Tag: PM Modi

PM Modi

  • Donald Trump: আমেরিকার ডালের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ভারতের, মোদির সঙ্গে কথা বলতে ট্রাম্পকে চাপ মার্কিন কৃষকদের

    Donald Trump: আমেরিকার ডালের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ভারতের, মোদির সঙ্গে কথা বলতে ট্রাম্পকে চাপ মার্কিন কৃষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ নভেম্বর, ২০২৫ থেকে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত হলুদ মটরের ওপর ৩০% শুল্ক আরোপের পর, মার্কিন সেনেটররা তাঁদের রাষ্ট্রপতির কাছে উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানার ডাল চাষিদের পক্ষে আলোচনার জন্য চিঠি লিখেছেন। ১৬ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) লেখা একটি চিঠিতে, সেনেটর কেভিন ক্র্যামার এবং স্টিভ ডেইনস তাঁদের রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করে বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে (PM Modi) মার্কিন সরকার স্বাক্ষরিত যে কোনও চুক্তিতে ডাল ফসলের ক্ষেত্রে শুল্কের বিষয়ে যেন গঠনমূলক আলোচনা হয়।”

    বিশ্বের মোট ডালের ২৭% আমদানি করে ভারত (Donald Trump)

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করে বলা হয়, “উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানা হল ডাল ফসলের সবচেয়ে বেশি উৎপাদক কেন্দ্র। আর এই ডালে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম ভোক্তা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা হয়েছে বিশ্বের মোট ডালের ২৭% এরও বেশি ব্যবহার করে ভারত। তবে ভারত গত বছরের ৩০ অক্টোবর ঘোষণা করেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হলুদ মটরের উপর ৩০% শুল্ক আরোপ করবে। এই শুল্ক ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ফলে উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানার কৃষকরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

    ক্র্যামার এবং ডেইনস আরও অনুরোধ করেন, “ট্রাম্পের (Donald Trump) উচিত ডাল ফসলের শুল্কের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) সঙ্গে আলোচনা করা, যাতে মার্কিন কৃষকরা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জন করতে পারে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০২৩ সালে, ভারত মার্কিন ডালের ওপর কিছু ছাড় দিয়েছিল, কিন্তু সাম্প্রতিক মার্কিন শুল্ক সেই সুবিধা বাতিল করে দিয়েছে এবং মার্কিন ফসলের ওপর ভারতের শুল্ক মার্কিন কৃষকদের ওপর প্রভাব ফেলছে।

    সেনেটরদের চিঠিটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের ১ নভেম্বরে শুল্ক আরোপ করার কারণ হল ২০২৫ সালের অগাস্টে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০% শুল্ক আরোপ করেছিলেন। ফলে ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া হল ভারতের পাল্টা শুল্ক আরোপ।

    মার্কিন মটরের ওপর ভারতের ৩০% সংশোধনমূলক শুল্ক দেশীয় সংবাদ মাধ্যমের নজর এড়িয়ে গেলেও। সেনেটরদের এই চিঠিটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা কতটা প্রয়োজন তা আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে। ট্রাম্পের (Donald Trump) আরোপিত অন্যায্য শুল্কের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ মার্কিন কৃষকরা যে চাপের মুখে ফেলেছেন তা আরও একবার প্রমাণিত।

  • Modi in Malda: ‘‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার!’’ বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি

    Modi in Malda: ‘‘পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার!’’ বিধানসভা ভোটে বিজেপি-র স্লোগান বেঁধে দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার চারপাশে সুশাসনের সরকার রয়েছে৷ বিহার, ওড়িশা, অসম, ত্রিপুরার পর এবার বাংলায় সুশাসনের পালা৷ মালদার সভা থেকে শনিবার রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের স্লোগান বেঁধে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “বাংলা আমায় অনেক ভালোবাসা দিয়েছে। আজ মালদার (PM Modi in Malda) এই জনসাগর দেখে আমি নিশ্চিত, বাংলার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য মানুষ আসল পরিবর্তনের সঙ্কল্প নিয়েছেন।” বাংলার দ্রুত বিকাশই কেন্দ্রের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিন্তু সেই পথ আটকাচ্ছে তৃণমূলের হিংসার রাজনীতি। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বঙ্গবাসী।

    কেন্দ্রের টাকা লুট করে তৃণমূল

    মালদায় রাজনৈতিক জনসভা থেকে এদিন সুর চড়ালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রী এদিন সরাসরি তৃণমূল সরকারকে ‘গরিবদের শত্রু’ বলে আখ্যা দেন। তিনি অভিযোগ করেন, “কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা পাঠায়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়। ওরা নিজেদের সিন্দুক ভরতে ব্যস্ত।” মোদি বলেন, ‘‘দেশ আজ দীক্ষিত ভারত হওয়ার লক্ষ্যে। পূর্ব ভারতের বিকাশ খুব জরুরি। হিংসার রাজনীতি যারা করে, তারা বিকাশ আটকে রেখেছিল। বিজেপি এই রাজ্যগুলিকে হিংসার রাজনীতি করা লোকজনের থেকে মুক্ত করেছে। পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির বিশ্বাস যদি কারও সঙ্গে থাকে, তা হলে তা হল বিজেপি।’’

