Tag: PM Modi

PM Modi

  • Army Day 2026: “ভারতীয় সেনার সাহস-বীরত্বে গর্বিত দেশ”, সেনা দিবসে বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির

    Army Day 2026: “ভারতীয় সেনার সাহস-বীরত্বে গর্বিত দেশ”, সেনা দিবসে বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Army Day 2026) নিষ্ঠা ও সাহসিকতা প্রতিটি ভারতীয়ের জন্য গর্বের বিষয়। দেশ রক্ষায় সেনাবাহিনীর অবদান অতুলনীয়। সেনা দিবসে ভারতীয় বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ, ১৫ জানুয়ারি, দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে সেনা দিবস। এই বিশেষ দিনে ভারতীয় সেনার জওয়ান, প্রাক্তন সেনাকর্মী ও তাঁদের পরিবারবর্গকে শুভেচ্ছা জানালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    সেনাবাহিনীর সাহস, বীরত্ব ও আত্মত্যাগ প্রশংসনীয়

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Army Day 2026) সাহস, বীরত্ব ও আত্মত্যাগের প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ সেনা দিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ বার্তা শেয়ার করেন। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, “দুর্গম পাহাড় থেকে তুষারাবৃত শৃঙ্গ পর্যন্ত ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাহস ও বীরত্ব দেশকে গর্বিত করে। সীমান্তে মোতায়েন সৈন্যদের প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।” তিনি বলেন, ভারতীয় সেনাবাহিনী নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক, এবং সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতেও তারা মাতৃভূমি রক্ষায় অটল থাকে। প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন, সৈন্যদের শৃঙ্খলা, সাহস এবং দৃঢ় সংকল্প দেশজুড়ে নিরাপত্তা ও আত্মবিশ্বাসের অনুভূতিকে আরও দৃঢ় করে। তিনি বার্তায় দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারকারী সাহসী সৈন্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বলেন, জাতি সর্বদা এই বীরদের সম্মান ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।

    প্রতি বছর ১৫ জানুয়ারি সেনা দিবস

    ভারতে প্রতি বছর ১৫ জানুয়ারি সেনা দিবস (Army Day 2026) পালিত হয়। এই দিনটি ভারতীয় সামরিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে স্মরণ করে। ১৯৪৯ সালের এই দিনে ফিল্ড মার্শাল কেএম কারিয়াপ্পা ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম ভারতীয় কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেদিনের স্মৃতিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বীরত্ব, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানানো হয়। দেশজুড়ে সেনা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সামরিক কেন্দ্রে বিশেষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এসব অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি, শৃঙ্খলা ও ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। শহিদ সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং সাহসিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে দেশপ্রেম ও দেশভক্তির চেতনা জাগ্রত করা হয়।

    ঐক্য, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতীয় সেনা অবিচল

    সেনা দিবস (Army Day 2026) উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, দেশের ঐক্য, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় ভারতীয় সেনা অবিচলভাবে কাজ করে চলেছে। তিনি বলেন, সেনা জওয়ানরা শুধু সীমান্ত সুরক্ষাই করেন না, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও মানবিক সংকটের সময়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাষ্ট্রপতির কথায়, সেনার ‘নেশন ফার্স্ট’ মনোভাব প্রতিটি ভারতবাসীকে অনুপ্রাণিত করে। উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণন ভারতীয় সেনার সাহসী অফিসার, জওয়ান ও প্রাক্তন সেনাকর্মীদের কুর্নিশ জানান। এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি বলেন, দেশের সুরক্ষায় সেনাদের অটল সাহস, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ প্রতিটি নাগরিককে অনুপ্রাণিত করে। তিনি আরও বলেন, জাতি তাঁদের নিঃস্বার্থ সেবা ও দেশের ঐক্য-অখণ্ডতার প্রতি অঙ্গীকারকে সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করে। কর্তব্যপালনের পথে যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, সেই বীর শহিদদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান উপরাষ্ট্রপতি।

  • PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    PM Modi: ১৭ জানুয়ারি আসছেন প্রধানমন্ত্রী, সাজো সাজো রব মালদায়, সেজে উঠছে স্টেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ জানুয়ারি ফের পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ওইদিনই মালদায় যাবেন নরেন্দ্র মোদি। সেখান থেকেই দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই নতুন ট্রেন সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। তাঁর সফরের আগে নয়া রূপে সেজে উঠেছে মালদা টাউন স্টেশন চত্বর। দিনরাত ধরে চলছে কাজ। মালদা টাউন স্টেশনকে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার কাজও (Vande Bharat Sleeper) চলছে জোরকদমে। স্টেশনে ঢোকার মুখে রয়েছে একটি বিশাল পার্ক। এই পার্কেই বসানো হয়েছে ফাইবারের তৈরি শ্রীচৈতন্য দেবের মূর্তি।

    সাজানো হয়েছে পার্ক (PM Modi)

    বাঁকুড়ার বিখ্যাত পোড়ামাটির ঘোড়া আর নানা ধরনের মূর্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে পার্কটি। এলাকার সমস্ত রাস্তায় নতুন করে পিচের প্রলেপ পড়েছে। পুরো এলাকা সাজানো হচ্ছে আলো দিয়ে। পার্কের কাজ শেষ করতেও ঘাম ঝরাচ্ছেন শ্রমিকরা। মালদা টাউন স্টেশনের ১ ও ২ নম্বর প্লাটফর্মে গিয়ে দেখা গেল, সেখানেও কাজ চলছে। দুটি প্লাটফর্মের মেঝের বেশ কিছু জায়গায় টাইলস পাল্টানো হচ্ছে। কোথাও আবার পড়েছে রংয়ের প্রলেপ। সামনে দাঁড়িয়ে কাজকর্ম তদারকি করছেন রেলকর্তারা। রেল সূত্রে খবর, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে মালদায় পৌঁছে যাবে বন্দে ভারত স্লিপারের দুটি রেক। সেগুলি দাঁড়াবে ১ ও ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে (PM Modi)। সেই কারণে ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত এই দুই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনও ট্রেন চলাচল করবে না। পূ্র্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসরাজ মাজি বলেন, “ইতিমধ্যেই কাটিহার থেকে বন্দে ভারত স্লিপার মালদার দিকে আসতে শুরু করেছে। এলেই জানিয়ে দেব।” ১৭ জানুয়ারি বন্দে ভারত স্লিপারের (Vande Bharat Sleeper) উদ্বোধন। তার ঠিক আগের দিনই মালদায় এসে পৌঁছবেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    মালদায় প্রধানমন্ত্রী

