Tag: PM Modi

PM Modi

  • Census 2027: জাতীয় জনগণনার ঢাকে পড়ল কাঠি, দুই ধাপে হবে প্রক্রিয়া, দিন ঘোষণা কেন্দ্রের

    Census 2027: জাতীয় জনগণনার ঢাকে পড়ল কাঠি, দুই ধাপে হবে প্রক্রিয়া, দিন ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে ১৬তম জাতীয় জনগণনা। সরকারি নির্দেশিকা জারি করল ১৬ জুন। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ঘোষণা করেছে যে, জনসংখ্যা গণনা দুটি ধাপে যথাক্রমে ১ অক্টোবর, ২০২৬ এবং ১ মার্চ, ২০২৭ তারিখে পরিচালিত হবে। প্রথম ধাপে, যা গৃহতালিকাকরণ অভিযান (HLO) নামেও পরিচিত, সেখানে সম্পদ, পারিবারিক আয়, আবাসন পরিস্থিতি এবং সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রথমবার, উত্তরদাতারা বাড়ি থেকে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন, কারণ আসন্ন আদমশুমারি হবে ভারতের প্রথম ডিজিটাল আদমশুমারি। দ্বিতীয় ধাপ, যা জনসংখ্যা গণনা (PE) নামেও পরিচিত, তাতে পরিবারে বসবাসকারী প্রতিটি ব্যক্তির সম্পর্কে জনসংখ্যাতাত্ত্বিক, আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করবে।

    এর আগে রবিবার দিল্লিতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে জনগণনার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উপস্থিত (Digital Headcount) ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব, রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং ভারতের জনগণনা কমিশনার-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, সোমবার সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শুরু হবে জনগণনা প্রক্রিয়া। স্বাধীন ভারতের এই অষ্টম এবং দেশের ১৬তম জনগণনা একাধিক কারণে ঐতিহাসিক। এই প্রথমবার জনগণনার আওতায় আনা হবে জাতি অনুসারে তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়াও। ২০২৭ সালে যে এই জনগণনা (Census 2027) হবে, তা হবে দেশের সম্পূর্ণ ডিজিটাল এবং কাগজবিহীন জনগণনা।

    কী বললেন শাহ (Census 2027)

    এদিনের বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ১৬ জুন জনগণনা ২০২৭-এর জন্য গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে, যা আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের ১৬তম জনগণনা এবং স্বাধীনতার পর ৮ম জনগণনা হিসেবে শুরু হবে। এই জনগণনাকে ঐতিহাসিক করে তুলেছে একটি বিশেষ দিক—প্রথমবারের মতো এতে জাতিভিত্তিক গণনা অন্তর্ভুক্ত করা হবে, এবং চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হবে মাত্র ৯ মাসের মধ্যে। এটি একটি বড় অগ্রগতি। শাহ বলেন, “আমি ১৬তম জনগণনার প্রস্তুতি নিয়ে প্রবীণ কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আগামিকাল গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। এই প্রথমবার জাতিভিত্তিক গণনাও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রায় ৩৪ লাখ গণনাকারী ও তদারকি কর্তা এবং প্রায় ১.৩ লাখ জনগণনা কর্মী অত্যাধুনিক মোবাইল ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করে এই কাজ পরিচালনা করবেন।” তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, পুরো প্রক্রিয়ার প্রতিটি স্তরে তথ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে সংরক্ষণ পর্যন্ত কঠোর তথ্য নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা হবে।

    কোভিড-১৯ অতিমারি

    এই গণনা হবে প্রথম আদমশুমারি যা কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে ২০২০ সালে স্থগিত হয়েছিল। নতুন আদমশুমারির রেফারেন্স তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ মার্চ, ২০২৭, যা অতিমারি-উত্তর সময়ে দেশের জনসংখ্যার একটি প্রাসঙ্গিক চিত্র দেবে। ২০২৭ সালের জনগণনা দুটি প্রধান ধাপে পরিচালিত হবে। প্রথম ধাপটি হল, হাউসলিস্টিং অপারেশন। এটি শুরু হবে ২০২৬ সালে। এই পর্যায়ে ভারতের শহর ও গ্রামাঞ্চলের ঘরবাড়ির অবস্থা, সুযোগ-সুবিধা এবং গৃহস্থালির সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। দ্বিতীয় ধাপটি হল জনসংখ্যা গণনা (Digital Headcount)এটি হবে ২০২৭ (Census 2027) সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। এই ধাপে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হবে, যেমন নাম, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, ভাষা, বৈবাহিক অবস্থা, পেশা এবং জাতি সম্পর্কিত তথ্যও।

    দ্রুত তথ্য সংগ্রহ

    এই দুই ধাপের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে যাতে গৃহ-ভিত্তিক ভৌত পরিকাঠামো ও সেই ঘরে বসবাসকারী মানুষের বিষয়ে বিস্তারিত ও স্তরভিত্তিক তথ্য মেলে। ৩৫ লাখেরও বেশি কর্মীর সহায়তায় এটি হবে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মানব-নির্ভর তথ্য সংগ্রহ কর্মসূচি। তবে এটি হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপে। জানা গিয়েছে, জনগণনা ২০২৭-এ ব্যবহার করা হবে না প্রচলিত কাগজের ফর্ম ও ক্লিপবোর্ড। এবার গণনাকারীরা ব্যবহার করবেন বিশেষভাবে ডিজাইন করা মোবাইল অ্যাপ, যা ইংরেজি, হিন্দি সহ মোট ১৬টি ভারতীয় ভাষায় মিলবে। এর ফলে দেশের প্রতিটি অংশ — হিমালয়ের কোলের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উপকূলবর্তী শহর পর্যন্ত — সরাসরি ও দ্রুত তথ্য সংগ্রহ করা যাবে।