    পাল্টানো দরকার, চাই বিজেপি সরকার

    মোদি বলেন, ‘‘ওড়িশায় বিজেপি সরকার করেছে। ত্রিপুরা, অসম ভরসা রেখেছে বিজেপি-তে। কিছু দিন আগে বিহার আরও এক বার বিজেপি-এনডিএ সরকার গড়েছে। বাংলার চার দিকে বিজেপির সুশাসনের সরকার রয়েছে। এখন বাংলায় সুশাসনের সময় এসেছে। তাই আমি বিহারে জয়ের পর বলেছিলাম, মা গঙ্গা আশীর্বাদে বাংলায় বিকাশের গঙ্গা বইবে। বিজেপি এই কাজ করে ছাড়বে। বাংলায় সুশাসন আনবে। আমার সঙ্গে একটা সঙ্কল্প নিন। আমি বলব, পাল্টানো দরকার। আপনারা বলবেন, চাই বিজেপি সরকার।’’ মুম্বই পুরসভা (BMC) এবং তিরুবনন্তপুরমে বিজেপির সাফল্যের উদাহরণ টেনে মোদি বলেন, দেশের চারদিকে আজ বিজেপির সুশাসনের সরকার। এবার বাংলার সময় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছেন, যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি-র জয় অসম্ভব বলেই মনে করা হত, সেখানেও এখন বিজেপি নির্বাচনে সাফল্য পাচ্ছে৷ উদাহরণ হিসেবে কেরল, মহারাষ্ট্রের কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী৷ তাঁর দাবি, এবার বাংলাতেও পালাবদল হয়ে পদ্ম ফুটবে৷

    বাংলার উন্নয়ন প্রাথমিক লক্ষ্য

    মোদির কথায়, ‘‘বাংলার দ্রুত বিকাশ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্য। কিছু ক্ষণ আগে বাংলার বিকাশের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু প্রকল্প উদ্বোধন করেছি। বাংলা আধ ডজন নতুন ট্রেন পেয়েছে। তার মধ্যে একটা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। মেড ইন ইন্ডিয়া। সকলের জন্য আনন্দের যে, প্রথম স্লিপার বন্দে ভারত শুরু হচ্ছে বাংলা থেকেই। একটা স্টেশন মালদাও। বাংলার সব মানুষকে শুভেচ্ছা। দেশের তরুণ প্রজন্ম, জেন জি বিজেপি-র উপরে ভরসা রাখছে৷ বিজেপি-কে নিয়ে যে ভুল প্রচার চালানো হত, তা দূর হচ্ছে৷’’ মোদি বলেন, ‘‘বাংলার সব গৃহহীন ঘর পান। নল থেকে সকলে জল পান, মুক্ত রেশন পান, যে যোজনা কেন্দ্র গরিবদের জন্য তালু করেছে, আমি চাই, বাংলার মানুষ তার সুবিধা পাক। আপনাদের সেগুলি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু তা হচ্ছে না। তৃণমূল সরকার নির্দয়। নির্মম। কেন্দ্রীয় সরকার গরিবদের জন্য যে টাকা দেয়, তা তৃণমূলের লোকজন লুটে নেয়।’’ বিশেষ করে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat) প্রকল্পের সুবিধা থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগে তিনি সরব হন। মোদি বলেন, “সারা দেশের গরিবরা ৫ লক্ষ টাকার বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা পেলেও বাংলার মানুষ তা পাচ্ছেন না। তৃণমূল সরকার এখানে এই যোজনা চালু করতে দিচ্ছে না।” তাই বাংলার উন্নয়নের স্বার্থে রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

  • PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    PM Modi in Bengal: বঙ্গ সফরের আগে বিশেষ বার্তা! রাজ্যে দু’দিন কোথায়, কখন থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ১৭ তারিখ মালদহ ও ১৮ তারিখ হুগলির সিঙ্গুরে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। কোটি কোটি টাকার রেল প্রকল্পের সূচনা করবেন মোদি। যা ভারত তথা বাংলার রেল মানচিত্রে নিয়ে আসবে বড় বদল। নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বাংলায় আসা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জানিয়েছেন, কেবল মালদায় ৩,২৫০ কোটিরও বেশি টাকার উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস হবে। হাওড়া ও গুয়াহাটির মধ্যে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের শুভ সূচনা করা হবে।