    ১৭ তারিখেই মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর এই সফর ঘিরে চূড়ান্ত ব্যস্ততা। পুরাতন মালদা বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় নানা প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। মালদা টাউন স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের নিজস্ব ফাঁকা লক্ষ্মণ সেন স্টেডিয়ামে তৈরি হচ্ছে অস্থায়ী হেলিপ্যাড। জানা গিয়েছে, ১৭ জানুয়ারি দুপুর ২টো নাগাদ প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে সেখানে পৌঁছবেন। সেখান থেকে সড়কপথে আসবেন মালদা টাউন স্টেশনে। সড়ক পথের পুরো রাস্তাটিতে পিচের প্রলেপ পড়তে শুরু করেছে। দফায় দফায় এলাকা পরিদর্শন করছেন মালদা ডিভিশনের রেল কর্তারা।

    রেলের বক্তব্য

    পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার মণীশকুমার গুপ্তা বলেন, “১৭ জানুয়ারি মালদায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন স্লিপার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কোনও নির্দেশিকা আমাদের কাছে এসে পৌঁছয়নি।” জানা গিয়েছে, ওই দিন সবুজ পতাকা নেড়ে মালদা টাউন স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী সূচনা করবেন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। শুধু তাই নয়, সেখান থেকে ফরাক্কা পর্যন্ত তিনি ওই ট্রেনে সফরও করবেন। ট্রেনে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হবে এক ঝাঁক খুদে পড়ুয়া (Vande Bharat Sleeper)। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফর করার সুযোগ কারা পাবে, তাদের বেছে নিতে শুক্রবার থেকে মালদার বেশ কয়েকটি স্কুলে ছবি আঁকা, লেখার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন স্কুল থেকে প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া পড়ুয়াদের নিয়ে আবার প্রতিযোগিতা হবে জেলাস্তরে। সেখানেই সফল হওয়া ৩০ পড়ুয়াকে বেছে নেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে (PM Modi)।

    একগুচ্ছ ট্রেনের উদ্বোধন

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি সরাসরি যুক্ত করবে গুয়াহাটি-উত্তরবঙ্গ-কলকাতাকে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, প্রথম ভাণ্ডে ভারত স্লিপার চলবে হাওড়া-মালদা টাউন-নিউ জলপাইগুড়ি-নিউ কোচবিহার-নিউ বঙ্গাইগাঁও-গুয়াহাটি (কামাখ্যা) রুটে। অর্থাৎ উত্তরবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোর মধ্যে এবার আরও দ্রুত সংযোগ তৈরি হবে। এতেই শেষ নয়, একই দিনে প্রধানমন্ত্রী মোট ছ’টি নতুন ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে নিউ জলপাইগুড়ি-নাগেরকোইল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, নিউ জলপাইগুড়ি-তিরুচিরাপল্লি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-বেঙ্গালুরু (SMVT) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, আলিপুরদুয়ার-মুম্বই (পানভেল) অমৃত ভারত এক্সপ্রেস, রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস, বালুরঘাট-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী বাছাই শুরু

    রেলের তরফে জেলার ১৮টি স্কুলে প্রতিযোগিতার নির্দেশাবলি পৌঁছে গিয়েছিল আগেই। তার পরেই শুরু হয় প্রতিযোগিতা। মালদার ঐতিহ্যবাহী বার্লো বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা দীপশ্রী মজুমদার বলেন, “রেলের তরফে আমাদের চিঠি দিয়ে প্রতিযোগিতাগুলি আয়োজন করার জন্য বলা হয়েছে।” শুক্রবার জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যে সব স্কুল পড়ুয়ারা বন্দে ভারতে সফর করবেন, তাদের বেছে নেওয়া হবে তিন ধরনের প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। ছবি আঁকা, সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা এবং প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে বলা হয়েছিল। আমরা স্কুলের জুনিয়র ও সিনিয়র ছাত্রীদের মধ্যে পৃথক দুটি ভাগে প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিলাম।” প্রতিযোগিতার বিষয় হিসেবে বিকশিত ভারত, বিকশিত বাংলা, নেক্সট জেনারেশন ট্রেন এবং আত্মনির্ভর ভারত ইত্যাদি বিষয় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মালদা অক্রুরমণি করোনেশন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক অজয়কৃষ্ণ রায় বলেন, “রেলের তরফে পড়ুয়াদের ছবিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে (Vande Bharat Sleeper)। স্কুলের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয়দের বক্তৃতার ভিডিও-ও করা হয়েছে (PM Modi)।”

  • Sukanta Majumdar: “মোদি ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন”, আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “মোদি ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন”, আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মোদি (PM Modi) ক্ষণজন্মা, তাঁর কথা শুনুন। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে সিঙ্গুরে টাটারা ফিরবেই।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভার আমন্ত্রণপত্র বিলি করতে গিয়ে কথাগুলি বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার সেই সভাস্থল পরিদর্শন করেন সুকান্ত। সেখান থেকে তিনি যান সাহানাপাড়া গ্রামে। বিলি করেন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র। সিঙ্গুর থেকে টাটা বিদায় নেওয়ার পর এই প্রথম সেখানে সভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। সিংহরভেড়ি মৌজায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারের মাঠে হবে সভা।

    তৃণমূলকে নিশানা (Sukanta Majumdar)