    জনগণনার অ্যাপ

    ভারতের ইতিহাসে এই প্রথমবার, নাগরিকরাও নিজেদের তথ্য নিজেরাই অ্যাপের মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন, যা এই প্রক্রিয়ায় এক অভূতপূর্ব অংশগ্রহণ ও স্বায়ত্তশাসনের সুযোগ এনে দেবে। এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “ভারতের ইতিহাসে এটিই হবে সবচেয়ে আধুনিক ও নির্ভুল জনগণনা (Census 2027)।” জনগণনার এই অ্যাপে থাকবে একাধিক স্মার্ট ফিচার। এগুলি হল, অধিকাংশ প্রশ্নের জন্য প্রাক-কোডেড ড্রপডাউন মেনু, যা বিভ্রান্তি ও তথ্য নথিভুক্ত করার ভুল কমাবে। ইনটেলিজেন্ট ক্যারেক্টার রিকগনিশন, যা যে কোনও হাতে লেখা তথ্যকে ডিজিটাল রূপে রূপান্তর করতে পারবে। কোড ডিরেক্টরি দেবে বর্ণনামূলক উত্তরের জন্য একক বিকল্প। এতে দেশের অঞ্চল ও ভাষাভিত্তিক মান বজায় থাকবে। এই ডিজিটাল রূপান্তর পূর্ববর্তী জনগণনাগুলির একটি বড় প্রতিবন্ধকতা দূর করবে। আগে লাখ লাখ কাগজের ফর্ম ম্যানুয়ালি স্থানান্তর করা হত। পরে তাকে স্ক্যান করতে হত। এসব কারণে ফল প্রকাশে দেরি হত, বাড়ত ভুলের ঝুঁকিও (Digital Headcount)।

    রাজনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ

    ভারতীয় জাতীয় জনগণনার ইতিহাসে ২০২৭ সালের জনগণনা সম্ভবত সবচেয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে নয়া সংযোজন হল জাতিভিত্তিক গণনা। এবারই প্রথম জাতীয় পর্যায়ে বিস্তারিত জাতিগত তথ্য রেকর্ড করা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই এই দাবি করেছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। জাতিগত পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে যাতে সংরক্ষণ নীতি ও কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি আরও ভালোভাবে কার্যকর করা যায়, তাই এই ব্যবস্থা (Census 2027)। এই অন্তর্ভুক্তির ফলে দেশজুড়ে প্রতিনিধিত্ব, সম্পদের বণ্টন এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হতে পারে। যে আলোচনা এতদিন হয়নি নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাবে।

    গোপনীয়তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে

    প্রসঙ্গত, ১৮৮১ সাল থেকে ১৯৩১ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ জমানায় জাতগণনা জনগণনার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ছিল। তবে ১৯৫১ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম জনগণনার সময় তৎকালীন জওহরলাল নেহরুর সরকার এই প্রথা বন্ধ করে দেয়। সাধারণ জনগণনায় তফশিলি জাতি, উপজাতি মানুষের নানা তথ্য উঠে আসে। তবে ওবিসির বিষয়টি সাধারণ জনগণনায় থাকে না। তাই গত কয়েক বছর ধরে ক্রমেই জোরালো হচ্ছিল জাত গণনার দাবি (Digital Headcount)। যেহেতু এবার আগের চেয়ে ঢের বেশি পরিমাণে ব্যক্তিগত তথ্য, বিশেষ করে সংবেদনশীল তথ্য যেমন জাতিগত পরিচয় ডিজিটালভাবে সংগ্রহ করা হচ্ছে, তাই সরকার কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তথ্য আদান-প্রদানের সময় সম্পূর্ণ এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন, কঠোর প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ সংরক্ষণ এ সব একাধিক স্তরের ডিজিটাল নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখা হবে নাগরিকদের তথ্য। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “গোপনীয়তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে এবং তথ্য শুধুমাত্র পরিসংখ্যানগত উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হবে (Census 2027)।”

    বিশ্বব্যাপী মানদণ্ডে পরিণত হতে পারে

    ভারতের আসন্ন জনগণনা শুধুমাত্র একটি জাতীয় ঘটনা নয়, এটি একটি বিশ্বব্যাপী মানদণ্ডে পরিণত হতে পারে। এটি যদি সফলভাবে বাস্তবায়িত করা যায়, তবে এটি হবে যে কোনও গণতান্ত্রিক দেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ ডিজিটাল গণনার চেষ্টা, যেখানে থাকবে গতি, নির্ভুলতা, অন্তর্ভুক্তি এবং নাগরিক ক্ষমতায়নের এক অনন্য সমন্বয়। এই বিশাল কর্মসূচি অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের জন্য একটি মডেল হয়ে উঠতে পারে। শাহ বলেছিলেন, “আসন্ন জনগণনা হবে ঐতিহাসিক। শুধু কি গণনা করা হচ্ছে সেই জন্য নয়, বরং কীভাবে তা করা হচ্ছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যই তুলে ধরে জনগণনা ২০২৭-এর মূল ভাবনা – এটি শুধুই সংখ্যার হিসেব নয়, বরং ভারতের বিস্তৃত উদ্ভাবনী ক্ষমতার প্রতিফলন।

