Tag: PMO

PMO

  • PM Modi: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর (AI Impact Summit 2026) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সম্মেলনের লক্ষ্য হল এআইয়ের ক্ষেত্রে ভারতকে বিশ্বনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এমন এক ভবিষ্যতের কল্পনা করা, যেখানে প্রযুক্তি মানবতার অগ্রগতি সাধন করবে ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (PMO) তরফে জারি করা এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় সম্মেলনস্থল ভারত মণ্ডপমে মোদি অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের নেতাদের স্বাগত জানাবেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধন করবেন। সম্মেলনের ফাঁকে তিনি উপস্থিত একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদি (PM Modi)

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোদির পাশাপাশি ভাষণ দেবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ শিল্পপতিরা। এরপর অন্য নেতাদের সঙ্গে তিনি ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো ২০২৬ পরিদর্শন করবেন, যেখানে রয়েছে বিভিন্ন দেশের প্যাভিলিয়ন। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ ‘লিডার্স প্লেনারি’ অধিবেশনে অংশ নেবেন মোদি। এতে রাষ্ট্রপ্রধান, মন্ত্রী এবং বহুপাক্ষিক সংস্থার প্রবীণ প্রতিনিধিরা এআই সংক্রান্ত জাতীয় ও বৈশ্বিক অগ্রাধিকার—যেমন শাসনব্যবস্থা, পরিকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করবেন। বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে তিনি সিইও রাউন্ডটেবিলে অংশ নেবেন। এতে বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি ও শিল্পক্ষেত্রের শীর্ষ এক্সিকিউটিভরা সরকারি নেতৃত্বের সঙ্গে বিনিয়োগ, গবেষণা সহযোগিতা, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং এআই ব্যবস্থার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করবেন।

    এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর (AI Impact Summit 2026) মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল ‘সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়’ (সবার কল্যাণ, সবার সুখ)। এই সম্মেলনের উদ্দেশ্যই হল এআই ক্ষেত্রে ভারতকে (PM Modi) অগ্রণী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা এবং এমন এক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা, যেখানে এআই মানবকল্যাণে কাজ করবে, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করবে এবং পৃথিবীকে সুরক্ষিত রাখবে। সম্মেলনটি তিনটি স্তম্ভ – মানুষ (People), পৃথিবী (Planet) এবং অগ্রগতি (Progress) -এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাতটি কর্মদলের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এই দলগুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের বাস্তব প্রভাব তুলে ধরার মতো সুনির্দিষ্ট ফল উপস্থাপন করবে।

    সাতটি মূল থিম

    সাতটি মূল থিম হল, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণে এআই, এআই সম্পদের গণতন্ত্রীকরণ, সামাজিক ক্ষমতায়নের জন্য অন্তর্ভুক্তি, নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য এআই, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিজ্ঞান, স্থিতিশীলতা, উদ্ভাবন ও দক্ষতা। এই সম্মেলনে ৫০০-রও বেশি বৈশ্বিক এআই নেতা অংশ নেবেন। এর মধ্যে থাকবেন প্রায় ১০০ জন সিইও এবং প্রতিষ্ঠাতা, ১৫০ জন শিক্ষাবিদ ও গবেষক, এবং ৪০০ জন সিটিও, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দাতব্য সংস্থার প্রতিনিধিরা। এছাড়াও ১০০-রও বেশি সরকারি প্রতিনিধি, যার মধ্যে (AI Impact Summit 2026) ২০-রও বেশি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং প্রায় ৬০ জন মন্ত্রী অংশ নেবেন (PM Modi)।

     

  • PM Modi: নয়া ঠিকানায় গিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: নয়া ঠিকানায় গিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সাউথ ব্লক ছেড়ে পাকাপাকিভাবে চলে গেল সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সের নয়া ঠিকানায়। তার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কৃষক, নারী, যুবসমাজ এবং অসহায় নাগরিকদের কল্যাণকে গুরুত্ব দিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথিতে স্বাক্ষর করেন। সেবা তীর্থ থেকে নেওয়া তাঁর প্রথম সিদ্ধান্তগুলির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পিএম রাহাত প্রকল্প চালুর অনুমোদন দেন, ঘোষণা করেন লাখপতি দিদি উদ্যোগের ব্যাপক সম্প্রসারণের। এর পাশাপাশি তিনি কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ দ্বিগুণ করেন এবং অনুমোদন করেন স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর।

    পিএম রাহাত প্রকল্প চালু

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী যে পিএম রাহাত প্রকল্প চালুর অনুমোদন দিয়েছেন, তার লক্ষ্য হল দুর্ঘটনাগ্রস্তদের জন্য সর্বোচ্চ ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদবিহীন চিকিৎসার সুবিধা দেওয়া। আধিকারিকরা জানান, জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ও ক্যাশলেস চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে প্রাণহানি রোধ করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

    ছ’কোটি  লাখপতি দিদি-র লক্ষ্য (PM Modi)

    সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, নির্ধারিত মার্চ ২০২৭ সময়সীমার আগেই তিন কোটির ‘লাখপতি দিদি’ লক্ষ্যমাত্রার চৌকাঠ পার করা হয়েছে। এই অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় সরকার মার্চ ২০২৯-এর মধ্যে ছ’কোটি ‘লাখপতি দিদি’ তৈরির নয়া লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। লাখপতি দিদি উদ্যোগের লক্ষ্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের টেকসই জীবিকামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বছরে কমপক্ষে ১ লক্ষ টাকা আয় করতে সক্ষম করে তোলা (PM Modi)।

    বাড়ল কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ

    কৃষিক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কৃষি পরিকাঠামো তহবিলের বরাদ্দ ১ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ কোটি টাকা করেছেন। এই তহবিল ফসল-পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পরিকাঠামো এবং গুদামঘর, কোল্ড স্টোরেজ ইউনিট ও প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রের মতো সামষ্টিক কৃষি সম্পদ উন্নয়নে সহায়তা করে। আধিকারিকরা জানান, এই বর্ধিত বরাদ্দ কৃষি মূল্যশৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করবে এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

    স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর অনুমোদন

    ভারতকে বৈশ্বিক উদ্ভাবন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ১০,০০০ কোটি টাকার করপাস-সহ স্টার্টআপ ইন্ডিয়া ফান্ড অফ ফান্ডস ২-এর অনুমোদন করেছেন। এই নয়া তহবিল প্রাথমিক পর্যায়ের স্টার্টআপ এবং ডিপ টেক ও অগ্রসর উৎপাদন খাতের মতো উচ্চ-বৃদ্ধির ক্ষেত্রকে সাহায্য করবে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    PM Modi: ইতিহাস হতে চলেছে ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর সরে যাচ্ছে ‘সেবা তীর্থে’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক সাউথ ব্লক ছেড়ে নয়া কার্যালয়ে স্থানান্তরিত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) ছিল এখানেই। সেখান থেকেই পাততাড়ি গুটিয়ে সরে যাচ্ছে পিএমও। জানা গিয়েছে, ১৪ জানুয়ারি (মকর সংক্রান্তি)-র পর প্রধানমন্ত্রী, তাঁর দফতর, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট নিয়ে নতুন সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে কাজ শুরু করতে পারেন।

     সেবা তীর্থ (PM Modi)

    রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে দারা শিকো রোডে (পূর্বতন ডালহৌসি রোড) কেন্দ্রীয় সরকারের সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ বা সেবা তীর্থ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরেই ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট নতুন কমপ্লেক্সে স্থানান্তরিত হয়েছে। খুব শীঘ্রই সেখানে যাবে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সেক্রেটারিয়েট। সবশেষে, মকর সংক্রান্তির পর প্রধানমন্ত্রী নিজেও নতুন দফতরে গিয়ে কাজ শুরু করতে পারেন।  সেবা তীর্থ কমপ্লেক্সে পিএমও, ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট এবং এনএসসিএস—তিনটি আলাদা ভবন রয়েছে। আগে ক্যাবিনেট সেক্রেটারিয়েট রাষ্ট্রপতি ভবনের প্রাঙ্গন থেকে কাজ করত, আর এনএসসিএসের দফতর ছিল পার্লামেন্ট স্ট্রিটের সর্দার প্যাটেল ভবনে (PM Modi)।

    নতুন সরকারি বাসভবন

    এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-১-এর কাছেই নির্মাণ কাজ চলছে প্রধানমন্ত্রীর নতুন সরকারি বাসভবনের, যা এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ পার্ট-২ নামে পরিচিত (PMO)। সূত্রের দাবি, নতুন পিএমও ভবনের অধিকাংশ অফিস আধুনিক ওয়ার্কস্পেসের আদলে তৈরি, ঠিক যেমন সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে নির্মিত কার্তব্য ভবনগুলিতে দেখা গিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কক্ষ এবং রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত কক্ষগুলি তুলনামূলকভাবে আরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে সাজানো হয়েছে। এই কমপ্লেক্স নির্মাণ করেছে লারসেন অ্যান্ড টুব্রো। কেন্দ্রীয় গণপূর্ত দফতর জানিয়েছিল, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর এই প্রকল্পের বরাত দেওয়া হয় (PM Modi)। ব্যয় ধরা হয়েছিল ১,১৮৯ কোটি টাকা, যা প্রস্তাবিত ব্যয়ের তুলনায় ১০.৪৪ শতাংশ কম। নির্মাণের সময়সীমা ধরা হয়েছিল ২৪ মাস।

    সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি বা চূড়ান্ত ব্যয় সম্পর্কে আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক কিংবা সিপিডব্লুডি আর বিশেষ তথ্য প্রকাশ করেনি। এ বিষয়ে পাঠানো প্রশ্নের কোনও জবাবও মেলেনি (PMO)। স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর আমল থেকে সাউথ ব্লকেই ছিল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। ১৯২০-৩০-এর দশকে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত নর্থ ও সাউথ ব্লক ছিল কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের মূল ভবন। সেন্ট্রাল ভিস্তা পুনর্গঠন প্রকল্পের আওতায় এই দুই ঐতিহাসিক ভবনকে জাতীয় জাদুঘরে রূপান্তরিত করা হবে, যাতে প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষ রাইসিনা হিলের এই লাল বেলেপাথরের ভবনগুলি ঘুরে দেখতে পারেন। ইতিমধ্যেই নর্থ ব্লকের সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্র ও অর্থমন্ত্রক সরে যাওয়ার পর, সাউথ ব্লকের সংস্কারের জন্যও টেন্ডার ডাকা হয়েছে। ভবন খালি হলেই কাজ শুরু হবে (PM Modi)। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ঘোষিত সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের অধীনে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে নয়া সংসদ ভবন, উপরাষ্ট্রপতির এনক্লেভ এবং ১০টি নতুন কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ভবনের মধ্যে প্রথম তিনটি কর্তব্য ভবন নির্মিত হয়েছে (PMO)।

  • PMO: দেশীয় অ্যাকাউন্টিং ফার্মগুলিকে ‘বিগ ফোর’ কোম্পানির ধাঁচে গড়ে তুলতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    PMO: দেশীয় অ্যাকাউন্টিং ফার্মগুলিকে ‘বিগ ফোর’ কোম্পানির ধাঁচে গড়ে তুলতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকল প্রধানমন্ত্রীর দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশীয় অ্যাকাউন্টিং ফার্মগুলিকে জনপ্রিয় ‘বিগ ফোর’ (ইওয়াই, ডেলোইটি, কেপিএমজি এবং পিডাব্লুসি) কোম্পানির ধাঁচে গড়ে তোলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে ২৩ সেপ্টেম্বর উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO)। বৈঠকে মূলত যে বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হবে, সেগুলি হল বিধিনিষেধ সহজীকরণ, কমপ্লায়েন্স ব্যবস্থাগুলির যৌক্তিকীকরণ, যা দেশীয় অডিট এবং কনসালটেন্সি ফার্ম গড়ে তুলতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় (Self Reliance)। এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হল বৈশ্বিক জায়ান্ট কোম্পানিগুলির ওপর নির্ভরশীলতা কমানো এবং অডিট ও কনসালটেন্সি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়া। একই সঙ্গে এমন বিশ্বমানের ভারতীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি করা যেগুলি ‘বিগ ফোর’র সমতুল হবে এবং এর মাধ্যমে ভারত ২৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অডিট ও কনসালটেন্সি শিল্পে একটি দৃঢ় বৈশ্বিক অবস্থান অর্জন করতে পারবে।

    বৈঠকে কারা উপস্থিত থাকবেন (PMO)

    এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব শক্তিকান্ত দাস। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর, অর্থমন্ত্রক এবং কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ উপস্থিত থাকবেন। বৈঠকটি এমন একটি সময়ে হতে যাচ্ছে যখন কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক দেশীয় অথচ বিশ্বমানের বহুবিষয়ক কনসালটেন্সি ফার্ম গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত ও পরামর্শকে স্বাগত জানিয়েছে। এর লক্ষ্য হল, একটি ছাতার মতো প্রতিষ্ঠান তৈরি করা যেখানে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, কোম্পানি সেক্রেটারি, আইনজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীরা একসঙ্গে কাজ করতে পারবেন।

    বহুবিষয়ক কনসালটেন্সি ফার্ম

    বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, এমন বহুবিষয়ক কনসালটেন্সি ফার্ম তৈরিতে বেশ কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর দফতরের এই বৈঠকের উদ্দেশ্য হল এসব বাধা সহজ করা এবং দেশে বিশ্বমানের অডিট ও কনসালটেন্সি ফার্ম গড়ে তোলার সুযোগ করে দেওয়া। এছাড়াও যেসব অন্তরায় রয়েছে সেগুলিও দূর করার চেষ্টা করা হবে। যেমন বিজ্ঞাপন ও মার্কেটিংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়া, বিভিন্ন পেশাদার পরিষেবার জন্য সিঙ্গল-উইন্ডো লাইসেন্স ও কমপ্লায়েন্স সিস্টেম চালু করা, বৈশ্বিক সহযোগিতার জন্য সহায়তা, পুঁজি সঙ্কট দূরীকরণ এবং অর্থ সংগ্রহের সুবিধা দেওয়া ইত্যাদি (PMO)।

    প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অন্তত চারটি বড় দেশীয় অডিট ও পরামর্শদানকারী সংস্থা গড়ে তোলা এবং তাদের (Self Reliance) বিকাশে সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন, যেগুলিকে বিশ্বের শীর্ষ আটটি কোম্পানির মধ্যে নিয়ে আসা সম্ভব হবে (PMO)।