    সিঙ্গুরের মাটিতে টাটার শিল্প না হওয়ায় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে দায়ী করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “বিজেপি সরকার আসুক। এখানে টাটারা ফিরবে। আমরা জানি, কীভাবে করতে হয়। আমরা উত্তরপ্রদেশে ডিফেন্স করিডর করছি। ভারতের দুটো বড় করিডরের একটা উত্তরপ্রদেশে, আর একটা হয়েছে তামিলনাড়ুতে।” তৃণমূলের আন্দোলনের জেরে সিঙ্গুর থেকে পাততাড়ি গুটিয়ে ভিন রাজ্যে চলে গিয়েছেন টাটারা (Sukanta Majumdar)। পরে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর সেখানকার জমি ফিরে পেয়েছেন কৃষকরা। তবে সেই জমি আর আবাদযোগ্য নয়। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাল্লায় পড়লে নাকও যাবে, নরুনও যাবে। তিনি শুধু নিজের পরিবারের কথা ভাবেন, বাকি কারও জন্য ভাবেন না। প্রধানমন্ত্রীর সভায় আসার জন্য আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি (PM Modi)।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “তিনি (নরেন্দ্র মোদি) ক্ষণজন্মা। এমন মানুষ কম জন্মান। গোটা ভারতকে তিনি যেভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তা শ্রদ্ধা জাগায়। তাঁর বক্তব্য শুনতে সবার আসা উচিত। তৃণমূলের লোকেদেরও আসা উচিত। তবে তাদের সৎ বুদ্ধি হবে।”

    মুখ্যমন্ত্রী চান না, শিল্প হোক

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়ে সুকান্ত বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে শিল্প নেই। কারণ মুখ্যমন্ত্রী চান না, শিল্প হোক। তিনি চান, মানুষ গরিব থাকুন, ঘুগনি বিক্রি করুন। তিনি ভাতা দেবেন, আর সেই ভাতার টাকায় ছোলা কিনবেন বউকে বলবেন ঘুগনি বানাতে, আপনি ঘুগনি বিক্রি করবেন আর মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোরা কোটিপতি হবে। ওঁর পরিবার ভালো থাকবে। এই কলঙ্ক সিঙ্গুরের মাথা থেকে ঘোচানোর (PM Modi) কাজ করবে ভারতীয় জনতা পার্টি।  টাটা-সহ অন্য শিল্পপতিদের এখানে নিয়ে এসে শিল্প করে দেখাব (Sukanta Majumdar) আমরা।”

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, চৌত্রিশ বছরে বামেদের দুর্গ নাড়াতে সিঙ্গুরের এই আন্দোলন ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। বামফ্রন্ট সরকার তৎকালীন সময়ে এই সিঙ্গুরে টাটা ন্যানোর কারখানা তৈরি করবে বলে কৃষকদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করে। তবে সেই সময় বিরোধী নেত্রী থাকাকালীন বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জেরে শিল্প না করেই সিঙ্গুর থেকে চলে যেতে হয় টাটাদের (Sukanta Majumdar)।

     

  • PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক ছেড়ে নয়া কার্যালয়ে স্থানান্তরিত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) ছিল এখানেই। সেখান থেকেই পাততাড়ি গুটিয়ে সরে যাচ্ছে পিএমও। জানা গিয়েছে, ১৪ জানুয়ারি (মকর সংক্রান্তি)-র পর প্রধানমন্ত্রী, তাঁর দফতর, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট নিয়ে নতুন সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে কাজ শুরু করতে পারেন।

     সেবা তীর্থ (PM Modi)

    রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে দারা শিকো রোডে (পূর্বতন ডালহৌসি রোড) কেন্দ্রীয় সরকারের সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ বা সেবা তীর্থ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেই ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট নতুন কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হয়েছে। খুব শীঘ্রই সেখানে যাবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট। সবশেষে, মকর সংক্রান্তির পর প্রধানমন্ত্রী নিজেও নতুন দফতরে গিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।  সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে পিএমও, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং এনএসসিএস—তিনটি আলাদা ভবন রয়েছে। আগে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রাঙ্গন থেকে কাজ করত, আর এনএসসিএসের দফতর ছিল পার্লামেন্ট স্ট্রিটের সর্দার প্যাটেল ভবনে (PM Modi)।

    নতুন সরকারি বাসভবন

    এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-১-এর কাছেই নির্মাণ কাজ চলছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন সরকারি বাসভবনের, যা এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-২ নামে পরিচিত (PMO)। সূত্রের দাবি, নতুন পিএমও ভবনের অধিকাংশ অফিস আধুনিক ওয়ার্কস্পেসের আদলে তৈরি, ঠিক যেমন সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে নির্মিত কার্তব্য ভবনগুলিতে দেখা গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত কক্ষগুলি তুলনামূলকভাবে আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে সাজানো হয়েছে। এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছে লারসেন অ্যান্ড টুব্রো। কেন্দ্রীয় গণপূর্ত দফতর জানিয়েছিল, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর এই প্রকল্পের বরাত দেওয়া হয় (PM Modi)। ব্যয় ধরা হয়েছিল ১,১৮৯ কোটি টাকা, যা প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় ১০.৪৪ শতাংশ কম। নির্মাণের সময়সীমা ধরা হয়েছিল ২৪ মাস।

    সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি বা চূড়ান্ত ব্যয় সম্পর্কে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক কিংবা সিপিডব্লুডি আর বিশেষ তথ্য প্রকাশ করেনি। এ বিষয়ে পাঠানো প্রশ্নের কোনও জবাবও মেলেনি (PMO)। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমল থেকে সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। ১৯২০-৩০-এর দশকে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত নর্থ ও সাউথ ব্লক ছিল কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের মূল ভবন। সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের আওতায় এই দুই ঐতিহাসিক ভবনকে জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হবে, যাতে প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষ রাইসিনা হিলের এই লাল বেলেপাথরের ভবনগুলি ঘুরে দেখতে পারেন। ইতিমধ্যেই নর্থ ব্লকের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রক সরে যাওয়ার পর, সাউথ ব্লকের সংস্কারের জন্যও টেন্ডার ডাকা হয়েছে। ভবন খালি হলেই কাজ শুরু হবে (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ঘোষিত সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নয়া সংসদ ভবন, উপরাষ্ট্রপতির এনক্লেভ এবং ১০টি নতুন কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ভবনের মধ্যে প্রথম তিনটি কর্তব্য ভবন নির্মিত হয়েছে (PMO)।