    বঙ্গ সফরের আগে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal) লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গে রেল পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই আগামীকালের অনুষ্ঠানে বালুরঘাট–হিলি নতুন রেললাইন, নিউ জলপাইগুড়িতে অত্যাধুনিক মালবাহী ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, শিলিগুড়ির লোকো শেডের উন্নয়ন এবং জলপাইগুড়িতে বন্দে ভারত ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলির শিলান্যাস করা হবে।” পাশাপাশি, ৪টি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও শুভ সূচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ মালদা স্টেশনে দেশের প্রথম হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি ভার্চুয়ালি গুয়াহাটি (কামাখ্যা)–হাওড়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটিরও উদ্বোধন করবেন। এর পর পৌনে ২টো নাগাদ সাহাপুর মালদা বাইপাস সংলগ্ন মাঠে মোদির সভা রয়েছে। সেখানে ৩,২৫০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের একাধিক রেল ও সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন তিনি। ধূপগুড়ি-ফালাকাটা (৩১ডি) জাতীয় সড়কের কিছু অংশের সংস্কার ও চার লেনের শিলান্যাস করবেন মোদি। যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের যাতায়াত আরও সহজ করে তুলবে এই সংস্কার এবং নতুন চার লেনের রাস্তা।

    সিঙ্গুরে রবিবার

    রবিবার ১৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi in Bengal) সরকারি সভা রয়েছে হুগলির সিঙ্গুরে। সেখান থেকে ৮৩০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। বালাগড়ে বর্ধিত বন্দর গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রোড ওভার ব্রিজও। বিজেপি নেতৃত্বের কথায় ১৭ জানুয়ারি উত্তরবঙ্গের রেল মানচিত্রে ঐতিহাসিক দিন হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর আসন্ন রাজ্য সফর সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রেখেছেন এবং রেখে চলেছেন। তাঁর এই সফর এই উন্নয়নের যাত্রায় আরও একটি সংযোজন। বাংলার জনগণের উপকারের জন্য তিনি ধারাবাহিক অবদান রেখে চলেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বার্তা

    শুধু প্রকল্প উদ্বোধনই আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতেও অংশ নেবেন বলে হুঙ্কার দিয়ে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তাঁর মতে, রাজ্যের সাধারণ মানুষ তৃণমূলকে নিয়ে তিতিবিরক্ত। তাঁরা চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার। নিজের পোস্টে এই বিষয়টা স্পষ্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi in Bengal)। তিনি লেখেন, ‘আগামীকাল বিজেপির সমাবেশে আমি মালদা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় আছি। প্রতিদিনই তৃণমূলের অপশাসনের কোনও না কোনও নতুন উদাহরণ সামনে আসছে। তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তিতিবিরক্ত এবং এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করতে তাঁরা প্রস্তুত। মানুষ চায় উন্নয়নমুখী বিজেপি সরকার।’

  • PM Modi: মালদায় পৌঁছে গিয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, শনিবার ১টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মালদায় পৌঁছে গিয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, শনিবার ১টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় এসে পৌঁছে গিয়েছে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper)। উদ্বোধন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র। প্রধানমন্ত্রী কখন উদ্বোধন করবেন তা নিয়ে গোটা দেশের নজর এখন মালদার দিকে। শনিবার, ১৭ জানুয়ারি দুপুর ১টায় মালদা স্টেশন থেকে এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ট্রেনের কামরাগুলিকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Vande Bharat Sleeper)

    উদ্বোধনের একদিন আগে পৌঁছানো ট্রেনের কামরাগুলিকে খতিয়ে দেখেছেন রেলের আধিকারিকরা। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে গোটা মালদা এলাকাকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। পূর্ব রেলের ডিআরএম মনিশ কুমার জানিয়েছেন, শনিবার দুপুর ১ টার সময় সবুজ পতাকা উত্তোলন করে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের যাত্রা শুরু করবেন। ফলে এই সময়ে ট্রেনের যাত্রার আগে সবকিছুকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ট্রেন হাওড়া থেকে শুরু করে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, এবং অসমের বঙ্গাইগাঁও, কামরূপ মেট্রোপলিটন জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ

    দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে (Vande Bharat Sleeper) ঘিরে দেশবাসীর মধ্যে উত্তেজনা এখন ব্যাপক তুঙ্গে। যদিও ট্রেনের শুভ সূচনার ছাড়াও সাংগঠনিক ভাবে একাধিক কর্মসূচিও রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ভারতীয় রেলের তরফে একটি নোটিশ জারি করে বলা হয়েছে, আগামী ১৬ এবং ১৭ জানুয়ারি মালদা টাউন স্টেশনের ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাট ফর্ম সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আর তাই ১৬ জানুয়ারি ১৫টি ট্রেনকে অন্যান্য প্ল্যাট ফর্মে স্থানান্তর করা হয়েছে। একই ভাবে ১৭ জানুয়ারিও স্থানান্তর করা হয়েছে ১৫টি যাত্রীবাহী ট্রেনকে। উদ্বোধনের দিনে ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে মোট দুই হাজার মানুষকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের প্রত্যকের কাছে বিশেষ আমন্ত্রণ পত্র থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই স্টেশনকে এসপিজি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও আগেই পৌঁছে যাবেন মালদায়। সম্পূর্ণ স্টেশনকে নিরাপত্তার বিষয়টি নিজে ভালো করে ক্ষতিয়ে দেখবেন। তবে মোদি স্টেশনে ঢুকে রেলের উদ্বোধন করবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসারজ মাজি জানিয়েছেন, “আগামিকাল রেলমন্ত্রী মালদায় আসছেন ৷ আশা করছি, তারপরেই ট্রেন উদ্বোধনের চূড়ান্ত সূচি আমরা পেয়ে যাবো৷”