    প্রসঙ্গত, ২০২৭ সালে যে জনগণনা হবে, তা হবে মোদি জমানার প্রথম জনগণনা। ওই বছরেরই ১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে শুরু হয় এই কর্মসূচি (Digital Headcount)। যদিও জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচলপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং লাদাখের বেশ কিছু অংশে বছরের সেই সময় তুষারাবৃত থাকায় ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকেই ওই অংশে শুরু হয়ে যাবে জনগণনার কাজ (Census 2027)।

  • Vande Bharat: উদ্বোধন করেন মোদি, জম্মু-কাশ্মীরে বন্দে ভারত ঘিরে তুমুল আগ্রহ যাত্রীদের, নিঃশেষ টিকিট

    Vande Bharat: উদ্বোধন করেন মোদি, জম্মু-কাশ্মীরে বন্দে ভারত ঘিরে তুমুল আগ্রহ যাত্রীদের, নিঃশেষ টিকিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি জুন মাসের ৬ তারিখে জম্মু-কাশ্মীরের প্রথম বন্দে ভারত ট্রেনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওই ট্রেনটি শ্রী মাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত যাত্রা করে। একইসঙ্গে অপর একটি বন্দে ভারত (Vande Bharat) ট্রেনের উদ্বোধন করেন রেল প্রতিমন্ত্রী রঘুবীর সিং বিট্টু। এই দুই ট্রেন একযোগে চলতে শুরু করে। একটি ছাড়ে কাটরা থেকে, অপরটি শ্রীনগর থেকে। নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছাতে তারা সময় নেয় প্রায় তিন ঘণ্টা। বিকেলেও এই দুই বন্দে ভারত ট্রেন চালু থাকে। কাটরা থেকে ছাড়ে ২টা ৫৫ মিনিটে, শ্রীনগর থেকে ছাড়ে ঠিক ২টোয়।

    টিকিট প্রায় নিঃশেষ (Vande Bharat)

    এখনও পর্যন্ত এক মাস হয়নি এই দুটি ট্রেন চালু হয়েছে, কিন্তু দেখা যাচ্ছে টিকিট প্রায় নিঃশেষ। পরবর্তী এক মাসের জন্য সমস্ত টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, বর্তমানে শুধুমাত্র ১৮ জুলাইয়ের টিকিটই বুকিংয়ের জন্য পড়ে রয়েছে। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, বন্দে ভারত নিয়ে যাত্রীদের আগ্রহের শেষ নেই।
    এ নিয়েই কাটরা রেল স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার যুগল কিশোর শর্মা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দিয়েছে এই দুই ট্রেনকে ঘিরে। পর্যটক এবং স্থানীয় মানুষ উভয় ধরনের যাত্রীরাই বন্দে ভারতের অংশ হতে চাইছেন। টিকিটের চাহিদা এত বেশি যে সপ্তাহের পর সপ্তাহ কোনও আসন খালি থাকছে না।

    কেন এত উন্মাদনা (Vande Bharat)

    আসলে বন্দে ভারত নিয়ে এমন উন্মাদনার কারণ হল যে রুট দিয়ে ট্রেন যায়, তার পাশের অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য, উচ্চ গতি এবং আধুনিক মানের পরিষেবা। এই সবকিছুই যাত্রীদের আগ্রহ বাড়াচ্ছে। এই ট্রেনে ২১ জুন কাটরা থেকে শ্রীনগর পর্যন্ত যাত্রা করবেন তেমনই এর যাত্রী মহিন্দর পন্থ। তাঁর সঙ্গী হিসেবে থাকবেন স্ত্রী রেনু শর্মা। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বন্দে ভারতের যাত্রা বেশ আকর্ষণীয় হবে।
    ব্যাঙ্কিং সেক্টরে চাকরি করেন পন্থ। বিগত ৩০ বছর ধরে কখনও সড়ক পথে, কখনও বিমান পথে যাতায়াত করেছেন। কিন্তু এখন ট্রেনের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে জম্মু ডিভিশন এবং কাশ্মীর। বন্দেভারতেই যাতায়াত করছেন পন্থ। বন্দে ভারত Vande Bharat Express) নিয়ে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। তিনি বলেছেন, এটি কাশ্মীরবাসীর এক দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ।

  • India-Cyprus CEO forum: ভারতের ডিজিটাল বিপ্লব! ফ্রান্সের পর এবার সাইপ্রাসেও চালুর পথে ইউপিআই?

    India-Cyprus CEO forum: ভারতের ডিজিটাল বিপ্লব! ফ্রান্সের পর এবার সাইপ্রাসেও চালুর পথে ইউপিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের পর এবার সাইপ্রাসেও চালু হতে চলেছে ইউপিআই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) রবিবার ভারত-সাইপ্রাস সিইও ফোরামে (India-Cyprus CEO forum) এই কথা জানান। ভারতের ডিজিটাল বিপ্লব, অর্থনৈতিক শক্তি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী মোদি জানান, ভারতের ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস (UPI) বর্তমানে বিশ্বে ডিজিটাল লেনদেনের ৫০ শতাংশ পরিচালনা করছে। তাঁর কথায়, ভারত যেভাবে প্রযুক্তিকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে এসেছে, তা আজ গোটা বিশ্বের কাছে এক উদাহরণ।