  • Germany: ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট সুবিধা চালু জার্মানির

    Germany: ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট সুবিধা চালু জার্মানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক যাত্রা আরও সহজ করতে ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের (Indian Passport) জন্য বড় ঘোষণা করল জার্মানি (Germany)। জার্মান বিমানবন্দর দিয়ে অন্য দেশে যাওয়ার সময় এখন থেকে ভারতীয় যাত্রীদের আর আলাদা করে ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে না। এই ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট সুবিধা ভারতীয় নাগরিকদের যাত্রা  আরও স্বচ্ছন্দ, দ্রুত এবং কম নথিপত্রনির্ভর করে তুলবে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের।

    ভারত-জার্মানি যৌথ বিবৃতি (Germany)

    সোমবার প্রকাশিত ভারত-জার্মানি যৌথ বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্ৎসের দু’দিনের ভারত সফর শেষে এই বিবৃতি প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য, এটি ছিল মার্ৎসের প্রথম ভারত সফর এবং ফেডারেল চ্যান্সেলর হিসেবে এশিয়ায় তাঁর প্রথম সরকারি সফর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে জার্মান বিমানবন্দর হয়ে যেসব ভারতীয় অন্য দেশে যাবেন, তাঁদের আর ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে না। এতে আন্তর্জাতিক যাত্রা আরও সুগম হবে বলেই আশা। এই ঘোষণার জন্য জার্মান (Germany) চ্যান্সেলর মার্ৎসকে ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ভারত-জার্মানির কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ “শুধু ভারতীয় নাগরিকদের যাতায়াত সহজ করবে না, বরং দুই দেশের মধ্যে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কও আরও গভীর হবে।” উভয় নেতাই (Indian Passport) সহমত পোষণ করেন যে, মানুষে-মানুষে সম্পর্কই ভারত-জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্বের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, দুই দেশই ছাত্র, গবেষক, দক্ষ পেশাজীবী, শিল্পী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান আদান-প্রদানকে স্বাগত জানিয়েছে। একই সঙ্গে জার্মানির অর্থনীতি, উদ্ভাবন ও সাংস্কৃতিক জীবনে ভারতীয় সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষা, গবেষণা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, সংস্কৃতি এবং যুব বিনিময় ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন দুই দেশের নেতৃত্ব (Germany)। আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন। নেতারা লক্ষ্য করেন, জার্মানিতে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে, যৌথ ও ডুয়াল ডিগ্রি কর্মসূচির পরিধি বাড়ছে এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। ভারতীয় ছাত্র ও স্নাতকদের জার্মানিতে চাকরির বাজারে সংযুক্ত করতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগকেও স্বাগত জানানো হয়। পাশাপাশি, আইআইটি ও জার্মান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে সহমত প্রকাশ করা হয়।

    দুই দেশই রাজি হয়েছে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি ভারত-জার্মানি যৌথ রোডম্যাপ তৈরি করবে। প্রধানমন্ত্রী জার্মানির (Indian Passport) শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ভারতের নতুন শিক্ষা নীতি (NEP)-র আওতায় ভারতে ক্যাম্পাস খোলার আমন্ত্রণও জানান (Germany)।

  • PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত (India) দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে।” ভাইব্র্যান্ট গুজরাট আঞ্চলিক সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রবিবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসাও করলেন তিনি। রাজকোটে আয়োজিত এই সম্মেলনকে তিনি ২১ শতকে ভারতের আত্মবিশ্বাসী অগ্রযাত্রার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে ভারত (PM Modi)

    সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত দ্রুতগতিতে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দিকে এগিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, ভারতের প্রতি বিশ্বের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কৃষি উৎপাদন নতুন রেকর্ড গড়ছে। দুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে।” ২০২৬ সালে গুজরাটে এটি তাঁর প্রথম সফর বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, বছরের শুরুতেই তিনি সোমনাথ মন্দিরে প্রার্থনার মাধ্যমে আধ্যাত্মিক অনুভূতি নিয়ে নতুন বছরের যাত্রা শুরু করেছেন। এরপর সৌরাষ্ট্র অঞ্চলে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সম্মেলনে অংশ নেন তিনি (PM Modi)।

    ভাইব্র্যান্ট গুজরাট

    গুজরাটের ঐতিহ্য ও উন্নয়নের সুষম সমন্বয়ের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই রাজ্য ভারতের সামগ্রিক উন্নয়নের একটি আদর্শ মডেল। যখনই ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সম্মেলনের আয়োজন দেখি, আমি শুধু একটি সম্মেলন দেখি না, আমি দেখি আধুনিক ভারতের ২১ শতকের যাত্রা। এই যাত্রা শুরু হয়েছিল একটি স্বপ্ন দিয়ে, আর আজ তা অটল আত্মবিশ্বাসে পৌঁছেছে। গত দুদশকে ভাইব্র্যান্ট গুজরাট একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১০টি সংস্করণ অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং প্রতিটি সংস্করণের সঙ্গে এই সম্মেলনের গুরুত্ব ও পরিচিতি আরও শক্তিশালী হয়েছে (India)।” প্রধানমন্ত্রী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশের প্রশংসাও করেন। বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাই অর্থনৈতিক গতি বজায় রাখতে এবং বিশ্বজুড়ে ভারতের প্রতি আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ভাইব্র্যান্ট গুজরাটের মতো মঞ্চ ভারতের বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের জন্য নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে সাহায্য করেছে (PM Modi)।”