    সভাস্থলে দুটি মঞ্চ

    পুরাতন মালদায় ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভাকে ঘিরে দুটি মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। একটি সরকারি এবং অন্যটি দলীয় মঞ্চ হবে। সভাস্থলের পিছনে তৈরি হবে বেশ কিছু তাঁবু। প্রত্যেক দফতরের এক-একটি বিভাগ থাকবে। একটি তাঁবু রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জন্যও নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে বিশ্রামাগারও তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সভাস্থলের উপর দিয়ে যাওয়া হাইটেনশনের ইলেকট্রিক তারও খুলে দেওয়া হয়েছে।

    সভাস্থলের নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ইতিমধ্যে নিয়ে নিয়েছে এসপিজির জওয়ানরা। প্রতিটি জিনিসে স্নিফার ডগ দিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। একই ভাবে করা হচ্ছে ময়দানের প্রতিটি কোনায় কোনায়। তল্লাশি করছেন রাজ্য পুলিশের কর্মীরাও। মঞ্চের সামনে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় রাখা হয়েছে। ভিড়কে কোনও ভাবেই বাড়তে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের মানুষের উদ্দেশেও ভাষণ

    উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভাকে ঘিরে বলেন, “আগামী ১৭ তারিখ প্রধানমন্ত্রী পুরাতন মালদায় সভা করবেন ৷ মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর মিলিয়ে চারটি সাংগঠনিক জেলার মানুষজনের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি৷ অবশ্য শুধু এই চারটি সাংগঠনিক জেলাই নয়, তিনি গোটা রাজ্যের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের মানুষের উদ্দেশেও ভাষণ দেবেন ৷ তাঁর সভার জন্য প্রস্তুতি চলছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষকে নতুন বছরের উপহার দেবেন তিনি ৷ দেশের প্রথম স্লিপার ক্লাস বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন ৷ একইসঙ্গে রেলের কিছু অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি ৷ ওই অনুষ্ঠানে বেশ কিছু রেল প্রকল্প-সহ কিছু ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।”

  • Army Day 2026: “ভারতীয় সেনার সাহস-বীরত্বে গর্বিত দেশ”, সেনা দিবসে বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির

    Army Day 2026: “ভারতীয় সেনার সাহস-বীরত্বে গর্বিত দেশ”, সেনা দিবসে বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Army Day 2026) নিষ্ঠা ও সাহসিকতা প্রতিটি ভারতীয়ের জন্য গর্বের বিষয়। দেশ রক্ষায় সেনাবাহিনীর অবদান অতুলনীয়। সেনা দিবসে ভারতীয় বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, ১৫ জানুয়ারি, দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে সেনা দিবস। এই বিশেষ দিনে ভারতীয় সেনার জওয়ান, প্রাক্তন সেনাকর্মী ও তাঁদের পরিবারবর্গকে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    সেনাবাহিনীর সাহস, বীরত্ব ও আত্মত্যাগ প্রশংসনীয়

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Army Day 2026) সাহস, বীরত্ব ও আত্মত্যাগের প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ সেনা দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ বার্তা শেয়ার করেন। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, “দুর্গম পাহাড় থেকে তুষারাবৃত শৃঙ্গ পর্যন্ত ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহস ও বীরত্ব দেশকে গর্বিত করে। সীমান্তে মোতায়েন সৈন্যদের প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।” তিনি বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক, এবং সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতেও তারা মাতৃভূমি রক্ষায় অটল থাকে। প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন, সৈন্যদের শৃঙ্খলা, সাহস এবং দৃঢ় সংকল্প দেশজুড়ে নিরাপত্তা ও আত্মবিশ্বাসের অনুভূতিকে আরও দৃঢ় করে। তিনি বার্তায় দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারকারী সাহসী সৈন্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বলেন, জাতি সর্বদা এই বীরদের সম্মান ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।

    প্রতি বছর ১৫ জানুয়ারি সেনা দিবস

    ভারতে প্রতি বছর ১৫ জানুয়ারি সেনা দিবস (Army Day 2026) পালিত হয়। এই দিনটি ভারতীয় সামরিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে স্মরণ করে। ১৯৪৯ সালের এই দিনে ফিল্ড মার্শাল কেএম কারিয়াপ্পা ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম ভারতীয় কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেদিনের স্মৃতিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীরত্ব, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো হয়। দেশজুড়ে সেনা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সামরিক কেন্দ্রে বিশেষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসব অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি, শৃঙ্খলা ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। শহিদ সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং সাহসিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে দেশপ্রেম ও দেশভক্তির চেতনা জাগ্রত করা হয়।