    সাইপ্রাসে ইউপিআই

    ইউপিআই শুধু প্রযুক্তির প্রতীক নয়, এটি ভারতের ডিজিটাল বিপ্লব ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রকাশ। ভারত-সাইপ্রাস সিইও ফোরামে (India-Cyprus CEO forum) প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বলেন, “ফ্রান্সের মতো অনেক দেশ ইতিমধ্যে ইউপিআই-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সাইপ্রাসকেও এতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আলোচনা চলছে। আমি একে স্বাগত জানাই। গত ৬০ বছরে এই প্রথম একই সরকার টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এসেছে। গত ১০ বছরে দেশে এক ডিজিটাল বিপ্লব ঘটেছে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি তার অন্যতম বড় উদাহরণ। আজ বিশ্বের ৫০ শতাংশ ডিজিটাল লেনদেন ভারতে হয় ইউপিআই-এর মাধ্যমে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “গত এক দশকে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হয়েছে এবং শীঘ্রই তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার দিকে দ্রুত এগোচ্ছে। আজ ভারত বিশ্বের অন্যতম দ্রুততম বৃদ্ধি পাওয়া উদীয়মান অর্থনীতি।”

    ভবিষ্যতমুখী পরিকাঠামো 

    প্রধানমন্ত্রী ভারতের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রসঙ্গে বলেন, দেশের পরিকাঠামো গঠনে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এবারের বাজেটে চালু হয়েছে নতুন ‘ম্যানুফ্যাকচারিং মিশন’, যার লক্ষ্য হলো ইলেকট্রনিক্স, তথ্যপ্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, বায়োটেকনোলজি এবং সবুজ উন্নয়ন খাতে উৎপাদনকে উৎসাহিত করা। মোদি বলেন, “আমরা সামুদ্রিক ও বন্দর উন্নয়নে জোর দিচ্ছি। জাহাজ নির্মাণ ও ভাঙাড়ি খাতেও নতুন নীতির কথা ভাবা হচ্ছে। অসামরিক বিমান চলাচল খাতেও দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে। উদ্ভাবন ভারতের অর্থনৈতিক শক্তির বড় স্তম্ভ হয়ে উঠেছে। আমাদের এক লক্ষেরও বেশি স্টার্টআপ শুধু স্বপ্ন নয়, সমাধান বিক্রি করছে।” উল্লেখ্য, রবিবার পাঁচ দিনের ত্রিদেশীয় সফরে রবিবার (১৫ জুন) সাইপ্রাসে (India-Cyprus CEO forum) পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাস হয়ে কানাডায় যাবেন তিনি। পরে সেখান থেকে যাবেন দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপীয় রাষ্ট্র ক্রোয়েশিয়ায়। সোমবার সাইপ্রাস থেকেই কানাডার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা মোদির। কানাডায় জি-৭ বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

  • PM Modi: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর প্রথমবার বিদেশ সফরে মোদি, যাবেন কানাডা সমেত ৩ দেশ

    PM Modi: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর প্রথমবার বিদেশ সফরে মোদি, যাবেন কানাডা সমেত ৩ দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর প্রথমবার বিদেশ সফরে যাচ্ছেন। আগামী ১৫ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত তিনি সাইপ্রাস, কানাডা এবং ক্রোয়েশিয়া সফর করবেন। সফরের মূল উদ্দেশ্য—কানাডায় জি-৭ সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং সাইপ্রাস ও ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করা।

    প্রথমবার কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সাইপ্রাস সফরে যাচ্ছেন

    বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ১৫ জুন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) সাইপ্রাসের রাজধানী নিকোসিয়া পৌঁছাবেন। এই দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডুলিডিসের আমন্ত্রণে এই প্রথমবার কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সাইপ্রাস সফরে যাচ্ছেন। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী মোদি বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতেও যোগদান করবেন। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে (Operation Sindoor), ভারত-সাইপ্রাস সম্পর্কের উন্নয়ন ছাড়াও এই সফর ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব জোরদার করার দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।

    সাইপ্রাস সফরের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি পৌঁছাবেন কানাডা

    সাইপ্রাস সফরের পর প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) পৌঁছাবেন কানাডা। ১৬ ও ১৭ জুন কানাডার কানানাস্কিস শহরে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনে তিনি অংশ নেবেন। খালিস্তান-সংক্রান্ত ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সম্প্রতি উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে এই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির আমন্ত্রণেই তিনি সেদেশে যাচ্ছেন। দুই নেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠক থেকেই ভারত-কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে।

    প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি ক্রোয়েশিয়া সফর করছেন

    ১৭ জুন কানাডা সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) রওনা হবেন ক্রোয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে। তিনিই হতে চলেছেন প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি ক্রোয়েশিয়া সফর করছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচের আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সফরের সময় মোদি ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় সংক্রান্ত সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

  • Army Day Parade: মিথ্যে খবরের ভিত্তিতে মোদিকে আক্রমণ কংগ্রেসের, মুখে ঝামা ঘষে দিল হোয়াইট হাউস

    Army Day Parade: মিথ্যে খবরের ভিত্তিতে মোদিকে আক্রমণ কংগ্রেসের, মুখে ঝামা ঘষে দিল হোয়াইট হাউস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) নিশানা করল কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ মোদি সরকারের সমালোচনা (Army Day Parade) করেন। ভারতের বৈশ্বিক মর্যাদা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    কংগ্রেসের পোস্ট (Army Day Parade)