    ভারত বিশ্বে এক নম্বরে

    ভারতের অগ্রগতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জেনেরিক ওষুধ উৎপাদনে ভারত বিশ্বে এক নম্বরে রয়েছে। বিশ্বের সর্বাধিক ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী দেশও ভারত। গত ১১ বছরে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ডেটা ব্যবহারকারী দেশে পরিণত হয়েছে। আমাদের ইউপিআই আজ বিশ্বের এক নম্বর রিয়েল-টাইম ডিজিটাল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম। ভারত বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী দেশ (India)। স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে আমরা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে। বেসামরিক বিমান পরিবহণের ক্ষেত্রেও ভারত তৃতীয় বৃহত্তম বাজার। মেট্রো নেটওয়ার্কের দিক থেকে আমরা বিশ্বের শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছি (PM Modi)।”

  • Somnath Swabhiman Parv: “ঐতিহাসিক ধর্মস্থলে আসতে পেরে আমি ধন্য”, সোমনাথ স্বাভিমানযাত্রায় অংশ নিয়ে জানালেন মোদি

    Somnath Swabhiman Parv: “ঐতিহাসিক ধর্মস্থলে আসতে পেরে আমি ধন্য”, সোমনাথ স্বাভিমানযাত্রায় অংশ নিয়ে জানালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমনাথ স্বাভিমান পর্বে (Somnath Swabhiman Parv) যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমনাথ মন্দিরের ইতিহাসের সঙ্গে ১ হাজার বছরের পুরাতন ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং ধর্মের আধ্যাত্মিকা জড়িয়ে রয়েছে। শনিবার গুজরাটের এই দ্বাদশলিঙ্গের এই মন্দিরে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। তাঁকে বিশেষভাবে স্বাগত জানান গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই ঐতিহাসিক ধর্মস্থলে আসতে পেরে আমি ধন্য।”

    ঐতিহাসিক মুহূর্ত (Somnath Swabhiman Parv)

    সোমনাথ মন্দিরে এই স্বাভিমান যাত্রায় (Somnath Swabhiman Parv) যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সোমনাথ মন্দির আমাদের সাহস এবং গর্বের প্রতীক। আজ এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ১০২৬ সালে প্রথমবার বিদেশি আক্রমণকারীরা প্রথম আক্রমণ করেছিল। আজ এই যাত্রার ১ হাজার বছর পূর্ণ হয়েছে। জয় সোমনাথ আজকের এই আগমন অত্যন্ত আনন্দদায়ক।”

    ৭২ ঘণ্টা ব্যাপি ওঁ মন্ত্র জপ

    প্রধানমন্ত্রী মোদি এই মন্দিরের ৭২ ঘণ্টা ব্যাপি ওঁ মন্ত্র ধ্যানেও যোগ দেন। গত ৮ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই ১০০০ বছরের ইতিহাসকে স্মরণ করা হবে। তবে আজকের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানিয়েছেন,  ১১ জানুয়ারি সকাল ৯ টা ৪৫ থেকে প্রধানমন্ত্রী এক শৌর্য যাত্রায় (Somnath Swabhiman Parv) যোগদান করেছেন। সোমনাথ মন্দিরের জন্য এখনও পর্যন্ত অগণিত ভক্ত নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের সকলের প্রতি যথার্থ সম্মান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই যাত্রায় ১০৮টি ঘোড়ার প্রতীক রূপে বিশেষ পদযাত্রা করবেন। এই যাত্রা বীরত্ব এবং আত্মত্যাগের প্রতীক। এরপর সকাল ১০টায় পুজো করেছেন। এরপর সকাল ১১টায় একটি জনসভায় ভাষণও দেন।

    অস্তিত্বকে মুছে যেতে দেওয়া হয়নি

    ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি ১০০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই দিনে ১০২৬ সালে গজনির সম্রাট সুলতান মামুদ আক্রমণ করেছিলেন। তাই এই দিন এক আক্রমণের ১০০০ বছর। তবে কালের প্রবাহে মুসলমান শাসক বার বার দেশের হিন্দু মন্দির বা ধর্মীয়স্থলগুলিকে টার্গেট করেছে। বারবার ভাঙা হয়েছে মন্দির। এমন কি কিছু কিছু জায়গায় মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরিও করা হয়েছে। এতবার আক্রমণ হলেও সোমনাথ কখনও মানুষের সম্মিলিত অস্তিত্বকে মুছে যেতে দেওয়া হয়নি। সোমনাথ কেবল মাত্র একটি পাথরের টুকরো নয়, বিশ্বাস আস্থা এবং গর্বের প্রতীক।

    আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি

    ১৯৫১ সালে সর্দার প্যাটেল এবং কেএম মুন্সীর উদ্যোগে মন্দিরটি পুনর্নির্মিত হয়, এটাই ছিল আধুনিক ভারতের সাংস্কৃতিক বিজয়ের শুরু। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ। ১৯৫১ সালে সোমনাথ মন্দিরের আধুনিকীকরণ করা হয়। ২০০১ সালে সেই আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং লালকৃষ্ণ আদবানি। আর ২০২৬ সালে ১৯৫১ সালের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের (Somnath Swabhiman Parv) ৭৫ বছর পূর্ণ হবে।

  • Russia: ইরান হয়ে রেলপথে ভারতকে জুড়ছে রাশিয়া! আমেরিকাকে ‘রামধাক্কা’ দিতেই কি ক্রেমলিনের হাতিয়ার ইস্পাত?