    ঐক্য, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতীয় সেনা অবিচল

    সেনা দিবস (Army Day 2026) উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, দেশের ঐক্য, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় ভারতীয় সেনা অবিচলভাবে কাজ করে চলেছে। তিনি বলেন, সেনা জওয়ানরা শুধু সীমান্ত সুরক্ষাই করেন না, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবিক সংকটের সময়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাষ্ট্রপতির কথায়, সেনার ‘নেশন ফার্স্ট’ মনোভাব প্রতিটি ভারতবাসীকে অনুপ্রাণিত করে। উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণন ভারতীয় সেনার সাহসী অফিসার, জওয়ান ও প্রাক্তন সেনাকর্মীদের কুর্নিশ জানান। এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি বলেন, দেশের সুরক্ষায় সেনাদের অটল সাহস, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ প্রতিটি নাগরিককে অনুপ্রাণিত করে। তিনি আরও বলেন, জাতি তাঁদের নিঃস্বার্থ সেবা ও দেশের ঐক্য-অখণ্ডতার প্রতি অঙ্গীকারকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করে। কর্তব্যপালনের পথে যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, সেই বীর শহিদদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান উপরাষ্ট্রপতি।

  • PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ জানুয়ারি ফের পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ওইদিনই মালদায় যাবেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই নতুন ট্রেন সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। তাঁর সফরের আগে নয়া রূপে সেজে উঠেছে মালদা টাউন স্টেশন চত্বর। দিনরাত ধরে চলছে কাজ। মালদা টাউন স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার কাজও (Vande Bharat Sleeper) চলছে জোরকদমে। স্টেশনে ঢোকার মুখে রয়েছে একটি বিশাল পার্ক। এই পার্কেই বসানো হয়েছে ফাইবারের তৈরি শ্রীচৈতন্য দেবের মূর্তি।

    সাজানো হয়েছে পার্ক (PM Modi)

    বাঁকুড়ার বিখ্যাত পোড়ামাটির ঘোড়া আর নানা ধরনের মূর্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে পার্কটি। এলাকার সমস্ত রাস্তায় নতুন করে পিচের প্রলেপ পড়েছে। পুরো এলাকা সাজানো হচ্ছে আলো দিয়ে। পার্কের কাজ শেষ করতেও ঘাম ঝরাচ্ছেন শ্রমিকরা। মালদা টাউন স্টেশনের ১ ও ২ নম্বর প্লাটফর্মে গিয়ে দেখা গেল, সেখানেও কাজ চলছে। দুটি প্লাটফর্মের মেঝের বেশ কিছু জায়গায় টাইলস পাল্টানো হচ্ছে। কোথাও আবার পড়েছে রংয়ের প্রলেপ। সামনে দাঁড়িয়ে কাজকর্ম তদারকি করছেন রেলকর্তারা। রেল সূত্রে খবর, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মালদায় পৌঁছে যাবে বন্দে ভারত স্লিপারের দুটি রেক। সেগুলি দাঁড়াবে ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে (PM Modi)। সেই কারণে ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনও ট্রেন চলাচল করবে না। পূ্র্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসরাজ মাজি বলেন, “ইতিমধ্যেই কাটিহার থেকে বন্দে ভারত স্লিপার মালদার দিকে আসতে শুরু করেছে। এলেই জানিয়ে দেব।” ১৭ জানুয়ারি বন্দে ভারত স্লিপারের (Vande Bharat Sleeper) উদ্বোধন। তার ঠিক আগের দিনই মালদায় এসে পৌঁছবেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    মালদায় প্রধানমন্ত্রী

    ১৭ তারিখেই মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর এই সফর ঘিরে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। পুরাতন মালদা বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নানা প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মালদা টাউন স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের নিজস্ব ফাঁকা লক্ষ্মণ সেন স্টেডিয়ামে তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী হেলিপ্যাড। জানা গিয়েছে, ১৭ জানুয়ারি দুপুর ২টো নাগাদ প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে সেখানে পৌঁছবেন। সেখান থেকে সড়কপথে আসবেন মালদা টাউন স্টেশনে। সড়ক পথের পুরো রাস্তাটিতে পিচের প্রলেপ পড়তে শুরু করেছে। দফায় দফায় এলাকা পরিদর্শন করছেন মালদা ডিভিশনের রেল কর্তারা।

    রেলের বক্তব্য

    পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার মণীশকুমার গুপ্তা বলেন, “১৭ জানুয়ারি মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন স্লিপার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কোনও নির্দেশিকা আমাদের কাছে এসে পৌঁছয়নি।” জানা গিয়েছে, ওই দিন সবুজ পতাকা নেড়ে মালদা টাউন স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী সূচনা করবেন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। শুধু তাই নয়, সেখান থেকে ফরাক্কা পর্যন্ত তিনি ওই ট্রেনে সফরও করবেন। ট্রেনে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হবে এক ঝাঁক খুদে পড়ুয়া (Vande Bharat Sleeper)। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফর করার সুযোগ কারা পাবে, তাদের বেছে নিতে শুক্রবার থেকে মালদার বেশ কয়েকটি স্কুলে ছবি আঁকা, লেখার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন স্কুল থেকে প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া পড়ুয়াদের নিয়ে আবার প্রতিযোগিতা হবে জেলাস্তরে। সেখানেই সফল হওয়া ৩০ পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে (PM Modi)।