    পোস্টে জয়রাম রমেশ লেখেন, “মোদি সরকার বলছে যে অপারেশন সিঁদুর এখনও চলছে, এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের মার্কিন সেনাবাহিনী দিবসে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা নিঃসন্দেহে এক গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। ট্রাম্প প্রশাসন বারবার এমন বার্তা দিচ্ছে যা শুধুমাত্র এই অর্থেই বোঝা যায় যে, আমেরিকা ভারত ও পাকিস্তানকে সমানভাবে দেখছে। প্রধানমন্ত্রী সদ্য এমন একটি প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়েছেন যারা সারা বিশ্বে আমেরিকা-সহ পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে। সেই মুহূর্তেই ওয়াশিংটন ডিসি থেকে এমন সংবাদ আসছে, যা ভারতের কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও অস্বস্তিকর করে তুলছে।” কংগ্রেসের এই নেতা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এখন উচিত নিজের একগুঁয়েমি এবং মর্যাদার ভাবনা সরিয়ে রেখে একটি সর্বদলীয় বৈঠক ও সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা, যাতে দেশ তার সম্মিলিত ইচ্ছা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারে এবং দেশের সামনে একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ উপস্থাপন করা যায়। দশকব্যাপী কূটনৈতিক অগ্রগতি যেন সহজে নষ্ট না হয় (Army Day Parade)।”

    মিথ্যে খবর!

    যদিও পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে আমেরিকা আমন্ত্রণ জানিয়েছে — এই খবরটি সর্বৈব মিথ্যে। কারণ হোয়াইট হাউস সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা কোনও বিদেশি সেনা কর্তাকে আমন্ত্রণ জানায়নি। হোয়াইট হাউসের এক কর্তা বলেন, “এটি মিথ্যে। কোনও বিদেশি সামরিক নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হওয়া সত্ত্বেও, রমেশ এই খবরের সত্যতা যাচাই করার প্রয়োজন মনে করেননি, যার ভিত্তিতে তিনি ভারতের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে খাটো করছিলেন। অবশ্য এই প্রথম (PM Modi) নয় যে, কংগ্রেসের কোনও নেতাকে মিথ্যে প্রচার করতে দেখা গেল। অতীতেও একাধিকবার কংগ্রেস নেতারা এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেছেন (Army Day Parade)।

  • PM Modi: অপারেশন সিঁদুরের পর এই প্রথম বিদেশযাত্রা, তিন দেশে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    PM Modi: অপারেশন সিঁদুরের পর এই প্রথম বিদেশযাত্রা, তিন দেশে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহের শেষের দিকে কানাডা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানে এবার আয়োজন করা হয়েছে জি৭ শীর্ষ সম্মেলনের (G7 Summit)। ভারত জি৭-এর সদস্য নয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমন্ত্রণ পেয়েছেন অতিথি দেশের প্রতিনিধি হিসেবে। কানাডা যাওয়া-আসার পথে আরও দুই দেশে পা রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। এই দেশগুলি হল সাইপ্রাস এবং ক্রোয়েশিয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সফর নানা দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের জেরে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায় ভারত। তারপর এটাই হবে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। খালিস্তানপন্থী ইস্যুতে ভারত-কানাডা সম্পর্ক ঠেকেছে তলানিতে। তারপর এই প্রথম কানাডায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৬-১৭ জুন কানাডার কানানাস্কিস সফর করবেন। এখানেই হবে জি৭ শীর্ষ সম্মেলন। এতেই যোগ দেবেন তিনি। এই সম্মলেন তিনি বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভারতের অবস্থান তুলে ধরবেন। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন।

    বিদেশ সফর শুরু (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এবারের বিদেশ সফর শুরু হবে ১৫ জুন, রবিবার। ১৫-১৬ জুন তিনি সফর করবেন সাইপ্রাস। ১৬-১৭ জুন তিনি যোগ দেবেন কানাডায় জি৭ সম্মেলনে। ১৮ জুন আনুষ্ঠানিক সফর করবেন ক্রোয়েশিয়া। তারপরেই দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত ও কানাডাকে উদ্দীপ্ত গণতন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, নয়াদিল্লির বিশ্বাস, জি৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর পার্শ্ববৈঠক মত বিনিময় এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের পথ অনুসন্ধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এনে দেবে।

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্রের বক্তব্য

    শনিবার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “গত সপ্তাহে আমাদের প্রধানমন্ত্রী কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে একটি ফোনকল পেয়েছিলেন। সেই আলাপচারিতায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি প্রধানমন্ত্রীকে জি৭ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান (G7 Summit)। আপনারা জানেন, সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করা হয়েছে (PM Modi)।”

  • Air India Plane Crash: আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে উচ্চ পর্যায়র কমিটি গঠন করল কেন্দ্র

    Air India Plane Crash: আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার তদন্তে উচ্চ পর্যায়র কমিটি গঠন করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেদাবাদ (Ahmedabad) বিমান দুর্ঘটনার (Air India Plane Crash) তদন্তে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠনের ঘোষণা করল ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। ১২ জুন আমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করা এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট এআই-১৭১ ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। আমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি)।

    বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন

    অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী রামমোহন নায়ডু জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (আইসিএও) নির্ধারিত আন্তর্জাতিক বিধি অনুসারে আমেদাবাদে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার তদন্ত হবে। বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা বিমান চলাচলে নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা থামানো নিয়েও কাজ করবে। শনিবার অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিশেষজ্ঞ কমিটি দুর্ঘটনার কারণ বিশ্লেষণ করবে এবং বর্তমানে থাকা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোসিডিউর (এসওপি) এবং নিরাপত্তা নির্দেশিকা পর্যালোচনা করবে। কমিটির প্রধান লক্ষ্য হবে ভবিষ্যতে এই ধরনের বিমান দুর্ঘটনা রোধে একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করা এবং সেই অনুযায়ী কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা। মন্ত্রক আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, এই কমিটি অন্যান্য সংস্থার পরিচালিত আনুষ্ঠানিক তদন্তের বিকল্প নয় বরং এটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং মূলত প্রতিরোধমূলক ও ব্যবস্থাপনাগত দিকগুলোতে আলোকপাত করবে।