  • PMO: ট্রাম্পের শুল্কধাক্কার মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জরুরি বৈঠক

    PMO: ট্রাম্পের শুল্কধাক্কার মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে জরুরি বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় পণ্যের ওপর দু’দফায় মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক (Trumps Tariffs) আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তার জেরে বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে ভারতীয় রফতানিকারীদের। ঘটনার মোকাবিলার ২৬ অগাস্ট, মঙ্গলবার একটি জরুরি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) সূত্রে খবর। প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি ডাকা হয়েছে এমন একটা সময়ে, যখন ভারতীয় রফতানিকারীরা বুধবার থেকে কার্যকর হতে চলা ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এটি আগের ২৫ শতাংশ শুল্ককে দ্বিগুণ করে দিচ্ছে। প্রথমে এই শুল্কহার ঘোষণা করা হয়েছিল ২৫ শতাংশ।

    শুল্কবৃদ্ধির ধাক্কা (PMO)

    ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, এই উল্লেখযোগ্য শুল্কবৃদ্ধির কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যেসব ভারতীয় ব্যবসা করছেন, তাঁদের লাভের পরিমাণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রক রফতানিকারী এবং রফতানি উন্নয়ন পরিষদগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করছে। বর্তমানে পঁচিশ বছরের শুল্ক কাঠামোর কারণে ইতিমধ্যেই যে ক্ষতি হয়েছে, তা মূল্যায়ন করতেই এই যোগাযোগ করা হচ্ছে। শিল্পপতিরা জানিয়েছেন, আগের ২৫ শতাংশ শুল্কও তাঁদের লাভের মার্জিনকে যথেষ্ট সংকুচিত করেছে এবং তার জেরে মার্কিন বাজারে তাঁদের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আগের চেয়ে বেশ দুর্বল হয়েছে। সরকারি আধিকারিকরা সার্বিক অর্থনীতিজুড়ে স্বস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার বদলে লক্ষ্যভিত্তিক হস্তক্ষেপ কৌশল খুঁজে দেখছেন। এখন তাঁরা মনোযোগ দিচ্ছেন খাতভিত্তিক সহায়তা ব্যবস্থার দিকে, যা ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলিকে আরও সুনির্দিষ্টভাবে সাহায্য করতে পারে।

    জরুরি ঋণসীমা গ্যারান্টি প্রকল্প

    রফতানিকারীরা জরুরি ঋণসীমা গ্যারান্টি প্রকল্প (Emergency Credit Line Guarantee Scheme) চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন। এটি জামানতবিহীন কার্যকরী মূলধন দেবে এবং সরকারের ঝুঁকি কভারেজের আওতায় আসবে। তবে নীতিনির্ধারকেরা খাতভিত্তিক কেন্দ্রীভূত হস্তক্ষেপের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। আধিকারিকদের ধারণা, এমন লক্ষ্যভিত্তিক পদ্ধতি বিস্তৃত কর্মসূচির তুলনায় বেশি কার্যকর ফল দিতে সক্ষম। জানা গিয়েছে, ইদানিং সরকারের মনোযোগ বিশেষভাবে কেন্দ্রীভূত হয়েছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং রফতানিমুখী উৎপাদন ইউনিটগুলি রক্ষার দিকে। এগুলিকে বহিরাগত অর্থনৈতিক বিঘ্নের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলি (Trumps Tariffs) বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে যে খাতভিত্তিক ঋণ সুবিধা, যা জামানত দ্বারা সুরক্ষিত থাকবে, তা প্রকৃত অর্থে সাহায্য করতে পারবে (PMO)।

    সরকারি আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, রফতানিমুখী ইউনিট ও ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পগুলিকে রক্ষা করাই এখন সরকারের কৌশলের মূল লক্ষ্য। কারণ বহির্বিশ্বের ধাক্কায় সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রত হয় এই খাত। সূত্রের খবর, মঙ্গলবারের বৈঠকে ভারত সরকারের প্রতিক্রিয়ার (Trumps Tariffs) খসড়া চূড়ান্ত করা হবে। কারণ টেক্সটাইল, চর্মজাত পণ্য সামগ্রী, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য এবং কেমিক্যাল খাত – সব ক্ষেত্রেই বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে নয়া শুল্কের ধাক্কা (PMO)।

  • Kargil Vijay Diwas: ‘‘ইতিহাস থেকে শেখেনি…’’, কার্গিল বিজয় দিবসে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    Kargil Vijay Diwas: ‘‘ইতিহাস থেকে শেখেনি…’’, কার্গিল বিজয় দিবসে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি পাকিস্তান। যে কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলা ব্যর্থ করবে ভারত। দেশের সেনাবাহিনীর প্রতি আস্থা রেখে কার্গিল বিজয় দিবসে (Kargil Vijay Diwas) পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কার্গিল বিজয় দিবসের রজত জয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ থেকে ২৬ জুলাই দ্রাসে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে লাদাখে ‘কার্গিল ওয়ার মেমোরিয়ালে’ পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সেখানে প্রধানমন্ত্রী কার্গিল যুদ্ধে শহিদ বীর সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। 

    পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি (Kargil Vijay Diwas) 

    ভারত চলতি বছর ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবসের (Kargil Vijay Diwas)  রজত জয়ন্তী উদযাপন করছে। ২৫ বছর আগে এই দিনে ভারতীয় সেনাবাহিনী তার বীরত্ব ও সাহসিকতার এক নজির সৃষ্টি করেছিল। এই উপলক্ষে শুক্রবার শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে লাদাখে কার্গিল যুদ্ধের স্মৃতিসৌধে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখানে শহিদদের  প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। 

    একই সঙ্গে পাকিস্তানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “আমি সন্ত্রাসবাদের প্রভুদের বলব, ওদের অপচেষ্টা কখনই সফল হবে না। শত্রুদের যোগ্য জবাব দেব। লাদাখ বা ​​জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নের পথে আসা প্রতিটি চ্যালেঞ্জকে হারাবে ভারত। পাকিস্তান তার ইতিহাস থেকে কিছুই শিক্ষা নেয়নি। তারা সন্ত্রাসবাদ এবং ছায়া যুদ্ধ ব্যবহার করে। আমি আজ এমন একটি জায়গা থেকে কথা বলছি, যেখানে সন্ত্রাসবাদীরা সরাসরি আমার কথা শুনবে। আমি তাদের বলতে চাই, তাদের পরিকল্পনা কখনই সফল হবে না। লাদাখ হোক বা ​​জম্মু ও কাশ্মীর, আমরা উন্নয়ন চালিয়ে যাব। ৫ অগাস্ট, ৩৭০ ধারা বাতিলের ৫ বছর পরে, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। পরিকাঠামো ও পর্যটন খাত দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কয়েক দশক পর কাশ্মীরে সিনেমা হল খুলেছে। কয়েক দশক পর শিয়া সম্প্রদায় শ্রীনগরে তাকিয়া পালন করেছে।”

    ২৫ বছর আগে কী হয়েছিল (Kargil Vijay Diwas) 

    ১৯৯৯ সালের ২৬ জুলাই ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রায় তিনমাস যুদ্ধের পর কার্গিল সেক্টরে ভারতের দিকে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীদের দখল করা অংশ পুনরুদ্ধার করে অপারেশন বিজয়ের সাফল্য ঘোষণা করে। যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয়কে স্মরণ করতে দিনটিকে কার্গিল বিজয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে।

    প্রধানমন্ত্রীর বার্তা (PM Modi)

    এদিন, সকাল সাড়ে ৯টায় কার্গিল যুদ্ধের স্মৃতিসৌধে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। তার আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, ‘২৬ জুলাই প্রত্যেক ভারতীয়র জন্য একটি বিশেষ দিন। এবার আমরা ২৫তম কার্গিল বিজয় দিবস (Kargil Vijay Diwas) উদযাপন করব। আমাদের দেশকে যারা প্রাণ দিয়ে রক্ষা করেছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্যই বিশেষ ভাবে পালিত হচ্ছে আজকের এই দিন’। 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বার্তা

    কার্গিল বিজয় দিবসের রজত জয়ন্তী উপলক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স-এ লিখেছেন- ‘দেশ কখনও শহিদদের আত্মত্যাগ ভুলবে না’। আজকের এই বিশেষ দিনে বীর শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠি।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিখেছেন, “আজ কার্গিল বিজয় (Kargil Vijay Diwas) দিবসের ২৫তম বার্ষিকীতে, আমরা ১৯৯৯ সালের যুদ্ধে বীর সৈনিকদের অদম্য চেতনা এবং সাহসের কথা স্মরণ করছি। তাদের অটল প্রতিশ্রুতি, বীরত্ব এবং দেশপ্রেম আমাদের দেশকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রেখেছে। তাদের সেবা এবং আত্মত্যাগ প্রত্যেক ভারতীয় এবং আমাদের আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।”

    শিনকুন লা টানেল উদ্বোধন

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে খবর, মোদি (PM Modi) তাঁর লাদাখ সফরে শিনকুন লা টানেল প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। লেহ-এর সঙ্গে যোগাযোগ উন্নত করতে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ। কাজ সম্পুর্ণ হলে শিনকুন লা হবে বিশ্বের সর্বোচ্চ টানেল। শিনকুন লা টানেল প্রকল্পটি ৪.১ কিলোমিটার লম্বা টুইন টিউব টানেল নিয়ে গঠিত। এই টানেল তৈরি হয়ে গেলে সারা বছরই লেহ উপত্যকার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে। নিমু-পদুম-দারচা সড়কে প্রায় ১৫,৮০০ ফুট উচ্চতায় তৈরি হবে এই টানেল। টানেলটি হিমাচল প্রদেশের লাহুল উপত্যকাকে লাদাখের জান্সকার উপত্যকার সঙ্গে সংযুক্ত করবে। এদিন কার্গিল যুদ্ধে নিহত সেনা অফিসারদের পরিবারের লোকেদের সঙ্গেও কথা বলবেন মোদি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rozgar Mela: দীপাবলির আগে সুখবর, রোজগার মেলায় সরকারি চাকরি ৭৫ হাজারের