    একগুচ্ছ ট্রেনের উদ্বোধন

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, প্রথম ভাণ্ডে ভারত স্লিপার চলবে হাওড়া-মালদা টাউন-নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ কোচবিহার-নিউ বঙ্গাইগাঁও-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটে। অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোর মধ্যে এবার আরও দ্রুত সংযোগ তৈরি হবে। এতেই শেষ নয়, একই দিনে প্রধানমন্ত্রী মোট ছ’টি নতুন ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোইল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিরাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-বেঙ্গালুরু (SMVT) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-মুম্বই (পানভেল) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস, বালুরঘাট-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী বাছাই শুরু

    রেলের তরফে জেলার ১৮টি স্কুলে প্রতিযোগিতার নির্দেশাবলি পৌঁছে গিয়েছিল আগেই। তার পরেই শুরু হয় প্রতিযোগিতা। মালদার ঐতিহ্যবাহী বার্লো বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দীপশ্রী মজুমদার বলেন, “রেলের তরফে আমাদের চিঠি দিয়ে প্রতিযোগিতাগুলি আয়োজন করার জন্য বলা হয়েছে।” শুক্রবার জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে সব স্কুল পড়ুয়ারা বন্দে ভারতে সফর করবেন, তাদের বেছে নেওয়া হবে তিন ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। ছবি আঁকা, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা এবং প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে বলা হয়েছিল। আমরা স্কুলের জুনিয়র ও সিনিয়র ছাত্রীদের মধ্যে পৃথক দুটি ভাগে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম।” প্রতিযোগিতার বিষয় হিসেবে বিকশিত ভারত, বিকশিত বাংলা, নেক্সট জেনারেশন ট্রেন এবং আত্মনির্ভর ভারত ইত্যাদি বিষয় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মালদা অক্রুরমণি করোনেশন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অজয়কৃষ্ণ রায় বলেন, “রেলের তরফে পড়ুয়াদের ছবিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে (Vande Bharat Sleeper)। স্কুলের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয়দের বক্তৃতার ভিডিও-ও করা হয়েছে (PM Modi)।”

  • Sukanta Majumdar: “মোদি ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন”, আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “মোদি ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন”, আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি (PM Modi) ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে টাটারা ফিরবেই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে কথাগুলি বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার সেই সভাস্থল পরিদর্শন করেন সুকান্ত। সেখান থেকে তিনি যান সাহানাপাড়া গ্রামে। বিলি করেন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র। সিঙ্গুর থেকে টাটা বিদায় নেওয়ার পর এই প্রথম সেখানে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সিংহরভেড়ি মৌজায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারের মাঠে হবে সভা।

    তৃণমূলকে নিশানা (Sukanta Majumdar)

    সিঙ্গুরের মাটিতে টাটার শিল্প না হওয়ায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে দায়ী করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “বিজেপি সরকার আসুক। এখানে টাটারা ফিরবে। আমরা জানি, কীভাবে করতে হয়। আমরা উত্তরপ্রদেশে ডিফেন্স করিডর করছি। ভারতের দুটো বড় করিডরের একটা উত্তরপ্রদেশে, আর একটা হয়েছে তামিলনাড়ুতে।” তৃণমূলের আন্দোলনের জেরে সিঙ্গুর থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে ভিন রাজ্যে চলে গিয়েছেন টাটারা (Sukanta Majumdar)। পরে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সেখানকার জমি ফিরে পেয়েছেন কৃষকরা। তবে সেই জমি আর আবাদযোগ্য নয়। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্লায় পড়লে নাকও যাবে, নরুনও যাবে। তিনি শুধু নিজের পরিবারের কথা ভাবেন, বাকি কারও জন্য ভাবেন না। প্রধানমন্ত্রীর সভায় আসার জন্য আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি (PM Modi)।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “তিনি (নরেন্দ্র মোদি) ক্ষণজন্মা। এমন মানুষ কম জন্মান। গোটা ভারতকে তিনি যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তা শ্রদ্ধা জাগায়। তাঁর বক্তব্য শুনতে সবার আসা উচিত। তৃণমূলের লোকেদেরও আসা উচিত। তবে তাদের সৎ বুদ্ধি হবে।”