    সক্রিয় সরকার

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং আমেদাবাদ (Ahmedabad) সিভিল হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। ইতিমধ্যে ৭০-৮০ জন চিকিৎসকের একটি দল মৃতদেহের পরিচয় শনাক্তকরণ এবং ময়নাতদন্তে নিয়োজিত রয়েছেন। এখন পর্যন্ত পাঁচজনের পরিচয় জানা গিয়েছে। এই দুর্ঘটনার কারণ নির্ধারণে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে। ফরেনসিক টিম ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করছে এবং অসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালাচ্ছে। মিলেছে অভিশপ্ত বিমানের ব্ল্যাক (Air India Plane Crash) বক্সের খোঁজ। জানা গিয়েছে, মেঘানিনগরের যে মেডিক্যাল হস্টেলের উপর এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং বিমানটি ভেঙে পড়েছিল সেই বিল্ডিংয়ের ছাদেই ব্ল্যাক বক্সের খোঁজ মিলেছে। যেটি উদ্ধার করেছে এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো বা এএআইবি টিম। মনে করা হচ্ছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের শেষপ্রান্তে থাকা কমলা রঙের এই ডিভাইসটি দুর্ঘটনার তদন্তে বেশ খানিকটা সহায়তা করতে পারে।

  • Indian social security: ২০১৫ সালে ছিল ১৯%, ২০২৫ সালে ৬৪%! সামাজিক সুরক্ষায় ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করল ভারত

    Indian social security: ২০১৫ সালে ছিল ১৯%, ২০২৫ সালে ৬৪%! সামাজিক সুরক্ষায় ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-এর আদর্শে চালিত হয়ে ভারত সামাজিক সুরক্ষায় (Indian social security) ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করল। সারা বিশ্বের পরিপ্রেক্ষিতেই এই সম্প্রসারণ উল্লেখযোগ্য। ইন্টার ন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (ILO)-এর আইএলওস্ট্যাটের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ভারতের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় থাকা জনসংখ্যা বেড়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) প্রকাশিত ‘বিশ্ব সামাজিক সুরক্ষা প্রতিবেদন’-এ উঠে এসেছে যে, ভারত সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রে এক বিশাল সাফল্য অর্জন করেছে। ২০১৫ সালে যেখানে মাত্র ১৯% জনসংখ্যা এই সুরক্ষার আওতায় ছিল, ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪.৩ শতাংশে। অর্থাৎ, বর্তমানে দেশের প্রায় ৯৪ কোটি মানুষ কোনো না কোনো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় রয়েছেন।

    উন্নত ভারতের দিকে এক ধাপ

    ভারতের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য বলেন, “বিশ্বের মধ্যে ভারতই সামাজিক সুরক্ষার (Indian social security) ক্ষেত্রে সবচেয়ে দ্রুত অগ্রগতি করেছে।” তিনি জানান, দেশে কোটি কোটি মানুষ আজ বিভিন্ন খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করছেন, যা সরকারের প্রতিশ্রুতি ও অন্তর্ভুক্তিকরণের উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করে। মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের ১১৩তম অধিবেশনে আইএলও-র ডিজি গিলবার্ট এফ. হৌংবো-র সঙ্গে দেখা করেন। সেখানে তিনি বলেন, “গত ১১ বছরে মোদি সরকার দরিদ্রদের জন্য একাধিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করেছে।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জাতীয় স্তরে সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ করার বিষয়েও আইএলও-র ডিজিকে অবহিত করেন। আইএলও-র সঙ্গে সমন্বয় রেখে সরকার এই তথ্য সংগ্রহ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছে আইএলও?

    রাষ্ট্রপুঞ্জের অধীনে কর্মরত এই সংস্থা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শ্রম অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ওপর কাজ করে। তারা ৯টি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাটাগরিতে সামাজিক সুরক্ষা কভারেজ মূল্যায়ন করে থাকে — যার মধ্যে রয়েছে বেকার ভাতা, পরিবার ও শিশু সুরক্ষা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা, বার্ধক্য ভাতা, কর্মসংস্থানকালীন দুর্ঘটনা ভাতা, মাতৃত্ব ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, অসুস্থতা ভাতা এবং মৃত ব্যক্তির পরিবারের জন্য সুবিধা। আইএলও (ILO)-র স্বীকৃতি পেতে হলে, কোনো দেশের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পকে আইনি স্বীকৃতি, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং গত তিন বছরের রিপোর্ট পেশ করতে হয়। এইসব প্রয়াসের উল্লেখ করে আইএলও ভারতের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং নিজের ড্যাশবোর্ডে সরকারিভাবে জানিয়েছে যে, ভারতের জনসংখ্যার ৬৪.৩% অর্থাৎ ৯৪ কোটির বেশি মানুষ বর্তমানে অন্তত একটি সামাজিক সুরক্ষা সুবিধার আওতায় আছে। ২০১৫-য় এই হার ছিল মাত্র ১৯%। সুবিধাপ্রাপকের হিসাব অনুসারে ভারত এখন বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে। প্রায় ৯৪ কোটি নাগরিক সামাজিক সুরক্ষার (Indian social security) আওতায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গরীব এবং শ্রমিক শ্রেণীর জন্য কল্যাণকর নীতির ওপর ভারতের গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টির প্রশংসা করেছেন আইএলও-র ডিজি।