    Rozgar Mela: দীপাবলির আগে সুখবর, রোজগার মেলায় সরকারি চাকরি ৭৫ হাজারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আগেই খুশির খবর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ ৭৫ হাজার যুবক যুবতীদের হাতে সরকারী চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন। আজ বেলা ১১ টায় ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এই মেলার সূচনা করবেন নরেন্দ্র মোদি।

    পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এই অনুষ্ঠানটির সম্পর্কে বিবৃতি জারি করা হয়। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, তরুণদের জন্য চাকরির সুযোগ প্রদান এবং নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ক্রমাগত প্রতিশ্রুতি পূরণের দিকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    [tw]


    [/tw]

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুসারে, সমস্ত মন্ত্রণালয় এবং বিভাগ মিশন মোডে চলে গিয়েছে। অনুমোদিত পদের বাকি পদ দ্রুত পূরণের জন্য কাজ করছে, বিবৃতিতে বলা হয়েছে। এউপিএসসি, এসএসসি, রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে নিয়োগ করা হবে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রুপ এ (গেজেটেড) বিভাগে ২৩৫৮৪ টি শূন্যপদ, গ্রুপ বি (গেজেটেড) ২৬২৮২ টি, গ্রুপ বি (নন-গেজেটেড) ৯২৫২৫ টি এবং গ্রুপ সি (নন-গেজেটেড) ৮.৩৬ লাখ শূন্যপদ রয়েছে। শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা মন্ত্রকেই ৩৯৩৬৬ টি গ্রুপ বি (নন-গেজেটেড) এবং ২.১৪ লক্ষ গ্রুপ সি শূন্যপদ রয়েছে। রেলের ২.৯১ লক্ষ গ্রুপ সি পদ রয়েছে এবং গৃহ মন্ত্রানালয়ে ১.২১ লক্ষ গ্রুপ সি (নন-গেজেটেড) শূন্যপদ রয়েছে।সরকার যত দ্রুত এই শুন্যপদ গুলিতে নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুন মাসেই কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছিল যে আগামী দেড় বছরে সরকারি ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করা হবে। তারই প্রথম ধাপ হিসেবে ১০ লক্ষের মধ্যে ৭৫ হাজার নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের হাতে আজ চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল।

    ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে আসার জন্য বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিরোধীরা মনে করছেন। বেকারত্ব বর্তমানে ভারতে জ্বলন্ত সমস্যা।ক্ষমতায় এলে বছরে ২ কোটি চাকরির বন্দোবস্ত করবেন বলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদী। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলে বার বার কর্মসংস্থান নিয়ে মোদী সরকারের দিকে তির ছুড়েছে বিরোধী শিবির। বৃহস্পতিবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী টুইটারে লিখেছেন, নিজের দুই ধনী বন্ধুকে বিশ্বের সব থেকে ধনী করে তোলার অন্ধ প্রচেষ্টায় ভারতের কর্মসংস্থান তৈরির শিল্পকে খোঁড়া করে দিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    এর আগেও রাহুল-সহ বিরোধী নেতারা কর্মসংস্থান নিয়ে কেন্দ্রকে নিশানা করেছেন। বেকারত্বের হার নিয়ে মোদী সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছেন তাঁরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Collapsed: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে নয়া পন্থা, জানুন বিশদে

    Uttarkashi Tunnel Collapsed: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে নয়া পন্থা, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুরে যাচ্ছে ঘড়ির কাঁটা। বয়ে যাচ্ছে সময়। দুর্ঘটনার ছ’ দিন পরেও এখনও উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে (Uttarkashi Tunnel Collapsed) আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করা যায়নি। আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে এবার উলম্বভাবে গর্ত খোঁড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

    শ্রমিকদের উদ্ধারে নয়া পন্থা

    বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের মেজর নমন নারুলা বলেন, “সুড়ঙ্গের ওপর থেকে আমরা উলম্বভাবে একটি গর্ত খোঁড়ার চেষ্টা করছি। এজন্য একটি জায়গাও চিহ্নিত করা হয়েছে। অবিলম্বে শুরু হবে গর্ত খোঁড়ার কাজ। ট্র্যাকটি হাজার থেকে এগারোশো মিটার দীর্ঘ। গর্ত খুঁড়তে কত সময় লাগবে, তা নিয়েও আমরা একটা সমীক্ষা করছি। আমাদের হিসেব বলছে রবিবার দুপুরের মধ্যে ট্র্যাক তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে।” শনিবারই গুজরাট থেকে উড়িয়ে নিয়ে আসা হয়েছে নয়া মেশিন। সেই মেশিনটিকেও কাজে লাগানো হয়েছে।