    মুখ্যমন্ত্রী চান না, শিল্প হোক

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়ে সুকান্ত বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে শিল্প নেই। কারণ মুখ্যমন্ত্রী চান না, শিল্প হোক। তিনি চান, মানুষ গরিব থাকুন, ঘুগনি বিক্রি করুন। তিনি ভাতা দেবেন, আর সেই ভাতার টাকায় ছোলা কিনবেন বউকে বলবেন ঘুগনি বানাতে, আপনি ঘুগনি বিক্রি করবেন আর মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোরা কোটিপতি হবে। ওঁর পরিবার ভালো থাকবে। এই কলঙ্ক সিঙ্গুরের মাথা থেকে ঘোচানোর (PM Modi) কাজ করবে ভারতীয় জনতা পার্টি।  টাটা-সহ অন্য শিল্পপতিদের এখানে নিয়ে এসে শিল্প করে দেখাব (Sukanta Majumdar) আমরা।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, চৌত্রিশ বছরে বামেদের দুর্গ নাড়াতে সিঙ্গুরের এই আন্দোলন ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। বামফ্রন্ট সরকার তৎকালীন সময়ে এই সিঙ্গুরে টাটা ন্যানোর কারখানা তৈরি করবে বলে কৃষকদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করে। তবে সেই সময় বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জেরে শিল্প না করেই সিঙ্গুর থেকে চলে যেতে হয় টাটাদের (Sukanta Majumdar)।

     

  • PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক ছেড়ে নয়া কার্যালয়ে স্থানান্তরিত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) ছিল এখানেই। সেখান থেকেই পাততাড়ি গুটিয়ে সরে যাচ্ছে পিএমও। জানা গিয়েছে, ১৪ জানুয়ারি (মকর সংক্রান্তি)-র পর প্রধানমন্ত্রী, তাঁর দফতর, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট নিয়ে নতুন সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে কাজ শুরু করতে পারেন।

     সেবা তীর্থ (PM Modi)

    রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে দারা শিকো রোডে (পূর্বতন ডালহৌসি রোড) কেন্দ্রীয় সরকারের সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ বা সেবা তীর্থ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেই ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট নতুন কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হয়েছে। খুব শীঘ্রই সেখানে যাবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট। সবশেষে, মকর সংক্রান্তির পর প্রধানমন্ত্রী নিজেও নতুন দফতরে গিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।  সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে পিএমও, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং এনএসসিএস—তিনটি আলাদা ভবন রয়েছে। আগে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রাঙ্গন থেকে কাজ করত, আর এনএসসিএসের দফতর ছিল পার্লামেন্ট স্ট্রিটের সর্দার প্যাটেল ভবনে (PM Modi)।

    নতুন সরকারি বাসভবন

    এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-১-এর কাছেই নির্মাণ কাজ চলছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন সরকারি বাসভবনের, যা এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-২ নামে পরিচিত (PMO)। সূত্রের দাবি, নতুন পিএমও ভবনের অধিকাংশ অফিস আধুনিক ওয়ার্কস্পেসের আদলে তৈরি, ঠিক যেমন সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে নির্মিত কার্তব্য ভবনগুলিতে দেখা গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত কক্ষগুলি তুলনামূলকভাবে আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে সাজানো হয়েছে। এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছে লারসেন অ্যান্ড টুব্রো। কেন্দ্রীয় গণপূর্ত দফতর জানিয়েছিল, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর এই প্রকল্পের বরাত দেওয়া হয় (PM Modi)। ব্যয় ধরা হয়েছিল ১,১৮৯ কোটি টাকা, যা প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় ১০.৪৪ শতাংশ কম। নির্মাণের সময়সীমা ধরা হয়েছিল ২৪ মাস।

    সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি বা চূড়ান্ত ব্যয় সম্পর্কে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক কিংবা সিপিডব্লুডি আর বিশেষ তথ্য প্রকাশ করেনি। এ বিষয়ে পাঠানো প্রশ্নের কোনও জবাবও মেলেনি (PMO)। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমল থেকে সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। ১৯২০-৩০-এর দশকে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত নর্থ ও সাউথ ব্লক ছিল কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের মূল ভবন। সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের আওতায় এই দুই ঐতিহাসিক ভবনকে জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হবে, যাতে প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষ রাইসিনা হিলের এই লাল বেলেপাথরের ভবনগুলি ঘুরে দেখতে পারেন। ইতিমধ্যেই নর্থ ব্লকের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রক সরে যাওয়ার পর, সাউথ ব্লকের সংস্কারের জন্যও টেন্ডার ডাকা হয়েছে। ভবন খালি হলেই কাজ শুরু হবে (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ঘোষিত সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নয়া সংসদ ভবন, উপরাষ্ট্রপতির এনক্লেভ এবং ১০টি নতুন কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ভবনের মধ্যে প্রথম তিনটি কর্তব্য ভবন নির্মিত হয়েছে (PMO)।

  • Germany: ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট সুবিধা চালু জার্মানির

    Germany: ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট সুবিধা চালু জার্মানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক যাত্রা আরও সহজ করতে ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের (Indian Passport) জন্য বড় ঘোষণা করল জার্মানি (Germany)। জার্মান বিমানবন্দর দিয়ে অন্য দেশে যাওয়ার সময় এখন থেকে ভারতীয় যাত্রীদের আর আলাদা করে ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে না। এই ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট সুবিধা ভারতীয় নাগরিকদের যাত্রা  আরও স্বচ্ছন্দ, দ্রুত এবং কম নথিপত্রনির্ভর করে তুলবে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের।

    ভারত-জার্মানি যৌথ বিবৃতি (Germany)