    ভারতের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

    ভারত সরকার ‘আয়ুষ্মান ভারত’, ‘ই-শ্রম পোর্টাল’, ‘প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনা’, ‘অটল পেনশন যোজনা’সহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের খাদ্য, স্বাস্থ্য ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এসব প্রকল্প দেশের গরিব ও প্রান্তিক জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আইএলও (ILO) প্রাথমিকভাবে ৪৮.৮% কভারেজ মূল্যায়ন করেছে। তারা জানিয়েছে, এটি এখনো অসম্পূর্ণ। এখনো দ্বিতীয় পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ বাকি রয়েছে। যখন তা সম্পূর্ণ হবে, তখন ভারতের সামাজিক সুরক্ষা কভারেজ ১০০ কোটিরও বেশি নাগরিককে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

    ডিজিটাল শক্তি ও স্বচ্ছতার দিকেও জোর

    ২০২৫ সালের ১৯ মার্চ কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক ভারতের সামাজিক সুরক্ষা তথ্য সংকলনের প্রথম পর্যায় চালু করে। এই পর্যায়ে উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, ওডিশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক ও গুজরাট রাজ্যের কেন্দ্রীয় ও নারী-কেন্দ্রিক প্রকল্পভুক্ত উপভোক্তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। মন্ত্রী মাণ্ডব্য বলেন, “ভারত ২০২৫ সালে বিশ্বের প্রথম দেশ, যারা তাদের সামাজিক সুরক্ষা কভারেজ ডিজিটাল মাধ্যমে নথিভুক্ত করেছে। এটি ডিজিটাল প্রযুক্তির শক্তি এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পে স্বচ্ছতা বৃদ্ধির প্রতিফলন।” এই উল্লেখযোগ্য সাফল্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং সামাজিক সুরক্ষা পরিমণ্ডল তৈরি করতে সরকারের লাগাতার প্রয়াসের প্রমাণ, বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

     

     

     

  • PM Modi: আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন মোদির, গেলেন হাসপাতালেও

    PM Modi: আমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন মোদির, গেলেন হাসপাতালেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিমান দুর্ঘটনার ভয়াবহতা নিজের চোখে দেখতে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার যেখানে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ভেঙে পড়ে, শুক্রবার সকালে আমেদাবাদ বিমানবন্দরে পৌঁছেই সরাসরি সেখানে যান প্রধানমন্ত্রী। প্রায় ২০ মিনিট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। এরপরেই প্রধানমন্ত্রী রওনা হন আমেদাবাদের কমান্ড হাসপাতালে, এখানেই বিমান দুর্ঘটনায় আহত ২৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতদের মধ্যেই রয়েছেন এয়ার ইন্ডিয়ার ওই অভিশপ্ত বিমানের একমাত্র জীবিত যাত্রী। শুক্রবারই সমাজমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “আমেদাবাদের বিমান দুর্ঘটনায় আমরা সকলে বিপর্যস্ত। এই ভাবে হঠাৎ এত মানুষের প্রাণহানি হৃদয়বিদারক এবং ভাষায় প্রকাশের মতো নয়।”

    সিভিল হাসপাতালে আহতদের দেখলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পরে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছান আমেদাবাদের সিভিল হাসপাতালে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এবং অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী রামমোহন নায়ডু। হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের একমাত্র জীবিত যাত্রী বিশ্বাসকুমার রমেশও সেখানেই চিকিৎসাধীন (Ahmedabad Plane Crash Site)। শুক্রবারই আমেদাবাদে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনই দুর্ঘটনায় মৃত গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি পরিবারের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে তাঁর। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী নিজে পোস্ট করে জানান, প্রিয়জনকে হারানোর কষ্ট এবং এই অপূরণীয় ক্ষতি বহু বছর ধরে তাঁরা অনুভব করবে সে কথা বুঝতে পারছি।

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) পরিদর্শন

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুরেই আমেদাবাদে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। শুক্রবার সকালেই আমেদাবাদ পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী মোদি। বিমানবন্দরে তাঁকে আনতে যান গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেল, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিআর পাতিল এবং রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাঙ্ঘভি। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী উদ্ধার ও ত্রাণ পরিস্থিতির বিষয়েও বিশদে খোঁজ খবর নেন (Ahmedabad Plane Crash Site)। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই আমেদাবাদে ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ২ পাইলট, ১০ কেবিন ক্রু-সহ মোট ২৫২ জন ছিলেন। বহু মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। টেক অফের কিছুক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়া বিমান। মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলের ছাদে ভেঙে পড়ে বিমানটি। এর ফলে, অনেক জাক্তারি পড়ুয়াও নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • PM Modi: “এটা সামাজিক মাধ্যম, আপনি একে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না,” ইউনূসকে সটান জবাব মোদির

    PM Modi: “এটা সামাজিক মাধ্যম, আপনি একে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না,” ইউনূসকে সটান জবাব মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, আপনি একে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।” বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যাবর্তনের প্রশ্নে মহম্মদ ইউনূসকে (Md Yunus) নাকি এই ভাষায়ই জবাব দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইউনূস চেয়েছিলেন, ভারতে আশ্রয় নেওয়া প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনলাইন ভাষণগুলো যেন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    কী বললেন ইউনূস? (PM Modi)