    পিএমও দলের বক্তব্য

    এদিনই উদ্ধারকাজ খতিয়ে (Uttarkashi Tunnel Collapsed) দেখতে এসেছিল প্রধানমন্ত্রীর অফিসের একটি দল। এই দলে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন উপদেষ্টা ভাস্কর খুলবে। তিনি বলেন, “উদ্ধারকারী দলের বিশেষজ্ঞরা কেবল একটা মাত্র পন্থা অবলম্বন করে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন না। শ্রমিকদের উদ্ধার করতে আমরা এক সঙ্গে পাঁচটি পন্থা অবলম্বন করছি।” তিনি বলেন, “চার-পাঁচদিনের মধ্যেই আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে। তবে ভগবান সদয় হলে আরও আগেই উদ্ধার করা যেতে পারে আটকে পড়া শ্রমিকদের।”

    আরও পড়ুুন: যোগী রাজ্যে নিষিদ্ধ হল হালাল সার্টিফিকেটযুক্ত পণ্য

    গত রবিবার দুপুরে উত্তরকাশীতে একটি নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধস নামে। সেই সময় সুড়ঙ্গটিতে কাজ করছিলেন ৪১ জন শ্রমিক। আচমকা সুড়ঙ্গ মুখে ধস নামায় বের হতে পারেননি তাঁরা। ওই শ্রমিকদের জন্য সুড়ঙ্গে রয়েছে ৪০ মিটার ফাঁকা জায়গা। সেখানেই পাইপের মাধ্যমে শ্রমিকদের পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে খাবার, জল এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। আটকে পড়া শ্রমিকরা যাতে মানসিকভাবে সুস্থ থাকেন, তাই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন সাইকোলজিস্টরা। আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে দেশের পাশাপাশি নরওয়ে থেকেও নিয়ে আসা হয়েছে বিশেষজ্ঞ দল। আনা হয়েছে অত্যাধুনিক মেশিনও। সুড়ঙ্গ মুখে পুজো-অর্চনাও শুরু হয়েছে। তার পরেও শ্রমিকরা আটকে রয়েছেন সুড়ঙ্গের (Uttarkashi Tunnel Collapsed) নিকষ কালো অন্ধকারে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarkashi Tunnel Collapse: দুর্ঘটনার ৫ দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, উত্তরকাশী গেল পিএমও দল

    Uttarkashi Tunnel Collapse: দুর্ঘটনার ৫ দিন পরেও সুড়ঙ্গে আটকে শ্রমিকরা, উত্তরকাশী গেল পিএমও দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরকাশীতে সুড়ঙ্গে ধসের (Uttarkashi Tunnel Collapse) পর কেটে গিয়েছে পাঁচ দিন। এখনও উদ্ধার করা যায়নি সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ৪০ জন শ্রমিককে। বাইরে থেকে অক্সিজেন এবং খাবার সরবরাহ করা হলেও, ক্রমেই মনে-প্রাণে ধ্বস্ত হয়ে পড়ছেন আটকে থাকা শ্রমিকরা। সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন এ রাজ্যের তিনজনও।

    উত্তরকাশীতে পিএমও-র দল

    উদ্ধারকার্য খতিয়ে দেখতে পিএমও-র একটি দল গিয়েছে উত্তরকাশীতে। জানা গিয়েছে, উদ্ধারকারী দল শুক্রবার পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সুড়ঙ্গের ২৪ মিটার অবধি যেতে পেরেছে। যদিও সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে যেতে হবে ৬০ মিটার। ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাকস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে পাঁচ নম্বর পাইপটি ঢোকানো হচ্ছে সুড়ঙ্গ পথে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের খাবার এবং জল সরবরাহ করা হচ্ছে। চলছে সাইকোলজিক্যাল কাউন্সেলিংও। তাঁরা সাইকোলজিক্যাল এক্সপার্টদের সঙ্গে কথাও বলছেন। তাঁরা প্রত্যেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রয়েছেন।

    ইন্দোর থেকে আসছে নয়া মেশিন

    জানা গিয়েছে, আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel Collapse) উদ্ধার করতে এতদিন যেসব মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলির পাশাপাশি নতুন মেশিন আনা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, এখন যে মেশিন কাজ করছে, সেটি ডিজেল চালিত মেশিন। মেশিনটি এনক্লোজড এলাকায় কাজ করছে। তাই ভেন্টিলেশনের জন্য কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখতে হচ্ছে মেশিনটি। মেশিনটি চলাকালীন ব্যাপক কম্পনও হচ্ছে। সমস্যা মেটাতে ইন্দোর থেকে উড়িয়ে আনা হচ্ছে অগার মেশিন। উদ্ধারকার্যে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, তাই এই ব্যবস্থা।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা দেয়নি মমতা সরকার! অভিযোগ শুনতে কল-সেন্টার চালু করছে বিজেপি?