    সোমবার প্রকাশিত ভারত-জার্মানি যৌথ বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্ৎসের দু’দিনের ভারত সফর শেষে এই বিবৃতি প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য, এটি ছিল মার্ৎসের প্রথম ভারত সফর এবং ফেডারেল চ্যান্সেলর হিসেবে এশিয়ায় তাঁর প্রথম সরকারি সফর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে জার্মান বিমানবন্দর হয়ে যেসব ভারতীয় অন্য দেশে যাবেন, তাঁদের আর ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে না। এতে আন্তর্জাতিক যাত্রা আরও সুগম হবে বলেই আশা। এই ঘোষণার জন্য জার্মান (Germany) চ্যান্সেলর মার্ৎসকে ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ভারত-জার্মানির কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ “শুধু ভারতীয় নাগরিকদের যাতায়াত সহজ করবে না, বরং দুই দেশের মধ্যে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কও আরও গভীর হবে।” উভয় নেতাই (Indian Passport) সহমত পোষণ করেন যে, মানুষে-মানুষে সম্পর্কই ভারত-জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্বের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, দুই দেশই ছাত্র, গবেষক, দক্ষ পেশাজীবী, শিল্পী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান আদান-প্রদানকে স্বাগত জানিয়েছে। একই সঙ্গে জার্মানির অর্থনীতি, উদ্ভাবন ও সাংস্কৃতিক জীবনে ভারতীয় সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষা, গবেষণা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, সংস্কৃতি এবং যুব বিনিময় ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন দুই দেশের নেতৃত্ব (Germany)। আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন। নেতারা লক্ষ্য করেন, জার্মানিতে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে, যৌথ ও ডুয়াল ডিগ্রি কর্মসূচির পরিধি বাড়ছে এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। ভারতীয় ছাত্র ও স্নাতকদের জার্মানিতে চাকরির বাজারে সংযুক্ত করতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগকেও স্বাগত জানানো হয়। পাশাপাশি, আইআইটি ও জার্মান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে সহমত প্রকাশ করা হয়।

    দুই দেশই রাজি হয়েছে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি ভারত-জার্মানি যৌথ রোডম্যাপ তৈরি করবে। প্রধানমন্ত্রী জার্মানির (Indian Passport) শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ভারতের নতুন শিক্ষা নীতি (NEP)-র আওতায় ভারতে ক্যাম্পাস খোলার আমন্ত্রণও জানান (Germany)।

  • PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত (India) দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে।” ভাইব্র্যান্ট গুজরাট আঞ্চলিক সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রবিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসাও করলেন তিনি। রাজকোটে আয়োজিত এই সম্মেলনকে তিনি ২১ শতকে ভারতের আত্মবিশ্বাসী অগ্রযাত্রার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে ভারত (PM Modi)

    সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কৃষি উৎপাদন নতুন রেকর্ড গড়ছে। দুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে।” ২০২৬ সালে গুজরাটে এটি তাঁর প্রথম সফর বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বছরের শুরুতেই তিনি সোমনাথ মন্দিরে প্রার্থনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অনুভূতি নিয়ে নতুন বছরের যাত্রা শুরু করেছেন। এরপর সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সম্মেলনে অংশ নেন তিনি (PM Modi)।

    ভাইব্র্যান্ট গুজরাট

    গুজরাটের ঐতিহ্য ও উন্নয়নের সুষম সমন্বয়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্য ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের একটি আদর্শ মডেল। যখনই ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের আয়োজন দেখি, আমি শুধু একটি সম্মেলন দেখি না, আমি দেখি আধুনিক ভারতের ২১ শতকের যাত্রা। এই যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি স্বপ্ন দিয়ে, আর আজ তা অটল আত্মবিশ্বাসে পৌঁছেছে। গত দুদশকে ভাইব্র্যান্ট গুজরাট একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১০টি সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং প্রতিটি সংস্করণের সঙ্গে এই সম্মেলনের গুরুত্ব ও পরিচিতি আরও শক্তিশালী হয়েছে (India)।” প্রধানমন্ত্রী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের প্রশংসাও করেন। বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখতে এবং বিশ্বজুড়ে ভারতের প্রতি আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভাইব্র্যান্ট গুজরাটের মতো মঞ্চ ভারতের বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের জন্য নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে সাহায্য করেছে (PM Modi)।”

    ভারত বিশ্বে এক নম্বরে

    ভারতের অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে। বিশ্বের সর্বাধিক ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী দেশও ভারত। গত ১১ বছরে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ডেটা ব্যবহারকারী দেশে পরিণত হয়েছে। আমাদের ইউপিআই আজ বিশ্বের এক নম্বর রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ (India)। স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে আমরা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে। বেসামরিক বিমান পরিবহণের ক্ষেত্রেও ভারত তৃতীয় বৃহত্তম বাজার। মেট্রো নেটওয়ার্কের দিক থেকে আমরা বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছি (PM Modi)।”

LinkedIn
Share