    প্রবল আন্দোলনের জেরে গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। পরে লন্ডনের চ্যাথাম হাউসে ভাষণ দেওয়ার সময় ইউনূস জানান, ভারত তাঁর অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করায় তিনি হতাশ। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেন,  “আমি যখন প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাই, তখন আমি শুধু তাঁকে এটুকুই বলেছিলাম — আপনি যদি ওঁকে আশ্রয় দেন, আমি আপনাকে সেই নীতিতে পরিবর্তন আনতে বাধ্য করতে পারি না। কিন্তু দয়া করে আমাদের সহায়তা করুন যাতে উনি যেভাবে বাংলাদেশিদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছেন, তা বন্ধ করা যায়।” তিনি জানান, এর জবাবেই নাকি মোদি দৃঢ়ভাবে বলেন, “এটা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম —আপনি এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।”

    পরিস্থিতিকে বিস্ফোরক আখ্যা

    অসন্তুষ্ট ইউনূস এই পরিস্থিতিকে বিস্ফোরক বলে অভিহিত করেন। তাঁর দাবি, হাসিনার বক্তব্যগুলো বাংলাদেশে অস্থিরতা উসকে দিচ্ছে। তবে নয়াদিল্লিকে ডিজিটাল অভিব্যক্তি নিয়ন্ত্রণের ডাক দেওয়ায় তিনি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে থাকা কর্মী এবং আঞ্চলিক বিশ্লেষকদের ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইউনূস। তাঁরা এটিকে এমন একটি সরকারের বিপজ্জনক ক্ষমতার অপপ্রয়োগ হিসেবে দেখছেন, যে সরকার ইতিমধ্যেই শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করেছে এবং একটি অস্থায়ী সরকারের ছদ্মবেশে বিরোধী কণ্ঠ দমন করতে চাইছে (PM Modi)।

    মোদির সাফ কথা

    ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়লেও সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রচার বন্ধে হস্তক্ষেপ না করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির দৃঢ় অবস্থান ভারতের সাংবিধানিক স্বাধীনতা এবং ডিজিটাল অধিকার রক্ষায় তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতিই তুলে ধরে। যখন বিশ্বের বিভিন্ন কর্তৃত্ববাদী সরকার মতপ্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞাকে প্রতিবাদ দমন করার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে, তখন ভারতে আশ্রয় নেওয়া এক বিদেশি নেতার রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধ না করার সিদ্ধান্ত স্পষ্ট বার্তা দেয় – গণতান্ত্রিক নীতিগুলির সঙ্গে কোনওভাবেই আপস করা হবে না (Md Yunus)।

    নয়াদিল্লির সন্দেহের তালিকায় ইউনূস

    ভারতের অবস্থান ইউনূসের কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার সম্পূর্ণ বিপরীত। ক্ষমতায় আসার পর থেকে নোবেলজয়ী থেকে রাজনীতিক হয়ে ওঠা ইউনূস একটি ক্রমবর্ধমান দমনমূলক প্রশাসন পরিচালনা করছেন। তাঁর অস্থায়ী সরকার রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, বিরোধীদের বিরুদ্ধে আইনি বিচার শুরু করেছে, এমনকি হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে। পুরো ঘটনাপ্রবাহকে সন্দেহের চোখে দেখছে নয়াদিল্লি, বিশেষ করে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রাজনীতিকরণের পটভূমিতে (PM Modi)।

    ইউনূসের চিন প্রীতি

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ইউনূসের আবেদন — হাসিনার ডিজিটাল কার্যকলাপ বন্ধ করার জন্য – ভারতের প্রতি বৃহত্তর শত্রুতার একটি অংশমাত্র। সম্প্রতি চিন সফরে গিয়ে তিনি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে “স্থলবেষ্টিত” আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশকে “সাগরের রক্ষক” ঘোষণা করায় ভারতে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। ইউনূস বলেন, “ভারতের পূর্বাঞ্চল, যা সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত, তা স্থলবেষ্টিত। তাদের সাগরে কোনও প্রবেশাধিকার নেই। আমরা এই অঞ্চলের একমাত্র সাগরের রক্ষক।” বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউনূসের এই ধরনের বক্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে বাংলাদেশ ভূগোলকে কাজে লাগিয়ে ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত বঙ্গোপসাগরীয় প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। ইউনূসের এহেন মন্তব্যকে অনেকেই প্রচ্ছন্ন হুমকি হিসেবে দেখছেন (Md Yunus)।

    ভারতের প্রতি এই প্রচ্ছন্ন হুমকি!

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এবং অন্যান্য আঞ্চলিক নেতারা ইউনূসের এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেন। তাঁরা একে উসকানিমূলক এবং পড়শি কূটনীতির চেতনার বিরুদ্ধে বলে অভিহিত করেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইউনূসের চিনের প্রতি আকর্ষণ এবং ভারতের প্রতি এই প্রচ্ছন্ন হুমকি একটি বিপজ্জনক কৌশলগত মোড় নির্দেশ করে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতাকে বিঘ্নিত করতে পারে (PM Modi)। ইউনূস চাইছেন ভারত মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সেন্সরশিপ চালু করুক। যেমনভাবে তাঁর নিজের দেশেই তিনি দমন করেছেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। তাঁর অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে, বিশেষ করে সংখ্যালঘু হিন্দু এবং বিরোধী দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে। আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, দমন করা হয়েছে সংখ্যালঘুদের কণ্ঠস্বরকে, সর্বক্ষণ চাপের মধ্যে রয়েছে সে দেশের গণমাধ্যম (PM Modi)।

LinkedIn
Share