    Russia: ইরান হয়ে রেলপথে ভারতকে জুড়ছে রাশিয়া! আমেরিকাকে ‘রামধাক্কা’ দিতেই কি ক্রেমলিনের হাতিয়ার ইস্পাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন মেঘ না চাইতেই জল! আমেরিকার দাদাগিরি রুখতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করার চেষ্টা করছে রাশিয়া (Russia)। সেই কারণেই ইন্টারন্যাশনাল নর্থ–সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর (INSTC)-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ রাশত–আস্তারা রেলপথের কাজ দ্রুত শেষ করার ওপর জোর দিল ইরান ও রাশিয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই এই খবর মিলেছে।

    ইরান-রাশিয়া বৈঠক (Russia)

    সম্প্রতি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলি লারিজানি এবং রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ভিতালি সাভেলিয়েভের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। বৈঠকে উভয়পক্ষই আইএনএসটিসি করিডরকে আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করেন। ইরান স্পষ্টভাবেই জানিয়েছে, তারা করিডরটি সক্রিয় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আলি লারিজানি বলেন, “প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে থাকা সমস্ত বাধা দ্রুত দূর করা হবে।” তিনি আরও জানান, প্রয়োজনীয় আইনি ও পরিচালন সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত করা হবে, যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটি কার্যকর করা যায়।

    জমি অধিগ্রহণ

    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সরকার চলতি (Russia) ইরানি অর্থবর্ষের শেষ নাগাদ রাশত–আস্তারা রেলপথের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়েছে, যাতে প্রকল্পের অগ্রগতি থমকে না যায়। এদিকে, রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী ভিতালি সাভেলিয়েভ ইরানের এই দৃঢ় অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “রাশিয়া দ্রুত নির্মাণকাজ এগিয়ে নিতে এবং রেল প্রকল্প শুরু করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। একই সঙ্গে, আইএনএসটিসি করিডরের আওতায় সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির মধ্যে নিয়মিত সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়েও দুই দেশ একমত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০০০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রাশিয়া, ইরান ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি চুক্তির মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ–সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের ভিত্তি স্থাপন হয়। বর্তমানে আজারবাইজান, ভারত, ইরান, রাশিয়া ও তুরস্ক-সহ মোট ১৩টি দেশ এই চুক্তি অনুমোদন করেছে (Russia)।

    করিডরের মূল লক্ষ্য

    এই করিডরের মূল লক্ষ্য হল, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে, পাশাপাশি উত্তর ও পশ্চিম ইউরোপে পণ্য পরিবহণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো। বর্তমানে এই রুটে ভারতে পণ্য পৌঁছতে সময় লাগে ছ’সপ্তাহের মতো। তবে করিডরটি পুরোপুরি চালু হয়ে গেলে এই সময়সীমা কমে মাত্র তিন সপ্তাহে দাঁড়াবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। প্রসঙ্গত, নর্থ–সাউথ আন্তর্জাতিক পরিবহণ করিডরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে কাজভিন–রাশত রেলপথ চালু হয় ২০১৯ সালের ৬ মার্চ। এই রেলপথের মাধ্যমে আজারবাইজানের রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে ইরানের রেল যোগাযোগ সুগম হয়েছে। করিডরের পরবর্তী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ইরানের ভূখণ্ডে রাশত–আস্তারা রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    নর্থ–সাউথ করিডর

    ইরানের ভেতরে নর্থ–সাউথ করিডরের তিনটি প্রধান দিক রয়েছে। পূর্ব দিকটি তুর্কমেনিস্তান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে সংযুক্ত। মধ্য দিকটি কাস্পিয়ান সাগর অতিক্রম করে রাশিয়া ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। আর পশ্চিম দিকটি আজারবাইজান, জর্জিয়া, রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে (Russia)। এই প্রেক্ষাপটে, ২০২৩ সালের ১৭ মে রাশিয়া ও ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় গিলান প্রদেশে রাশত–আস্তারা রেলপথ নির্মাণ করা হবে। প্রায় ১৬৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেললাইনে মোট ৯টি স্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। রাশত–আস্তারা রেলপথ সম্পন্ন হলে নর্থ–সাউথ আন্তর্জাতিক করিডরের সক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে ইরানের রেল নেটওয়ার্ক ককেশাস অঞ্চলের দেশ, রাশিয়া এবং উত্তর ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে।

    রেলপথ নির্মাণে রাশিয়ার লগ্নি

    চুক্তি অনুযায়ী, এই রেলপথ নির্মাণে রাশিয়া প্রায় ১.৬ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগ করবে। প্রকল্পটি ৪৮ মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আঞ্চলিক বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ এবং ইউরেশীয় যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইরানের কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়ে যাবে। উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ পশ্চিমি দুনিয়ার চাপিয়ে দেওয়া নিষেধাজ্ঞায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছে রাশিয়া এবং ইরান। এর জেরে দিন দিন পঙ্গু হচ্ছে মস্কো ও তেহরানের অর্থনীতি। এই পরিস্থিতিতে পাল্টা প্রত্যাঘাতে ওয়াশিংটনের যাবতীয় ছক ভেস্তে দিতে পূর্বতন পারস্য দেশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ১৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ নির্মাণে নেমেছে পুতিন সরকার। এই রেলপথ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে নয়া রূপ দিতে পারে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের (Russia)।

  • Somnath Swabhiman Parv: ১০০০ বছরের লড়াই, ভারতের মর্যাদার প্রতীক! ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’-এ আজ গুজরাটে মোদি

    Somnath Swabhiman Parv: ১০০০ বছরের লড়াই, ভারতের মর্যাদার প্রতীক! ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’-এ আজ গুজরাটে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমনাথ মন্দিরে শুরু হয়েছে ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’ (Somnath Swabhiman Parv)। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে শনিবার যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে গুজরাটে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এরপরে মন্দিরে মন্ত্রোচ্চারণ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এর পরে রবিবার মন্দিরের তরফে আয়োজন করা ‘শৌর্য যাত্রা’ নামের এক শোভাযাত্রায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এর পরে মন্দিরে পুজো দিয়ে জনসভায় বক্তৃতা দেবেন তিনি। গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরের এই অনুষ্ঠান পালনের পিছনে রয়েছে এক ঐতিহাসিক কাহিনি। ১০২৬ খ্রিষ্টাব্দের জানুয়ারি মাসে গজনির সুলতান মামুদ এই সোমনাথ মন্দিরে আক্রমণ করেছিলেন। মূল্যবান মণিমানিক্য হাতিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভেঙে দেওয়া হয় মন্দিরটি। পরে ১৯৫১ সালে পুনরায় তৈরি করা হয়। সেই দুই ঘটনাকে স্মরণ করেই ঠিক ১০০০ বছর পরে ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব’ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব-এর ইতিহাস

    সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব (Somnath Swabhiman Parv) প্রসঙ্গে আগেই প্রধানমন্ত্রী মোদি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন, ‘সোমনাথ… এই নামটি শুনলেই আমাদের হৃদয় ও মনে এক গভীর গর্বের অনুভূতি জাগে। এটি ভারতের (India) আত্মার এক শাশ্বত ঘোষণা। এই মহিমান্বিত মন্দিরটি (Somnath Temple) ভারতের পশ্চিম উপকূলে গুজরাটের প্রভাস পত্তন নামক স্থানে অবস্থিত। দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ স্তোত্রে (Dwadasha Jyothirlinga Stotram) ভারতের বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের (12 Jyotirlingas) কথা উল্লেখ আছে। স্তোত্রটি শুরু হয়েছে “সৌরাষ্ট্রে সোমনাথং চ…” দিয়ে, যা প্রথম জ্যোতির্লিঙ্গ হিসেবে সোমনাথের সভ্যতাগত ও আধ্যাত্মিক গুরুত্বকে প্রতীকায়িত করে। এর অর্থ: শুধুমাত্র সোমনাথ শিবলিঙ্গের (Somnath Shivling) দর্শন করলেই মানুষ পাপমুক্ত হয়, তাঁর সৎ মনোবাঞ্ছা পূর্ণ হয় এবং মৃত্যুর পর স্বর্গ লাভ করে। দুর্ভাগ্যবশত, এই সেই সোমনাথ, যা লক্ষ লক্ষ মানুষের শ্রদ্ধা ও প্রার্থনা আকর্ষণ করত, তা বিদেশি আক্রমণকারীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিল, যাদের উদ্দেশ্য ছিল ধ্বংস, ভক্তি নয়।’

    সোমনাথ মন্দির-এর ইতিহাস

    সোমনাথ মন্দির (Somnath Temple) ভারতের প্রথম জ্যোতির্লিঙ্গ (first Jyotirlinga)। শাস্ত্র বলে, এই মন্দির কেউ প্রতিষ্ঠা করেনি। তা স্বয়ংম্ভূ। ভগবান শিবের অলৌকিক দ্যুতি প্রথম দেখা যায় সোমনাথেই। তাই এটি প্রথম দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ। হাজার বছরের মিথ, অলৌকিকতা, ভক্তি, বিশ্বাস, ঘটনাক্রম– সব মিলিয়ে অনন্য সোমনাথ মন্দির। এটা কোনও দিনই নিছক ধর্মীয় স্থান হিসেবে থেকে যায়নি। তা ভারতের জনজীবনকে নানা ভাবে ছুঁয়ে থেকেছে। স্কন্দপুরাণে এই মন্দিরের বিবরণ আছে। এ এক এমন জায়গা যেখানে ছিলেন স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ। সঙ্গে নিয়ে তাঁর ৫৬ কোটি যদুবংশী।

    সোমনাথ মন্দির আক্রমণ

    এখন থেকে ঠিক এক হাজার বছর আগে, ১০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথমবার আক্রান্ত হয়েছিল এই পবিত্র মন্দির। তারপর আরও অনেক বার তা আক্রান্ত হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার জেগে উঠেছে সোমনাথ মন্দির। ত্রয়োদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে সোমনাথ মন্দির বারবার ধ্বংস ও পুনর্নির্মিত হয়েছিল। সমসাময়িক বিবরণ অনুসারে, মন্দির রক্ষা করতে গিয়ে প্রায় ৫০,০০০ রক্ষক প্রাণ হারিয়েছিলেন। মামুদ পরবর্তীকালে মন্দিরটি লুণ্ঠন করেন এবং গর্ভগৃহ অপবিত্র করেন, লিঙ্গটিকে টুকরো টুকরো করে ভেঙে ফেলেন। ১২৯৯ খ্রিস্টাব্দে আলাউদ্দিন খিলজির সেনাপতি, ১৩৯৪ খ্রিস্টাব্দে মুজাফফর খান এবং ১৪৫৯ খ্রিস্টাব্দে মাহমুদ বেগদা এটি আক্রমণ করেন। এত কিছুর পরেও, এটি একটি হিন্দু মন্দির হিসেবেই ছিল, যতক্ষণ না ঔরঙ্গজেব ১৬৬৯ খ্রিস্টাব্দে এটি ভেঙে ফেলার, ১৭০২ খ্রিস্টাব্দে মেরামতের অযোগ্য করে ধ্বংস করার এবং ১৭০৬ খ্রিস্টাব্দে এটিকে মসজিদে রূপান্তরিত করার আদেশ দেন। রানি অহল্যাবাঈ হোলকার, এই পবিত্র ধারাবাহিকতাকে স্বীকৃতি দিয়ে, ১৭৮৩ সালে কাছেই একটি নতুন মন্দির তৈরি করেন। সোমনাথ মন্দির ভারতের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শক্তির প্রতীক। বিদেশি আক্রমণকারীদের পাশ কাটিয়ে, তাদের সকলকে একপাশে সরিয়ে, সেখানে আছেন ভগবান সোমনাথ, ভগবান শিব, যাঁর পুজো করে গুজরাট উপকূলের সমুদ্রের ঢেউও।

    ২০২৬ সাল তাৎপর্যপূর্ণ

    ২০২৬ সালটি সোমনাথ মন্দিরের (Somnath Temple) জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই মহান তীর্থস্থানে প্রথম আক্রমণের এক হাজার বছর পূর্ণ হচ্ছে। ১০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে গজনীর মামুদ এই মন্দির আক্রমণ করেছিলেন, একটি হিংস্র ও বর্বর আক্রমণের মাধ্যমে বিশ্বাস ও সভ্যতার এক মহান প্রতীককে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু শতাব্দী প্রাচীন সেই আঘাত ভারতের বিশ্বাসকে টলাতে পারেনি। ১৯৫১ সালে সর্দার প্যাটেল এবং কেএম মুন্সীর উদ্যোগে যখন মন্দিরটি পুনর্নির্মিত হয়, তা ছিল আধুনিক ভারতের সাংস্কৃতিক বিজয়ের শুরু। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ। ১০২৬ সালে প্রথমবার আক্রান্ত হয় সোমনাথ মন্দির। ১৯৫১ সালে সোমনাথ মন্দিরের আধুনিকীকরণ করা হয়। ২০০১ সালে সেই আধুনিকীকরণের ৫০ বছর পূর্তি হয়। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আদবানি। আর চলতি ২০২৬ সালের ১৯৫১ সালের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের ৭৫ বছর পূর্ণ হবে।