    উদ্ধারকার্য ত্বরান্বিত করতে বিভিন্ন সংস্থার ৬৫ জন কর্মীকে নিয়োগ করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন এবং ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ। উদ্ধারকার্যে শামিল হয়েছেন থাইল্যান্ড ও নরওয়ের উদ্ধারকারী দলের বিশেষজ্ঞরাও। ন্যাশনাল হাইওয়ে অ্যান্ড ইনফ্রাকস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানান, জায়েন্ট ড্রিল মেশিনের সাহায্যে সুড়ঙ্গে ৮০০-৯০০ মিলিমিটার ডায়ামিটারের পাইপ ঢোকানো হচ্ছে। এভাবেই তৈরি করা হবে জায়গা। তার পরেই উদ্ধার করা সম্ভব হবে সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিকদের (Uttarkashi Tunnel Collapse)। এদিকে, আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধার করতে পুজো-আচ্চা শুরু হয়েছে সুড়ঙ্গের মুখে। প্রসঙ্গত, রবিবার দুপুরে জাতীয় সড়কের ওপর সুড়ঙ্গ তৈরি করতে গিয়ে ধস নামে। আটকে পড়েন শ্রমিকরা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Narendra Modi: এক বছরে ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বেড়েছে প্রধানমন্ত্রীর! জানেন তাঁর মোট অর্থের পরিমাণ

    Narendra Modi: এক বছরে ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বেড়েছে প্রধানমন্ত্রীর! জানেন তাঁর মোট অর্থের পরিমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতবছরের থেকে এবছর ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বেড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে , ২০২২ সালের ৩১ মার্চ তারিখে তাঁর সম্পত্তির মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। মার্চ ২০২১ সালের নথি অনুযায়ী সেসময় তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৯৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৮৫ টাকা।

    সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদি-সহ (Narendra Modi) কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সম্পত্তির খতিয়ান প্রকাশ করেছে পিএমও (PMO)। এই খতিয়ানেই ফিক্সড ডিপোজিট, ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেটস, জীবন বিমা, গহনা, ব্যাঙ্কে জমা টাকা এবং হাতে থাকা নগদ মিলিয়ে মোদির অস্থাবর সম্পত্তির এই হিসেব দেখানো হয়েছে। গত বছর মোদির হাতে নগদ ছিল ৩৬ হাজার ৯০০ টাকা, তা কমে ৩৫ হাজার ২৫০ টাকা হয়েছে। ব্যাঙ্কে জমা টাকার পরিমাণও ১ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৮০ টাকা থেকে কমে ৪৬ হাজার ৫৫৫ টাকা হয়েছে। মোদির নামে (PM Narendra Modi Assets) ২০ হাজার টাকার এল অ্যান্ড টি বন্ড রয়েছে বলে জানানো হয়। ২০১২ সালে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় সেটি কিনেছিলেন তিনি। এ বছর সেটির কোনও উল্লেখ মেলেনি।

    আরও পড়ুন: পিএম উজ্জ্বলা যোজনার ৩৭% উপভোক্তাই সংখ্যালঘু, বলছে পরিসংখ্যান

    একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দফতরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নামে কোনও স্থাবর সম্পত্তি নেই। এর আগে তাঁর দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী তাঁর নামে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা মূল্যের কিছু জমি ছিল। যদিও ওটি একটি অংশীদারী সম্পত্তি ছিল। যাতে নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও আরও দুজন অংশীদার ছিলেন। জানা গিয়েছে, নিজের অংশের জমিটি তিনি দান করে দিয়েছেন। তাই আজকের তারিখে দাঁড়িয়ে তাঁর নামে কোনও জমি নেই।

    প্রধানমন্ত্রীর পেশ করা তথ্য থেকেই জানা যায়, তাঁর নিজস্ব কোনও গাড়ি নেই। কোনও শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করেন না নরেন্দ্র মোদী। তবে পোস্ট অফিসে একটি ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট (National Savings Certificate) আছে মোদির নিজের নামে। যার মূল্য ৮ লক্ষ ৯৩ হাজার ২৫১ টাকা থেকে বেড়ে ৯ লক্ষ ৫ হাজার ১০৫ টাকা হয়েছে। এছাড়াও তাঁর নিজের নামে একটি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩০৫ টাকার পলিসিও (life insurance policies) রয়েছে। 

    এছাড়াও ৪৫ গ্রাম ওজনের মোদির চারটি সোনার আংটি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যার মূল্য ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৬৩ টাকা। এক বছর আগে সেগুলির মূল্য ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩৩১ টাকা ছিল। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের দেওয়া তথ্যে মোদির স্ত্রী যশোদাবেনের উল্লেখ থাকলেও, তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ জানা নেই বলে দেখানো হয়েছে।

LinkedIn
Share