোচে ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই ট্রেনে থাকা স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন তিনি। পড়াশোনা, যাত্রার অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শিশুদের সঙ্গে গল্প করতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। তারপর প্রশাসনিক সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সভা থেকেই একগুচ্ছ রেল ও সড়ক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন তিনি।

LinkedIn
Share