    শৌর্য-যাত্রায় প্রধানমন্ত্রী

    ১১ জানুয়ারি সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি শৌর্য যাত্রায় অংশ নেবেন। সোমনাথ মন্দির রক্ষায় যাঁরা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের সম্মানে এই আনুষ্ঠানিক শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। শৌর্য যাত্রায় বীরত্ব ও আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে ১০৮টি ঘোড়ার প্রতীকী শোভাযাত্রা থাকবে। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সোমনাথ মন্দিরে প্রার্থনা করবেন এবং ১১টায় সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় অংশ নেবেন। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এই পর্বের মাধ্যমে সোমনাথ মন্দির রক্ষায় আত্মত্যাগকারী অসংখ্য ভারতীয় নাগরিককে স্মরণ করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সাংস্কৃতিক চেতনাকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

  • India-US Trade Deal: মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের মন্তব্যকে প্রত্যাখান ভারতের, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অবিচল ভারত

    India-US Trade Deal: মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের মন্তব্যকে প্রত্যাখান ভারতের, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অবিচল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের মন্তব্যকে ভারত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য, দুই দেশের (India-US Trade Deal) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তিটি চূড়ান্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ব্যক্তিগতভাবে রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করেননি। আর এই ফোন করার তথ্য ভিত্তিহীন। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আলোচনার বিষয়ে লুটনিকের বর্ণনাকে সঠিক নয় বলে বর্ণনা করেছেন। তবে জয়সওয়াল জোর দিয়ে বলেন, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও আমেরিকা একাধিক দফায় আলোচনা চালিয়ে আসছে এবং বেশ কয়েকবার একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেও গিয়েছে। সবটাই একটা আলোচনার স্তরে রয়েছে। ভারত পারস্পরিক দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী।

    আলোচনার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল ভারত (India-US Trade Deal)

    সাপ্তাহিক সাংবাদিক সম্মেলনে, বিদেশ মুখপাত্র রণধীর জসওয়াল বলেন, “গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকেই ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকার (India-US Trade Deal) সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির জন্য আলোচনার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল। তখন থেকেই উভয় পক্ষ দেশের একটি ভারসাম্যপূর্ণ, পারস্পরিক উপকারী বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য একাধিক দফা আলোচনাও হয়েছে। বেশ কয়েকবার, আমরা একটি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেও গিয়েছি। তবে আমেরিকার এক পক্ষের দাবি ঠিক নয়।”

    বিস্তৃত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে

    জয়সওয়াল উল্লেখ করেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)  এবং ট্রাম্প (India-US Trade Deal) ২০২৫ সালেই আটবার ফোনে কথা বলেছেন। দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই দেশের রাষ্ট্র প্রধান। তিনি জোর দিয়ে আরও বলেন, “দুই নেতা কূটনৈতিক রীতিনীতি মেনে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবেন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। প্রসঙ্গক্রমে, প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প ২০২৫ ফোনে কথা বলার সময় আমাদের বিস্তৃত কাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। ভারত তার নিজের বিস্তৃত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মত স্পষ্ট জানিয়েছে।” বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, “আমরা দুটি পরিপূরক অর্থনীতির মধ্যে পারস্পরিকভাবে উপকারী বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী। তাই এই বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।”

    গত ৮ জানুয়ারী অল-ইন পডকাস্টে উপস্থিত থাকার সময় লুটনিকের (India-US Trade Deal) মন্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। যেখানে তিনি দাবি করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তরাজ্যের সঙ্গে প্রথম বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের পর আমেরিকা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত ছিল, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)  রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পকে ফোন করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে তা করা হয়নি। সেই সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন, মোদি ট্রাম্পকে সরাসরি ফোন করে চুক্তিটি সম্পন্ন করার জন্য নিজে থেকেই অনুরোধ করেছিলেন। তবে ভারত এই অনুরোধের এই কলটি অস্বস্তিকর ছিল।

    ভারত নিজের অবস্থান নিয়ে এখনও অনড়

    লুটনিকের মতে, আমেরিকা ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন এবং ভিয়েতনাম সহ অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য এগিয়ে এসেছে। তবে এই আলোচনা হল বাণিজ্যিক সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ আব সিঁড়ি। পদ্ধতিগত ভাবে দেশের প্রগতির জন্য এই কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে তিনি আরও দাবি করেছিলেন ভারত যাতে আরও ভালো সুযোগ হাতছাড়া করেছে। তাই চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। অর্থনীতিকে ভেঙে পড়েতে দেওয়া উচিত নয়।

    তবে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মতামত ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, আমেরিকা (India-US Trade Deal) সারা বিশ্বে আর্থিক নিয়ন্ত্রণ করতে পরোক্ষ চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে। ভারতকে নানা ভাবে বাণিজ্য চুক্তি করতে চাপ দেওয়ার কৌশল করছে। তবে ভারত নিজের অবস্থান নিয়ে এখনও অনড়। নিজেদের সার্বভৌমকে রক্ষার ক্ষেত্রে কোনও শক্তির সামনে যে মাথানত করবে না তাও সকলের কাছে স্পষ্ট।

    আমেরিকার হুমকি

    কিছুদিন আগে ভারতের ওপর চাপ বাড়িয়ে ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ মার্কিন সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম প্রকাশ্যে দাবি করেছেন যে তিনি এমন একটি আইন খসড়া করেছেন যেখানে রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। এই ধরনের প্রস্তাবকে অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংসাত্মক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে আখ্যা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এটি ওয়াশিংটনের বাণিজ্য নীতিকে ভূ-রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের আর একটি উদাহরণ।

LinkedIn
Share